somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু খবর, পিজিক্স তাও আবার ডার্ক ম্যাটার লইয়া!

১২ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টাইম নাই, মনে কইরেন না যে আমার ধান তলায় যাইতাছে, তয় আমার দুইনম্বরটা ধরছে। হঠাৎ মন চাইলো কিছু একটা লিখি, তো মাথার মধ্যে ঘুরতাছিলো মেলাদিন আগে পড়া কিছু জিনিস। ভাবলাম ঝাইড়া দেই! পয়লা নীচের ফটুক দেখেন!


উপরের ছবিতে গ্যালাক্সির দুইখান আছে যার বামে হইলো সাধারন ম্যাটার দিয়া তৈরী হইলে এমুনই দেখা যায় আর বায়েরটা হইলো যদি ডার্ক ম্যাটার ম্যাপ দিয়া দেখি তাইলে এইটার অবস্হা আসলে কি করে, জায়গা নিয়া ভরপুর অবস্হা!

ডার্ক ম্যাটার নিয়া দুইখান কথা! ধরেন দূর থিকা বিশাল ভরের একখান গ্যালাক্সি আর আপনে এই দুনিয়ার অবজার্ভার। তো ঐ গ্যালাক্সী , ধইরা লন এক খান কোয়াসার, কি করলো আপনেরে টর্চলাইটের মতো টর্চিং করলো। তো তার ঐ বিশাল সানলাইট ব্যাটারীর টর্চের আলো নাচতে নাচতে যখন আপনের কাছে আইতে থাকবো তখন দেখা যাইবো মাঝখানে কুনো এক বখাইটা ঈভ টিজারের মতো কিছু একটা (ধরেন ব্লাক হ্যাল, অথবা ডার্ক ম্যাটার ) ঐ আলোডারে ধইরা পকেট থাবড়াইয়া ভচকাই দিলো। আলো মিয়া হইলো ব্যাকা হইয়া। আইনস্টাইন মামু তার থিওরী অব রিলেটিভিটি দিয়া এই জিনিস স্বপ্নে ধরবার পারে। এইটার আরেক নাম গ্রাভিটেশনাল ল্যান্সিং! দেখা গেলো আপনের কাছে যখন ঐ আলোটা আসলো আপনে চোখে দেখলেন তখন দেখলেন কোয়াসার আসলে দুইটা নাইলে চাইরটা। লে হালুয়া, মাইয়ার একখান চোখ টিপি আপনে দেখলেন চাইরখান মাইয়ার চোখ টিপি। কি তমসা!

নীচের পিকচারটা দেখেন উইকি থিকা মাইরা দিলাম যেইটা!


তো এস্ট্রোনমাররা এইটাই বগল দাবা কইরা ডার্ক ম্যাটার খুজতে বাইর হইছে। আসলে তারা ডার্ক ম্যাটার তো বটেই ঐ গ্যালাক্সির আসল ভর আর নাড়ি নক্ষত্রের পিছে বাংলাদেশের ডিবির মতোন লাগছে কারন তারা জানে অখন গ্রাভিটেশনাল লেন্সিং এর হিসাব!

অখন তারকাদের বিবর্তন থিওরীরে বোগলদাবা কইরা সবাই যখন মাপামাপি নিয়া ব্যাস্ত তখন বিগ ব্যাং থিওরী নিয়া উদ্ভূত আরো কিছু কুশ্চেন জনমনে দেখা দিছে। বিগ ব্যাং এর পর গ্যাসীয় পদার্থ গুলানের ডার্ক ম্যাটারের চাকতির কেন্দ্রে পড়নের কথা যেইটা পড়ে দুড়ুম দাড়ুম কইরা তারার জন্ম দিবো পরে যাতে কইরা বড় বড় গ্যালাক্সী তৈরী হইবার পারে।কিন্তু কুশ্চেন হইলো এত বেশী পরিমানের ডার্ক ম্যাটার কেনইবা বড় বড় মোড়ল সাইজের গ্যালাক্সীতে পাওন যাইবো?তাইলে কি এই গ্যালাক্সীগুলান কি ৫ বিলিয়ন বছর আগেই তাগো সাজানো গুছানো শেষ কইরা অখন মুড়ি মাখা খাইতাছে? জাতীর বিবেকের কাছে কুশ্চেন রাইখা ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে জার্নাল ছাপাইয়া ব্যাটারা ফুটছে!

অখন নীচের ফটুক দেখেন আবার দেখেন, আজাইরা বইসা আর কি করবেন!



উপরে চাইরখান ডোয়ার্ফের ফটুক দেয়া হইছে। জিগাইতে পারেন ডোয়ার্ফ কি? এইটা কি পোলা না মাইয়া? ডোয়ার্ফ হইলো একখান তারা যার ভর সূর্য্যের সমান আর আয়তন হইলো পৃথিবীর মতোন গোলগাল। জ্বলজ্বল কইরা জলে এর ভিতরে থাকা তাপীয় শক্তি হাইড্রোজেন ফিউজিং মানে হাইড্রোজেন যা আছে ঐটায় পুড়তে থাকে। তৈরী হইছে খুবই উচ্চ ঘনত্বের ফারমিওন (ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউট্রন )কনার গ্যাস দিয়া। সুপার নোভা করনের মতোন শক্তি নাই। যাই হোউক, উপ্রে এমুনই চারটা ডোয়ার্ফ পারসিয়াস গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে যারা থাকে। আশপাশ খান খেয়াল কইরা দেখেন অন্যান্য গ্যালাক্সীগুলান তাগো পার্শ্ববর্তী গ্যালাক্সির গ্রাভিটেশনাল টাগ মানে ধাক্কার লিগা দূরের দিকে সইরা আছে মাগার তাগো নিজেগো চেহারা খুবই মসৃন আর সিমট্রিক্যাল যেইটা দিয়া এইটাই বুঝাইতাছে যে মামারা গ্রাভিটেশনাল ফোর্সের কারনে খুব একটা প্রবলেমে নাই!

ফটুকখান ২০০৯ সালের মার্চ মাসের। ডার্ক ম্যাটার হইলো এমুন একখান চীজ যেইটার গ্রাভিটেশনাল টানের কারনে স্পেস পর্যন্ত বাইকা যায়। এইটা চোখে দেখন যায় না তয় ধরনের একমাত্র উপায় হইলো এই গ্রাভিটেশনাল টান! কি টান! দে টান! টাইপ জিনিস আরকি! মাগার সমস্যা হইলো উপরের ঐ ডোয়ার্ফের ফিগার দেইখা মনে হইতাছে ডার্ক ম্যাটার তাগো কিছু করতে পারে নাই। হাবলের থিকা ধারনকৃত এই ফিগার দেইখা মনে হইতাছে এই বয়োবৃদ্ধ ডোয়ার্ফ ডার্ক ম্যাটারের উপর হাসব্যান্ডের মতোন ডমিনেন্ট পার্টি! মানে ডমিনেট করতাছে!B-) আর ডীপ থিংকিং করলে কওন যাইতে পারে ঐ ডোয়ার্ফের ভিতরে আর বেশী পরিমানে ডার্ক ম্যাটার আছে যার কারনে মামারা এতো ফাটাফাটি আছে।
অখন কথা হইলো ডার্ক ম্যাটার সরাসরি ডিটেক্ট করনের কুনো সিস্টেম নাই, তাই ইনডাইরেক্টলি ডিটেক্ট করানোটাই হইলো একমাত্র রাস্তা! রাস্তাটা হইলো ঐ গ্যালাক্সি বা তারার গতি কত অথবা কত জুরতে ঘুরতাছে! মাগার এই পারসিয়াস হইলো ২৫০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে তাই এইটা আসলেই কঠিন তাগো একটা একটা ধইরা গতি মাপন! তো সেলিস মামু মুখে তেমন কিছু কয় নাই খালি কইছে হাবলের ইমেজিং এর উপর ডিপেন্ড কইরা কাম সারছে। জার্নাল পইড়া একখান সূত্র পাইলাম:

R = 1.5 × r(η = 0.2),
Petr

কি সূত্র আইলো কেমনে আগা মাথা অখন কিছুই নাই খালি প্যারামিটার বুঝাই আপনে গো η হইলো r ব্যাসার্ধে গড়পড়তা পৃষ্ঠতার ঔজ্বলতা এর সাথে লোকাল পৃষ্ঠতার ঔজ্বলতার অনুপাত। আর r হইলো পারসিয়াসের পারসিয়াসের ব্যাসার্ধ! η ধরা হইছে 0.2 ব্যাসার্ধ কারন ঐখানে ৯৯% আলোতেই ভর্তি! নীচের ফটুক দেখেন বুঝনের লিগা:


সূত্র হইলো এইখানে!

এরমাঝখানে আরো অনেক ঘটনা বাইর হয় যেমুন ফিজিক্সের জ্ঞানিগুনী আর ম্যাথের ঘাগু কাগুরা মিল্লা ডার্কম্যাটার দিয়াই গ্যালাক্সির সাইজ বাইর করনের একটা রাস্তা বাইর করে!

২০১০ এর মার্চ মাসে আবারও একখান জার্নাল বাইর হইলো যেইখানে বলা হইলো বিজ্ঞানীরা অখন একখান ব্লাক হোলের সিমুলেশন করতে চায়যার ফলে তারা বুঝতে পারবো ডার্ক ম্যাটার কিভাবে সব গ্যাসীয়াস পদার্থ গুলারে নিজের কাছে টাইনা আইনা এই গ্যালাক্সিগুলানের পয়দা করে।


রিসার্চাররা এমুন ভাবে ব্লাক হোলটা তৈরী করলো ঐ সিমুলেশনে যে ঐ ব্লাক হোলেডার্ক ম্যাটার এমুন রেটে খাইবো যে ঐ ব্লাক হোলের আশে পাশে যদি এর ক্রিটক্যাল ঘনত্ব ৭টা সূর্য্যের সমান হয় তাইলে ঐ ব্লাক হোল খুব দুরত বাড়তে থাকবো যে পুরা গ্যালাক্সিটাই বোয়াল মাছের মতো খাইয়া ফেলাইবো! তার নাম নিশানা থাকবো না পর্যন্ত!
এইটা এই কারনে দেখা যে আমরা আসলে এখন যেই পরিমান গ্যালাক্সি দেখি এইটা ১ বিলিয়ন বছর ধইরা ডার্ক ম্যাটার গিল্লা যে ব্লাক হোল এমুন সর্বাগ্রাসী মনোভাব নিয়া দাপড়াইতাছে এইটাই প্রমান করা!

অখন একখান আসল কাহিনী শুনাই, দিল থামকে বসেন, এই ঘটনা শুইনা আমি টাস্কি খাইছিলাম মাগার কুন পেপারে এইটা ছাপাইতে দেখি নাই দেশে। ডিটেলসে লেখুম না এখন, সময় হইলে লেখুম অনেক ইকুয়েশন আছে অনেক কথা আছে খালি কাহিনী জানাই!

বিজ্ঞানীরা ল্যাবে ব্লাক হোল প্লাজমা বানাইতে সক্ষম হইছে ল্যাবে। সূত্র!


ভালো থাকেন পিজিক্স প্রিয় ভাইডি আর আপনেগো বোইনডিরা!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১৬ ভোর ৪:৫৮
২২টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×