আমার প্রিয় পোস্ট

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

আবারো ফিজিক্স: একখান অকাম ঘইটা গেছে, কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গলম্যান্ট প্রোপার্টি দিয়া সলিড স্ট্যাট ইলেক্ট্রনিক্সে সার্কিট বানাই ফেলাইছে!

১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

পয়লাই কই কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গলম্যান্ট কি?


এনট্যাঙ্গলম্যান্ট এর বাংলা জানি না। মেলা ডিকশনারী খুজলাম, লাস্টে নিজেই হারাই গেলাম কি খুজতে গেলাম। আর এইটা যদি স হজ ভাবে না বুঝাইতে পারি তাইলে এই খবর খান দেওনটাই পয়লা বেকুবিয়ান কাম হইবো, যদিও আমরা এখন বেকুবিয়ান যুগে নাই!

অখন কাজের কথায় আসি: ফোটন কি এইটা ধইরা নিলাম সবাই জানেন। আলোর কণিকা। আপনে এখন লাইট মারেন জনে জনে। কিছু কিছু লাইট রিফ্লেক্ট করবো, কিছু লাইট শোষিত হইবো কিছু লাইট ভিতর দিয়া চইলা যাইবো। তো ফোটন গুলান যখন একটা পদার্থের উপর পরে তখন ধরেন কিছু শোষিত হইলো। ফোটনের এই শোষন হইলো ইলেক্ট্রনের দ্বারা। ঘটনার পরিক্রমায় এবং স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যখন ইলেক্ট্রনের তার গ্রাউন্ড স্ট্যাটে ফিরা আসে (এইটা হইলো ইলেক্ট্রন মাঝে মাঝে শক্তি প্রাপ্ত হইয়া শাক্তিশালী স্টেটে চইলা যায় যারে আমরা এক্সাইটেড কিছু কই, পরে আবার আগের জায়গায় ফিরা আসে: সোজা বাংলায়)। তো এইযে সে গ্রাউন্ড স্টেটে আসলো অথবা ক্ষয়প্রাপ্ত হইলো এইখানেও সে একজোরা লাগালাগি ফোটন ছাইড়া দিবো যাগো কোয়ান্টাম এনার্জী আগেরটার সমানই। তো এই এই এক জোড়ার আবার একখানের স্পিন আপ থাকে আরেকখানের স্পিন ডাউন থাকে (স্পিন হইলো কুন দিক দিয়া ঘুরবো, এইটা আমজনতার বুঝনের লিগা)। অখন আপনে একখান আকাম করবার পারেন, একখান বীম স্প্লিটার আনলেন, দিলেন ঢুকাইয়া ঐ চন্দ্রিমা উদ্যানের মতো এক জোড়া ফোটন। তো ঐ জোড়ারে আলাদা কইরা এখন আপনে একখান রে রাখলেন চায়না আরেকখান রে রাখেন প্লুটো নামক গ্রহ না কি জানি কয় ঐখানে। তার পর চায়নার যেইটা ঐটার স্পিন যদি আপ থাকে তাইলে ঐটা ডাউন করেন। তখন দেখবেন ঠিক ঐ সময়েই প্লুটোর মধ্যেকার ঐ ফোটনের স্পিন ডাউন আপ হইয়া যাইবো।

কেমতে ঘটলো কেমনে জানলো কুন সময় জানলো এইটা কইবার পারুম না তয় ঘটে এইখান কাম। কি মাথাডা ঘোরে নাকি একটু আশ্চার্য্য লাগে? টাইম কুনো ফ্যাক্টর না, দূরত্বও কোনো ফ্যাক্টর না, এগো প্রেম পুরা সলিড। একখান ডাইনে ঘুরলে আরেকখান বায়ে। যখনই একখান চেন্জ্ঞ হইবো তখনি আরেকখান চেন্জ্ঞ, কি তমসা, খাও কুক ফান্টা!

যাই হোউক আর বেশী ডীপে গেলাম না। অখন আসেন সার্কিট কি বানাইলো সেইখান দেখি!

সার্কটি:

ইলেক্ট্রিক্যালের পুলাপানরে জিগাইলে কইবো সার্কটি কারে কয়। কেু দেখা গেলো পুরা একখান গল্প ফাইদা বসছে, কেউ দেখা গেলো তার দিয়া বাত্তি জ্বালাইয়া সার্কিট বানাই দিছে। যাই হোউক, আমি অল্প কথায় যাতে সবাই বুঝবার না পারে, বুঝলেও যাতে কেউ কঠিন কুশ্চেন জিগাইবার না পরে সেইজন্য কিছু ফটুক দিয়া দেখাই দেই!

এইখানে পয়লা কাম যেইডা করা হইছে, যেহেতু সার্কিট সেহেতু ফোটনের জায়গায় ইলেক্ট্রনের কুপার পেয়ার মানে কুপার জোড়া নিয়া কাজ করা হইছে। (কুপার পেয়ার হইলো সুপারকন্ডাক্টরের বিসিএস থিওরী অনুযায়ী দুইটা ইলেক্ট্রনের পরস্পরের অল্প আকর্ষনের মাধ্যমে একখান জোড়া তৈরী করা যার এনার্জী স্টেট ফার্মি এনার্জী লেভেলের চাইতেও কম।অল্প তাপমাত্রায় ইহা সুপারকন্ডাক্টিভিটি প্রোপার্টি দেখায়।) এই কুপার জোড়ারে নরমাল সার্কিটে কোয়াসিপার্টিক্যাল হিসাবে ব্যাবহার করনের জন্য আনড্রিভ রিফ্লেকশন (ইহা এক ধরনের স্ক্যাটারিং প্রসেস যার মাধ্যমে এই সুপারকারেন্টরে নরমাল কারেন্ট হিসাবে ব্যবহার করন যায়) দিয়া সুপার কন্ডাক্টর আর নরমাল কন্ডাক্টরের ইন্টারফেস হিসাবে কাম করানো হইছে।



উপরের ফটুকে দেখা যাইতেছে সেই মহার্ঘ সার্কিট।এই সার্কিটে ডাবল কোয়ান্টাম ডট জিওম্যাট্রি নিয়া কাজ করা হইছে যেইখানে কার্বন ন্যানোটিউব দুইটা নরমাল আর একটা সুপারকন্ডাক্টিভ ইলেক্ট্রড সাথে লাগানো আছে। এইটা বীম স্প্লিটার হিসাবে কাম করবো (এইটার জন্য সুপারকন্ডাক্টিভ ইলেক্ট্রডরে বায়াসিং করতে হইবো), তো ঘটনা হইলো এখানে যে সসীম পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হইতেছে সুপারকন্ডাক্টিভ ইলেক্ট্রড হইতে বায়ের দিকে আর ডাইনের দিকে এই কারনে যে সুপারকন্ডাক্টরের এনার্জী গ্যাপের থিকা কম বায়ার ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হইছে যেইটা আসলে কুপার পেয়ার ঢোকনোর কাম করতাছে।
এই সাব গ্যাপের কারেন্ট বাড়ানো যায় যখন ক্যাপাসিটিভ কাপলড সাইড গেট ইলেক্ট্রড দিয়া টিউন করা হয়।

এই সিঙ্গেল ওয়াল ন্যানটিউবের ফ্রেব্রিকেশন কেমিক্যাল ভেপর ডিপোজিশনের মাধ্যমে করা হইছে।আর বাকি সব ফেব্রকেশন করা হইছে স্ট্যান্ডার্ড ই-বীম লিথোগ্রাফী এবং থীন ফিল্ম ডিপোজিশন টেকনিক এর মাধ্যমে।
ফটুকে দেখা বার গুলানের সাইজ ১ মাইক্রোমিটার। এই কেন্দ্রিয় সুপারকন্ডাক্টিং ইলেক্ট্রড লাগানো আছে দুইটা কোয়ান্টাম ডটের সাথে ঐ একই ন্যানোটিউবেযেইটা আসলে নরমাল দুইটা ইলেক্ট্রড L আর R এর মধ্যে ব্রীজ হিসাবে কাজ করতাছে।
সুপার কন্ডাক্টর আর নরমাল কন্ডাক্টরের কনটাক্ট রেজিসট্যান্স যত সম্ভব কম রাখা হইছে ৩০কিলোওহমের মতোন।এদিকে সিলিকন ডাই অক্সাইডের হাই ডোপ দিয়া সিলিকন সাবস্ট্রেটে গ্লোবাল বেক গেট বানানো হইছে যার একটা VSG1 আরেকটা VSG2।এই VSG1 এবং VSG2 ভোল্টেজ দুইটা টিউন কইরা সুপারকন্ডাক্টিং ইলেক্ট্রডের দুইটা ভিন্ন অংশেরর নিয়ন্ত্রন করন যায়।এই এক্সপেরিমেন্টের পুরা মীজারমেন্ট লওন হইছে ৮০ মিলি ক্যালভিন তাপমাত্রায়।

ক্যারেকটারিসটিকস:

পয়লা অপারেশন চালানো হইছে একটা ধারাবাহিক কোয়ান্টাম ডট হিসাবে যেইখানে VM = 0 এবং VS নট ইকুয়াল টু 0। এখন কালার স্কেল প্লটে এর লিনিয়ার কন্ডাক্ট্যান্স GL = dIL/dVS হইলো 2 VSG2 আর 1 VSG1 এর একটি ফাংশন। নীচের ফটুক খান দেখেন!



আবার যখন বীম স্প্লিটার হিসাবে কাজ করানো হইছে তখন সেট করা হইছে VM নট ইকুয়াল টু 0 এবং VS = 0।এইখানে ডিফারেন্সিয়াল কন্ডাক্ট্যান্স দেখা যায় ঐ আগের মতো VM, VSG1 এবং VSG2 এর ফাংশন হিসাবে কাজ করে যেটা আসলে সুপারকন্ডাক্টরে টানেলিংটাকেই বোঝায়।



এখানে VM < 85 মাইক্রোভোল্ট এর জন্য শুধুমাত্র কুপার পেয়ার ইনজেক্ট করা যায়।

আসলে উপরের এক্সপেরিমেন্ট থিকা এইটা বুঝন যায় যে অল্প তাপমাত্রায় ইলেক্ট্রন গুলান কুপার পেয়ারে তৈরী করে এবং উহা সুপারকন্ডাক্টিং ব্রীজ দিয়া প্রবাহিত হইতে থাকে যতক্ষন না ঐ কার্বন ন্যানোটিউব ঐ ইলেক্ট্রন পেয়ারে জন্য বীম স্প্লিটারের মতো কাজ করে! মাঝে মাঝে এই সব ইলেক্ট্রন ভাগ হয়ে যায় এবং আলাদা কোয়ান্টাম ডটের ন্যায় আচরন করে কিন্তু তখনও এনট্যাঙ্গলড হয়। যদিও কোয়ান্টাম ডট গুলানের মধ্যবর্তী দূরত্ব মাইক্রন স্কেলে , কিন্তু অপটিক্যাল এনট্যাঙ্গলম্যান্টের তুলনায় এটাই যথেস্ট সার্কিটের স্কেলে কাজ করানোর জন্য।

এই এক্সপেরিমেন্টের চিঠিটা যখন লেখা হইতাছিলো তখন হটসওয়ারে ন্যানোওয়ারের উপর ইন্ডিয়াম আর্সেনাইট দিয়া সেম কাজ করন হইতাছে বইলা জানা যায়!


এই লেখা খান একখানা প্রকাশিত হইছে ফিজিক্স রিভিউ লেটারের ভলিউম ১০৪ এর ইস্যু নম্বর দুই!


ঠ্যাংটিকা:

আরো একখান কথা, এইখানে অনেক টার্ম আছে যা নিয়া আলোচনা করতে গেলে দেখা যাইবো পুরা ব্লগ ভইরা যাইবো এই কথায় ঐ কথায়। তাই অনেক জায়গা খালি নাম বা প্রসেস লেইখা পল্টি দিছি। কেউ যদি আমার পল্টিবাজী ধরবার চান, ধরতে পারেন আমি মানা করুম না। তয় কেউ যদি জবাবাদিহির কথা কইয়া জানতে চায় তাইলে ভাই আমি জানাইতে তাহারে বাধ্য। যতটুকু বুঝি না বুঝি, তারে বুঝাই্যা ছাড়ুম যে ঐ দেখা যায় তালগাছ উহা আমার!

আহেন কটকটি খাই!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মূর্খ উদাসীর জ্ঞানী কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫১
এক্স বলেছেন: এইটা কি এক্সবক্সের জয়স্টিক?
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: এক্সবক্সের কুন গেম, খালি নাম কও, দেখবা চিডি ফিডি জয়স্টিক দিয়া কেমনে বইসা যাই খেলতে!

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: কপাল ভালো আমারটা করে নাই, করলে হয় এ্যাডল্ট ফিল্ম নাইলে গোবর পাওন যাইতো স্ক্রিনে! মানির মান আল্লায়ই রাখে!

৩. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৩
অপ্রয়োজন বলেছেন: বড়ই জ্ঞানগর্ভ আলুচনা ...
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: অখন পিয়াজ আর কাচামরিচ দিয়া আলুচনা গুলান মাইখা মুড়ি মাখা খাই, কি কন? রাজী থাকলে বটতলা আইসা পড়েন!

৪. ১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৫৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: কামের কাম করছো। হার্ডকপি অনিল রে পাঠাও, দুয়া করবেনে।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: অনিলের কাছে যামুনা, দেখা গেলো নতুন এসাইমেন্ট ধরাইয়া দিয়া কইলো,"ওসব বলে আমাকে কোনো লাভ নাই, এই এ্যাসাইনমেন্ট করে আনো, তারপর ভাববো তোমার সার্টিফিকেট আসলে নিলামে তোলা হবে কিনা!"

মাফ চাই!

৫. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০১
বালক বন্ধু বলেছেন: ভাই প্রথমে কিছু কিছু বুঝতেছিলাম। পরে মাথা ঘুরাইয়া গেল।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: মাথা ঘুরাইলে সমস্যা নাই, মনিটরখানও ঘুরাইয়া লন, দেখবেন অলওয়েজ চোখের সামনে অন!

৬. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০২
স্বল্পজ্ঞানী বলেছেন: ফিজিক্সের ছাত্তর হইয়াও পড়ার ধৈর্য রহিল না। পেটের দায়ে লাইন চেইঞ্জ করেছি।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: এখন কুন লাইনে পরিত্যাগ করেন তাইলে? আপনে তো তাইলে দেখা যাইতাছে বায়োলজী র সাইডে একখান যুগান্তকারী আবিস্কার হইবেন!

৭. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৫
টানজিমা বলেছেন: হে.......রাম..........মাথা ব্যথা করতাছে..........:(

(আপনেরে দেখি আর ইয়াহুতে আশেন না..);)
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আমার জ্ঞান চর্চায় বড়ই অসুবিধা হয়----এই ডায়লগ দিতে গিয়া নিজেই লাস্টে চিন্তা করলাম, আমি আবার জ্ঞানের খোজ কবে শুরু করলাম, জ্ঞানই তো আমারে খুইজা বাইর কইরা জ্বালায়!

৮. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৬
হোরাস্‌ বলেছেন: আপনি কি শুরু করছেন এগুলা, আপনার সার্কিট কি গন কেস নাকি? B-)

তালগাছ আগেই নিয়া রাখছেন বইলা নতুন কইরা দিতার্লাম না। :(
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: সমস্যা হইলো তালগাছে অখনো তাল হয় নাই, বুঝতাছি না এই গাছে কি তাল হইবো নাকি খালি তালের রস? তালের রস হইলে লস, এতো রস খাইয়া কি করুম!

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: র‌্যাবে ধাওয়া করছে নাকি? আপনার অপরাধ টা কি?

১০. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১০
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: আপনে মিয়া ব্লগার মারার তালে আছেন!
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: কন কি? আমারে কি র‌্যাবে সিলেক্ট করছেনাকি? ভাইরে দুয়া করেন, র‌্যাবে যদি একবার সিলেক্ট করে তাইলে সবার আগে আমাগো এলাকার মাইনকারে ফেলামু, ঐ পিচকা আমারে ব হুৎ জ্বালাইছে, রাইত বিরাতে উইঠাই ডেক সেট ফুল ভলিউমে দিয়া কান্নাকাটি করে। কত রাইট যে ঘম আহি নাই অর কান্দনে!

তারপর আপনের কেস!

১১. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৭
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: দূরো! এইডা কি দিছেন? দুনিয়ার ছবি আর কঠিন কঠিন শব্দের কচকচানি।

এইডা কি ছবি ব্লগ? তাইলে আরো ভালো ছবি দিতেন! কালার কম হই গেচে।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: ভালা ছবি কেমনে দেই, ক্যামেরা অখনও কিনবার পারি নাই। নাইলে দেখাইতাম সামারে কেমনে মাইয়া মাইনষের জামা কাপড়ের সাইজ কমে আর পোলাগো লাফানি কেমনে বাড়ে!

১২. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২২
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: বর্তমান ব্লগে ছাগুদের উৎপাত সম্পর্কে আপনার মতমত কি?
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: কোরবানী ঈদ ছাড়াই ইহাদের জবেহ করতে হবে, টারপর বার বি কিউ করাইয়া বাংলাদেশে নদীতে ফেলাইতে দিতে হইবে, শোনা যায় নদীর মাছ নাকি খাওন পায় না!

১৪. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩১
মুভি পাগল বলেছেন: আমি কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। কিন্তু এটা পড়তে আমার মোটেই ভাল লাগে না। কেন যে ভর্তি হলাম। আপনার পোস্ট অর্ধেক পড়েই মাথার ভেতর এলোমেলো হয়ে গেছে।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ভাই কমিউনিকেশন ইন্জ্ঞিনিয়ারিং খুবই ছোট একটা ফিল্ড। সলিড স্টেট ফিজিক্সের ধরেন কিছুটা আর ইলেক্ট্রনিক্সের কিছুটা দিয়াই এইটা। আর মেইন ব্যাপার হলো কোয়ান্টাম কমিউনিকেশনে এই এনট্যাঙ্গলম্যান্ট যে কতটা গুরুত্বপূর্ন এটা আমি বলে বোঝাতে পারবো না! কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এ এটা ধরতে পারেন সেরা একটা কিছু!

১৫. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩২
মুভি পাগল বলেছেন: তবে পোস্টে নি:সন্দেহে পেলাস
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: কিন্তু গেলাস কই?

১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: চেতেন কেন? মিছা কথা কই লিখলাম?

১৭. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৪
বখাটে পুলা বলেছেন: কিরে বান্দর............ :P
তোর পুরান প্রেমিকার তো পেট হয়েছে..... :-0
কিছু টাকা পয়শা পাঠা...(এবুশন কত্তে হবে).. /:) /:)
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: কেডারে ভাই?

১৮. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৫
সাপিয়েন্স বলেছেন: কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর প্রথম ধাপ হলো এমন কোয়ান্টাম যন্ত্র তৈরি করা, যাতে একই ইলেক্ট্রন নির্দেশিত একাধিক অবস্থায় [ স্পিনের দিক] যুগপৎ থাকতে পারে। এই 'কিউবিট' বা কোয়ান্টাম বিট গুলো সাধারণ বাইনারি বিটের চেয়ে বেশি ইনফর্মেশন ধারন করে। কোয়ান্টাম গেইটে এদের অবস্থার পরিবর্তন করানো হয় একটা কন্ট্রল বিটের সাহায্যে। ফলে অনেক দ্রুত ইনফর্মেশন প্রসেস করা যায়। কোয়ান্টাম কম্পিউটারের রেজিস্টারে অনেক কিউবিট এন্ট্যাংগল্ড অবস্থায় রাখা হয়।

আলো দিয়ে কাজ করাই বেশি সুবিধাজনক মনে হয় অনেকের কাছে, কিউবিট ও গেইট উভয়ের জন্য। তবে কেউ কেউ ইলেক্ট্রনের স্পিনকে আলোর পোলারাইজেশনের জায়গায় ব্যবহার করা বেশি সম্ভাবনাময় মনে করেন, যার কারণ আমার কাছে স্পষ্ট নয়।

এই ন্যানোটিউব-কোয়ান্টামডট-সুপারকন্ডাক্টর যন্ত্রের সাহায্যে আন্দ্রিয়েভ প্রতিফলন নিয়ন্ত্রন করা যাবে। কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ দেখতে পেলাম না। প্রিন্সটনে জেসন পেট্টার কাজের প্রাসঙ্গিকতা আরো স্পষ্ট।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: ভাই, এইখানে একটু পার্থক্য আছে। আপনে যেই কিউবিট কইতাছেন সেইটা হইলো ইলেক্ট্রনের স্পিনিং, কিন্তু এইখানে যেইটা হইবো সেইটা হইলো এনট্যাঙ্গলম্যান্ট। এইটা এতটাই দ্রুত গতির যে বলা হয় আলোর গতির চেয়েও বেশী, অনেকে বলে টেকিওনিক কনডেন্স এর সাথে এর যোগাযোগ, তবে ব্যাপারটা এখনও পরিস্কার নয়, বিখ্যাত ইপিআর প্যারাডক্স!

এইখানে আন্দ্রিয়েভটা ব্যাব হারের একটাই কারন সেটা হলো ইলেক্ট্রনের কুপারস পেয়ার যেটা আসলে এক জোড়া ফোটনের এ্যানালজী। প্রিন্সটনের জেসন পেট্টার এই এক্সপেরিমেন্ট কিছু দিন আগে আমাদের ইউনিতে একটা সিমুলেশন কইরা দেখনো হইছে তবে ঐখানে সব পিএইচডির পোলাপান ইনভাইটেড ছিলো। অবশ্য আমার কাছে জেসন পেট্টার এই এক্সপেরিমেন্ট পড়ে মনে হলো, আসলেই এটাই করছে কিনা হু ব হু সেটা আমর জানায়ও ভুল হইতে পারে।

ভাই, আরেকটু আলোচনা করতে পারলে মনের ভিতরের কথা গুলা খুইলা বলতে পারতাম। দয়া কইরা আরেকটু আলোচনা করেন!

১৯. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৪
সাপিয়েন্স বলেছেন: এখানে যে কিউবিট নেই, শুধু এনট্যাংগলমেন্ট আছে, সেটাই বলেছি।
আসলে এন্ট্যাংগলমেন্টের ব্যাপারটা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নয়, টেলিপোর্টেশনে এককভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এক জায়গায় একটি সিস্টেমের অবস্থা বদলালে বহুদূরে সঙ্গে সঙ্গে তার এন্ট্যাংগলড জোড় সিস্টেমের অবস্থাও বদলাবে।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: অ....ঠিক ধরছেন যে আমি আপনেরটা ঠিক ধরবার পারি নাই!

২০. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩০
রাজসোহান বলেছেন: মাথাটা ঘারের উপরই আছে ! :-&
১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: কেন, কেউ থেটারিং দিছিলো নাকি? নাম কও, দেখো হের ঘাড়ের উপরের কয়টা চুল কেমনে নিয়া আসি!

২১. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:০০
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হায় রে!

এডি কাইলকা রাইতেই বানায় ফেলসি।তি পলি আর আগায়লো না।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: কেমনে আগাইবো? সবাই তো তাম্বু খাটাইয়া ওরস নারস কইরা জায়গায় ফেলাইয়া রাখে, তেরপলের ব্যাবসা কইরা মানুষ কেমনে আগাইবো কও দেখি!

২২. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩১
কালীদাস বলেছেন: ইলেক্ট্রনিক্সে আগ্রহ কম ছিল আমার, এখনো.....খালি মনে হয় একটা সার্কিট লয়া কতগুলা দাগাদাগি কইরা রাখছে;) কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রনিক্সের পোর্শনটা সবসময় এড়িয়ে যেতাম।

যাউকগা পরিশ্রমী পোস্টে প্লাস!!
১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: ব্যাপারস না!

২৩. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: এইবার ত চুয়েটের ই ই ই ০৬ ফাটায়া ফেলসে।একটার দেহি মন খ্রাপ।জিগাই,হইছে কি রে শালা?কয়,মামা,একটায় এ প্লাস পাইনাই।মনে মনে কই,হালা,ভাব মারো?আমরা ৩ তুলতে কাইত।কইলাম,মামা আমি তুমার দুলাভাই।আহো,বিড়ি খাই।দুই খান খাইলো।

এরপর শুনি,যে মাইয়াডা পড়ার চেয়ে আড্ডা মারে বেশি।ধুমায়া জয়ধ্বনি করে,কারে কোথায় ক্যামনে খুঁচানো যায় সেই তালে থাকে,সে নাকি অল সাবজেক্ট এ প্লাস।তিন মিনিট তবদা খায়া মেসেজ দিলাম,কংগ্রাচুলটান।রিপ্লাই দিলো,তুর লগে খতা নাই।তুই ব্যাকলুগার।

আফচুচ!
১৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: অনিলের ভূত মনে হয় ডিপার্টমেন্টে থিকা চইলা গেছে, তাই এই গ্রেডিং এর বন্যা! সমস্যা হইলো ভালো কোনোডাই আমাগো সময় হয় নাই এক বিশ্ববিদ্যালয় হওন ছাড়া। তাও আফসোস করি না যখন দেখি সামনে তো আগাইতে পারছি কিন্তু যখন দেখি কোনো স্কলারশীপে এপ্লাই করবার পারি না, তখন মনে হয় আসলে একটা লাইনা টানা হয়ে গেছে!

২৪. ১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৪৭
তাহসিন আলম বলেছেন: ভাল আছি ভাই, ব্যস্ততাও বেশি
২৫. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: ছরি ভাই , অর্ধেক মাথার উপরে দিয়ে গেল :(

অথচ পিচ্চিকালে ইলেক্ট্রনিক্স বড়ই প্রিয় জিনিষ ছিল , আব্বাও ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিঃ । তবে নিজে সিভিল পরতেসি, এখন আর এইগুলা নিয়া মাথা ঘামানোর সময় হয় না। লাস্ট ৪ বছর আগে ইলেক্ট্রিকাল এর কোর্স করার সময় হাবিজাবি কত কিসু পড়সিলাম কিসু মনে নাই
১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: সরি হওনের কিছু নাই, আমি যেমুন সিভিলের এক ড্রইং আর অটোক্যাড ছাড়া কিছুই জানি না। একখান পাইলিং ডিজাইন করতে দিলে অথবা একখান বিল্ডিং এর ফাউন্ডেশন ডিজাইন করতে দিলে কিছুই পারুম না। আর জানেন তো, সিভিল হইলো ফাদার অব অল ইন্জ্ঞিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি?

২৬. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: হুম , এইটা জানব না !! B-) B-) সিভিল হলো "সিভিলাইজেশনের " ইঞ্জিনিয়ারিং
২৭. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৭
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ফিজিক্স ওয়ার্ল্ড বা রিভিউর লেখা গুলো পড়ি। মাথার উপর দিয়ে যায়! জীবনে আপনার মত করে লিখতে পারবোনা! জীবনেও নাআআআ !!!
ইচ্ছা হইসিলো ইনফ্ল্যাশন পড়ার পর ... ... ... সামারী লিখি! কিন্তু আসোলেই
ওই কাজ আমাকে দিয়ে হবেনা ... ... বুঝছি পরে :-)
১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: কিসের ইনফ্ল্যাশন, বিগ ব্যাং এর পর নাকি কসমোলজী ইন ফ্ল্যাশন নাকি ডি ব্রেন ওয়ার্ল্ড ইনফ্ল্যাশন নাকি পার্টিক্যাল ফিজিক্সের ইনফ্ল্যাশন? আমার মাথায় তো প্যাচ লাইগা গেলো, একটু হেল্পান, দেখি আপনেরে সাহায্য করতে পারি কি না, যদিও ফিজিক্সে এখন আর অতো ভালো দখল নাই, দিন দিন সব ভুলতে বসছি!

২৮. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
জুন বলেছেন: উদাসী অনেক কঠিন :((
১৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আর্টস ব্যাকগ্রাউ্ন্ডের লিগা একটু কঠিন তো হইবোই, তয় আমিও স হজ ভাবে লিখতে পারি নাই। দেখি সামনে আরো স হজ ভাবে লিখা যায় কিনা!

২৯. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পাপতাড়ুয়া বলেছেন: ..............যে মাইয়াডা পড়ার চেয়ে আড্ডা মারে বেশি।ধুমায়া জয়ধ্বনি করে,কারে কোথায় ক্যামনে খুঁচানো যায় সেই তালে থাকে,সে নাকি অল সাবজেক্ট এ প্লাস।



গলায় দড়ি নিমু নাকি চাটিগা যাইয়া দুয়েকটা খুন কইরা আসুম বুঝতেছি না..... X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: মামা, আহো মনের দুঃখে বাটি ভইরা ডাইল খাই, কিউ কে হলের, আমাগো সময় এরম হয় নাই কেন? সব খালি আমরা গেলেই হয়, আমরা থাকতে হয় না। পুরা গন ফাডা কপাল আমাগো!

৩০. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: @ দুরন্ত স্বপ্নচারী , এইরকম কাহিনি জানতে চাইলে আমারে বইলেন :-<
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: হ, অহন তো কইবাই, মনের ভিতর আগুন তো ধরাইবাই!

৩১. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: নাহ , মনের ভিতর আগুন ধরামু কেমনে কন , আমি চুয়েটের না। নিজের জায়গার আগুন শেয়ার করতাম :|
১৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: কুন জায়গা, বুলেট (বুয়েট) নাকি?

৩২. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:০৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: না , তবে ঢাকা , কিন্তু সরকারী, কিন্তু ডুয়েট না ........আর বলা যাবে না
১৮ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: তাইলে আহসানুল্লাহ, কারন সরকারী ছাড়া এই আহসানুল্লাহতেই সিভিল আছে!

৩৩. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৫৯
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: নাহ , আমি তো বললাম সরকারী , ঢাকা তে এবং প্রাইভেট না। চিন্তা করতে থাকেন ;)
১৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: তাইলে তো আর বাকী থাকে দুইটা, তয় এইটাও বাইর করা ব্যাপার না! চালাইয়া যান যা করতাছেন!

৩৪. ১৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
টানজিমা বলেছেন: ভাই...........ও ভাই..............আপনেরে আমি খুব মিসাই।.. :`> ;)
ভাবতাছিলাম ওই দিনের চেটের কথা গুলি দিয়া একটা পোষ্ট দিমু......
কিন্তুক.......:(
১৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: টাইম নাইরে ভাই, টাইম নাই!

৩৫. ২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৩
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: সারছে-

আচ্ছা এইটা দিয়া ব্যান্ডওয়াইডথ্ এর প্রবলেম সলভ হইব না? মাথা বন বন করতেছে-

০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ, ব্যান্ডউইডথ (সিগন্যাল প্রোসেসিং এ)হইলো টাইম ডোমেইনে লোয়ার ব্যান্ডউইডথ আর আপার ব্যান্ডউইডথের বিয়োগফল আর ডাটা কমুনেকেশনে এইটা হইলো টাইম ডোমেইনের বিট রেট। আর এনট্যাঙ্গলম্যান্ট টাইম ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর ফ্রিকোয়েন্সির কথা কইতে গেলে তরঙ্গ তত্ব বা কণা তত্ব দিয়া ডিফাইন করাটা এখনো আন নৌন এটা একটা কোয়ান্টাম ফেনোমেনা যেখানে সম্ভাবনা অপার!

৩৬. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৮
সুন্দরের মন খারাপ,মাধুর্যের জ্বর বলেছেন: কেমন আছেন ভাইডি

লেখাটা পরে পথিক গুহ'র (আনন্দমেলা) কথা মনে পরে গেল,তাত্ত্বিক ফিজিক্সের বিষয় গুলো অনেক সহজ করে বুঝিয়ে দিতেন। ছোটবেলায় পড়তাম আর অবাক হতাম,এত সহজ করে,কঠিন বিষয় কিভাবে প্রকাশ করে! ভাষাটা পাল্টে দিন,কেন জানি মনে হল,ভাষার ভারে আর বিষয়ের ভারে,এন্টেনায় ধরেনা,সব গোলপাকিয়ে যায়। মনটা আর এগুতে চায়না। সাথে মজাটা বাদ দিবেন না, মজাটা থাক,চরম জিনিস হবে। ভুল কিছু বলে ফেলামনাত।

একটা ফিকশন,অনেক মজার কিন্তুু সহজ - Click This Link


অট: লাইফে কোনটা ঠিক,কোনটা ভুল ধরা খুব কঠিন।অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্তও সঠিক হয়ে যায়। ভুল-সঠিক আমি মনে হয় মরার আগ পর্যন্ত মেলাতে পারবনা,এ অংক সহজে মিলে না,মাথাটা কেমন যেনো করে উঠে। মা ত কাদবনে ই আমরা যে তার কাছে সাত রাজার ধন,তার চেয়ে বেশী। এখন ত যোগাযোগ অনেক সহজ,মার সাথে বেশী বেশী কথা বলবেন,মজা করবেন,দেখবেন মা এত কাদবেনা। অনেক কথা না বলা রয়ে গেল।

ভালা থাকেন বস
০১ লা আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: বস, আপনের কথা পইড়া নিজে এই পোস্ট টা আরো একবার পড়লাম, আসলেই ঠিক কইছেন, খুব স হজ ভাবে লিখবার পারি নাই। এর কারন হিসাবে লিখতে গেলে আমার সীমাবদ্ধতা হইলো আমার ভাষা প্রকাশে। আমি আসলে তেমন ভালো কোনো লেখক না। কনসেপশনটা মোটামোটি ক্লিয়ার থাকলেও আমি জীবনে কারো ম্যাথস বা ফিজিক্সের একটা লাইন বুঝাইয়া কইতে পারি নাই। কারন আমি মনে করি সবাই আমার মতো বা আমার চেয়ে ভালো বুঝে। আর এই সমস্যাটার উদ্ভব এ জন্য ঘটছে যে আমি বেশীরভাগ সময় এ ধরনের লোকের সাহচর্য পাবার আশায় থাকি।

তবে যেহেতু পাঠকের জানার আগ্রহ আর লেখকের একটা দায়বদ্ধতা থেকেই যায় এবং তার সাথে ব্লগিং এখন একটা ভালো ইন্টারেক্টিভ কমিউনিকেশন, সেহেতু মানুষ যদি টু দি পয়েন্টে কিছু জিনিসের উপর প্রশ্ন করে আমি মনে হয় সেগুলোর উত্তর দিতে পারবো। আর এসব নিয়ে যত আলোচনা হবে তত ব্যাপার গুলো সরল হয়ে যাবে!

মাকে ফোন করি না এটা ঠিক, অবশ্য এটার একটা ভালো কারনও বিদ্যমান, হয়তো কোনো পোস্টে লিখবো কি কারনে ফোন করা হয় না, তবে মা মাঝে মাঝে ফোন দেয় আর জিজ্ঞেস করে খেয়েছি কিনা। সমস্যা একটাই মা যেদিন ফোন করে তার পরের কয়েকদিন মাথাটা ঠিক থাকে না। মনে আমার আকাশ পাতাল ধরনী সব ওলট পালট হয়ে গেছে। চেস্টা করছি মনটাকে শক্ত করতে।

ভালো থাকেন বস!

৩৭. ০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:১৪
সুন্দরের মন খারাপ,মাধুর্যের জ্বর বলেছেন: বস! বলে আর লজ্জা দেবনে না,এই যোগ্যতা আমার নাই। আমারই ভুল,নদী কে কখনো বেঁধে রাখা যায় না। আপনার সব লিখা টানা ৪/৫ দিন পড়ে শেষ করেছিলাম,পড়তে পড়তে একদিন কখন যে সকাল হয়ে গিয়েছিল টেরপাইনি। আপনার লিখার স্টাইল, মায়া,ভংগি সব মিলিয়ে খুব চেনা কেউ মনে হয়।

বাবা নাই,বাবা কে খুব মিস করি,তাঁর অভাবটা টেরপাই,আগে এমন করে বুঝতে পারিনি। সবাই একদিন চলেযায়,আমরাও একদিন চলে যাব,কিন্তুু মা বাবার যে ভালবাসা,সেটা কেউ দিতে পারেনা,কেউনা,এর কোন রিপ্লেইস হয় না। মন টাকে বড়ফ এর মত শক্ত করে,দূরে থাকা মনে হয় কোন সমাধান না। মন টাকে গলতে দিন,কাঁদতে দিন। বড়ফ গলা নদীর মত একদিন সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে। ভালবাসাই মানুষ কে বাঁচিয়ে রাখে,অনেক দূর নিয়ে যায়। ভাল থাকবেন বস।
০৩ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: একসময় সবাই চলে যায় কেউ আগে কেউ পড়ে। মাঝে মাঝে মনটা ভারী হয়ে যায় যখন হারানো মানুষের কথা মনে পড়ে। তবু কাদতে বড় ভয় পাই, মনে হয় হয়তো পরাজিত হয়ে গেলে সব কিছু তলিয়ে যাবে।


আপনে যে আমার লেখা পড়ছেন সেটা শুনেও আশ্চর্য লাগে। ব্লগে অনেক ভালো লেখক বিদ্যমান। তার মাঝে আমার এসব গার্বেজ লেখা নিজেও তেমন পড়ি না, কারন পড়লে নিজেরই লজ্জা লাগে। যাই হোউক, আপনার সাথে কথা বলার ইচ্ছা থাকলো!

৩৮. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:০৩
লালু কসাই বলেছেন: আপনার নামে রিপোর্ট করা হইল! এইসব উলটা পালটা লেখা দিয়ে ব্লগের পরিবেশ দূষণ করার কারণে...। B-) B-) B-) B-) B-) B-)
৩৯. ০৫ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৮
জুনজুন বলেছেন: কি লিকো এইসব কিছু বুজি না... প্রেম পত্ত লেক কাজ দেবে....
৪০. ১২ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৫০
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: উত্তরটাও মাথার উপর দিয়া গেল মনে হচ্ছে-

তারমানে আপনে বলতেছেন ঘোরাটা ফিক্সড টাইমে কন্ট্রোল করা (মানে আমি প্রতি এক পিকো/ন্যানো/মাইক্রো/মিলি সেকেন্ডে এইটারে যেদিকে ঘুরতেছে উলাটা দিকে ঘুরাইতে চাই দরকার হইলে না দরকার হইলে সেম দিকে ঘুরব-) সম্ভব না?
৪১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১:৩৩
ডাইনোসর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই, এইখানে একটু পার্থক্য আছে। আপনে যেই কিউবিট কইতাছেন সেইটা হইলো ইলেক্ট্রনের স্পিনিং, কিন্তু এইখানে যেইটা হইবো সেইটা হইলো এনট্যাঙ্গলম্যান্ট। এইটা এতটাই দ্রুত গতির যে বলা হয় আলোর গতির চেয়েও বেশী, অনেকে বলে টেকিওনিক কনডেন্স এর সাথে এর যোগাযোগ, তবে ব্যাপারটা এখনও পরিস্কার নয়, বিখ্যাত ইপিআর প্যারাডক্স![/si


ব্যাপারটা খটকা লাগল।
অালোর গতির চেয়ে বেশি হয় কিভাবে????
১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: আসল ব্যাপারটা হলো এক জোড়া কিউবিট যার একটার স্পিন আপ আরেকটার ডাউন! এখন এ্কটাকে যদি প্লুটোতে রাখেন আরেকটাকে যদি পৃথিবীর কেন্দ্রে রাখেন এবং তখন শক্তিশালী ফিল্ডের পোলারিটি চেন্জ্ঞের মাধ্যমে একটার স্পিন পরিবর্তন করলে ঠিক একই সময়ে প্লুটোতে থাকা ঐ স হ জোড়ারও স্পিনো পরিবর্তিত হবে। এখানে মূলত বলা হয়েছে ওটার স্পিন পরিবর্তন হয়েছে এই ইনফোটা যুগপৎভাবে ওখানে পৌছালো কিভাবে? আলোর গতি ভুইলা যান এখানে পুরা ব্যাপারটাই যুগপৎ, নো টাইম ডিলে।

তাহলে? এটাই বলা হয়েছে!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছেলেটি পথে নেমেছিলো একদিন নীল মায়ার হাতছানিতে। নিঃসঙ্গতায় হেটে যেতে আবিস্কার করে নিঃশব্দ চাদ তার সঙ্গী। এখন সে হাতড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ