পিতার কাছে পূত্রের পত্র:
শ্রদ্ধেয় আব্বাজান
প্রথমে আমার সালাম লন। কদমবুসি করার রিস্কে গেলাম না। মনে আছে একবার দাদাজানরে কদম বুসি দেওনের সময় এমুন লাথি মারছিলেন পয়েন্ট বরাবর, অহনও প্রতি আমাবস্যায় বইসা থাকতে আর টয়লেটে সমস্যা হয়। যাই হোক, আশা করি মানুষের মাথায় কাঠাল ভাইঙ্গা ভালোই আছেন।
আপনি তো জানেন আপনের মতো পরোপকারী গুণ আমার মধ্যেও িদ্যমান। কেউ কোনো সাহায্য চাইলে আমি তাকে সাহায্য না কইরা থাকতে পারি না। আর সেই সাহায্যকে মানুষ উল্টায় পাল্টায় খিচূড়ি বানাইয়া আমার বিরুদ্ধে চুরি আর ডাকাতীর কেস দিয়া আমাকে দেশান্তরী করছে।দুস্ট লোকের দিস্ট কেরামতীর কারনে আমাগো এলাকার মুরগী হাসানের কাছে ২০০ টা টাকা কর্জ নিছিলাম। দয়া কইরা তারে দিয়া দেবেন। আমার কেসের কি অবস্হা, সেইটাও জানাইবেন আশা করি!
কাজের কথায় আসি, দুইদিন ধইরা পেটে পাগলা পানি পড়ে না, আর এইখানে উহার দাম আমাদের গ্রাম হইতে ১০ গুণ। তাই দুইদিন ধইরা না খাইয়া আছি। দ্রূত মানি অর্ডার পাঠান!
ইতি
আপনারই স্নেহের সন্তান
কুদ্দুস
পুত্রের কাছে পিতার চিঠি:
স্নেহের পুত্র
যেইখানেই আছো ভালোই আছো। গ্রামে আসিলে তোমার পিন্ডি চটকানো হইবে এইটা সন্দেহ নাই। যেই ব্যাক্তি তুমার কাছে এক গ্লাস পানি খাইতে চাইছিলো যারে তুমি বেহুশীর ওষুধের লগে জামাল গোঠা খাওয়াইয়া লুট কইরা হাসপাতালে পাঠাইছিলা সে আমাদের এলাকার এমপির দূলাভাই। তার লোকজন বাসায় সকাল সন্ধ্যা পাহারা দেয় আর গ্রামের চাইর দিকে চাইর চৌকি বসাইছে। তুমাকে দেখিতে পাইলে গ্রামের মাঝখানে ঝুলাইয়া বাইন্ধা পিটাইবে। এদিকে এলাকায় র্যাবের আস্তানা বসিয়াছে। আমার পুরান কেসের জন্য তাহারা ক্রশফায়ারে নিয়া গেছিলো, পরে হাতে পায়ে ধইরা সাথে ৫০০০০ টাকার বান্ডিল দিয়া ছাড়া পাইছি। খবরে শুনিয়াছি তুমার নাম নাকি তাহাদের লিস্টে ১ নম্বর।
মুরগী হাসানকে গতকাল ডাকিয়া ২০০ টাকা দিতে গিয়া জানিতে পারিলাম তুমি নাকি তাহারে মলম মারিয়া গায়ের সকল জামা কাপড় লইয়া গেছো আর পকেটে থাকা ২০০০ টাকাও লইয়া গেছো। আমি উহা শুনিয়া তাহার পরেরদিন আসিতে বলিলে শুনি তাহাকে র্যাবে ক্রুশ ফায়ারে দিছে। তাই তাহার টাকা নিয়া চিন্তা করিও না।
তবে শুনো তুমাকে আমি ত্যাজ্য ঘোষনা করিয়াছি ভরা হাটে। তাই পারতঃপক্ষে আমার সাথে আর যোগাযোগ করিও না। এত টাকা ঘুষ দিয়া আমার নিজের গোয়ালই অখন ফাকা!
যেখানেই থাকো ভালো থাকো!
ইতি
তোমার শ্রদ্ধেয় পিতা
আবুল মাল গোলাম
একটা পুরান জুক:
এক ড্রাইভার সভা বসিয়াছে। কিছুক্ষন পর সবার ঝিমানি দেখিয়া এক ভুটকা ড্রাইভার খটকা মারিয়া কহিলো," সভায় তো কোনো নোয়াখাইল্লা নাই? থাকলে অখনই হাত তুলো, একটা জরুরী কথা কইতাম!"
কেহই হাত তুলিলো না!
তখন মুছখানা রগড়াইতে রগড়াইতে সভার সভাপতি ক হিলো," আমাগো গায়ে আইজ থিকা দুইশ বছর আগে একখান আম গাছ আছিলো। ঐ গাছের পাটা এতই পবিত্র আছিলো যে মাঠের উপর পড়িলো হরিণ হইয়া লাফাই লাফাই বেড়াইতো আর পাশের পুস্কনিতে পড়লে কুমির হইয়া যাইতো, বলেন সুব হানাল্লাহ!"
একজন হাত তুলিয়া ক হিলো," আমার একখান জিগাইতাম চাই, যদি পাটাখান অর্ধেক মাঠে আর অর্ধেম পানিতে পড়তো তাইলে কি হইয়া ফালাফালি করতো?"
সভাপতি মাথা চুলকাইয়া বাজখকাই গলায় কইয়া বসিলো," ঐ ব্যাটা শ্বশুড়ের নাতী, আমি পয়লাই কইছিলাম এই খানে নোয়াখাইল্লা আছে নাকি, তখন হাত তুললি না কেন?"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

