ঘটনার পেন্টু খুইলা কই: আজকা সকালে একুশে বাসে উঠিয়া দেখি পানিতে বাস ভাইসা গেছে। কন্টাক্টররে ডাইক কইলাম," টয়লেট মনে কইরা বাস ইউজ করছিলি নাকি?
: কি কন উল্টা পাল্টা? রাইত ভইরা নাক ডাইকা ঘুমাইলে টের পাইবেন কেমনে? রাইট ভইরা বৃস্টি হইছে।
: আব্বে বৃস্টি কি বাসের ভিতর হইছে?
: জানলা আর ছাদের ভেন্টিলেটার লাগান আছিলো না!
যাই হোউক, জানালার পাশে জব্বর একখান সীট চয়েজ কইরা বইসাই ঘুম। ঘুম ভাঙলো গুলশান ১ এ আইসা। নাইমা যে হাটা ধরলাম মনে হইলো জীনসের পিছনে কি জানি লাইগা আছে। হাত দিতেই বুঝলাম আসলে ভিজা সীটে বসনে সীটের পানি চুম্মা দিছে! আর যাই কই, আমার প্যান্টের পিছন ভিজা নিয়াই অফিস ঢুকতে হইলো আর শুরু হইয়া গেলো একেক জনের ছিড়ু কমেন্ট!
১) কিরে ভাই, টয়লেটে কি প্যান্ট পইড়াই গেছিলেন?
২) ভাইজান, প্রানের আচার কেমনে খাইলেন?
৩) ভাইজান, আপনার পিছনে কোন দেশের মানচিত্র?
৪) ভাইজান, কোনো বদ জায়গায় বসেন নাই তো, কেমন যেনো বাস আইতাছে? একটু রুম এসপ্রে লাগিয়ে নেই!
৫) কি হইছিলো কন তো দেখি, দাবড় টা কে দিছে, রাইতের যার সাথে ছিলেন সে নাকি পুলিশ নাকি হোটেলের দারোয়ান?
আরো আছে, যেগুলান বলা তো দূরের কথা শোনাও কস্টকর! আমার মান সম্মান অপমান ধুলায় মিটা গেলো!
কুটিকালে হিন্দি সিনেমায় একটা জটিল ডায়লগ আছিলো:
মেরি ইজ্জত লুট গেয়ী.....
অখন এই ডায়লগ দিবার মন চাইতাছে! আরও ঘটনা বাকি আছে, একটু পর গুলশানের একটা কোম্পানীর হেড অফিসে মিটিং, ২ টার পর আন শিডিউলড মিটিং।
অখন প্যান্ট কেমনে শুকাই সেই চিন্তায় আছি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


