এক রাতের গল্প (শেষ পর্ব)
২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
এক রাতের গল্প - ১
এক রাতের গল্প - ২
অমল খাবার নিয়ে আসে। এবং কিছুটা বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে কটা মোমবাতি।
মোমের আলোয় রাখা চিকেন টিক্কা, নান, সালাদ আর কোক - আমরা সবাই হাতে নিয়ে যার যার মতন আঁধারে দাড়িয়ে দাড়িয়ে সাবার করে দেই সব। খাওয়া শেষে পরে থাকে শুধু কয়েকটা খালি গ্লাস, কোকের বোতল আর আমার হ্যাভারস্যাকে দুই বোতল মদ।
কারেন্ট তখনো আসে না।
হাদু সিগারেট ধরায়, তারপর রনি, তারপর কমল।
কিছুক্ষন পর সবাই মাল খাবো- চিন্তাটা সবার মনে গাঢ় হতে হতে নিয়াজে গিয়ে ধ্বস খায়।
হ্যাভারস্যাকে দুই বোতল বিদেশী জিনিস চুপচাপ শুয়ে থাকে।
সিগারেটের হাত বদল হয়। হাদু থেকে সুমন, কমল থেকে টিটু, রনির বাম হাত থেকে ডান।
তারপর মাল খাবো চিন্তাটা আবার সবার মনে ধীরে ধীরে ফিরে আসতে শুরু করে। আগের চেয়ে গাঢ় হয়। তারপর আমাদের সবাইকে ঘিরে চক্কর কাটতে শুরু করে। মাল খাবো, মাল খাবো, মাল খাবো।
এই সময় সিড়িতে পায়ের শব্দ শোনা যায়। থেমে থেমে।
কেউ আসছে।
নিয়াজ বলে উঠে, অমল একটা মোম নিয়ে দেখতো কে আসে?
অমল অনিচ্ছা নিয়ে উঠে মোমটা নিয়ে আস্তে আস্তে দরজার চৌকাঠে গিয়ে দাড়ায়। ওখান থেকে সিড়ি দেখা যাওয়ার কথা।
তারপর মনে হয় আমরা কোনো সিনেমা দেখছি।
দরজার চৌকাঠে অমল, অমলের হাতে মোম। আমরা অমলকে দেখি।
সিনেমার দৃশ্য বদল হয়।
এখন দরজার চৌকাঠে অমল, অমলের হাতে মোম, মোমের আলোয় তুলির মুখ।
আমার হ্যাভারস্যাকে দুই বোতল বিদেশী মদ পাশাপাশি চুপচাপ শুয়ে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অমিত আহমেদ বলেছেন:
আরে জোস্
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন......
শাওন বলেছেন:
চমৎকারভাবে শেষ হলো । ৩টি পর্বই ফাটাফাটি লাগলো । তবে আরেকটু বড় করলে ভালো হতো । যাইহোক , বড় না করেও অনেক ভালো হয়েছে । সেই প্রথম থেকেই খুব মন দিয়ে পড়েছি । এরকম আরেকটি পর্ব বানান । শাওন পড়বে ।
আপনার জন্য আমার দুঃখ। অফিসের জন্য সিরিজ পড়তে পারেন না।আফসোস।
তবে আপনার ইচ্ছা আছে জেনে ভাল লাগলো। ট্রাই চালিয়ে যান।
১০/১৫ লাইনে সারমর্ম লিখলে গল্পের নায়ক-নায়িকারা আবার মাইন্ড খাইতে পারে। তবে আপনার আইডিয়া মন্দ না, বিশেষ করে আপনাদের মত ব্লগারদের জন্য ব্যাপারটা সুবিধারই হবে সন্দেহ নেই।
আপনার জন্য শুভকামনা।
অমিত, ভাষ্কর আর মমকে ধন্যবাদ। আপনারা অসম্ভব ধৈর্য দিয়েছেন গো।
শাওন,
দেনায় ফালাইয়া দিলা রে ভাইডি। ভাল লাগলো! তোমারগুলাও কিন্তুক জোস হয়। ফাহা পড়ে।
বাঙলা মাসিক বলেছেন:
আমাতে লিখুন
দৃশা বলেছেন:
মামু নেক্সট সিরিজের অপেক্ষায় থাকলাম...
ভাগ্নি (ঠিকাছে তো?!), সিরিজ পোষ্টের কোনো ভাত নাই।
দেখোনা সবাই কেমুন সামারি লিখতে কয়।
শমশেরআলম বলেছেন:
তেমুন ভালা লাগলো না, নকল নকল ভাব আছে, ঈদসংখ্যা লেখার হজমি
কষ্ট পাইলাম। আম্মাআআ।
তয় ভাই আপনেরে স্যালুট। যা মনেলয় চাইপা না গিয়া বলছেন। আপনেরে ভালা পাইছি। কি করবো বলেন, হুদাই লিখি। আমরা তো আর লেখক না। তাই ভাল না লাগারই কথা।
আপনের মন্তব্যে মজা পাইছি। নকল নকল ভাব আছে। বড় কষ্ট হইছে গো এই ভাব আনতে
।
মাশীদ বলেছেন:
আররে জোশ!আগে পড়া হইনি। এখন পড়ে তো পুরা টাস্কি!
কঠঠিন হইসে রে!
তুই কবিতার পাশাপাশি এরকম গল্প লেখায় আরো বেশি মন দে।
ইয়াহইয়া ফজল বলেছেন:
ধন্যবাদ। চমৎকার গল্পের জন্য।
কি কইলা, কবিতাও লিখতে কও, আবার গল্পও লিখতে কও। কোনটা করবো কুলসুম? তবে ভাল লেগেছে জেনে খুশি হ্যলাম
ফজল,
গল্প পড়ার জন্য এবং কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















এজন্য বলি কি সিরিজ শেষ হবার পর এক পোষ্টে পুরো সিরিজের সারমর্ম দিলে কেমন হয়, যে সিরিজ গল্পের কাহিনী ১০-১৫ লাইনে, এই যেমন নায়ক এই করছে নায়িকা প্রত্যাখান করছে তারপর নায়ক ................... এভাবেই ১০-১৫ লাইনে শেষ করতে পারলে আমার জন্য মানে এ অফিসকর্মীর জন্য ব্লগ সিরিজ পড়া অধিকতর সোজা হইবেক।