somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (একটি নভেলা, পর্ব ৫)

০৫ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম কার্যদিবস
আবার ধুপধাপ শব্দে ঘুম ভাঙলো। এবার সাকলায়েন ভাই জামিলকে জাগিয়েছে। কাছে কোথাও বাঁশি বাজছে।
--ওঠো, ড্রিলের জন্য রেডি হও। আর বাকিদের ডেকে তোলো।
জামিল মশারি তুলে রশীদের গায়ে ধাক্কা দেয়। এই রশীদ ওঠ।
--উঁহু, ওভাবে নয়। কাউকে ঘুম থেকে ডাকতে চাইলে সবসময় বেডে বাড়ি দেবে।
কাঠনির্মিত খাটের বর্ধিত অংশে বাড়ি দিয়ে ক্লাস-সেভেনের সবাইকে ডেকে তোলে।
--এবার ক্লাস-এইটের সবাইকে ডেকে তোলো।
জামিল প্রথমে দেলোয়ার ভাইয়ের খাটে বাড়ি দেয়।
--শুধু বাড়ি দিলে হবে না, সঙ্গে বলো, গেট-আপ প্লিজ।
জামিল সবাইকে একে একে জাগিয়ে তোলে।
--এবার ক্লাস-সেভেন তোমরা শোনো। আজ শনিবার, উইকলি ইন্সপেকশন প্যারেড হবে একটু পরেই। কিন্তু তোমাদের প্রথম কিছুদিন কেবল ড্রিল প্রশিক্ষণ হবে। সকালের পিটি-ড্রিল কিংবা বিকেলের গেমস-টাইমে, তোমাদের কেবল ড্রিল শেখানো হবে। তোমরা এখন খাকি ড্রেস পরবে। আমরা যাবো ইন্সপেকশন প্যারেডে আর তোমরা এনসিও রুস্তমের কাছে ড্রিল শিখবে। রাতে সবার খাকি ড্রেস তো রেডি করে দেয়া হয়েছে। এখন টয়লেট থেকে ফ্রেশ হয়ে এসে ড্রেস-আপ করে নাও।
--এনসিও মানে কী? জামিল জিজ্ঞেস করে।
--নন কমিশনড্ অফিসার। আর্মিতে দুই ধরনের অফিসার হয়, কমিশনড্ ও নন কমিশনড্। সৈনিকরাই এনসিও হয়ে থাকে।
কাসিম হাউসের পাশে বিরাট ক্রিকেট গ্রাউন্ড। ফুটবল গ্রাউন্ডের ওপারে বাস্কেটবল গ্রাউন্ড হবে ওটা। ওদিকেই সব ক্যাডেট সারিবদ্ধভাবে যাচ্ছে। ওখানেই ইন্সপেকশন প্যারেড হবে তাহলে।
কিন্তু নিচে নেমে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই কাসিম হাউসের আঠারো জন ক্লাস-সেভেনকে হাবিলদার রুস্তম এসে পাকড়াও করলো। কংক্রিটের মেইন রোডে এনে দাঁড় করালো। আরও দুই গ্রুপ সেখানে এসে আলাদা আলাদা দাঁড়ালো। ওরা তাহলে খালিদ আর তারিক হাউসের ক্লাস-সেভেন। ওদের সামনেও দু'জন এনসিওকে দেখা গেল। এনসিও রুস্তমের পরনে আর্মির কমব্যাটের পোশাক। ঠোঁটের ওপরে চওড়া গোঁফ, লম্বা কিন্তু চিমসানো চেহারা। চোখদু'টো কোটরগত, চেহারায় দয়া-মায়া তো দূরের কথা, মানবিক কোনো সৌকর্য নেই। ভাস্কর্যের মতো পাথুরে নিস্পৃহতা চেহারাজুড়ে।
--আমি হাবিলদার রুস্তম। আমাকে ওস্তাদ রুস্তম বলে ডাকবে। প্রথমে কয়েকদিন আমি তোমাদের টানা ড্রিল শিখাবো। ... খুব কঠিন জায়গায় আইসা পড়ছো তোমরা। এইখানে তোমারে কেউ দয়া করবে না, মায়া দেখাবে না। এইখানে তোমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের কম্পিটিটর। দুয়েকদিনের মধ্যেই বোঝা হয়ে যাবে কে ড্রিল ভালো করছে, কে ফাঁকি দিতেছে। কী বলছি বুঝা যাইতেছে?
--হ্যাঁ ওস্তাদ।
--সবাই বুঝতাছে না। ঐযে একজন হাই তুলতাছে, রাতে ঘুমায় নাই। দ্বিতীয় রাইতেই ডাব চুরি করতে গেছিলো। কী নাম?
--আজিম।
--ড্রিলে আইসা ঘুম পায়। আজব ঘটনা! ড্রিলে আসলে সিনা থাকবে উঁচা, চোখ থাকবে সিধা সামনে, ঘুম কোত্থেকে আসে? বুজছি, আজিমরে এক্সট্রা প্রেশার দেওন লাগবে। ... যা বলছিলাম, কম্পিটিশনের নামে স্বার্থপরের মতো কাজ করলেও চলবে না। প্যারেডের েেত্র সবাই মিইলা একটাই পরিচয়। একজন বা দুইজন ভুল করলেও শাস্তি হবে সবার।
তিনি একে একে ‘সাবধান’, ‘আরামে দাঁড়ানো’, ‘বাম-ডান করা’, ‘জলদি চলা’, ‘উল্টা ঘোরা’ দেখিয়ে দিলেন। এরপর শুরু হলো ড্রিল প্র্যাকটিস।
ওস্তাদ চিৎকার করে বলেন, প্রেএএড (প্যারেড), সাবধান হবে, সাআআআবধান্।
জামিলরা সাবধান হয়।
--হচ্ছে না, হচ্ছে না। আঠারোটা শব্দ হলে হবে না। সবাইকে এমনভাবে একসাথে হিল মারতে হবে যেন, একটা শব্দ মনে হয়। ... এই যে এইভাবে ...।
ওস্তাদ আবার চিৎকার করে বলেন, প্রেএএড, সাবধান হবে, সাআআআবধান্।
--হচ্ছে না, হচ্ছে না। হিল মারতে বলছি, টো মারতেছ কেন? টো মারলে ফাটা ফাটা শব্দ হবে, আর হিল মারলে হবে খট্। ... এই যে এইভাবে ...। এইবার আমি একটা খট্ আওয়াজ শুনতে চাই। প্রেএএড, সাবধান হবে, সাবধান।
--হলো না, একটা খট্ শব্দ হলো না। কোনোবার সতেরটা শব্দ হচ্ছে, কোনোবার তেরটা, কোনোবার নয়টা, একটা শব্দ কিছুতেই হচ্ছে না। এই, সাবধানে দাঁড়াইয়া তোমার কনুই আলগা হয়ে আছে কেন? কনুই বডির সঙ্গে টাইট থাকবে ...। নাহ্ এরা দেখতেছি কিছুই শিখতেছে না ...।
‘সাআআআবধান্’ আর ‘আরামেএএএ দাঁড়া’ করতে করতেই প্রথম দিনের ড্রিলটাইম শেষ হয়ে গেল। সে এক কসরৎ বটে!
হাউসে ফিরে গোসল করে ব্রেকফাস্টের জন্য ডাইনিং হল। এবার একরকম ড্রিল করতে করতেই, জলদি চলো স্টাইলে, খাকি ড্রেসে একাডেমিক বিল্ডিং। ক্লাস হবে ওখানে।
জামিলের মনে হলো এখানে সবকিছুতেই এত বেশি নিয়ম-কানুন -- সবমিলিয়ে তা যেন এক বিরাট শৃঙ্খলে বন্দী করে ফেলছে জামিলকে। ঐযে ড্রিলের পরে বাথরুমে গোসল করতে গিয়ে, দেখে সবগুলো বাথরুম বন্ধ। এখন এর কোনো একটাতে লাইন দিতে গেলে, কী বলে পরের দখল দিতে হবে, কীভাবে টাওয়েলটাকে দখল হিসেবে বাথরুমের ওপরে রাখতে হবে, তারও একটা নিয়ম আছে। সকালের ঘুম ভাঙানোর ব্যাপারটাই ধরা যাক, কীভাবে বেডে বাড়ি দিতে হবে, কী বলে ঘুম ভাঙাতে হবে, তাও নির্দিষ্ট।
একাডেমিক বিল্ডিঙে ঢুকতেই চমৎকার পরিচ্ছন্ন একটা প্রশস্ত সিঁড়ি। কিন্তু ওদিক দিয়ে ওঠা যাবে না, কারণ এই সিঁড়ি কেবল শিকরা ব্যবহার করেন, স্টাফ লাউঞ্জ নাকি আছে দোতলায়। উঠতে হবে ঘুরে গিয়ে পেছনের একটা সিঁড়ি দিয়ে।
তবে একাডেমিক বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করে তাদের কাসরুমে নয়, প্রবেশ করতে হলো অডিটোরিয়ামে। ক্লাস সেভেনের জন্য নির্দিষ্ট সিটে বসতে হলো। অডিটোরিয়ামটা বিরাট। সামনে বিশাল মঞ্চ। দেয়ালে কী কী সব নকশা, কাঠ কেটে করা। জামিল মুগ্ধ হয়ে পুরো অডিটোরিয়ামটাকে দেখে। কে যেন পেছন থেকে চাপা গলায় ধমকের সুরে বললো, জামিল, লুক ফ্রন্ট।
উইকলি এসেম্বলি হবে এখন, প্রিন্সিপাল স্যার বক্তৃতা দেবেন। পিনপতন নিরবতার মধ্য দিয়ে জাবেদ আলি প্রবেশ করলেন। বক্তৃতার জন্য নির্ধারিত ডেইসে গিয়ে তিনি ইংরেজিতে কী কী যেন বললেন, জামিল তার অর্ধেকই বুঝতে পারে না। কেবল বোঝা গেল গত এক সপ্তাহে ক্যাডেটরা কী কী অন্যায় করেছে, নিয়ম ভঙ্গ করেছেন তার ফিরিস্তি তিনি দিলেন। কাকে যেন এ-সপ্তাহের বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে পুরস্কৃতও করা হলো।
এসেম্বলি শেষে প্রথম কাসে যাওয়া। দোতলার পশ্চিম পাশের ব্লকের শেষ দুইটি কাসরুম ক্লাস সেভেনের। দুইটি ফর্মে বিভক্ত হয়ে তারা ক্লাস করবে। জামিল পড়েছে ফর্ম বি-তে। সেখানে কাসিম হাউসের কাস-সেভেনের পাশাপাশি খালিদ ও তারিক হাউসের ক্যাডেটদেরও দেখা গেল।
কাসে বসতে না বসতেই একজন টিচার ক্লসরুমে প্রবেশ করলেন। তিনি যেমন দীর্ঘদেহী তেমনি স্থূল। কাসরুমে ঢুকেই তিনি ডেইসের ওপরে পড়ে থাকা চকের ধুলো ফুঁ দিয়ে ওড়ালেন। হাতে থাকা দু’তিনটি বই সশব্দে রাখলেন। ডেইসের পা-দানিতে এক পা, আরেক পা মেঝেতে রেখে, ডেইসের ওপরে বাম হাতটা আড়াআড়ি করে রেখে হেলানো ভঙ্গিমায় দাঁড়ালেন। এরপর সরু চোখে ক্যাডেটদের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। এরপর হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন, স্ট্যান্ড স্ট্রেইট! সোজা হয়ে দাঁড়াও!
ক্যাডেটরা সোজা হয়ে দাঁড়ায়। জামিল ভাবে, কাসের মধ্যে আবার ড্রিল শুরু হবে নাকি!
স্যার এবার মৃদু মৃদু হাসলেন কিছুক্ষণ। চোখ আগের মতোই সরু।
--সিট ডাউন।
জামিলরা বসে।
--আমার নাম আব্দুস সবুর। বাংলা পড়াই। আমার কাসে ক্যাডেটদের মতোই থাকতে হবে। পিঠ সোজা রেখে বসতে হবে, চেয়ারে পিঠ ঠেকানো যাবে না। গালে হাত দেয়া চলবে না। কিংবা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে চড়ুই পাখির ওড়াওড়ি দেখা চলবে না। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আনমনে গার্লফ্রেন্ডের কথা ভাবা যাবেনা। কাসে মনোযোগী না-হয়ে হাই তুললে, এই যে আমার হাতে চক দেখছো, সোজা তোমার পেটে চালান হয়ে যাবে।
স্যারের চোখ আবার সরু হলো। তিনি আবার মৃদু মৃদু হাসছেন। জামিল বুঝলো প্রাথমিক হম্বি-তম্বি স্যারের আসল রূপ নয়। তিনি আসলে রসিক মানুষ। চিকন সুরে টেনে টেনে তিনি যেভাবে কথা বলেন, তাতে আগাগোড়া রসের সরবরাহ রয়েছে।
প্রথম দিনেই জামিলের অনুভূতি হলো এখানকার শিকেরা অদ্ভূত ধরনের। একেকজন একেক ধরনের অদ্ভূত আচরণ করেন। সবুর স্যারের নিজেকে পরিচিত করার ধরনটা নাটকীয়। কিন্তু ইংরেজির আসাদুল্লাহ স্যার পুরো কাসটাইমে যা করলেন, তার পুরোটাই নাটক। ফার্স্ট পেপার পড়াতে গিয়ে তিনি একবার কাসের শেষে প্রায় দৌড়াতে দৌড়াতে চলে যান, আরেকবার স্টেজে গিয়ে ওঠেন। কোনো ক্যাডেটকে কিছু জিজ্ঞেস করতে গিয়ে তিনি তার ডেস্কের কাছে লাফ দিয়ে চলে যান, তার দিকে ঝুঁকে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিয়ে জিজ্ঞাসু চোখে তাকিয়ে থাকেন -- সিনেমায় দেখা নায়ক-ভিলেনের রুদ্ধশ্বাস সংলাপের মুহূর্ত যেন।
শিক্ষকদের পানিশমেন্ট দেবার হরেক কায়দাও জানা হয়ে গেল প্রথম দিনেই। গণিতের ইউনুস স্যার সাধারণ একটা ল.সা.গু. না-পারায় তারিক হাউসের মকবুলের জুলফি ধরে কিছুণ টানাটানি করলেন। জুলফি টানাটানিতে মকবুলের যে-চেহারা দাঁড়ালো তাতে জামিলের মতো সবারই নিশ্চয় তার জন্য মায়া হলো। ভূগোলের সানোয়ার স্যার কাসিম হাউসের আজমলকে আহ্নিক গতির সংজ্ঞা কী তা বলতে না-পারায় যে-পানিশমেন্টটা দিলেন, তাকে বেশ অভিনবই মনে হলো। আজমলের তর্জনী আর মধ্যমার ফাঁকে পেন্সিল ঢুকালেন, এরপর আঙ্গুল দুটোকে ডলাডলি শুরু করলেন। আজমলের আঙ্গুল দুটোই কেবল স্যারের হাতে স্থির রইলো, নয়তো ব্যথায় সে যেভাবে লাফাতে শুরু করলো তাতে তাকে কোরবানি হতে অনিচ্ছুক পশু বলে মনে হলো।
বিজ্ঞানের লিয়াকত স্যারের ক্লাসটা সবচেয়ে বেশি ভালো লাগলো জামিলের। তিনি প্রথম দিনে কোনো কাস না নিয়ে বড়ো বড়ো বিজ্ঞানীদের গল্প বললেন। নিউটন কেমন ভুলোমন ছিলেন, মাদাম কুরির ইউরোনিয়াম আবিষ্কারের গল্প, গ্যালিলিও ‘পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে’ এই সত্য আবিষ্কার করে সমাজের কাছে কীভাবে নিগৃহীত হয়েছিলেন -- এমন নানা কাহিনী শুনে জামিল মুগ্ধ হয়ে পড়ে।
এসব কাহিনীর সামান্যই জামিলের জানা ছিল, লিয়াকত স্যারের গল্প বলার চমৎকার ভঙ্গিও এই মুগ্ধতার অন্যতম কারণ। তবে লিয়াকত স্যারের নাটকীয় ভঙ্গিতে খানিক পরপরই বলেন, সি, হাউ এমেজিং!
বছরখানেক আগে জামিল একটি ডিকশনারি ওল্টাতে ওল্টাতে একটি শব্দ শিখেছিল, গিমিক (gimmick)। এর অর্থ ডিকশনারিতে লেখা ছিল ‘জনপ্রিয়তা লাভের বা দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল’। জামিলের উপলব্ধি হলো এখানকার সব শিকেরই গিমিক প্রয়োগের প্রবণতা রয়েছে। সবাই যেন ক্যাডেটদের প্রথম সাক্ষাতেই মুগ্ধ করে দিতে চান। এজন্য তারা এমনকি শারীরিক কসরৎ করতেও রাজি আছেন।

চলবে
১৪টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×