আমার প্রিয় পোস্ট

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

সুন্দরীদের প্রতি করুনা আর এক চিলতে উদাসীনতা

১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

শেয়ারঃ
0 1 0

গতকালের স্বপ্নটা কেমন ছিলো, পার্কে বসে ভাববার বয়সটা বেশ ভালো ভাবেই এগুচ্ছে। রেগুলার প্রাকটিসের মার্ক আপটা আজকে ছুতে বেশ কস্ট হলো। কি করা আর, বয়সের ব্যাপারটা ইগনোর করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

টেবিলে পড়ে থাকা সাদা এনভেলপটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন জানালার পাশে দাড়িয়ে আছি। রাস্তার ওপারের বিল্ডিংএ ৬ তলায় একটা মেয়ের রোজ পায়চারী দেখতে ভালোই লাগে। এ সময়টায় দেখা যায় হাতে একটা বই আর কানে হেডফোন। কাছ থেকে দেখা হয়নি, জানা হয় নি তার নাম। এনভেলপটা খুলে দেখার দরকার, দেখি আজকে কি পয়গাম।

মোট ছয়টা মেয়ের ছবি। তিনজন খুব সুন্দর, ছবির পেছনে সিভি আকারে লেখা কিছু তথ্য। পড়াশুনায় ভেরেন্ডা, রূপে ক্লিওপেট্রা। বাকি তিনটা আগের গুলোর মতো অতো সুন্দর না, তবে কোয়ালিফিকেশন আমার চেয়ে কম না। এই নির্যাতন শুরু হয়েছে বছর তিনেক আগে থেকে। একদিন সকালে জীম থেকে এসে দেখি বাবা লাঠি হাতে বসে। শুক্রবার দিন বাবা ঢাকার বাইরে ব্যবসায়িক কাজে যান সাধারনত, কিন্তু সেদিন যাননি। সেদিন না গিয়ে আমার রূম সার্চ দিয়েছেন। বোঝা গেলো বোনটা জাসুসি করেছে। পাওয়ার মধ্যে পেয়েছে জাজীমের নীচে তিনটা চটি আর ড্রয়ারে ২ টা এ্যডাল্ট ডিভিডি। সেদিন মার খেয়ে কিছুদিনের জন্য বাসা থেকে উধাও হয়ে যাই।

দুদিন পর বাসায় এসে দেখি পুলিশ বসে আছে। আমাকে দেখে কড়া ধমক দিয়ে কিছু কাগজে সিগন্যাচার নিয়ে চলে গেলো, বাবা আগের দিন হাসপাতাল থেকে ফিরেছেন। ৩-৪ ঘন্টা আত্নীয় স্বজনের জেরার পর ছাড়া পেলাম। ওদিকে সকল শয়তানীর মূলে থাকা বোনটি দুটো এনভেলপ ধরিয়ে দিয়ে বললো," এত নাটক শিখেছো কোথা থেকে?"
আমি সব সময়ই কথা কম বলি। এনভেলপ দুটোর একটা ছিলো বর্তমান চাকরীর জয়েনিং লেটার আর দ্বিতীয়টা ছিলো ৬ টা মেয়ের ছবি। হাত গুণে বলে দেয়া যায় ১১৪ টা মেয়ের ছবি গত ৩ বছরে দেখা হয়ে গেছে। প্রতিবার এনভেলপে ৬ টা ছবি নতুন নতুন মেয়ের, কিন্তু আফসোস ছবির পিছনে তাদের কারো ফোন নম্বর পাইনি।

বাবা একবার বলেছিলো," সমস্যাটা কি? এই ঢং কয়দিন চলবে? কোনো সমস্যা থাকলে ফারুকের কাছে চলো। সব চেকআপ করায় আনি, চিকিৎসা করাই। বদ অভ্যাসের ক্ষতি কতখানি হইছে সেটার চিকিৎসা দরকার।"
আমি বরাবরই নির্বিকার। আমার কাজিনরা শুনে বলে," আপনার বৈরাগ্য কিসের জন্য?"

আমি ভাবতে বসি আসলেই কিসের জন্য? ছ্যাক খেয়েছি বলে মনে পড়েনা। একবার মনে পড়ে বন্ধুদের সাথে বাজী ধরে একটা মেয়েকে হাত ধরে বলেছিলাম," ফেয়ার এন্ড লাভলী মাখলে আরো সুন্দর লাগতো তোমায়।"
মেয়েটি তখন আমার দিকে এমন ভাবে তাকালো মনে হলো আমি বিশাল এক দৈত্য। হাত ছুটে বেশ জোড়ে দৌড় দিতে দিতে বললো," বাচাও! বাচাও!"
আমি অবস্হা বেগতিক দেখে উল্টো দিকে দৌড়ালাম। আশে পাশের পাবলিক একটু দোটানায় পরে গেলো। আমি কি আসলেই ভয়ে ভাগছি নাকি দলবল আনতে যাচ্ছি। দু'য়েকটা ছেলে পেলে এক পা রাস্তায় দিয়ে আবার পিছিয়ে গেলো। যতদূর মনে পড়ে মেয়েটা ভেবেছিলো আমি বোধ হয় ফেয়ার এন্ড লাভলী না দিয়ে এসিড মারতে গিয়েছিলাম।

অফিসটা ভালোই কাটে। সারাদিন দুয়েকটা প্রেজেন্টেশন সাথে একটা মিটিং, ব্যাস। নিশ্চিন্ত সব কাজ, শুধু ডিসিশন দিতে হয় ফোরসাইট অনুযায়ী।

একবার বস ডাকলেন রূমে, তখন রাত বাজে ৯:০০ টা। আসলে আমি বিকেলের দিকে একটা মুভী দেখতে বসেছি আর খেয়াল হয়নি যে বাসায় যেতে হবে।
বস ফোন দিয়ে বললো," একটু রূমে আসতো।"
রুমে ঢুকতেই বসতে বললো।
: বলো তোমার কি খবর?
: এইতো ভাইয়া, প্রোজেক্টগুলোর গান্ট চার্ট টেকনিক্যালের সাথে বসে ফাইনাল করে ফেলেছি।
: আরে সেটা না, তোমার বাসার কি খবর?
: এ্যাজ ইউজুয়াল।
: তা তোমার বিয়ে শাদী নিয়ে কি কিছু ভাবছে?
: (একটু চিন্তা করে) উমম..জিজ্ঞেস করা হয়নি।
: এই এনভেলপটা নিয়ে যাও, বাসায় তোমার মাকে দেখাও। দেখে আমার সাথে যেনো কথা বলে।
আবারও এনভেলপ! একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে চলে আসলাম বাসায়।

ভাবলাম পাড়ায় যাই। রাত ১০টায় ঢাকা শহরে হাটার মজাই আলাদা। তখন বোঝা যায় আসলে ঢাকা শহর কত উন্নত একটা জনপদ। কি নেই এখানে! পার্ক, লেক, স্কাইক্রেপারস, আবেগ, বন্ধন, ভালোবাসা, প্রযুক্তি সবই আছে। তবু আমরা শান্তিতে নাই। দিনের বেলায় এখানে দোজখ বিরাজ করে আর রাতের বেলা একটা নীরব জান্নাত।

ছোটবেলা থেকেই শখ ছিলো একটা অন্যরকম কিছু করবো, সেই অন্যরকমের সংজ্ঞা কি হবে সেটা ডিফাইন কোনো দিনও করতে পারিনি। জীবন তো একটাই, গতানুগতিক নিয়মে চলে গেলে হয়তো সুখি হবো গতানুগতিক ধারায়। কিন্তু গতানুগতিক নিয়মটা আমার মোটেও পছন্দ না। তবে খোজ পাইনা সেই অন্যরকম অনুভূতির। মাঝে মাঝে এমন কিছু এসেছিলো জীবনে যেখানে ছিলো শুধু হাতছানি, কিন্তু ছিলো না সম্ভাবনা। সম্ভাবনাহীন পথ আমার নয়। যেখানেই হাত দিয়েছি সেখানেই সাফল্য হাতের মুঠোয় এসেছে। ব্যার্থতা আমার নয়, তাই বিশ্বাস জন্মেছে অন্যরকম জীবনের ছোয়া অবশ্যই নাগালে পাবো।
দিনের বেলা মল চত্বরের কৃষ্ঞচূড়ার সারিতে আগুন লেগে যায়। আর রাতের বেলা সব নীরবতার মায়ায় নিজেকে সপে দেয় গভীর স্বপ্নিল জগতে! আমি ওদের নীরবতা দেখতে মাঝে মাঝেই নিশাচর হই। এনভেলপটা খুলি, দেখি আরেকটা মেয়ের চেহারা। কি অদ্ভুত তাই না, মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়। অথচ এই মেয়েগুলো জীবনে পরাজিত কোনো ভালো মানুষকে নিজের স্বামী হিসেবে দেখতে চায় না। এই সব মেয়েদের প্রতি আমার করুনা হয়। এরা শুধু ভালোবাসে এক নিশ্চিৎ জীবন। কখনো কি এরা সুখ পায়? নিজেরা কখনোই ছুটে না সাফল্যের পিছনে। সাফল্য করার মতো মেধা থাকলেও এরা কস্ট করতে চায় না, তাহলে রুপের খোলসে মোড়া আসল চেহারা বের হয়ে যাবে। নাহ...এসব পোশাকী মেয়েদের খুব বড় জোড় করুনা করা যায়, বিয়ে নয়। ডাস্টবিনটায় আবারও ভরবার চেস্টা করি আমার করুনার পাত্রীকে। রুপের বেসাতী সাজানো কাউকে আমার দরকার নাই। আমার দরকার একটু অন্যরকম জীবন, যেখানে থাকবে বুক ভরা জুনুন, ভিন্ন এ্যাঙ্গেলে দেখার সুযোগ। জানি সময় আসবে আমাদের কাছে, তখন বদলাবো একটা প্রজন্ম যারা দেখে শিখবে এই আমাদেরকেই। তাহলেই তো অন্যকিছু পাওয়া হলো, তাই না!

তবে মহাপুরুষ আমি নই!

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: এত বড় লেখা........!!!
পড়ে পড়ুম।
আছেন কেমুন?
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: জুস্ত আছি!

২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
রোহান বলেছেন: মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়। অথচ এই মেয়েগুলো জীবনে পরাজিত কোনো ভালো মানুষকে নিজের স্বামী হিসেবে দেখতে চায় না। এই সব মেয়েদের প্রতি আমার করুনা হয়। এরা শুধু ভালোবাসে এক নিশ্চিৎ জীবন। কখনো কি এরা সুখ পায়?

চমৎকার বলেছেন :) লেখা ভালো লাগছে... অন্যরকম জীবন লাভের চেষ্টাও সফল হবে আশা করি ;)
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: দেখি অন্যরকমটা এ বছর পাই কিনা? ভাবতাছি মঙ্গল গ্রহে সার্চ দিমু এইবার!

৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
আগলিআগলি বলেছেন: আত্মকথন ? হতেও পারে নাও হতে পারে। অন্যরকম স্বপ্নের কথন ভালো লাগল ।
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: অন্যরকম স্বপ্নের কথা শুনবেন?



শোনাবো অন্য একদিন! সে এক জটিল অন্যরকম, মনে হয় কখনো নাগাল পেয়েছি আবার মনে হয় কিছুই পাই নি!

৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
রাজামশাই বলেছেন: বুঝছি

পুলা পাইক্যা গেছে .......................


১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: কোটা দিয়ে পারেন এখন!;)

১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: খারাপ হইলে ডাক্তারতো আছেই!;)

৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: খিকজ !!! রুম সার্চ দিয়া বুঝতে হলো আপনারে বিয়া দেয়া দরকার ?
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: বাউন্ডুলের হাতে কখনোই কোনোকিছু নিরাপদ না। যখন দেখলো নৈতিক অবক্ষয় (?) তখনই হুশ হইয়া আমার তেরটা বাজানোর পায়তারা! আফসুস, কেনো যে আরো গুপন জায়গায় ঐসব লুকাইলাম না!

১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: অখনো টেস্ট করি নাই! সো অফ যান;)

৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
অপরিচিত_আবির বলেছেন: আহা মেয়েদের সম্পর্কে এমন বলছেন কেন, এভাবে তাচ্ছিল্য করা মোটেও বুচিত নয এটা আপনার বোঝা উচিত। আর ওরা আপনার করুণাপ্রার্থী সেটাই বা কে বলল, ওদের অনুমতি ছাড়াই যে ছবিগুলো আপনার কাছে পৌছে যেতে পারে(এবং সম্ভবত তা-ই ঘটেছে ) সেটা কি একবারও ভেবে দেখেছেন?
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: এ্যারেন্জ্ঞ ম্যারেজে বাংলাদেশে মেয়েদের অনুমতি নিয়া কখনো কোনো বিয়া হইছে, কখনো শুনছেন? একদিন ড্রইং রুমে ডাইকা বসাইয়া কইবো," তোর জন্য পোলা দেখা হইতাছে, তোর কি কোনো পছন্দ আছে?"
নিশ্চয়ই লাজ লজ্জার ভয়ে কইবো তৎক্ষণাৎ," না নাই, আপনেরা যেটা ভালো বুঝেন।"
তারপরের দুই দিন চলে মা মেয়ের গুতাগুতি। আম্মাজান যদি গ্রীনসিগন্যাল দেন যে না মাইয়া এখনও প্রেমের বা পাত্র পছন্দে কুমারী তখনই এইসব ছবি চালাচালি!

১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: তাইলে আসো অখন নাচি!;)

১০. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন: ক্যামেরাম্যান বলেছেন: খিকজ !!! রুম সার্চ দিয়া বুঝতে হলো আপনারে বিয়া দেয়া দরকার ?
১১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
শফিক আসাদ বলেছেন: "আমার দরকার একটু অন্যরকম জীবন, যেখানে থাকবে বুক ভরা জুনুন, ভিন্ন এ্যাঙ্গেলে দেখার সুযোগ। জানি সময় আসবে আমাদের কাছে...."

এভাবেই চাই, এভাবেই দেখি, এভাবেই অপেক্ষায় থাকি।
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: সময় কি আসে নাই আকাশ ছুবার
ওটাতো আমাদেরকেই ছুতে হবে, বস!

১২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
নাজনীন১ বলেছেন: হ্যাট্‌স অফ। এই সমাজে সব ছেলেরা যদি এইরকম সুন্দরী মেয়ে না চেয়ে যোগ্য মেয়ে চাইতো, তাহলে এখানে মেয়েদের পরিস্থিতি অন্যরকম হতো। কিন্তু আফসোস আপনার মত ভাবে খুব অল্প পুরুষই।

বাকি তিনটা আগের গুলোর মতো অতো সুন্দর না, তবে কোয়ালিফিকেশন আমার চেয়ে কম না। --- এই মেয়েগুলোকে পছন্দ হচ্ছে না কেন? যদিও এটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন হয়ে গেল। ইচ্ছা না হলে এই উত্তর না দিলেও হবে।
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: আমার অন্যরকম জীবনে এসবের স্হান নাই আবার বৈরাগ্যেরও স্হান নাই।

আচ্ছা বলেনতো একটা মেয়ের সাথে কখন আমি একসাথে থাকবো সারা জীবন, কখন আমি সবকিছু শেয়ার করবো, কিভাবে সে আমার অন্যরকম উদাসীনতা ভালোবাসবে, আমার স্ট্যাটাসকে নয়, কখন তার সবকিছুকে (অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত) আপন করে নেবো, কোনো ধারনা আছে আপনার?

১৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: ১) "রাস্তার ওপারের বিল্ডিংএ ৬ তলায় একটা মেয়ের রোজ পায়চারী দেখতে ভালোই লাগে"

আপনি তার সম্পর্কে কিছু জানেন না তাহলে ভালো লাগে কেন?? আসলে কম কথা বলেন আর চুপি চুপি যেটা করেন তা হলো:

"পাওয়ার মধ্যে পেয়েছে জাজীমের নীচে তিনটা চটি আর ড্রয়ারে ২ টা এ্যডাল্ট ডিভিডি "



২) "সেই অন্যরকমের সংজ্ঞা কি হবে সেটা ডিফাইন কোনো দিনও করতে পারিনি"

আপনি নিজেকে আত্মবিশ্বাসী মনে করলেও আপনি তা না।



৩) " অদ্ভুত তাই না, মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়"

ভেবে দেখুন তো আপনি কেমন মেয়ে চাচ্ছেন সে রকম মেয়ে কি দুনিয়াতে শুধু ১ পিস?? যদি তা না হয় তাহলে আপনি ও কিন্ত ঐ সব মেয়ের একটি পেলেই হয়। আসলে আপনি নিজেও একটি নিশ্চিত জীবন চান।

৪) "কি তিনটা আগের গুলোর মতো অতো সুন্দর না, তবে কোয়ালিফিকেশন আমার চেয়ে কম না। "

আবার আপনিই বলছেন "নিজেরা কখনোই ছুটে না সাফল্যের পিছনে। সাফল্য করার মতো মেধা থাকলেও এরা কস্ট করতে চায় না"


তবে আপনার গল্পটা ভালো হয়েছে!!
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: ১) মাইয়া মানুষ হইলো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মায়া। যদি এইটা জেনুইন মরীচিকা হয় তাইলে সারা জীবন খাও ডলা! আর যদি ঠিক থাকে তাইলে লাইফ পুরা পাংখা!

মাঝে মাঝে হোটেলের বিরানী খাইতে ভালাই লাগে, ম্যান বিকজ উই আর হানটারস ইটস ইন আওয়ার জিন!

২) আমি কেমন মেয়ে চাচ্ছি সেটা মূখ্য বিষয় নয়, আমাকে পাবার যোগ্যতা কার আছে সেটাই মূখ্য বিষয়। যে আমাকে পাবে, ধরতে পারেন সে পাবে অসীম ভালোবাসা, দিগন্ত ছোয়া স্বপ্ন, বুক ভরা হাসি, আরেকটা সুন্দর সংসার, আর পাবে এই আমার মন!
এখন বলেন লোভটা কার থাকা উচিত?

৩) যাদের কোয়ালিফিকেশন থাকে তারা খুব বেশী ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যায়, যেটা হলো বয়সের। মেয়েরা জানে তাদের রূপ বয়স হলে থাকে না, তাই একসময় তারা খুব হতাশ হয়ে যায় আর পচা শামুকে পা কাটে বেশীর ভাগ অথবা সারা জীবন নিঃসঙ্গ।

আবার যারা রূপ দিয়ে মুগ্ধ করতে চায়, তারা শুধু এটাই করে বেড়ায়। পরে দেখা যখন লাগাম টেনে ধরা হচ্ছে তখন বলতে পারেন সবচেয়ে ধনী বা এনআরবি পুলাপান দেখে বিয়ে করছে। সবকিছুর একটাই অর্থ: জন্ম হোক আজ পিচ্ছি প্রমোদবালার!

মেয়েদের জন্য আসলেই কি করুণা হবার নয়?

১৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: অধিক কি আর বলিব। সঠিক পথেই আছেন। এখন শুধু একটু মহাপুরুষ হবার প্রচেষ্টা করেন। হয়ত আপনার নামই পরবর্তী পৃথিবী স্মরণ করিবে।

উনার ব্লগে যাইয়া আপনার ব্লক ছুটানির জন্য অনুরোধ কইরা আসলাম। মনে হয় না আমার অনুরোধ রাখবে। উলটা আমিও ব্লক খাইতে পারি।
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: আমার নাম রনি, আমার বোন হিমু ওরফে হিমালয়ের সাথে মিল রেখে আমাকে ডাকছে রনালয়। এরকম চলছে ১ মাস।

কোনো এক রাতে ওকে একটা চরম ভাবের কথা বলছিলাম। তখন ও কথাটা শুনে এতই পুলকিত হলো যে আমাকে হিমু না বলে সোজা রনু ওরফে রনালয় বানিয়ে দিলো!

তবে আপনে বস উনার ব্লগে এইটা কেনো করলেন? মাইয়া মানুষ হইলো জীবনের সবচেয়ে বড় মায়া। দুনিয়ার কিছু মায়া আছে যা মানুষের সর্বনাশ করে, যেইটা আমার গুরু গুজরান খা বার বার বলে গেছেন!

পারলে একটু গুজরান খার পোস্ট গুলান পইড়া দেইখেন!

১৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৫
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: ম্যান বিকজ উই আর হানটারস ইটস ইন আওয়ার জিন!


হা হা হা..............চালিয়ে যান। আছি........
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: এই লিংকটা পড়তে পারেন: Click This Link

১৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
লুথা বলেছেন: একখান কথা কই, বেশি বাছা-বাছি করতে গিয়া পরে আর কিছুই পাইবেন না...এমন অনেক ঘটনা দেখলাম, যেখানে ছেলে অনেক বেশি কোয়ালিফাইড এবং মাইয়া খুজতে খুজতে পরে এমন একটা মাইয়ারে বিয়ে করছে, সে হয়তো অইসব রিজেক্ট করা মাইয়াগুলার চেয়েও বিলো-স্টান্ডার্ড... মাইয়া কেমন অইটা শিক্ষাগত যোজ্ঞতা / চেহারা দেখে বিচার করা উচিত না, তাও শুধু বায়োডাটা দেখে... একটা মানুষকে ১ দিনে চিনা যায় না, বুঝতে-চিনতে অনেক সময় চলে যায়...
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: আগামী ৫-৬ বছরে আমার এরকম প্লান নাই। আমাকে আকাশ ছুইতে হবে। পাবলিকের পুলাপান কেমনে আকাশ ছোয় এইডা তুমাগো মতো প্রাইভেটের পুলাপান গো দেখাইতে হইবো না!;)

তবুও ভাগ্য বলে একটা কথা আছে যার চাবী আল্লাহর হাতে। তুমি আমি বিচার করার কে?

১৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
নাজনীন১ বলেছেন: আপনার সম্পূর্ণ পোস্ট এবং কমেন্ট পড়ে যদিও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না, তবুও আমার কিছু অবজারভেশন ---

আমার মনে হচ্ছে আপনি এমন একটা মেয়ে চাচ্ছেন, সে আপনার মতোই যোগ্য বা বেশীও হতে পারে স্ট্যাটাসে, মেয়েটা সুন্দরী হতে পারে, কিন্তু সে তার সৌন্দর্যের চেয়ে যোগ্যতায় আত্মবিশ্বাসী, আপনার সাথে বন্ধুর মতো তার অনেক কিছুই শেয়ার করে, কিন্তু আবার আপনাকে পাওয়ার বাসনাটা সেভাবে দৃশ্যমান না বা পেতে চায় না, মানে আপনার প্রতি এক ধরণের উদাসীনতা। বা চায় আপনি তার প্রতি মনোযোগী হোন।

আর যেহেতু আপনি জবে আছেন এই রকম কেউ হয় আপনার কলিগ হতে হবে, বা আশপাশের কেউ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার হয়ে কর্পোরেট যুগে ঢুকে গেলে আশপাশে মেয়ের সংখ্যাও তো কমে যায়। শেষ পর্যন্ত ভাগ্যই একমাত্র ভরসা। :)
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: কিছুটা ঠিক বলেছেন, তবে স্ট্যাটাস টা মূখ্য নয়। ধরতে গেলে কোনোকিছুই মূখ্য নয়। আমি একটা উদাহরন দেই একটা মেয়ে যে তেমন শিক্ষিত না কারন সামর্থ্যের অভাব ছিলো। এমন নয় যে বাহারী সুন্দরী, কারন ছোটবেলা থেকেই তাকে প্রচন্ড কস্টে বড় হতে হয়েছে,আবার স্ট্যাটাসও তেমন নেই।

কিন্তু সে স্ট্রাগল করতে জানে, সে জানে প্রতিদিন পায়ে হেটে টিউশনি করে কিভাবে সংসারে কিছু টাকা কন্ট্রিবিউট করতে হয় অথবা ছোট খাটো একটি চাকরি করেও নিজের সত্বা নিজের পরিবারকে ভুলে নাই। সামর্থ্য আছে আকাশ ছুবার,কখনো দুস্টুমী আবার কখনো উদাসীনতা আবার নিজের না পাবার বেদনাকে ভুলে গিয়ে সবাইকে হাসিয়ে ফেলার অদ্ভুত ক্ষমতা। কিছু বুঝতে পেরেছেন?

স হজ করে দেই ঐ মেয়েটার জায়গায় আমাকে ফেলে দেন, দেখবেন হুবহু আমার কথাই বলছি শুধু জেন্ডার চেন্জ্ঞ!

আমি আমার মতোই কাউকে চাই, সেটা যদি না হয় তাহলে আমাকে কেউ কোনোদিন আপন করতে পারবে না আমার পরিবারকেও না!

১৮. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আসলে বস আপনেরে বড় ভালা পাই। তাই কাজটা করছি।
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: কেনো যে এই পোলাটারে কিছু মানুষ এতো পছন্দ করে বুঝি না! পৃথিবীতে আমার করের বোঝা বেড়েই চলছে!

১৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
রাতমজুর বলেছেন: ছিছই! এমনে হাঁটে হাঁড়ি...
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: দই টা আগেই খেয়ে নিয়েছি, সো ভাংলেও সমস্যা নাই!

২০. ১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
শফিক আসাদ বলেছেন:

আকাশ ছোঁব নিঃসন্দেহে, আজ অথবা কাল; কিংবা পড়শু। তবু অক্লান্ত পরিশ্রমের ফাঁকে যখন কপালের ঘাম মুছি তখন সেই চোখ দুটো খুব খোঁচায়; অপরাধবোধে ভুগি না আর। জোর করে কি আর জাতে তোলা যায়!

"সময় কি আসে নাই আকাশ ছুবার
ওটাতো আমাদেরকেই ছুতে হবে, বস!"
(ভাইয়া, আমি মাত্র ২১ !!!)
১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আকাশ ছুবার কি কোনো বয়স আছে?

শুধু থাকার দরকার জুনুন আর একটু ঘাড় ত্যাড়ামী যে আকাশ ছুতেই হবে!

২১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ব্যাপারটা কমফ্লিকেটেড মনে হইতাছে। আমি চুডু মানুষ, কিছু কইলাম না:(
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: যেই জীবনের পাই নাই দেখা, যার বাবা মানে শ্বশুড় সাহেব আমার বিবাহ করছেন কিনা এখনো, সেইটাই জানা হইলো না, তাইলে সেইটা নিয়া কথা কইতে গেলে কনফ্লিকট লাগবোই।

পুচকি মানুষ হইয়াও সব বুইজা গেছো আর আমাগো মতো বড় মানুষরা বুঝে না এইডাই আফসুস!

২২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫২
ফারুক৫৫ বলেছেন: একটা কথা কই , যদি কিছু মনে না করেন। আপনার মনের মতো পাত্রী পাওয়ার নয়।কারন মেয়েদের চিন্তাধারা আর ছেলেদের চিন্তাধারা এক না। দুনিয়ার সকল মেয়েই চিন্তাচেতনায় এক , তা সে কালো হোক বা ধলো হোক , শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিত হোক , ধনী হোক বা গরিব হোক , দেশি হোক বা বিদেশি...........। সুতরাং চোখবুজে সবার পছন্দে ঝুলে পড়ুন।
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: আপনার মনের মতো পাত্রী পাওয়ার নয়।কারন মেয়েদের চিন্তাধারা আর ছেলেদের চিন্তাধারা এক না।


এইটাই আমার সান্ত্বনা। যখন আমার মুরুব্বীরা বুঝবার পারবো তখনই তারা ক্ষান্ত দিবো। আমি এইটাই চাই, কিন্তু সমস্যা হইলো তারা আর কতো ঘোলা কইরা পানি খাইবো সেইডাই দেখনের বিষয়!

২৩. ১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৫
লুথা বলেছেন:
আমি জীবনে কাওরে এখন পর্যন্ত পাইলাম না, যে প্রাইভেটরে এতো খারাপ পায়...নিজের ১ম,২য় এবং বর্তমান চাকরীর বহুত পাবলিকের পোলা দেখলাম, পাবলিকের গাদা-গাদা বন্ধু-বান্ধব দেখলাম-চললাম, কিন্তু তোমারে ছাডা কাওরে দেখলাম না সবকিছুতে প্রাইভেট-পাবলিককে টাইনা নিয়ে আসতে, নেগলেক্ট তো দূরের কথা...ইভেন নিজের কোন বস'রেও দেখলাম না...

আমি জানতাম না উপরে উঠতে হইলেও পাবলিক-প্রাইভেট কাহিনী থাকতে পারে, কারন উপরে উঠতে হইলে নিজের ইচ্ছা থাকতে হয়...আমার নিজের না থাকলে কোন কিছু হয় না... আমার নিজের ফামিলি-বন্ধুবান্ধব মহলে সমান পরিমাণে পাবলিক-প্রাইভেট বইসা আছে কিন্তু উপরে সেই উঠছে যার ইচ্ছা ছিলো.. যার নিজের উপর আস্থা ছিলো...সেটা হিসাব করলে ২ সাইড সমান-সমান.... যাই হোক যদি বাইচা থাকি, তাইলে আমিও হয়তো জীবনে তোমার লগে যোগাযোগ থাকলে (সামু থাকলে, তুমি থাকলে, আমি থাকলে) দেখামু যে প্রাইভেটের পোলাপাইন হইয়া কেও কতদূর যাইতে পারে... তর্ক আর করুম না, যে পথে চলতেছি আল্লাহ চাহে তো উপরে উইঠা তোমার মতো অনেকের অনেক ভুল ধারনা ভুল প্রমান করবো... আল্লাহ দুনিয়াতে সবাইরে মাটি দিয়া তৈরী করছে, সবাইরে একখান মাথা দিছে... ৪/৬ বছরের শিক্ষা জীবন পার করার পরে ৪০/৬০ বছরের জীবন পইরা আছে...
----------

ভাগ্য দিয়া কথা কইলা... ভাগ্যে আমি আর আস্থা রাখি না, আল্লাহতে শুধু আস্থা আছে কিন্তু এইটাও জানি, মানুষ নিজে চেষ্টা না করলে অই ভাগ্য শুইয়া শুইয়া ঘুমায়... সময় কারো জন্যে বইসা থাকে না...তুমি নিজে ছাত্র হিসেবে এই জিনিস বুঝছো কিন্তু ছাত্রজীবন / কর্মজীবন সবকিছু না...এর বাইরেও অন্ন জীবন আছে এবং ছাত্রজীবনের মতো সেখানেও হিসাব-কিতাব করে চলতে হয় এবং সময় মতো অনেক কাজ করতে হয়, নাইলে ভাগ্য এইখানেও ঘুমায় যায়... আরো একটা কথা মনে রাখবা (এইটা উপদেশ না, নিজের মতামত দিলাম, নাইলে এইটারেও প্রাইভেটের পোলার ছাবলামী মনে করবা)... আজকে তুমি যা করবা, সেটার ফল কালকে পাইবা...এইটা ছাত্রজীবনে বুঝছো, এইটা কিছু ব্যক্তিজ়ীবনেও প্রযোজ্য...

মাইয়া দের মাথায় ঘিলু কম হইতে পারে, কিন্তু তোমার রিজেক্ট করা একটা মাইয়াও বসে নাই... তোমারই মতো কোন পাবলিকের মানুষ দেখো তারে নিয়া সুখে-দুঃখে সংসার করতেছে...এবং সুখ-দুঃখ মানুষের জীবনে কখন আসবে কেও জানে না... যত এনালাইসিস করুক, লাভ নাই... মাইয়া তো কোন প্রডাক্ট না...

তোমার লিখা পডে মনে হইলো, যেমন মেয়ে খুজতেছো এমন পাইতে হইলে তোমারে প্রেম করতে হইবো... এখন প্রেম করলেই এমন মাইয়া পাইবা... নাইলে অর্ডার দিয়া বানাইতে হইবো...আর যদি সেটা করতে পারো তাইলে খুব ভালো... অবশ্যই প্রাইভেটের মাইয়া বিয়া করবা না... নিজে যদি কোনদিন বিয়া বসো, তাইলে নিজের পোলা মাইয়াদের "প্রাইভেট স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে" (দেশের বাইরে পডাইতে পাঠাইলেও) ভুলেও পডাইবা না... যে নীতি নিয়া চলতেছো, অই নীতি জীবনে সব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবা...
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: মাগো...এত বড় চোথা আমি কুনো দিন পড়ছি বইলা সন্দেহ। ভাগ্য তুমার অবশ্যই বিশ্বাস করটে হইবো। কারন কোরান শরীফে ভাগ্য অবিশ্বাসীদের সম্পর্কে কঠিন কিছু কথা লেখা আছে, আমার ভালো মনে নাই তাই কোট করলাম না। যদি কোরআন মানো তাইলে এই কথা খবরদার কইবা না!

কোনো মাইয়াই বইসা নাই এইটা হক কথা। আইচ্ছা একটা কথা কও, যে মাইয়ার কাজ হলো তিন বেলা খাইয়া ঘুমানো আর স্বামীর বাসায় শোকেস হইয়া বইসা থাকন সেই মাইয়ার এতো লেখাপড়ার কি দাম? পোলামাইয়ারে বড় করতে তো আর মাস্টার্স পাস করন লাগে না! এখন যদি কয় নিজের টাকায় নিজে পড়ছে আমার কি? তাইলে অন্য কথা তবে সেইখানেও একটা কথা সিট নস্ট করলো কেন একটা?

আমার লেখা পইড়া কিছ বুঝো নাই মনে হয়। কারন আমার টার্গেট আগামী ৫-৬ বছর এমনেই কাটায় দেওন। মুরুব্বীরা বড় তাফালিং করতাছে তাই তাগো সামনে এমুন একটা ব্যারোমিটার সেট কইরা দিছি যে অহন খালি ঘোলা করো।মাগার ঘোলা পানি খাইবো কবে এইডাই কথা!

আর প্রাইভেটের পুলাপান নিয়া আমার একটা এ্যালার্জি আছে, কিজন্য আছে সেইডা কারো কই নাই। কমুনে একদিন! তয় তুমি কিন্তু লাইসেন্স দিয়া দিছো গাইলে পাড়নের, তাই আর যেই হোউক তোমারে ছাড়ান নাই!;)

২৪. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২২
শিবলী বলেছেন: আপচুচ...

সরকারের নুন্যতম নির্ধারিত ২১ বছর বয়সে এককালে প্রেম কৈরা বিয়া করার জন্য ঘ্যাং ঘ্যান করছি, বাপ মায়ে পিটায়া সাইজ করছে।
আর এখন ২৩বছরে আইসা, আমার বেতাল আচরন দেইখা আমারে বিয়ার কথা কৈলে , আমি উল্টা সাইজ করি।
আপচুচ, আমার মন যখন বিয়া করতে চাইছিল , তখন দেয় নাই, এইবার আমার পালা, দেখি কি করতে পারে... ঐ বয়সে বিয়া করতে মন্চাইছিল। এখন ক্যরিয়ার গড়ার দিকে মন। বিয়া করার খায়েস আর জীবনেও আসব কিনা জানি না। না আইলে ভাল।

খেক খেক। বয়স হিসাব দিয়া বিয়া করানোর নিয়ম এই বংগদেশে ই আছে। খুব ভাল্লাগে। যখন বিয়া করতে চাইলাম ত্খন বিয়া করতে দিল না। সমাজ লিভ টুগেদার আবার সাপোর্ট করে না। কি চমতকার দেশ।
আসলেই এই দেশে খুব শান্তি। মাইয়ারা বিয়া কৈরা যখন শুধু পোলাপান দেখাশুনা করবে, তখন শুধু শুধু সরকারের টাকা নস্ট কৈরা পাবলিক ভার্সিটির সিট নস্ট করে ক্যান?? প্রাইভেটের গুলা নিজের বাপের টাকা-র শ্রাদ্দ করে ক্যান???
অবশ্য ক্লাসে মাইয়া না থাকলে ক্লাস লেকচার হুবহু কৈ থিক্কা পামু??
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: হক কথা। যতদিন একলা থাকবেন ততদিন একলা থাকনের মর্মার্থ বুঝবেন না। যখন দোকলা হইবেন তখন দেখবেন একলা না হইয়া কি ভুলটাই না করছেন!

উল্লেখ্য আমার কিন্তু দোকলা হওনের অভিজ্ঞতা থিকা কইলাম!;)

২৫. ১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
যীশূ বলেছেন: ভালোই লিখেছো।

কিন্তু আমি করুনা করার জন্য কোন ইনভেলাপও পাই না। :((
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: সমস্যা নাই, ফুন নম্বর তো আছে!

২৬. ১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
মানবী বলেছেন: "এনভেলপটা খুলি, দেখি আরেকটা মেয়ের চেহারা। কি অদ্ভুত তাই না, মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়। অথচ এই মেয়েগুলো জীবনে পরাজিত কোনো ভালো মানুষকে নিজের স্বামী হিসেবে দেখতে চায় না। এই সব মেয়েদের প্রতি আমার করুনা হয়। এরা শুধু ভালোবাসে এক নিশ্চিৎ জীবন। "

- এনভেলপে ভরা ছবিগুলো কি মেয়েরা স্বেচ্ছায় পাঠিয়েছেন? অধিকাংশ ছবি হয়তো তাঁদের অগোচরে পাঠানো, বাবা মা অথবা অন্য কোন গুরুজন বা আত্মীয় বান্দধবের মাধ্যমে। ছবির মেয়েদের অনেকের ই হয়তো নিজের পছন্দের কেউ আছেন, কেউ হয়তো নিতান্ত চালচুলোহীন কাউকে পছন্দ করেন বলেই পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠিতের কাছে ছবি পাঠানো হচ্ছে..... তাইনা?

তাহলে তাঁদের সম্পর্কে এধরনের কনক্লুশনে আশা কি যৌক্তিক!!!


উদাসী স্বপ্নকে দীর্ঘদিন পর ব্লগে নিয়মিত দেখছি :-)


১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: যখন একটা ম্যাথমেটিক্যাল মডেল দাড় করানো হয় বেশ কিছু এ্যাজাম্পশনের উপর তখন দেখা যায় একাধিক সম্ভাবনাময় সিদ্ধান্তে আসতে হয় কারন কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্সে প্রোবাবিলির ব্যাপারটা প্রবল ভাবে বিদ্যমান। তবে এটা শিওর থাকে সবাই দিনের শেষে হয়তো কোনো এ্যাজাম্পশনই খাটবে না অথবা যেকোনো একটা এ্যাজাম্পশনই দুনিয়ার তাবৎ সূত্র পাল্টে ফেলতে পারে।

জীবনের ক্ষেত্রেও সেরকম কিছু ক্যালকুলেশন আছে। আমার ক্ষেত্রে যা হয় যা অতীতে দেখেছি বা শুনেছি তাই থেকেই আমি সিদ্ধান্তে আসি। আপনি যেটা বললেন সেটা মোস্ট অব দ্যা কেস মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের ঘটনা। কিন্তু এনভেলপে আসা বেশীর ভাগের অবস্হা দেখলে তার ছিটেফোটাও মনে হয় না। মনে হয় একে পালতে গেলে সারা মাস আমার না খেয়ে থাকতে হবে;):P
আপনি ধরতে পারেন আমি এ্যান্টিফেমিনিস্ট, কিন্তু আমি মোটেও তা না। আমার নিজেরও একটা বোন আছে। দিনের শেষে আমি তাকে নিয়েও চিন্তা করি। আমার চিন্তায় একটাই সমস্যা, সন্কটময় নীতিহীন সমাজে বাস করে এই সমাজের প্রতিটি এলিমেন্টের প্রতি একটু ঘৃণা জমে যাচ্ছে। যদিও আমি জানি সমাজ পাল্টানোর ক্ষমতা আমার নেই, সে জন্যই আক্ষেপ আর ক্রোধ মাঝে মাঝে লেখায় ফুটে ওঠে!

আপনাকে ধন্যবাদ। সব খবর ভালো বস?

২৭. ১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
চরণ দাস বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাইলে আর কি করা, শুরু কইরা দেন বোলগানী! কোন সাবজেক্টে পড়েন জানায়েন, যদি কমন পড়ে তাইলে পড়াশুনার পোস্ট দুয়েকটা ছাইড়া দিয়া যাতে বোলগানীর সাথে সাথে পড়ালেখা ও হইয়া যায়। এইটা হইলো ইন্টারেক্টিভ বোলগীয় পড়ালেখা!
১৪ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: নাহ্‌..এখানেও পড়ালেখা চলে আসলে আমি কোথায় লুকাই!!!

আমি Marketing এ পড়ছি, এবং এই সম্‌পর্‌কীয় ইন্টারেক্টিভ বোলগীয় পড়ালেখা করার কোনো ইচ্‌ছা আমার নাই, ধন্যবাদ।

আপনার অনেক গুলো লেখা পড়লাম, দারুন লিখেন আপনি!!!






আমি কিসু কইনি কিন্তু ;)
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: তুমি কও নাই এইডা আমি জানি, কিন্তু কই থিকা নাজিল হইলো সেইডা বুঝতাছি না।

তয় আফসোস, তেনারে আমিও হেল্প করবার পারুম না, ভাবছিলাম মনে আইটি বা ফিজিক্স বা ইন্জ্ঞিনিয়ারিং লাইনের হইবো!

ইদানিং জ্ঞান আমার বাইড়া গেছে!

২৮. ১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
মানবী বলেছেন: "আপনি যেটা বললেন সেটা মোস্ট অব দ্যা কেস মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের ঘটনা। কিন্তু এনভেলপে আসা বেশীর ভাগের অবস্হা দেখলে তার ছিটেফোটাও মনে হয় না। মনে হয় একে পালতে গেলে সারা মাস আমার না খেয়ে থাকতে হবে"

- উচ্চবিত্তএর মেয়েরা কি নিজের ছবি নিজেরা পাঠান!! :-*
এমন শুনিনি কখনো:-*



এতো ম্যাথমেটিক্স বুঝিনা ভাইয়া, কোয়ান্টাম মেকানিক্সও না। নারীদের বুঝি, বিশেষতঃ বাংলাদেশি নারীদের..


আল্লাহ'র রহমতে ভালো আছি ধন্যবাদ।
পোস্টের কন্টেন্ট সহ মন্তব্যগুলো পড়ে মনে হলো ৩ বছর আগে শুরু হওয়া " সাদা খামে ৬টি ছবি"র এই রুটিন সমাপ্তির পথে! খুব শিঘ্রী আগের আমরা সুখবর শুনবো :-)


অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম :)
১৪ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: উচ্চবিত্তএর মেয়েরা কি নিজের ছবি নিজেরা পাঠান!!


আপনের কথা ঠিক হইয়া থাকলে হিসাবে গুলমাল হইয়া গেলো! যাউক গ্গা, যেহেতু অখনও টাইম হয় নাই তাই হইলেই কি না হইলেই কি!

আর বস, ৩ বছর আগে শুরু হইছে ইচ্ছা আছে টোটাল ৯ বছর সবাইরে দৌড়ের উপর রাখুম-----এই দৌড়ানি দেওনের জন্য আপনার দোয়া প্রার্থী। কাইন্ডলি অন্য কোনো ঘিচিং দোয়া কইরেন না;)

১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: আঙ্গুলে আমার আজাইড়া জুড়, তাই ভাব আসলে কখন এইসব লেইখা ফেলাই নিজেই কইতারলাম না!

১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: রেল লাইনের বড় সৌন্দর্য....কেন জানি খালি হিস্যু আসে রেল লাইন দেখলে!

৩১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:২১
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: আমিও এইরকম লাল নীল খাম পাইতাম ছাই ;)

আমি আবার সুন্দরী মেয়ে দেখলে ডাইরেক্ট ডারলিং উপাদি দিয়ে দেই ;)। আজ পার্টি থেকে আসার সময় সেইরকম একজন দেখলাম (আমি জানি ভবিষ্যতে উনাকে কোথাও দেখতে পাবো না :(। না হলে প্রপোজাল দিয়ে দিতাম ;))।


সুন্দরী মেয়েদের ব্যাপারে আমার বস একবার বলেছিলো "horses puking in front of a drug store"

ভবিষ্যত অন্ধকার
১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: হর্সের পুকিং------- শিট ম্যান!

১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: গুড়ুম!:P

১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: তাইলে আসেন গান বান্ধি!

৩৪. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: "মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়। অথচ এই মেয়েগুলো জীবনে পরাজিত কোনো ভালো মানুষকে নিজের স্বামী হিসেবে দেখতে চায় না। এই সব মেয়েদের প্রতি আমার করুনা হয়। এরা শুধু ভালোবাসে এক নিশ্চিৎ জীবন। কখনো কি এরা সুখ পায়?"

- ব্যাপারটাকে এভাবে দেখছেন কেন? একবার ভাবুন তো আমাদের সমাজ মেয়েদের কোন নিরাপত্তাটা দিয়েছে যে আপনি এত অহংবোধ করে বল্লেন যে, আপনার করুনা হয় তাদের এমন চাওয়াটাকে? আমি নিজেও এরকম ঘটনার স্বীকার কিন্তু জিনিসটাকেতো এভাবে ভাবিনি। আমাদের সমাজ মেয়েদেরকে যেভাবে হীনমন্যতায় ভোগায়, তা অকল্পনীয়। ভাবুনতো আমার মা, বোনটি যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও কেন নিজস্ব ব্যক্তিস্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে না? কতটুকু সময় দিয়েছেন আপনি / আপনার পরিবার আপনার মাকে / আপনার বোনকে তার কথা বলতে দেয়ার জন্য? মা / বোনেরা ভাই বাবা আর সন্তানদের খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করবে আর আমাদের আনন্দকেই তার জীবন করে নেবে এটাই তাদের নিয়তী বানিয়ে ফেলেছি আমরা। বিয়ে করার সময়তো ৯০ ভাগ ছেলেরা সুন্দরী মেয়েকেই প্রাধান্য দেন, তখন মেয়েরা যদি নিরাপত্তার কথা ভেবে পাত্র পছন্দ করে তার জীবন সঙ্গী বেছে নেয়, তাতে দোষের কিছু তো দেখছি না আমি। আমাদের সমাজটাই আসলে এমন। ধিক দেই এমন সমাজকে।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথাও ঠিক। আসলে এই পৃথিবীর প্রতিটা দৃস্য়িভঙ্গীতেই যেমন শক্ত যুক্তি থাকে তেমন প্রতিটিতেই বেশ সূক্ষ্ম এবং ভয়ংকর ফাদ আছে।

পৃথিবীর এমন অনেক উন্নত দেশ আছে যেখানে রাস্ট্রীয় ভাবে মেয়েদেরকে মানুষ বলে বিচার করা হতো না। যেখানে ধর্ম অনুযায়ী বিচার হয় সেখানে ঐসব দেশে বিচার হতো জেন্ডার অনুযায়ী। খোদ আমেরিকাতেই পলিগ্যামী একসময় খুব কঠন আকার ধারন করে। যখন বিল ক্লিনটন বিল সাইন করে এটা বন্ধ করার তখন এটার বিরুদ্ধে যারা আদালতে গিয়েছিলো তাদের মধ্যে কিছু নারীও ছিলো।

আমার চিন্তা ভাবনাটা একটু অন্যজায়গায়। সেটা হলো প্রাথমিক ভাবে জীন গত। মেয়েদের জীন বা স্বভাবটাই এমন যে তারা পরিচালিত হতে চায়। তারা জানে তাদের রূপ বেশী দিনের নয়। তাই তারা ভরা যৌবনে ছুটে চলে তার মাদকতা ছড়িয়ে। যারা চায় নিজের পায়ে দাড়াতে তারা সেই মাদকতা ছড়াতে পারে না তাই দেখা যায় ইদানিং কুমারী প্রফেশনালদের বেশ চোখে পড়ে। প্রধান সমস্যা হলো আমাদের নিজেদের। সেটা ছেলেদের হতে পারে অথবা মেয়েদের। আমরা আমাদের ভবিষ্যত জানি না, তাই সব সময় কনফিউজড থাকি। আমরা জানি মাদকতা ছড়ানো অথবা মৌমাছি হয়ে মধু খাওয়া কোনোটাই ভালো না। তবুও এটা করি। ছেলেদের সাফার করতে হয় কারন ছেলেদের শারিরীক শক্তির চাইতে মানসিক শক্তি আছে, কিন্তু মেয়েরা পারে না। তার শক্তির প্রধান উৎসই হলো তার রূপ।

আপনি যে কথাটা বলেছেন সেটা ৬০ বা ৯০ পরবর্তি সময়ের জন্য। কিন্তু আগামী দশ বছর পর এই কথাগুলো বিলুপ্ত হবে। কারন মানুষ এখন জানে এসব ভুল ছিলো তাই মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এসব বর্জন করতে শিখছে। আর দুয়েকটা বিচ্চিন্ন ঘটনাকে আমরা উদাহরন হিসেবে ধরবো না।

আপনি হয়তো বলতে পারেন আসলে কি করা উচিত?

মি উত্তরে বলবো কিছুই করা উচিত না। যেটা উচিত মন যা চায় সেটার কথা একটু বেশী করে ভাবা। মেয়েরা এখন প্রচন্ড ম্যাটেরিয়ালিস্টিক চিন্তা করে আর তাই তারা নিজের যোগ্যতা থাকা সত্বেও সেটা নস্ট করে ফেলে। আমি চাই সেটা আবিস্কার করুক, নিজেকে পন্য না বানাক সম্পদের কাছে!

এখানে ধর্ম দৃস্টিকোণকে আমি সম্পূর্ন অবজ্ঞা করছি কারন আমরা কেউই এটা বুঝিনি। পর্দা করতে বলেছে ঠিক কিন্তু এখনও যখন দেখি বোরকার মতো অমানবিক পোষাককেই একমাত্র পর্দার খোলস হিসাবে ধরা হয় তখন হাসি লাগে!
সো আমার এই পোস্ট টির জন্য কোনো ধর্মীয় চিন্তার স্হান নেই।

৩৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
সাগর ঢাকা বলেছেন: চমৎকার লেখা....অকপট মনের কথা লিখে গেছেন...

আমার ধারনা ...মেয়েরা জীবনে নিশ্চয়তা খোজে, আর এতো পড়াশোনা , প্রতিষ্টিত কারো বউ হয়ে, নিশ্চিত জীবন যাপন...

++
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: কিন্তু এটা কি নিজের সত্বাটাকে বিকিয়ে দেবার জন্য নয়?

৩৭. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৮
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: "মেয়েরা এখন প্রচন্ড ম্যাটেরিয়ালিস্টিক চিন্তা করে আর তাই তারা নিজের যোগ্যতা থাকা সত্বেও সেটা নস্ট করে ফেলে।"

নস্ট করে ফেলে না নস্ট করতে বাধ্য করা হয়। আমি একজন ছেলে হয়ে বলতে পারি যে, যদি একথা বলি যে, তবে আমি কখনোই সত্যি কথা বলছি না।

একটা গল্প বলি। একটা মেয়ে প্রচন্ড মেধাবী ছিল তার ছাত্রীজীবনে। ইউনিভার্সিটির গন্ডি পেরিয়ে সে যখন ভাবল কিছু একটা করবে তার ক্যারিয়ার হিসেবে তখনই বাধ সাধল তার নিজের পরিবার। বাবা মা ভাই তিনজনেই বলল, কি দরকার চাকুরি করার। ঘরে থাক, মাকে ঘরের কাজে সাহায্য কর। মেয়েটির মন বলল, না তাকে কিছু একটা করতেই হবে। অনেক চেস্টার পর ভালো একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে আর্কিটেক্ট হিসেবে জয়েনও করল। ধীরে ধীরে সে ভালোও করতে লাগল সে। কোম্পানি তাকে পটেনশিয়াল আর্কিটেক্ট হিসেবে পদোন্নতি দিতে লাগল। কোম্পানির কলিগদেরও নজরে আসতে শুরু করল। কেননা এতদিন জুনিয়র হিসেবে তেমন পাত্তা পেত না তেমন। অফিসের এক ছেলে কলিগের সাথে তার ভালো বন্ধুত্ব হলো। ছেলেটিও মেয়েটির কাজের প্রতি স্পৃহা দেখে তাকে উৎসাহ দিত অনেক। কিন্তু তাদের এই বন্ধুত্বের মাঝে ফাটল ধরল একদিন যখন ছেলেটি মেয়েটির হাত ধরে বলল সে তাকে ভালোবাসে। মেয়েটির কাছে আস্তে আস্তে সব পরিস্কার হয়ে গেল যে ছেলেটার এতদিনের বন্ধুত্বের কথা। তাহলে কি সবকিছুর পেছনে এই ছিলো? সে কিছু বলল না। ছেলেটা মেয়ের সম্ভাব্য প্রত্তুত্তোর বুঝতে পেরে কথা বলা বন্ধ করে দিল। কিন্তু অফিসে ছেলেটার বন্ধুদের মধ্যে কানাঘুষা চলল যে, মেয়েটার সাথে নাকি ঐ ছেলেটার সম্পর্ক আছে। প্রচন্ড কাজের চাপে থাকায় মেয়েটা এসব কানাঘুষাকে তেমন পাত্তা দিত না। এদিকে অফিস থেকে মেয়েটি বাসায় ফিরলে মায়ের কাজে সাহায্য করা, বাবা ভাইকে এটা ওটা এগিয়ে দেয়াতো তার দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে, তাই এসব নিয়ে সে তেমন ভাবতোও না। মা প্রতিদিনই একটা না একটা বাহানা করে প্রবাসি ভালো পাত্রের ছবি অথবা বায়োডাটা দেখাতেন। একই জিনিস প্রায় প্রতিদিনই তাকে সহ্য করতে হতো। অফিসে কলিগদের এই নোংরামি, বাসায় মায়ের এই দু:শ্চিন্তাকে মাথায় করে তার জীবনটা অতীস্ঠ হয়ে উঠে। তারপর প্রতিদিন রাস্তায় বিভিন্ন গা-জ্বালা নোংরা কথার কথাতো বাদই দিলাম। শেষমেষ মেয়েটি এক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসি ব্যাংকার এর সাথে বিয়েতে রাজী হয়ে গেল। বিয়ের পর সে অস্ট্রেলিয়া চলে গেল। দু, বছরের মাথায় তার একটা মেয়েও হলো। সে এখন একটা ফুটফুটে মেয়ের গর্বিত মা। তার মেয়েটিও যখন বড় হবে, তাকেও তার মায়ের মতন বাধ্যতামূলক জীবন বেছে নিতে হবে।

সবশেষে এই কথাই বলি, আমি আর কিছু চাই না। আমি চাই আমার মায়ের কথা বলার স্বাধীনতা, তার প্রকৃত মূল্যায়ন এবং "মেয়েরা জীবনের নিশ্চয়তা খোজে" - স্টেরিওটাইপড ফালতু কথাবার্তা বন্ধ হওয়া। কেননা আমরাই তাদেরকে এমন হয়ে যেতে বাধ্য করছি। ঘরে বাইরে যে পরিমানে আমরা আমাদের মা বোনদের অপমানিত করছি, তা তাদেরকে ক্রমেই সমাজে নিরাপত্তাহীন করে দিচ্ছে নয় কি? ভেবে দেখবেন সবাই আশা করি।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার কথায় ঠু মাচ কন্ট্রাডিক্টেরি! কারন ঘটনাটা দেখেন মেয়েটিেকে একসময় না একসময় না বিয়ে করতেই হলো। এমন নয় যে ঐ কলিগটাও খারাপ ছেলে। কারন ধরে নেন ঐ কলিগটাও একদিন বিয়ে করবে। কলিগটা যদি খারাপ হয় একসময় এই বিয়েও টিকবে না। কিন্তু এতা সন্ডেহবাদী হলে তো স্কিৎজো টাইপ সমস্যা। কারন বাংলাদেশে এখনও বিবাহের ভাঙ্গনের হার বেশ কম। যদিও সংখয়ায় কমেছে কিন্তু হার যদি হিসাব করি তাহলে এটা যথেস্য় কম।

তার মানে দেখা যাচ্ছে যে মেয়েটি ইচ্ছা করলে ঐ ছেলেটিকেও বোয়ে করে সুখে তাহকতে পারতো যদিও বা ছেলেটা তাকে একটা উন্নত জীবন উপ হার দিতে পারটো না। মেয়েটিও কি এক্ষেত্রে সেই কাজটিই করে নি?

আপনি বলেছেন আপনারমার কথা বলার ক্ষমতা, কিন্তু বান বা পাশের কলিগের কথা বলার স্বাধীনতা। বন্ধু হিসাবে ভাবা যায় কিন্তু একজন অপটিচিত মানুষকে স্বামী হিসাবে ভাবা যায় দুটো কেমন যেনো অযৌক্তিক মনে হয়। আমার কথা স্টেরিওটাইপ মনে হতেই পারে কারন কথা গুলো অনেক বার বলা হইছে আর মেয়েরা নিজেরাও জানে না টারা কি করছে। আমরা ভাবি একটা মেয়েকে বািরে পাঠিয়ে দিয়ে সংসারে একটা ছোট বাবু আসলে সে সুখী হয়ে যায়। সেটা আমরা ভাবি কিন্তু একজন মানুষের সাঠে গভীর ভাবে মিশলেই বোঝা যায় তাদের ফ্যামিলি কনসেপ্ট কতটা ভঙ্গুর। সেখানে দুজনে চাকরি করলে জীবন কখন পার হয়ে যায় জানে না, আবার একজন ঘরে বসে থাকলে কখন স্কিৎহোফ_রেনিক হয়ে যায় সেটাও জানেন না। এই জন্যইদেখা যেতো বুড়োরাও নিজের ব্লগ খুলে খুব সময় কাটাচ্ছে!

আগে নিজেই দেখুন আপনার গল্পের ফোকড় টা কোথায়!

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আরেকটা উদাহরন দিতে ভুলে গেছি। আপনার মনে হয় খুব একটা বাইরের দুনিয়া দেখা হয় না। চট্টগ্রামে একটা লেভেলে একটা জোয়ার বইছে। সেখানে দেখা যায় মেয়ে সকালে উঠে গলা সাধে তারপর হোম পয়ার্ক করে স্কুলে যায়। টারপর বিকালে গানের টিচার। দে্যন আসে ময়াথ আর ইংলিশ। টারপর আসে হুজুর তারপর ৯টা পর্যন্ত অন্যান্য সাবজেক্ট। রাত ১১ টা পর্যন্ত পড়ে তারপর মেয়েটোর শান্তি। এরকম এক মেয়ের মাকে জিজ্ঞসেস করেছিলাম আপনার মেয়েকে এত কিছু কেন। তখন সে বলেছিলো আমি জীবনে যা করতে পারিনি আমার মেয়েকে তাই করাবো। অবশ্য তার স্বামী ব্যাক আপ দিচ্ছে।

আপনার ঐ অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মেয়েটার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। ফলাফাল যেটা হবে সেটা হলো অল্প বয়সে মেয়েটি পুবর্টিতে চলে যাবে অথবা মেয়েটি বুকওয়ার্ম হবে। সেক্ষেট্রে সে একাট স্বাধীনটা পাবে কারন ঐ সব দেশে বিয়েটা কোনো মেজর ইস্যু না যদি না হয় স্পয়েলড ক্রুকড হয়। আমাদের দেশে এমন অনেক মেয়ে আছে যারা বিদেশে থেকে বখে যাওয়ায় তাদেরকে দেশে পাঠিয়ে শুধরানোর চেস্টা করছে এবং বিলিভ মি তারা এখন বাংলাদেশের সঙ্গীটাঙ্গন মাতাচ্ছে। আবার এমনও ফুলকুড়ী আছে যারা বিয়ে করে বৈডেশ বা অন্যখানে নিজের কয়ারিয়ারটাকে নস্ট করে ফেলেছে!

৩৮. ১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩০
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: দু:খিত আপনি যদি আমার মেসেজটি বুঝতে না পেরে থাকেন। আমি বোঝাতে চেয়েছি যে আজও আমাদের সমাজ নারীদেরকে অবমূল্যায়ন করছে। আপনি যে উদাহরন টেনেছেন তা কতটুকু সত্য তা আমি জানি না। তবে আমি যে গল্পটি উপরে লিখেছি তার পুনরাবৃত্তি এই সমাজে হরহামেশাই হচ্ছে। আর এই বিষয়ে অন্তত আপনি যদি আমাকে আপনার দেয়া চট্রগ্রামের সেই লেভেলটির ১০টি উদাহরন দেন তবে আমিও আপনাকে আমার উল্লেখিত ঘটনার বাস্তব প্রমান ১০টির কম দিব না, বরং বুকে হাত দিয়ে বলছি সংখ্যাটা এমন যে আপনার উদাহরন তখন শুধুমাত্র Exceptional Case ছাড়া কিছুই হবে না। And i hope you know that exception can never be an example. যাই হোক আমার বলার বিষয় সেটা নয়, মূল কথা দিয়ে শেষ করতে চাই। বাবা, মা এবং আমাদের সমাজটাই এরকম যে, আমরা নারীদের প্রকৃত স্বাধীনতা দেইনি। নিজেদের কতৃত্ব প্রকাশ করাটাই আমরা জাহির করেছি তাদের জন্য। নারীবাদ, পুরুষবাদ বলে কিছু থাকুক না এই সমাজে, থাকুক ভালোবাসায় ভরা সকলের প্রতি সকলের শ্রদ্ধা এবং তার নিজস্বতা প্রকাশ করার অভিপ্রায় এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন। ভালো থাকবেন।
১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি বুঝাতে চেয়েছি অবমূল্যায়ন কোনো মতেই করা হয় না। এখনো অনেক কোম্পানী জাস্ট জেন্ডার ব্যালেন্সের প্রচুর রিক্রুট করে। এখনও মেয়েদের ব্যাপারে অনেক বেশী সোচ্চার, নারীর ক্ষমতায়ন বাড়ছে। তাই একজন মা যে জীবনে কিছু করতে পারেনি তার মেয়েকে তাই করাচ্ছে বাবারা ব্যাক আপও দিচ্ছে। তবে সমস্যাটা হলো জেনেটিক বা বেছে নেবার স্বাধীনতা। আমার সব কথার মূলে এটাই মেয়েরা একটা ব্যাপারে ভুল করছে যে তারা ভুল জিনিসটাকেই বেছে নিচ্ছে যেখানে আপনার যত প্যারামিটার দেখাচ্ছেন সবই ভুল । কারন উন্নত দেশের মেয়েরাও যে এই ভুল গুলো করে না এটাও না। তারাও এই ভুল করছে আরও প্রচন্ড হারে!

আগে বুঝেন আপনের এই কথা গুলান অনেক আগেই বলা হইছে বুঝানো হইছে! নতুন করে যেটা বলা হচ্ছে সেটা অনেক গভীরের কথা মনস্তত্ব নয়, জীন গত চয়েসের!

১৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: আর এরকম ১০ টা উদাহরন না প্রতিটি রেসিডেন্সিয়াল জোনে ই এটা হচ্ছে। চট্টগ্রামে চুয়েট বা ভার্সিটি বা ইউএসটিসি বা যারা ইংলিশে ভালো তাদের টিউশনি গুলো চলছে এদের বাসাতে করেই। তাই আপনের মতো মাথা গুনে হিসাব দিতে গেলে হাজারটা ছাড়িয়ে দেবে। সেম ঘটনা ফরিদপুর, সিলেট, খুলনা আরও বিভিন্ন জায়গায়!

আমার দেখা র পরিধিটা যে কত বড় আপনার ধারনার বাইরে!

৩৯. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:২১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনার কথা অনেকাংশে ঠিক। সাধারণ ক্ষেত্রে। তবে, একটু গভীরে গেলে চিত্রটা অন্যরকম।

কিন্তু, বস, মেয়েদেরকে শুধু মাত্র মেয়ে আর ছেলেদেরকে শুধু মাত্র ছেলে বললে বোধহয় ভুল হয়। এখন, আমাদের সবার ইনডিভিজুয়াল পরিচয় আর চিন্তাধারা আছে।

আপনি নিজেই পোস্টে বুঝিয়েছেন, কোন মেয়ের সাথে তেমন ভালবাসার কোন সম্পর্ক হয়নি। তাই, ব্যাপারটা একদম সহজ ভাবেই নিয়েছেন।


কিন্তু, ভাল করে দেখুন, অনেক মেয়েরাই চালচুলোহীন কোন ছেলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।

আসলেই কী চালচুলোহীন ছেলে এগুলো ?? না তা হয়ত না। সেইম ইয়ারের ছেলে। মেয়ের বাবা মেয়েকে আগেই বিয়ে দিচ্ছে।

অথবা, ছেলেটা মাত্র পাশ করে বেরুলো। চাকরী খুজছে। এখনও পেল না। মেয়েটার ছবি আপনার কাছে চলে এসেছে। মেয়েটা ভয়ে আছে, আপনার না ছবি পছন্দ হয় ! সে দুয়া করছে যেন পছন্দ না হয়, সে যেন আরও সময় পায়।

অথবা, হয়ত মেয়েটা জানেই না, তার ছবি আপনার কাছে।

একটা কথা বলি, আপনি যখন পাত্রী দেখতে সেই বাসায় যাবেন, ঐ মেয়েটা আর তার প্রেমিকের শেষ যেদিন দেখা হবে, আপনি তখন তাদের কাছে শত্রু। যাকে বিয়ে করবেন, সে-ই আপনাকে শত্রু ভাবছে, অথচ এব্যাপারে আপনার হাত নেই। মেয়ের সাথে কথা বলে পরিষ্কার হয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবেন।

শুভকামনা রইল।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ফেভারিট কমেন্ট!

৪০. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
স্বপ্ন নীল বলেছেন: সবাই তো দেখি অনেক বড় বড় কমেন্ট দিতাছে.......

আমিও দিলাম একটা






























অ....................নে.............................ক









ব...................ড়







ক................মে..................ন্ট








লেখা ভাল লাগছে। +++
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: মাথার টুপি পইড়া গেলো এত উচা কমেন্ট দেইখা! কেমতে কি?

৪১. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: "কি অদ্ভুত তাই না, মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়। অথচ এই মেয়েগুলো জীবনে পরাজিত কোনো ভালো মানুষকে নিজের স্বামী হিসেবে দেখতে চায় না। এই সব মেয়েদের প্রতি আমার করুনা হয়। এরা শুধু ভালোবাসে এক নিশ্চিৎ জীবন। কখনো কি এরা সুখ পায়? নিজেরা কখনোই ছুটে না সাফল্যের পিছনে।"

দুর্দান্তভাবে বিপ্লবাত্মক! জবাব নেই।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: ধইরা নেন এই কথাগুলো আমাগো অনেক চেনাগো লিগাই বলা যারা এখনো বুঝে না তারা সবসময়ই ভুল ছিলো আছে থাকবে! শুধু করুনা হয় তাদের জন্য!

মনে করতে পারেন তাদের জন্য আছে শুধু ভীড় বাসের ধাক্কা আর যন্ত্রণা!

৪২. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০৫
শ।মসীর বলেছেন: রাতমুজুরেরটাও পরলাম। (Click This Link)

হিসেব মিলাতে পারিনা জীবন কি। কার কাছে কেমন।

----------------------------
মেয়েগুলো নিশ্চিত জীবনের আশায় সফল ছেলেদের সাথে নিজেকে সপে দিতে চায়।
------------------------------------------------------
ছয়ফিট লম্বা ফর্সা সুন্দর আর ঢাকায় বাড়ি থাকতে হবে। একজন তার পরিচিত এক মেয়ের পছন্দের কথা বলল।
নির্বাক হতে হয়।বলার কিছু পাইনা।
----------------------------------------------------------
ঐ ছয়ফিট ছেলের যদি এমন ক্লিপ থাকে মেয়েটার অনুভূতি কি হবে খুব জানতে ইচ্ছা করে।
-------------------------------------------

এইসব ভাবতে গেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলি। অন্যরকম জীবন খুজি শেষে।সেটাইবা কি কোথায় জানিনা।
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: এইসব মেয়েরাই পরে মানুষের বাসায় গিয়ে শোকেসে পরিণত হয়। আমি একটা মেয়েকে চিনি জেরিন নামের (ছদ্মনাম)। সে এখন গণ ডেট করছে সমাজের উচু স্তরের ছেলেদের সাথে। তার একটাই মোটো রূপ তার বেশী দেন থাকবে না, তাই যতদিন রূপ আছে ততদিনে তাকে সেটেল হতেই হবে। তার জীবন ধারনের জন্য খুব বেশী টাকা না হলেও মোটামোটি সম্পত্তি তার চাই। তার সাথে যখনই কথা বলি তখনই দেখি পসরা সাজিয়ে বসে আর সব সময়ই ইনডিসিশনে। ইতিমধ্যে একটা এয়ার ফোর্সের পোলার খপ্পরে রাতের ঘুম হারাম হতে শুরু করেছে কারন ঐ ছেলে নাকি ইতিমধ্যে থেটারিং দিয়ে ফেলেছে ওকে ওর চাই-ই চাই!

করুনা হয় এসব শোকেসিত মেয়েদের প্রতি যাদের জন্মই শুধু প্রসব করা আর ঘরের কামলা খাটা!

আমরা হেভী মেটাল পাবলিক, এসবে কান না দিয়ে আসেন সামনে লিংকিন পার্কের আরেকটা ক্রিয়শনের ওয়েট করি!

৪৩. ২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৩৪
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: হুহ ২ দিনের বৈরাগী পানিরে কয় জল আর ভাতেরে কয় অন্ন....
২৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: অথবা আরেকটা কথা কওন যায়, দেশী কুত্তার বিলাতী ভাও!

অখন আপনে কন কোনডা ভালা লাগতাছে?

৪৪. ২৯ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
শ।মসীর বলেছেন: আমরা হেভী মেটাল পাবলিক, এসবে কান দিয়ে আসেন সামনে লিংকিন পার্কের আরেকটা ক্রিয়শনের ওয়েট করি! ---------------------------------------------------------------------
অপেক্ষা জিনিসটার উপর পেইন হইয়া গেছি।মাগার উপায় নাই।
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যধারীদের পছন্দ করেন এবং তাদেরকে পুরস্কৃত করেন!

আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখেন বস!

৪৫. ২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: এই পোষ্টের জন্য সব গুলা প্রযোজ্য।
পানিরে কয় জল আর ভাতেরে কয় অন্ন কিংবা দেশী কুত্তার বিলাতী ভাও!
২৯ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: আপনেই বস!;)

৪৬. ২৩ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৫
হুপফূলফরইভার বলেছেন: আঈ ঈহা কি পোস্ট পড়ীলাম!!

আ--ঢ় মাথা আঊলাঈয়া গেছে!!

অহন মাথা ঠিক্করুনের লিগা জরুরী একখান মাইয়া নার্স থুক্কু ডাঃ লাগবু!!



:P :P :P
অ:ঠ: কি লিখুম কি বলুম আর কি করুম ভাবনার সাগরে হারায় গেছি, কেউ থাকলে উদ্ধার করুইন যে!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছেলেটি পথে নেমেছিলো একদিন নীল মায়ার হাতছানিতে। নিঃসঙ্গতায় হেটে যেতে আবিস্কার করে নিঃশব্দ চাদ তার সঙ্গী। এখন সে হাতড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ