somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বৃটেনের অর্ধশতাধিক কলেজ :: আবারো বিপর্যয়ের সম্মুখীন হাজার হাজার শিক্ষার্থী

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সর্বকালের রেকর্ডকে হার মানিয়ে গত মঙ্গলবার হোম অফিসের টিয়ার -৪ লিস্ট থেকে বাদ পড়েছে বৃটেনের অর্ধশতাধিক কলেজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর অধিকাংশ কলেজেই হচ্ছে লন্ডন কেন্দ্রীক। লন্ডনের বাইরেও অন্যান্য শহরগুলোতে বেশ কয়েকটি কলেজ এই তালিকা থেকে বাদ গেছে বলে জানা গেছে।
গত সোমবার বিকালেই বাদ পড়ে পূর্ব লন্ডনের বাঙালী মালিকানাধীন গিল্ডহল কলেজ। এর পর দিন মঙ্গলবার সবাই সতর্ক ছিল কলেজগুলো নিয়ে। তাই ঘটলো সকাল থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে একে একে হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়তে লাগলো পূর্ব লন্ডনের কলেজগুলো। এগুলোর অধিকাংশই বাঙালী মালিকনাধীন। অনেকে ভেবেছিল হয়তো শুধুমাত্র পূর্ব লন্ডনের বাঙালী মালিকানাধীন কলেজগুলোর উপর এই স্টিমরোলার অভিযান চালায় হোম অফিস। কিন্তু না, ভারতীয়, শ্রীলংকান, পাকিস্তান এমনকি বৃটিশ মালিকানাধীন কলেজও বাদ পড়েছে এই তালিকা থেকে।

এসব কলেজের মধ্যে সেন্ট প্যাট্রিকস কলেজ, হলর্বণ কলেজ, কমনওয়েলথ ল কলেজ, ইস্ট ব্যাংক কলেজ, লন্ডন স্যাম কলেজ, লন্ডন কমনওয়েলথ কলেজ অব ল’ এন্ড বিজনেস স্টাডিজ, লন্ডন স্কুল অব বিজনেস এন্ড কম্পিউটিং, গিল্ডহল কলেজ, এ্যাম্ব্রাসেডর কলেজ, লিডস প্রফেশনাল কলেজ, লন্ডন ট্রেনিং কলেজ, ব্লিস কলেজ, ই কলেজ উল্লেখযোগ্য।

উচ্চশিক্ষার্থে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যে এসেছে। আর শিক্ষার্থীদের ব্রিটেনে আসার এই হার গত ১০ বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ। বাণিজ্যিকভিত্তিতে বৃটেনে বেশকিছু কলেজ গড়ে উঠেছে যেগুলো ২-৩টি কাসরুম নিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। হোম অফিসের কড়াকড়ির কারণে কলেজগুলোর তাদের নিজস্ব চেহারা পাল্টাতে উঠে পড়ে লেগেছে। কয়েক কাসরুম বিশিষ্ট ভিসা কলেজ খ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ সঠিকভাবে বজায় রাখছে- এমন চটকদারি কথা বলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি করাচ্ছে। এসব শিার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই এসেছে কর্মসন্ধানে। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতেই লন্ডনে এসে আজ দেখছে ভিন্নচিত্র। অন্যদিকে, হোম অফিসের নানা কড়াকড়ির কারণে শিার্থীদের এখন নিয়মিত কাস করতে হচ্ছে। আগে যেখানে পুরো বছর কোন কাস না করেই এসব ভিসা কলেজ থেকে অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে পুরো বছরের হাজিরা এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক ডকুমেন্ট পাওয়া যেত সহজেই। এবং তা দিয়ে ভিসা রিনিউ করা যেত।
সময়ের সাথে হোম অফিসের নানা কঠোর মনোভাবের কারণে শিার্থীরা যেখানে নিয়মিত কাস করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সেখানেই এবার দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অতীতে ভিসাকলেজ নামে খ্যাত নামসর্বস্ব কলেজগুলো। শুধু নামসর্বস্বই নয়, এই তালিকায় রয়েছে বেশকয়েকটি প্রভাবশালী কলেজও।
২০০৯ সালের মাঝামাঝি একই সপ্তাহে পর পর পূর্ব লন্ডনের দুটি কলেজ তাদের ইউকেবিএ এর টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করলে টক অব দ্যা কমিউনিটিতে পরিণত হয়। কিন্তু মাস দুয়েকের মধ্যেই এই দুটি কলেজেই টিয়ার-৪ লাইসেন্স পুনরায় ফিরে পায়। এর মধ্যে একটি কলেজ বিশাল পরিসরে বর্তমানে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সুষ্ঠভাবেই।
গত বছরের শেষ দিকে একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে পূর্ব লন্ডনের ড্যাবনেন্ট রোডের লন্ডন রিডিং কলেজ। বন্ধ হয়ে যাওয়া এই কলেজটিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সবাইকে অন্যত্র ভর্তি হবার নোটিশ দিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা ভর্তির সময় কলেজকে প্রদানকৃত অর্থ ফেরত পেতে কলেজে গেলেও কর্তৃপরে সঠিক ব্যাখ্যা পায়নি। এদিকে, লন্ডন রিডিং কলেজ এর একজন পরিচালক এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কলেজের শিার্থীদের কোর্স ফি বাকী অর্থ ফেরত দিব এবং এই অর্থ ফেরত দিতে বিশাল অংকের একটি ফান্ডও গঠন করা হয়েছে। অতিসম্প্রতি এই কলেজে আসা শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভর্তির সময় পুরো টাকা পরিশোধ করার পরও কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে এখনও কোন অর্থ পরিশোধ করে নি, কিন্তু কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে।
গত মাসে টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে গেছে এসেক্সের গুরু গোবিন্দ সিং খলসা কলেজ। এই কলেজটিতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছ। এই কলেজের শিক্ষার্থীর মাহবুব জুয়েল জানান, ডিসেম্বরেই তার ভিসা রিনিউ করার কথা ছিল, আর এর আগেই কলেজ এর টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে যাওয়াতে মহাবিপদে পড়েছে। এই মুহুর্তে কলেজ পরিবর্তন করারও কোন উপায়ন্তর না দেখে অন্য কলেজ থেকে ভিসা রিনিউ করার জন্য আবেদন পাঠিয়েছে হোম অফিসে।

উল্লেখ্য যে, হোম অফিসে স্টুডেন্ট ক্যাটাগরীতে ভিসা রিনিউ করার জন্য অবশ্যই টিয়ায়-৪ রেটিং প্রাপ্ত কলেজ এর লাইসেন্স নম্বর এবং সেই কলেজে অধ্যয়ন করার ডকুমেন্টসহ আবেদন করতে হয়।
সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসেই পূর্ব লন্ডনের নিউরোডস্থ বাঙালী মালিকানাধীন কলেজ লন্ডন গিল্ডহল কলেজের টিয়ার-৪ এর লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়েছে বলে জানা যায়।

হঠাৎ করেই কলেজগুলোর টিয়ার-৪ সাসপেন্ড এর তালিকা থেকে বাদ পড়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। একে তো কাজের সন্ধানে হন্যে হয়ে পুরো লন্ডন শহর চষে বেড়াচ্ছে বিলেতে নতুন আসা শিক্ষার্থীরা, অন্যদিকে কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা। বন্ধ হয়ে যাওয়া কলেজগুলোকে থেকে নোটিশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে টিয়ার-৪ লাইসেন্সপ্রাপ্ত নতুন কলেজে ভর্তি হতে। এসব শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই কলেজে পুরো টিউশন ফি দিয়ে ভর্তি হয়েছে, বর্তমান পুনরায় নতুন কলেজে টিউশন ফি দিয়ে ভর্তি হবার সামর্থ্য নেই ৯০% শিক্ষার্থীর।
এসব কলেজগুলোর টিয়ার -৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হওয়ার সম্পর্কে বেশ কয়েকটি কারণ জানা যায়। এরমধ্যে হোম অফিস থেকে প্রদত্ত নির্ধারিত ছাত্রভর্তির কৌটার অতিরিক্ত ভিসা লেটার ইস্যু, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং বৃটেনে পড়ালেখার অযোগ্য শিক্ষার্থীদের ভর্তিই মূল কারণ বলে জানা যায়।

অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে ব্রিটেন ভিসা কলেজখ্যাত কয়েক রুম বিশিষ্ট কলেজগুলো সম্পর্কে উচ্চভিলাষী ধারণা এবং কলেজগুলোর চটকাদারী ওয়েবসাইটে নানা অবান্তর ক্যাম্পাস বিল্ডিং, শিার্থীদের সুণিপন পাঠদানের চিত্র ইত্যাদি দেখেই কলেজ নির্বাচন করে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে অনেক কলেজেই তাদের সুযোগ সুবিধাগুলো নিয়ে চটকাদারী বিজ্ঞাপন দিয়েও শিক্ষার্থী সংগ্রহ করছে দেদারচ্ছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক কমিউনিটি নেতা বলেন, পূর্ব লন্ডনের ভিসা কলেজগুলোর মালিকদের কলেজগুলো বন্ধ হয়ে গেলেই লাভ। কারণ, তারা যা ব্যবসা করার তা করে নিচ্ছে, এবং কলেজ হোম অফিস কর্তৃক বন্ধ হয়ে গেলে পুনরায় অন্যত্র একই ব্যবস্থাপনায় আরোকটি কলেজ চালু করছে। পূর্ব লন্ডনে একই মালিকানাধীন পৃথক পৃথক বেশ কয়েকটি কলেজও ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে। যার ফলে একটি বন্ধ হলে, অন্য কলেজ দেয় ব্যবসা করে যাচ্ছে অনায়াসে। আর বর্তমানে হোম অফিসের কড়াকড়ির কারণে কলেজগুলোর পরিচালনার ব্যয়ভার বেড়ে গেছে বহুগুন। পুরো বছর জুড়ে কলেজ পরিচালনা করতে প্রচুর পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন। আর তাই কলেজগুলো এখন এককালীন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, কলেজ বন্ধ হয়ে গেলেও ব্যবসা যা করার করে নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ - এমন মন্তব্য অনেকের।

ব্রিটেনে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত ১০ বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ হয়েছে বলে খবর ছেপেছে শীর্ষস্থানীয় দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (২৪ সেপ্টেম্বর)। পত্রিকাটি বলেছে, এ সংখ্যা বাড়ার কারণ ইউরোপের বাইরের দেশগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ। ৪১ হাজার শিক্ষার্থী এসেছেন শুধু চীন থেকে, বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরে শিক্ষার্থী এসেছেন ৩৫ হাজারের মতো। ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজ অ্যাডমিশন সার্ভিস (ইউকাস) তাদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছে, ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের চাপে চলতি বছর ৫০ হাজার ব্রিটিশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হারাচ্ছেন।

তাহলে কথা হলো, খোদ ব্রিটিশ শিক্ষার্থীরা যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন না, সেখানে কেন ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের এভাবে অধিক সংখ্যায় ভিসা দেওয়া হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তরও টেলিগ্রাফের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেহেতু শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছ থেকে হোম স্টুডেন্টদের তুলনায় প্রায় তিনগুণ টিউশন ফি আদায় করছে, তাই শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বেশি ঝুঁকছে। প্রতিটি গ্র্যাজুয়েটের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ পাউন্ড নিচ্ছে।
যেসব শিক্ষার্থী প্রকৃত অর্থে ব্রিটেনে পড়তে আসেন না, তাঁদের কেউ কেউ এমন ধারণা পোষণ করেন যে এখানে আসতে পারলে বস্তা ভরে পাউন্ড কামানো যাবে। ঢাকা শহরে যেমন শপিং সেন্টারের মধ্যে এক-দুই কক্ষবিশিষ্ট কিছু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আছে, লন্ডনে বাঙালিদের মালিকানাধীন এ ধরনের অসংখ্য কলেজ আছে, কলেজগুলোকে বলা হয় ভিসা কলেজ। এসব কলেজ থেকে নেওয়া সনদ বস্তুত কোনো কাজেই আসে না। দেশজুড়ে কিছু এজেন্ট রয়েছে, যারা শিক্ষার্থীদের ব্রিটেন সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে বলে উল্লেখ করেছেন সাম্প্রতিক সময়ে আসা অনেক শিক্ষার্থী। ব্রিটেনে এসে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন বলে ধারণা দিয়েছে এসব কলেজের এজেন্টরা।
এদিকে একের পর এক হোম অফিসের তালিকা থেকে কলেজগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন- যেসব শিক্ষার্থী লন্ডনে আসতে আগ্রহী তাদের কলেজ সম্পর্কে জেনেশুনে এবং কলেজের ওয়েবসাইট ও এজেন্ট এর উপর নির্ভর না হয়ে কলেজের প্রকৃত শিক্ষাব্যবস্থার খবর নিয়ে আসলে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা নেই। হোম অফিসের আর সঠিক পরামর্শের জন্য সবার ইউকে বর্ডার এজেন্সির ওয়েবসাইট দেখা উচিত।
এ পরিস্থিতিতে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারে, স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাঁরা ব্রিটেনে আসতে চান তাঁদের কোনো তৃতীয় পক্ষ মিথ্যা পরামর্শ দিচ্ছে কি না অথবা শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন কি না। কোনো অনিয়ম হলে এজেন্সিগুলোকেও একটা নিয়মনীতির মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে ব্রিটেন সম্বন্ধে উঁচু ধারণা পেয়েছেন।
এদিকে, হঠাৎ করেই এই বিপুল সংখ্যক কলেজে হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় শুধু ইউকে শিক্ষার্থীরাই নয়, বাংলাদেশে যারা এইসব কলেজের ভিসা পেয়েছে তারাও পড়ছে বিপাকে।

চট্টগ্রামের মাজাহারুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে- আগামী ২৩ জানুয়ারী তার লন্ডন আসার জন্য ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজে ফাইট কনফার্ম করেছিল, কিন্তু এই হোম অফিসের তালিকায় তার কলেজের লিস্ট না দেখে ফাইট বাতিল করেছে। এমনকি যারা এসব কলেজ থেকে এক বছরের কোর্স ফি পরিশোধ করে ভিসা লেটার নিয়ে ভিএফএস এর এপয়েন্টমেন্ট নিয়েছে, তারাও আর এসব ভিসা লেটার জমা দিতে পারবে না। এমনকি যারা জমা দিয়ে ফেলেছে, তাদের নতুন কোন কলেজ থেকে ভিসা লেটার নিয়ে ভিএফএস এ জমা দিতে হবে অন্যথায় অপেক্ষা করতে হবে ঐ কলেজটি পুনরায় টিয়ার-৪ এ তালিকায় না আসা পর্যন্ত।

Click This Link
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×