আমার প্রিয় পোস্ট

Let the wind blow out the candles

স্মৃতি

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৭

শেয়ারঃ
0 1 0



প্রতিদিন ভোরে এলার্ম বাজার আগেই ঘুম ভেঙে যায় আমার। শুয়ে শুয়ে ঘড়ির বড় কাটাটা বারোটার সামনে এসে ছোট্ট সবুজ কাটাটিকে ছুয়ে ফেলতে দেখি। এলার্ম বাজতে শুরু করলে আস্তে করে থামিয়ে দেই ঘড়িটাকে, ওর যেন ঘুমটা না ভেঙে যায়।

আগে ও আমার সাথে সূর্যোদয় দেখতো। খুব সকালে উঠে একসাথে চলে যেতাম পাহাড়ের নিচের সমতল ভূমিটুকুতে। আমাদের আগেই অবশ্য অনেকে এসে গবাদি পশুচারণ শুরু করে দিতো। আমরা সবাইকে ছাড়িয়ে, সামনে চলে যেতাম অনেকটা। বিস্তৃর্ণ তৃণভূমির প্রান্তরে - পাশাপাশি বসে, সূর্যরশ্মির প্রথম স্পর্শটা একসাথে উপভোগ করতাম। ভোরের প্রথম আলোকরশ্মি দেখে বিড়বিড় করে বলতাম, শুভ সকাল। আমার সাথে সেও বলতো, শুভ সকাল। জীবনের কোলাহল তখনো এপ্রান্তে ভোরের স্নিগ্ধতাটুকু নষ্ট করতে পারেনি।

সবগুলো সকালে আমার কপালে অবশ্য এরকম সুন্দর ভোর জুটতো না। সূর্যরশ্মি চোখে লাগতেই মাথার শিরাটা টিপে ধরে ঢলে পড়ে গেছি - এরকম দিন গিয়েছে অনেক। ও আমাকে ধরে বলতো, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমিও মনে মনে বলতাম, হ্যা, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সবকিছু ঠিক হয়ে যেতে হবে। যদিও জানতাম, হয়তো কখনোই কোনকিছু ঠিক হবে না।

আমি রুশান। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে আপনার সাথে আমার দেখা হয়ে যেতে পারে গ্রামের সীমানায় ছোট্ট বাজারটায়। গ্রামের আরো অনেকের মত রিয়ানা আর আমি গবাদিপশুর খাবার বিক্রি করতে আসি এখানে । ছোট হলেও সবই পাবেন এখানে - বিনোদনের জন্য শহরের বড় বড় এপার্টমেন্ট থেকে ফেলে দেয়া ভিবি মডিউল, হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর, বা ভার্চুয়ালের চরিত্রদের সাথে কথপোকথনের রুকান মডিউল। মেয়েদের দোকানগুলোয় পাবেন সিনথেটিক কনডিশনার, রিপ্লেসিবল রেটিনা থেকে শুরু করে জিংক ক্রোমিনেটেড পাউডার। মাটির নিচের লুকোনো গুদামগুলোয় পাবেন উত্তেজক পানীয় থেকে শুরু করে মাঝারি রেঞ্জের এটমিক ব্লাস্টার বা তিনমাসী শিশুর হৃৎপিন্ড, জোন পুলিশের চোখ এড়িয়ে অবৈধভাবে যোগাযোগের চ্যানেল সিনাপ্টিক প্রোটকলের সামনে বা নিজেকে ঈশ্বর দাবী করা গ্লুকানের অস্ত্রপচার টেবিলে বিকনধারী সন্ত্রাসীদের ভিড় লেগেই থাকে।

আপনারা যদি কোন এক বিকেলে এসে হুড করে জানতে চান আমার বয়স, বা শৈশববেলার কোন স্মৃতি, মাথার শিরাটা চেপে ধরে আমি ঢলে পড়ে যাবো হয়তো আবার। অতীতের সব স্মৃতিগুলো ঝাপসা হয়ে গেছে আমার চোখে। স্মৃতি হাতড়িয়ে যেটুকু তথ্য পাই ভাসা ভাসা - সেগুলো জুড়ে আছে রিয়ানা আর প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই গ্রামটুকু। এর আগের স্মৃতি খুজতে গেলেই নিউরন বিদ্রোহ ঘোষণা করে। সিনাপ্স সংযোগগুলো এলোমেলো করে দিয়ে কোন এক অদৃশ্য দানব মাথাটা কুড়ে কুড়ে খেয়ে ফেলতে চায়।

রিয়ানা বলে, পাহাড় থেকে পড়ে গিয়ে আমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটিয়েছি। মরে যেতাম, মরে গেলেই বরং ভালো হতো। তাহলে এই স্মৃতিহীন জীবনটা বয়ে বেড়াতে হতো না। এসব ভেবে ভেবে নিজের প্রতি ঘৃণা উপচে পড়ে আরো, ছি! যেই মেয়েটা আমি নামের এই কপর্দকহীনন বোঝাটা বয়ে নিয়ে নিজের জীবনটাকেও শেষ করে দিচ্ছে, তাকে ভুলে গিয়ে এই স্বার্থপর আমি শুধু নিজের জীবনটা নিয়েই ভাবি! ধিক!

দশ ভোল্টে চলা টিমটিমে এলইডি ল্যাম্পটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমি বলি, আমি আর পারছিনা রিয়ানা। নিজের দিকে তাকালে শুধু শূন্যতা আর শূন্যতা-
ও আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে, তোমার জন্য আমি আছি। সবসময় থাকবো। তোমার কিসের ভয় রুশান?

আলোর উৎসটির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে রিয়ানার হাতটা আরো শক্ত করে চেপে ধরি আমি। যে কথাগুলো আমি বলতে পারিনা, রিয়ানা, আমার নিজেকে একটা শিশু মনে হয়, একটি শিশুর জীবনের তাও অর্থ আছে, আছে ভবিষ্যত। আর আমার, যার কোন অতীতই নেই, তার ভবিষ্যতটা অর্থহীন! শীত ঘনিয়ে আসায় কিনা কে জানে, রিয়ানার হাতটা অনেক বেশি ঠান্ডা মনে হয়।
__________________

মেলা শুরু হয়েছে গ্রামে। কোন এক অদ্ভূত (আমার ব্যক্তিগত ধারণায় - স্বভাবগত) কারণে, প্রযুক্তির প্রতি আমার বরাবরই আগ্রহ। কে জানে হয়তো যৌবনে আমি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের ডাকসাইটে প্রফেসর ছিলাম! রিয়ানা এসব শুনলে হেসেই কুটিকুটি হয়। বলে, 'তুমি বিজ্ঞানী দিলে ঠিকই, তবে পদার্থবিদয়ার না, রিয়ানাবিজ্ঞানের।' আমাকে লজ্জ্বা পেতে দেখে ও আরো হেসে কুটিকুটি হয়, আর আমি ওর সোণালী চুলে সূর্যের কোমল রশ্মির বিচ্ছুরণ দেখে মুগ্ধ হয়ে মনে মনে বলি, তোমার ভোকাল কর্ডের খবর পেলে গ্লুকান দুই দিনের মাথায় ওটা দিয়ে সিনথেইজার বানাবে । শহরের ব্যস্ত হাইওয়েতে সিনথেটিক স্কিনের বিজ্ঞাপনে তোমার হলোগ্রাফিক মডেল দেখে বাই-ভার্বালের আরোহীরা ক্র‌্যাশ করতো।মুখে শুধু বলি, তুমি কত সুন্দর!

বিচ্ছুরণ? হ্যা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এরকম আরো অনেক শব্দের অর্থ আমি বের করে ফেলেছি, পুরোপুরি স্মৃতি হাতড়ে। স্মৃতি ধোকা দিতেই পারে, তবে দেয়নি যে সেটা আমি জেনে নিয়েছি গ্রামের বাচ্চাগুলোর পদার্থবিজ্ঞানের বই দেখে। হ্যা, যেটা আন্দাজ করছেন, ওদের সব বইগুলো পড়েছি। পড়েছি হাই স্কুলে পড়া টিহার বইগুলোও। পাতাগুলো উল্টিয়ে যেতে সময় লাগেনি। এ থেকেই আমার বদ্ধমূল ধারণা, হয়তো আমি পড়াশোনায় ভালো ছিলাম, খুবই ভালো। রিয়ানাকে দেখানোর পর ও বললো, হ্যা জিশান তুমি ছিলে হাইস্কুলের সবচেয়ে মেধাবী। কিন্তু এরপর আর পড়াশোনা হয়নি আমার, গ্রাম থেকে শহরে গিয়ে পড়ার স্বচ্ছলতা আমার ছিলনা। কৈশরেই বাবা মাকে হারিয়ে বেড়ে উঠেছি রিয়ানাদের পরিবারেই। পরে রিয়ানাকে নিয়ে গড়েছিলাম পরিবার - আমার দিকভ্রান্ত স্মৃতি এই টুকরো ঘটনাগুলোকে বারবার জোড়া লাগাতে চায়।

রিয়ানাকে আমি বিশ্বাস করতাম নিজের জীবনের থেকেও বেশি। তাই যেদিন প্রযুক্তি মেলায় আসা রোবট স্টলের খুলে রাখা কপোট্রনটা বাম হাতে নিয়ে ডান হাতটা প্রসেসরগুলোর ওপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, উত্তেজনায় ভুলেই গিয়েছিলাম যে হাইস্কুলপড়ুয়া যুবকের জানার কথা নয় কপোট্রনের কোথায় লিখা থাকে রোবটের জেনারেশন লেভেল। অর্থোগোনাল মেইনবোর্ডের ওপরে বসানো ছোট ছোট প্রসেসরগুলো হাত বুলিয়ে দেখছিলাম আর মাথার ভেতরে কেউ যেন বিশাল বড় একটা স্লাইড অনেক দ্রুত টেনে নিয়ে যাচ্ছিলো । ডানদিক থেকে তিন নাম্বার বড় আইসিটা খুলে মডেল নাম্বারটা বের করে বললাম, ক্রুড ৩৯৩ মডেলের রোবোটের পাওয়ার সাপ্লাই কুরিয়াম ব্যাটারির এক্সট্রা লোড নিতে পারার কথা না।

রবোট-স্টলটির লোকজনেরা হয়তো আমার মত দেখতে কারো কাছ থেকে এরকম কথা আশা করে নাই, তবে তরুণ একজন টেকনিশিয়ান কৌতুহলী হয়ে এগিয়ে এসে কপোট্রনটা হাতে তুলে নিলো। পরমুহূর্তেই অবাক চোখে আমার দিকে একবার তাকালো, তারপর ফিরে গিয়ে বাহুতে ভিবি কার্ড লাগানো কাকে যেন বললো, এই স্যার ঠিকই বলেছেন, তাড়াহুরো করতে গিয়ে কপোট্রনের জেনারেশন লেভেল খেয়াল করা হয়নি।

চলবে। নির্ঘন্ট দ্রষ্টব্য

পরের পর্ব এখানে

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সায়েন্স ফিকশনফ্যান্টাসী ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: মেলা মেলা থেংকু আইডল ভাই। ডাউনলোড দিবো আজ রাতেই।

২. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬
অলস ছেলে বলেছেন: হুমম। বারোটায় ভোর হয়?
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ঘড়ির বড় কাটা বারোটায় গেলেই কি বারোটা বাজে? :P

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: :)

৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩১
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:

এতো চমৎকার লেখা আপনার !
আমি মুগ্ধ।
ভীষণ মুগ্ধ।
...খুব সম্ভবত আড্ডায় আপনার সাথে দেখা হয়েছিল।
আপনার লেখা যে এতো চমৎকার, তা জানা থাকলে সেদিন আপনাকে স্পেশাল একটা ঈগলু আইসক্রীম খাওয়াতাম।...

অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
লেখাটি প্রিয়তে নিলাম।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: ইয়ে ভাই, ধন্যবাদ অনেক! :`> আমি ঘরকুনো মানুষ, আড্ডায় যাইনি কখনো।

ভালো লাগলে আমার অন্য সাই-ফাই টাইপ লেখাগুলো দেখতে পারেন... আর আরেকবার ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য!

:)

৫. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
রনি রাজশাহী বলেছেন: ওরে বাপরে!!! পড়ার ধৈড়য নাইক্যা।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: এখন কোথায়, বাসায়?

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..... :)

৭. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: অনেক ভেবেও গল্পের জন্য যুতসই কোন নাম পেলাম না। শেষে ভাবলাম এটাই থাকুক। আর ফিকশনের মাঝে সায়েন্স ঢোকানোর সময় হেল্পের জন্য আকাশ পাগলারে স্পিশাল থেংকু :)
৮. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
আগামি বলেছেন: কেডায় কইছে আফনে আমড়া কাঠের ঢেকি ? হেরে পাইলে কিলাইতাম । আফনে মিয়া একটা ইস্পাত কাঠের ঢেকি !!

খুব ভাল লাগল ।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: হাহাহা। থেংকু :)

৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: স্মৃতি তুমি আমের মতোই মিস্টি!
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: গল্প পড়েছেন তো?!

;)

১০. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ধারাবাহিক ভাল লাগে না। শেষ হইলে জানান দিও একটা। একবারে পড়বো।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আইচ্চা :(

কুমিল্লা গেছিলেন?

১১. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম :D

সব টার্ম জাফর ইকবাল থেকে নিছ কেন?!! কিছু নিজে বানাও । আমি বানাইতে পারতেছি না বইলা লিখতেছি না :P
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: ইয়ে, সব টার্ম জাফুর আংকেলের সম্পত্তি মনে হয়না, উনিও কিছু টার্মস বাইরের সাইফাই থেইকা নিছেন ;)

পড়ার জন্য মেলা ধন্যবাদ বোহেমিয়ান ভাই। লেখা শুরু করে দেন.....সাইফাই পড়তে মজা লাগে। :)

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: :)

১৩. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২
ফারহান দাউদ বলেছেন: পীর জাফর ইকবাল টাইপ হইসে, তাও শুরুটা মন্দ না।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: পীর = ?!

জাফর আংকেলরে পীর অপবাদ দেয়াটা মনে হয় ঠিক হৈলনা, তার লেখায় তো পীর মোল্লাগো গুষ্ঠি উদ্ধার কৈরা ছাইড়া দেয়, হেহে।/:)

১৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আমার সব চেয়ে বড় সমস্যা কপোট্রনে!!!!!
এই শব্দটা জাফর ইকবাল এর । আমাদের দেশের অন্য লেখকরা
ভাবেন এইটাই মনে হয় আসল/সর্বাধিক/সঠিক ব্যবহৃত শব্দ!!!!

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: :P

শব্দটা কিন্তু ভালা পাই...... হেহেহে :``>>

১৫. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১২
ফারহান দাউদ বলেছেন: না উনারে অনেকে পীর মানে, সেই লাইগা কই, এমন পীরদের আমি ভাল পাই।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: হাহাহা :)

১৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭
অদ্রোহ বলেছেন: সাথে আছি,শেষ হইলে খবর দিও ,যা কওয়ার তখনি কমু । :)
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: উক্কে অদ্রোহ ভাই!

১৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: না, আমি একটু ফ্যামিলি গেঞ্জামে আছি। বাকি যে দুজন রে দেখছিলা আমার সাথে, ওরা গেছে।
১৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: লেখার ফ্লো খুব ভাল। কিছু প্যারা বাদ দিয়ে পরিচয় দেয়াটাতে ভাল একটা ইম্পেশন হয়। তারপরের উপস্থাপন-ও গোছানো। বাহুল্য নেই, প্যাচ নেই। কিন্তু খুব ঝকঝকে লেখা। পড়ে ভাল লাগলো!
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: থেংকু থেংকু! :`>

পরের পর্বগুলো পড়বেন আশা করি!

১৯. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
আজম বলেছেন: ভালো লাগল......+
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট দেখে ভালো লাগতেছে

:)

২০. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: দারুণ হইছে।

লেখায় যার সাথেই মিল থাকুক, যত মিলই থাকুক, পড়ে ভাল্লাগলে সেটাই আসল।
রিশানের জায়গায় একবার জিশান হয়ে গেছে। তার উপরের প্যারায় একটা টাইপো আছে।

[জিংক ক্রোমিনেটেড পাউডার শব্দটা কত্ত সুন্দর, এই একটা শব্দের জন্যেই ত তোমার সাই ফাই সুপার হিট করবে মিয়া ;) ;)]
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: তোমার বিয়ার সময় ভাবীরে এক ডিব্বা জিংক ক্রোমিনেটেড পাউডার গিফট করুমনে ;)

২১. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
অলস ছেলে বলেছেন: ;)

বড় কাটা আর ছোট কাটা এক হইছে যখন তাই মনে কর্ছিলাম বারোটা। যাউকগা, ভিত্রে অনেক রহস্য থাকতে পারে, গরীব না বুঝলে মাইন্ড কৈরেন না।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: বসরে কিন্তু এডাইছিলাম মেসেঞ্জারে!

অফলাইন থাকেন নাকি?

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: ছুডু কাটাতো মনে হয় এলার্মের কাটা /:)

;)

২২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: জটিল ভালা পাইলাম।! সব কিছু ভাল লাগসে।


রুশানের জায়গায় একবার জিশান হয়ে গেছে।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকুস! পড়ার জন্য

এইসব রিশান জিশান নামের বৃত্ত থেইকা বার হইতে হবে। /:) নাইলে কখন যে টাইপো হয় নিজেই বুঝিনা

২৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: না পইড়া কমেন্ট করছি নি?:)
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: :P

২৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
শিমন বলেছেন: ভালো হয়েছে, চালিয়ে যাও... পরবর্তি পর্বের অপেক্ষাতে রইলাম...
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: থেংকু শিমন ভাই....
পরের পর্ব দিছি :)

২৫. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
শিবলী রহমান বলেছেন: বাহ মামু বাহ।
তুমার সাই ফাই পড়ে আমার কপোট্রনে ইলেকট্রিক পালস বয়ে গেল.। নিও পলিমারের এই শরীরে কম্পন উঠল.। ফটোসেলের এই নিষ্প্রান চোখেও প্রান ফিরে পাইলাম :P :P ।। আবেগ হীন রোবটিক ভোকাল কর্ড ও কেন জানি আবেগ এ ভারি হয়ে উঠল।। ;) ;)

মামু পরের পর্বে এট্টু অ্যাডভেন্চার আইনো :) :)
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: মামো তোমার কমেন্ট তো আমার সাইফাই থিকাও বেশি জোস হৈছে B-)B-)

পরের পর্ব দিছি......চেক ইট আউঠ! :P

২৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন: চালাইয়া যান..................।।

সুন্দর।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই :)

২৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: দারুন হচ্ছে .... একেবারে প্রতিষ্ঠিত সাই-ফাই লেখকদের মত.....

পড়তে পড়তে হঠাৎ দেখি লেখা "চলবে" ..... খুব খারাপ কথা....তাড়াতাড়ি শেষ কর।

অনেক দিন ব্লগের বাইরে ছিলাম ..... এখন ঘুরে ঘুরে শুধু সাই-ফাইগুলো পড়ছি ....অনেক ভাল ভাল লেখা পাচ্ছি ব্লগে.....খুব আশার কথা....

বাড়িয়ে বলছি না, সত্যি তোমার মধ্যে খুব ভাল সাই-ফাই লেখক হবার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি.....চালিয়ে যাও। শুভেচ্ছা রইলো.....
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: দেবদূত ভাই.....

আপনার কমেন্ট দেখেই তাড়াতাড়ি করে পরের পর্ব লিখে ফেললাম। মাঝে অনেকদিন লেখার মুড ছিল না। ব্লগে যে অল্প কয়েকজনের কথা সবসময় মাথায় ঘুরে ফিকশান লেখার সময়, আপনে যে তার মাঝে একজন সেটাতো বলে দিতে হবে না!

কমেন্টের জন্য আবারো ধন্যবাদ ভাইয়া..এবার আর দেরী করবো না ইনশাল্লাহ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার... :)

আপনার কমেন্ট দেখে ভালো লাগলো!

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: :D:D

৩০. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭
পারভেজ বলেছেন: খুব চমৎকার দৃশ্যময় গল্প।
এক সাথে দুই পর্ব পড়তে পারছি জেনে বেশী ভালো লাগছে :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনুমতি ছাড়া লেখালেখির কোন অংশ
অন্যত্র প্রকাশ করা যাবে না।


choturmatrik.com/blogs/অন্যসময়
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ