আমার প্রিয় পোস্ট

প্রশংসা করি সেই মালিকের যিনি সমস্ত জগতের স্রষ্টা,

হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বৃটেনের অর্ধশতাধিক কলেজ :: আবারো বিপর্যয়ের সম্মুখীন হাজার হাজার শিক্ষার্থী

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৬

শেয়ারঃ
0 1 0



সর্বকালের রেকর্ডকে হার মানিয়ে গত মঙ্গলবার হোম অফিসের টিয়ার -৪ লিস্ট থেকে বাদ পড়েছে বৃটেনের অর্ধশতাধিক কলেজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর অধিকাংশ কলেজেই হচ্ছে লন্ডন কেন্দ্রীক। লন্ডনের বাইরেও অন্যান্য শহরগুলোতে বেশ কয়েকটি কলেজ এই তালিকা থেকে বাদ গেছে বলে জানা গেছে।
গত সোমবার বিকালেই বাদ পড়ে পূর্ব লন্ডনের বাঙালী মালিকানাধীন গিল্ডহল কলেজ। এর পর দিন মঙ্গলবার সবাই সতর্ক ছিল কলেজগুলো নিয়ে। তাই ঘটলো সকাল থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে একে একে হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়তে লাগলো পূর্ব লন্ডনের কলেজগুলো। এগুলোর অধিকাংশই বাঙালী মালিকনাধীন। অনেকে ভেবেছিল হয়তো শুধুমাত্র পূর্ব লন্ডনের বাঙালী মালিকানাধীন কলেজগুলোর উপর এই স্টিমরোলার অভিযান চালায় হোম অফিস। কিন্তু না, ভারতীয়, শ্রীলংকান, পাকিস্তান এমনকি বৃটিশ মালিকানাধীন কলেজও বাদ পড়েছে এই তালিকা থেকে।

এসব কলেজের মধ্যে সেন্ট প্যাট্রিকস কলেজ, হলর্বণ কলেজ, কমনওয়েলথ ল কলেজ, ইস্ট ব্যাংক কলেজ, লন্ডন স্যাম কলেজ, লন্ডন কমনওয়েলথ কলেজ অব ল’ এন্ড বিজনেস স্টাডিজ, লন্ডন স্কুল অব বিজনেস এন্ড কম্পিউটিং, গিল্ডহল কলেজ, এ্যাম্ব্রাসেডর কলেজ, লিডস প্রফেশনাল কলেজ, লন্ডন ট্রেনিং কলেজ, ব্লিস কলেজ, ই কলেজ উল্লেখযোগ্য।

উচ্চশিক্ষার্থে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যে এসেছে। আর শিক্ষার্থীদের ব্রিটেনে আসার এই হার গত ১০ বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ। বাণিজ্যিকভিত্তিতে বৃটেনে বেশকিছু কলেজ গড়ে উঠেছে যেগুলো ২-৩টি কাসরুম নিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। হোম অফিসের কড়াকড়ির কারণে কলেজগুলোর তাদের নিজস্ব চেহারা পাল্টাতে উঠে পড়ে লেগেছে। কয়েক কাসরুম বিশিষ্ট ভিসা কলেজ খ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ সঠিকভাবে বজায় রাখছে- এমন চটকদারি কথা বলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি করাচ্ছে। এসব শিার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই এসেছে কর্মসন্ধানে। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতেই লন্ডনে এসে আজ দেখছে ভিন্নচিত্র। অন্যদিকে, হোম অফিসের নানা কড়াকড়ির কারণে শিার্থীদের এখন নিয়মিত কাস করতে হচ্ছে। আগে যেখানে পুরো বছর কোন কাস না করেই এসব ভিসা কলেজ থেকে অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে পুরো বছরের হাজিরা এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক ডকুমেন্ট পাওয়া যেত সহজেই। এবং তা দিয়ে ভিসা রিনিউ করা যেত।
সময়ের সাথে হোম অফিসের নানা কঠোর মনোভাবের কারণে শিার্থীরা যেখানে নিয়মিত কাস করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সেখানেই এবার দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অতীতে ভিসাকলেজ নামে খ্যাত নামসর্বস্ব কলেজগুলো। শুধু নামসর্বস্বই নয়, এই তালিকায় রয়েছে বেশকয়েকটি প্রভাবশালী কলেজও।
২০০৯ সালের মাঝামাঝি একই সপ্তাহে পর পর পূর্ব লন্ডনের দুটি কলেজ তাদের ইউকেবিএ এর টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করলে টক অব দ্যা কমিউনিটিতে পরিণত হয়। কিন্তু মাস দুয়েকের মধ্যেই এই দুটি কলেজেই টিয়ার-৪ লাইসেন্স পুনরায় ফিরে পায়। এর মধ্যে একটি কলেজ বিশাল পরিসরে বর্তমানে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সুষ্ঠভাবেই।
গত বছরের শেষ দিকে একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে পূর্ব লন্ডনের ড্যাবনেন্ট রোডের লন্ডন রিডিং কলেজ। বন্ধ হয়ে যাওয়া এই কলেজটিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সবাইকে অন্যত্র ভর্তি হবার নোটিশ দিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা ভর্তির সময় কলেজকে প্রদানকৃত অর্থ ফেরত পেতে কলেজে গেলেও কর্তৃপরে সঠিক ব্যাখ্যা পায়নি। এদিকে, লন্ডন রিডিং কলেজ এর একজন পরিচালক এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কলেজের শিার্থীদের কোর্স ফি বাকী অর্থ ফেরত দিব এবং এই অর্থ ফেরত দিতে বিশাল অংকের একটি ফান্ডও গঠন করা হয়েছে। অতিসম্প্রতি এই কলেজে আসা শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভর্তির সময় পুরো টাকা পরিশোধ করার পরও কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে এখনও কোন অর্থ পরিশোধ করে নি, কিন্তু কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে।
গত মাসে টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে গেছে এসেক্সের গুরু গোবিন্দ সিং খলসা কলেজ। এই কলেজটিতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছ। এই কলেজের শিক্ষার্থীর মাহবুব জুয়েল জানান, ডিসেম্বরেই তার ভিসা রিনিউ করার কথা ছিল, আর এর আগেই কলেজ এর টিয়ার-৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে যাওয়াতে মহাবিপদে পড়েছে। এই মুহুর্তে কলেজ পরিবর্তন করারও কোন উপায়ন্তর না দেখে অন্য কলেজ থেকে ভিসা রিনিউ করার জন্য আবেদন পাঠিয়েছে হোম অফিসে।

উল্লেখ্য যে, হোম অফিসে স্টুডেন্ট ক্যাটাগরীতে ভিসা রিনিউ করার জন্য অবশ্যই টিয়ায়-৪ রেটিং প্রাপ্ত কলেজ এর লাইসেন্স নম্বর এবং সেই কলেজে অধ্যয়ন করার ডকুমেন্টসহ আবেদন করতে হয়।
সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসেই পূর্ব লন্ডনের নিউরোডস্থ বাঙালী মালিকানাধীন কলেজ লন্ডন গিল্ডহল কলেজের টিয়ার-৪ এর লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়েছে বলে জানা যায়।

হঠাৎ করেই কলেজগুলোর টিয়ার-৪ সাসপেন্ড এর তালিকা থেকে বাদ পড়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। একে তো কাজের সন্ধানে হন্যে হয়ে পুরো লন্ডন শহর চষে বেড়াচ্ছে বিলেতে নতুন আসা শিক্ষার্থীরা, অন্যদিকে কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা। বন্ধ হয়ে যাওয়া কলেজগুলোকে থেকে নোটিশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে টিয়ার-৪ লাইসেন্সপ্রাপ্ত নতুন কলেজে ভর্তি হতে। এসব শিক্ষার্থীদের প্রায় সবাই কলেজে পুরো টিউশন ফি দিয়ে ভর্তি হয়েছে, বর্তমান পুনরায় নতুন কলেজে টিউশন ফি দিয়ে ভর্তি হবার সামর্থ্য নেই ৯০% শিক্ষার্থীর।
এসব কলেজগুলোর টিয়ার -৪ লাইসেন্স সাসপেন্ড হওয়ার সম্পর্কে বেশ কয়েকটি কারণ জানা যায়। এরমধ্যে হোম অফিস থেকে প্রদত্ত নির্ধারিত ছাত্রভর্তির কৌটার অতিরিক্ত ভিসা লেটার ইস্যু, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি এবং বৃটেনে পড়ালেখার অযোগ্য শিক্ষার্থীদের ভর্তিই মূল কারণ বলে জানা যায়।

অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে ব্রিটেন ভিসা কলেজখ্যাত কয়েক রুম বিশিষ্ট কলেজগুলো সম্পর্কে উচ্চভিলাষী ধারণা এবং কলেজগুলোর চটকাদারী ওয়েবসাইটে নানা অবান্তর ক্যাম্পাস বিল্ডিং, শিার্থীদের সুণিপন পাঠদানের চিত্র ইত্যাদি দেখেই কলেজ নির্বাচন করে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে অনেক কলেজেই তাদের সুযোগ সুবিধাগুলো নিয়ে চটকাদারী বিজ্ঞাপন দিয়েও শিক্ষার্থী সংগ্রহ করছে দেদারচ্ছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক কমিউনিটি নেতা বলেন, পূর্ব লন্ডনের ভিসা কলেজগুলোর মালিকদের কলেজগুলো বন্ধ হয়ে গেলেই লাভ। কারণ, তারা যা ব্যবসা করার তা করে নিচ্ছে, এবং কলেজ হোম অফিস কর্তৃক বন্ধ হয়ে গেলে পুনরায় অন্যত্র একই ব্যবস্থাপনায় আরোকটি কলেজ চালু করছে। পূর্ব লন্ডনে একই মালিকানাধীন পৃথক পৃথক বেশ কয়েকটি কলেজও ইতিমধ্যে গড়ে উঠেছে। যার ফলে একটি বন্ধ হলে, অন্য কলেজ দেয় ব্যবসা করে যাচ্ছে অনায়াসে। আর বর্তমানে হোম অফিসের কড়াকড়ির কারণে কলেজগুলোর পরিচালনার ব্যয়ভার বেড়ে গেছে বহুগুন। পুরো বছর জুড়ে কলেজ পরিচালনা করতে প্রচুর পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন। আর তাই কলেজগুলো এখন এককালীন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, কলেজ বন্ধ হয়ে গেলেও ব্যবসা যা করার করে নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ - এমন মন্তব্য অনেকের।

ব্রিটেনে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত ১০ বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ হয়েছে বলে খবর ছেপেছে শীর্ষস্থানীয় দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (২৪ সেপ্টেম্বর)। পত্রিকাটি বলেছে, এ সংখ্যা বাড়ার কারণ ইউরোপের বাইরের দেশগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ। ৪১ হাজার শিক্ষার্থী এসেছেন শুধু চীন থেকে, বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরে শিক্ষার্থী এসেছেন ৩৫ হাজারের মতো। ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড কলেজ অ্যাডমিশন সার্ভিস (ইউকাস) তাদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছে, ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের চাপে চলতি বছর ৫০ হাজার ব্রিটিশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হারাচ্ছেন।

তাহলে কথা হলো, খোদ ব্রিটিশ শিক্ষার্থীরা যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন না, সেখানে কেন ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীদের এভাবে অধিক সংখ্যায় ভিসা দেওয়া হচ্ছে? এ প্রশ্নের উত্তরও টেলিগ্রাফের ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেহেতু শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছ থেকে হোম স্টুডেন্টদের তুলনায় প্রায় তিনগুণ টিউশন ফি আদায় করছে, তাই শিাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বেশি ঝুঁকছে। প্রতিটি গ্র্যাজুয়েটের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গড়ে প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ পাউন্ড নিচ্ছে।
যেসব শিক্ষার্থী প্রকৃত অর্থে ব্রিটেনে পড়তে আসেন না, তাঁদের কেউ কেউ এমন ধারণা পোষণ করেন যে এখানে আসতে পারলে বস্তা ভরে পাউন্ড কামানো যাবে। ঢাকা শহরে যেমন শপিং সেন্টারের মধ্যে এক-দুই কক্ষবিশিষ্ট কিছু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আছে, লন্ডনে বাঙালিদের মালিকানাধীন এ ধরনের অসংখ্য কলেজ আছে, কলেজগুলোকে বলা হয় ভিসা কলেজ। এসব কলেজ থেকে নেওয়া সনদ বস্তুত কোনো কাজেই আসে না। দেশজুড়ে কিছু এজেন্ট রয়েছে, যারা শিক্ষার্থীদের ব্রিটেন সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে বলে উল্লেখ করেছেন সাম্প্রতিক সময়ে আসা অনেক শিক্ষার্থী। ব্রিটেনে এসে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন বলে ধারণা দিয়েছে এসব কলেজের এজেন্টরা।
এদিকে একের পর এক হোম অফিসের তালিকা থেকে কলেজগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন- যেসব শিক্ষার্থী লন্ডনে আসতে আগ্রহী তাদের কলেজ সম্পর্কে জেনেশুনে এবং কলেজের ওয়েবসাইট ও এজেন্ট এর উপর নির্ভর না হয়ে কলেজের প্রকৃত শিক্ষাব্যবস্থার খবর নিয়ে আসলে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা নেই। হোম অফিসের আর সঠিক পরামর্শের জন্য সবার ইউকে বর্ডার এজেন্সির ওয়েবসাইট দেখা উচিত।
এ পরিস্থিতিতে সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারে, স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাঁরা ব্রিটেনে আসতে চান তাঁদের কোনো তৃতীয় পক্ষ মিথ্যা পরামর্শ দিচ্ছে কি না অথবা শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন কি না। কোনো অনিয়ম হলে এজেন্সিগুলোকেও একটা নিয়মনীতির মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে ব্রিটেন সম্বন্ধে উঁচু ধারণা পেয়েছেন।
এদিকে, হঠাৎ করেই এই বিপুল সংখ্যক কলেজে হোম অফিসের তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় শুধু ইউকে শিক্ষার্থীরাই নয়, বাংলাদেশে যারা এইসব কলেজের ভিসা পেয়েছে তারাও পড়ছে বিপাকে।

চট্টগ্রামের মাজাহারুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে- আগামী ২৩ জানুয়ারী তার লন্ডন আসার জন্য ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজে ফাইট কনফার্ম করেছিল, কিন্তু এই হোম অফিসের তালিকায় তার কলেজের লিস্ট না দেখে ফাইট বাতিল করেছে। এমনকি যারা এসব কলেজ থেকে এক বছরের কোর্স ফি পরিশোধ করে ভিসা লেটার নিয়ে ভিএফএস এর এপয়েন্টমেন্ট নিয়েছে, তারাও আর এসব ভিসা লেটার জমা দিতে পারবে না। এমনকি যারা জমা দিয়ে ফেলেছে, তাদের নতুন কোন কলেজ থেকে ভিসা লেটার নিয়ে ভিএফএস এ জমা দিতে হবে অন্যথায় অপেক্ষা করতে হবে ঐ কলেজটি পুনরায় টিয়ার-৪ এ তালিকায় না আসা পর্যন্ত।

Click This Link

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: হুম

২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৯
আ শী ষ বলেছেন: এমনটাই হবে, জানতাম।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: আগে বলেন নাই কেন?

৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫২
আতেল তাপস বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা
সচেতনমূলক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ

কোন কোন কলেজ ধরা খাইসে, তার সম্পূর্ণ লিস্ট কি পাওয়া যাবে?
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: চেস্টা করব।

৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৪
মুভি পাগল বলেছেন: আমার এক বন্ধুর সাথে এই কিছু সময় আগে দেখা হল। ওর পরিচিত এক মেয়ের ২৩ জানুয়ারী লণ্ডন যাবার কথা। জানিনা মেয়েটা কোন কলেজে ভর্তি হয়েছিল। যদি সেটার লাইসেন্সও বাতিল হয়ে যায় তবে তো সর্বনাশ। খবরটা ওকে জরুরী ভিত্তিতে জানিয়ে দিতে হবে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: অবশ্যই না হলে একটি জীবন শেষ।

৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭
রাঙা মীয়া বলেছেন: আয় হায় ! বাঙালী ছাত্ররা এখন কি করবে ?
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আল্লাহ মালুম।

৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০২
স্তব্ধতা' বলেছেন: পড়ুন:

লন্ডনের রাস্তায় কাজের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছে বাঙালী শিক্ষার্থীরা

লিখেছেন:
আশফাক চৌধুরী

কাজ-কর্ম না পেয়ে ব্রিটেইনে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশ থেকে আগত নতুন শিক্ষার্থীরা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ থেকে আসা বহু শিক্ষার্থীই এখন ন্যুনতম মুজুরীর বিনিময়ে যেনো-তেনো একটি কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়েছেন লন্ডন নগরীর পথে-ঘাটে। এদের মধ্যে অনেকেই আবার সঙ্গে করে নিয়ে আসা অর্থ-কড়ি শেষ হয়ে যাবার মতো পরিস্থিতিতে থাকা-খাওয়ার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের ক্ষেত্রেও ভয়ানক সমস্যার মধ্যে দিন-যাপনে বাধ্য হচ্ছেন।

ইউকেবেঙ্গলির প্রতিবেদকের সাথে গত কয়েক দিন ধরে এসব ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে দেশ থেকে আসা বেশ কিছু শিক্ষার্থীর। এদের প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, বিলেতে এসে এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবার আশঙ্কা তারা দেশে থাকতে কখনোই করেননি। খুলনা থেকে আগত ইফতেখার (২৬) নামে এক শিক্ষার্থী জানালেন তার দুর্ভোগের কথা। ইফতেখার বিলেত এসেছেন জুলাই মাসে, এখন পর্যন্ত কোনো কাজের সন্ধান পাননি। যে-পরিমাণ অর্থ-কড়ি নিয়ে এসেছিলেন, তা এখন একেবারে তলানীতে। পরিবারের পক্ষে নতুন করে টাকা পাঠানোও সম্ভব নয়। সামনের দিনগুলো নিয়ে ভাবতে গিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছেন ইফতেখার। হাসিবের অবস্থা আরো করুন। কর্মহীন প্রায় ৪ মাস। বাবার পেনশনের টাকা খরচ করে বিলেতে এসেছেন সংসারের ভাগ্য ফেরাতে। পরিবারের পক্ষে নতুন করে টাকা পাঠানো কিছুতেই সম্ভব না। আশা ছিলো পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু আয়-উপার্জনের মাধ্যমে সংসারের জন্য কিছু করা। এখন সব উলোট-পালট মনে হচ্ছে।

আরেক শিক্ষার্থী নাজমুল হোসাইন(১৯) বললেন কলেজগুলোর অসহযোগিতার কথা। ঢাকায় স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট এ্যাজেন্সীকে টিউশন ফী বাবদ ৩৫০০ পাউন্ড দিয়ে লন্ডনে এসে নাজমুল শুনেন কলেজ কোন পাউন্ড পায়নি। এখন কলেজ তাকে আনুষাঙ্গিক কাগজ-পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগের মধ্যেই কলেজগুলোর ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। বেশ কয়েক-জন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন ওয়েবসাইটে যে-ধরণের তথ্যাদি দেয়া হয় কিংবা যে-ধরণের আকর্ষণীয় ফটৌ সংযোজন করা হয়, লন্ডনে হাজির হবার পরে সে-সবের সাথে তেমন কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এ-প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান এ-ধরণের অনুযোগ-অভিযোগ আমলেই নেয়নি তার কলেজ। ইউকেবেঙ্গলি অফিসে বসে আর এক শিক্ষার্থী বলেন, আমার কথা শুনে কলেজওয়ালারা হাসে।

এছাড়াও অনেকে শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশে স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট এ্যাজেন্সীগুলোর ব্যাপারেও আছে তীব্র ক্ষোভ। জানা যাচ্ছে, নতুন নিয়মের ফলে কলেজগুলোতে টিউশন ফী ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার সাথে-সাথে সুযোগ বুঝে এ্যাজেন্সীগুলোও কমিশনের হার বাড়িয়ে দিয়েছে যথেচ্ছভাবে। শিক্ষার্থীদের অনেকেই জানান, কলেজগুলোর বাংলাদেশী প্রতিনিধিরা ভুলভাবে তথ্য উপস্থাপন করার কারণেই অনিশ্চয়তার মধ্য পড়তে হচ্ছে।

এদিকে, পূর্ব-লন্ডনের বাঙালী জব-সেন্টারগুলো উপচে পড়ছে বাংলাদেশ থেকে সদ্য আসা শিক্ষার্থীদের ভীড়ে। বিশেষ করে ব্রিটেইন-জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাঙালী রেস্টুরেন্টগুলোতে কাজের আশাতে জব-সেন্টারগুলোতে জড়ো হচ্ছেন শত-শত শিক্ষার্থী। জব-সেন্টারগুলো জানাচ্ছে এ-বিপুল চাহিদা মেটানোর কোনো ব্যবস্থাই তাদের হাতে মজুত নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, বেতন দূরে থাকুক, শুধুমাত্র থাকা-খাওয়ার বিনিময়েও বাঙালী রেস্টুরন্টে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। লন্ডনে ঘনিষ্ঠ এমন কেউ নেই যার কাছ থেকে অর্থ সাহায্য পাবো। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে চরম হতাশায় দিনাতিপাত করতে হচ্ছে"। কাজের ব্যাপারে দুয়েক-জন রেস্টুরেন্ট-মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেলো, তারা প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ ফৌন কল পাচ্ছেন। কিন্তু এতো লোকজনকে এক সাথে কাজ দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, আর এ-ধরণের কোনো প্রয়োজনও তাদের নেই। অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে আগের মতো ব্যবসা না থাকার কারণে বাড়তি কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও কমে গেছে বলে জানালেন একাধিক রেস্টুরেন্ট-মালিক।

পরিস্থিতি ইদানীং এতোটাই মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেছে যে, কাজ-কর্ম না পেয়ে অর্থ-কড়ির অভাবে বাধ্য হয়ে পূর্ব লন্ডনের কয়েকটি মসজিদে রাত্রি-যাপন এবং কোনো-কোনো ক্ষেত্রে খাবার-দাবারের সুযোগ নিতে বাধ্য হচ্ছেন বেশ কিছু শিক্ষার্থী। রোজার মাস কোনোভাবে কেটে গেলেও, ঈদের পরে মসজিদে থাকার সুযোগও খুব একটা নেই। গত কয়েক বছর ধরে সুপার স্টৌরগুলোতে বাঙালী ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো রকমের কাজ-কর্ম করার সুযোগ পেলেও, এখন এসব সুযোগ একেবারেই কমে গেছে। সুপার মার্কেটের একজন ম্যানেজার বললেন, পুরোনো কর্মী ছাঁটাই করে সেলফ চেক আউট সিস্টেম চালু করায় নতুন কর্মী নিয়োগ অনেকটা কমে গেছে। তাই রিটেইল শপগুলোতে কর্মীও লাগছে না আগের মতো। এছাড়াও মন্দার কারণে সুপার মার্কেটগুলোতে ব্যাপকবভাবে কর্ম-ঘ্ন্টা কমানোর পর্ব চলছে। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের ব্যাপারে একাধিক কলেজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, শিক্ষার্থীরা জেনে-শুনে আসতে চাইলে তাদের কিছুই করার নেই। বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কোনো যুক্তি নেই বলেও জানান কেউ-কেউ; কেনোনা ব্যক্তিগত ব্যয়ে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা ভিসার আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় টিউশন ফী এবং জীবন-যাপনের ব্যয় বহনে সক্ষম বলেই উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশে কলেজগুলোর এ্যাজেন্টরা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার দিয়ে ঠেলে দিচ্ছে কিনা - এমন এক প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজ মালিক বলেন "বাংলাদেশে এজেন্টরা শিক্ষার্থীদের কি ধরনের তথ্য দিচ্ছেন সে ব্যাপারে আমাদের কিছু জানা নেই"।

এছাড়াও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে হাই স্ট্রীটের শপগুলোও কর্মী নিয়োগ-কমিয়ে দিয়েছে ২০০৮ এর মাঝামাঝি থেকে। তাছাড়া শীর্ষ-স্থানীয় রিটেইল শপগুলো এখন জব সেন্টারের ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করেছে। এর ফলে পরিচিত বাঙালীর সূত্র ধরে এ-শপগুলোতে কাজ পাবার সুযোগ বলতে গেলে বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাংক লৌনের সুবিধা প্রসঙ্গে নামকরা এক ব্যাংকের বাঙালী এক ম্যানেজারের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, ব্রিটেনের ব্যাংকগুলো ব্রিটিশ শিক্ষার্থীদেরকেই এখন ব্যাংক দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আর ক্রেডিট স্কৌরিং ব্যবস্থা চালু হবার পর বাইরে থেকে নতুন আসা কারু পক্ষে লোন পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

ইউকেবেঙ্গলির পক্ষ হতে নতুন আসা শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার রাশেদ চৌধুরী জানান, সমস্যার মূল কারণ অনুসন্ধান ও এ-ব্যাপারে কোনো করণীয় থাকলে, সে-ব্যাপারে তারা সচেষ্ট হবেন। উল্লেখ্য, হাতে গোনা কয়েক-জন পাঠদানকারী আর যেনোতেনো কয়েকটি কক্ষ সম্বল করে গড়ে ওঠা পূর্ব লন্ডনের কিছু কলেজে ভর্তি হবার জন্যও এখন একেক জন শিক্ষার্থীকে গুনতে হচ্ছে হাজার তিনেক পাউন্ড; এর সাথে থাকছে এ্যাজেন্সীগুলোর মোটা-দাগের কমিশন। বিমান ভাড়া, কিছু কেনা-কেটা আর বিলেতে এসে প্রাথমিক খরচ হিসাবে ধরলে একেকটি ভিসার জন্য ব্যয় হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। সাম্প্রতিক সময়ে বিলেতে আসা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিম্মে পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ আট লক্ষ টাকা খরচ হবার তথ্য পাওয়া গেছে। খুব সহসাই আয়-উপার্জনের ব্যবস্থা না হলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে সাধারণ মধ্যবিত্ত বা নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো থেকে আগত শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন বিরাজ করছে তীব্র আশঙ্কা।

০৩ অক্টৌবর ২০০৯

লিন্ক
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ইয়া মাওলা এসব কি শুনাই তাছো , লন্ডনের উপর এই হাল অবস্থা,

ধন্যবাদ স্তব্দ্ধতা দারুন একটি খবর দিয়েছ।

৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪
সুমন আজাদ বলেছেন: অনেক ভাল হয়েছে লেখাটা। অনেকের কাজে লাগবে।
বন্ধ হয়ে যাওয়া কলেজের কি কোন আলাদা লিস্ট আছে?
ওই লিস্ট থাকলে দেখতাম কোনগুলা ধরা খাইসে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: আগামী কাল দেবার চেষ্টা করব।

৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৪
বিদিশা বলেছেন: পুরো পোস্ট কপি না করে শুধু লিঙ্ক দিলেই তো পারতেন। এখন সবাই মনে করছে যে এই পোস্টটা আপনারই লেখা!
ভালো চাতুরী!
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: হায় হায় বইনে কয় কি, লিংক তো দিয়েছি, তয় কি জানেন, লিংক ডিলে কেউ পড়তে চায়না, এটা অপেন করা পড়া অনেক জামেলা, তাই একেবারে ফিনিশিং, আপনার খারাপ লাগলে আমি তুক্কু।

৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১১
ওরাকল বলেছেন: পড়তে নয় কাজ করতে আসলে ত এমনটাই হবে :(
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

১০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৩
স্তব্ধতা' বলেছেন: @বিদিশা: সবাই আশা করি আপনার মতো খাড়া কান ওয়ালা, দৃশ্যমান দন্ত এবং দুটি অদৃশ্যমান পদ সহ চৌপদী জন্তুনা যে এই সস্তা চাতুরী ধরতে পারবেনা।শুধু লিঙ্কটা দিতে পারতাম সেটা মাথায় আসেনি, কিন্তু চাতুরীটা পেলেন কোথায় আপনি? এরকম প্রতিউত্তর এই ব্লগে আরও আছে।খুঁজে দেখুন।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সো নাইস বিশ্লেষন,

১১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৪
মুভি পাগল বলেছেন:
তবুও কি বাঙালী বুঝে না যে ইংল্যাণ্ড এখন নারিকেলের ছিবড়া হয়ে গেছে। ভেতরে কিছু নাই। এত প্রমান, এত খবর শুনেও নিজে নিজে খবর শোনার আশায় পাড়ি জমায়
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: ইংল্যাণ্ডের মজ্জাই আলাদা।

১২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
কুল_কুয়াইট বলেছেন: Due to this decision one of my best frnds is unable to go there.. Everything was ok....but :( :( :( :(
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার বন্দুকে সতর্ক করতে পারেন।

১৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩
মোরশেদুল আজাদ পলাশ বলেছেন: এই লেখাটির প্রায় ৯৮ ভাগ মিলে যায় গতকাল ২০শেজানুয়ারী প্রকাশিত দৈনিক সিলেটের ডাক নামক সিলেটের একটি আঞ্চলিক পত্রিকার সাথে।আমার মনে হয় লেখক এই লেখাটি চুরি করেছেন।-------
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: পোস্টি না পড়ে দোষারূপ ঠিক না। ধন্যবাদ

পোস্টের নিচে লিংক দেয়া আছে।

১৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৪
স্তব্ধতা' বলেছেন: @পলাশ৭৯: একজন ভালো সমালোচক হতে হলে আগে একজন ভালো পাঠক হওয়াটা অত্যাবশ্যকীয়।আপনি পোষ্টটি ভালো করে পড়ুন আগে।লেখার শেষে সূত্রের লিংক দেয়া আছে যার মাধ্যমে বোধগম্য হয় লেখাটি মৌলিক নয় এবং লেখক এটিকে নিজের বলে দাবী করছেননা। চুরি দেখলেন কোথায়?এই ভাবে অভিযোগ করে আপনি লেখকের একটি প্রচেষ্টাকে খাটো করে দেখছেন এবং আপনার ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: থ্যাংস।

১৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩০
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: অনিবার্য ছিল এখন তা বাস্তবতা। যারা যাচ্ছেন অথবা যাবেন দয়া করে ভালো করে জানুন কোথায় যাচ্ছেন। আশ্চর্যই লাগে এসব চালাক চতুর ছেলে মেয়েরা কেন এই ইন্টারনেট এর যুগে চোখ কান খোলা রেখেও অনিশ্চিতের দিকে পা বাড়াচ্ছে। আমি সবসময়ই এই ধরনের ভিসা নিয়ে যারা ইংল্যান্ড যায় তাদের সতর্ক করি। কারণ এটা ইংরেজদের ইকনোমিক রিসেশন ওভারকাম করার সুনিপুন স্ট্রেটেজি। খারাপ লাগে আমার ভাই বোনরাই এতে সবকিছু হারাচ্ছে। :((
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: সত্য বলেছেন। আপনি সতর্ক করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

১৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬
লুথা বলেছেন:
বাংগালী বিদেশে গিয়ে দরকার হইলে টয়লেট সাফ করবে, তাও বিদেশ যাবে...দেশে স্টাবলিশ ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের পাত্তা দেয় না, পাত্তা দেয় বিদেশে থাকা পোলাপানরে...আহারে বিদেশে কি মধু...আমিও যামু ওই মধু খাইতে...বালের ইউ.কে
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: =p~

১৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
আতেল তাপস বলেছেন: @ লুথা,
"দেশে স্টাবলিশ ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের পাত্তা দেয় না, পাত্তা দেয় বিদেশে থাকা পোলাপানরে..."

আপনি কি বিয়ের ব্যাপারে বললেন ?

ভাই বিদেশে টয়লেট সাফ করেও যদি মাসে লাখ লাখ টাকা কামানো যায় তাহলে কেন যাবেনা বলেন ?

ভিসা দেয়া সহজ করার পর সারা দুনিয়া থেকে পোলাপান এখন লন্ডন যাচ্ছে, যেই ছেলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসতে পারেনা সেও ইউকে চলে গেছে
তাই জব নিয়া সমস্যা হচ্ছে
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই। তাই বলছিলাম আগের
লন্ডন নেই, এখন অনেক মানুষ এরকম রয়েছে যা এক বেলা খানা জোগাড় করা চাইনিজ ভাষার চেয়েও কঠিন হয়ে গেছে। :|

১৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৬
সাংবাদিক বলেছেন: নিউজটা আমার করা...............

ভেবেছিলাম... আমি পোস্ট করবো... সময় পাইনি......... আপনিই করে দিলেন... ভালো হলো....

সবাইকে সতর্ক থাকতে বলবেন সবসময় >>>>>


সোয়েব কবীর
ইউকেবিডিনিউজ
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি। ধন্যবাদ আপনাকে ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫২০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ পাকের জন্য,

বি এন পি কে সাপোর্ট করি, এতে সন্দেহ নেই,,,


fahim_idd@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ