আমার প্রিয় পোস্ট
- মোবাইলের জন্য সেরা একটি English> বাংলা ডিকশনারি! সিম্বিয়ান/জাভা/এন্ড্রয়েড বা টাচ/ নন টাচ যে কোন মোবাইলের জন্য!


- হাসান জোবায়ের
- বৌকে তার জন্মদিনে একটা সারপ্রাইজ দিতে চাই। ব্লগারদের পরামর্শ চাইছি। - মুবাশ্বির
- পাত্র/পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন আর আমাদের মানসিক দীনতা - ফারহান দাউদ
- আল-কোরআনের বাণী আবারও সত্য প্রমাণীত হলো- - মাহফুজশান্ত
- ড্রাইভিং লাইসেন্স বিষয়ক সাহায্য পোষ্ট। প্লিজ যারা এ ব্যাপারে জানেন সাহায্য করেন। - নিশাচর বাদুড়
- বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থগুলোর ডাউনলোড লিংক কালেকশন - চুম্বক
- যারা ইসলামকে ভালোবাসে সেইসব ভাইদরে জন্য আমার "নামাজ টিপস্" নামের ক্ষুদ্র আয়োজন আশা করি সবার ভালো লাগবে - টক দঐ
- বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থগুলোর ডাউনলোড লিংক কালেকশন - চুম্বক
- এপার্টমেন্ট কিনতে চান? কয়েকটি ফ্রি উপদেশ: বুকিং-এর পুর্বে একটু সচেতন হোন - শরিফ নজমুল
- আমার দেখা সেরা English > বাংলা ডিকশনারি Silicon! (কৃতজ্ঞতাময় পোস্ট)

- হাসান জোবায়ের
- ঢাকা শহর এবং এর আশেপাশে সুবিধাজনক ডেটিংপ্লেস* সমূহ - পয়গম্বর
- আলহামদুলিল্লাহ! IELTS এ 8.5 (R), 8.5 (L), 8 (S), 7.5 (W) পেলাম! ডিসকো বান্দর! - ডিসকো বান্দর
- বাংলাদেশ বিমানের Junior Traffic Assistant পদে নিয়োগের পরীক্ষা প্রহসন - মোঃ মহসিন আলম (রনি)
- রিলেশনের ঝগড়া - নাফিস ইফতেখার
- ল্যাপটপ ইউজার দের কিছু কমন সমস্যা... ছোটখাটো সমাধান পর্ব-১ - শিবলী
- GRE পরীক্ষা প্রস্তুতি- ০৩ - ক্লান্ত পথিক ০০০
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - ফান্ডিং এর সোনার হরিণ - রাগিব
- বিভিন্ন দেশের ইউনিভার্সিটির তালিকা - অনিত্য
- একটি অত্যন্ত সাধারণ ও বোকা মানুষের ভালোবাসাহীন জীবনের গল্প - ড়ৎশড়
- ঠকানোর মানে যদি টাকা কম দেওয়া বুঝায়, তাহলে ইসলাম কাকে ঠকালো? পুরুষকে না নারীকে? - রসু খাঁ
- আরও একটি লিখিত পরীক্ষার প্রাক্কালে আমার সার্বিক বিসিএস দর্শন - তায়েফ আহমাদ
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- হার্ডডিস্কের খোজ নিয়ে দেখেছেন কখনো, সে কেমন আছে?
- অদ্ভুত
- অনুবাদকদের জন্যে -হাসান ইকবাল - হাসান ইকবাল
- কিভাবে জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরী করবেন ???? - hks001
- ভাইরাস কে বিদায় জানান মাত্র ১ কিলোবাইট এর ফাইল দিয়ে !! - সুব্রত কুমার চন্দ
- ইংরেজি ‘ফাক’ (fuck) শব্দের বহুবিধ ব্যবহার (১৮+) - গডব্রাদার
- আমার বিদেশে আসার গল্প ( সাথে নেশা করার গল্প ফ্রি
----- এডিটেড রিপোস্ট - মেকগাইভার
- ফেসবুকের কিছু ক্রিুয়েটিভ প্রোফাইল পিকচার (পর্ব-২) - বল্টু মিয়া
- এবার ফেসবুকের ক্রিয়েটিভ প্রোফাইল পিকচার নিজেই তৈরি করুন আর হয়ে যান ক্রিয়েটিভ

- হাসান জোবায়ের
- মাল্টিকালচার কানাডা - রোকসানা লেইস
- ব্লগের ইতিহাসে সর্বাধিক পঠিত পোস্ট কোনটা?
- আসিফ মুভি পাগলা
- ৩০ দিনে কোটিপতি হবার ১০০ উপায়+১টি উপায় ফ্রি - মামুন হক অপু
- সাম্প্রতিক এমএলএম জোয়ার এবং ইউনিপেটুইউ - আরিফ থেকে আনা
- ব্যাক্তিত্ব নিয়ে যত কথা - নতুন রাজা
- বাংলা রেসিপি বুক টমি মিয়ার কিচেন ১, ২ ও ৩ পার্ট ফ্রি ডাউনলোড করুন - হতভাগা প্রবাসী
- বিড ছাড়াই ফ্রীল্যান্সিং জব পাওয়ার একটি চমৎকার সাইট - বো কা মা ন ব
- আমার জীবনের প্রথম আয় অনলাইন আউটসোর্সিং থেকে। ৬,৮০০ টাকা মাত্র। - এম মেহেদী হসান(বুলবুল)
- => গুগলে তথ্য খুঁজুন সহজে - মাহবুবুল আলম জিসান
- বিয়ে করার আগে এই লেখাটি ভালো ভাবে পড়ে নিন,না পড়লে পরে পছতাইবেন। - অরিজিৎ রায়
- এমন একটা বউ চাই :p :p - সত্যবাদী মনোবট
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- ইংরেজীর মজা - িক
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- তিরিশ ছুঁই ছুঁই -- বাংলাদেশে বিয়ে ? - রাগ ইমন
- আসুন এবারকার ২৯তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্রগুলো দেখি ও মুল্যায়ন করি । - টুটুল বরকত
- আমেরিকায় পড়ি - শাহরিয়ার নির্জন
- ***আসুন জেনে নিইঃ “জিকির” বলতে আসলে কি বুঝায়?*** - উমর
-
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য
- নিরব হাসি
- ইংরেজি শেখার ওযেব সাইট - নিলআকাশেরদুঃখ
- IELTS EXAM ( পরামর্শমূলক ) - েচতনা
- আমার জ্বীন দেখার কাহিনী(শতভাগ সত্যবয়ান) - হাসান মাহবুব
- কম্পিউটারের গতি কমার কারন ও গতি বৃদ্ধির কিছু কৌশল [খন্ড- ২] - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- রেকর্ড করুন স্পিকারের সাউন্ড - মহসিন০৮
- এক মুক্তমনার ইসলামে ফিরে আসা... - ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ
- তাকদীর সম্পর্কে জানুন - ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ
পর্দা কি আমাদের জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় প্রগতির অন্তরায়?
২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২০
পর্দা কি আমাদের জাতীয় ও রাষ্টীয় প্রগতির অন্তরায়?
এ প্রশ্নটি সমাজের সর্বত্র আলোচিত একটি বিষয়। এই প্রশ্নের মীমাংসার পূর্বে একটি কথা উত্তমরূপে জেনে নেয়া আবশ্যক যে, প্রকৃতরুপে পর্দা কাকে বলে? কেননা এতদ্ব্যতীত আমরা পর্দার উদ্দেশ্য, প্রয়োজনীয়তা এবং তার উপকারিতা অপকারিতা সম্যকরূপে উপলব্ধি করতে সক্ষম হব না। অতপর আমাদেরকে এ-ও সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আমরা মূলত কোন ধরনের প্রগতি অর্জন করতে চাই? কারণ এ বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে পর্দা তার অন্তরায় কি না তা যথার্থরূপে অনুধাবন করা সম্ভব হবে না।
পর্দা আরবী হিজাব শব্দের বাংলা ও উর্দূ তরজমা। কুরআন মজীদের যে আয়াতে মুসলমানদের আল্লাহ তাআলা রাসূলে করীম সা. -এর ঘরে নিঃসংকোচে ও বেপরোয়াভাবে যাতায়াত করতে নিষেধ করেছেন, তাতে এ হিজাব শব্দই উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন যে, যদি ঘরের স্ত্রীলোকদের নিকট থেকে তোমাদের কোন জিনিস নেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে তা হিজাবের আড়াল থেকে চেয়ো।
কুরআনের এ নির্দেশ থেকেই ইসলামী সমাজে পর্দার সূচনা হয়। অতপর এ প্রসংগে আর যত আয়াতই নাযিল হয়েছে, তার সমষ্টিকে আহকামে হিজাব বা পর্দার বিধান বলা হয়েছে। সূরায়ে নূর ও সূরায়ে আহযাবে এ সম্পর্কিত নির্দেশাবলী বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। এ সব আয়াতে বলা হয়েছে যে, মহিলারা যেন তাদের মর্যাদা সহকারে আপন ঘরেই বসবাস করে এবং জাহেলী যুগের মেয়েদের মতো বাইরে নিজেদের রূপ সৌন্দর্যের প্রদর্শনী করে না বেড়ায়। তাদের যদি ঘরের বাইরে যাবার প্রয়োজন হয়, তবে আগেই যেন চাদর (কাপড়) দ্বারা তারা নিজেদের দেহকে আবৃত করে নেয় এবং ঝংকারদায়ক অলংকারাদি পরিধান করে ঘরের বাইরে না যায়। ঘরের ভেতরেও যেন তারা মাহরাম (যার সংগে বিয়ে নিষিদ্ধ) পুরুষ ও গায়রে মাহরাম পুরুষের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে এবং ঘরের চাকর ও মেয়েদের ব্যতীত অন্য কারো সামনে যেন জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক পরে না বেরোয়।
কুরআন মজীদে উল্লেখিত এই সমস্ত নির্দেশকেই আমরা পর্দা বলে অভিহিত করে থাকি। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ব্যাখ্যা করে বলেছেন, মহিলাদের সতর হচ্ছে মুখমন্ডল, হাতের কব্জা ও পায়ের পাতা ব্যতীত দেহের অবশিষ্টাংশ। এই সতরকে মোহররম পুরুষ এমন কি পিতা, ভাই প্রভৃতির সামনেও ঢেকে রাখতে হবে। মেয়েরা এমন কোন মিহি কাপড় পরিধান করতে পারবে না যাতে তাদের দেহের গোপনীয় অংশ বাইরে থেকে দৃষ্টিগোচর হতে পারে। তাছাড়া তাদেরকে মোহররম পুরুষ ছাড়া অন্য কারো সাথে ওঠা বসা কিংবা ভ্রমণ করতে রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট ভাষায় নিষেধ করেছেন।
কেউ কেউ বলে থাকেন, আমাদের সমাজ জীবনে যেসব অনাচার অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তার মূলে নাকি রয়েছে পর্দাপ্রথা এবং পর্দার ব্যবস্থা না থাকলে মেয়েদের সম্পর্কে পুরুষদের নাকি মনে সম্ভ্রম ও শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হত। যারা এরূপ ধারণা পোষণ করেন, তারা যে নিতান্তই ভ্রান্তির মধ্যে নিমজ্জিত রয়েছেন, তা আমি দৃঢ়তার সাথেই বলতে চাই। কারণ, যে সমাজে পর্দা প্রথাকে বিসর্জন দিয়ে নারীকে সম্পূর্ণ আযাদ করে দেয়া হয়েছে, সেখানে পুরুষের মনে সম্ভ্রমবোধ জাগা তো দূরের কথা, বরং নারীর মহান মর্যাদাকেই সেখানে নগ্নতা ও উলঙ্গতার চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে পৌঁছানো হয়েছে। এমনকি, তাতেও যেখানে মানুষের যৌন লালসা নিবৃত্ত হয়নি, সেখানে প্রকাশ্য ব্যভিচারকেই উৎসাহ দেয়া হয়েছে। এর অনিবার্য প্রতিক্রিয়াস্বরূপ সমাজের বিভিন্ন স্তরে কিরূপ ভাঙন ও বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে, তা আপনারা বৃটেন, আমেরিকা এবং তাদের অনুসারী তথাকথিত প্রগতিশীল দেশগুলোর পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকেই সম্যক অনুধাবন করতে পারেন। আমার জিজ্ঞাস্য যে, পর্দা প্রথাকে বিসর্জন দিয়ে এহেন প্রগতিই কি তারা কামনা করেন?
নারী ও পুরুষের কর্মবন্টন
বস্তুত নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্রকে খোদ প্রকৃতিই স্বতন্ত্র করে দিয়েছে। প্রকৃতি মাতৃত্বের পবিত্র দায়িত্ব সম্পূর্ণ নারীর উপর সোপর্দ করেছে এবং সেই সংগে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত স্থান কোথায়, তাও বাতলিয়ে দিয়েছে। অনুরূপভাবে পিতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে পুরুষের ওপর এবং সেই সংগে মাতৃত্বের মতো গুরুদায়িত্বের বিনিময়ে তাকে আর যেসব কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাও প্রকৃতি সুস্পষ্টরূপে নির্ধারণ করে দিয়েছে। উপরোন্তু এ উভয় প্রকার দায়িত্ব পালনের জন্য নারী ও পুরুষের দৈহিক গঠন, শক্তি সামর্থ ও ঝোঁক প্রবণতায়ও বিশেষ পার্থক্য সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রকৃতি যাকে মাতৃত্বের জন্য সৃষ্টি করেছে, তাকে ধৈর্য, মায়া মমতা, স্নেহ ভালবাসা প্রভৃতি কতকগুলো বিশেষ ধরনের গুণে গুণান্বিত করেছে। নারীর ভেতরে এসব গুণের সমন্বয় না হলে তার পক্ষে মানব শিশুর লালন পালন করা সম্ভবপর হত কি? বস্তুত মাতৃত্বের মহান দায়িত্ব যার উপর অর্পণ করা হয়েছে; তার পক্ষে এমন কোন কাজ করা সম্ভব নয়, যার জন্যে রুক্ষতা ও কঠোরতার প্রয়োজন। এ কাজ শুধু তার দ্বারাই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে, যাকে এর উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে এবং সেই সংগে পিতৃত্বের মতো কঠোর দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
আজকে যারা সমান অধিকারের নামে নারী ও পুরুষের এই প্রকৃতিগত পার্থক্যকে মিটিয়ে দিতে চান, তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো, আপনারা এ পথে কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে মনে করে নিন যে, এ যুগে পৃথিবীর আদতেই মাতৃত্বের কোন প্রয়োজন নেই। আমি দৃঢ়তার সংগেই বলতে চাই যে, আপনারা যদি এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করত পারেন, তাহলে আণবিক বোমার প্রয়োগ ছাড়াই অল্প দিনের মধ্যেই মানবতার চূড়ান্ত সমাধি রচিত হবে। পক্ষান্তরে আপনারা যদি এরূপ সিদ্ধান্ত করতে না পারেন এবং নারীকে তার মাতৃসুলভ দায়িত্ব পালনের সংগে সংগে পরুষের মতো রাজনীতি, ব্যবসায় বাণিজ্য, শিল্পকার্য, যুদ্ধ পরিচালনা ইত্যাদি ব্যাপারেও অংশ গ্রহণ করতে বাধ্য করেন, তাহলে তার প্রতি নি:সন্দেহে চরম অবিচার করা হবে।
আমি আপনাদেরকে ন্যায়নীতির খাতিরে একটু ধীর স্থীরভাবে চিন্তা করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। নারীর ওপর প্রকৃতি যে দায়িত্ব ন্যস্ত করেছে, তা নি:সন্দেহে মানবতার অর্ধেক সেবা এবং এই সেবাকার্য সে সাফল্যের সংগেই সাধন করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুরুষের নিকট থেকে সে বিন্দুমাত্র ও সহযোগিতা পচ্ছে না, অথচ অবশিষ্ট অর্ধেকের অর্ধেক দায়িত্ব ও আবার আপনারা নারীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। এর ফল এ দাঁড়াবে যে, নারীকে পালন করতে হবে মোট দায়িত্বের তিন চতুর্থাংশ এবং পুরুষের ওপর বর্তাবে মাত্র এক-চতুর্থাংশ। আমি আপনাদেরকে বিনীতভাবে জিজ্ঞেস করতে চাই নারীর প্রতি এ কি আপনাদের সুবিচার?
অবশ্য মেয়েরা এ যুলুম অবিচারকে মেনে নিচ্ছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এ যুলুমের বোঝাকে স্বেচ্ছায় কাঁধে তুলে নেয়ার জন্য লড়াই করছে তার মূল কারণ হচ্ছে এই যে, তারা পুরুষদের কাছে যথার্থ সমাদর পাচ্ছে না। ঘর সংসার ও মাতৃত্বের মতো কঠিন দায়িত্ব সঠিকরূপে পালন করা সত্ত্বেও আজ তারা সমাজে উপেক্ষিত, অপাংক্তেয়। সন্তানবতী ও গৃহিনী মেয়েদেরকে আপনারা ঘৃণা করেন এবং স্বামী ও সন্তান-সন্ততির এত সেবা -যত্ন করা সত্ত্বেও আপনারা তাদের যথার্থ কদর করছেন না। অথচ এই সমস্ত কার্যে তাদের যে বিপুল ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা পুরুষদের সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক ও যুদ্ধ বিগ্রহ সংক্রান্ত দায়িত্বের চাইতে কোন অংশেই কম নয়। বস্তুত এসব কারণেই মেয়েরা আজ অনন্যোপায় হয়ে দ্বিগুণ দায়িত্ব পালনে অগ্রসর হচ্ছে। তারা পরিস্কার দেখতে পাচ্ছে যে, পুরুষ-সুলভ কার্যে অগ্রসর না হলে সমাজে তাদের যথাযোগ্য মর্যাদা নেই।
নারী ও প্রগতি
ইসলাম মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করার দরুন নারীকে শুধু পুরুষের সমান মর্যাদা দেয়নি, বরং কোন কোন পুরুষের চাইতেও বেশী মর্যাদা দিয়েছে। কিন্তু এটাকে আপনারা প্রগতির অন্তরায় বলে উপেক্ষা করছেন। আপনাদের দাবী হচ্ছে, নারী মাতৃত্বের গুরুদায়িত্ব পালন করবে, জেলা প্রশাসক হয়ে জেলার শাসন কার্যও পরিচালনা করবে এবং নর্তকী ও গায়িকা হয়েও আপনাদের চিত্তবিনোদনও করবে। কী অদ্ভুত আপনাদের খেয়াল!
বস্তুত আপনারা নারীর ওপর দায়িত্বের এরূপ দুরূহ বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে সে কোন কাজই সুষ্ঠুভাবে সমাধা করতে পারছে না। আপনারা তাকে এমন সব কাজে নিযুক্ত করছেন, যা জন্মগতভাবেই তার প্রকৃতি বিরুদ্ধ। শুধু তাই নয়, আপনারা তাকে তার সুখের নীড় থেকে টেনে এনে প্রতিযোগিতার ময়দানে দাঁড় করাচ্ছেন, যেখানে পুরুষের মুকাবিলা করা তার পক্ষে কোনক্রমেই সম্ভব নয়। এর স্বাভাবিক পরিণতি এই দাড়াবে যে, প্রতিযোগিতামূলক কাজে সে পুরুষের পেছনে পড়ে থাকতে বাধ্য হবে। আর যদি কিছু করতে সক্ষম হয় তবে তা নারীত্বের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যকে বিসর্জন দিয়েই করতে হবে।
তথাপি এটাকেই আপনারা প্রগতি বলে মনে করেন আর এই তথাকথিত প্রগতির মোহেই আপনারা ঘর সংসার ও পারিবারিক জীবনের মহান কর্তব্যের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছেন। অথচ এই ঘর-সংসারই হচ্ছে মানব তৈরীর একমাত্র কারখানা । এ কারখানার সাথে জুতা কিংবা পিস্তল তৈরির কারখানার কোন তুলনাই চলে না। কারণ এ কারখানা পরিচালনার জন্য যে বিশেষ ধরনের গুণাবলি, ব্যক্তিত্ব ও যোগ্যতা আবশ্যক, প্রকৃতি তার বেশীর ভাগ শক্তিই দিয়েছেন নারীর ভেতরে। এ কারখানার পরিসর বিস্তৃত-কাজও অনেক। যদি কেউ পরিপূর্ণ দায়িত্বানুভুতি সহাকারে এ কারখানার কাজে আত্মনিয়োগ করে, তার পক্ষে বাইরের দুনিয়ায় নযর দেয়ার আদৌ অবকাশ থাকে না; বস্তুত এ কারখানাকে যতখানি দক্ষতা ও নৈপূন্যের সাথে পরিচালনা করা হবে, ততখানি উন্নত ধরনের মানুষই তা থেকে বেরিয়ে আসবে। কাজেই এ কারখানা পরিচালনার উপয়োগী শিক্ষা ও ট্রেনিংই নারীর সবচাইতে বেশী প্রয়োজন।
এ জন্যেই ইসলাম পর্দাপ্রথার ব্যবস্থা করেছে। মোদ্দাকথা, নারী যাতে তার কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়ে বিপথে চালিত না হয় এবং পুরুষও যাতে নারীর কর্মক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে প্রবেশ করতে না পারে, তাই হচ্ছে পর্দার লক্ষ্য।
আপনারা আজ তথাকথিত প্রগতির মোহে পর্দার এ বিধানকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। কিন্তু আপনারা যদি এ উদ্দেশ্যে অটল থাকতে চান, তাহলে এর পরে দুটি পথের একটি আপনাদের অবলম্বন করতে হবে। হয় ইসলামের পারিবারিক ব্যবস্থার সমাধি রচনা করে আপনাদের হিন্দু কিংবা খৃষ্টানদের ন্যায় নারীকে দাসী ও পদসেবিকা বানিয়ে রাখতে হবে। নতুবা দুনিয়ার সমস্ত মানব তৈরির কারখানা ধ্বংস হয়ে যাতে জুতা কিংবা পিস্তল তৈরীর কারখানা বৃদ্ধি পায়, তার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকতে হবে।
আমি আপনাদেরকে এ কথা দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দিতে চাই যে, ইসলামের প্রদত্ত জীবন বিধান ও সামাজিক শৃংখলা ব্যবস্থাকে চুরমার করে দিয়ে নারীর সামাজিক মর্যাদা এবং পারিবারিক ব্যবস্থাকে বিপর্যয়ের কবল থেকে বাচিঁয়ে রাখা কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। আপনারা প্রগতি বলতে যাই বুঝে থাকুন না কেন, কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে আপনাদের সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন যে, আপনারা কি হারিয়ে কি পেতে চান?
প্রগতি একটি ব্যপক অর্থবোধক শব্দ। এর কোন নির্দিষ্ট কিংবা সীমাবদ্ধ অর্থ নেই। মুসলমানরা এক কালে বঙ্গোপসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত বিশাল বিস্তৃত রাজ্যের শাসনকর্তা ছিল । সে যুগে ইতিহাস দর্শন ও জ্ঞান বিজ্ঞানে তারাই ছিল দুনিয়ার শিক্ষা গুরু। সভ্যতা ও কৃষ্টিতে দুনিয়ার কোন জাতিই তাদের সমকক্ষ ছিল না। আপনাদের অভিধানে ইতিহাসের সেই গৌরবোজ্জল যুগকে প্রগতির যুগ বলা হয় কিনা জানি না। তবে সেই যুগকে যদি প্রগতির যুগ বলা যায় তাহলে আমি বলব : পর্দার পবিত্র বিধানকে পুরোপুরি বজায় রেখেই তখনকার মুসলামনরা এতটা উন্নতি লাভ করতে সমর্থ হয়েছিল।
ইসলামের ইতিহাসে বড় বড় বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, চিন্তানায়ক, আলেম ও দিগ্বীজয়ী বীরের নাম উজ্জল হয়ে রয়েছে। সেসব বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিগণ নিশ্চয়ই তাদের মূর্খ জননীর ক্রোড়ে লালিত পালিত হননি। শুধু তাই নয়, ইসলামী ইতিহাসের প্রতি দৃষ্টিপাত করলে আমরা বহু খ্যাতনামা মহিলার নামও দেখতে পাই, সে যুগে তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে দুনিয়ায় অসাধারণ প্রসিদ্ধি অর্জন করেছিলেন। তাঁদের এই উন্নতি ও প্রগতির পথে পর্দা কখনই প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়নি। সুতরাং আজ যদি আমরা তাঁদেরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রগতি অর্জন করতে চাই তাহলে পর্দা আমাদের চলার পথে বাধার সৃষ্টি করবে কেন?
পর্দাহীনতার পরিণতি
অবশ্য পাশ্চাত্যের জাতিসমূহের বল্গাহীন জীবনধারাকেই যদি কেউ প্রগতি বলে মনে করেন তাহলে তার সে প্রগতির পথে পর্দা নি:সন্দেহে প্রতিন্ধক হয়ে দাঁড়াবে। কেননা পর্দার বিধান মেনে চললে পাশ্চাত্য কায়দার প্রগতি অর্জন করা আদৌ সম্ভব নয়। কিন্তু আপনারা জেনে রাখুন, এ তথাকথিত প্রগতির ফলেই পাশ্চাত্যবাসীদের নৈতিক ও পারিবারিক জীবন আজ চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। সেখানে নারীকে তার নিজস্ব কর্মক্ষেত্র থেকে টেনে এনে পুরুষের কর্মক্ষেত্রে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে নারীও তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্যকে বিসর্জন দিয়ে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছে। এর ফলে-অফিস আদালত ও কল-কলখানার কাজে কিছুটা উন্নতি সাধিত হয়েছে বটে। কিন্তু সেই সংগে সেখানকার পারিবারিক জীবন থেকেও শান্তি শৃংখলা বিদায় নিয়েছে। তার কারণ, যে সকল নারীকে অর্থোপার্জনের জন্যে বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়াতে হয় তারা কখনো পারিবারিক শৃংখলা বিধানের প্রতি মনোযোগ দিতে পারে না, আর তা সম্ভবও নয়।
এ জন্যেই আজ পাশ্চাত্যের অধিবাসীরা পারিবারিক জীবনের চাইতে হোটেল, রেস্তোরা ও ক্লাবের জীবনেই বেশী অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সেখানে বহু মানব সন্তান ক্লাব রেস্তোরাতেই জন্মগ্রহণ করে, আর ক্লাব-রেস্তোরাঁতেই জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। মাতা-পিতার স্নেহ মমতা তারা কোনদিনও উপভোগ করতে পারে না। অপরদিকে দাম্পত্য অশান্তি, বিবাহ-বিচ্ছেদ এবং যৌন অনাচার সেখানে এরূপ প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে যে, আজ সেখানকার মনীষীরাই তাদের অন্ধকার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আতঁকে উঠছেন। মোদ্দাকথা, পশ্চিমা সভ্যতা বাহ্যিক চাকচিক্যের পশ্চাতে মানুষের জীবনধারাকে এমনি এক পর্যায়ে নিয়ে পৌঁছিয়েছে, যেখানে মানবতার ভবিষ্যত সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। এরূপ বল্গাহীন ও উচ্ছৃংখল জীবন ধারাকে যদি কেউ প্রগতির পরিচায়ক বলে মনে করেন, তবে তিনি তা সানন্দেই গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু ইসলাম এরূপ অভিশপ্ত জীবনকে আদৌ সমর্থন করে না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পর্দা, ইসলাম, প্রগতি ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এস. এম. মেহেদী আকরাম বলেছেন:
দারুন লিখেছেন...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
পর্দা কখনোই কোথাও প্রগতির অন্তরায় হতে পারে না। তবে পর্দা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শুধু নারীদের পর্দার কথা ভাবি। এখানেই আমাদের গন্ডগোল।
ভাবসাধক বলেছেন:
আজ পাশ্চাত্যের অধিবাসীরা পারিবারিক জীবনের চাইতে হোটেল, রেস্তোরা ও ক্লাবের জীবনেই বেশী অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।ঠিক ! ঠিক !
আবুল কালাম বলেছেন:
পর্দা কখনোই কোথাও প্রগতির অন্তরায় হতে পারে না। তবে পর্দা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শুধু নারীদের পর্দার কথা ভাবি। এখানেই আমাদের গন্ডগোল।দারুন লিখেছেন...
-সহমত
হারান সত্য বলেছেন:
সুন্দর বিশ্লেষনের জন্য ধন্যবাদ।আসলে শুধু পর্দা বা নারী অধিকার নয় বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আজ ধ্বংসের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গেছে সেই সব সুমহান সত্য সমুহ যা প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন রাসুল(স.) এবং তাঁর সাহাবীগন। সেই হারান সত্য সমুহ পুন:অনুধাবনের ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবে রচিত হয়েছে হারান সত্য । সময় থাকলে পড়ে দেখতে পারেন।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
মাথায় কাপড় দেয়ার সংস্কৃতিটা আরবদেশীয়। এজন্য মাতা মেরির সমকালীন নারী চরিত্রগুলোর মাথা থেকেও কাপড় নামানো সম্ভব হয়নি একবিংশ শতাব্দীতে তৈরি করা চলচিত্র গুলোতে। কোরআন আরবি ভাষায় হবার কারণে কোরআনে ধরেই নেয়া হয়েছে, নারী মাত্রই মাথায় কাপড় দেয় । তাই কোরআনের শুধু বাড়তি নির্দেশনা হল, মাথার কাপড় বুক পর্যন্ত প্রলম্বিত রাখা। বাংলাদেশে এমন অসংখ্য চরিত্র আছেন যারা সপ্তাহে একদিন সারা রাত নফল নামায পড়েন, শুক্রবার নফল রোজা রাখেন, রমজানে দু'বার কোরআন খতম দেন, কিন্তু ভৌগোলিক, সামাজিক ও জাতিগত বৈশিষ্ট্যের কারণে মাথায় কাপড় দেবার বিষয়টিতে চরম অবহেলা, অনীহা ও অবজ্ঞা দেখান। এমনকি পর্দা সংক্রান্ত অভ্যেসের সাথে জড়িতদের "চরিত্রহীন ও অসতী" হবার প্রবণতার কথাও জোরে সোরে উল্লেখ করেন। ধর্মের বিধি চাপিয়ে দেয়াটা চরম অন্যায়, বাড়াবাড়ি কিন্তু তার চেয়েও বেশি জঘন্য কাজ (মুনাফেকি) হল এসকল স্ববিরোধী কাজ করা, নফল নামায পড়ে আল্লাহকে খুশি করি, ও দিকে সুদ খেয়ে শয়তানও খুশি রাখি।
ভাবছি বসে একা বলেছেন:
পর্দা কখনোই কোথাও প্রগতির অন্তরায় হতে পারে না। তবে পর্দা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শুধু নারীদের পর্দার কথা ভাবি। এখানেই আমাদের গন্ডগোল।
রোমান্টিক নায়ক বলেছেন:
পর্দা নারীর মর্য্দা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। সম্ভ্রান্ত নারীদের পোশাক।
রোমান্টিক নায়ক বলেছেন:
পর্দা নারীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। উপরের ছবিটি দেখুন।
রোমান্টিক নায়ক বলেছেন:
ভাবসাধক বলেছেন: আজ পাশ্চাত্যের অধিবাসীরা পারিবারিক জীবনের চাইতে হোটেল, রেস্তোরা ও ক্লাবের জীবনেই বেশী অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেধ্বংস ওদের অনিবার্য।
নন্দনপুরী বলেছেন:
পর্দা কখনোই কোথাও প্রগতির অন্তরায় হতে পারে না। তবে পর্দা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শুধু নারীদের পর্দার কথা ভাবি। এখানেই আমাদের গন্ডগোল।দারুন লিখেছেন...
-সহমত
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















