আমার প্রিয় পোস্ট

সঙ্গে সাহিত্যের সুবাস ...

একটি সদ্যসমাপ্ত ধারাবাহিক ও ব্লগারদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার হাল

৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

ব্লগে 'বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ' শীর্ষক ৫০ পর্বের একটি ধারাবাহিক আমি সম্প্রতি শেষ করেছি। নভেম্বর, ১৯৭০ থেকে মার্চ, ১৯৭১ এবং জুলাই, ১৯৭১ থেকে অক্টোবর, ১৯৭১ এই দুই কালপর্বের অনেকগুলো রিপোর্ট আমি অনুবাদ করেছিলাম বেশ কয়েকবছর আগে যা মওদুদ এলাহী সম্পাদিত 'এসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ১৯৭১' (১৯৯৮) শীর্ষক গ্রন্থের এক-তৃতীয়াংশ মাত্র। সেসব রিপোর্ট আমি ব্লগে ধারাবাহিক আকারে তুলে দেই। আমার এই পোস্টটি লেখার উদ্দেশ্য হলো, আমি এই দীর্ঘ ধারাবাহিক প্রকাশের সময় যেরকম সাড়া ব্লগারদের কাছ থেকে আশা করেছিলাম তেমনটি পাইনি, খবরটি জানানো।

প্রথমে ইতিবাচক কয়েকটি বিষয় বলে নিই। কয়েকজন ব্লগার যেমন মোস্তাফিজ রিপন, ফারহান দাউদ, লোকালটক, দূরন্ত, মুকুল, একরামুল হক শামীম, মাহবুব সুমন, মোহাম্মদ আরজু বা আরও দুয়েকজন নিয়মিতভাবে এই ধারাবাহিকটি পাঠ করেছেন এবং মতবিনিময় করেছেন। অমি রহমান পিয়াল পরিচালিত 'জন্মযুদ্ধ' গ্রুপ-ব্লগে ধারাবাহিকটি তার আমন্ত্রণেই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ব্লগার রেজওয়ান পরিচালিত জেনাসাইডইনবাংলাদেশ ডট অর্গ ওয়েবসাইটেও তিনি ধারাবাহিকটি অন্তর্ভুক্ত করেছেন। লোকালটকের 'ফিরে দেখা একাত্তর' ই-বুকে খুব ভালো ট্রিটমেন্টসহ এ্যান্থনি মাসকারেনহাসেনর একটি সুদীর্ঘ রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সর্বোপরি অনেক ব্লগারই অনিয়মিত হলেও মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে ধারাবাহিকটি খুব ভালো একটি উদ্যোগ, সেসময়ের তৃতীয়পক্ষের (বিদেশী পত্রিকা) কাছ থেকে অনেক প্রামাণ্য/নতুন তথ্য তারা পাচ্ছেন, অনুবাদের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করেছেন এসব রিপোর্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশ হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত বা অনিয়মিতভাবে যারা প্রতিবেদনগুলো পড়েছেন, মন্তব্য ও আলোচনা করেছেন, তাদের সবার প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা।

কিন্তু হতাশাজনক চিত্র হলো এই যে ব্লগে জামাত-শিবির মতাদর্শের অনুসারী ছাগুদের তাড়ানোয় যারা ব্যস্ত, সেইসব মুক্তিযুদ্ধের ভার্চুয়াল সৈনিকদের অনেকেই এই প্রতিবেদনগুলো পড়েননি, যা আমার কাছে আশ্চর্যজনক না হলেও আপত্তিকর মনে হয়েছে। এরা মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের উৎকট ধারক-বাহক হলেও এই রিপোর্টগুলো তারা পড়ার প্রয়োজন মনে করেননি। কোনো কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনেও মন্তব্যকারীর সংখ্যা ৪ পাওয়া গেছে যার মধ্যে দু’টিই হয়তো অুনবাদকের। এই স্বল্প-সাড়ার কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:

১. এগুলো সব আগেই পড়া
২. মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলী বিষয়ে তাদের জ্ঞানে তারা এতই সমৃদ্ধ যে এই রিপোর্টগুলো তাদের কাছে বাড়তি কিছু যোগ করেনা
৩. অনুবাদের মান পড়ার উপযোগী নয় এবং
৪. মুক্তিযুদ্ধ তাদের কাছে ব্লগের বাজারে সরব/আলোচিত থাকার হাতিয়ারমাত্র, মুক্তিযুদ্ধ তাদের প্রাণের মাঝে বাস করেনা।
৫. অফলাইনে পড়া এবং মন্তব্যে বিরত থাকা।

আমার অনুমান ১, ২ ও ৩ নম্বর কারণগুলো সত্যি নয় এবং ৪ নম্বর কারণটি সবার জন্য না হোক অনেকের জন্যই প্রযোজ্য।


 

প্রকাশ করা হয়েছে: ব্লগভূবন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
মখআলমগীর বলেছেন: ৪ এ একমত
ধন্যবাদ এই সিরিজের জন্য
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
দূরন্ত বলেছেন: ৫০ তম পর্বে ধারাবাহিকটা শেষ করার জন্য আপনাকে স্যালুট। সময় ও সুযোগের অভাবে পুরোটা পড়তে পারি নাই। এবার শুরু থেকে আবার পড়বো।
আশা করছি এটা শীঘ্রই বই আকারে পাবো।
আপনাকে আবারও অভিনন্দন।
ভালো থাকবেন।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি নিয়মিতদের মধ্যে একজন ছিলেন। নিয়মিত মানে অবশ্যই ৫০টি পর্ব পড়ে ফেলা না।

৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৮
মুকুল বলেছেন: এর মধ্যে অন্য একটা দিকও আছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগার, তাদের মধ্যে অনেকেই বিতর্কিত বিষয়গুলোতে প্রতিবাদ করার প্রয়োজন মনে হলে করে।
অন্যান্য পোস্ট, তা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হোক, কি সাহিত্য হোক, তা নিয়ে মন্তব্য খুব কমই করে! অন্যদের তারা স্বাভাবিক ব্লগিং করতে দিতেই উৎসাহী মনে হয়!
আপনার লেখায় আস্থা আছে বলেই হয়তো মন্তব্য করে না! :)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: "আপনার লেখায় আস্থা আছে বলেই হয়তো মন্তব্য করে না!"

এমনটা অবশ্য্ই হতে পারে। মন্তব্য না করা মানে 'না পড়া' না। কিন্তু নিজের ব্লগের বামদিকে তাকালেই বুঝতে পারি কারা কারা এসেছিলেন।

৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০
না বলা কথা বলেছেন: খ্যাতির মোহ থাইকা বাইর না হওয়া পর্যন্ত কোনো ভরসা নাই।
৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০০
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: মাইনাস দিছি।
কারন হৈছে যারা ছাগু তাড়ায় তারা তাদের কাজ ঠিকই করে যাচ্ছে। এজন্য ঢাক ঢোল বাজিয়ে করার দরকার নাই। আমি এই করছি, আমি সেই করছি। তারা তাদের বিবেকের কাছে পরিস্কার। আশা করি বুঝাইতে পারছি।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: মাইনাস সাদরে গৃহীত হয়েছে।

৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৩
মুকুল বলেছেন: ব্লগের বাম দিকে তাকালে সব বোঝা যায় না ফাহমিদ ভাই! কারণ কেউ লগ আউট হয়ে পড়লে বামদিকে তাদেরকে দেখা যায় না। ;)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: সেটা যদি ধরিও, তার পরেও ...

৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৬
জেনারেল বলেছেন: অবশ্যই ৪ এ একমত নই। কারন স্বয়ং আমি নিজে তার প্রমান ।

আপনার ৫০ টি পর্বের সবগুলো পড়িনি সত্য তবে ৪০ টির কাছাকাছি পড়েছি। মন্তব্য করেছি মনে হয় ২/৩ টিতে।









মন্তব্য কম বা না করার কারন হল

একই লেখকের সব পোষ্টে একই রকম মন্তব্য করতে ভাল লাগে না। আপনার লেখাগুলোতে এইকারনেই মন্তব্য করা হয়নি আমার।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: ভুল ভাঙ্গানোর জন্য ধন্যবাদ। এরকম নিশ্চয় আরও আছেন।
তবে ৪ নম্বরটা এর পরেও কারও কারও জন্য প্রযোজ্য হবে বলে এখনও বিশ্বাস করি।

৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১০
মুকুল বলেছেন: বলতে না বলতেই জেনারেল হাজির! এটিমের লোকজন দেখি সব পড়ে! ;)
৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১০
বাফড়া বলেছেন: @ হিডেন স্ট্রীট- এইসব ভাললেখা গুলা পইড়া ঠিওরী পোক্ত কইরা নিলে ছাগু তাড়ানোর প্র্যাকটিক্যালে সুবিধা হইতো না?

@ ফাহমিদ ভাই- মুকুল ভাই ঠিকই বলেছেন... আজকাল অনেকেি লগাউট হয়ে ব্লগে ঘুরেন... যেমন আমি নিজেই... তবে সত্যি কথা হলো আমি নিজেও পড়িনি... আজকাল আর সিরিয়াস কোনকিছুই আকর্ষণ করেনা...
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

১০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১০
আমি সাগর বলেছেন: খুবই সরলীকরণ বক্তব্য।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: হয়তো। এতটা সরল না হলে খুশিই হবো আমি।

১১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ফাহমিদ ভাই , ব্যক্তিগতভাবে আমি লজ্জিত অনুভব করছি । সবমিলিয়ে আমি ২০ টা মত পড়েছি , আর প্রথম দিকে কমেন্টও করতাম । সত্যি কথা বলতে কি , এরকম কোন ডকিউমেন্ট আছে আগে জানা ছিল না , আমি চমৎকৃত হয়েছিলাম ।

ইদানিং ব্লগে খুবই অল্প পোস্ট পড়া হয়, কমেন্টও কম করি । তারপরও আমার মনে হয় না এটা ভালো যুক্তি ।

আপনার ৪ নম্বর পয়েন্টটি খুবই যুক্তিযুক্ত লেগেছে । আমরা অনেকে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট বিতরণ করতেই স্বাচ্ছন্দবোধ করি

# আগের কমেন্টটি কাইন্ডলি মুছে দেবেন
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়া ও মন্তব্যের জন্য।

১২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৩
আমি সাগর বলেছেন: আপনার লেখা পড়লেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রমান হবে, আর তা না হলে হবে না এমনটি ভাবলেন কেন?
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: সত্যিই দুঃখিত। আমি সেরকম মনে করিনা। তবে কিনা ৫০টি পর্বের একটা ধারাবাহিক, যা কিনা হেলাফেলার নয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক, এটার ভালো সাড়া আসা করা কি অন্যায়?

আর লেখাগুলো তো আমার নয়ই। আমি ভাষান্তর করেছি মাত্র।

১৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৪
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: বাফড়া, থিওরী যে পোক্তা নাই তা বুঝলেন কেম্নে?
১৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৫
ইয়র্কার বলেছেন: ফাহমিদুল হক ভাই, সিরিজটি সমাপ্ত করার জন্য অভিনন্দন। ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনার পোস্টগুলোর কয়েকটি দেখেছি, দেখাগুলোর সবক'টি পড়া হয় নি এবং মন্তব্য করেছি কিনা, তাও মনে নেই।

মন্তব্য পেলে একজন লেখক তার লেখা সম্পর্কে উৎসাহ পায়, লেখার দুর্বল দিক থাকলে তা ও জানতে পারে। সুতরাং একজন লেখক অনেক খেটেপিটে লেখা একটি পোস্টে মন্তব্য আশা করতেই পারেন। তবে আপনার এই পোস্টে যেভাবে সরলীকরণ করেছেন, মন্তব্যের বিষয়টি সম্ভবত সেরকম নয়।

ব্লগে মন্তব্য বেশি পড়ে যেখানে প্রতিবাদের কথাগুলো নিজে থেকেই মুখে এসে যায়। ত্রিভুজের পোস্টে দেখবেন মন্তব্যের ছড়াছড়ি। আবার খুব চমৎকার একটা গল্পে 'দারুণ লিখেছেন' এর বাইরে কিছু বলার থাকে না, অনেক সময় ব্লগারেরা পড়েই মন্তব্য না করে চলে যায়। এটা ব্লগের চরিত্র - এটাকে মেনেই ব্লগিং করতে হয়। পত্রিকায় লেখা লেখকদের সাথে তুলনায় ব্লগীয় চরিত্রের এই দিকটি একটু ভিন্নরকম।

আসলে পাঠকদেরকে অভিযোগ করা কোনো কাজের কথা না। পাঠকপ্রিয় হতে পাঠকের কাছে বার্তা পৌঁছানোর দায়িত্ব লেখকের। পাঠক একটা লেখা কেন পড়লো না - লেখক অভিমান করতেই পারেন; কিন্তু বাস্তবতার বিচারে সে অভিযোগ খুব বেশি যৌক্তিক নয় বলে আমার মতামত।

স্বাধীনতা বিষয়ক লেখাগুলোর ব্যাপারে একটা জিনিস আমি প্রায়ই ফিল করেছি, তা হলো বিষয়টিকে পাঠকপ্রিয় করে তোলার অক্ষমতা। যেমন, একাত্তরে জামাতের ভূমিকা নিয়ে অনেকেই বিশাল একটা অ্যাটাচমেন্ট বা লিংক দিয়ে পোস্ট দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন। অধিকাংশ পাঠকই ওই বিশাল অ্যাটাচমেন্ট পড়ে না, ওই লিংকে ক্লিক করলেও ভালো করে পড়ে দেখে না। ফলে লেখাগুলো পাঠককে আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে লেখকের অভিমত হাইলাইট করলে তা পাঠককে আকর্ষণ করতে পারে। আমার মতে, একজন বুদ্ধিমান লেখকের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা সো কলড কঠিন বিষয়কে পাঠকোপযোগী করে উপস্থাপন। হুমায়ূন আহমেদ হয়তো অনেক চিপশট খেলেন; কিন্তু তার ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তার কারণও এটাই। পাঠকপ্রিয়তা চাইলে পাঠক একটা জিনিস কিভাবে চায়, তা বুঝতে হবে। পাঠকের চাওয়া বিষয়টিই পাঠককে দিতে হবে।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য।

"আসলে পাঠকদেরকে অভিযোগ করা কোনো কাজের কথা না। "

এটা একটা কাজের কথাই বটে। তবে আমি তো অন্য অনেক পোস্ট দিয়েছি, ধারাবাহিকও ছিল তাদের মধ্যে। আমি এইটার বিষয়ে কেন আলাদা করে লিখলাম?

এজন্য লিখলাম যে এইগুলা আমার জিনিস না। আমি এর অনুবাদ করেছি, সেটি শ্রমসাধ্যও ছিল বটে, আর আপনাদের সামনে হাজির করেছি। কিন্তু এই দুই দায়িত্ব মূল মণিমুক্তার কাছে একশ ভাগের এক ভাগও না। এতগুলা রিপোর্ট, মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত, কত রিপোর্টার, কত পত্রিকা, কত ডাইমেনশন, ইংল্যান্ড আমেরিকার মতো দেশ থেকে প্রকাশিত -- এগুলো নিশ্চয়ই অনেকেরই চোখে পড়ে নাই, সর্বোপরি ব্লগে যেহেতু মুক্তিযেদ্ধের পক্ষের ও জামাতবিরোধীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতে এবং এটাই ব্লগের সবচেয়ে বড়ো রাজনৈতিক ইস্যু, তাহলে সাড়া অপেক্ষাকৃত কেন কম হবে? (ইতোমধ্যে জেনেছি যে অনেকেই পড়েছেন কিন্তু মন্তব্য করেননি এবং লগআউট অবস্থায়ও অনেকে পড়েছেন, তাদের কথা ধরে নিয়েই বলছি)

আমি মহান মহান লেখা লিখে থাকি কিন্তু কেউ পড়েনা -- নিজের লেখা নিয়ে এরকম কান্নাকাটি করার মতো বোকা আমি না। আমি এই কান্নাকাটিতে নেমেছি কারণ মূল লেখাগুলো অন্যের।

১৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩১
মুকুল বলেছেন: আরেকটা বিষয়ও আছে। দিন রাত কেউ ব্লগে পড়ে থাকে না। অল্প কিছু সময় হাতে নিয়েই অধিকাংশ ব্লগার আসে। সীমিত সময়ের মধ্যে তার পরিচিত পরিমন্ডলের ব্লগারদের লেখাই বেশি পড়ে। তাই ব্লগারের সাথে সম্পর্কও ব্লগ পঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে একটা ফ্যাক্টর!

এটা ব্লগীয় সংস্কৃতির একটা দিক। এই দিকটাও দেখার বিষয় আছে।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: সঠিক পর্যবেক্ষণ। এটা আমার জন্যও হয়তো প্রযোজ্য।
তবে এটাও তো ঠিক আমি 'পরিমণ্ডলের' বাইরেও মাঝে মাঝে যাই। বিষয় ইন্টারেস্টিং হলে। এভাবে পরিমণ্ডল বাড়তে থাকে।

তাহলে কি এই দুঃখজনক কথাটাই বলতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টা যতটা আলোচনায় থাকে, রাজনৈতিক কারণে, বাস্তবতায় এর আকর্ষণ ফিকে হয়ে এসেছে, ক্লিশে হয়ে এসেছে?

আমি শুধু পোস্টগুলো সম্পর্কে এই দাবিই করতে চাই যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাধারণ কোনো পোস্ট ছিলনা সেগুলো, এগুলোর গুরুত্ব বা মূল্য আছে। হেজিপেজি কিছু নয়।

১৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
লাল দরজা বলেছেন: আপ্নে কামটা করছেন এইখানে সেটা অর্কাইভের মতো থাকুক। লেখাটি নিশ্চয় কখনো কোন জাতীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করবেন বা প্রকাশিত হয়েছে এরই মধ্যে। এবং এক দিন তা ছাপার অক্ষরে বই আকারেও বেরুবে নিশ্চয়। সবই ঠিক আছে, একটা কথা আমি বুঝতে পারি এই ব্লগ এ লেখালিখি বিষয়ে আর তা হলো এই খানে প্রায় সকল পাঠকই মোটামুটি মাপের তিন কি চার প্যারাগ্রাফ সাইজের বেশী বড় লেখা পিটাইলেও পড়ে না (এটা হইল চরম বাস্তবতা এখানকার)। আমি নিজেও এরচে বড় সাইজ লেখা দেখলে যাইগা। কিছু করার নাই, এই স্থানে মনে হয় এরচে বেশী পড়ার ধৈয্যও থাকে না।

ভাইজান, আপ্নে কষ্ট কইরা কাজটা করছেন দেইখেন নগদানগদি না হইলেও এ জরুরী কাজটি আমাদের সময় অ-সময়ে অতি অবশ্যই কাজে লাগবে। সেই কারনেই আপ্নের শ্রমের সার্থকতা। একটি নির্দোশ স্বীকারোক্তি আমি নিজেই আপ্নের এই সিরিজের বেশ কটি লেখায় চোখ বুলাইলেও পুরা পড়িনাই কোনটাই। আপ্নের ব্লগের ঠিকানা ত জানি দরকার পরলে অবশ্যই আপ্নার এ তথ্যভান্ডারে যখন তখন হানা দিব বিনা হুশিয়ারীতে।

শুভেচ্ছা থাকল প্রিয় লেখক আপ্নার জন্য। :)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: "এই খানে প্রায় সকল পাঠকই মোটামুটি মাপের তিন কি চার প্যারাগ্রাফ সাইজের বেশী বড় লেখা পিটাইলেও পড়ে না"

কথাটা মানিনা। আপনার সবচেয়ে বেশি হিটঅলা পোস্ট ছিল সম্ভবত নভেম্বর রেইন এবং জ্যাজ সংগীতবিষয়ক। এই দুইটা কোনোটাই ছোট পোস্ট না। আমার সবচেয়ে বেশি মন্তব্যঅলা (বেশি মেগাবাইট খেয়েছে অর্থে), যা কিনা সামহোয়ারের রেকর্ডও, পোস্টটির সাইজও বড়োই ছিল।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বড়ো পোস্টই পড়তে চাই, যদি ইন্টারেস্টিং হয়। চটকদার ছোট পোস্ট অবশ্যই পড়ি, তবে বড়ো পোস্টে শেষপর্যণ্ত কিছু একটা দাঁড়ায় ছোট পোস্টে যার সম্ভবনা কম থাকে।

ছোট পোস্ট

১৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: এই অগাস্ট মাসেই আমি ব্লগে সময় দিয়েছি বেশি। মাঝখানে বেশ কিছুদিন গ্যাপ ছিলো। আপনার লেখাটি আমার চোখে পড়েনি। তবে একটি কথা বলতে পারি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক যেকোন লেখা আমি আগ্রহ নিয়ে পড়ি। কারন, আমার জানার আগ্রহ। আমি মুক্তিযুদ্ধের আদ্যোপান্ত জানতে চাই। দুঃখ প্রকাশ করছি, আপনার লেখাটা আমার চোখে পড়েনি বলে।

ব্লগে জামাতি রাজাকারদের তাড়ানোর জন্য ব্লগারদের অ্যাটিটুডকে আমি ১০০ ভাগ সমর্থন করি। এটাকে আপনি লোক দেখানো আখ্যা দিতে পারেন না।

ভালো থাকবেন।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।
আপনিও ভালো থাকবেন।

"ব্লগে জামাতি রাজাকারদের তাড়ানোর জন্য ব্লগারদের অ্যাটিটুডকে আমি ১০০ ভাগ সমর্থন করি। এটাকে আপনি লোক দেখানো আখ্যা দিতে পারেন না।"

এবিষয়ে আমার সঙ্গে ব্লগারদের এক বড়োসড়ো বিতর্ক হয়েছিল। সময় থাকলে পড়তে পারেন। কারণ পোস্ট ও মন্তব্য মিলে তা বিরাট আকারের।
Click This Link

১৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
আবুল বাহার বলেছেন: ধন্যবাদ হক সাহেব ,

আপনার সিরিজটি শেষ করেছে । অনেক বড় সিরিজ ছিল এটি অনেক কলষ্টসাধ্য কাজ ও বটে ।

এত বড় ধারাবাহিকে সব সময় মন বসে না সেটাও কারন হতে পারে মন্তব্য না করার জন্য ।
আসলেই লগ আউট করে পড়লে আপনি বুঝবেন নে কে এসেছিলো আপনার বাড়ীতে ।

যাই হোক আপনি যখন অন্যের কাছে মন্তব্য আশা করেন অন্যরাও কিন্তু তা আশা করে আপনার কাছে ।অনেকটা প্রতিদানের মত।এটাও কারন কিনা আপনিই ভালো জানবেন ।


আসলে ব্লগে কিছু ব্লগার আছেন যারা নিজেদের উচ্ছ শ্রেনীর ব্লগার মনে করেন কারনটা এখানেও থাকতে পারে ।


মার্চ মাসে'' হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ ''নামে একটা সিরিজ লিখেছিলাম সেখানে ও একই অবস্হা দেখেছি ,
আপনাকেও আমার বাড়ীতে অনেকবার দেখেছি কিন্তু আপনার কোন কথা শুনিনি । বিষয়টা অনুমান করেনতো ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: "মার্চ মাসে'' হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ ''নামে একটা সিরিজ লিখেছিলাম সেখানে ও একই অবস্হা দেখেছি ,
আপনাকেও আমার বাড়ীতে অনেকবার দেখেছি কিন্তু আপনার কোন কথা শুনিনি । বিষয়টা অনুমান করেনতো ।"

মুক্তিযুদ্ধকে চেতনায় ধারণ করে লড়াই করার দৃশ্য সুলভ, কিন্তু তাকে আরও খানিক পাঠ করার দৃষ্টান্ত দুর্লভ -- ব্যাপারটা তাই দাঁড়াচ্ছে কি?

তাও ভালো আমি আপনার বাড়িতে গিয়েছি তা বুঝতে পেরেছিলেন। জেনারেল বা মুকুল যেমন বলছেন তাহলে আমারও সেই দশা হয়েছিল, পড়েছি, ভালো লেগেছে কিন্তু মন্তব্য করিনি।


১৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, আপনার পোষ্টটিতে কিছুটা অনুযোগের সূর পেলাম।আপনার বক্তব্যের যৌক্তিকতা অবশ্য খন্ডন করতে পারবো না।ধারাবাহিকটা আরো অনেক বেশি পঠিত হওয়া উচিত ছিলো।ব্লগে যেভাবে সবাই একজন আরেকজনের চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা সাজতে চায়,সেই পরিপেক্ষিতে অন্তত: ইতিহাসটা জানা জরুরি।

আপনার শুধু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নই,মোটামুটি সবধরনের পোষ্টই পড়ে থাকি।অনেক গুলোতে কমেন্টও করেছি।

@ইয়র্কার ইতিহাসকে পাঠকপ্রিয় করার চেয়ে তাকে সঠিকভাবে তথ্য-উপাত্ত সমেত উপস্থাপন করাই অনেক বেশি জরুরী।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: অনুযোগই বটে।

অন্যগুলোতে আপনি কমেন্ট করেন, এটা ভালোমতোই জানি। না করলেও 'অনুযোগ' নাই।

এইটার বিষয় আলাদা।

২০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
বাফড়া বলেছেন: @ হিডেন স্ট্রীট- ব্রাদার , আপ্নার থিওরী পোক্ত না সেইটা বলা হয়নাই রে ভাই। আম ভাবে সবার কতা কইলাম আরকি। যেমন আমর নিজের কথাই ধরা যাক। এব্যাপারে আমর গ্যান স্কুলের সমাজ বইগুলাতে যা লিখা ছিল তা, আর সাথে পত্রপত্রিকাতে ডিসেম্বর মাসে ছাপা হওয়া রিপোট। তাই কইছিলাম ভাল লেখা গুলা পইড়া থিওরী পোক্ত... ।

আপ্নেরে হেয় করার কোন প্রচেস্টা ছিল না ঐ কথায়
২১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৭ থেকে এখন পর্যন্ত আপনি অন্যদের পোস্টে কমেন্ট করেছেন মাত্র ১০ টি।

মানে এক সপ্তাহে ১০ টি। অন্যদের পোস্টে আপনি যতো কমেন্ট দিবেন, আপ্নের পোস্টে ততো বেশি কমেন্ট পাবেন।@লেখক

বাফ্রা, ঠিক আছে বস :)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: সপ্তাহে ১০টি কমেন্ট, আমার কমেন্টের হার মোটামুটি এরকমই।

"অন্যদের পোস্টে আপনি যতো কমেন্ট দিবেন, আপ্নের পোস্টে ততো বেশি কমেন্ট পাবেন।"

বিষয়ের চাইতে এই পারস্পরিক লেনদেনই যদি মন্তব্য-সংস্কৃতির মূল বৈশিষ্ট্য হয় তবে ঐ পোস্টগুলোতে কম মন্তব্য আসাটা তো ঠিকই আছে।

২২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৫
শয়তান বলেছেন: ৩৫ টার মত পার্ট পড়েছি । বাকিগুলোও সময়মত পড়ে নিবো । চলে ত যাচ্ছে না লেখাগুলো ।

আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ সফলভাবে এরকম একটি সিরিজ উপহার দেবার জন্য ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
অনেকেই লগআউট অবস্থায় পড়েছেন বোঝা যাচ্ছে। কারণ আপনার মন্তব্য খুব কমই পেয়েছি।

২৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
ইয়র্কার বলেছেন: যাক, আপনার পোস্ট কেন পড়া হলো না, তা নিয়ে অভিযোগ করাটা আপনার কাছে সঠিক পন্থা মনে হলে তা-ই সই। আমার কাছে বিষয়টি নিয়ে 'অভিমান' করা যায়, 'অভিযোগ' না।

পাঠক হিসেবে প্রায়োরিটি সেট করার অধিকারও পাঠক সংরক্ষণ করে। ব্লগে জামাত তাড়াতে হলে ফাহমিদুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনুবাদ পড়া বাধ্যতামূলক এমনটা আমি মনে করি না। আপনি মনে করলে সেটা আপনার মত।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: "ব্লগে জামাত তাড়াতে হলে ফাহমিদুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনুবাদ পড়া বাধ্যতামূলক এমনটা আমি মনে করি না।"

তা ঠিক। কাউকে তাড়াতে হলে তো লাঠিই যথেষ্ট।
পাঠকের অধিকার সংরক্ষিত থাকুক।

২৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১
এরশাদ বাদশা বলেছেন: লিংক খোলেনা .....একটু দেখবেন কি?

পোস্টটাকে আপাতত বুকমার্ক করে রাখছি। এখন সময় নাই। আপনাকে ধন্যবাদ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: এই বার দেখেন। Click This Link

আর আমার প্রিয় পোস্টেও আছে পোস্টটা। শিরোনাম "পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর ..."

২৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১
লাল দরজা বলেছেন: লম্বা লেখা যে একেবারে সবাই সব সময় পড়েন না তা কিন্তু নয়। কিন্তু আপ্নে মানেন আর না মানেন বড় লেখার ব্যাপারে আমার পর্য্যবেক্ষনটা ইয়াদ রাইখেন স্যার, কথাটা আমি কিন্ন্তু বেআন্তাজে বলি নাই। ইহা হইল এখানকার বাস্তবতা, আপ্নে মানেন না মানেন সেটা আপ্নের খুশী ;)
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা যান মান্তেছি।
আপনি বেআজান্তে বলার লোকনা।

২৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২০
শয়তান বলেছেন: জি । বড় লেখা অফলাইনে পড়তেই ভাল্লাগে ।
২৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১
শয়তান বলেছেন: এবার কি ৫ নং কারন হিসাবে অফলাইনে পড়া কে অন্তর্ভুক্ত করবেন ?
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: করছি।

২৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৮
রাতুল" বলেছেন: আপনে লেখার কাজ লিখছেন। যার জানার দরকার সে পড়বে। যার নাই পড়বে না। আর যেহেতু ভাল একটা জিনিষ লিখছেন তা আজকে না হোক পরে হলেও অনেকেই পড়বে। সাম্প্রতিক কমেন্টের চিন্তা করেন না। সিরিয়াস পড়ুয়া ব্লগে থাকলেও তারা যে অন্তরালে থাকে না, তা আপনি কি করে ভাবলেন।
আর অত ভাবাভাবির কি আছে, ভাল কাজের প্রতিদান চাইতে নেয়, এটাই চিরন্তন সত্য।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: হুমম, চিন্তায় ফেলে দিলেন।
আসলেই ভালো কাজের প্রতিদান চাইতে নাই।

২৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৮
ইয়র্কার বলেছেন: লেখক বলেছেন: "ব্লগে জামাত তাড়াতে হলে ফাহমিদুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনুবাদ পড়া বাধ্যতামূলক এমনটা আমি মনে করি না।"

তা ঠিক। কাউকে তাড়াতে হলে তো লাঠিই যথেষ্ট।
পাঠকের অধিকার সংরক্ষিত থাকুক।

----
বক্তব্যটা বুঝতে পারি নাই। একটু ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ?
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ছাগুদের বিদ্যমান ইতিহাসের বিকৃতি ও বিদ্যমান ইতিহাসকে না মানার একটা প্রবণতা রয়েছে।

এক্ষেত্রে তৃতীয় নিরপেক্ষ সূত্রের তথ্যসমূহ তাদের ঘায়েল করতে কার্যকরী হতে পারে। সেজন্য আমি মনে করেছিলাম এই রিপোর্টগুলো ছাগুতাড়াতে ছাগুতাড়কদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

আপনি বললেন ঐ কাজের জন্য এইগুলা পড়া বাধ্যতামূলক নয়।

তাই বোধোদয় হলো, কাউকে তাড়াতে এত তথ্যউপাত্তের দরকার কী? গদাম লাথি দিলেই তো হলো।

৩০. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯
রাতুল" বলেছেন: মাইনাস দিতে ইচ্ছে করছিল, কিন্তু আপনি বলেই দিলাম না। মাফ করবেন।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ইচ্ছে করলে দিয়ে দিবেন।
খাতির করার জন্য ধন্যবাদ।

৩১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯
রাতুল" বলেছেন: আগের সব কাজের জন্যই + দিসি।
৩২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
উদ্ধৃতি -

৪. মুক্তিযুদ্ধ তাদের কাছে ব্লগের বাজারে সরব/আলোচিত থাকার হাতিয়ারমাত্র, মুক্তিযুদ্ধ তাদের প্রাণের মাঝে বাস করেনা। ।


থিসিসের কাজে ব্যস্ত । আমি এই সিরিজের একটা পর্বও পড়ি নাই । আমি আমার কৈফিয়ত দেই ।

মুক্তিযুদ্ধ একটা বিশাল ব্যাপার । বিদেশী পত্রিকায় কে কি লিখলো সেটা একটা অংশ মাত্র । পাঠক হিসেবে ঐ বিশেষ অংশটার প্রতি আমার উতসাহ কম । মিডিয়ার প্রতি বিরূপ মনোভাবই এটার কারন হয়তো । মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কারো আগ্রহের ক্ষেত্র হতে পারে গণহত্যা, কারো হতে পারে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন, কারো হতে পারে এ বিষয়ের সাহিত্য, কেউবা আপনার মতো বিদেশী পত্রিকার খবর অনুবাদ করেন - সংগ্রহে রাখেন । আবার ব্লগে কেউ ছাগু দেখলেই তাদের ওপর চড়াও হয়, কেউ সেটা না করে পোস্ট দেয় । এরা প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে । এখন এদের যেকোন একটি পক্ষ অন্য ক্ষেত্রে নিজের আগ্রহের অভাবে দেখালে "মুক্তিযুদ্ধ তাদের প্রাণের মাঝে বাস করেনা" বলাটা একটা স্থুল মোটাদাগের মন্তব্য । এর বেশী কিছু বলার নেই । ছাগু তাড়াতে আপনাকে পোস্টের বাইরে অন্য জায়গায় পাওয়া যায় না । কেউ কিন্তু সেজন্য অনুযোগ করছে না । কারন সবাই সবার ইন্টারেস্ট এরিয়া ও কাজের ক্ষেত্র নিজ বিবেচনায় বেছে নিয়েছেন । সবার এক ক্ষেত্রেই থাকতে হবে এমনটা ভাবা ভুল ।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: বিনীতভাবে জানাতে চাই রিপোর্টের বিষয়গুলো বিচিত্র ছিল -- নিষ্ঠুর আক্রমণ, হত্যালীলা, নির্যাতিত নারী, গেরিলাদের প্রতিরোধ, পরাশক্তিদের ভূমিকা, উদ্বাস্তুদের মানবেতর জীবন, সাম্প্রদায়িকতার স্বরূপ। মানে আপনি যেভাবে বলছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে একেক জনের আগ্রহ একেক দিকে থাকা, তার প্রায় সব দিকই রিপোর্টগুলো স্পর্শ করেছে। সর্বোপরি এমন কিছু মন্তব্য, পরিসংখ্যান, তথ্য ছিল যা ছাগু তাড়াতে ভালোমতো কাজে লাগতে পারতো।

"ছাগু তাড়াতে আপনাকে পোস্টের বাইরে অন্য জায়গায় পাওয়া যায় না ।" কথাটা বুঝি নাই। 'পোস্টের বাইরে' এবং 'অন্য জায়গা' এই দুইটা বিষয় বুঝি নাই।

৩৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
খোমেনী ইহসান বলেছেন: স্যার, আপনার উপলব্ধি দারুণ। মুক্তিযদ্ধ নিয়ে আরেকটু গভীরে গেলে আপনার উপলব্ধি আরও গাঢ় হবে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড। বেছে বেছে বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদেরই মারা হয়েছে। আর দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করার ঘটনাগুলো। এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের যারা মেরেছে তার কিন্তু এখন মুক্তিযোদ্ধা! বিশেষ করে পেরিল হত্যাকান্ড নিয়ে একটু অনুসন্ধান করে কিছু লেখলে দেখবেন আপনার পোস্ট নিয়া কোন আগ্রহই থাকবে না।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: পেরিল হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমার কোনো জ্ঞান নাই। একটু জ্ঞান দাও।

৩৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
খোমেনী ইহসান বলেছেন: পেরিল মুক্তিযুদ্ধের সময়কার প্রথম দিককার মুক্তাঞ্চল। এর অবস্থান নড়াইলে। পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (হক সাহেবের পার্টি)'র কর্মীরা এখানে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করে খুব কম সময়ে এ অঞ্চল শত্রু মুক্ত করেন। এই মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বৈঠক করার নামে মুক্তিবাহিনীর নেতারা বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকে চীনপন্থী কমিউনিস্টদের ব্রাশফায়ার করা হয়। এমন আরও অনেক ঘটনা আছে যে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রথম দিককার মুক্তিযোদ্ধারা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে নিহত হন মুক্তিবাহিনীর হাতে।
আরেকটা বিষয় উত্থাপন করছি, কাদের সিদ্দিকীর একটি ছবি আন্তর্জাতিক গণ মাধ্যমে ৭১ সালের ডিসেম্বরে ছাপানো হয়েছিল। তিনি বেয়নট দিয়ে খুঁচিয়ে ঢাকা স্টেডিয়ামে একজন যুবককে হত্যা করছেন। এই যুবক ছিল উর্দুভাষী। তার মতো অনেককেই রাজাকার বলে হত্যা করা হয়। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে অই যুবক উর্দুভাষী হলেও একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনিও চীনপন্থী কমিউনিস্ট ছিলেন। এরকম আরও কিছু ঘটনা নিয়ে আমি অনুসন্ধান করতেছি। বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ হাতে পেলে এসব নিয়ে পোস্ট দেব। ধন্যবাদ।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: বুঝলাম।
চীনপন্থীদের সবাই তাহলে মুক্তিযুদ্ধে নিষ্ক্রিয় বা বিরোধিতাকারী ছিলনা?

৩৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন একটা সিরিজ এর ৫০টি পর্ব লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এই সিরিজটি বই আকারে পাওয়ার প্রত্যাশা রাখছি।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
ইয়র্কার বলেছেন: ফাহমিদুল হক ভাই, আবারো অতি সরলীকরণ করলেন। আপনার পোস্টের তথ্যগুলো অদরকারী এটা কখনো বলি নাই। কিন্তু ওগুলো আপনি পোস্টে দেয়ার সাথে সাথেই না জানলে ছাগু তাড়ানো যাবে না - এরকম ধারণা অবান্তর। আপনার পোস্টগুলো নিশ্চয়ই অনেক তথ্যসমৃদ্ধ, সেগুলো পড়লে অবশ্যই ছাগু তাড়ানোতে সহায়ক হবে; কিন্তু সেগুলো অবশ্যই 'অবশ্যপাঠ্য' নয়। সুতরাং সেগুলো পড়া হলো না কেন, সে 'অভিযোগ' আমার বিবেচনায় একেবারেই অবান্তর। কেউ না পড়লে সেটা সর্বপ্রথমে লেখক হিসেবে আপনার ব্যর্থতা।

আপনার পোস্টের আরেকটি বিষয় নিয়ে বলি। আপনার পোস্টে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের 'ভার্চুয়াল সৈনিক', দেশপ্রেমের 'উৎকট' ধারক-বাহক টার্মগুলো। এতে খুব সহজেই যে কেউ বিভ্রান্ত হতে পারে, যে যারা ছাগু তাড়ায় তাদেরকে একহাত দেখে নেয়াই আপনার এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য।

এখন, আমিও নিজেও সম্ভবত এই দেশপ্রেমের আপনার ভাষায় 'উৎকট' ধারক-বাহক। 'নিযামি ভালো লোক' থিমে তার নুরানী দাড়িসমৃদ্ধ ছবিসহ কেউ পোস্ট দিলে আমি সরাসরি গিয়ে তার মুখে হাগু করে দেবো। এইটা যদি আপনার কাছে 'উৎকট' মনে হয়, তাইলে সেইটা আপনার ব্যাপার।

ছাগুরা ইতিহাস বিকৃতি করে - এই তথ্য আপনিও জানেন, আমিও জানি। কিন্তু তার প্রতিকারে আপনার এবং আমার কর্মধারায় পার্থক্য আছে। শুধু দলিল দিয়ে পুস্টিয়ে কিছু করা যায় না, হাজার যুক্তি দিয়েও একজন জামাতিকে দিয়ে ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলানো যায় নাই, গোলাম আযম যে একটা জাউরা এইটা স্বীকার করানো যায় নাই - এটা আমার ব্লগীয় অভিজ্ঞতা। সুতরাং সমাধান হিসেবে ইতিহাসের দলিলের পাশাপাশি লাথি সিস্টেমটাও আসে, নিযামীর মুখে হাগু করার সিস্টেমটাও আসে। সিস্টেমটা আপনার পছন্দ না, আপনি দূরে থাকেন; কিন্তু সেইটার ওপর একহাত নেয়ার সুযোগ খোঁজাটা দৃষ্টিকটু।

ব্লগে ছাগু তাড়িয়ে কার কি ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধার হয়? একবার ভাইবেন। তাইলে বুঝবেন, নাথিং ইজ পার্সোনাল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আপনার-আমার থাকলে কর্মপদ্ধতি ভিন্ন হলেও মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক থাকলে একসময় একবিন্দুতে মিলন হবেই।

আর মূলে ভেজাল থাকলে দেখবেন গোলাম আযমকে গালি দিলে খারাপ লাগবে, ফারজানা মাহবুবাকে গালি দিলে 'সে নারী' এই ধারণ আগে মাথায় আসবে, আস্তমেয়ে নিরন্তর ভাবতে শেখাবে। আমার অভিজ্ঞতামতে আপনার মূলে এরকম ভেজাল দেখি নাই। খামাখা বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ না দিলে খুশি হবো।

ব্লগার হিসেবে আমরা এখানে সবাই সমান। আক্ষরিক অর্থেই সমান।
৩৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
ফাহমিদুল হক বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আপনার-আমার থাকলে কর্মপদ্ধতি ভিন্ন হলেও মৌলিক বিষয়গুলো ঠিক থাকলে একসময় একবিন্দুতে মিলন হবেই।"

আমিও আশাবাদী।

এধরনের বক্তব্যকে বিভ্রান্তি না ধরে বৈচিত্র্য হিসেবে ধরার অনুরোধ রইলো।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটি ছিল ইয়র্কারের জন্য। ওপরে 'এধরনের বক্তব্য' বলতে 'আমি যা বলছি' বুঝিয়েছি।

৩৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
অনেকেই অনেকরকম বলছেন, আমি বলি,নিয়মিত এই চমৎকার সিরিজের পোস্টগুলো পড়িনি বা পড়তে পারিনি, সেজন্য আমার নিজেকে দায়ী মনে হয় । আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করি, আর আমি মুক্তি যুদ্ধের তথ্যগুলো নিজের ভেতরে বরণ করতে খুব একটা মনোযোগী না, বিষয়টা আমার নিজের কাছেই কেমন সাংঘর্ষিক মনে হচ্ছে ।

কিছু পর্ব পড়েছি । জানানও দিয়েছি , খুব ভালো কাজ হচ্ছে বলে । তবু, এই সিরিজের সাথে লেগে থাকতে পারিনি, গত ক'মাস ধরে ব্লগের সাথেই তেমন করে লেগে ছিলাম না বলে ।

আপনাকে ধন্যবাদ, আন্তরিক ধন্যবাদ, কাজটির জন্য ।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫১
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: স্যরি,১৫ টার মত পড়েছি,বাকি গুলোও পড়বো
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

৪০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
মুজিব মেহদী বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, আপনার সিরিজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহ নেই। এই সিরিজের গোটা পাঁচেক পোস্ট হবে পড়েছি। সবই অফলাইনে। প্রায় দেড়মাস আমি সামহ্যোয়ারইনে খুব কমই লগইন হয়েছি বা হতে পেরেছি।

সবগুলো পড়া হয় নি বা পড়ি নি সময়াভাবে, প্রায়ই ইন্টারনেট কানেকশন না থাকায়, স্পিড কম থাকায় এবং ব্যাখ্যাযোগ্য একটা অনাগ্রহে।

আপনি হয়ত জানেন, আমি কবিতা করার পাশাপাশি 'মুক্তিযুদ্ধ ও নারী' (http://iedbd.org/muktijuddho.htm) নামেও একটা বই লিখেছি। এই বইটি লিখতে শুরু করি ২০০০ সাল থেকে। কাজ চলে ২০০৫ পর্যন্ত। প্রায় ২৫০ পৃষ্ঠার এ বইটি প্রকাশিত হয় ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ। এ সময়ের মধ্যে দেশের ন্যূনাধিক ১৫টি জেলার গ্রামাঞ্চলে ভ্রমণ ছাড়াও সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রায় ৭০/৭৫টি বই আমাকে পড়তে হয়েছে। এগুলোর মধ্যে কিছু বিদেশী রিপোর্ট/রচনার অনুবাদও ছিল। যার কোনো কোনোটি আপনিও অনুবাদ করেছেন। এর ভিতর দিয়ে, বলতে কী, একটা বিবমিষাও তৈরি হয়েছে একই কথা বারবার পড়তে গিয়ে, অত্যধিক উচ্ছ্বাস মোকাবেলা করতে গিয়ে, একই তথ্যের নানাবিধ রঙ দেখে। একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, ওই বইটা লিখতে না হলে আমি ৭০/৭৫টির মধ্যে বড়োজোর ১০/১৫টি বই হয়ত পড়তাম। বাকিগুলো পড়তাম না কারণ পড়বার কোনো প্রয়োজনই বোধ করতাম না, আকর্ষণ তো নয়ই।

আপনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ব্লগ পড়া না-পড়া, কমেন্ট করা না-করা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মাপার যে প্রস্তাব উত্থাপন করলেন সেটা আমার কাছে খানিকটা আপত্তিকর মনে হলো। কী করে মানব যে, আমি পঞ্চাশটি পোস্টের একটিতেও কমেন্ট করি নি বলে আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নই?

এমনও তো হতে পারে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরাও আপনার টেক্সট রেগুলার পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন। যুক্তি এই যে, বিরোধিতা করতে গেলে জানতে হয়। এখন আপনি কি তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী বলবেন?

একজন কবির কি নিজেকে কবি প্রমাণ করতে হবে পৃথিবীর সব কবিতা পড়ে, কিংবা গল্পকারকে পৃথিবীর সব গল্প?
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: এই পোস্ট আপনার লক্ষ্যে লিখিত নয়, এটা বোঝার অনুরোধ রইলো।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ব্লগ পড়া না-পড়া, কমেন্ট করা না-করা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মাপার প্রস্তাব সাদা চোখে বা স্বাভাবিকভাবে আপত্তিকর মনে হবার সুযোগ আছে। তবে বিদ্যমান ব্লগরাজনীতিতে বিষয়টা অসংলগ্ন নয় বলেই মনে করি।

আপনার বইটার খবর জানতাম, কিন্তু দেখা বা পড়া হয়নি। সাইট থেকে ডাউনলোড করেছি, এক ঝলক দেখে বেশ ভালো কাজ মনে হয়েছে। পড়বো ধীরে ধীরে।

জানা যাচ্ছে অনেকেই এই ধারাবাহিকটাও পড়েছেন/পড়ছেন/পড়বেন ধীরে ধীরে।

৪১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১২
খোমেনী ইহসান বলেছেন: স্যার, চীনপন্থী কমিউনিস্টদের যেভাবে গড়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী বলা হয় বিষয়টা মোটেই তেমন না। বরং তাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে অংশগ্রহণের হার অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। যেমন সিরাজ শিকদার, পাবনায় টিপু বিশ্বাস, নর সিংদীর শিবপুরে মান্নান ভূঁইয়াদের ভূমিকা সকলেই জানি। মজার ব্যাপার হচ্ছে চীনপন্থীদের লড়াইয়ের জায়গাগুলোই প্রথম দিককার মুক্তাঞ্চল। মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ যোদ্ধাদের পরেই তাদের যোদ্ধারা বেশি শহীদ হয়েছেন। আর আওয়ামী লীগ, ইপিসিপি(মনি সিং) দের শহীদ হওয়ার সংখ্যা খুব নগণ্য। আরেকটা মজার তথ্য হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া ৩০ লাখের মধ্যে উর্দুভাষী শহীদও কয়েক হাজার। উর্দু ভাষী ধর্ষিতা নারীর সংখ্যাও আতকে ওঠার মতো।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: তোমার তথ্যগুলো পাল্টা/বিকল্প ইতিহাস হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে, ইতিহাস আসলে বিজয়ীদেরই ইতিহাসে হয়ে থাকে সবসময় (এক্ষেত্রে রুশ/চীনা কমিউনিস্টদের দ্বন্দ্বের কথা বলছি)। চীনপন্থীদের গড়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছিলনা, এটা এখনই মানছি, তবে তাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ লড়াইয়ে অংশগ্রহণের হার অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি কিনা তা প্রমাণসাপেক্ষ।

৪২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ব্লগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর দিকটায় আপনি আলোকপাত করেছেন। পোস্টের মূলভাবটা নিয়ে আরো আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা হয়নি। কেউ সাহস করেননি। আপনি করেছেন, তাই আপনাকে ধন্যবাদ।
যদিও আমার ব্লগজীবনের পুরোটাই গেছে ছাগু তাড়ানোয়। তারপরও এখন মাঝে মাঝে মনে হয়, ব্লগের বাজারে সরব/আলোচিত থাকার হাতিয়ার হিসেবে কি একদল লোক মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে যাচ্ছে? পোস্টে যেমন বলেছেন, আমিও মাঝে মাঝে দ্বিধায় পড়ে যাই, মুক্তিযুদ্ধ কি আসলেই এই লোকগুলোর প্রাণের মাঝে বাস করে?
আমার অবশ্য বরাবরই মনে হয়েছে, বহুবার পোস্টে-মন্তব্যে এই কথা বলেছিও যে, ব্লগ-ফোরামে কোনো গ্রুপ যদি ভার্চুয়াল রাজাকার তাড়ানোর দায়িত্ব নেয়, কোনো গ্রুপ যদি ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেয়, তাহলে তার কাজও সেভাবেই হওয়া উচিত। নইলে সেটা ব্লগারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। যা শেষপর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিই একটা বিরূপ ধারণা তৈরি করে নবীনদের মনে। আমার পর্যবেক্ষণে এ বিষয়টি ধরা পড়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের ধ্বজাধারী কোনো কোনো গ্রুপ ব্লগে আসা নবীনদের, যাদের মধ্যে প্রতিভার চ্ছটা আমরা দেখতে পাই, তাদের অনেককে বিভ্রান্ত করছে। প্রতিভাবান ব্লগাররা ভাবে যে, ব্লগার হিসেবে নাম কুড়োতে হলে তাদেরকে গালিবাজিতে সিদ্ধহস্ত হতে হবে।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: পূর্ণ সহমত ব্যক্ত করার জন্য ধন্যবাদ।

৪৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫২
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: আমার ক্ষেত্রে ১ আর ২ সত্য কিন্তু পড়ি নাই এইটা ঠিক না। মন্তব্য না দিলেই যে পড়ি না এমন কোন কথা নাই।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: মন্তব্য না দিলেই যে পড়ি না এমন কোন কথা আসলেই নাই, দেখা যাচ্ছে।
ধন্যবাদ।

৪৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @ফিকশন ফাইভ, উপযুক্ত মন্তব্যের জন্য আপনাকে আবারো স্যালুট।সেদিন দেখলাম
রুবেল শাহ নামে একজন ব্লগার আপনাকে ছদ্মবেশি রাজাকার হিসেবে আখ্যা দিছে ,তার মতে আপনি কবিতাবিরোধি।যে কবিতা বিরোধি সে রাজাকার।

কি যুক্তি !

"ব্লগে গালাগালি করে কে কার চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা" এইটা প্রমাণ করার চেষ্টা অসুস্থ লাগে।
৪৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: কারণগুলো বহুমাত্রিক, যার কতগুলো আপনি বলেছেন।
তবে আমার কাছে আরও একটি বিষয় মনে হয়। সেটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগার মানে 'সিরিয়াস পাঠক' ধৈর্যশীল পাঠক' হবেন এমনটি আমার কাছে মনে হয় না। এবং সিরিয়াস লেখার পাঠক, অন্তত, নিজের পর্যবেক্ষণে, সব সময় কম মনে হয়। আপনার লেখাগুলোতে গিয়ে মন্তব্য করার জন্য যে মনযোগিতা দাবি করে, সেটা সব সময় অনেকেরই থাকে না। এ না থাকাটা অন্যায় নয়, অস্বাভাবিকও নয়। যেমন অস্বাভাবিক নয় আপনার পর্যবেক্ষণ উত্তর অনুভূতি ও আবেগ। আমি আবেগ বললাম এ জন্য যে নিজের লেখা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ এবং যুক্তিকতা দুটোই প্রত্যাশিত।
আবার ব্লগারদের একটি বড় অংশ ব্লগিং করে অফিস টাইমে। দু'টি বিপরীত ধর্মী পরিবেশ-এ বসে হালকা বিষয় এ মন্তব্য করা যত সহজ সে মাত্রায় কোন সিরিয়াস লেখায় মন্তব্য করা সহজ নয়। আমার মনে হয় এটিও একটি কারণ।
আপনার অনুবাদের কাজটি নিঃসন্দেহে একটি ভাল উদ্যোগ। এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা নিশ্চই আমাদের আরও সম্মৃদ্ধ করবে। অনেক ধন্যবাদ.........................
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭
মাহবুব সুমন বলেছেন:
প্রিয় ফাহমিদ ভাই,
আপনার লেখা ৫০ টি পর্বই পড়েছি তবে বেশীর ভাগই অফলাইন থেকে। যে সব পর্বে আগ্রহের কিছু পেয়েছি বা জানার আগ্রহ ছিলো সেটায় কমেন্ট করেছি।
আমার মনে হয় অনেকেই সেটা করেছেন।

ব্লগে একটা প্রবনতা আছে, যেটা লাল ভাই বলেছেন" বড় লেখা পড়তে চায় না কেউ" কথাটি সত্য ও অভিগ্যতা লব্ধ। আপনার এ লেখাটিতেও এটা হয়েছে, লেখার আকৃতি ও তথ্যের সমারহ অনেকেকেই হয়তো পড়লেও কমেন্ট করতে দেয়নি। বড় লেখা দেখে অনেকেই হয়তো ভয়ও পেয়েছেন।

ব্লগে অনেকেই চটুল লেখা পছন্দ করে, এজন্য সুরসুরি মার্কা লেখায় যত কমেন্ট পড়ে সিরিয়াস ও মানসম্মত লেখায় তার এক কণাও পড়ে না।
অনেক সময়ও গ্রুপিং ও কাজ করে।
এজন্য ত্রিভুজই বা আইজুদ্দীনের মতো ব্লগারের বস্তাপঁচা পোস্টেও + এর সমারোহ থেকে শুরু করে কমেন্টের মেলা দেখা যায়।

আমার মতে এটাই হয়েছে আপনার লেখার ক্ষেত্রে। যাদের পড়ার দরকার ও আগ্রহ আছে তারাই পড়েছেন। অনেকেই পড়েছেন তবে কমেন্ট কম। আমিও কম করেছি, হয়ত বিতর্কমুলক ঝগড়া পোস্ট হলে আমিও কমেন্টের বন্যা বইয়ে দিতাম।

আপনি যে ৫ টা কারন বের করেছেন তার মাঝে ৫ নাম্বারটাই যুক্তিসংগত মনে হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এক একেজনের একেক রকমের। আপনি যেভাবে ধারন করেন হয়তো আমি সেভাবে করি না, হাসিব অন্যবভাবে করে। তবে মুল চেতনায় আমরা একই।

তবে কিছু ব্যতিক্রমও আছে। সামান্য মতভেদের কারনে অনেকেই শিশুর মতো অসহিষ্নু আচরন করতে দেখা যায় তবে তাকে মানসিক অপরিপক্কতারই মনে করি। এজন্য আমি অবশ্য কোনো বাউন্সার বা গুগলিকে মিন করছি না। :)

ফাহমিদ ভাই, যারা পড়বার তারা পড়বে, যাদের দরকার নাই তারা না পড়লে কি আসে যায়। এসব লেখাই আমাদের সম্পদ।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: আপনি যে ভালোমতো পড়েছেন তা আপনার কয়েকটি মন্তব্যেই বুঝেছিলাম।
এন্থনি মাসকারেনহাস বা অন্যরা এমন কিছু ঘটনার বর্ণনা করেছেন, এমন চিত্র অঙ্কন করেছেন, এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন যা সচেতন ব্যক্তিমাত্রকেই স্পর্শ করবে। অফলাইনে পড়লেও মাঝে মাঝে মন্তব্য করতে প্ররোচিত করবে। সেসব তথ্য শব্দ বাক্য নাড়াচাড়া করতে করতে আমার এরকমই মনে হয়েছে।

অফলাইনের বিষয়টা আমার মাথায় ছিলই, কিন্তু পোস্টগুলোর ক্ষমতা ছিল অফলাইনের পাঠককে মাঝে মাঝে অনলাইনে আসতে বাধ্য করার। যেমনটা আপনার ক্ষেত্রে ঘটেছে।

কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে ঘটে নাই, এখন বুঝতে পারছি। তবে যেহেতু আমি অনুবাদ করার সময়, পোস্ট এডিট করার সময় ইনভলবড হয়ে পড়তাম, তাই ঐরকম মনে হওয়াটা খুব স্বাভাবিক।

কিন্তু পাঠকের ওরকম নাও মনে হতে পারে। ফলে তিনি পড়েছেন, কিন্তু সেভাবে অংশ নেন নাই, কিন্তু আমার পক্ষে তা বোঝা সম্ভব হয়নি।

৪৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
অবকাশ বলেছেন: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @ফিকশন ফাইভ, উপযুক্ত মন্তব্যের জন্য আপনাকে আবারো স্যালুট।সেদিন দেখলাম
রুবেল শাহ নামে একজন ব্লগার আপনাকে ছদ্মবেশি রাজাকার হিসেবে আখ্যা দিছে ,তার মতে আপনি কবিতাবিরোধি।যে কবিতা বিরোধি সে রাজাকার।

কি যুক্তি !

"ব্লগে গালাগালি করে কে কার চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা" এইটা প্রমাণ করার চেষ্টা অসুস্থ লাগে।

ফাহমিদুল হক ভাইও কিন্তু একটু আগে গালাগালির আশ্রয় নিয়েছিলো। তিনি মন্তব্যে লিখছেন-

লেখক বলেছেন: ছাগুদের বিদ্যমান ইতিহাসের বিকৃতি ও বিদ্যমান ইতিহাসকে না মানার একটা প্রবণতা রয়েছে।

এক্ষেত্রে তৃতীয় নিরপেক্ষ সূত্রের তথ্যসমূহ তাদের ঘায়েল করতে কার্যকরী হতে পারে। সেজন্য আমি মনে করেছিলাম এই রিপোর্টগুলো ছাগুতাড়াতে ছাগুতাড়কদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

ঢাকা ভার্সিটির একজন শিক্ষকের কাছে এই ধরনের মন্তব্য আমরা আশা করি না। যদিও ঢাকা ভার্সিটির শিক্ষকদের আজকাল আর আগের মত শ্রদ্ধা করি না। মাথায় পচন ধরছে। তবে এই মন্তব্যের হেতু হইলো ফাহমিদুল হক ভাইরে একটু দৃষ্টি আকর্ষণ করা। আসলে আমি আপনার সবগুলি লেখা পড়ছি এমনকি কাগজে প্রিন্টও করা আছে। কিন্তু এই লেখা এবং কয়েকটা মন্তব্য পইড়া হতাশ হইছি। স্যরি ভাই, মনে যেটা আসছে বলছি। কিছু মনে নিয়েন না।
৪৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫০
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ছাগু শব্দটিকে যদি গালি হিসেবে ধরেন, যা আমিও ব্যবহার করেছি, তা আমি আসলে গালি হিসেবে ব্যবহার করিনি। এই শব্দটির মাধ্যমে পয়েন্টে সরাসরি যাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এটা আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাবার একটি শৈলী।

আমি এখানে যখন ব্লগিং করি তখন শিক্ষক পরিচয়ের চাইতে ব্লগার বা লেখক পরিচয়টিই বেশি আমার মাঝে কাজ করে।

আশা করি বিষয়টা বুঝবেন।

আর কী করবেন ভাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আমিও সেরকম শ্রদ্ধা করিনা। আপনি দেখেন দূর থেকে আর আমি দেখেছি কাছ থেকে। তবে ঢালাওভাবে সব শিক্ষকের ওপরে শ্রদ্ধা হারাবেননা, কিছু ভালো মানুষ সেখানে এখনও আছেন।

৪৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৫
রিফাত হাসান বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, একটি মজার বিষয় হাজির করেছেন এবং বেশ কিছু সত্য কথা বলেছেন। আপনার এই লেখাগুলি যখন শুরু হল, আমি একটা কমেন্ট করে আমার আগ্রহের জায়গাটা জানিয়েছিলাম। সেটি কোন বায়বীয় চেতনাবোধ থেকে নয়, চেতনা ব্যাপারটার সাথে আমার মিলে না, আমি এই কথাটি টুকে রাখা প্রয়োজন মনে করি। আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে যেই বিষয়টি আমাদের কাছে হাজির করা হয়ে থাকে, সেই ব্যাপারেও আমার বিশদ আপত্তি আছে। জামাত শক্তিশালী হওয়া বিষয়ে ব্লগার বা আপনার আপত্তিতেও আমার নোক্তা দেওয়া দরকার বলে মনে করি। কারণ আপত্তিটা স্পষ্ট, তার পিছনের যে রাজনীতি, তা ধোয়াশাপূর্ণ বলেই মনে করি।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৫০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: আমি সিরিজটি যখন পাঠ শুরু করেছিলাম, তখন একধরনের চিন্তা কাজ করেছে লেখাটি সম্পর্কে মন্তব্য এবং পাঠ সংখ্যা দেখে। ভাবতাম, একই শিরোনাম বা প্রসঙ্গ দেখে পাঠকেরা ঠিক আকৃষ্ট হচ্ছেনা। ভেবেছিলাম, হয়তো পোষ্টের শুরুতে কোন ছবি সংযোজন করলে এটি আরেকটু বেশী মনোযোগ টানতে পারে পাঠকদের। বলাবাহুল্য, আমার এসব চিন্তা কাজ করেছিলো- ফাহমিদুল হকের পোষ্ট বলে নয়, প্রসঙ্গের গভীরতার কথা ভেবে। আমি জানি, গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মারক হয়ে উঠবে এটি।

আমি বিশ্বাস করিনা যে, ব্লগে ছাগু তাড়ানোর ব্যস্ততায় পোষ্টগুলো আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে। বরং একথা অনেকভাবেই প্রমান করা যায়, মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে অগভীর কৌতুককর বিতর্কের প্রতি আমাদের আগ্রহ ব্যাপক। ঘরে-বাইরে সব জায়গাতেই এ চিত্রটি দেখা যায়। ব্লগে এর ব্যতিক্রম দেখা যাবে কেন? ছাগু তাড়ানো এবং ছাগুর জন্য কাঁঠাল পাতা কুড়ানোতে বিমলানন্দ জুটলেও, ছাগ-রাখাল হওয়া কোনো কাজের কাজ কি-না বিতর্ক হতে পারে।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ছাগু তাড়ানো এবং ছাগুর জন্য কাঁঠাল পাতা কুড়ানোতে বিমলানন্দ জুটলেও, ছাগ-রাখাল হওয়া কোনো কাজের কাজ কি-না বিতর্ক হতে পারে।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৫১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন: আমি স্বীকার করছি আমি ১ পর্বও পড়িনাই। এজন্য খুবই লজ্জিত। আসলে ব্লগে আসার সময় একদম পাইনা। ১০/১৫ মিনিটের জন্য আসলে ভাল লেখাগুলো মিস করি।


আপনাকে এরকম লেখার জন্য স্যালুট। সময় পেলেই সবগুলো পড়ব ইনশাআল্লাহ।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৫২. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১
ফেরারী পাখি বলেছেন: ব্যস্ততার কারণে আপনার পোস্ট গুলো দ্রুত শেষ করতে পারি না। কারণ আমি মনে করি তথ্য মনে রাখার জন্য আপনার এই লেখাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়। তবে সময় পেলেই পড়ি।
যদিও সব গুলো পোস্ট পড়া হয়নি কিন্তু তবু আপনাকে স্যালুট ধৈর্য সহকারে ৫০তম পর্ব শেষ করবার জন্য।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: সময় করে ধীরে ধীরে পড়বেন, এই আশা করি।

৫৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৮
বাস্তবতা বলেছেন: তখন আমি ব্লগে ছিলাম না। এখন পড়ে নেব। দারুন কাজ করেছেন।

দুইটা কথা ভাইয়া। মূল লেখা গুলোর কোন কপি (স্ক্যান করা) আপনার কাছে কি আছে? দ্বিতীয়ত, আপনার লেখাগুলো থেকে কোন অংশ কি কপি করে নিজের পোস্টে দেয়া যাবে? (অবশ্যই আপনার নাম সহ)
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: মূল লেখা বা বইটি আমার সংগ্রহে আছে, তবে ঢাকায় নেই।
রেফারেন্সসহ আপনার পোস্টে ব্যবহার করতে পারেন।

৫৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এই লেখা এখনো প্রাসঙ্গিক।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াই। ফিকশন ও নন-ফিকশন দুই ধরনের লেখাই লিখি। গল্প লিখি, প্রবন্ধ লিখি, অনুবাদ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ