খবরটি সমকালের। সামুর ব্লগারদের জন্য হুবহু খবরটি তুলে দিলাম। (রমজান মাস বলে নিজেকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে বড় কষ্ট হল)
"সুষ্ঠু সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৫০ কোটি টাকার পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়। এছাড়া প্রচলিত সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার ফলে আরও ১২ লাখ টন পেঁয়াজ ঘাটতি হয়ে থাকে। যার বাজার মূল্য আরও প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এভাবে বছরে শুধু উত্তরাঞ্চলেই প্রায় ১০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে থাকে। সুষ্ঠু সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুললে একদিকে কৃষক লাভবান হবে, অন্যদিকে আপৎকালীন পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকবে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ১২ হাজার ৬শ' হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে পাবনা জেলায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। অর্থাৎ ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার মণ। এ অঞ্চলে মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের শতকরা ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫শ' মেট্রিক টন পেঁয়াজ প্রতি বছর সম্পূর্ণ পচে নষ্ট হয়। এছাড়া আরও ১০ শতাংশ পেঁয়াজ আংশিক পচে নষ্ট হয়। এভাবে ২০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। পাবনার পেঁয়াজ চাষিরা জানান, বছরের শেষ সময় পর্যন্ত পেঁয়াজ ধরে রাখতে গেলে তাদের ৩০ শতাংশ পেঁয়াজ পচে যায়। আর মৌসুমের শুরুতে পচন শুরু হলে ৫০ শতাংশ পচে যায়। উত্তরাঞ্চলে উৎপাদিত ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার মণ পেঁয়াজ মৌসুম শুরু থেকে বিক্রি শুরু হলে অন্তত ১০ লাখ মণ পেঁয়াজ ওজনে কমে যায়।
সূত্র জানায়, আলুসহ অন্যান্য কাঁচা সবজি ও মালামাল সংরক্ষণে ব্যবস্থা থাকলেও পেঁয়াজ সংরক্ষণে বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা নেই। কোল্ড স্টোরে অন্যান্য কাঁচামাল রাখা গেলেও পেঁয়াজ রাখা যায় না। ফলে কৃষকরা সেকেলে পদ্ধতি মাচা, চাঙা বা উঁচু জায়গায় জাংলা করে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করে থাকেন।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, রাজশাহীর অতিরিক্ত পরিচালক আবুল বাশার সমকালকে জানান, সৃষ্ঠু সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর শুধু উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে থাকে। সুষ্ঠু সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুললে একদিকে কৃষক লাভবান হবেন, অন্যদিকে আপৎকালীন পেঁয়াজের দাম অনেক কম থাকবে।
পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি আলহাজ আবদুল লতিফ বিশ্বাস সমকালকে বলেন, উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প বা সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হলে একদিকে কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, অন্যদিকে পণ্যের ঘাটতি কম হবে। এমনকি কৃষিভিত্তিক শিল্প ব্যবসার প্রসার ঘটবে। "

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

