আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১০ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! (রিপোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়ারইনের যত্তসব অপশনের ব্যাবচ্ছেদ - কাঙাল মামা
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- সাংবাদিক জীবন: তিনি যেভাবে নির্বাচনী চান্দা দিচ্ছিলেন...... - শওকত হোসেন মাসুম
- ফাহমিদুলের আত্মপরিচয় অনুসন্ধান: পুনর্পাঠ - ভূপর্যটক
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দুইরকম তারুণ্য - সুমন রহমান
- ভাস্কর্য বিবাদ: লালন উৎখাতের মচ্ছব বসিয়ে হাওয়ার ওপর তাওয়া গরম করে কার জন্য পিঠা ভাজা হচ্ছে? - ফারুক ওয়াসিফ
- গ্লোবাল ভয়েসের সপ্তাহের ব্লগার হিসাবে নির্বাচিত রেজওয়ান ভাইয়ের অনন্য সাক্ষাৎকার - কৌশিক
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- বাংলা ব্লগের বিবর্তন ও সম্ভাবনা - রেজওয়ান
- বাংলা ব্লগ ও ব্লগ পলিটিক্স - রেজওয়ান
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- সংবাদপত্রগুলোর কার অবস্থান কেমন - কাঙাল
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- শহরে ষোল জনা বোম্বেটে / করিয়ে পাগলপারা / নিলো তারা সব লুটে - মাহবুব মোর্শেদ
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
বিজ্ঞাপন ও নারী
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:১০
বিজ্ঞাপনে পুরুষের তুলনায় নারীকে দুর্বল, অধস্তন হিসেবে তুলে ধরে, বিজ্ঞাপনগুলোয় নারীর চিত্রায়ণ তাকে হেয় প্রতিপন্ন করে এবং বিজ্ঞাপনে বিতরিত বার্তা নারীর জন্য অবমাননাকর। সার্বিকভাবে গণমাধ্যমগুলো সমাজে বিদ্যমান নারী-পুরুষ বৈষম্যের বিরুদ্ধে কাজ না-করে, বিদ্যমান অবস্থা জিইয়ে রাখার জন্যই কাজ করে থাকে; কিন্তু বিজ্ঞাপন সমাজে বিদ্যমান নারীর মর্যাদাকে আরও হীনভাবে উপস্থাপন করে। যে-অপরূপা মডেল টয়লেট-কিনার হাতে নিয়ে কমোডে ফ্লাশ-ব্রাশ করেন, ঘোরতর সন্দেহ পোষণ করার অবকাশ আছে যে তিনি বাস্তবে আদৌ টয়লেট-ক্লিনার হাতে নেন কিনা।
বিজ্ঞাপনের কাজ হচ্ছে কোনো সমস্যার ইতিবাচক এবং যুক্তিসঙ্গত সমাধান না-দিয়ে পণ্যভিত্তিক সমাধানের কথা বলা। কর্মজীবী নারীর কাজগুলো শেষ করার দায়িত্ব যেমন কোনো গুঁড়োমশলা নিয়ে নেয়। অন্যদিকে প্রায়ই পণ্যের সমার্থক করে বিজ্ঞাপনে নারীকে উপস্থাপন করা হয়। বিজ্ঞাপনের পণ্যের মতো নারীও এখানে পণ্য। জিঙ্গেলের বাণীতে যেমন বোঝা মুশকিল পুরুষটি কাকে ছাড়া বাঁচতে পারছে না, সেকি 'কোলা'টি নাকি নারীটি? আর 'ডাবল কোলা'র বিজ্ঞাপনে হাজির করা হয় এক পুরুষের জন্য 'ডাবল' নারী।
এছাড়া বিজ্ঞাপনে নারীর উপস্থিতি অবশ্যম্ভাবী হলেও তার ভূমিকা কিন্তু প্রধান নয়। বিজ্ঞাপনের নেপথ্য কণ্ঠে পণ্য কেনার নির্দেশনা দেয়া থেকে শুরু করে পণ্যসম্পর্কিত মূল তথ্যটি পুরুষটিই দিয়ে থাকে। বিজ্ঞাপনে নারীকে যথেষ্ট স্মার্ট-আধুনিকভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং ধারণা জন্মাতে পারে যে, বিজ্ঞাপন নারীদের উদার দৃষ্টিতে দেখে; প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞাপনের নারী যথেষ্টই রণশীল, পুরুষতান্ত্রিকতার নিগড়ে বন্দি (শ্বশুরকে পরিবেশিত চায়ের স্বাদের ফলাফল নিয়ে বৌমার উদ্বেগের কথা স্মর্তব্য) এবং সিদ্ধান্ত নিতে পুরুষের ওপরে নির্ভরশীল। বিক্রয়মুখী বিজ্ঞাপন পশ্চাৎপদ ধারণা ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের প্রসার ঘটাতেও পিছপা হয়না এবং এধরনের পণ্যের টার্গেট প্রায়ই নারীকে করা হয়। ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমকে সব সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে উপস্থাপন করে নারীকে বর্ণবাদের শিকার করা হয় এবং তার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর একটি পণ্য ব্যবহার করতে তাকে প্রলুব্ধ করা হয়। তবে নারীকে সৌন্দর্য ও যৌনবস্তু হিসেবে উপস্থাপন করাই হলো নারীকে ঘিরে বিজ্ঞাপনের অন্যতম লক্ষ্য।
এই রূপায়ণের কারণ
বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য হলো পণ্যের গুণাগুণ বর্ণনার মাধ্যমে পণ্যটি সম্পর্কে অডিয়েন্সকে আকৃষ্ট করা। বিজ্ঞাপন-শাস্ত্রে বলা আছে সফল বিজ্ঞাপন নির্মাণ করতে হলে মানুষের মৌল প্রবৃত্তি ও বাসনাকে নাড়া দিতে হবে। অর্থলাভ ও স্বচ্ছলতা অর্জন মানুষের অন্যতম বাসনা এবং যৌনতা মানুষের অন্যতম প্রবৃত্তি। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব বাসনা ও প্রবৃত্তিকে নাড়া দেবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। একারণে নারীমুখও নারীশরীরকে ব্যবহার করা হয়, পুরুষ-অডিয়েন্সকে আকৃষ্ট করার জন্য। (লক্ষ্ রাখতে হবে বিজ্ঞাপনে নারীর ব্যাপক উপস্থিতি সত্ত্বেও এবং নারীকে পণ্যের ভোক্তা হিসেবে টার্গেট করা হলেও, সমাজে অর্থকড়ির মালিক পুরুষ।) ফলে বিজ্ঞাপনে নারীর অবস্থান হয় সমাজে বিদ্যমান ধ্যান-ধারণার চাইতে আরও বেশি অধস্তন, সে হয়ে দাঁড়ায় যৌনতার প্রতীকে। আর গণমাধ্যমগুলো এসব অনুমোদন করে ও প্রশ্রয় দেয় কারণ এই বিজ্ঞাপনের ওপরেই তাদের মুনাফা নির্ভর করে থাকে।
সুপারিশ
সরকার পর্যায় থেকে বিজ্ঞাপনবিষয়ক জেন্ডার-সংবেদনশীল নীতিমালা ও আচরণবিধি আবশ্যিকভাবে প্রণয়ন করা যেতে পারে, যাকে অনুসরণ করে বিজ্ঞাপনগুলোতে অপরূপায়ণগুলো কমিয়ে আনা যেতে পারে।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মতো সরকারী সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো বিজ্ঞাপন-সংস্থায় কর্মরত কর্মী ও কর্মকর্তা পর্যায়ে জেন্ডার-সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া যেতে পারে। যোগাযোগ ও সাংবাদিকতার মতো বিভাগগুলোতে কেবল বিজ্ঞাপন তৈরির কলাকৌশল না-শিখিয়ে জেন্ডার-সংবেদনশীলতার তত্ত্বীয় বিষয়গুলোর ওপর জোর দেয়া যেতে পারে।
মুদ্রণ ও সম্প্রচার মাধ্যমগুলো অভ্যন্তরীণভাবে নিজ নিজ হাউসে বিজ্ঞাপন প্রকাশ/প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সব মহলের অংশগ্রহণে বিজ্ঞাপনে জেন্ডার-সংবেদনশীলতার দাবিকে জোরদার করতে হবে এবং নিয়মিত মনিটর করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
বিজ্ঞাপনের নেপথ্য-কণ্ঠ ও অন্যান্য সিদ্ধান্তমূলক অংশে পুরুষের পাশাপাশি নারীকেও সমভাবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞাপন, নারী, অপরূপায়ণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মিডিয়া অধ্যয়ন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: প্রতিবাদ প্রতিরোধ কিছু তো আছেই। কিন্তু বিজ্ঞাপন হলো সর্বগ্রাসী, সবচেয়ে জনপ্রিয় মিডিয়া আইটেম। বিজ্ঞাপন খাত দর্শক মনস্তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে, এবং কীসে দর্শক প্রলুব্ধ হবে তাতে বের করে আনে।
বিজ্ঞাপন তাই দর্শককে কেবল তথ্যই দেয়না, বিজ্ঞাপনটিকে 'ওউন'ও করায়। আমরা জিঙ্গেল গুনগুন করি এবং মডেলদের পারফরমেন্স নিয়ে গপসপ করি।
নারীবাদী সংগঠনের নারীরাও গুনগুন করে জিঙ্গেল গায়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
দিনমজুরের এই পোস্ট দুটি পইরেন, ভালো লাগতে পারে...
Click This Link
Click This Link
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
দিনমজুরের উপরের লিংক দেয়া লেখাটি অবশ্য শুধু বিজ্ঞাপন ও নারী নিয়ে নয়, আরেকটু গভীরের। বিজ্ঞাপনের মূলে কি, ব্রাণ্ড, ব্রাণ্ডিং এর বিবর্তন সাথে সাথে বিজ্ঞাপনের কিছু আলোচনাও এসেছে।
লেখক বলেছেন: পোস্টটি সম্পর্কে জানি। পড়া হয়নি। একদিন সময় করে কেবল দিনমজুর পড়বো। কয়েকটা পোস্ট পড়া বাকি।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আর, আপনার লেখাটি মোটামুটি চলে, তবে এই ইস্যুতে আরেকটু অন্যরকম লেখা যেত, বিশেষ করে আপনার কাছে তাই আশা করেছিলাম।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। এটি একটি গড়পড়তা ইন্ট্রোডাকটরি লেখা। আরও বিস্তারিতভাবে ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছে আছে।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
ভালো পোষ্ট..........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
গুরুদেব, ব্লগ মার্শাল, প্রফেসর ফাহমিদুল, আমার সালাম জানবেন।
লেখক বলেছেন: সালাপ পেয়েছি। কিন্তু এত বিশেষণ কেন?
লেখক বলেছেন: স্বাগতম।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
এই ব্যাপারে প্রথম একটি লেখা পড়েছিলুম মেট্রোপলিটন মন...ব্ল্যাব্ল্যাব্ল্যা ( নামটা ঠিক মনে পড়ল না এই মুহুর্তে ) বলে একটি বইতে সপ্তম শ্রেণীতে। মজার কথা হলো আমাদের দেশের বিজ্ঞাপনদাতারা এখন শিশুচারিত্রিক ক্যাপ্স্যুল্স বানিয়ে থাকেন। নেউক্লেয়স-পরিবারে ইশকুল-পড়ু্যা বাচ্চাটিই ঠিক করে দেয় তাদের বাড়িতে সনি আসবে না হিতাচি। সামগ্রিকভাবে দেখলে ভারতসহ বিভিন্ন গ্রোয়িং একনমেতে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে এখন অনেকটাই মুক্ত। সুতরাং এই জাতীয় জায়গায় য়্যাডের গতিপ্রকৃতি য়্যু-টার্ণ নিয়েছে। রিয়্যালিস্টিক ঘটনা দিয়ে নির্মান হচ্ছে যেখানে দেখানো হচ্ছে যে মেয়েরা ছেলেদের ভোগের বস্তু হিসেবে দেখছে ও পছন্দ না হলে রেজেক্ট করে দিচ্ছে ফটাফট। পিপিপি ( পার্চেইসিং পাওয়ার প্যারেটে ) হলো এই অসম্ভবের উত্তর। থেসেস, তারপরে সেন্থেসেস, যেটা উন্নত দেশে অনেক আগেই ঘটে গেছে - যেমন প্রথমে সিয়েমেনেফ ( ক্লোদ্ড মেইল নেইকেড ফিমেইল ) ফেনমেনন ও তারপরে সিয়েফেনেম ( ক্লোদ্ড ফিমেইল নেইকেড মেইল )।
লেখক বলেছেন: আপনি বোধহয় বিনয় ঘোষের বইটার কথা বলছেন। আপনাদের দেশের বিজ্ঞাপনদাতারা তো আরও বুদ্ধিমান, ধূর্ত। একেকটা আর্ট পিস বানানোর চেষ্টা করে, যাতে আপনি ইগনোর করতে না পারেন।
পণ্য ভেদে বিজ্ঞাপনের টার্গেট এমনিতেই আলাদা থাকে। যেমন চিপস-চকলেট-কোলার জন্য বাচ্চা-এডোলোসেন্ট, প্রসাধনের জন্য নারী। তবে টার্গেট হিসেবে নারীদের চেয়ে বাচ্চারা আরও মারাত্মক। নারীকে আপনি মাঝে মাঝে বোঝাতে পারবেন, বাচ্চাদের পারবেন না। কান্নাকাটি করে বাড়ি মাথায় তুলবে।
অতএব টার্গেট হিসেবে বাচ্চারা কার্যকরী। তাই কেবল চিপস নয়, টিভি-কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের টার্গেটও তারা। কীরকম ধূর্ত!
নারী অধ:স্তন, লিটারেলী কি তাই নয়? জোক করলাম।
আচ্ছা অধ:স্তন শব্দের উতপত্তি কি জানা আছে?
লেখক বলেছেন: প্রতিরোধ করে এই অধস্তনতার প্রকটতাকে কমিয়ে আনা যায়।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
কতা হাচা!
লেখক বলেছেন: কতা হাচা!
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কি আর করবেন? এত সুশীল নারী ও মেধাবী পুরুষেরা যদি এই কাজ করে তয় আমাদের কি করা!!
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞাপন তাই দর্শককে কেবল তথ্যই দেয়না, বিজ্ঞাপনটিকে 'ওউন'ও করায়।
মেধাবিরাও এই চক্রে বিজ্ঞাপনকে নিজের/কাছের/প্রিয় জিনিস মনে করে।
দূরন্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
অধ: ( এন্ফেরেয়র ) -এর সাথে তন সাফেক্সের সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম মেনে শব্দটির উতপত্তি [ বিসর্গ + ত = স্ত ] এই বার তন ইমেডিয়েট জির ডিগ্রী বোঝাচ্ছে লেইক্স-চার্টে। এর পরে কম্প্যারেটেইভ হলো তর ( যেমন দীর্ঘতর ) ও সুপার্লেইটেভ হলো তম ( যেমন দীর্ঘতম )। এর য়্যাননেইম ঊর্ধতন ব্যুতপত্তিগত রুল্সের হিসেবেই হয়েছে।
লেখক বলেছেন: এই, আপনার মন্তব্য তো মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। অধস্তনতা কি বিবর্তিত হচ্ছে?
লেখক বলেছেন: ও, আপনি বোধহয় নাজিম উদদীনকে বলছেন।
কোপা সামছু বলেছেন:
তাতে কি হামো মজ্যা লুটতে হ্যায়।
পীরসাহেব বলেছেন:
কলিকাল, ঘোর কলিকাল।
লেখক বলেছেন: কী করা যায় পীরসাহেব?
পীরসাহেব বলেছেন:
সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক অনুশাসন চর্চা।
লেখক বলেছেন: পুঁজিবাদ আর মুক্তবাজার তো আপনার মূল্যবোধরেও বেইচা দিতাছে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
নারীকে মাঝে মাঝে বোঝানো যায় - কথা সত্য যদি তিনি ভগিনিগোত্রীয় হন। আর যদি অর্ধাঙ্গী বা বান্ধবী হন তবে কেস ভিন্ন! বইয়ের নামটা বিস্মৃত হয়েছিলাম একেবারেই। আমি বেচারা থাকি তিনতলায় আর বইগুলো থাকে দেড়তলার লায়ব্রেরিতে। সুতরাং পর্বত ও মহম্মদের দেখাসাক্ষাত খুব একটা হয়ে ওঠে না ইদানিং!! আপনার আলোচিত বিষয়টি মাল্টেফেইরস হওয়ার কারণে মল্লিকা সেনগুপ্তের স্ত্রীলিঙ্গ-নির্মান ( আনন্দ ) জাতীয় বইয়েরও অপরিহার্য অংশ - আপাতত গুটি কয়েক বাংলা বইতেই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখলুম। এবার আমরা [ লেখার সহিত অপ্রাসঙ্গিক ] ভীষণ প্রিয় কিছু কমার্শিয়্যাল্স দেখবো।লেখক বলেছেন: প্রথমটা দেখা গেলনা।
দ্বিতীয়টা জাস্ট প্রমোশনাল মনে হলো, তেমন ক্ষতিকর কিছু নয়। তৃতীয়টা ওরিন্টোলিস্ট মনে হলো। সাদা চামড়ার গের, তৃতীয় বিশ্বের একজন বালিকার স্বপ্নপূরণ করে দিচ্ছে মাস্টারকার্ড দিয়ে। মাস্টারকার্ড এলিটিস্ট ব্যাপার তাও স্পষ্ট। বিজ্ঞাপনটি কিছু সম্ভাব্য বায়ারকে মিস করবে না তো!
শেষেরটা আগেই দেখা ছিল।
আসম বলেছেন:
সা. ইন. এ ব্লগার ফাহমিদুল হকের ভূমিকামূলক পোষ্ট দেয়ার প্রয়োজন এবং অধিকার ফুরিয়েছে অনেক আগেই, বন্ধু। মিডিয়ার একজন পন্ডিত হিসাবে বিজ্ঞাপনের ব্যাপারে পাঠকের মনে তোর কাছে অনেক প্রশ্নের অবতারণা হতে পারে, যেমন:১. তোর বিশ্লেষণের প্রেক্ষিত কি শুধু বাংলাদেশ?
২. বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের সাথে তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনামূলক পর্যালোচনা।
৩. বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনের সাথে জেনডার-সংবেদনশীল অন্যান্য দেশের (এবং উন্নত বিশ্বের দেশের) তুলনামূলক পর্যালোচনা।
৪. মুসলিম প্রধান উন্নত বিশ্বের যে দেশে তুই আপাততঃ বসবাস করছিস, তাদেরই বা বিজ্ঞাপনে জেনডার সংবেদনশীলতার প্রকাশ কেমন?
সুতরাং ক্ষতিপূরণবাবদ তাড়াতাড়ি একটা পোষ্ট ছাড়, চান্দু।
লেখক বলেছেন: সব দেশের, উন্নত-অনুন্নত, মুসলিম-অমুসলিম দেশের বিজ্ঞাপন একইরকম জেন্ডার-অসংবেদনশীল। বিজ্ঞাপনের লক্ষ্য একটাই, দর্শককে বিক্রয়ে ধাবিত করা। এর তাত্ত্বিক বেস একটাই: দর্শকের প্রবৃত্তিকে নাড়া দেয়া, আকাঙ্ক্ষাকে জাগ্রত করা।
ফ্যাশন যেমন সব দেশের ময়েরাই করে, তবে কেউ বিকিনি পরে বিড়ালহণ্টন করে, কেউ সালোয়ার-কামিজ পরে।
এই পোস্টে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটকে মাথায় রেখেই কথা বলা হয়েছে।
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
যে ভিডিওটি এম্বেডাবস্থায় দেখা গ্যালো না - সেটি এখানে সরাসরি দেখা যাবে। এলিটিস্ট ব্যাখ্যার ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করি। পাখির মতোই স্বপ্নালু চোখের পিচ্চি মেয়েটি যেন তৃতীয় বিশ্বের তকমা নিজের কর্মদক্ষতা দ্বারা ছেঁটে ফেলা আমাদের দেশ। সে এখন উন্নয়নশীল - উন্নত বিশ্বের সাথে কদম কদম বাড়ায়ে যা। তাদেরকে আমাদের হিউমান-রেসোর্স দিয়ে বাগ মানিয়েছি। আগামীতে এই উন্নত আর উন্নয়নশীল দেশের ট্যান্ডেম ছাড়া সত কোনো কিছুরই সর্জন সম্ভব নয় - এটা আমরা ওদের বুঝিয়ে দিয়েছি হাড়ে হাড়ে।
[IMHO]
লেখক বলেছেন: আপনার ব্যাখ্যাটা পজিটিভ টু দ্যা এ্যাড। আমি অবস্থান বদলাচ্ছি না। [IMHO] কী?
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
ঢাকা শহর টা এখন সপিংমলের শহর।
আর আমাদের চ্যানেলগুলো এখন সব বড় বড় সপিংমল।
টেলিভিশন আমাদের বিবিদের কে বিবি বানানোর জন্য গনমাধ্যম না হয়ে সপিংমাধ্যম হয়ে গ্যাছে।
বিবিদেরকে ক্রেতা হতে হবে;এই তাদের একমাত্র দৌড় জীবনের।
একমাত্র গন্ত্যব্য।
টেলিভিশন আর আমাদের প্রসাধনমাখা বিবিদের বাজার সদায় দেখা ছাড়া ভবিষ্যতে বোধহয় আর কোনো কাজ থাকবে না আমাদের!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















দেশে আসলে সুড়সুড়ি তোলা হয় এসব করে, এমন অনেক পণ্য আছে যাতে নারী উপস্থিতি বরং দৃষ্টিকটু।
মোড়কে ঢাকা সেক্স - এই হলো আপাতত আমাদের বিজ্ঞাপন ব্যাবসা।
আচ্ছা, বলুনতো? নারীবাদী সংগঠন গুলো চুপ কেন এ ব্যপারে? আর মেয়েগুলো কি বোঝেনা তাদের কেন ব্যবহার করা হচ্ছে এভাবে?