আমার প্রিয় পোস্ট
- সময় - রথো রাফি
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- ওই বুট ওই লাথি, ওই আমাদের শিক্ষক, ওই পড়ে মার খায় জনতার লোক - ফারুক ওয়াসিফ
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইস্নিপস থেকে ডাউনলোডের নয়া সিস্টেম! - রাশেদ
- গৌরাঙ্গ নামা- বাংলাদেশে সংখ্যালঘুর পরাজয় - রাসেল ( ........)
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- রিফাত হাসানের 'ফাজলামীর সীমা' এবং ফুটনোটের গবাক্ষপথে রাজনীতির মারেফত দর্শন - ফারুক ওয়াসিফ
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- 'সামনে আসছে শুভ দিন'...কিন্ত কার জন্য? - ফারুক ওয়াসিফ
- আশার সমাধিতে আমরা অপেক্ষা করছি... - ফারুক ওয়াসিফ
- চমস্কির সাক্ষাতকার: আমি কোণঠাসা নই, আমাকে চালিত করে সংগ্রামী আশাবাদ - ফারুক ওয়াসিফ
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
হাঁটা পথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে হে সভ্যতা। আমরা সাত ভাই চম্পা মাতৃকাচিহ্ন কপালে দঁড়িয়েছি এসে _এই বিপাকে, পরিণামে। আমরা কথা বলি আর আমাদের মা আজো লতাপাতা খায়।

ওই বুট ওই লাথি, ওই আমাদের শিক্ষক, ওই পড়ে মার খায় জনতার লোক
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৪
হ্যাঁ, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে রাস্তায় পেড়ে ফেলে লাঠিপেটা, পদাঘাত, বুট দিয়ে পেষা আমরা সহ্য করে নেব। আমাদের চোয়াল শক্ত হলেও, দাঁতে দাঁতে পেষাপেষির শব্দ আপাতত কাউকে শুনতে দেব না। কারণ, দিনবদলের সরকার আর গ্যাস-কয়লার লুণ্ঠনের সহযোগী দালালদের আমরা সহ্য করে নিয়েছি। কারণ, এনজিও আর কর্পোরেটের দালালদের আমরা জাতীয় বুদ্ধিজীবীর তকমায় মুড়িয়ে কেষ্ঠগোপাল বানিয়ে মাথায় করে রেখেছি। আমাদের এখন গা কাঁপলেও, চোখ জ্বললেও আমরা স্বাভাবিক হয়ে যাব। একাত্তরে বুদ্ধিজীবীদের নির্মম-নৃশংস ও নোংরাভাবে হত্যা করার পরও তো আমরা স্বাভাবিক আছি। আছি না?
আমাদের এই বিষাক্ত স্বাভাবিকতা, আমাদের এই অসহ্য কাপুরুষতা, আমাদের এই নির্লজ্জ নিরাপত্তাকাতরতার খেসারত দিতে দিতে আমাদের পশ্চাদদেশ লাল হয়ে গেছে, আমাদের সবুজ দেশটা ধর্ষণে ধর্ষণে মধ্যাঙ্গে স্থায়ী লাল রক্তিমা নিয়ে চললেও আমরা বলবো, ওই লাল স্বাধীনতার সূর্যের আভা। কোনো এক রাষ্ট্রদূতের থাপ্পর খেয়েও আমরা মুখে হাসি ধরে রাখি। দেশের মাটির তলার গ্যাসসম্পদ সাবাড় হয়ে গেলেও, সমুদ্রের গ্যাস বিদেশি বেনিয়াদের তুলে দেব বলে আমরা দিনবদলের সরকার আনি।
অবোধ পশু-পাখির সামনে ন্যাংটো হতে কেউ লজ্জা পায় না। এদেশের অসংগঠিত নেতৃত্বহীন জনতাকে হাসিনা-খালেদার সরকার, ইঊনূস-আবেদেন সিভিল সোসাইটি আর মরিয়ার্টি-পিনাক-ওয়ালিকদের কাশিমবাজার কুঠির বালবংশধররা দেশকে ন্যাংটো করতে লজ্জা বোধ করেন না। জনগণকে নির্বোধ ঠাউরে নিয়ে ন্যাংটা দশার খ্যামটা নাচে তারা বিব্রত হয়না। এই ন্যাংটার নাই বাটপারের ভয়ের দেশে আনু মুহাম্মদরা মার খাবেই।
ভুলতে গিয়েও তবু ভুলি না, এই ব্যক্তি ব্যক্তি নন কেবল। বাল্যকাল থেকে বিচিত্রায় লিখতে শুরু করা আনু মুহাম্মদ, দীর্ঘকাল বিপ্লবী রাজনীতির সংগঠক আনু মুহাম্মদ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রা আন্দোলনের অন্যতম নেতা আনু মুহাম্মদ, দেশের প্রায় একমাত্র মার্কসীয় অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক-এডিবি-আর এনজিওদুর্গে অনবরত আঘাত হানা আনু মুহাম্মদ, ফুলবাড়ী কয়লাখনি রা আন্দোলনের সাফল্যের অন্যতম নায়ক ফুলবাড়ীবাসীর প্রাণাধিক আনু মুহাম্মদ, রাজনৈতিক অর্থনীতির জনপ্রিয় লেখক আনু মুহাম্মদ অনেক বিচারেই এক নিঃসঙ্গ বিদ্রোহী, এক বিরল শেরপা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষকের মতো নন তিনি। বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবীদের মতো তিনি ক্ষমতার নানানমহলের মধু খেয়ে মহান হতে পারেননি। দালালির সুবিধায় ওপরমহলের রাকবচ জোটেনি তাঁর। তিনি এদের অনেকের জন্য অনিরাপদ। তাই গোপন মহল থেকে তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি আসে অনবরত। তাঁর রিকশাকে আঘাত করে পা ভেঙ্গে দিয়ে যায় অচেনা পাজেরো। তাঁর ওপর বোমা পড়ে। আর আজ বাংলাদেশের পুলিশ সমুদ্রের গ্যাস বিদেশিদের তুলে দেওয়ার প্রতিবাদ মিছিল থেকে তাঁকে রাজপথে শুইয়ে পেটায়, লাথি মারে।
ওই পুলিশ আর তাদের অভিভাবক সাহারা খাতুন, ওই ওসি আর তার প্রভু বেনিয়া অধিপতি, ওই সরকার আর তার প্রভু মার্কিন-ভারত, তারা ওখানে এক অধ্যাপককে এক শিক্ষককে এক প্রতিবাদী মনীষাকে পদাঘাত করছে না কেবল, পদাঘাত করছে বাংলাদেশের বিলুপ্ত প্রজাতির এক মানুষকে, যিনি তাঁর সামর্থ্যরে সর্বস্ব দিয়ে জনতার সংগ্রামের সামনের সারির লোক, সার্বভৌমত্বের এক নিঃসঙ্গ কিন্তু অবিচল প্রতিনিধি। আজ তাঁকে তারা লাঞ্ছিত করেছে। তা করার আগে ওই পুলিশকে, ওই মন্ত্রীকে, ওই সরকারকে এবং কাল বেশিরভাগ পত্রিকায় মামুলিভাবে ছাপা হওয়া এই সংবাদটির সাংবাদিকরা কি তাদের সভ্যতার পোশাক, তাদের মানবিকতার শিক্ষা, তাদের দেশাত্মবোধের দায় সব খুলে অসভ্য, অমানবিক, বর্বর, গণবিরোধী এক সুবিধাবাদী কীট হয়ে যায়নি? যাচ্ছে না কি?
এই কীটেরা আজ দেশকে খাবলে খাচ্ছে। জনতাকে ধোঁকা দিয়ে মার দিয়ে চুপ করিয়ে রাখছে। দেশকে যুগের পর যুগ ধরে বিক্রি করে দিতে দিতে তারাও সব বিক্রি হয়ে গেছে। আশা মরলেই সুবিধাবাদ জন্মায়। তারা আশাহীন, তাই আত্মবিক্রয়ের সোনা সঞ্চয় করে চলেছে। তাদের সোনার ভোগে লাথি থথু ধিক।
তবুও আমরা সব সয়ে যাই। কারণ আরামের বিষ্ঠায়, ভয়ের গাদে আর লোভের পাপে আমরা এতদিনে কচ্ছপের মতো শক্ত খোল বানিয়ে নিয়েছি। বিপদ দেখলে তাতে ঢুকে পড়া রপ্ত করেছি। মাঝে মাঝে আরামে বা ব্যারামে তারা গলা বাড়ায় বটে, তবে ওটুকুই সার। দেশের মাটিতে তারা কেবলই অসার। ফুলবাড়ী-কানসাটের শহীদ কৃষকসন্তানরা মাঝে মাঝে এই খোলে আঘাত করেন, মাঝে মাঝে আনু মুহাম্মদরা এই খোলে মাথা ঠোকেন, কিন্তু কুম্ভের ঘুম ভাঙ্গে না। আনু মুহাম্মদরা ভাঙ্গেন কিন্তু কদাচ মচকান না।
আনু ভাই, আপনার এই অবমাননা ব্যক্তিগত নয়, জাতীয়। আপনার সঙ্গে আর যারা মার খেয়েছে তারাও এই দুষ্কালে অল্পকটি শিখা। এই শিখা নিভবে না, কারণ আঘাত আছে, কারণ দেশ ভেতরে ভেতরে জ্বলছে, কারণ ভদ্রলোকরা সুখে থাকলেই দেশের মানুষ সুখে থাকে না। এই অসহায়ত্ব এক মুহুর্তের জন্য ভুলি না। তাই আমরা লড়ে যাই, কিছুটা বাঁচি কিছুটা মরি, পারলে মারি, আবারো লড়ি। এই আমাদের ব্রত এই আমাদের দগ্ধ ক্ষত।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
স্যালুট। সাথে আছি।
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
ধন্যবাদ। সরকার ও তার বাপেরা তেলগ্যাস আর ভারত-মার্কিন বিষয়ে প্রতিবাদ সহ্য করবে না। এটা খেয়াল করে রাইখেন।
ডিএইচবাদল বলেছেন:
মরন হলে মেনে নেব,আমরা এর বদলা নেব.........................
ডিএইচবাদল বলেছেন:
দুঃখিতঃ মরন হলে ও মেনে নেব,আমরা এর বদলা নেব.........................
টাক্কা বলেছেন:
আন্দোলন তীব্র করতে হবে।
আমি স্বার্থপর বলেছেন:
এগুলো চলে আসছে হয়তো চলবেও, কারণ আমরা শিক্ষিত কিন্তু সুশিক্ষিত নই।
লেখক বলেছেন: সোজা বাংলায় বলুন, আমাদের শিক্ষিতদের বেশিরভাগই হাড়েমজ্জায় দালাল, কিন্তু তারা তা জানে না, তারা মনে করে তারা অনেক জানে, কিন্তু দেশের চাষা মানুষরাও এদের থেকে বেশি জ্ঞান রাখে, সেজন্যেই তারা বেশি লড়ে, মার খায় কিন্তু ফসলও ফলায় জানও দেয়।
অ্যামাটার বলেছেন:
ওহ! অসহ্য, অসহনীয়!"হ্যাঁ, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে রাস্তায় পেড়ে ফেলে লাঠিপেটা, পদাঘাত, বুট দিয়ে পেষা...রাজনীতির সংগঠক আনু মুহাম্মদ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রা আন্দোলনের অন্যতম নেতা আনু মুহাম্মদ, দেশের প্রায় একমাত্র মার্কসীয় অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক-এডিবি-আর এনজিওদুর্গে অনবরত আঘাত হানা আনু মুহাম্মদ, ফুলবাড়ী কয়লাখনি রা আন্দোলনের সাফল্যের অন্যতম নায়ক ফুলবাড়ীবাসীর প্রাণাধিক আনু মুহাম্মদ, রাজনৈতিক অর্থনীতির জনপ্রিয় লেখক আনু মুহাম্মদ অনেক বিচারেই এক নিঃসঙ্গ বিদ্রোহী, এক বিরল শেরপা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষকের মতো নন তিনি। বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবীদের মতো তিনি ক্ষমতার নানানমহলের মধু খেয়ে মহান হতে পারেননি।"---প্রতিটা শব্দই চাবুকের মত আঘাত হানছে, বিষের মত বিধছে কাপুরুষ হৃদয়(শুধু এই ভয়েই শরিক হতে পারিনি, ধিক)। ঐ বুট, ঐ লাঠি-ডান্ডা, ঐ ঠোলা পেটোয়া বাহিনী; আমাদেরই টাকায় পোষা-পালিত!
মং হ্লা প্রু পিন্টু বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমিও সঙ্গে আছি।
এস এম এ যাহিদ ফুয়াদ বলেছেন:
ভদ্রলোকরা সুখে থাকলেই দেশের মানুষ সুখে থাকে না
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন:
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: স্যালুট। সাথে আছি।
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
সমাবেশে পাঁচশো সাহসী তরুণ-তরুণী সামিল ছিল। বহু বছর ধরেই তারা লড়াই করে যাচ্ছে। লংমার্চ করছে মার খাচ্ছে। তাদের ছবিগুলোও কেউ দয়া করে পেস্ট করুন। আমি দিতে পারছি না।
প্রবাসী মন বলেছেন:
"ওই বুট ওই লাথি, ওই আমাদের শিক্ষক, ওই পড়ে পড়ে মার খায় জনতার লোক" - দেশের স্বার্থ রক্ষায় যারা পড়ে পড়ে মার খায় ওরা আমাদেরই লোক, আমাদেরই শিক্ষক, বাবা, কিংবা ভাই। ওরা সংখ্যায় কম হলেও জয় ওদের সুনিশ্চিত। এটাই এই প্রবাসীর একমাত্র কামনা।
দিনমজুর বলেছেন:
পুজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের এমন কোন দেয়াল নেই যেখানে লাথি মারেননি তিনি, এমন কোন মুখোশ নেই যেটাকে খামচে ছিড়ে ফেলেন নি তিনি। সেকালের মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার, জহির রায়হানদের যখন তীব্র অভাব বোধ হয়, তখন চোখ বুজলেই আনু মুহম্মদের ছবি ভাসে, কান পাতলেই পুজির লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে তার ধারালো যুক্তি শুনতে পাই- আমরা ভাবি, না সব শেষ হয়ে যায় নি, সব মগজ পচে যায়নি কিংবা বিক্রি হয়ে যায়নি- এক জন আছেন, সব সময়ে জনতার কাতারে আছেন- তিনি আমাদের প্রিয় আনু স্যার। সেই আনু স্যারের গায়ে বুটের লাথি আমরা সহ্য করি কি করে!
শপথ করে বলছি আমরা এর বদলা নেবই, তেল-গ্যাস সম্পদ লুণ্ঠনের সকল পায়তারা রুখে দিয়ে আমরা স্যার আপনার মর্যাদা রক্ষা করব।
সাধারণমানুষ বলেছেন:
যত দিন আমরা তথাকথিত ভদ্রলোকের মুখোশ পরে সব কিছু থেকে গা বাচিয়ে চলার চেষ্টা করব ঠিক ততদিন আমাদের সামনে দেশপ্রেমিক এক নিঃসঙ্গ বিদ্রোহী আনু মুহাম্মদ মার খেয়ে যাবেন । সময় এসেছে তথাকথিত ভদ্রলোকের মুখোশ ছুড়ে ফেলার ......
সত্যান্বেষী বলেছেন:
এই বুট এই বর্বর লাঠি অবশ্যই আমার শরীরে লেগেছে। হায়, এদেশ কবে যে এরশাদ, নিজামী, খালেদা, হাসিনা নামের শুয়রের বাচ্চাদের হাত থেকে নাজাত পাবে।
মুসতাইন জহির বলেছেন:
সহমত। সংহতি...এছাড়া অন্য কিছু বলার মতো ভাষা পাচ্ছিনা।
একজন সম্মানিত প্রতিবাদী শিক্ষককে এভাবে টার্গেট করে ঠান্ডামাথায় হাড়গোড় গুড়ো করে দেবার আগ্রাসী চেষ্টায় তান্ডব নিশ্চয় মুখবুজে সহ্য করা যায় না।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
স্যালুট। সাথে আছি।
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন:
ধিক্কার জানাই, সাথে আছি..
ইউসুফ আলমগীর বলেছেন:
সাথে আছি।
এই লজ্জার ভাষা নেই।
কাল কুড়িগ্রামে মিছিল হবে।
পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার লেখা চলছে।
লেখক বলেছেন: অভিনন্দন কমরেড। আমরা যত লোক ভিন্নমতের ইমান রাখি, ততলোক যদি চলায় বলায় সামান্য ভিন্নতা রাখতাম তাহলেই হয়তো জয় আসতো না, কিন্তু নতুনতররা জানতো অন্য পথ আছে, অন্য বাংলাদেশ অন্য জীবন সম্ভব।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ঐ বুট প্রতিদিন আমার-আপনার বুকেও পরে ওটা দেখা যায় না, আরো ভারী আরো তীব্র বুটের আয়োজন করছে 'সরকার'। শাসক গোষ্ঠী এটা কত বড় ভুল করলা তার থাকবে সাক্ষী ইতিহাস।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
আনু স্যারের এই ঘটনায় নাগরিক হিসেবে নড়েচড়ে বসেছি।/ বড় লজ্জা লাগে কোথায় দাড়িয়ে আছি আমরা? বিশ্ববিদ্যাদলয় থেকে এসে একজন মানুষ এসে বলে যান আমার দেশ বেশ্যালয় নয়।/ ইচ্ছে করলে তাকে যে কেউ ব্যবহার করতে পারেনা/ এই লোকটাকে দেখছি গত কয়েক বছর ধরে বলছেন বাংলাদেশ আমাদের মা/ এই মাকে ২০ টাকা দিলেই আমেরিকা, বৃটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত কিম্বা ইসরাইল শোয়ার প্রস্তাব করতে পারে না। / হ্যা, হয়তো গরিব, হয়তো দুর্বল, হয়তো অনেক ক্ষুধা ও দারিদ্রের কলঙ্ক তার কপালে সেটে দেয়া আছে।/ তাই বলে তাকে যে কেউ বিছানায় নেয়ার কথা বলতে পারে না। / আর যাই হোক তার ১৫ কোটি সন্তান আছে/ আনু স্যার এমনটিই যেন বলার চেষ্টা করছিলেন। / কিন্তু হায় আফসোস, এদেশে অনেক অনেক মানুষ আছে বড় বড়, তাদের দোহাই বাংলাদেশ একটি বেশ্যালয় এখানে যে চায় তাকে ছিড়েখুড়ে চটকাতে পারবে। / এমন মানুষের পাল্লা ভারি বিধায় আনু স্যারকে আজ শরীরে অনেক ব্যথা নিয়ে প্রমাণ করতে হচ্ছে এ দেশের সব বড় মানুষেরা যদি ক্ষমতার জন্য কনকো ফিলিপস, তাল্লো ইত্যাদির কাছে বিক্রি হয় তারপরও প্রতিবাদ হবে, রাজপথে মার খেয়ে পড়ে থাকার মতো লোকের সন্ধান পাওয়া যাবে/
আজ অত্যন্ত যন্ত্রণা নিয়ে পুলিশ মন্ত্রী সাহারাকে বলতে ইচ্ছে, বাংলা মায়েকে ব্শ্যোলয়ে টেনে হেচড়ে নিয়ে নিতে আপনার পুলিশের আজকের বাহাদুরির জন্য আপনাকে কী বলো সম্বোধন করবো জননী, খালা না ...............!
লেখক বলেছেন: আনু স্যার অনেক পথ পাড়ি দিয়ে আস্ত একটা জীবন বাজি রেখেই এই কাজে নেমেছেন। নাইজেরিয়ায় হলে বিদেশি কোম্পানিগুলো এতদিন তার লাশ গুম করে দিত, অ্যাকশন এইডের শিরীন হককে তো তার ড্রাইভার দিয়েই গাড়ি পিষে হত্যা করা হয়েছে, কারণ তিনি এশিয়া এনার্জির বিরুদ্ধের সারির প্রথম দিককার লোক ছিলেন। আনু মুহাম্মদের ওপর, মোশরেফা মিশুর ওপর একাধিক নাশকতার চেষ্টা হয়েছে। বাম নেতা আফম মাহবুবুল হক মাথায় আঘাত খেয়ে জড় হয়ে বেঁচে আছেন। আনু ভাই বেঁচে আছেন কারণ তাঁর জনপ্রিয়তা, কারণ তাঁর অবিচলতা। তারপরও, এই আঘাত তাঁর অপমানের দিক থেকে তো বটেই, কিন্তু শাসকরা কতটা মরিয়া, কতটা রক্তচোষা হয়ে উঠেছে সেটার নমুনা হিসেবে আমাদের স্তম্ভিত হওয়া, তাদের এই উদ্ধতা আমাদের জন্য সতর্ক সংকেত, জরুরি অবস্থা শেষ হয় নাই। হবে না আরো বহুদিন। উপমহাদেশে ফাইনাল গেম শুরু হয়েছে। টিপাই, সমুদ্রের গ্যাস, সমুদ্রসীমা, ভারত-চীন ইত্যাদি এর আলামত। শুরু হলো মাত্র।
নাঈম বলেছেন:
যে দেশে স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও যুদ্ধাপরাধী দালালদের বিচার হয়না, যে দেশে সেই দালালগোষ্ঠী সরকারের ছত্রছায়ায় থেকে দিনে দিনে নিজেদের গদি মজবুত করে যাচ্ছে, সে দেশে আনু মুহাম্মদের মত মানুষরা দিনে দিনে নির্যাতিত, নিষ্পেষিত, নিগৃহীত হবে, এটাই কি স্বাভাবিক নয়?
সায়েম মুন বলেছেন:
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: ঐ বুট প্রতিদিন আমার-আপনার বুকেও পরে ওটা দেখা যায় না, আরো ভারী আরো তীব্র বুটের আয়োজন করছে 'সরকার'।শাসক গোষ্ঠী এটা কত বড় ভুল করলা তার থাকবে সাক্ষী ইতিহাস।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
সাথে আছি|আনু মোহাম্মদরা লাথি খাবে|
আর দালাল শিক্ষকরা হবে ভিসি,উপদেষ্টা, রাষ্ট্রদূত.......!!!
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: বিএনপি-জামাত-লীগ এ বিষয়ে একপন্থি। বিএনপিই কিন্তু ফুলবাড়ীতে গুলি করেছিল। সেদিন আনু মুহাম্মদ ওখানে গুলি খেতে পারতেন। তখন হাসিনা মায়াকান্না করেছে আজ খালেদা গেছেন তাকে দেখতে। এগুলো এদের সুবিধাবাদিতা যেমন আবার ইস্যুর জোরও তেমন। না গেলে লোকে প্রশ্ন করবে, এই ইস্যুতে আপনি কী করেছেন?
ফালতু মিয়া বলেছেন:
সরকার মনে হয় ফ্যাসিবাদি হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখতে হবে।
হাসান শরিফ বলেছেন:
আপনাদের সবার সঙ্গেই আমি একমত। পুলিশ যেটা করেছে সেটা অন্যায়। এভাবে একজন শিক্ষককে নির্যাতন করা কোন সভ্য দেশে কাম্য হতে পারে না। কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন: সাগরে গ্যাসব্লক ইজারা না দিলে আমাদের লাভ কি? আমাদের কি ক্ষমতা হবে সেই গ্যাস উতোলনের। মিয়ানমার যখন এই গ্যাস দখল করতে আসে তখন তো এরা সোচ্চার হয় না? কেউ একজন বলুন এই তেল গ্যাস নিয়ে কি সমাধান হতে পারে? আমাদের কি কখনো এমন টেকনোলজি হবে যে নিজেরাই অনুসন্ধান করতে পারবো? সবকিছুতে একটা অবস্থান নেওয়া আমাদের অভ্যাস। আমরা আলোচনায় বিশ্বাসী না। আর বাম সংগঠনগুলোর অনেক ভালো কাজের সঙ্গে খারাপগুলো হলো: এরা না বুঝেই অনেক আন্দোলন করে। পাবলিক সেন্টিমেন্ট বা জনগনকে ছাড়াই এরা সব করে ফেলার চেষ্টা করে। তাই এদের সঙ্গে সাধারন মানুষের এতো দূরত্ব।
লেখক বলেছেন: বুঝতে পারছি আপনি অনেক বুঝেন। একটু কষ্ট করে এ বিষয়ক প্রচুর লিটারেচার আছে, এ ব্লগে দিনমজুরের একটা পোস্ট স্টিকি হয়ে ঝুলছে, সেখানে আর্গুমেন্ট প্রতিষ্ঠা করুন। বামদের ভুলের কোনো সীমা নাই, কিন্তু সবাইকে বোঝানো তাদের কম্ম না।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
ছবিটা সহ্য করা মুশকিল। অনুসরণীয় মানুষ খুব কম এদেশে।
আমার বা আমাদের কী করা উচিত তা বুঝতে আমি বরাবরই এই মানুষটার দিকে তাকিয়ে থাকি।
তার মতামতই আমার অনুপ্রেরণা, পথ খুঁজে পাওয়া।
এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
মাত্রই ফেসবুকে ছবিগুলো দেখে ব্লগে এলাম।অন্তত কেউ না কেউ এই পৈশাচিকতার প্রতিবাদ করবেন।ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
শুধু নিন্দা জানিয়েই বা কি হবে? কিছুই তো করতে পারিনা।
ধিক আমার এই নির্লজ্জ কাপুরুষতা।
ধ্যাত! কিছু লিখতে আর ভাল্লাগছেনা ।
রিফাত হাসান বলেছেন:
দিন বদল আর ডিজিটাল বাংলাদেশ একএগার দ্বিতীয় পর্বে এসে এদেশের মানুষের জন্য একটা দোষযুক্ত স্বপ্ন-বিশেষ;- যাকে পূণ্য স্বপ্ন ভেবে বিভ্রান্ত ও সুবিধাবাদি "ভাল মানুষ" এবং "ভাল ছাত্র"দের অনেকে ছিল বিভোর, অনেকে সেই দুঃস্বপ্নের প্রমোটর ছিল, আশা করি আস্তে আস্তে সেই ভালো মানুষি স্বপ্নের প্রকৃত রূপ তারা এখন বুঝতে পারবে। তার জন্য কখনো বিডিআর, কখনো টিপাইমুখ, কখনো ল্যামপোস্ট আবার কখনো প্রফেসর আনু মুহাম্মদ, এবং হয়তো আরো অসংখ্য "অ-ভাল" এবং "অ-সুবিধাবাদি" মানুষকে রক্ত এবং ঘাম কোরবানি দিতে হবে। আর সেই কোরবানির মুহূর্ত যেন কষ্টি পাথর; ব্যক্তি, রাষ্ট্র, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক অধিকার এইসব বিষয়ে নতুন করে ভাবনা চিন্তা ও বিচারের দুয়ার খুলে দেয়। এবং সেই সাথে এই কোরবানি মানুষের সবচেয়ে মানবিক মুহূর্তও বটে, মানুষ নিজের মানুষ সত্তায় নিজেকে ছাড়িয়ে অন্যের জন্য আত্মদানের মহত্ব টের পায়, কর্তব্য নাড়া দিয়ে ওঠে।
লেখক বলেছেন: কর্তব্যবোধ, এই কর্তব্যবোধ খোয়া গেলেই মানুষ ভীরু হয়, আপসকামী হয় আর সার্বভৌম ক্ষমতার বিলোপ ঘটে। এরকম অজস্র কোরবানীতেই পথ তৈরি হবে, বরফ গলবে। ধন্যবাদ।
পাথুরে বলেছেন:
স্যালুট।
রিফাত হাসান বলেছেন:
এবং সেই সাথে, আমাদের গ্যাস, আমাদের কয়লা, আমাদের পানি, আমাদের সমুদ্র, সর্বোপরি আমাদের প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ড যেন বর্গি লুটেরাদের হাত থেকে আমরা রক্ষা করতে পারি। খোদা আমাদের সেই আত্মমর্যাদাবোধ, শক্তি এবং সাহস দাও। যেন সময়ের ঘন্টা বেজে উঠলে মূঢ়তাকে জয় করে মিছিলের সামনে এসে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধে সামিল হতে পারি। দিনবদলের পুলিশ, মাল্টিন্যাশনাল বেনিয়ার কেনা গোলাম বহিঃশত্রুর কাছে নতজানু এ সরকার যেন আমাদের দাবাতে না পারে। আমিন।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
ক্রোধ প্রকাশ করছি!!!
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
আনু মুহাম্মদের দুটো পা-ই ফ্র্যাকচার হয়েছে। মিশু আপা সাইফুল হক সহ অনেক নেতাকর্মী আহত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় আছেন। তাঁর ওপর আগেও হামলা ও চোরা আক্রমণ হুমকি ইত্যাদি হয়েছে। কিছুই নতুন না, নতুন হলো দিনবদলের সরকারের এই বিসমিল্লা। কাল বৃহস্পতিবার মুক্তাঙ্গনে তেলগ্যাস-বন্দর-কয়লা-বিদ্যুত রক্ষা জাতীয় কমিটির প্রতিবাদ সভা বিকাল সাড়ে তিনটায়। পরশু শুক্রবার জনসংস্কৃতি মঞ্চের ব্যানারে লেখক-শিল্পী-কর্মীদের প্রতিবাদ সভা টিএসসি স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্তরে বিকাল সাড়ে তিনটায়।
দুটোর দাবিই গ্যাসক্ষেত্র ইজারা ও রপ্তানির পদক্ষেপ বাতিল এবং আনু মুহাম্মদসহ সকল নেতাকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার বিচার।
একইসঙ্গে জ্বালানী উপদেষ্টা তৌফিক ইলাহীর পদত্যাগ ও বিচার দাবি করা হবে। করা উচিত।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
আনু মোহাম্মদ কি জান মাল বা সম্পত্তির প্রতি হুমকি স্বরুপ কোন কাজ করেছিলেন যে তাকে পিটুনি খেতে হবে?এমন কিছু হচ্ছে যা আমরা জানিনা
কার স্বার্থে ঘা লাগছে?
কার বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছেন আনু মোহাম্মদ?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@লেখক:আমাকে গালাগালি করে যে কমেন্ট লিখলো আপনি সামান্য ভদ্রতার খাতিরেও তাকে কিছু বলেননি উল্টা তার সাথে আলীগ-বিএনপি কে এক হাত নিলেন|
দয়া করে নিচের ২ টা লি;ন্কে ঘুরে এসে দেখুন আমার অবস্হানটা, আর গালাগালি যে করলো তাকে নিয়া কমেন্ট করার রুচি আপাতত: নাই|
Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন: ভাই আমি ব্লগে বেশিক্ষণ থাকতে পারি না, মারামারি ইতিহাসও জানি না। তাই ব্যক্তিগত প্রসঙ্গগুলো এড়িয়ে যাই। অবজেক্টিভ পয়েন্ট ধরে কথা বলি, যদি ফুরসৎ পাই। যে কোনো আপত্তিকর কথার প্রতিবাদ জানাতে আমার কোনো দ্বিধা নাই।
মনজুরুল হক বলেছেন:
এভাবেই পুঞ্জিভূত হতে থাকে এক একটি মশাল। তারপর তাতে আগুন দিয়েই এগিয়ে যেতে হয়। পড়ানো ছাড়া ভাইরাস নির্মূলে আর পথ কই?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
সরকারকে বাধ্য করতে হবে এই অসম চুক্তি বাতিল করতে।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কি রাষ্ট্র?কি তার আচরন?
কত আনু মুহাম্মদ লাঠির বাড়ি খেলে আমরা নির্লজ্জ হবো!
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"সাগরে গ্যাসব্লক ইজারা না দিলে আমাদের লাভ কি?"হাসান শরিফ,
ইজারা দেয়ার জন্য যত না, ইজারার শর্তগুলোর জন্য মানুষ ক্ষেপে উঠছে।
শর্তে দেশের স্বার্থ প্রচন্ডভাবে ব্যাহত হয়েছে।
চাণক্য বলেছেন:
সরকারের বিরুদ্ধে যাহারা যুদ্ধ করিবে তাহারাই যুদ্ধাপরাধী। সরকারকে তোমরা নির্বাচিত করিয়াছিলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করিবার জন্য। সরকার তাহাই করিতেছে। নির্বোধের মত কথা না বাড়াইয়া জপ কর, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
লাথি খেল আনু মুহাম্মদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগুলো চুপ, দেশ রক্ষা, স্বাধীনতা রক্ষা, সার্বভৌমত্ত্ব রক্ষার দাবীদার, জাতির বিবেক আপনারা কই? আপনাদের গায়ে লাথি লাগেনি? অপেক্ষায় থাকুন মহাশয়রা আজ যে প্রতিবাদরে ভাষা পাননি। এই সুযোগে এই লাথি লাথি খেলা আপনাদের বেড রুম পর্যন্ত বিস্তৃণ হবে। আপনাদের জন্যও ওদের লাথিগুলো মোড়ানো আছে অন্য কোন মোড়কে। অন্যকোন স্বাদে।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আনু মুহাম্মদ স্যার কিছুদিন আগে আমাদের গেস্ট লেকচারার হিসেবে একটি ক্লাশ নিয়েছিলেন। তাঁর পোষাক দেখেই আমি অবাক হয়ে গেছি! তাঁর প্রতিটি কথা ছিল যৌক্তিক এবং বাস্তবসম্মত। আমার ভাবতেও অবাক লাগে, সেই স্যারের শরীরে পুলিশ আঘাত করে, তাও আবার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে! এই লজ্জা, এই কষ্ট অসহনীয়!
ফজলে এলাহী বলেছেন:
আমি বুঝতে পারছিনা.......হাসিনা সরকার এইসব করছেটা কি ?পত্রিকায় দেখলাম হাসানুল হক ইনু প্রতিবাদ জানিয়েছেন....এই ঘটনার পর কি এই সরকারের সাথে বামপন্থীদের সখ্যতা আর থাকবে ?
মনে হয়না । আওয়ামী লীগ সব সময় বিরোধী দলে থাকলে বামদের তোয়াজ করে,সরকারে গেলে লাথি মারে। মনে আছে,গত মেয়াদের কাহিনী...........
আসলে বামপন্থীদের নিজেদেরই লড়াইয়ের চূড়ান্ত ক্ষেত্র প্রস্তৃত করতে হবে।..............আমার দেশের তেল গ্যাস-আমার দেশেই রাখবো,বিবিয়ানা পাইপ লাইনে,রক্ত যাবে গ্যাস যাবে.........খুউব মনে পড়ে মিছিল শ্লোগানের সেইসব দিন........আনু মুহম্মদ স্যার,সালাম আপনাকে..........
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ঢাবির টিএসসি সড়ক দ্বীপে আনু মুহাম্মদসহ অন্যদের ওপর পুলিশের বর্বর হামলার প্রতিবাদে এবং সমুদ্রে গ্যাস ব্লক অসম চুক্তিবে বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে সমাবেশ। সবাইকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন:
স্যালুট। সাথে আছি। সেই সাথে ধিক্কার এবং নিন্দা জানাচ্ছি ঘটনার।আশা করি কাল বিকেলে থাকব।
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
ওপরে দেখতে পাচ্ছি, আপনি প্রশ্ন করেছেন যে, আনু মুহাম্মদ কার বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছেন বলে জানতে চেয়েছেন। প্রশ্নটা আপনার প্রতিবাদের অভিব্যক্তিই ধরে নিয়েছিলাম। আর প্রশ্নই যদি হয়ে থাকে, তাহলে শুরু থেকে শুরু করার অবস্থায় আমি নেই যে, কী কোথায় ও কেন?
আর সত্যিকারের অবস্থা হলো, সারাদিন সময় পাইনি। কাজের মধ্যে আছি। দুঃখিত।
মেঘনাদ বলেছেন:
ভাই দুঃখিত, ১০ তারিখ হরতাল নয়, ১১টায় পল্টনের মুক্তাঙ্গন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা। সবাই চলে আসুন।Click This Link
নাঈম বলেছেন:
এই পোষ্টটি স্টিকি করার দাবী জানাচ্ছি।
মেঘনাদ বলেছেন:
স্টিকি করা হোক। জোর দাবি জানাই।
মেঘনাদ বলেছেন:
স্টিকি করা হোক। জোর দাবি জানাই।`
ত্রিশোনকু বলেছেন:
ফারুক ওয়াসিফ,না ঠিক আছে। ব্যাস্ততার মধ্যে থাকলে অবশ্যই তা একটা দৃঢ় অজুহাত।
আসলে খারাপ লেগেছিল এই ভেবে যে ব্লগ যেহেতু ইনটারএ্যাকটিভ লেখকের তরফ থেকে ফিডব্যাক না পাওয়াটা হতাশা ব্যান্জক।
আজ মন্ত্রীদের না জানার ভান দেখেও নোংরা লাগছে
টোকন ঠাকুর বলেছেন:
ইতিহাস এর বদলা নেবেই.....
টোকন ঠাকুর বলেছেন:
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ছবিটা সহ্য করা মুশকিল।অনুসরণীয় মানুষ খুব কম এদেশে।
আমার বা আমাদের কী করা উচিত তা বুঝতে আমি বরাবরই এই মানুষটার দিকে তাকিয়ে থাকি।
তার মতামতই আমার অনুপ্রেরণা, পথ খুঁজে পাওয়া।
এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
টোকন ঠাকুর বলেছেন:
ফাহমিদ, খুব কষ্টই লাগল আনু ভাই কে রাস্তায়...লেখাটার জন্য ফারুক কে অভিন্ন্দন..ইতিহাস এর বদলা নেবেই.....
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
ধন্যবাদ টোকনদা। ১০ তারিখে মুক্তাঙ্গনের সমাবেশে আসেন।
নিঝুম মজুমদার বলেছেন:
সোমবারের হরতাল সফল হোক ।
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন:
ধন্যবাদ নিঝুম, মিডিয়া গ্যাসব্লক ইজারার নিউজ নিয়ে হলুদ খেলা খেলছে। তাই যে যেভাবে পারেন, মানুষের কাছে পৌঁছান আর কথা বলুন, লিখুন।
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
সোমবারের হরতাল সফল হোক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















