আমার প্রিয় পোস্ট
- Genre- হরর, ক্রাইম। - হাসান মাহবুব
- ব্লগীয় সাই-ফাই ইনডেক্স (কল্প-বিজ্ঞান গল্প তালিকা) - সীমানা পেরিয়ে
- বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড - জাতির সূর্য সন্তানদের হত্যার মাধ্যমে ভূমিষ্টপ্রায় একটি স্বাধীন দেশকে মেধাহীন করার সংঘবদ্ধ প্রকল্প - ইউনুস খান
- সামহোয়ার ইনে আমার এক বছর পূর্তিতে কিছু অপ্রাসঙ্গিক, ফালতু প্যাচাল - স্পেলবাইন্ডার
- ডাউনলোডান নগরবাউল জেমস সমগ্র - কাঙাল মামা
- আমার প্রতিটি মৃত্যু ~ Everytime I die - স্বপ্নকর

উবুন্তু/ লিনাক্সপ্রেমীদের জন্য সুখবর!! আকর্ষণীয় টি-শার্ট বেছে নিন!!

- 'লেনিন'
- ১৩টি এডাম স্যান্ডলার এর মুভি, সাথে 'হাহাপগে' ফ্রি...... - দ্যা ডক্টর
- স্যার ওয়েস্টার্ণ মিলন [এ মিনি রিসার্চ] - নিস্সঙ্গ যোদ্ধা
- সচলায়তনে কমিউনিটি ফ্যাসিজম : ব্লগারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ আছে - ফিউশন ফাইভ
- আমাদের ৭ পাগলের সিলেট ভ্রমণ। - অলস_আমি
- "রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট": আমার তৈরী করা বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম
......সবার কাছে রিভিউয়ের অনুরোধ - সিউল রায়হান
- রাজধানীর ঢাকায় কোথায় কোন অডিটরিয়ামঃ - জুল ভার্ন
- Photoshop ও Gimp এর টিউটেরিয়ালের জন্য দারুন কয়েকটি সাইট। - নির্জন রহমান
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- মেটালময় ২০১০ - প্রিয়তমেষু
- আসুন পরিচিত হই এক জগৎ বিখ্যাত কল্প-বিজ্ঞান সিরিজের সাথে (ডাউনলোড লিংক সহ!!!
)। - সাদাচোখ
- ~ উইন্ডোজ সেভেন এক্টিভেশন ক্র্যাক (আর.সি. সাপোর্টেড) ~ - পাপী
- মেগাআপলোড থেকে বসে বসে মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করার আর একটি তরিকা! - বিডি আইডল
- স্ক্রু কাহন - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- ফরম্যাট নিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা - স্বাধীনতার বার্তা
- ২০০৯ এর সুরগুলোঃ এলবাম কালেকশন ০১ (মেটাল ও রক) - প্রিয়তমেষু
- আমার পড়তে ভাল্লাগেনা - পাহাড়ের কান্না
- অাসেন কিছু চাঁটগাইয়া ভাষা শিখি......







- লবঙ্গ
- মিউজিক এডিটিং বিষয়ক দুটি কাজের সফটওয়্যার - আরিফ বল্গ
- চিম্বুক, নীলগীরি, বগা লেক - নীল ভোমরা
- গল্পঃ সাধাসিধে অলৌকিকতা - আকাশ_পাগলা
- উবুন্টুতে গুগল ক্রোম - সৌরদীপ্ত
- কিছু কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের ফ্রি আল্টারনেটিভ - অজানা এক পথিক
- নিকট ভবিষ্যতে সামহোয়ারইন......
(ফান পুস্ট,
মডুরা বেরসিকের মত ডিলিট মাইরেন না) - রোবোটিক্স
- Craagle দিয়ে খূজে বাহির করুন যেকোন সফটওয়্যারের ক্র্যাক/সিরিয়াল নাম্বার(জটিল জিনিস) - ত্রিকাল
- সিংহের খাঁচা (এডভেনচার কাহিনী) - আরাফাত৫২৯
- হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম



- পারভীন রহমান
- ইন্টেল পিসিতে ম্যাক ওএস এক্স ১০.৫ ইন্সটল করুন - মাকসুদুল আলম
- ওয়েবের যেকোন নন-লিংক টেক্সট কে ক্লিকেবল লিংকে পরিণত করুন নিমিষেই! - রোবোটিক্স
- উইন্ডোজ এর কিছু মজার এরর মেসেজ!! - নিরব হাসি
- ঢেকি পোষ্টঃ কিভাবে আপনার ম্যাকবুকে উইন্ডোজ ইন্সটল করবেন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১) - মাহমুদ সিএসই
- [আপডেটেড] গুগল ওয়েভের চোখ ধাধানো রিভিউ! ~ সাথে ফ্রি ইনভাইটেশন!

- আমড়া কাঠের ঢেকি
- কয়েকটি ওয়েব সাইটের লিংক যেখান থেকে পেতে পারেন সম্পুর্ন গেম,মুভি,সফটওয়্যার,ই-বুকের ডাওনলোড লিংক। - গিফার
- সহজেই ব্যবহার করুন আমেরিকা, ইল্যান্ড এর IP adress আর লুকান বর্তমান Ip Adress - সজীব রহমান
- মেগাআপলোডের প্রিমিয়াম ইউজার হয়ে যান নিমিষেই! - বিডি আইডল
- তারা আসলে লুল !! (ট্রাকভর্তি নারীবাদী ডায়লগে ভর্তি)


- আকাশ_পাগলা
- সাই ফাই: সারপ্রাইজ!!! - আজম
- Up পিক্সারের যে নতুন এনিমেশন মুভির জন্য অনেকদিন অপেক্ষা.... - বিডি আইডল
- অবশেষে... আপনার মূল্যবান ব্লগের ব্যাকাপ রাখুন নিরাপদেই!
- রোবোটিক্স
- গণিতের সপ্ত কৌতুক (৪) - ম্যাভেরিক
- ব্যাঘ্র মামার আস্তানায়ঃ এবার সবিস্তারে - ভাঙ্গা পেন্সিল
- অ্যান্ড্রয়েড প্রোগ্রামিং শুরু হোক এখান থেকেই - কার্নেল
- বসুন্ধরা সিটিতে, আলো ঝলমল রাতে - ফারহান দাউদ
- ইন্জিনিয়াররা না থাকলে!!! [ফানি + ফটো] - নামহীনা
- ছবি তোলা এবং আরো কিছু আবোল তাবোল - অপরিচিত_আবির
- ভড়কে যান ভড়কে দিন(নোটপ্যাড এর কারিশমা) - আলামিনস্টাইন
- Task Manager, Folder option, Registry edit Disabled(!!)??? [Solve] - ইউনিকম
- এই কয় দিনে যে ছবি গুলো দেখছি আর দেখবো
- বিডি আইডল
- WTF!!! আসুন সহজে খুঁজে বের করি ফন্ট!
- নাফিস ইফতেখার
- Miracle of Allah (মোটা মাথার লোকজনের প্রবেশ নিষেধ) - লুথা
- আমরাই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ টি-টোয়েন্টি দল :: এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে উল্লসিত জুনায়েদ সিদ্দিকী - মেহরাব শাহরিয়ার
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- কমেডি নাকি ট্রাজেডি (পর্ব – ৬) !!!! - আকাশ_পাগলা
- সাইয়েন্স ফিকশন: বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প - আজম
- আমার দশটি পুরানো (৩৬+) কৌতুক - আখসানুল
- উবুন্টু ৮.১০ ইন্টারপিড আইবেক্স ইনস্টলেশন পদ্ধতি - ধাপে ধাপে - মাহমুদ সিএসই
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার -২ : ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেশন, গুগল প্রোফাইল এবং অন্যান্য ! ! ! - পাপী
- বুয়েটের ০৭ ব্যাচ এর লেভেল পূর্তি উদযাপন আর বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য কোচিং সেন্টারের ব্যবহার - আমড়া কাঠের ঢেকি
- গণিতের সপ্ত কৌতুক - ম্যাভেরিক
- কল্প-গল্পঃ পেছনের কোন মুহূর্তে (শেষ পর্ব) - আকাশ_পাগলা
- নাস্তিকতার তাসের ঘর চুরমার করে দেরে তৌহিদী দল - নূরুল্লাহ তারীফ
- মজাসে উবুন্টুতে বাংলা ইউনিজয় লিখুন। - শরীফ উদ্দীন
- উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
উবুন্তুতে মোবাইল / এজ মোডেম দিয়ে ইন্টারনেট খুবই সোজা!
- 'লেনিন'
- ফটো রসিকতা - ৩ [
] - শূন্য আরণ্যক
- স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে - হিমু রুদ্র
- প্রসঙ্গ: এপ্রিল Fool: আসুন একটু ভাবি.. - ইঊসুফ সুলতান
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- নাস্তিকতা - আমড়া কাঠের ঢেকি
- সিস্টেম এ্যাডমিনিস্ট্রেটর সংগীত (অনুবাদকৃত)
- নাফিস ইফতেখার
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- উবুন্টুতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার : স্থায়ী সমাধান
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- সিটিসেল ZOOM ব্যবহার করুন এবং গন্ডার হউন। - রাহিদুল সামান্না রকি
- শূকর খাওয়ার প্রতিফল ! (উৎসর্গ ব্লগার 'দুরের পাখি' ) প্রথম পর্ব । - জেমসবন্ড
- মার্কিনীদের কাছে, গাযা-অভিযানের অন্যরকম স্বাদ - অকাটমুর্খ
- যুদ্ধাপরাধ কি, কারা যুদ্ধাপরাধী? - আবূসামীহা
- জেনে বা না জেনেই হোক, ইসরায়েলী হামলায় কেন অংশগ্রহন করছেন? - ত্রিভুজ
- ডলার, জোড়াপাতা পাসপোর্ট- সমস্যার কি শেষ আছে? - শাহরিয়ার নির্জন
কলিমুদ্দিনের ফ্রাইড চিকেনে তাহাদের ভালবাসা আর আমরা অসভ্য কয়েকজন (১৮+)
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
অসভ্য পোস্ট, বাচ্চাকাচ্চারা দূরে থাকো
পূর্বকথা
আমি আর আমার স্কুলজীবনের দু'একজন কাছের বন্ধু। তখন তাও দু'একজন ছিল, এখন শুধু একজনই আছে, যারা কিনা কোনদিনই সভ্য হয়ে উঠতে পারলাম না। স্কুলের ক্লাসের ঝামেলা শেষ, এই.এচ.সি পরীক্ষার দৌড়ানি আর মডেল টেস্টের নামে ফাকিবাজি- বাউন্ডুলে জীবনের সাথে পরিচয়। সেইসময়ের কথা, মাথা ছোট ছিল কিন্তু সেই ছোট্ট মাথাটাই দুনিয়ার সব অসভ্যতায় সয়লাব - নাহলে কেন ভার্সিটি পড়ুয়া তরুণ তরুণীদের ঘনিষ্টতম দৃশ্যগুলো দেখার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসার বাইরে ঘুরবো? সেই সময়ের ছোট্ট ছেলেগুলোর শয়তানের আশির্বাদপুষ্ট চোখগুলো খুব একটা সংযম মানতে চাইতো না। বড়দের ঘেষাঘেষি করে বসে থাকা ফুটপাথে হাটতে হাটতে হাটতে হঠাৎ চোখ আটকে যেত আঠা লেগে আটকে যাওয়া ঠোটজোড়ায়, কখনোবা ফুটপাথে কখনো হুডতোলা রিকশায়।
ছোট মাথায় এতকিছু ঢুকতে চাইতো না। বরং উল্টো যৌবনের চাহিদা মেটানো যুগলদের অসভ্যের কাতারে ফেলে দিয়ে নিজেরা উপহাস করতাম ওদের নিয়ে। হাহাহা......এদের ঘরবাড়ি নাই......রাস্তাঘাটে কিস! বাড়িঘরে যে প্রেম ভালবাসা হয়না সেই মস্তিষ্ককে এটা বোঝাবে কে? আস্তে আস্তে অসভ্য ছেলেগুলো বড় হলো, এখন আর এসব দৃশ্যে খুব একটা চোখ তুলে তাকানো হয়না। বয়সের দোষে শারীরিক ভালোবাসা গ্রহনযোগ্য হয়ে গেছে বা "বড়দের ব্যাপার" গুলো চোখে সয়ে গেছে। তারপরও বেইলি রোডে হুডের আড়ালে আটকে পড়া ঠোট দেখলে ছোটবেলার অসভ্যপনা জেগে উঠতো আবার। হিন্দী ছবি দেখি না। ইংরেজি ছবি দেখা হয় বিস্তর - তাই কিসিং-সিন পানিভাত বলা যায়। তবুও বাঙালি ললন-ললনাদের আলিঙ্গন কিংবা চুম্বন - এটা কেন যেন চোখে বেশি লাগে। ছবিতে তো ওরা অভিনয় করে, ওটা যে অভিনয়ই সেটাও বোঝা যায় ভালোমতই। ছবিতে যত এডাল্ট দৃশ্য থাকবে, ছবির কাটতি তত বাড়বে। যেমন কোন কাহিনী না থাকার পরও রিডার ছবির প্রথম বিশ-পচিশ মিনিট মনে হয় অনেকেই দেখেছে। এত কিছু দেখতে দেখতে চোখ ট্যারা হয়ে যাওয়ার পরেও সামনাসামনি চুম্বনদৃশ্য দেখে হতভম্ব হওয়া কেন? হায়রে অসভ্য ছেলের দল, দুনিয়ার আর কেউ দোষ করলে সমস্যা নাই, শুধু বাঙালির ব্যাপারে যত আপত্তি!
উঠতি বয়সী পোলাপানদের "লাভমেকিং" এর আরেকটা ভালো জায়গা সিনেমাহল, এটা আবিষ্কার করলাম কলেজে পড়ার সময়। আমারই বা দোষ কি - সিনেমা হলে তো যাই না কখনো, বসুন্ধরা সিটির সিনেপ্লেক্স হওয়ার পরে সিনেমা দেখার শখ মেটানোর খায়েশ জন্মালো। স্কুল-কলেজের বন্ধুবান্ধবের গ্রুপটা বেশ ত্যাদোড় (হাতে-মুখে লাগাম নামের জিনিসটা কখনৈ লাগানোর প্রয়োজন পড়েনাই
) ছিলাম। মাঞ্জা মেরে বার হওয়া "টাফ-গাই" মার্কা গেট-আপের ছেলেটার সবচেয়ে বড় উইকপয়েন্ট যে সাথে থাকা মেয়েটা- এটা বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধিমান হওয়া লাগেনা। (টিজিং থেকে বাচার জন্য এইসময় ছেলেরা সাধারণত: ঝামেলা এড়িয়ে যায়) কাজেই সামনের সিটে দুপাশে দুই মেয়েকে বগলদাবা করে বসে থাকা ছেলেটা যে সিটে বসেছিল, সেটাকে পা রাখার জায়গা হিসেবে বেশ মনে ধরল। সিটগুলো পেছনের সারিতে আস্তে আস্তে উচুতে উঠে গেছে, তাই সামনের সারির সিট টা পেছনের সারি থেকে বেশ খানিকটা নিচুতে। সামনের সিটের রোমিও একটাতো নাই, দু দু'জন সঙ্গীনিসহ, কাজেই সে যথারীতি গেঞ্জামে গেলনা, ছেলেটার সিটের ওপর পা উঠিয়ে বসার পরেও। কিন্তু ছবি শুরু হওয়া মাত্র যে খেল দেখালো তারা, আমরাই টাশকিত! মেয়েটার লম্বা চুলে ছেলেটার মাথার পুরোটুকুই ঢেকে গেছে, দুটো মাথা আর আলাদা করা যাচ্ছে না।
আমরা নাহয় বান্দর পোলাপান, পাশে বসে থাকা সিনিয়র বা জুনিয়র কাউকে তোয়াক্কা না করে তাদের লাভমেকিং দেখে ছবির কথাই গেলাম ভুইলা। সিনেমা হলে যৌবনের জ্বালা মেটানো যুগলদ্বয়ের ভালবাসা দৃশ্যে তখন এই অসভ্য ছেলেগুলো মুগ্ধ বিমোহিত।
আমার মত অসভ্য ছেলেমেয়েদের চোখে সন্ধ্যাবেলায় টিএসসি'র পাশের ফুটপাথে ঘেষাঘেষি করা যুগলদের প্রেম ভালোবাসা যতই উপভোগ্য হোক না কেন, সেটা অন্যদের চোখে কেমন লাগে সেটা মনেহয় একটু ভাবা দরকার। ঐ এলাকায় বাচ্চাকাচ্চাদের অনেক স্কুল কলেজ আছে। বাচ্চা বলেই তারা যে সূর্য ডুবে গেলে আর বাসা থেকে বের হবে না এমন না। টিভির মায়া ফেলে ফুসফুস ভরে একটু বিশুদ্ধ অক্সিজেন নিতে ঘরের বাইরে না বেরোলেও, আধুনিক মায়েদের আদরের আতিশয্যে আটটা সাবজেক্টের জন্য আটটা টিউটরের কাছে পড়ার জন্য এরা দৌড়ের ওপরে থাকে। এসব বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলোর চোখে পাবলিক-প্লেসে প্রেম ভালোবাসার নামে অসভ্যতা কিভাবে ঠেকবে সেটা কেউ চিন্তা করে কি? হাতে হাত ধরে বসে থাকা প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসা সবসময়ই সুন্দর, কিন্তু সৌজন্যতার তোয়াক্কা না করে প্রেমের নামে অসভ্যতা, পাবলিক প্লেসে চুমু কিংবা শরীরের যেখানে সেখানে হাতের অবাধ বিচরণ - এসব নোংরামী কোন যুক্তিতে গ্রহণযোগ্য? ছোট ছোট চোখগুলোর কাছে এদৃশ্য কিভাবে আসে সেটা বড়দের মাথায় ঢোকার কথা নয়। পার্কে ঘুরতে যাওয়া ছোট্ট ছেলেটা কিংবা মেয়েটার মাথায় এই দ্বশ্যগুলো স্থায়ী না হলেও, বেশ বড় একটা সময়ের জন্য ঢুকে যাবে না?
হ্যা, একসময় এটাই কালচার মনে হবে ওদের কাছে! পাবলিক ভার্সিটির কথা বললাম, উত্তর দক্ষিণের নামী দামী প্রাইভেট ভার্সিটর দিকে চোখ তোলার সাহস নাই। ভার্সিটি একটা উদাহরণ মাত্র, এই বয়সটায় ছেলেমেয়েগুলো কাছে আসার অনেক সুযোগ পায়, তবে কলেজে বা স্কুলে পড়া পোস্ট-মর্ডার্ন ছেলেমেয়েদের মধ্যেও এটাকে কালচার মনে হওয়া অবাস্তব না।
আমি মানুষটা বেকুব, তাই প্রগতিশীল কিছু দেখলেই গলা শুকিয়ে পানির পিপাসা পেয়ে যায়। পাবলিক প্লেসে কাছের মানুষটার সাথে ঘনিষ্ট হওয়াটা কি এতই জরূরী? এটা আমাদের মত অসভ্যের মাথায় ঢুকবেনা। তবে জ্যাম হয়ে যাওয়া মাথাটায় এটা কেন জানি মনে হয়, যে কাজটা নিজের জন্য অনেক বেশি উপভোগ্য, সেটার মজা নেওয়ার আগে পাশের লোকটার মূল্যবোধের মর্যাদা দেওয়া উচিত। পাশের দেশটার কালচার আর আমাদের কালচার এক নাও হতে পারে! নিজে যেটাকে ভাবছি প্রগতিশীলতা, এডভান্সড, সেটা আশেপাশের অন্য কারো কাছে পুরোপুরি অসভ্যতা মনেও হতে পারে। এতই ভালবাসা? শরীর না মানলে তার জন্য ভালো জায়গা আছে, সেখানে যাওনা কেন? সবার সামনে নিজেদের এক্সপোজ করার মত মানসিকতা কি উন্মাদনা নয়? প্রগতিশীলতার ক্ষেতা পুড়ি! মেকাপ, ব্রেকআপ যে আজকাল কথায় কথায়, কারণ টা কি? প্রেম যদি সত্যিকার অর্থেই হয়, সেটার প্রতি সম্মান দেখানো উচিত। সবার সামনে গার্লফ্রেন্ডের ঠোটে ঠোট সেটে দেওয়া বা বয়ফ্রেন্ডের কাধে ঝুলে পড়ার নামে শো-অফ যে কয়দিন টিকে সবার জানা আছে!
এতটুকু পড়ার পর কে কি ভাবছে একটু বোঝার চেষ্টা করি! যারা এখনও পড়ছে তারা মোটামোটি নিশ্চিত আমার মাথায় থার্মোমিটার ধরলে সেটা ফেটেফুটে যাবে, আর অনেকে অবশ্য প্রগতিশীলতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুজে পেয়ে মাইনাস দিয়ে চলে গেছে। যাইহোক, কষ্টকরে এই অসভ্যপনা যারা পড়েই ফেলেছেন, আরেকটু পড়েন। পূর্বকথা এখানেই শেষ, এখন এবারের ঈদের কাহিনী! পোস্ট শেষ করার পর আমার ধারণার সাথে সহমত কয়েকজন হলেও হতে পারেন!
বুড়া ব্যাটার নাম জানিনা, ধইরা নেন কলিমুদ্দি। হেয় মুরগি ভাইজা বেচে, সেই দোকানে (কলিমুদ্দীর ফ্রায়েড চিকেন
) ঈদের দিন বিকেলে পোলাপান সহ আমরা বান্দর গ্রুপ হাজির হৈলাম। ঈদের দিনের একটা জিনিস মজার, ধানমন্ডি লেকের পাড়ে কি রাইফেল স্কোয়ারে, বেইলী রোডে কি থান্ডারবোল্টে সবখানেই সব ধরণের মানুষের মেলা। এসির বাতাসে বড় হওয়া হট 'চিকস'দের পাবেন, হালের ফ্যাশনসচেতন ডিজুস তরূণীদেরও পাবেন, তাদের সঙ্গদেওয়া হিমেশদেরও অভাব নাই, তাই আমাদের মত যারা নির্লজ্জের মত মজা দেখে - এইসব অসভ্যদের জন্য ঈদ, পূজা, পয়লা বৈশাখ হল আশির্বাদ। বৃষ্টিতে সকালটা মাটি, ঘুমায়া দুপুর পার করে দেওয়ার কথা ভাবতেছিলাম, সেইসময় বন্ধুজনের প্রস্তাব - ইউটার্ন দেখতে বেরোবার। আমি আবার ঐযে, অসভ্য কিনা, প্রস্তাব তাই সাদোরে গৃহীত হল। ধানমন্ডির দিকে কিছুক্ষণ ঘুরেটুরে, ইউটার্ন আর জনদের ঈদ করা দেখে, আরো বেশি কিছুর প্রত্যাশায় কলিমুদ্দির দোকানে ঢুকলাম। ভীড় যথারীতি, মেয়েদের একটা গ্রুপ উঠে যাওয়ার পর তাদের জায়গা গুলো দখল করে ফেললাম। ইউটার্নদের দেখাই কলিমুদ্দির ফ্রায়েড চিকেনে যাওয়ার মেইন কারণ ছিল, তয় কোনার টেবিলে বসা এক ইউটার্ন আর তার জন আমাদের দিল মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। এত এত মানুষ চারপাশে, সবার চোখের সামনে ভরদুপুরের আলোয় তাহাদের ভালোবাসাসিক্ত চুম্বন, আর আমরা ক'জন অসভ্যের জন্য নির্লজ্জ্ব ঈদ বিনোদন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অসভ্যতা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
না দেখাইলে বুঝবেন কেমনে উনারা প্রেম করিতেছেন ?
লেখক বলেছেন: ঐটাই ![]()
তয় দেইখা বেড়াইতে আমারও ভাল্লাগে।
আমিও পারভার্ট
খেকজ
লেখক বলেছেন: হা হা হা!
দেইখা বেড়াইতে আমারো যে ভালা লাগে এইটা অস্বীকার করুম না, তয় সবার কথা একটু ভাবা দরকার। ছোট ভাইবোন বা বাপের লগে ঐদিকে গেলেতো চিপায় পড়ি ![]()
রাজামশাই বলেছেন:
হ
লেখক বলেছেন: রাজামশাইরে আইলসামি ধরছে ![]()
লেখক বলেছেন: ঈউঠানের ফ্রেমে হাডুবুডু খাওনের আগে আমার তিনবার ফাসি হোক।
![]()
তয় নামটা ভালা পাই, আমার সৌজন্যে আমার নন-ব্লগার ফ্রেন্ডরাও ঈউঠার্নরে বাজওয়ার্ড বানায়া ফেলছে!
ঘাসফুল বলেছেন:
বাপ্রেহ্... থিসিস ভচ টাইপ হৈছে
লেখক বলেছেন: থিসিস? বাপ্রে! ঐটা পাগলা'র কাম। কমেন্টের জন্য আপনাকে ধইনাপাতা ![]()
চাচামিঞা বলেছেন:
@কুচ্ছিত হাঁসের ছানা চলেন একটা পারভার্ট গ্রপ খুইলা ফালাই।
লেখক বলেছেন: জোস আইডিয়া
তয় আপনি চাচীর দৌড়ানি খাইবেন না তো!
লেখক বলেছেন: খাড়ান পলিটিকাল ব্যাপারে নাক গলানোর আগে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেইকা মুক্তি নিয়ে নেই ![]()
রোহান বলেছেন:
হে হে হে এইডা ডেইলির ঘটনা। কয় মাস আগে মোহাম্মদপুরে এক ছেলে মেয়েটাকে নামায় দিয়ে যাচ্ছে রিকশা করে, মেয়েটে নেমে হটাৎ ছেলেটেকে সুন্দর টেনে এনে কিস করে চলে গেলো। বাংলাদেশে এমনটা দেখে তো আমরা অভ্যস্ত নই তাই চোখ বড় বড় করে তাকায় থাকলাম, তবে ওরা বোধহয় অভ্যস্ত তাই কোনো বিকার দেখলাম না।কুদ্দুস চাচার দুকান রে ভালো পাই। চাচার দুকানে গেলে পেট আআর চোখ দুয়েরই খোরাক মেলে
লেখক বলেছেন: আগে শুধু ধানমন্ডি গুলশানের দিকে এসব দেখা যাইতো। তয় শুধু হেরা মজা নিবো আর বাদবাকি আমজনতা আন্গুল চুষবো এইটা তো হৈবার পারেনা! এখন ডেটিং প্লেসগুলায় ফিজিকাল লাভমেকিং কমন হৈয়া গেছে। সত্যি কথা বলতে কি, কোন একদিন এসব আমাদের চোখে সয়ে যাবে! এম্রিখায় যেমন দুইডা পোলা হাত ধইরা হাটলে সবাই চোখ বড় কৈরা তাকায়, আমাগো দেশেও কোনদিন এদের েগ বানায়া দেই আল্লাহ মালুম! ![]()
লেখক বলেছেন: সময় থাকতেই আগুন নেভানো উচিত ![]()
লেখক বলেছেন: চোখে সয়ে গেছে। তবে মাঝে মইধ্যে ধইরা পিটাইতে মঞ্চায়
সায়েম মুন বলেছেন:
এত এত মানুষ চারপাশে, সবার চোখের সামনে ভরদুপুরের আলোয় তাহাদের ভালোবাসাসিক্ত চুম্বন, আর আমরা ক'জন অসভ্যের জন্য নির্লজ্জ্ব ঈদ বিনোদন।ভাল বিনোদন- কষ্ট কইরা আর আংরেজী ছবি দেখতে হবেনা।
লেখক বলেছেন: কি আর কমু, এই কাহিনীর পর পুরা বেকুব হৈয়া গেছিলাম। এত মাইনষের সামনে কেমনে করে এইসব! ![]()
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
হুঁ জিনিসটা আসলেই আমাদের সংস্কৃতির সাথে যায়না, সেজন্যই অনেকের চোখেই খারাপ লাগে...তবে ঠিক মতো খেয়াল করলে দেখবেন আপনার লেখাটার বিষয়টা বাদেও কিছু সামাজিক আচরণ অনেক র্যাপিডলি চেন্জ হচ্ছে। হয়তো একসময় সেগুলোর মতো এই ব্যাপারটাও সয়ে আসবে আমাদের চোখে...
লেখক বলেছেন: সব বয়সের সবার চোখে সবকিছু শোভন লাগবেনা এটাই বোঝাতে চেয়েছি। অবশ্য কয়েকবছর পরে দেখবেন এটাই ন্যাচারাল হৈয়া যাইবো!
লেখক বলেছেন: সহ্য সীমার বাইরে এর মাঝেই চলে গেছে............ লাগাম টেনে ধরার সময় বোধহয় এখুনি ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
ধইনা!
নাঈম বলেছেন:
এরই নাম সভ্যতা, তাই নয় কি?
লেখক বলেছেন: এর নামই সভ্যতা। তয় আমি এখনও অসভ্যই রয়ে গেলাম! ![]()
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমি কি ব্যাপারটা সমর্থন করছি? না তাও না, কারণ আমি নিজেই ব্যাপারটাতে অস্বস্তিবোধ করি। তবে এটাও বুঝি - উপরে যা বললাম সবই ট্রু ফ্যাক্ট। বলা যেতে পারে আমি বাস্তবতা মেনে নিতে শিখেছি তা যতই রূঢ় হোক না কেন।
লেখক বলেছেন: সেটাই
কেউ এসব নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনা আজকাল। আমার বয়সী কারো কাছে এটা হয়তো খারাপ লাগবে না খুব একটা, কিন্তু সবাই যে আমাদের মতই এটাও তো ঠিক না!
সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, নৈতিকতা গোল্লায় গেছে এসব কথা বাদ! ঈদের পরদিন ডাক্তারি পড়া ফ্রেন্ডের কাছে মজার কাহিনী শুনলাম। নতুন পোস্টে বলবো ![]()
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভাল+++
লেখক বলেছেন: থেংকু
নাঈম বলেছেন:
আমি,আপনি, আমরা গুটিকয়েক অসভ্য , কিন্তু বাকি সবাই সভ্য।
লেখক বলেছেন: ![]()
ঘুম নাই বলেছেন:
এর লাইগাই বন্যস হওয়ার সাথে সাথে পোলাপানের বিয়া দিতে হয়। নিজেগো বাসা থাকলে আর এই সব রাস্তাঘাটে করবে না
লেখক বলেছেন: হেহেহে! পানিশমেন্ট তো কড়া হৈয়া গেল! ![]()
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
হায়রে Uটার্ণ!
লেখক বলেছেন: আর তার জন!
ঘুম নাই বলেছেন:
বয়স**
চাচামিঞা বলেছেন:
বিষয়গুলো স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিলে আর সমস্যা হয় না....আর আজকে যারা রাস্তায় বা অপেন প্লেইসে চুম্বন করছে....বিয়ের পরে তার বাসাতেই করবে...এই ব্যাপারে সিয়র থাকতে পারেন। মনে রাখবেন .....আমরা সবাই সুযোগের অভাবে চরিত্রবান....লেখক বলেছেন: আমরা সবাই সুযোগের অভাবে চরিত্রবান... ![]()
লেখক বলেছেন: আমার কিন্তু ব্যাকডেটেড আমি-কেই ভাল্লাগে
তয় ভয়ে আছি, কোন দিন না মডার্ন জেনারেশনের আপগ্রেডেশন প্যাক ইনস্টল হৈয়া যায় ![]()
স্বপ্নকথক বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা
ঐ সময় এই গান দিত, এখন গানের ফলাফল চলতেছে। ছোটবেলায় কিস দৃশ্য সিনামায় দেখলেও কোন ফিলিং নাই, মাগার বয়স হ্ওয়া মাত্র-ই ঐসব দেখলে মাথা ঘুরত
লোকদেখানো ভালবাসা লোকদেখানোতেই থাকে, তা আর বাস্তব হয়না। কয়দিন পর ঐ উটার্ণ রে দেখবেন জন বাদ দিয়া জনি-র সাথে ঘুরতেছে
আর আমরা শালা বেকুবের দল খালি দেখেই শিখার চেস্টা করি...
লেখক বলেছেন: হাচা কইছেন! উটান আর জনগো কাছে মেক-আপ, ব্রেক-আপ মামুলি ব্যাপার। বরং কিছুদিন পর পর বয়ফ্রেন/গালফ্রেন না পল্টাইলে হেরা মনে হয় আর স্মাট থাকবার পারে না।
আয়েন আমরা বেকুবরা কিছু শিখার চেষ্টা করি! ![]()
লেখক বলেছেন: নষ্ট হয়ে গেল............সব নষ্ট হয়ে গেল ![]()
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
মেকাপ, ব্রেকআপ --- ইয়ে, থাম্বস-আপ টু ইউ! নাহ, তোমারে লিঙ্কু না করলে হইতেছে না! ------------------------------------------------------------------------
একখান দামী কথা পাইলাম কমেন্টে, আমরা সবাই সুযোগের অভাবে চরিত্রবান...
লেখক বলেছেন: লিংকু! ধইনা আরাফাত ভাই। সাহস পাইলাম! ![]()
কথাটা আসলেই দামী। সুযোগ সময় আইলে কেউই ছাড়বার চায়না!
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা। জাহাঙ্গীরনগর নিয়াও কাহিনী শুনতে শুনতে টায়ার্ড হইয়া গেছি। ক্যাম্পাস ঘুরতে গেছিলাম, সব ক্যাম্পাসের দোষ!
টিএসসির সামনের রাস্তার কথার আর কি কমু, দেখতে দেখতে বড় হৈছি
বেইলীরোডও কম যায়না। আর 'অভিজাতপাড়া' বনানী তো গুরু এইসবের, কিছুই কওনের নাই ![]()
মুনশিয়ানা বলেছেন:
পাব্লিকপ্লেসে ভালবাসা দেখানো, চুমু খাওয়া আগামীতে আরো বাড়বে... ট্রেন্ডটা সেদিকেই। আমাদের চোখ সইতে সময় লাগবে...আশা করি এক সময় আমাদের চোখ অভ্যস্ত হয়ে উঠবে...
লেখক বলেছেন: চোখ অভ্যস্ত হয়ে উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। এখনই প্রায় চোখে সয়ে গেছে।
তবে ট্রেন্ডটা কি ভালোর দিকে না মন্দের দিকে সেটার মাথায় রাখা দরকার
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
এসি তা বড় হওয়া হট চিকস ছাড়া বাকিদের কে নিয়ে গড়া জুটির এসব কার্যকলাপের পূর্ণ দায় শুধুই ছেলেদের।একটা ছেলেই মেয়েদের এসব শিখায়। হয় তার এই বয়ফ্রেন্ড শিখাইছে, নয়ত আগের জন। কিন্তু এই আচরণ শিখায় ছেলেরাই।
(কে ভাল কে খারাপ, সেটা অন্য হিসাব কিন্তু! আমি শুধু পাবলিক প্লেসে কিসের ব্যাপারেই বলছি) পার্টনারের প্রতি সম্মান থাকলে কিন্তু আশেপাশের লোকজনের সামনে তার সাথে বেলাল্লাপনা করবে না কোন ছেলেই।
এটার উলটা হিসাবও আছে। একটা ছেলে আর একোটা মেয়ে পার্কে খুব ভদ্র ভাবে বসে থাকলেও অনেক ছেলেরা বা আজেবাজে পোলাপান খুব বাজে আচরণ করে। মেয়েটাকে বিরক্ত করে। ছেলেটাকে অকারণে চ্যালেঞ্জ দেয়। এইটা কিন্তু আরও বেশি খারাপ, কারণ এটার সাথে নৈতিকতা আরও বেশি জড়িত।
লেখক বলেছেন: দায় শুধুই ছেলেদের কিনা জানিনা। সবাইকে একই লাইনে দাড় করিয়ে দিলে হয়তো ভুল হবে, মেজরিটির কথা বললে ঠিক আছে হয়তো।
উল্টা হিসেবটাও মিথ্যে নয়...........তবে টিজিং মনে হয় এখন কমে আসছে। গার্লফ্রেন্ড না থাকলে পার্কে যাওয়ার টাইমও মাইনষের আছে কিনা সন্দেহ! মানে যেই ছেলেটার কাজকাম আছে তার টিজিং করার টাইম নাই। আর যেসব পার্কে হেরোয়িঞ্চি, গাজাখোড়দের দৌরাত্ম্য সেগুলো এভয়েড করাই ভাল
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
তুমি দিনে দিনে আরও চরম চরম লিখতেছ। আসলেই।
লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে........... ![]()
থেংকু.......কাল রাইতেই লিখছিলাম। পাচটার দিকে।
লেখক বলেছেন: আরে ভাই ওরাই তো আধুনিক বিশ্বের সাথে চলছে তালমিলিয়ে.......দোষ আমাদেরই
আমগো মত অসভ্যগুলারে ধইরা ডলা দেওয়া দরকার
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ভালোই তো!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
কি আর কমু!সবাই তো পারে না করতে তয় সবাই মনে মনে চায়।কেউ ঘরে/কেউ বাইরে।এই তফাত।
লেখক বলেছেন: ঢাকায় থাকবেন অথচ পাবলিক প্লেসে প্রেম ভালবাসা দেখবেন না এটা হৈতে পারেনা! সবাই মনে মনে চায় এটা ঠিক আছে, তয় শো-অফ কখনোই ভালো হবার কথা না ![]()
লেখক বলেছেন: সামনের কোন ফেস্টিভালে আইসা পইড়েন কলিমুদ্দি'র ফ্রায়েড চিকেনে, একলগে পিরীত দেখুমনে ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
কমেন্ট দিছেন ভাই একখান!
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আর কথা হইলো গিয়া-মনের মইধ্য অনুভব করার শক্তি কমতে থাকলে সেই অনুভব বাইরে 'দেখানো'র খাসলত তো বাড়বোই। আমার নিজের বুঝ-এর মইধ্যে, মরমের মইধ্যে যদি আমি কারোরে ভালোবাইসা জায়গা দিতে না পারি, তয় হাতের মইধ্যে ঠোটের মইধ্যে জায়গা দেয়ার চেষ্টা চরিত তো বাড়বোই।
এবং ব্লগার যেমনটি আশা প্রকাশ করতাছেন, তাতে কইরা এইটা কওন যায় যে- ধীরে ধীরে অনেকেই এই অন্তর-সার-শুন্যতার প্রকাশ দেখতে অভ্যস্ত হয়া যাইবো!
লেখক বলেছেন: ক্লাসিক কমেন্ট, সহমত। বাইরের ফুটানি ভেতরের অন্ত:সারশূন্যতারই বহি:প্রকাশ!
লেখক বলেছেন: ফটু! হেগো কাহিনী দেখার পরে তো হা হইয়াই ছিলাম পাচ মিনিট
অলস ছেলে বলেছেন:
নিজের বইন না হইলে দেখতে ভালোই লাগে, মন চায় .............. চোখে ঠুলি লাগাইতে হৈবো, কিছ্ছু করার নাই।
লেখক বলেছেন: ট্রান্সপারেন্ট ঠুলির ব্যবস্থা করন দরকার ![]()
কাঙাল মামা বলেছেন:
সবার সামনে গার্লফ্রেন্ডের ঠোটে ঠোট সেটে দেওয়া বা বয়ফ্রেন্ডের কাধে ঝুলে পড়ার নামে শো-অফ যে কয়দিন টিকে সবার জানা আছে+
লেখক বলেছেন: মামারে ধইন্যা ![]()
েপচাইললা বলেছেন:
ঢাকার এক্টা ডি-জুস মাইয়ার লগে প্রেম কর্তে মন্চায়। আমার তিনি গ্রামে থাকেন। আমি ছয়মাস-তিনমাসে একবার যাই। রিকসায় একদিন একটু হাত ধরেছিলাম, যে ঝটকা মেরেছিল সামনের তিন বছর আর হাত ধরার সাহস হবে না আমার।
ঢাকার ডি-জুস মাইয়া হইলে নিজের সাথে আরো অনেকের চোখের বিনোদোন দেয়া যাইত।
লেখক বলেছেন: ডিজুস মাইয়ারা কিন্তু শেয়ারে থাকে। আপনি একাই যে তার "উনা" হবেন এটার গ্যারান্টি চায়না মোবাইলের চেয়ে বেশি না ![]()
লুথা বলেছেন:
ফ্রী ফ্রী দেখতেছেন, মজা নিতাছেন...কি খুশি হয়া ওগোরে থাঙ্কু দিবেন, আজাইরা কথা শুরু করলেন... এইসব না দেখলে ঢাকা শহরে মানুষের বিনোদন কি ?? লাইভ বিনোদন + ফ্রী বিনোদন... এইসব দেখেন দেখেই তো মাথা ফ্রেশ আছে, ঠিক মতো পডাশুনা করতে পারতেছেন...
ওগোরে থাঙ্কু দেন...
লেখক বলেছেন: ওগোরে থ্যাংকু দিয়াই তো পোস্টাইলাম................
.......... আমগো মত কিছু অসভ্য পুলাপাইনগুলা পোংটাই রইয়া গেল মানুষ আর হৈল না!
পান্থ বিহোস বলেছেন:
টিএসসির আশেপাশে এবং দাদাচত্বরের কাহিনী দেখলে শংকা হয়। কিন্তু অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তবে একটা কথা না বইলা পারছি না।সেদিন শামসুননাহার হলে গেছি এক নিকটাত্মীয়াকে দেখতে। ওয়েটিং রুমে বসে আছি। এই সময় একটা ছেলে আর মেয়ে ঢুকলো সেখানে। মেয়েটি বোরকা পড়া ছিলো। ছেলেটিকে সোফায় বসতে বলে মেয়েটি টয়লেটে ঢুকে গেলো, একটু পর বোরকা খুলে এলো। তারপর দু'জনের কাহিনী দেখে টাশকিতো না হয়ে পারিনি।
শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমিই বের হয়ে এসেছি।
লেখক বলেছেন: পাবলিক সেন্টিমেন্ট যারা বোঝে না তাদের টাইট দেওয়া দরকার। পাবলিক প্লেসে এমন আচরণ কি ওদের স্ট্যান্ডার্ড বাড়ায় না কমায়? আমার মতে সবার সামনে নোংরামী করে যেইগুলা তাগো মত চরম ক্ষ্যাত আর নাই!
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
হা হা ব্যাপার না।আসলে ভালোবাসাজনিত আচরন কেমন হবে সেটা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা আমার নাই, কিন্তু এই গুলান পাব্লিক প্লেসে আসার কারন হইতেছে কারো নিজের বাসার (লিটনের ফ্ল্যাট না
লেখক বলেছেন: মানুষের স্বভাব কিন্তু বসতে দিলে শুইতে চায়........ ছেলেমেয়ের প্রেম স্বাভাবিক চোখে দেখার মাঝে কোন সমস্যা নেই, যতক্ষণ সেটা সত্যিকারের প্রেম থাকে......... না হৈলে "হালকা চুম্মাচুম্মি"র ওপর ভরসা করণ যাইতেছেনা! ![]()
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
*পাব্লিক প্লেসে আইসা পরত না খালি খালি*
রাজীব বলেছেন:
আপনি তো ব্যাপারটি বুঝেন নাই। ব্যাপার না ছোট মানুষতো বয়স হইলে সব বুঝবেন।ব্যাপারটি হচ্ছেঃ
তুমি কি আমাকে সত্যি ভালোবাসো?
-হ্যা
কতটুকু
-অনেক
দেখি তাহলে সবার সামনে কিস করে দেখাও তো
এইবার বুঝলেন?
লেখক বলেছেন: বুঝুমনা মানে! এক্কেরে এনার্জি সেভিং বাত্তির ঝকঝকা আলোর মত পরিষ্কার!
এম আই টু বলেছেন:
বি আই ফি এলাকায় থাকি।বাসায় যাই রোম্না পার্কের ভিত্রে দিয়া লেখক বলেছেন: কি আর করবেন! মাইনষের ক্যারেকটার দিনদিন বায়বীয় হৈয়া যাইতেছে....... কোন কার্টেসি মানবার চায়না ![]()
জনের নতুন গার্লফ্রেন্ড ইউটার্ন। বাসায় জনের বাপ মা ঘটনা শুনল। জনের মা জনরে কইল,"বাবা তুই ইউটার্নের লগে যা মঞ্চায় কর। কিন্তু বাসায় আইসা স্বীকার করবি। তাইলে তোরে আমি কুকি বানায় খাওয়ামু।"
জন কইল, "ঠিক আছে।"
প্রথম দিনের ডেটিং শেষে বাসায় ফিরে জন কইলো, "আজকে আমি ইউটার্নের হাত ধরছিলাম।"
মা জনরে এক বাটি কুকি দিল।
দ্বিতীয় দিনের ডেটিং শেষে বাসায় ফিরে জন কইলো, "আজকে আমি ইউটার্নরে কিস করছি।"
মা জনরে এক প্লেট কুকি দিল।
তৃতীয় দিনের ডেটিঙে যখন জন যাচ্ছিল তখন তার পিছনে পিছনে তার বাপ রওনা দিল। ঘণ্টাখানেক পরে জন বাসায় পৌছানোর আগেই তার বাপ তড়িঘড়ি করে ঢুকে জনের মাকে বলল, "ওগো তাড়াতাড়ি ফ্রুট কেক বানাও। আজ ওরা যা করছে শুধু কুকিতে চলবে না।"
লেখক বলেছেন: হেহে! আগেই পড়ছিলাম, তয় এখন পৈড়া মজা কমেনাই এট্টুকুও! ![]()
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
রাজীবরে জাঝা।চরম কমেন্ট।
আমি আমার কমেন্টে যেই লেখাটা লিখছিলাম, সেটা ঠিক মত বুঝাতে পারি নাই। রাজীব এক কথায় বুঝায়া দিছেন। চরম। আমি এমন কিছু ভেবেই বলেছি।
লেখক বলেছেন: আমি বুঝছি আগেই। তয় রাজিব তার কমেন্টে চরমভাবে কৈছেন!
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
তোমাদের মত তরুণতরদের সচেতনতা নিশ্চিত ভাবে আশা জাগানিয়া!তবে আমার এই সব দেখতে আগেও লজ্জা করত এখন ও করে ।
এদের সম্পর্ক আসলেই টেকে না ।
লেখক বলেছেন: এদের সম্পর্কতো লোক দেখানো......টিকবে কিভাবে!!!
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ঈদের পরদিন ডাক্তারি পড়া ফ্রেন্ডের কাছে মজার কাহিনী শুনলাম। নতুন পোস্টে বলবো কাহিনী শুনতে মঞ্চায়!!!
সেদিন পলাশীর মোড়ে এক মেয়ে তার উনারে যা যত্ন করে কিস দিল.. আম্রা মুগ্ধ!!! তয়, আফসোস.. দিবালোকে দেখার সৌভাগ্য এখনো হয় নাই
অরণ্যচারীর জোকসটা বড়ই মচৎকার হইছে।
লেখক বলেছেন: কাহিনী চরমভাবে ১৮+, সেন্সরে আটকায়া দিতারে ![]()
আর পলাশীর মোড়ে???!! কন কি! আমগো পলাশী এত এডভান্সড হৈল কবে!
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ঐগুলা দেখে আর টাশকিত হই না, ভালই লাগে ... দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তো!(তবে কেবল পুটকিটাই আগাচ্ছে প্রাণপণে ঝুলে থাকা জিন্সের প্যান্টটাকে নিয়ে, মাথা আগের জায়গাতেই আছে)আর লাভমেকিং আর মেকিংআউট গুলাইয়া ফেলছো মনে হইতাসে। খুব খেয়াল কৈরা ... একটাতে এইডস ছড়ায় আরেকটাতে বড়জোর সোয়াইন ফ্লু ... ব্লগে ভুল করছো ভালা কথা বিয়ার পর কিন্তু এই ভুল কৈরো না
লেখক বলেছেন: লাভমেকিং আর মেকিংআউট বুঝিনাই, (পুরানা আমলের বান্দা তো
) বসে একটু কিলার কৈরা দেন!
লেখক বলেছেন: হেহে, চমচ্যা নাইগা! ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক থেংকু সাদাত ভাই
কয়দিন আগে আড্ডা হইছিল। সবাই আমার লিগা আপসুস খাইলো ইফতারের আড্ডায় আসিনাই দেইখা, কারণ আপনার লগে দেখা করতাম পারি নাই! সবার এক কথা- সাদাত ভাই সিরাম মানুষ! আমিও যে সেই সবার মাঝে একজন তাতে কুনু সন্দেহ নাইগা
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
হুমম,আড্ডার কথা শুনেছি। তুমার লগে যে রাগ আছি এই একটা ব্যাপারে,সেইটা জানো? ঐ ইফতার পার্টিতে আইলানা, দেখাও হইলোনা। কতবার তোমার কথা জিজ্ঞেস করসি সেইদিন মুক্ত বা অদ্রোহরে জিগাইয়ো। আর অখন তো ঠিকি গ্যালা যখন আমি নাই। আইসা লই, খাড়াও।
লেখক বলেছেন: আরে ভাই, সেইদিন আসলেই ঝামেলায় ছিলাম
রাগের কথা শুইনা মন খারাপ হইয়া গেল..... সামনের বার মিস হবে না ইনশাল্লাহ!
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
এত দেরীতে লেখলেন ক্যান মিয়া কাল্কেই বিএইচ চির শ্যাষ ফরিক্কা দিয়ালাম।
মোর আত্মা(ঝান) অতিমাত্রায় পিছনের তারিখ(ব্যাক ডেটেড)।
আরো কয়েকদিন আগে ল্যখাটা পাইলে মাঝের কিছু লাইন বাদ নিয়া (আপ্নে যেইখানে চেইত্যা গিয়া উপদেশ বাণী ঝাইল্লেন) ঝানুরে দ্যাখায় কইতাম দুইন্না অনেক আগায় গেসে, কিছু শিখ।
লেখক বলেছেন: ভাইজান, এইটাতো আমার মুঘল আমলের পোস্ট। ব্যাপারনা, 'ঝান' রে এখনই মেইল কইরা পাঠায়া দেন ![]()
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
কি কইলাম মিয়া বুজেন না?ফড়াল্যাকা খতম। ঝান রে মেইল কইরা কি বাসায় বয়া বয়া লাভ মেকিং করমু??
যাই হোক মুঘল আমলের ফুষ্ট খিয়াল করিনাই। ল্যাখা পইড়াই মেজাজ বিলা হয়া গ্যাসে।
কি যে ব্যাফুক আপচুসস।
লেখক বলেছেন: আহারে আফসুস.......
![]()
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
আমার ইউনি ছিল ইউল্যাব ,বুঝেন তো কই ।মাঝে মাঝে ইউনির নীচতলা থেকে বাহিরে তাকায় থাকতাম ।মাঝে মাঝে এই সব চোখে পরত ।কী সুন্দর যে লাগে ,আহা ।আফসুস নিজের এমন কুনু কাহিনী নাই ।
ভাল লিখছেন ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার নিজের কাহিনী নাই শুনে ব্যথিত হলাম ![]()
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
আমরা সচেতন ভাবেই এসব নিয়ে ভাবি , চিন্তা করি ...... তুমি লিখতে পেরেছো ভাইয়া , আমি পারিনা ... ... ধন্যবাদ তোমাকে।কিন্তু মূল্যবোধ চর্চার খোলা জানালা গুলো তো আমরাই বন্ধ করে দিচ্ছি একটু একটু করে... এরকম অসভ্যতাগুলো আমরাই কোন না কোন ভাবে স্পন্সর করছি... ভেবে দেখো !
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার দেখার পর কোন সচেতন সভ্য মেয়ের পক্ষে লাক্স সাবান ব্যাবহার করা সম্ভব হবার কথা ছিলোনা!
সরওয়ার ফারুকির ওপেন-সিক্রেট অসভ্যতাকে প্রশ্রয় দিয়ে আমরাই তাকে আজকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছি! স্পার্টাকাস ৭১ দেখে চোখের পানি ফেলেছি , কিন্তু জানি কোনদিন "...... নাম্বার" দেখবোনা। কিন্তু সেতো ব্র্যান্ড হয়েই গিয়েছে , এখন যাই দেবে , তাই সবাই গিলবে! এটাই হবে "চলতি ফ্যাশান"!
অজ্ঞান আমরাই "মিলা" দেরকে স্টেজে উঠিয়ে দেই!
আমাদের মূল্যবোধ জিনিশটা এতো দুর্বল , নিজস্বতায় নির্ভরতা নেই! বানরের মত অনুকরণ ই করে যাই!
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের জবাবে লেখার মত কিছু খুজে পাচ্ছি না। কি আর বলবো!! ![]()
আমাদের মাঝে সচেতনতা যে একেবারেই নাই তা না, তবে দু:খের ব্যাপার হল সবকিছুই আমরা দেরীতে বুঝি, যখন আর করার কিছুই থাকে না। সময় থাকতেই আধুনিকতার নামধারী এইসব বিকৃত আগ্রাসন কে বর্জন করা দরকার..... না হলে কোন একদিন ঠিকই আমরা নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাব
সামিউর বলেছেন:
বস, আপ্নেতো জট্টিল লেখসেন। +++++
লেখক বলেছেন:
আর লজ্জ্বা দিয়েন না ভাই......
একান্ত কথা বলেছেন:
হ্যা, সোহায়লা রিদওয়ান , আপনি ভালই বলেছেন। সংগীতের নামে যে উদ্ভট বেহায়াপনা দেখছি, তা কিন্তু আমাদেরই সৃস্টি।
অথচ শাস্ত্রীয় সংগীত কিন্তু আমাদেরি সম্পদ ।দেশীয় সংস্কৃতির বারটা বাজিয়ে আজ আমরা যেভাবে কতিপয় শিল্পীদেরকে নিজেদের মনরঞ্জনের জন্য গাওয়াই এবং নাচাই। যার দরুন আমরা নাচতে নাচতে এক সময় নিজেদের আমিত্ব্যই ভুলে যাই। দেখুন আমাদের মধ্যেই কতজন এরকম আছে, সেটাই বা আমরা ক'জন জানি।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ছি: ছি: ছি: !
লেখক বলেছেন: এইটা ভালা খবর ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
হ!একটা ছেলে দাড়াইয়া আছে। কার জন্য জানি অপেক্ষা করতাছে। এমন সময় একটা বিক্সায় কইরা একটা মেয়ে আসল। না কোন ডিজুস মেয়ে না, সাধারণ সাজগোজ করা, সালোয়ার কামিজ পরা মেয়ে। রিক্সাডা ছেলেটার কাছে আইসা থামল। ছেলেটা রিক্সায় উইঠাই রিক্সার হুড তুইলা দিল। হুডের পিছনের জানালা দিয়া দেখলাম...... রিক্সাডা চইলা গেল তাদের নিয়া।
আপনার কথামত তারা লাভমেকিং করতাছিল রিক্সায়। লাভমেকিং করার জন্য হুড তোলা রিক্সা ভাল জায়গা।
লাভমেকিং নিয়া আমার কোন আপত্তি নাই। যার যা মনে চায় সে তা করুক, আমার কিছু বলার অধিকার নাই। আমি করতে আছিলাম অন্য চিন্তা। আমি যেহেতু গরীব শ্রেণীর তাই আমার চিন্তাও গরীবি ঘরানার। কত টাকা থাকলে একটা ছেলে কিছুক্ষণের জন্য রিক্সাভাড়া দিতে পারবে এই কাজের জন্য। মেয়েটার এতে কি কি লাভ হবে, কি কি উপহার মেয়েটা পায় ছেলেটার জন্য এই সঙ্গদানের বিনিময়ে, মুবাইল, ফ্লেক্সি আর কি কি? আমি খুব ভাল কইরাই জানি তাদের রিক্সাভ্রমণের মধ্যে কোন ভালবাসা নাই, সেখানে কেবল সাময়িক উপভোগ কাজ করছে, কিছুদিন পরেই তারা একে অপরকে ছেড়ে যাবে, এমনকি এখনই হয়তো ছেলেটার একাধিক এই ধরনের মেয়েবন্ধু আছে এবং ভাইস ভার্সা। তাই মানবিক সম্পর্কবিহীন এই অর্থনৈতিক ও দৈহিক বিনিময়ের মধ্যকার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়া চিন্তা করতাছিলাম।
সমাজ, রীতি-নীতি, প্রগতি, প্রতিক্রিয়া সব উচ্ছন্নে যাক আমার কোন মাথাব্যাথা নাই। আমার শুধু আক্ষেপ এইটাই সম্পর্কগুলো দিন দিন মানবিকতা হারিয়ে ফেলছে। হয়তো বলা যায় ইতিমধ্যে হারিয়ে ফেলা শেষ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























