আমার প্রিয় পোস্ট
- ১০০০ বাংলা বই ফ্রি ডাউনলোড করুন - মো: হারুন-অর-রশিদ
- সুনানে আবু দাউদ ডাউনলোড করুন!! সম্পূর্ন বাংলা - সজল বস
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- That’s why Atheists are Stupid - কাকপাখি ২
- কিভাবে আমি আস্তিক হলাম। - মেহেদী পরাগ
- ফারুক৫৫ এর লেখার জবাব। - হা...হা...হা...
- জাদুর রহস্য জানুন
- অদ্ভুত
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কোরানে ব্যবহৃত সাংকেতিক অক্ষর সমুহ অবোধ্য বিষয় নয়ঃ - ঝড়১২৩
- নাস্তিকের ধর্মচর্চা ও আস্তিকের মূর্খতা - ত্রিভুজ
- ধর্ম: গোলাম সামদানী কোরায়শী - শেখ রফিক
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- প্রাচীন হুরিয়ান সভ্যতা - ইমন জুবায়ের
- ধর্মনিরপেক্ষতা মানেই ধর্মহীনতা - আবদুল হক
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- দারুচিনি দ্বীপে দারুচিনি নাই, খালি কাকড়া । - অগ্নির
- আস্তিক ও নাস্তিক তত্ব - একটি বিশ্লেষণ - লুতফুল বারি পান্না
- নবীনদের জন্য - নাদান
- "ইসলামের নামে প্রচলিত ভুল তথ্য" শীর্ষক পোষ্টের উপর মন্তব্য - নূরুল্লাহ তারীফ
- ঈমান থাকলেই বেহেশত পাওয়া যাবে? - তাহান
- আরজ আলি মাতুব্বর - ১ - রামারাও সিদ্ধা
- ভন্ডের সত্য বয়ান!-১ - শেরজা তপন
- নানান ধর্মের মাঝে মিল সমূহ "প্রাককথন" - এমিল
- নাস্তিকতা - আমড়া কাঠের ঢেকি
- এইডস প্রতিরোধে আল-কোরআনের বিধান-(১ম পর্ব) - মাহফুজশান্ত
- ব্লগে কবিতার প্লাবণ ও একটি গল্প....... - অদ্ভুতুড়ে
- মাদরাসায় যা শিখলাম তা কি কাজে লাগল? (প্রথম পর্ব) - ডিজিটালভূত
- ব্ল্যাক হোলের সাথে ম্যানহোলের এবং হোয়াইট হোলের সাথে সুড়ঙ্গমুখের মিল আছে- সত্যি কথা কিন্তু! - অনিশ্চিত
- স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে - হিমু রুদ্র
- যুক্তির ফ্যালাসি, কুযুক্তি বা নষ্টামিসমূহ-১ - দুরের পাখি
- ( কল্পগল্প )--- ফিউশন ট্রেকিং - শান্তির দেবদূত
- ড: জাকির নায়েককে নিয়ে কিছু কথা - সজল শর্মা
- নাস্তিকতা ও ইসলামের পারস্পরিক সহাবস্থান যে কারণে সম্ভব নয়----------দ্বিতীয় পর্ব - জাহিদুর রহমান মাসুদ
- ইহা একটি নিরাপদ নিষ্পাপ সুশীল সাহিত্য পোস্ট




- রেজওয়ান শুভ
- গ্রিসে কেন দার্শনিক আর আরবে কেন পয়গম্বর? - খারেজি
- সায়েন্স ফিকশন :: সমীকরণ [সমীকরনের ফলাফল ‘শূন্য’ হলে বুঝতে হবে স্রষ্টা আছে। আর যদি ‘এক’ হয় তাহলে স্রষ্টা নেই।] - পান্থ বিহোস
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৭ - বিডি আইডল
- মহান আল্লাহ্ ও তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব - শাফি উদ্দীন
- সুরুজ আলী - লুকিং ফর “পটল” ইন দা শেক্সপীয়ার। - শান্তির দেবদূত
- ১২ রবিউল আওয়ালঃ পাকিস্তানি পীরের বাংলাদেশে বেহেশতের টিকিট বিক্রি - শুভ৭৭
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- আলি সংকলিত কোরানের কিছু তথ্য- - অপ বাক
- আমার নাস্তিক ভাবনা(৫) : আল্লাহ কে? - কাঙ্গাল মুরশিদ
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই - পথের সন্ধানে ...
- বেদ ও বাইবেলে মক্কা বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী ! -১ - জেমসবন্ড
- আল্লাহ, মুহম্মদ সা এবং আল-কোরআন বিষয়ক কিছু আলোচনার জবাবে.... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সোহেল ভাই ০ - রাসেল ( ........)
হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০
সতর্কিকরন- যাদের ধর্মীয় অনুভূতি খুব নাজুক ও পরমত সহিষ্নুতা নেই , তাদের এই পোস্ট না পড়তে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর , এই নামটির সাথে প্রায় সকল মুসলমান পরিচিত। বিশেষ করে যারা হজ্ব বা ওমরাহ করেছেন , তারা তো বটেই। হাজারা অর্থ পাথর এবং আসওয়াদ অর্থ কালো। এই ডিম্বাকৃতি পাথরটি কাবা ঘরের এক কোনায় প্রথিত আছে। হজ্ব ও ওমরার সময় এই পাথরটিতে চুমু খাওয়ার জন্য মুসলমানদের মাঝে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। যারা ভিড়ের কারনে এই পাথরে চুমু খেতে পারেন না , তারা নিজেকে দুর্ভাগ্যবান মনে করেন।
এর কারন হলো , মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে , এই পাথরে চুমু খেলে অতীতে তার করা সকল গোনাহ এই পাথর চুষে নেয় এবং সে শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। অনাদি কাল থেকে মানুষের গোনাহ চুষে চুষে এই পাথর কালো হয়ে গেছে।
মূর্তি পূজার সাথে এই পাথর পূজার কি কোন পার্থক্য আছে? আমরা মুসলমানরা হিন্দুদের মুর্তিপূজাকে এই ভেবে কটাক্ষ করি যে , তারা কি ভাবে একটি প্রাণহীন মূর্তিকে পূজা করে? হিন্দুদের মাথায় ঘিলু বলে কোন পদার্থ আছে কিনা , তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে একটুও দ্বিধা করিনা। আমরা সেই একই কাজ করছি , একটি প্রাণহীন পাথরকে চুমু খাওয়ার মধ্য দিয়ে। অথচ দেখুন , কত নির্বিকার আমরা এই ব্যপারে। একটা পাথরের কি কোন ক্ষমতা থাকতে পারে?
ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখি যে মক্কার কাফেররা প্রাগইসলাম যুগেএই পাথরের পূজা করতো। সকলের জানা গল্পটাই আবার বলি। মুহম্মদের নবুয়ত প্রাপ্তির আগে , কাবা পুনর্নির্মানের সময় বিভিন্ন গোত্র প্রধানদের মধ্যে ঝগড়া লেগে গেল , তাদের পরম পূজনীয় পাথরটিকে কে কাবা ঘরের কোনায় স্থাপন করবে এই নিয়ে। তখন মুহম্মদ এর সমাধান দিয়েছিলেন পাথরটিকে একটি চাদরের পরে রেখে , তার চার কোনা চার গোত্র প্রধানকে ধরে বহন করার রাস্তা বাতলে দিয়ে। ঐ কাফেরদের রীতি মেনে আমরা এখনো পাথর পূজা করে চলেছি।
পাথর সব গোনাহ চুষে নিয়ে পাপ মুক্ত করলে , পরকালে বিচারের দরকার ই বা কি বা আল্লাহ ক্ষমাই বা করবেন কাকে? সর্বোপরি এই মহা ক্ষমতাধর পাথরের কথা কোরানের কোথাও উল্লেখ পর্যন্ত নেই।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধর্ম ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
আপনেরে এখনই দৌড় করাইব পাব্লিকলেখক বলেছেন: জানি। ধন্যবাদ সহমর্মিতার জন্য।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বেকুব টাইপের কথা বলেন কেন???কই থেইকা কী আনেন???
একটা পোস্ট দেয়ার আগে ৫ টামিনিট খোঁজ নিলে কী এমন ক্ষতি হয় ???
লেখক বলেছেন: বেকুব টাইপ মনে হইলো কেনো আপনার? ব্যখ্যা দিন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে তো পড়তে নিষেধ করেছি শুরুতেই।
তন্ময় হাসান বলেছেন:
প্রকৃত দেশপ্রেমিক বলেছেন: আপনি আমার ধর্মিয় অনুভূতিতে কুতকুতি দিয়েছেন, তাই আপনার আমরন বেন দাবী করছি,.................।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ও তো পড়তে নিষেধ করেছি শুরুতেই। আপনার ধর্মীয় কিছুই পড়া উচিৎ না । ধর্মীয় অনুভূতি যখন এত নাজুক ।
কামালআবু বলেছেন:
ব্যাপারটা এতো গোলমেলে, ভাবিনি। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভাবার জন্যই এই পোস্ট।
তন্ময় হাসান বলেছেন:
ঐ পাথর নাকি আসলে সাদা আছিলো। গুনাগার বান্দাগো চুমা খাইতে খাইতে কালা হৈয়া গেছে।
লেখক বলেছেন: এইটা একটা রূপকথা।
রাহাজানি বলেছেন:
আসলেই চিন্তার বিশয়
লেখক বলেছেন: আসলেই।
জুবাইর রেযা বলেছেন:
আপনি আমার ধর্মিয় অনুভূতিতে কুতকুতি দিয়েছেন,তাই আপনার আমরন বেন দাবী করছি,.................।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ও তো পড়তে নিষেধ করেছি শুরুতেই। আপনার ধর্মীয় কিছুই পড়া উচিৎ না । ধর্মীয় অনুভূতি যখন এত নাজুক ।
আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন:
আপনি হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা মোটেও ঠিক নয়। আপনি ইসলাম সম্পর্কে আরো লেখা পড়া করুন, ইতিহাস পড়ুন। তারপর ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করুন। ইসলাম প্রাকযুগে মক্কার কোরায়েশগণ হাজরে আসওয়াদের পূজা করেছে , এমন কথা কোন কিতাবে পেলেন, বলবেন কী? আর মূর্তি পূজার সাথে "হাজরে আসওয়াদের চুমুর" তুলনা করা মোটেও ঠিক নয়। কারণ হযরত আলী (রাঃ) বলেন, যে রাসূল (সাঃ) যদি এই পাথর চুমু না খেতেন আমিও খেতাম না, কারণ এই পাথরের কোন ক্ষমতা নেই, মানুষের গুনাহ মাফ করার। সুতরাং পাথর চুমু খাওয়া রাসূলের অনুসরণ করা বৈ কিছুই নয়। আর যারা এই পাথরে চুমু খাওয়ার সুযোগ না পাবে তারা এই পাথরের দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেলেই সেই বরকত লাভ করবে, এমন কথা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সতরাং আপনার এই মন্তব্য "যারা ভিড়ের কারণে এই পাথরে চুমু খেতে পারেন না , তারা নিজেকে দুর্ভাগ্যবান মনে করেন।" মোটেও ঠিক নয়। আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান অর্জন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
লেখক বলেছেন: নিজের কমনসেন্স কে কাজে লাগান। কোন পাথরে চুমু খাওয়া আর মূর্তি পূজার মধ্যে পার্থক্য কতটুকু ?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আনহাইজিনিক।
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন:
এত সাহস রাইতে নিশাচরের মত পোষ্ট দিলেন কেন?নাকি দিনে বেলায় মাল খাইয়া টাল হইয়া পোষ্ট দিলে সবাই সামনে দিয়া পিছন দিয়া ভাল মত ডলা খাওয়ার সাহস হয় না।
কাল পাথর এক কালে সাদা আছিল এই খবর আপনার কানে কানে আইসা বইলা গেছিল না।
আপনার মত যারা রাইতে নিশাচরের মত পোষ্ট দেয় সবাইরে সামনে দিয়া পিছন দিয়া গদাম দিলাম....................
লেখক বলেছেন: আপনার ভয়েই রাইতে পোস্ট দিছিলাম। বিধি বাম।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ বাচাইছে।
ইরোর বলেছেন:
ছাগু টাইপের লেখা।কচু পাতায় কুকুরের হিসুর মতো ইহা বেশীক্ষণ স্থায়ী হবে বলে মনে করি না.........
অলস ছেলে বলেছেন:
উমর রা: হযরে আস্ওয়াদের সামনে দাড়িয়ে বলেছিলেন, হে কালো পাথর, আমি যদি না দেখতাম আল্লাহর রাসুল তোমাকে চুমো দিচ্ছেন, আমার কাছে তোমার কোন কানাকড়িও দাম থাকতো না। ভাইজান কি মুনকিরে হাদীস এর লোক নাকি? ফির্কাফির্কি দেখতে ইদানিং বড় ভালো লাগে। মুসলিমদের এইটাই রাস্তা।
লেখক বলেছেন: ইসলামী একত্ববাদে পাথর বা অন্য কোন প্রাকৃতিক বস্তুর কোন ক্ষমতা থাকার কথা না। নবী কখনো এমন কাজ করতে পারেন না। হাদীসটি বানানো বলেই আমার বিশ্বাস।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আনহাইজিনিক।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
চানমেয়া বলেছেন:
এইটা সম্ভবত ঠিক যে কুরআনে এইটার কোন রেফারেন্স নাই।
সাহাবীদের হাদিসে আছে। প্রথা হিসাবে এইটা চলে আসছিল। নবী এমন আরো কয়েকটি প্রথার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন নাই, যদিও ইসলামী একত্ববাদে পাথর বা অন্য কোন প্রাকৃতিক বস্তুর কোন ক্ষমতা থাকার কথা না।
মিনায় শয়তানরে পাথর ছোড়াও ওই রকম আরেকটা কাণ্ড যে খানে ধইরা নেয়া হয় যে ....
যাই হৌক, যারা যারা পইড়া আসতে বলতেসেন, কি কি পড়িয়া উপদেশ ফলাইতেসে, যা কেনু জানায়া যাইতেসে না!
(আইলসা, তর্কে ক্ষতি নাই। এইটাতে আত্মপলদ্ধি হয়। লূকায়া রাখঢাকে লাভ কী?)
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।
আসিফবিডি৫৯ বলেছেন:
আসলে বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় অনূভূতির ব্যপারএ নিয়ে যত কম ঘাটাঘাটি হয় ততই ভালো
আমাদের রসূল যা করে গেছেন, আমাদেরও তা অনুসরন করতে হবে
এটাই আইন।
আবু আব্দুল্লাহ মামুন যা বলেছেন সেটিই ঠিক কথা
আমারা সেভাবেই চলার চেষ্টা করি। অহেতুক ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়ে লাভ কি
লেখক বলেছেন: রসূল কোরান পরিপন্থি কিছু করতে পারেন না। আর যদি করেই থাকেন তা মানতে কোন মুসলমান বাধ্য নয় , যদি তা কোরান পরিপন্থি হয়। বাপ দাদা করেছে বলে আমি ও করেছি , এই যুক্তি দিয়ে পরকালে পার পাওয়া যাবে না।
লুথা বলেছেন:
কিছু কিছু পাবলিকের কোন কাজ কাম নাই... নিজেরে কি কইরা সবার সামনে আনবে এই জন্য অযথা ইসলাম নিয়া পেচাল পারে... এইসব বাল-ছালরে ব্লগ থেকে লাথি মারে বিদায় করা হোক...আবাল কোন খানের
লেখক বলেছেন: এত বুদ্ধি নিয়ে ঘুমান কেমনে?
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন:
The status of prayer in Islam
According to a hadeeth narrated by Mu’aadh ibn Jabal (may Allaah be pleased with him), the Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: «Shall I not tell you of the head of the whole matter and its pillar and top?» I [Mu’aadh] said, “Yes, O Messenger of Allaah.” He said, «The head of the matter is Islam, its pillar is prayer and its top is jihad» [Narrated by al-Tirmidhi, 2616; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh al-Tirmidhi, 2110].
The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: «Islam is built on five [pillars]: the testimony that there is no god but Allaah and that Muhammad is His slave and Messenger, establishing prayer, paying zakaah, performing pilgrimage to the House, and fasting Ramadaan» [Narrated by al-Bukhaari, 8; Muslim, 16].
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
আপনার মাথা কি ঠ্কি আছে ভাই। এই সব কি লিখছেন।
লেখক বলেছেন: এখনোতো মনে হয় ঠিক আছে।
লেখক বলেছেন: রুপকথা মনে হইলো।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনি তো আগে ইসলামপন্থী পোস্ট দিতেন । হঠাৎ উল্টিয়া গেলেন কেন ?
লেখক বলেছেন: উল্টালাম কই? সঠিক ইসলামের তালাশে আছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
পাথরে চুমা খাওয়া আর মূর্তিপূজা এক নয়। তারপরও এটা রীতি হিসেবে মানা কি দরকার ছিল ?
লেখক বলেছেন: এক নয় কেনো? এটা রীতি হিসেবে মানা দরকার ছিল না।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আরেকটা প্রশ্নের উত্তর দেন তো, কাবা ঘরের দিকে সিজদা করা আর মূর্তি পূজার মধ্যে পার্থক্য কী ? কাবাও একটা নির্জীব বস্তু এবং মূর্তিও একটা নির্জীব বস্তু । তাহলে উভয়টা কি এক হয়ে গেল না ?
লেখক বলেছেন: কঠিন প্রশ্ন। জাকির নায়েকের দেয়া উত্তরটা পড়ে দেখতে পারেন।
হাসান শরিফ বলেছেন:
আপনার যুক্তির সঙ্গে একমত। তবে আমি বিশ্বাস করি না একটা পাথেরে চুমু দিলেই বা একবার হজ্জ্ব করে এলেই মানুষের সব গোনাহ মাফ হয়ে যায়। আপনার মন যদি পবিত্র থাকে, সারাজীবন মানুষের মঙ্গলের জন্য কাজ করেন সেটিই যথেষ্ট। লাখ টাকা খরচ করে হজ্জ্ব করার দরকার নাই এজন্য। তবে যাদের সামর্থ্য আছেন তারা যেতে পারেন, মন পুতপবিত্র করতে। একটা পাথরে চুমু দেওয়াতে কিছু যায় আসে না।
লেখক বলেছেন: একটা পাথরে চুমু দেওয়াতে অনেক কিছুই যায় আসে ।
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন:
এই আরেকটা বুদ্ধিজিবি আইছে ।
লেখক বলেছেন: আমি চাকরিজীবি । বুদ্ধিজিবি না।
নিষণ্ণ বেদন বলেছেন:
আপনার সাথে আমি এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ একমত যে, যারা ভাবে ঐ কালো পাথরকে চুমু দিলেই সব পাপ মোচন হয়ে যাবে তারা নিশ্চয়ই ভুল পথে আছে। কিন্তু তাই বলে কা'বা শরীফের গায়ে বসানো পাথরকে চুমু দিলেই সেটা পাথর পূজা হয়ে যায় না। আমাদের দেশের অনেক বদমাইশ লোকজন আছে যারা এক বার হজ্জ্ব করেই মনে করে পূর্বের সব পাপ মোচন হয়ে গেছে। সেটা যে কত বড় ভুল ধারণা তারা যদি বুঝতো!আপনার যুক্তি অনুযায়ী তো আমরা সবাই শিরকি কাজে ডুবে আছি। মানে আমরা যারা বিবাহ করিয়া সোহাগ করে স্বামী বা বউকে চুমু দেই? আমরা যারা পিচ্চি বাবুদেরকে আদর দেই তারা কি ঐ বাবুগুলাকেই পূজা করি? (হাইসসা উলটায়া পড়ার ইমো হৈবে)
লেখক বলেছেন: স্বামী বা বউকে বা পিচ্চি বাবুদেরকে কি পাপ মুক্তির জন্য বা ধর্মীয় অনুশাসন পালনের উদ্দেশ্যে চুমু দেন? যদি দেন , তাহলে তা শির্ক।
নিষণ্ণ বেদন বলেছেন:
আপনি বলেছেনঃমুসলমানরা বিশ্বাস করে যে , এই পাথরে চুমু খেলে অতীতে তার করা সকল গোনাহ এই পাথর চুষে নেয় এবং সে শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়।
আমি কি তাহলে মুসলিম না? আমার পরিবার কি মুসলিম না? আমরা তো এটা বিশ্বাস করি না। আমাদের মত আমার পরিচিত আরো অনেকেই জানে যে কালো পাথর হলো সামান্য একটা পাথর মাত্র। এর তেমন কোন গুরুত্ব নেই মুসলিমদের কাছে।
আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলি, হ্যাঁ ধর্মীয় অনুশাসন পালনের জন্যই স্বামী/বউ/শিশুদেরকে চুমু দেই। কারণ, ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন-ব্যবস্থা এবং নিকটজনদের ভালাবাসাও ধর্ম পালনের অঙ্গ। আর সৃষ্টিকর্তার আদেশ নির্দেশ ঠিকমত পালন করলে তিনি অবশ্যই পাপ থেকে মুক্তি দিতেও পারেন। সেটা তাঁর ইচ্ছা। তবে তার মানে এই না যে চুমু দিলে ঐ পিচ্চিই আমার পাপ মোচন করবে। হা হা হা।
ফারুক৫৫ বলেছেন:
হা হা হা।
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন:
চালায়া যান। ভালো বিশ্লেষণ। তবে.....সাবধান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
যেই ভাইয়েরা লম্ফ দিয়ে উঠলেন তারা একটু রেফঃ টেফঃ দেন যেখানে আছে যে ইসলাম পূর্ববর্তী যুগে হজরে আসওয়াদ কে স্যাক্রেড জ্ঞান করা হতো না। কারন মুহাম্মদের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় শেখানো হয় এই হজরে আসওয়াদ রিলেটেড ঘটনাকে বর্ণনা করে।যারা মুহাম্মদের করা সবকিছুকেই আইন হিসেবে দেখেন, সেই ভায়েরা জোব্বা পাগড়ী পড়ে উটের পিঠে চড়ে চলাচল করেন না কেন?
শুধু হজরে আসওয়াদই না, মুসলিম রা যে পৌত্তলিক আরবদের একটা রিচুয়াল পালন করেন তার কি বলবেন?
হজ্জের সময় পালিত রিচুয়ালস এর ব্যাপারে কোরাণে সরাসরি কিছুই উল্লেখ নেই। হজ্জের সব রিচুয়াল গুলো যে পৌত্তলিক আরবদের বাৎসরিক রিচুয়াল থেকে নেয়া, সেটা নিয়ে কারোরই মাথা ব্যাথা নেই কেন?
@অলস পোলা- আরবী ব্যাকরণ জ্ঞান কম। কাইন্ডলি অনুবাদ করে দেবেন সাইট টা? নয়তো গুগল ট্রান্সলেট দিয়ে অনুবাদ করে পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সতর্ক করার জন্য।
ধুর আমি ভুলে পেলাস দিয়ালাইসি
লেখক বলেছেন: মানুষ মাত্রেই ভুল করে।
জন্ম থেকে জ্বলছি বলেছেন:
ভাই ভাল মতো জেনে রেফারেন্স দিয়ে পোষ্ট দিবেন ।এখানে যা বললেন সবই অাপনার মনে হয়েছে
লেখক বলেছেন: এখানে আসলেই রেফারেন্স দেয়ার নেই কিছু। শুধু এটুকুই বলতে পারি এই মহা ক্ষমতাধর পাথরের কথা কোরানের কোথাও উল্লেখ পর্যন্ত নেই। বাকিটুকু কমনসেন্সের ব্যপার।
শিরোনামহীন.......... বলেছেন:
ফারুক সাব, একটা বিষয় খেয়াল করছেন... আপনাকে নাস্তিকরা সমর্থন করে!!! আপনে কোন দলের লোক? কালো পাথরে চুমা দেওয়াতে পাপ মোচন হয়.. এই টা ভুল, তবে হজ্জ্বের নিয়ম অনুযায়ী এটা করা হয়ে থাকে এবং সাহবারাও তাই করতেন কারণ তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে করতে দেখেছেন এবং এইভাবেই চলে আসছে। কোন ভক্তি বা শ্রদ্ধা নিয়ে চুমা দেয়া হয় না কাজেই পূজা করার কোন প্রশ্নই আসে না। আপনি যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ (কর্মনীতি) এর চেয়ে বেশী বুঝে থাকেন সেটা আপনার ব্যাপার। আর একটা বিষয় কুরআন একটা বই আকারে একবারে নাযিল হয়নি,,,,, দীর্ঘ ২৩ বছরে নাযিল হয়েছে আর কোন ইবাদত কিভাবে করতে হবে তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়ে দিয়েছেন, কেউ যদি বলে আমি তা মানবো না তাহলে তার ব্যাপারে আল্লাহই যথেষ্ট।
লেখক বলেছেন: যে চুমু দিচ্ছে সেই জানে ভক্তি বা শ্রদ্ধা নিয়ে চুমা দিচ্ছে কিনা। কোরান পড়ুন , সঠিক ইসলামকে জানার জন্য।
দাউদ রনি বলেছেন:
@ ফারুক,
ঠিক এই বিষয়টা নিয়ে ২০০১ সালে আমার মাথায় আউলা লাইগা গেছিলো।
আজকে আবার আপনার পোস্ট দেখে আউলা হইয়া গেলো।
বিষয়টা আমাকে ভাবাইছে প্রচুর।
আপনার জন্য +++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ + ও ভাবার জন্য।
শিরোনামহীন.......... বলেছেন:
ফারুক সাব, আপনি কি আরবী ভাষা জানেন? যদি না জানেন তাহলে অতি শীঘ্র শিখে নিন অনেক ভালো হবে। শুধু অনুবাদ পড়ে আসল জিনিস বুঝা যায় না, কারণ অনুবাদটি করেছে মানুষেরা আর কুরআনের ভাষা হচ্ছে নাযিলকৃত। আরবী শিখুন তখন বুঝবেন কুরআনের আসল মজা। এই সব পোস্ট লেখে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেছেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করা ঠিক না। নিজে বিভ্রান্ত হয়েছেন ভালো কিন্তু অন্যেকে বিভ্রান্ত করে কি মজা পান? আপনি এটুকু বলতে পারতেন যে ভক্তি করে চুমা দেওয়া ঠিক না কিন্তু আপনার উদ্দেশ্য ঘোলাটে।
//ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখি যে মক্কার কাফেররা প্রাগইসলাম যুগেএই পাথরের পূজা করতো। সকলের জানা গল্পটাই আবার বলি। মুহম্মদের নবুয়ত প্রাপ্তির আগে , কাবা পুনর্নির্মানের সময় বিভিন্ন গোত্র প্রধানদের মধ্যে ঝগড়া লেগে গেল , তাদের পরম পূজনীয় পাথরটিকে কে কাবা ঘরের কোনায় স্থাপন করবে এই নিয়ে। তখন মুহম্মদ এর সমাধান দিয়েছিলেন পাথরটিকে একটি চাদরের পরে রেখে , তার চার কোনা চার গোত্র প্রধানকে ধরে বহন করার রাস্তা বাতলে দিয়ে। ঐ কাফেরদের রীতি মেনে আমরা এখনো পাথর পূজা করে চলেছি।//
পরম-পূজনীয় পাথর!!! উল্লেখ করছেন ক্যান? তারা এইটাকে সম্মান করতো পূজনীয় হিসেবে না, কাবা ঘরের পাথর যেটি বেহেশত থেকে আনা হয়েছিল আর কে স্থাপন করবে তা নিয়ে গোত্রের সম্মান জড়িত ছিল তাই নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল।
রাশাদ খলিফার শিষ্য ফারুক সাব, এই সব লেখা বাদ দ্যান।
দাউদ রনি বলেছেন:
''শিরোনামহীন.......... বলেছেন: ফারুক সাব, আপনি কি আরবী ভাষা জানেন? যদি না জানেন তাহলে অতি শীঘ্র শিখে নিন অনেক ভালো হবে। শুধু অনুবাদ পড়ে আসল জিনিস বুঝা যায় না, কারণ অনুবাদটি করেছে মানুষেরা আর কুরআনের ভাষা হচ্ছে নাযিলকৃত। আরবী শিখুন তখন বুঝবেন কুরআনের আসল মজা।''
.................................................
@ শিরোনামহীন,
ভাই যিনি অনুবাদ করেছেন তিনি তো আরবি ভাষা শিখেই অনুবাদ করেছেন।
........
তাছাড়া আপনি বলছেন, মানুষের ভাষা আর নাজিলকৃত ভাষা এক না!
তাইলে আরবি মানুষের ভাষা না!
এখন নাজিলকৃত ভাষা শেখানোর কোনো ইনস্টিটিউট আছে বলে আমার জানা নেই।
এসব কথা শুধু বলার জন্যই বলা।
একটু মাথাটা খাটান। জন্মের পর থেকে মানুষের মুখ থেকে শোনা কথা আর কত বিশ্বাস করবেন?
নিজের একটা নিজস্ব দৃস্টিভঙ্গি তৈরি করুন।
লেখক বলেছেন: এদের বলে লাভ নেই।
তুষারপাত বলেছেন:
@দাউদ রনি >>> আপনি হাজরে আসওয়াদের ব্যাপারে বলেছেন, "জন্মের পর থেকে মানুষের মুখ থেকে শোনা কথা আর কত বিশ্বাস করবেন?নিজের একটা নিজস্ব দৃস্টিভঙ্গি তৈরি করুন।"
আপনার একথা হাজরে আসওয়াদের ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভূল। কারণ হাজরে আসওয়াদ যে পাপ মোচন করতে পারে এটা কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
তাছাড়া ফারুক৫৫ একটি ধর্ম সংক্রান্ত ব্লগ লিখেছেন । সেখানে কোন রেফারেন্সই নেই। এটাকে ধর্ম সংক্রান্ত ব্লগ না বলে ব্যক্তিগত মত বলাই শ্রেয়।
সঠিক ধারণা পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
হাজরে আসওয়াদ
লেখক বলেছেন: "হাজরে আসওয়াদ যে পাপ মোচন করতে পারে এটা কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।"
কোরানের আয়াত নং উল্লেখ করুন।
তুষারপাত বলেছেন:
সূরা বাক্বারা ৩৫ নম্বর আয়াতের তাফসীরে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যা আমার হাজরে আসওয়াদ ব্লগটির প্রথমে উল্লেখ আছ।
লেখক বলেছেন: وَقُلْنَا يَا آدَمُ اسْكُنْ أَنتَ وَزَوْجُكَ الْجَنَّةَ وَكُلاَ مِنْهَا رَغَداً حَيْثُ شِئْتُمَا وَلاَ تَقْرَبَا هَـذِهِ الشَّجَرَةَ فَتَكُونَا مِنَ الْظَّالِمِينَ (35
And We said: ”O Adam! Dwell you and your wife in the Paradise and eat both of you freely with pleasure and delight of things therein as wherever you will, but come not near this tree or you both will be of the Zâlimûn (wrong-doers).”
এখানে কোথাও কি হাজরে আসওয়াদের উল্লেখ আছে? বানানো তাফসীর ভুলে যান।
উমর বলেছেন:
@দাউদ রনি, আপনি জানেন কুরআনের অনুবাদ একেক জন একেকভাবে করেছে। এতে করে মূল কুরআনকে আপনি একদম কুরআনের মতো করে বুঝতে পারবেন না। আরবি ভাষার যত প্রকার গ্রামার আছে সবই এসেছে কুরআন থেকে। মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছে কখন? যখন সে অনুবাদ দিয়ে কুরআনকে আরবী'র মতো করে বুঝতে চেষ্টা করেছে। কিন্তু মূল কুরআনের ভাষা যদি মুসলিমরা জানতো তাহলে আর যাই হোক এত দুর্দশা হতো না।
ড. রাশাদ খলিফার নাম হয়তো শুনে থাকবেন, এই ব্যক্তি কুরআনকে এমনভাবে ইংরেজীতে অনুবাদ করেছে যার মর্মকথা হলো কোনভাবেই হাদীস মানা যাবে না। আর এই রাশাদ খলিফা বাস্তবে ছিল একজন কপ্টিক খ্রিস্টান(জন্মগতভাবে এ্যারাবিক খ্রিস্টান), সে এক পর্যায়ে নিজেকে নবী পর্যন্ত দাবী করে বসেছিল।
আরবী ভাষার মতো আর কোন ভাষা এই পৃথিবীতে নেই, আমি কেন এই কথা বলছি যখন আপনি কুরআনের ভাষা বুঝার জন্য আরবী শিখবেন তখন বুঝবেন। আর ভাষা যদি শিখেন তখন দেখবেন কুরআনের কি মজা, কুরাআনের কি বাচন ভঙ্গি। সুবহানাল্লাহ।
ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই,
খ্রিস্টান মিশনারীরা বলা শুরু করলো ঈসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম কুরআনে ২৫ বার এসেছে আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম এসেছে মাত্র ৫ বার! সুতরাং কে শ্রেষ্ঠ!
আবার মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম এসেছে ১২০ বার! আপনি যদি নরমাল অনুবাদ পড়েন তাহলে আপনি বলবেন আরে তাইতো!
কিন্তু আপনি যদি আরবী ভাষা জানেন তখন দেখবেন কুরআনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলা।
বিষয়টা আরেকটু পরিস্কার করি, আমি যে আপনাকে উদ্দেশ্য করে লিখছি আমি কি বারে বারে আপনার নাম উল্লেখ করছি? দাউদ রনি শুনুন এটা, দাউদ রনি ঐটা..... না, আমি আপনার নাম একবারই লিখেছি শুরুতে, তাই আপনি বুঝতেই পারছেন কথাগুলো আপনাকেই উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে। কুরআনের বিষয়টি তেমনি, আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সরাসটি কথা বলেছেন জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মাধ্যমে। আরবী ভাষা বুঝলে তখন এই বিষয়টিও আপনার নিকট পরিস্কার হয়ে উঠবে।
একজন ইসলামিক স্কলার বলেছেন , যদি কেউ তার আই.কিউ বাড়াতে চায় সে যেন আরবী ভাষা শিখে। সত্যিই কথাট বাস্তব, যখন আপনি শিখবেন তখন আপনিও বুঝবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি নিজে কি আরবি শিখেছেন?
তুষারপাত বলেছেন:
مَكَرُوْا وَمَكَرَ اَللهُ وَاَللهُ خَيْرُ الْمَاكِرِيْنَ٭এই আয়াত শরীফটি সূরা বাক্বারার ৫৪তম আয়াত শরীফ যার সরাসরি অর্থ করলে অর্থাৎ লোগাতী বা শাব্দিক অর্থ গ্রহণ করলে অর্থ দাঁড়ায়-
“আর কাফিররা ধোকাবাজী করলো, আল্লাহ পাকও ধোকাবাজী করলেন, আর আল্লাহ পাক হচ্ছেন উত্তম ধোকাবাজ।” (নাঊযুবিল্লাহ মি যালিক)
এরূপ অর্থ যে কুফরীর অন্তর্ভূক্ত, এ ব্যাপারে কারোই কোনরূপ দ্বিমত নেই। কারণ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা মতে আল্লাহ পাক (مَكَر) বা ধোকাবাজী হতে সম্পূর্ণই পবিত্র। অথচ দুনিয়ার সকল লোগাত বা অভিধানসমূহেই (مَكَر) শব্দের অর্থ ধোকাবাজী বলে উল্লেখ করেছে। আর মুফাস্সিরীন-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ এ আয়াত শরীফের তাফসীর করেন “আর কাফিররা ধোকাবাজী করলো, আর আল্লাহ পাক প্রজ্ঞা অবলম্বন করলেন, আর আল্লাহ পাক হচ্ছে উত্তম প্রজ্ঞা অবলম্বনকারী।”
আশা করি বুঝতে পারছেন। কুরআন শরীফে এরূপ অনেক আয়াত শরীফ আছে যার সরাসরি অর্থ করলে ঈমান থাকবে না। সেক্ষেত্রে মুফাস্সিরীন-ই-কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের তাফসীর গ্রহণ করতে হবে।
লেখক বলেছেন: কিসের মধ্যে কি!! কালো পাথরের কথা কোরানের কোথা্য আছে?
শয়তান বলেছেন:
উইকিতে পড়লাম এইটা নাকি আসলে একটা ক্রেটারের অংশ বিষেশ ??
লেখক বলেছেন: অসম্ভব কিছু না।
দাউদ রনি বলেছেন:
@ উমরআপনার কথা্ সঙ্গত কারণেই মানা যাচ্ছে না।
আপনি যেগুলো বললেন, ওইটুক জ্ঞান এই অধমের আছে।
এগুলো হলো ব্যতিক্রম। আর ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ হতে পারে না।
.....................
প্রসঙ্গ যেখানে আরবি ভাষা; আরবিতে গুটিকয়েক ধর্মগ্রন্থ ছাড়া মহান কয়েকটি সাহিত্যকর্মের নাম করুন দেখি?
ঘাম ছুটে যাবে। বুঝেছেন!
ধর্মীয় ভাষার প্রতি মমত্ববোধ একজন ধার্মিক হিসেবে আপনার/আপনাদের থাকতেই পারে। তাই বলে অন্যের উপর সেটা চাপিয়ে দেবার মানসিকতা কেন! কই, আপনার স্বাধীণতায় কোনো মুক্তমনের মানুষ তো হস্তক্ষেপ করছে না!
ভূতুম প্যাঁচা বলেছেন:
ফারুক এর পোস্টগুলো পড়লাম,অনেক অজানাকে জানা হল ।
ফারুক , একটা বিষয় খেয়াল করছেন... আপনাকে নাস্তিকরা সমর্থন করে!!!
অসংখ্য ধন্যবাদ ।
তবে এই ধন্যবাদ ফারুক এর জন্য নয় ।ফারুক ও তার সমর্থনকারিদের পোস্ট ও মন্তব্য পড়ে যারা কষ্টকরে হলেও উত্তর দিচ্ছেন ইসলাম ধর্মকে সঠিক ভাবে প্রচারে এগিয়ে আসছেন,কিছু কূচক্রীদের পথের বাধাঁ হয়ে দাড়াচ্ছেন তাদের জন্য । ইসলামকে সঠিকভাবে প্রচারের জন্য নতুন পোস্টের পাশাপাশি আপনাদের এ ধরনের মন্তব্য অন্যান্য মুসলিম ভাইদের বিপথে যাবার হাত থেকে রক্ষা করবে ।
আপনারা ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন,ব্লগে বেশি বেশি লিখুন ,এই কামনা করি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
“আলিফ লাম রা , এটি এমন এক বই , যার আয়াতসমূহ নিখুত নির্ভুল (perfect) এবং এক মহাজ্ঞাণী সর্বজ্ঞ সত্বার পক্ষ হইতে সবিস্তার ব্যাখ্যা সহ বর্ণীত। যেনো তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বন্দেগী না কর। নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তাহারই পক্ষ হইতে সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা।
” সুরা হুদ (১১) আয়াত ১-২
সুরা আল-যুমার(৩৯) আয়াত ১৮
যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে , অতঃপর যা উত্তম , তার অনুসরন করে। তাদেরকেই আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
অন্যরকম একজন বলেছেন:
Salam.I don't have avro in my office computer.So,I'm commenting in English.I've been studying about the black stone for last a few days and today I found ur article .What u have said has been said by many .I find this matter really confusing.I found many articles and an you tube video of Dr.zakir Naik in which he quoted from Sahih Bukhari ,chapter 56,Hadith#675 to prove that the blackstone has no supernatural power.Here I have found 'tusharputro'who wrote a blog about the blackstone being sacred and quoted the same hadith like this-হযরত আবেস বিন রাবেয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কে ‘হাজরে আসওয়াদ’ চুম্বন করতে দেখেছি। তিনি বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি জানি তুমি একখানি পাথরমাত্র, কোন উপকার বা অপকার করার ক্ষমতা তোমরা নেই। যদি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখতাম, তবে কখনোই আমি তোমায় চুম্বন করতাম না। একথা বলে হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু চুম্বন করতে থাকেন। তখন হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! হাজরে আসওয়াদ উপকার বা অপকার উভয়ই করতে পারে। হযরত ওমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু জিজ্ঞেস করলেন, তা কিরূপে? হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আল্লাহ্ পাক আলমে আরওয়াহ্তে যখন সমস্ত বনী আদমের অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন, তখন তাঁর একটি পূর্ণ তালিকা তৈরী করা হয়েছিল। সেই পূর্ণ তালিকাটি হাজরে আসওয়াদ গ্রাস করেছিল। ওটা এখন ঈমানদারগণের অঙ্গীকার পূরণ করার পক্ষে এবং কাফেরদের অঙ্গীকার পূরণ না করার পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবে।” (ইহ্ইয়াউল উলুমুদ্দিন)surprisingly,for the first time I can see that this hadith talkes about Hazrat Ali (RA)!Whereas,I've found this hadith always like this- Umar (may Allah be pleased with him) said, "I know that you are a stone and can neither benefit nor harm. Had I not seen the Prophet (pbuh) touching (and kissing) you, I would never have touched (and kissed) you".
So,how many version of this Hadith exists?If,we take it as an authentic one then we must ask why prophet Muhammad (PBUH) did kiss the blackstone being aware that it may be considered as stone worshiping.Seriously,I often find Hadiths contradictory with the Quran.I can see that this blog was written 2 years ago.If u have found any other document in this regard by this time,plz inform me.Thanks.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















