somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বপ্ন হারাইলে বাটি চালান- উদাসী কথন (ভালগার পোস্ট ২৯+)

০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুটিকালে বৃস্টি দেখলেই হিস্যু আসতো এখন আসে কান্দন অথবা খাতা ভইরা কবিতা লিখন! কুটিকালে বড়ই সহজ সরল আছিলাম, বড় হইয়া বিশাল ভাবুক হইয়া গেলাম এই মিস কমিউনিকেশন কেমনে হইলো বুঝবার পারলাম না।

আমার কাকা তাবলীগ করে, তারে জিগাইতেই বুঝবার পারলাম, এই জিগানীর জন্য কচু গাছে গলায় দড়ি দেওন উচিত। সে পারলে আমারে তিনদিনের চিল্লার সাথে চল্লিশ দিনের চল্লিশা খাওয়ায় আনে।আমি ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাচি স্টাইলে কইলাম, "চাচা, পেটে বড়ই বেদনা, ওজু ধইরা রাখতে পারি না!"

তবুও মনে জাননের আশ মেটে না। আমার এক বাজখাই মামু আছিলো, বদ আছিলো না কড়া আছিলো এখনও জানি না। আমারে দেখলেই কইতো," টইন্যা কাটিস, আমার টয়লেটে ধরছে, আমার পক্ষ থিকা তুই টয়লেট কইরা আয়।"

আমি হেরে ডাইনোসরের মতো ডরাইতাম। আর কি করা, যখনই কইতো তখনই আমি ফিলিস্তিন জনতার মতো মাথা নত কইরা আম্মারে ডাক দিয়া কইতাম," আমার প্যান্ট টা খুইলা দাও, আমি মামুজানের পক্ষ দিয়া টয়লেট কইরা আসি!"

তখন সবাই ব্যাপক হাসতো কি না জানি না, তয় বড় হইয়া উল্টা এলাকার পুলাপানের লুঙ্গি খুলাইয়া ছাড়তাম। আমারে মাইর দেওনের লিগা পুলাপানের মনে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও আমার বদ ছোট কাকার আশীর্বাদে গায়ে বাতাস লাগাইয়া ঘুরতাম আর পুলাপানের লুঙ্গী নিয়া ওড়না ওড়না খেলতাম!

ক্লাশ ফাইভে বাপে একবার একটা বাইসাইকেল কিন্যা দিছিলাম যেইটারে হোন্ডা মনে কইরা চালাইতাম আর প্রতিদিন একটা না একটা এক্সিডেন্ট করতাম। একবার মনে পড়ে একটা রিক্সারে ওভারটেক করতে গিয়া বাম সাইডে দিলাম ঢুকাইয়া। আমার বেলের ক্রিং ক্রিং শব্দ শুইনা রিক্সা আলা চামে চামে বায়ে মোচড় দিলো। আর যাই কই, বাম পাশের চাক্কার লগে বাইজ্জা রিক্সার লগে চলা শুরু করলাম। দূর থিকা আসতাছিলো এক বুড়া চাচা। সে দেখে রিক্সার লগে আমি বাইজ্জা তার দিকেই বিনা দাওয়াতে আসতাছি। হাতে ছিলো বদনা, সে না ফালাইতে পারে বদনা না পারে ডাইনে দৌড়। আর কি করা, আমার সাইকেলের সামনের চাক্কা চাচার দুই ঠেং এর মাঝখানে সজোরে হেই ও!

চাচা নাকি দুই দিন সমানে বিছানায় কোকাইছিলো আর চাচীজান নাকি আমারে পটানোর লিগা বাড়ীত সকাল সন্ধ্যা গমন করতো। অবশ্য তার পিটানি লাগে নাই, আমার আম্মাজান সমান তালে যেমনে মারছে সেই মাইর গুলান এখনও আমার মনের ইতিহাসে প্লাটিনামের অক্ষরে লেখা আছে।

যাই হোক, দুনিয়ায় মেলা আকাম কুকাম কইরা আমার ইদানিংকার ভাব দেইখা আমার এক ফটকা কাজিন কয়," মানুষ বিলাই মাইরা হজ্বে যায়, আর আপনি হজ্বে গিয়াও বিলাই মারতাছেন। সূর্য্য দক্ষিণ দিকে উঠবার পারে, মাগার আপনে শুধরাইবেন এইডা আমার মনে হয় না!"
আমি তখন তারে কই," সূর্য্য দক্ষিন দিকে উঠলে তো টয়লেটে সমস্যা হইবো। পজিশনিং করতে গিয়া মসল্লা পাতী ফুটায় যাইবো না!"
কাজিন শুইনা কয়," আমি মাফ চাইছি, আপনের সামনে আমি আর কোনো প্রবাদ কমু না!"

এইডাত গেলো কাজিন, অহন সেই মামুর কথা কই, যে ছোটকালে আমারে মেলা জালাইছিলো এই টয়লেট নিয়া।

আমি হের বাসায় গেলে, ঘরের দরজা আটকাইয়া মামাতোরে দিয়া কইয়া পাঠায়," আব্বা কইছে সে নাকি গুলশান গেছে, রাইতে আইতে কইছে।"
যদি বইসা থাকি তাইলে আবার মামতো আইসা কয়," কি কইবেন খাতায় লেখেন, আব্বাজান লেইখা জবাব দিবো!"
আমি হাসি। খালি ঈদের দিন আমার সাথে তার দেখা হয়। সালামীর টাকা এখনও উইথাউট সালামে পাই, কারন কোনো এক ঈদে বান্দরকালে হের লুঙ্গী নাকি এক টানে......

থাক আর কইলাম না। মেলা কিছু বইলা ফেলাইছি এখন ফুটি!
৩৭টি মন্তব্য ৩১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×