এক আল্লাহ , এক উৎস
আমাদের সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আদেশ করিয়াছেন যে কুরআন, শুধুমাত্র কুরআনই হইবে সকল ধর্মীয় শিক্ষার উৎস। তদুপরি আরও বলা হইয়াছে যে , অন্য কোন উৎসকে ধর্মীয় দিকনির্দেশনার জন্য গ্রহন করা , আল্লাহর সহিত অন্য প্রভুদেরকেও গ্রহন করার সমতুল্য।
“বল, (মুহম্মদ) কাহার সাক্ষ্য সর্বশ্রেষ্ঠ? বল, আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী এবং এই কুরআন আমার কাছে অহী করা হইয়াছে যেন এদ্বরা তোমাদেরকে ও যাহার কাছে ইহা পৌছায় তাহাদেরকে সতর্ক করি। তোমরা কি সত্যিই সাক্ষ্য দিতেছ যে আল্লাহর সহিত অন্য প্রভু আছে ? বল , আমি এমন সাক্ষ্য দিব না। বল, তিনিই একমাত্র প্রভু এবং তোমরা যে শিরক্ করিতেছ তাহা হইতে আমি সত্যিই নির্দোষ।
(সুরা ৬ আন’আম আয়াত ১৯)
সুরা ১৭ আয়াত ২২-৩৮ এ অনেকগুলো গুরুত্বপূণ আদেশ বর্নীত হইয়াছে। ইহার পরেই ৩৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলিয়াছেন,
“ ইহা গভীর জ্ঞানের কিছুটা, যাহা তোমার রব্ব তোমার কাছে অহী করিয়া পাঠাইয়াছেন (কুরআন) এবং আল্লাহর সহিত অন্য প্রভুদের স্থাপন করিও না, অন্যথায় নিক্ষিপ্ত হইবে নিন্দিত ও দূরীকৃত জাহান্নামে।”(সুরা১৭বণী ইস্রাঈল আয়াত ৩৯)
কুরআন প্রয়োজনীয় যাবতীয় কিছু সহ সম্পূর্ণ এবং সবিস্তারে বর্ণীত।
“এবং এমন কোন পশু নাই পৃথিবীতে বা নিজ ডানায় ভর দিয়া ওড়া পাখি নাই, যারা তোমাদের মতই একটি জাতি নয়। আমরা কোন কিছুই লিখিতে বাদ দিই নাই কিতাবে (কুরআন)। অতঃপর সকলকে হাজির করা হইবে তাহাদের প্রভুর নিকটে। (সুরা ৬ আন’আম আয়াত ৩৮)
“ তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন বিচারক খুজিব যখন তিনি তোমাদের কাছে নাযিল করিয়াছেন সবিস্তারে বর্ণীত কিতাব। যাহাদেরকে আমি তোমার পূর্বে কিতাব দিয়াছি, তাহারা নিশ্চয় জানে ইহা (কুরআন) সত্যসহ তোমার প্রভুর নিকট হইতে নাযিল হইয়াছে, তাই তুমি সন্দিহানদের একজন হইওনা। তোমার প্রভুর বাণী সত্য ও ন্যায়ানুগভাবে সম্পূর্ণ করা হইয়াছে, কেহই নাই যে তাহার বাণী বদল করিতে পারে , তিনি সব শোনেন, সর্বজ্ঞ। (সুরা ৬ আন’আম আয়াত ১১৪-১১৫)
কোরান যে সম্পুর্ন তার আরো একটি বড় প্রমান হলো, নিম্নোক্ত আয়াতটি।
” বলুন, আমার পালনকর্তার কথা লেখার জন্য যদি সমুদ্রের পানি কালি হয় , তবে আমার পালনকর্তার কথা শেষ হওয়ার আগেই সে সমুদ্র নিঃশেষিত হয়ে যাবে।সাহায্যার্থে অনুরুপ আর একটি সমুদ্র এনে দিলেও।”সুরা কাহ্ফ(১৮) আয়াত ১০৯।
এর অর্থ হলো আল্লাহ কোরানে ততটুকুই লিখেছেন , যতটুকু আমাদের দরকার। তিনি ইচ্ছা করলে নির্দেশ দিয়ে লক্ষকোটি ভল্যুমের কোরান লিখতে পারতেন।
কুরআনে অবিশ্বাসের পরিনতি
“ নিশ্চয় যাহারা আমাদের আয়াতকে মিথ্যা বলে ও অহঙ্কার করিয়া তাহাতে কর্ণপাত করেনা, তাহাদের জন্য আকাশের দ্বার উন্মুক্ত হইবে না এবং তাহারা কখনই বেহেশ্তে প্রবেশ করিবে না , যে পর্যন্ত না সূইয়ের ছিদ্রে উট প্রবেশ করে। আমরা পাপীদেরকে এইরূপ শাস্তি দিব। (সুরা ৭ আ’রাফ আয়াত ৪০)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

