somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বায়নপ্রভাবিত বাংলাদেশের মিডিয়া: কারণ অর্থনৈতিক, ফল সাংস্কৃতিক

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


গত পোস্টে (Click This Link) বিশ্বায়নের প্রভাবে বৈশ্বিক মিডিয়ার যে-চেহারা দাঁড়িয়েছে তা স্বরূপ উন্মোচন করার চেষ্টা করেছিলাম। বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের মিডিয়াকে কতটুকু প্রভাবিত করেছে আজ তার একটা সাধারণ পর্যালোচনা দাঁড় করার চেষ্টা চালাবো।

‘বিশ্বায়নকালে মিডিয়া: বড়ো দানবদের ছোট্ট দুনিয়া’ শিরোনামের ঐ লেখায় বলেছিলাম ডব্লিউটিওর উদ্যোগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আশির দশকের শেষভাগ থেকে এবং নব্বই দশকব্যাপী মিডিয়ার ব্যাপক বেসরকারিকরণ হয়েছে। বেসরকারীকরণের ফল হয়েছে এই, মিডিয়ায় সংবাদের পরিমাণ কমে গেছে এবং হালকা বিনোদনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এবং এইসব বিনোদন-অনুষ্ঠান তৈরিতে খরচ কম কিন্তু আয় বেশি -- বিজ্ঞাপন এই অংশেই বেশি আসে। বাণিজ্যিক টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ক্ষেত্রে তাই রাষ্ট্রীয় উন্নয়নমূলক কোনো অনুষ্ঠান দেখা যায় না। তারা কেবল মুনাফাই বোঝে, জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।

অন্যদিকে বিশ্বায়নকালে বৈশ্বিক মিডিয়ার ক্রমাগত মার্জার ও কেন্দ্রীভবনের ফলে গণমাধ্যমগুলো থেকে যে-বিভিন্ন কণ্ঠস্বর একসময় শোনা যেতো -- সেই বৈচিত্র্য হারিয়ে গেছে। একসময় বিভিন্ন ধরনের মিডিয়ার অস্তিত্ব ছিল -- ছোট পত্রিকা-বড়ো পত্রিকা, শ্রমিকদের পত্রিকা-রাজনীতিবিদদের পত্রিকা, কমিউনিটি পত্রিকা, জনসেবামূলক রেডিও-টিভি -- তাদের পরিবেশিত বার্তা, রাজনৈতিক আদর্শ নানাধর্মী ছিল। কিন্তু এখন সেই বৈচিত্র্য আর খুঁজে পাওয়া যায়না। আমরা বৈচিত্র্যহীন, অগভীর, একরৈখিক এক মিডিওলজির (মিডিয়ার ইডিওলজি) মধ্যে বসবাস করছি। বৈশ্বিক মিডিয়ার ভূমিকা দাঁড়িয়েছে বাজারের পক্ষে কাজ করা, কর্পোরেট কালচার সরবরাহ করা, ভোক্তাসংস্কৃতি উপহার দেয়া, হালকা বিনোদনে অডিয়েন্সকে বুঁদ করে রাখা, বিজ্ঞাপনের জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়া, সর্বোপরি সমাজে বিদ্যমান প্রকৃত সমস্যা ও বৈষম্য থেকে মানুষের দৃষ্টি সরিয়ে অগভীর বিনোদন দিয়ে ব্যস্ত রাখা। বৃহৎ দানবদের পরিবেশিত এই মাধ্যম-সংস্কৃতি প্রান্তিক দেশের মিডিয়াগুলোও অকাতরে গ্রহণ করছে।

বাংলাদেশও ডব্লিউটিওতে স্বাক্ষরকারী দেশ। প্রান্তিক পুঁজিবাদী দেশ হিসেবে বাংলাদেশেও সমাজতন্ত্রের পতনপরবর্তী মুক্তবাজার অর্থনীতির সময়কালে মিডিয়ার বেসরকারীকরণ হয়েছে। ফলে নব্বই দশকের প্রথম দিকে মুদ্রণমাধ্যমের ‘বুম’ হয়েছে। নতুন শতকে হয়েছে সম্প্রচারমাধ্যমের বুম -- সবই বেসরকারী খাতে। এই বাণিজ্যিক টেলিভিশন ও এফএম রেডিওগুলোতে দেখা যায় বিনোদনের আধিক্য। দেশ ও জনগণের জন্য উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান সেখানে নেই বললেই চলে। পাবলিক সার্ভিস ব্রডকাস্টিং ও কমার্শিয়াল ব্রডকাস্টিংয়ের মৌলিক কাঠামোগত পার্থক্যই এক্ষেত্রে নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। শত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিটিভিতেই ‘মাটি ও মানুষ’-এর মতো অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছিল। যতই সরকারী নিয়ন্ত্রণ থাকুক, বিটিভি বা বাংলাদেশ বেতার বাধ্যতামূলকভাবেই জনসেবা ও জাতীয় উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে থাকে। ব্যক্তি শাইখ সিরাজের কারণে অবশ্য চ্যানেল আই-এ ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ প্রচারিত হয়। তার অনুপ্রেরণা বিটিভির ঐ অনুষ্ঠানই। অন্য কোনো বাণিজ্যিক চ্যানেলে এরকম কোনো অনুষ্ঠান দেখা যায়না।

বিনোদন ছাড়া বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও এফএম রেডিওতে সংবাদ উল্লেখযোগ্যমাত্রায় পরিবেশিত হয়। কিন্তু সেই সংবাদ অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের স্লটে বিভক্ত। আরেক পোস্টে (Click This Link) বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখিয়েছিলাম যে কর্পোরেট ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে টিভি-সংবাদকে একটি বিজ্ঞাপনের হাটে পরিণত করা হয়েছে। আর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে একদিকে পণ্যের প্রসারের উদ্যোগ যেমন নেয়া হচ্ছে, তেমনি ভোক্তাসংস্কৃতিকে পাকাপোক্ত করা হচ্ছে। এখানে বিশ্বায়নের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ উদঘাটন করা সম্ভব।

কৃষিভিত্তিক আমাদের দেশে বৃহৎ শিল্প কখনোই বিকশিত হয়নি। মাঝখান দিয়ে বিশ্বায়ন ও মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাবে ট্রেডিং বা সওদাগরি ব্যবসার একটা বিকাশ ঘটেছে। আমদানি-রফতানির এই সওদাগিরিতে আমাদের মূল ভূমিকা আমদানিকারকের। ডব্লিউটিও বা নাফটা বা জি-এইট এটাই চেয়েছে যে বিশ্বায়নের নামে প্রান্তিক পুঁজিবাদী দেশগুলোতে তাদের পণ্যের অনুপ্রবেশ সহজ হোক। আর এই পণ্যের পরিচিতির জন্য স্থানীয় পুঁজির বিকাশ না হোক কিন্তু স্থানীয় মিডিয়ার বিকাশ হওয়া জরুরি। কারণ পণ্যের দ্রুত পরিচিতির জন্য মিডিয়ার সাহায্য নিতেই হবে। একমাত্র মিডিয়াই পারে তাৎক্ষণিকভাবে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে পণ্যের বার্তা পৌঁছে দিতে। তো বাইরের মাল এদেশে বিক্রির মাধ্যমে কিছু কোম্পানি ফুলে-ফেঁপে উঠেছে। তাদেরই কেউ কেউ আবার মিডিয়ার মালিক হয়েছে এবং সেইসব মিডিয়া আবার সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক সব ক্ষেত্রেই প্রভাবশালী ভুমিকায় অবতীর্ণ হতে সচেষ্ট রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্যতম বড়ো কোম্পানি ট্রান্সকমের কথা বলা যায়। তাদের মূল কাজ সওদাগরী, তবে তাদের হাতে রয়েছে দেশের সবচাইতে প্রভাবশালী মিডিয়া -- প্রথম আলো, দি ডেইলি স্টার, সাপ্তাহিক ২০০০, এবিসি রেডিও এবং প্রকাশনা সংস্থা প্রথমা। বিশ্বায়নপ্রভাবের ফলরূপে আবির্ভূত এইসব মিডিয়া দেশে কী ভূমিকা পালন করছে তার একটা ধারণা দিয়েছেন সেলিম রেজা নিউটন (নিউটন, ২০০৩: ৩১-৩২)। বাংলাদেশের মূলধারার কর্পোরেট মিডিয়ার সাংবাদকিতার ৫টি ‘কর্মসূচি’র কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এই কর্মসূচিগুলো হলো:
১. নিজ নিজ বিজনেস-গ্রুপের পুঁজি-মুনাফা-ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করা;
২. সাধারণভাবে বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টরের বা ব্যবসায়িক খাতের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করা;
৩. দেশী-বিদেশী কর্পোরেট পুঁজির অনুকূল সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশ গঠন করা, তথা মার্কিন কায়দায় পুরোপুরি একটা ভোগবাদী সমাজ বা ‘খাদক সমাজ’ গঠন করা;
৪. ব্যবসার অনুকূল রাজনৈতিক ‘স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করা. অর্থাৎ পশ্চিমা ঢঙের দ্বি-দলীয় ‘গণতান্ত্রিক’ ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে চালু করার চেষ্টা করা, এবং রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুড়বৃত্তির বাইরে স্বাধীন অবস্থান গ্রহণ করা; এবং
৫. আমাদের দেশে শক্তিশালী বুর্জোয়া শ্রেণীর ঐতিহাসিক অনুপস্থিতিতে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-বেসরকারী পরিসরের এলিটদের নিয়ে রাজনীতিবিদগণকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক দলের পাল্টা সামাজিক শক্তি হিসাবে ব্যবসায়ীদের পরিচালনাধীন একটা ‘সুশীল সমাজ’ গঠন করা এবং তার নেতৃত্ব ঐ ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি হিসাবে সংবাদপত্রের বা মিডিয়ার হাতে রাখা।

নিউটন বলছেন ৪ ও ৫ নম্বর পয়েন্ট বিশেষভাবে প্রথম আলো ও দি ডেইলি স্টার-এর বেলায় প্রয়োজ্য। বাংলাদেশের বাণিজ্যের সবচেয়ে বড়ো বাধা হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর বিদ্যমান অপরিচ্ছন্ন কর্মকাণ্ডকে দায়ী করে তার পাল্টা শক্তি হিসেবে ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বে সিভিল-সমাজ দাঁড় করিয়ে ব্যবসার স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার মতো ‘স্থিতিশীলতা’, ‘গণতন্ত্র’ ও ‘সুশাসন’ প্রতিষ্ঠা করাই এই মিডিয়া-হাউসগুলোর লক্ষ্য। একই প্রয়োজনে এই দু’টি পত্রিকা সেনা-সমর্থিত ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারকেও প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছে। তবে প্রথম তিনটি পয়েন্ট আবার সবগুলো পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলের জন্যই প্রযোজ্য। নিজ বিজনেস-গ্র“পের স্বার্থরক্ষা, সার্বিকভাবে প্রাইভেট সেক্টরের বিকাশের পক্ষে কাজ করা, দেশী-বিদেশী কর্পোরেট পুঁজির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এবং ভোগবাদী ‘খাদক সমাজ’ তৈরি করার প্রচেষ্টা সব সংবাদপত্র-চ্যানেলের মাঝেই দেখা যায়। আর এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আছে বিজ্ঞাপন, এবং নানা ছলে পণ্যের প্রমোশন, পণ্যসংস্কৃতির প্রজ্ঞাপন।

বিশ্বায়নকালে বৈশ্বিক মিডিয়ার কিছু প্রবণতা অবশ্য বাংলাদেশে অদৃষ্ট। এটা স্বাভাবিক যে বিকশিত পুঁজিবাদের সব প্রবণতা বাংলাদেশের মতো অবিকশিত ও প্রান্তিক পুঁজিবাদী দেশে দৃষ্ট হবেনা। তাই গ্লোবাল মিডিয়ার অন্যতম প্রবণতা মার্জার বা একুইজিশনের প্রভাব বাংলাদেশের মিডিয়াতে দেখা যাচ্ছেনা। বরং বাংলাদেশের মিডিয়া যতটা কেন্দ্রীভূত (একই গ্রুপের অনেকগুলো মিডিয়া আউটলেট) তার চাইতে বেশি বহুমাত্রায় সম্প্রসারণশীল। টিভি চ্যানেল-এফএম চ্যানেলের পাশাপাশি নতুন নতুন সংবাদপত্র এখনও আত্মপ্রকাশ করছে, যেক্ষেত্রে বৈশ্বিক পর্যায়ে অনলাইন সাংবাদিকতার চাপে মুদ্রণমাধ্যম সঙ্কুচিত হচ্ছে। তবে বৈশ্বিক মিডিয়ার কেন্দ্রীভবনের ফলে মিডিয়া আধেয়র যে বৈচিত্র্য আমরা হারাচ্ছি বা যে ‘লিনিয়ার মিডিওলজি’র কথা আমি বলছি তার প্রভাব কিন্তু বাংলাদেশের মিডিয়াতে রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রভাবটি সরাসরি পশ্চিমা যতটা, আঞ্চলিক প্রভাব তার চাইতে কম নয়। কিন্তু এই আঞ্চলিক প্রভাব বিশ্বায়নের বৈশিষ্ট্য দ্বারাই পরিচালিত। আমেরিকান আইডলের অনুকরণে ইন্ডিয়ান আইডল হয়েছে, তার প্রভাবে বাংলাদেশেও নানা ধরনের প্রতিভা অন্বেষণের প্রতিযোগিতা হয়েছে, হচ্ছে। বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের একটা নিজস্ব এসথেটিকস বা নন্দনশৈলী ছিল, কিন্তু বিশ্বায়নের এবং আঞ্চলিক প্রভাবে তার শৈলীতেও পরিবর্তন এসেছে। স্টার প্লাস বা ভারত থেকে প্রচারিত অন্যান্য চ্যানেলের সোপ অপেরা বা মেগা সিরিয়ালের বিরক্তিকর ভিস্যুয়াল ও সাউন্ডএফেক্টের প্রয়োগ বাংলাদেশের মেগা সিরিয়ালেও দেখা যাচ্ছে। বৈশ্বিক মিডিয়া উদ্ভাবিত নানা ধরনের রিয়েলিটি শোর অনুকরণ এদেশের চ্যানেলগুলোতেও দেখা যাচ্ছে। এফএম রেডিওর আধেয় কেন সব দেশেই একরকম -- গান, এসএমএস এবং বিশেষ ভাষারীতি?

বলা যায় কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে, বিশ্বায়নের প্রভাব বাংলাদেশের মিডিয়ায় ভালোমতোই পড়েছে। এই প্রভাবের সঙ্গে কার্যকারণ হিসেবে রয়েছে অর্থনৈতিক নিয়ামক আর এর ফলাফলটি সাংস্কৃতিক। নিজস্ব সাহিত্য বা সংস্কৃতি যথেষ্ট সমৃদ্ধ থাকার কারণে রেডিও-টেলিভিশনের মতো সংস্কৃতি-কারখানায় উৎপাদিত পণ্যসমূহে যেমন নিজস্বতা উধাও হয়ে যায়নি তেমনি বহিঃস্থ প্রভাবের উপস্থিতিও খুব স্পষ্টত দৃশ্যমান। অন্যদিকে বাজারস¤প্রসারণ এবং খাদকসমাজ তৈরির কাজটি করতেও মিডিয়া বেশ সচেষ্ট। বলাবাহুল্য এই কসরৎ বিশ্বায়নপ্রবণতার প্রয়োজনেই।

তথ্যসূত্র
নিউটন, সেলিম রেজা (২০০৩)। বাজারের যুগে সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আম্মু-আব্বু-সমাচার অথবা বাংলাদেশে বিদ্যমান মহাজনী মুদ্রণের পলিটিকাল ইকোনমি, যোগাযোগ, সংখ্যা ৫। ফাহমিদুল হক সম্পাদিত। ঢাকা।


৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×