somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (একটি নভেলা, পর্ব ২)

০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অবতরণিকা
লেখকের নিজ অভিজ্ঞতাপ্রসূত এই কল্পকাহিনীতে ক্যাডেট কলেজের মতো একটি ভিন্নধর্মী প্রতিষ্ঠানের কিশোরদের ঘটনাবহুল জীবনযাপনের একটি চিত্র পাওয়া যাবে। এই কিশোর-উপন্যাসে লেখক কোনো একক বা সরলরৈখিক ঘটনাক্রমের বর্ণনা দিতে চাননি, বরং একটি চরিত্রের বরাত দিয়ে, খণ্ড খণ্ড ঘটনাবলীর বর্ণনার মাধ্যমে, একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। ফলে এই গল্পের শুরু থাকলেও শেষ থাকেনি। আপাতভাবে এটি ক্যাডেটদের ভিন্নধর্মী জীবনের হাসি-কান্না, চাপল্য-উত্তেজনায় ঠাসা আধা-সামরিক জীবনের নির্মোহ চিত্রায়ণ মনে হলেও, গল্পের শেষ দিকটায় ক্যাডেট কলেজের সীমিত গণ্ডির বাইরের রাষ্ট্রিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে রূপক আকারে লেখক হাজির করতে চেয়েছেন। ফলে গল্পটি শেষ পর্যন্ত কেবল বেড়ালের দেশে ইঁদুরের টিকে থাকার প্রচেষ্টার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, ঘটনাক্রমের বৃহত্তর দিকমাত্রা ধারণ করার চেষ্টা করেছে। গল্পের প্রেক্ষাপট আশির দশক ধরতে হবে; তাই এখানে মোবাইল ফোনের বদলে চিঠি গল্পের অনুষঙ্গ আকারে এসেছে। তবে রাজনৈতিক রূপকতার অংশটি ২০০৮ সালের প্রোপটেও প্রাসঙ্গিক হবে।

...

(পর্ব ২)

রুমে ফিরে দেখে কয়েকজন টাই-পরা গোল হয়ে আড্ডা দিচ্ছে। ওরা রুমে ঢোকার পর আড্ডা ভেঙ্গে গেল এবং সবাই নিশ্চুপ হয়ে গেলো। অল্পণের মধ্যেই তাদের একেকজন নবাগতদের একেকজনের দিকে এগিয়ে এলো। জামিলের দিকে এগিয়ে এলো ছোটো কিন্তু গোল মুখের কালো এক টাই-পরা। ক্যানকেনে গলায় সে বললো,
--মাই নেম ইজ হাবিব, কাস এইট, ইয়োর রুমমেট এন্ড টেবিলমেট। হোয়াটস ইয়োর নেম?
--মাই নেম ইজ জামিল। এই প্রথম সামান্য ইংরেজিতে কথা বলল জামিল।
--জামিল, গুড। হাউস-প্রিফেক্ট তোমাকে যে জিনিসগুলো দিয়েছেন সেগুলো আলমিরার নিচের তাকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখো। আর টাইটা শুধু দাও, এটা বেঁধে দিচ্ছি, এটা গলায় লাগিয়ে ডিনারে যেতে হবে।
জামিল টাইটা হাবিব নামের ক্লাস-এইটকে দেয়। সে এদিক-ওদিক করে টাই বাঁধতে বাঁধতে বলে, কীভাবে বাঁধি দেখো। এরপর তোমাকে নিজেকেই নিজের টাই বাঁধতে হবে।
টাই-বাঁধা দেখতে দেখতে জামিল বলে, ভাইয়া, একটা কথা জিজ্ঞেস করি।
--নো ভাইয়া, বলো হাবিব ভাই। কী কথা, বলো।
--রুমমেট বুঝলাম, টেবিলমেট কী?
--তুমি ডাইনিং হলে যখন খেতে যাবে, একটা নির্দিষ্ট টেবিলের নির্দিষ্ট সিটে খেতে বসবে। আমি তোমার পাশের সিটে বসবো, ডাইনিং-টেবিল-ম্যানারস শেখাবো। এজন্য আমি তোমার টেবিল-মেট। আর শোনো, যেকোনো প্রশ্ন মাথায় এলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবে, কিন্তু হাতের জিনিসটা শেষ করার পরে। তুমি কি এখন টাইটা বাঁধতে পারবে?
--না।
--কারণ, তুমি মনোযোগ দিয়ে জিনিসটা দেখোনি। তোমার মন পড়ে ছিল টেবিল-মেট-এ। আমি আবার দেখাচ্ছি, দেখো।
হাবিব ভাই আবার টাই বাঁধানো দেখালেন। জামিল তার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝলো না। টাইয়ের বড় অংশটা কখনো সামনে আসে, কখনো গিঁটের পেছনে চলে যায়, কখনো আবার গিঁটের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
--বুঝেছো?
--হ্যাঁ। না-বোঝার পরও কোনোমতে মাথা নাড়ে জামিল।
--না বুঝলে আমাদের বলবে। তবে আমরা প্রতিদিন তোমাকে টাই বাঁধানো শেখাবো না। এরপর তোমাকে নিজেই বাঁধতে হবে। প্রথম প্রথম না পারলে একটা রাস্তা অবশ্য আছে। খোলার সময় টাইটাকে পুরোপুরি না খুলে আলগা করে খুলতে পারো, পরের বার আবার গলায় ঢুকিয়ে সেটা টাইট করে নিলেই হলো। এই যে এভাবে।
বিকল্পটাই পছন্দ হলো জামিলের। কারণ নতুন করে টাই কিছুতেই সে বাঁধতে পারবে না। হাবিব ভাই টাইটা জামিলের কলারের বোতাম খুলে নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন। নেড়েচেড়ে ঠিকঠাক করতে করতেই কোথায় যেন একটা ঢং ঢং বেল পড়লো।
--চলো, নিচে চলো। ডিনারের বেল পড়েছে, নিচে ফল-ইন হবে, তারপর লাইন ধরে ডাইনিং হলে যাবে। মনে রাখবে, তোমার টেবিল নম্বর হলো চার। ডাইনিং হলের গেট দিয়ে ঢুকে ডান দিক থেকে দ্বিতীয় টেবিল। সেখানে দেখা হবে। নিচে গিয়ে কাস সেভেনের লাইনে গিয়ে দাঁড়াও।
টাই পরে রুমের অন্য নবাগতরাও প্রস্তুত। সবাই মিলে নিচে গিয়ে দেখে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অনেকগুলো লাইন। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে বুঝতে পারে না জামিল।
--হেই লিটল বয়। গো দেয়ার। আঙ্গুল দিয়ে কেউ একজন ক্লাস সেভেনের লাইনটিকে দেখিয়ে দেয়।
হাউস-প্রিফেক্ট মাহবুব ভাই হাউসের পক্ষ থেকে ক্লাস সেভেনকে আবার ওয়েলকাম জানালেন। করতালির মাধ্যমে পুরো হাউস নতুন ব্যাচকে বরণ করে নিল। এরপর মাহবুব ভাই অর্ডার দিলেন, ক্লাস সেভেন, ক্যারি অন। অর্থাৎ ডাইনিং হলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা কর। জামিলরা ডাইনিং হলে ঢুকলো।
ডাইনিং হলে ঢুকে জামিল বেশ অবাক হলো। বিশাল এক হল রুম, তাতে তিন সারিতে অনেকগুলো বড় বড় টেবিল সাজানো। একেকটি সারি, মাঝামাঝি আবার ফাঁকা। এভাবে তিন সারি মিলে ডাইনিং হলের মাঝখানে বেশ খানিকটা জায়গা ফাঁকা। ফলে টেবিলগুলো মূলত ছয়ভাগে বিভক্ত হয়েছে। তিন সারির টেবিলের আবার তিন রঙ। জামিলের টেবিলের রঙ গাঢ় নীল, অ্যাপুলেটের রঙের মতো। অন্য দু’সারির রঙ লাল আর সবুজ। টেবিলে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে ডানে-বায়ে-পেছনে ঘুরে-ফিরে সে পুরো হলটা দেখছিলো। কী পরিষ্কার আর ঝকঝকে হলটা। দেয়ালে পেইন্টিং আর স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শিল্ডের মতো কী কী সব লাগানো।
--জামিল! কে যেন মৃদু একটা ধমক দিলো। হাবিব ভাই কখন পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টের পাওয়া যায়নি। একের পর এক ক্যাডেট এসে ডাইনিং হলটা প্রায় ভরেও গেছে।
--টেবিলে এসে দাঁড়ানোর পর সামনের দিকে ফিরে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। কোনো দিকে তাকাবে না। পা দুটো সমান্য ফাঁক করে হাত দুটো পেছনে একত্রে রেখে ‘আরামে’ দাঁড়াবে। বুঝতে পেরেছো?
--জ্বি ভাইয়া।
--নো ভাইয়া। হাবিব ভাই বলো।
--সরি।
--ভেরি গুড, নিজে থেকে সরি বলতে শিখে গেছো। মনে রাখবে, ক্লাস সেভেনে থাকতে এই শব্দটাই সবচেয়ে বেশি উচ্চারণ করতে হয়।
হঠাৎ ‘টুং’ করে বেশ জোরে বেল বাজলো। সবাই বেঞ্চ ঠেলে শব্দ তুলে টেবিলে বসে পড়লো। সবার দেখাদেখি জামিলও বসে পড়লো।
এরপর ডানদিক থেকে কে যেন দরাজ গলায় বলে উঠলো, মিস্টার মোস্তফা মাহমুদ, বিসমিল্লাহ হির রাহমানুর রাহিম। এবার বামদিক থেকে কে যেন বলে উঠলো, স্যার, বিসমিল্লাহ হির রাহমানুর রাহিম। জামিল তাদের দেখতে একবার ডানে এরপর বামে তাকালো। হাবিব ভাই ধমকে উঠরো, জামিল! মাথা নড়াচড়া করাবে না, নিচু করে রাখো। ফর্ক আর স্পুন হাতে নাও।
ততক্ষণে কাঁটাচামচের ঝনঝনানি শুরু হয়ে গেছে। জামিল বুঝলো তাকে কাঁটাচামচ হাতে নিতে বলা হয়েছে। সে কাটাচামচ হাতে নিলো।
--প্লেট ওল্টাও।
সে প্লেট ওল্টালো।
--মনোগ্রামটা সামনের দিকে নাও।
জামিল বুঝতে পারে না।
--প্লেটে একটা কলেজ-মনোগ্রাম আছে, সেটা সামনের দিকে নাও, এই যে আমারটা দেখো।
জামিল মনোগ্রামের মর্যাদা দেয়।
--স্পুনটা ডান হাতে এভাবে ধরতে হয়।
জামিল চেষ্টা করে।
--উঁহু, এভাবে।
জামিল চেষ্টা করতে থাকে।
--ফর্কটা বামহাতে এভাবে নাও।
জামিল চেষ্টা করে।
--উঁহু, হলো না, এভাবে।
জামিল চেষ্টা করতে থাকে।
--এবার রাইস তুলে নাও।
জামিল দেখে পোলাও রান্না করা হয়েছে। বেশ সুবাস দিচ্ছে। তার প্লেটের সামনে মাঝখানে স্টিলের গ্লাস। ডানে ছোট প্লেটে মাংস আর গ্লাসের বামে পায়েসের মতো কী যেন। টেবিলের মাঝখানে একটা বড়ো বাটিতে ঘন ছোলার ডাল। আরেকটা বাটিতে কালো কালো কী যেন -- ওটাই বোধহয় কাবাব।
এতসব খাবার দেখে জামিলের পেটটা মোচড় দিয়ে ওঠে। পোলাও-মাংস কতদিন খায়নি সে। সাধারণত ঈদ ছাড়া তাদের বাসায় পোলাও রান্না হয়না। আর এখানে প্রথম দিনেই পোলাও! সে প্লেট ভর্তি করে ভাত নেয়। প্লেটের মধ্যে মাংস ঢেলে নেয়। এরপর গোগ্রাসে খাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কাঁটাচামচ দিয়ে কি আর আরাম করে খাওয়া যায়? মাংসটাই বা ছুড়বে কী করে?
--জামিল, ধীরে ধীরে খাও এমনভাবে খেয়ো না, যাতে অড দেখায়। সবার দিকে তাকিয়ে দেখো তারা কীভাবে খাচ্ছে।
জামিল এবার খেয়াল করে। ভাত চিবুতে চিবুতে সে ল করে টেবিলে শুধু সে আর হাবিব ভাই আছে তা নয়। টেবিলের দুপাশ দিয়ে অনেকেই বসে ধীরে ধীরে মুখ টিপে টিপে খাচ্ছে। একজন আবার টেবিলের এক মাথার মাঝামাঝি চেয়ারে বসে খাচ্ছে। সে আবার কোনো লিডার নাকি? তার বয়সও বেশি বেশি মনে হচ্ছে।
--অতো হা করে থাকতে হবে না। এখন খাও।
জামিল আবার খাওয়া শুরু করে।
--জামিল, তোমার ফর্কটা ধরা ঠিক হয়নি।
জামিল চেষ্টা করে।
--কাবাব নাও। হাবিব ভাই কাবাবের প্লেটটা এগিয়ে দেয়।
--ফর্কটার মাঝামাঝি ধরো। মাথায় ধরেছো কেন?
--হাবিব, প্রথম দিন ওকে বেশি জোরাজুরি করো না। যেভাবে পারে খেতে দাও। ... কী নাম তোমার? চেয়ারে বসা ভাইটা কথা বলেন।
-- ... জামিল। মুখে একটা গ্রাস থাকায় উত্তর দিতে দেরি হয়। ভাইটা মৃদু মৃদু হাসেন।
--আমি মাহফুজ, ক্লাস টুয়েলভ। তোমার টেবিল-লিডারও বলতে পারো।
কাবাবটা শেষ করতে না করতেই আরেকবার সেই ‘টুং’ বাজলো। সবাই চুপচাপ হয়ে গেলো। সামান্য কথাবার্তা থেকে সারা ডাইনিং হলে যে গুঞ্জণ ছিলো, কাঁটাচামচের যে-ঝনঝনানি ছিলো তা থেমে গেলো।
--জামিল খাওয়া স্টপ করো।
পেটে খিদে থেকেই গেলো। কাঁটাচামচের যন্ত্রণায় পেটপুরে খাওয়া গেলো না। পায়েসের মতো দ্রব্যটাও স্পর্শ করা গেলো না।
আবার সেই আওয়াজ ডান দি থেকে ভেসে এলো ‘‘মিস্টার মোস্তফা মাহমুদ, আলহামদু লিল্লাহি রাব্বুল আলামিন’’। বাম দিক থেকে ‘‘স্যার, আলহামদু লিল্লাহি রাব্বুল আলামিন’’। এরপর উভয় দিক থেকে কয়েকজন নেমে এসে সেই মাঝামাঝি স্থানে গিয়ে দাঁড়ালো।
--হাবিব ভাই, একটু পানি খাবো।
--বেল পড়ার পর কিছু খাওয়া চলবে না।
কিন্তু তখনই টেবিল-লিডার মাহফুজ ভাই পানি খাচ্ছিলো। জামিল বুঝলো নিয়ম-কানুন সব ক্লাস সেভেনের জন্য।
মাঝখানে দাঁড়িয়ে বড়ো বড়ো চোখওয়ালা লম্বা-চওড়া একজন টুয়েনটি ফার্স্ট ব্যাচকে ওয়েলকাম জানালেন। জামিল বুঝলো তাদেরকেই ওয়েলকাম জানানো হচ্ছে এবং তাদের ব্যাচ নম্বর টুয়েনটি ফার্স্ট।
--হি ইজ আওয়ার কলেজ-প্রিফেক্ট। জব্বার ভাই। হাবিব ভাই চাপা গলায় বলেন।
--তিনি কি মাহবুব ভাইয়ের চেয়ে বড়ো লিডার? জামিলও চাপা গলায় বলে।
--শাটআপ? কথা বলছো কেন? বেল পড়ার পর কথা বলা নিষেধ।
--সরি।
জামিল বুঝতে পারে না হাবিব ভাই কথা বলতে পারলে সে কেন পারবে না। আর তাছাড়া তিনি বললেন বলেই তো সে কথা বললো।
সারা ডাইনিং হল জুড়ে করতালি হচ্ছে। কীসের করতালি? জানতে ইচ্ছা করে, কিন্তু জানা যাবে না। কে জানি, হয়তো সারা কলেজ তাদেরকেই ওয়েলকাম করছে করতালির মাধ্যমে। ভালো ভালো খাবার সামনে দিলে, কিন্তু পেট পুরে খেতে দিলে না। ভালোই ওয়েলকাম করলে তোমরা!

চলবে
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×