আমার প্রিয় পোস্ট

হাঁটা পথে আমরা এসেছি তোমার কিনারে হে সভ্যতা। আমরা সাত ভাই চম্পা মাতৃকাচিহ্ন কপালে দঁড়িয়েছি এসে _এই বিপাকে, পরিণামে। আমরা কথা বলি আর আমাদের মা আজো লতাপাতা খায়।

কন্সপিরেসি অব সাইলেন্সের মধ্যে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় একটি মরিয়া হরতাল

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

শেয়ারঃ
0 27 0

জানা ছিল, ঈদের আগে যখন সব ব্যস্ত তখনই তড়িঘড়ি করে গ্যাস-বন্দর-ট্রানজিট দেওয়া হবে। এবং এও জানি যে, ঢাকা শহরের সঙ্গে ফুলবাড়ী কি কানসাটের অনেক দূরত্ব। বরং মুম্বাই-লন্ডন-নিউইয়র্ক অনেক কাছে। জানি, বিদেশি সাবানের মতো বিদেশি পুঁজির রস গায়ে মাখলে গতর নাদুসনুদুস হয়। জানি, নিজের দেশ নিয়ে, দেশের মানুষ নিয়ে উচ্চবিত্তদের লজ্জার সীমা নাই। তাই তারা তাদের লজ্জাস্থান আরো বিদেশি কোম্পানির কাছে জিম্মা দিয়ে বাঁচেন। উভয়ের লজ্জা আর তা ঢাকবার কৌশল এক হবার নয়।

এও জানি, যে কৃষক সারের অভাবে জমিতে রুইতে পারে না, সে এখনো ভাল করে জানে না তারই গ্যাস সার না হয়ে বিদেশি কোনো কারখানার কাঁচামাল হবে। আমি জানি, পেট ও মালিকের ঠেলায় ঠিকই রিকশা নিয়ে বের হবে মঙ্গাদেশের কোনো রিকশাচালক। গার্মেন্টসের মেয়েটি ঠিকই যাবে কারখানায়। বড়লোকি কারগুলিও লা লা রি রি করে চলবে, যেমন দাপটে চলে প্রতিদিন। আর দালাল-বেনিয়ারা তাদের অশ্লীল ভেংচানি দেখাতেই থাকবে গণপ্রতারণামাধ্যমগুলোতে। আমি জানি শহরগুলো প্রতিক্রিয়াশীলদের দুর্গ, তা ঢাকাই হোক আর নিউইয়র্ক হোক। জানি যে, ঢাকায় খুটি না পুতে দিল্লি-ওয়াশিংটন-প্যারিস নিরাপদ বোধ করবে না।

জানি সত্য, জনভিত্তিক দলগুলোর রুপার কাঠির সঙ্গে জনগণের দুঃখ-শোক ঠেকানিয়া জেদের সোনার কাঠির মিল যতদিন না হচ্ছে, ততদিন এই শহরে বিপ্লবীদের মিছিল আর গরিবের হাহাকার, পরস্পরকে ডেকে ডেকে হয়রান হবে। মাথা খুঁড়বে কর্পোরেটের পাথুরে দেয়াল আর রাজপথের কালো পিচে। তাদের প্রতিবাদসভা লুন্ঠিত দেশের শোকসভা হয়ে থাকবে, তাদের প্রেস রিলিজের অক্ষরগুলো কর্পুরের মতো উবে যাবে। কিন্তু কাল তাদের দেখাদেখি হবে, কাল হরতাল। মগজ-অবশ মানুষেরা দূর থেকে আজম বিদ্রোহীদের দেখে বিব্রত হবে। কিন্তু স্বেচ্ছায় নিজেদের বন্ধ না করে কে কবে বন্ধ করতে পেরেছে ফেরাউনি অনাচার? আমার ঘরে আর মনেই তো উপনিবেশিক সংসার।

এক বৃদ্ধ প্রকৌশলী তাঁর জমি বিক্রি করে বিবিয়ানার গ্যাস রপ্তানী ঠেকাতে লংমার্চের খরচ যোগাড় করেন। আশি বছর বয়সেও পথ হাঁটেন। এক অধ্যাপক জাতীয় স্বার্থের প্রবক্তা হওয়ার অপরাধে পা-ভাঙ্গা মার খেয়ে পড়ে থাকেন রাজপথে। বয়সে তরুণ কিন্তু জাতীয় স্বার্থরক্ষার দায় বিষয়ে নাড়ির জ্ঞান টনটনা এমন একদল ছাত্রছাত্রী-মজুর আর পেশাজীবীরা প্রতিদিনের কঠিন জীবন আরো কঠিন হয়ে যাওয়ার হুমকি নিয়েও লড়াইয়ের ময়দানে মাটি কামড়ে পড়ে থাকে। কারণ, তাদের চোখে-মনে দেশের প্রতিমা প্রতিষ্ঠিত। দেশ তাদের কাছে সিভিকো-মিলিটারি-কর্পোরেট ফোঁড়ার পুঁজ মোছার সংবিধান আর পতাকা নয় কেবল। দেশ মানে মানুষ ও তার স্বার্থের যোগফল।

সেই মানুষ মাটির ওপর দাঁড়িয়ে। সেই মাটি চারদিক থেকে ঘেরাও। সেই ঘেরাওয়ের মধ্যে জীবন-জীবিকা-সম্পদ আর স্বাধীনচেতা মন আহত ও জ্বলন্ত। সার্বভৌম শব্দের মহিমা আর জ্বালা তারা একাত্তরের মতোই রক্তের ছলক আর বেইমানির বিষে জেনেছে। তাই হরতাল হবে। যুদ্ধ যখন চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন লড়াই কোনো পাত্রী-বাছাই অপশন নয়। সেটা হচ্ছে, সেটা চলছে, সেটা চলবে।

ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জিকে ঘেরাও করে তাড়ানো হয়েছে। জয় এসেছে। ঢাকাতেও হরতাল হবে, জয়ের পথে এক ধাপ এগতে। জয় তৈরি জিনিস নয়, জয় দিনে দিনে তিলে তিলে আসে। এই হরতালে তাদের জানাজানি হবে, তারপরের মিছিলে ওঠাপড়া ঘটবে, এভাবেই চলবে আরো কয়েক বছর। এই চলার মধ্যে দিয়ে শক্তি সংগ্রহ করা, এক পা এগিয়ে দু পা পিছিয়ে, আবার লাফ দিয়ে এগনোর পথেই আন্দোলন সংগ্রাম হবে, সংগ্রাম শক্তি হবে, শক্তি নিজেকে আত্মপ্রকাশ করবে। সেই আত্মপ্রকাশ জাতীয় ভাবে বৈধ হবে।

হাসিনার কিছুই করবার নেই। এদেশের লুটেরা বড়লোক-আমলা-মিলিটারি-এনজিও বলয়েরও কিছুই করবার নেই। তারা বিশ্বপুঁজির ফোরম্যান_চৌকিদার। লুটের মালের ভাগ তাদের মাংসে-মজ্জায়, শিক্ষায় আর দীক্ষায়। বিশ্বব্যাংকীয় ট্রিকল ডাউন ইফেক্ট (দেশে ধনী বাড়লে তার ছিঁটেফোঁটা পেতে পেতে গরিবও স্বচ্ছল হবে) অনুসারে জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের অংশ তারাও পায় ঠিকাদারি, বিজ্ঞাপন, স্পন্সর, চাকরি ইত্যাদির রকমে। ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকা মধ্যবিত্তরা সিপাহি বিদ্রোহে ভীত হয়, ব্রিটিশ চলে গেলে সভ্যতা চলে যাবে বলে টাই আর গাউন ভিজিয়ে কাঁদে। এরা কাশিমবাজার কুঠির সন্তান। এদের বোঝাবার কিছুই নাই সোনা।

তবুও জানাই, সেনা-তত্ত্বাবধায়কি জরুরি আমলে দালাল ম তামিমের করা পিএসসি অনুসারে, তাল্লো-কনকোরা উৎপাদন খরচ বাবদ নেবে ৫৫ ভাগ, তারপর লাভ বাবদ নেবে বাকি ৪৫%-এর আশি ভাগ। শুভঙ্করি গণিতের ফাঁকিতে আমার গ্যাস মজুদের মাত্র সাড়ে আট ভাগ আমার। তাও আবার সেটা গভীর সমুদ্র থেকে আনতে হবে আমাদেরই। সেটা যেহেতু আনা সম্ভব না, সেহেতু আমাদের সাড়ে আট শতাংশসহ মোট ১০০ ভাগই তারা রপ্তানি করবে। নেবে কে? নেবে জ্বালানী ক্ষুধার্ত ভারত। আন্দোলন-লংমার্চ করে বিবিয়ানার পাইপলাইনে রপ্তানি ঠেকালেও এখন সমুদ্রসীমা দখলের হুমকি দিয়ে এলএনজি করে জাহাজে করে নেবার খায়েশ তাদেরই। তাদের করুণাধন্য মুক্তিযুদ্ধের দলের নব্য-রাজাকার হওয়া এভাবেই পাকা হলো। দশচক্রে ভগবান এভাবেই ভূত হলেন। সেই ভূতের সতকার এখন জাতীয় কর্তব্য।

প্রথম বিএনপি আমলে ২৩টা ব্লকে দেশটা ভাগ করে প্রায় সবগুলোই তুলে দেওয়া হলো শেল-কেয়ার্ন-অক্সিডেন্ডালের কাছে। মাগুরছড়া-টেংরাটিলা ব্লো আউট, উৎপাদনের ৮৫ ভাগ নিয়ে নেওয়া। টেন্ডারের একশ কোটি টাকার খনন হয়ে যায় তিন হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত। ইচ্ছামতো তোলা বা না তোলা দিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখা। যেখানে সমতলের গ্যাস পূর্ণদমে তুললেই বর্তমান চাহিদার প্রায় সবটাই মেটে, সেখানে সমুদদ্রের গ্যাস হরিলুট করে দেওয়ার এত উত্তেজনা কেন সরকারের? কারণ, এটাই তার জরুরি অবস্থা পাড়ি দিয়ে ক্ষমতায় বসবার কাফফারা। এই কাফফারা বিএনপি-জামাত যেমন দিয়েছে আজ আমলীগকেও তেমন দিতে হবে। কিন্তু জনগণ কেন যক্ষের ধন ভক্ষকেরে দেবে?

বাপেক্স-পেট্রবাংলাকে ধ্বংস করা হয়েছে, যেমন ধ্বংস করা হয়েছে আদমজীকে। কৃত্রিম ভাবে দশকের পর দশক বিদ্যুৎ সংকট জারি রেখে মানুষকে বাধ্য করা হবে গ্যাস-কয়লা বিদেশিদের দিতে হাঁ বলাতে। অথচ বাপেক্সের রেকর্ড বিশ্বমানের। আশি বছরের অভিজ্ঞতা, সেভিয়েত কারিগরি সহায়তা সব হাওয়ায় মিলালো কেবল সরকারের মীরজাফরিতে। অথচ দেশী প্রকৌশলীরাই ভাড়া খাটে দেশদখলের বহুজাতিকে। দেশের বিজ্ঞানীরা বিদেশে পাড়ি জমায় টিকতে না পেরে। জ্বালানী মোশাররফকে একটা গাড়ি দিলেই গ্যাসক্ষেত্র পাওয়া যায়, শেখ হাসিনাকে তাহলে তারা কি দিয়েছে তা আর বলবার অপেক্ষা রাখে না। টিপাই নিয়ে মাতম তোলা বিএনপি-জামাত কেন নিশ্চুপ তা জানতেও ভেতো বাঙালির গবেষণার প্রয়োজন নাই। তাই শিক্ষিত-উপনিবেশিক মধ্যবিত্তকে শিখাবার-বোঝাবার কিছু নাই। যেতে হবে জনতার কাছে। যদিও মিডিয়া কুৎসা দেবে, খবর ছাপবে না, অর্ধবুঝমানদের ব্রেনওয়াশ করবে বর্ণচোরা পাতিবুদ্ধিজীবীরা। ভয় বা ঘুষের মারণাস্ত্রে কিনে নেবে। সংগ্রাম জিনিসটাকে এরা অভিধান ও জনজীবন থেকে বাতিল করে দিয়েছে। এরা পা চাটবে, তাতেও না হলে আত্মবিক্রয় করবে, কিন্তু এদের মরা মাজা আর সোজা হবার নয়।

আজ বিশ্বায়িত, ভোগবাদী, কৃষি ও খনিজ বিনাশী মধ্যবিত্ত বিত্তবাসনাই পরাশক্তির বড় সহায়। এদের শহর আর এদের বিলাস মেটাবার জন্য এরা কৃষি জমি, নদী, বন, খনি আর নারী, শিশু, ভাষা সব বিকাতে আর পোড়াতে রাজি। এরা আর জাতির অংশ নয়, এরা বিজাতীয় পুঁজির রক্তস্রাব। সেই পুঁজির মূত্রফেনায় এরা ঢেকুর তুলতে বিন্দুমাত্র মর্মযাতনায় ভোগে না। তবুও আনু মুহাম্মদের মার খাওয়ার দৃশ্য কিংবা জাতীয় কমিটির ডাকা হরতাল অনেকের চিত্তে দ্বিধার জন্ম দিয়েছে। এটা ভাল। সুবিধাভোগীরা লড়াইয়ের বেগের সামনে পড়ে দুলতে থাকে, ছদ্ম প্রগতিশীলতার যুক্তিতে পাশ কাটাতে চায়। সেই দৃশ্য ভাসতে শুরু করেছে, ইনানো-বিনানো কান্না আর কোন্দল তারা গাইতে লেগেছে। লাগুক, জড়তা ভাংবার প্রথম মুহূর্তে এরকম দেখা যায়।

দুনিয়ায় কীসে থেকে কী হয়, দুয়ে দুয়ে কারা ঘর শূণ্য করে দেয় সেটা মানুষ বোঝে। কিন্তু কোন লড়াই তার লড়াই, সেটা প্রমাণের আছে দেশপ্রেমিক নাগরিক সংগঠনগুলোর। পরীক্ষা ছাড়া সীতাও পার পান নাই, আমরা তো কোন ছার! পরীক্ষা আমরা দেব, সেটা জনগণের কাছে। বুর্জোয়াদের তোষক-বালিশে মজমা বসানো ছারপোকাদের কাছে নয়।

যত ছোটোই জাতীয় সম্পদ রক্ষার এই হরতাল নতুন এক তরঙ্গ। আর আন্দোলন তো ব্যবসা নয় যে লাভ দেখে শেয়ার কিনব। কাল হারব জেনেও আত্মনিয়োগ প্রয়োজন, নইলে পরশু দাঁড়াবার জায়গা থাকবে না। আর পরশু যদি দাঁড়িয়ে থাকতে পারি, তার পরদিন মুখোমুখি টক্কর দেওয়ার তাকদ জনগণই যুগিয়ে দেবে। আমরা আশাবাদী। আমাদের অতীত লোপাট, বর্তমান বেদখল, একমাত্র ভবিষ্যতই আমাদের।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
নাঈম বলেছেন: একটা হরতালেই কি এতকিছু পরিবর্তন হওয়া সম্ভব? কেন জানি আমি আশান্বিত হতে পারছিনা, কারণ '৯০ এর দশকের শুরু থেকেই আজ পর্যন্ত যত সরকারই এসেছে, তাদের সবাই কমবেশী ভারতের দালালী করে গেছে। বিএনপির গত শাসনামলেও ফুলবাড়ী আন্দোলনের সময় নিরীহ মানুষদের ওপর অত্যাচার হয়েছিল, আজ আনু মোহাম্মদের উপর হামলার পর খালেদা জিয়া তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান, সেদিন তিনি কোথায় ছিলেন?

আসলে সব সরকারই ভারতের পা-চাটা কুত্তা....
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: না সম্বব না অবশ্যই, তবে এটা একটা গুড স্টার্ট হতে পারে। আর যে তাপ সবাই মিলে বাংলাদেশকে দিচ্ছে, তার চাপেই অনেকের চোখ খুলবে মোহ ঘুচবে। অন্যায়ের স্ট্রাকচার যত কঠোর হয় প্রতিবাদ তত জোরালো হয়, বলতে পারেন নিউটনের বলবিদ্যার সূত্র অনুসারেই।

৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: সফল করে তুলুন। ধন্যবাদ।
৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
দিনমজুর বলেছেন:
হরতাল সফল হোক ......
৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
বিডি আইডল বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ....

তেল-গ্যাস কিভাবে বিদেশী কোম্পানী গুলোর কাছে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এর আসল তথ্য মানুষ বোধহয় কোনদিনই জানবে না...

আমাদের ভবিৎষত প্রজন্মের জন্য এক বন্ধ্যা দেশ রেখে যাবো আমরা...

(অট: কিছু বানান বিভ্রাট চোখে পড়লো)
৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০২
মৃত৬৬৬ বলেছেন: খুব ভালো লাগল ভাই, আপনাদের জন্যই এই নষ্ট দেশটা নিয়ে এখনও আশা জাগে।
১০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৫
হঠাৎ বলেছেন: সফল হোক তোমাদের এ পদযাত্রা,
ভাঙুক জাতির কাল নিদ্রা।।
বজ্রাহত কর ঢাকার এপ্রান্ত ওপ্রান্ত,
ফের ফিরে আসুক সুকান্ত।।

(কবি নই, তবু লিখলাম প্রাণের তাগিদে)
++
১১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: জয় তৈরি জিনিস নয়, জয় দিনে দিনে তিলে তিলে আসে। ...


সংগ্রাম চলবেই।


হরতাল সফল হোক ......

১২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: সমুদ্রের গ্যাস ইজারা নিয়ে সাপ্তাহিক পত্রিকার একটি গোলটেবিল।

http://www.shaptahik.com/v2/?DetailsId=20
১৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১১
টোকন ঠাকুর বলেছেন: কাল হরতাল জনতার হরতাল...
১৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: এটা সত্য যে, দেশে আম আর জাম পক্ষের বাইরে সাম্রাজ্যবাদের দেশীয় এজেন্ট আর তার বিরুদ্ধে জনতার ঐক্য এই বিভাজন স্পষ্ট না করলে কোনো আন্দোলনই এখানে পরিণত পর্যায়ে যেতে পারবে না। সম্পদ রক্ষার আন্দোল সেই ধাপে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। বাকি কাজ রাজনৈতিক শক্তির।
১৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
সাইফুর তুষার বলেছেন: চলেন ভাই কালকে থেইকা আমরা সবাই মিল্লা রাজপথে নামি
১৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
ওসমানজি২ বলেছেন: হরতাল হবে ১২টা পর্যন্ত। ঢাকা শহরের অধিকাংশ মার্কেট সকাল ১১টার আগে খোলেই না। বুঝলাম না এই এক ঘন্টায় দোকান মালিকদের কত পরিমান ক্ষতি হবে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন এই সকাল বেলা খুব একটা কাস্টোমারের চাপ থাকে না। তাহলে দোকান মালিকরা এত ক্ষেপলেন কেন? তবে কি প্রধানমন্ত্রীকে খুশী করার জন্যে - কারন প্রধানমন্ত্রী সাধারন জনগনের লোডশেডিং-এর ক্ষতির কথা চিন্তা না করেই উনাদেরকে আনলিমিটেড সময়ের জন্যে দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছেন যে।
১৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
হঠাৎ বলেছেন: "দেশের স্বার্থে দেশের ক্ষতি? আনু স্যাররে নিয়েও বানিজ্য।" পোস্টের লেখক সাব আমারে তেনার পোস্ট হইতে ব্যান করসেন। ব্লগার ভাইয়েরা, একটু যায়া দ্যাহেন তো আমি যা কইছি, তাতে ব্যান করার কুন কারণ আছে নাকি?
আমার আর উনার ডিবেট পইড়া দ্যাহেন। আমার যুক্তি-তত্ত্ব উনার পসন্দ না অইবার কারণডা বিচার করেন।
না-কি আমার ভাষা তেনার অপসন্দ অইসে? একবার পারলে জিগায়া দ্যাহেন কি কয়..
১৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
সরকার সেলিম বলেছেন: হরতালে নৈতিক সমর্থন রইল।
১৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: @ হঠাৎ > কী হলো বুঝিনি? কে আপনাকে ব্যান করেছে?
২০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২
হঠাৎ বলেছেন: "দেশের স্বার্থে দেশের ক্ষতি? আনু স্যাররে নিয়েও বানিজ্য।"-এই পোস্টের মহামান্য লেখক সাহেব আমারে ব্যান করেছেন। কারণের শানে নূযুল, আমি তার স্টেটমেন্টের প্রতিবাদ করসি। আমি হরতালের স্বপক্ষে কয়েকটা যুক্তি দিসি। তাই আমারে ব্যান করার হাউস জাগসে উনার। দ্যাহেন পারলে।
২১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: এরা বর্ণচোরা। এদের থেকে সাবধান। লিংক দেন, সবাই দেখুক।
২২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
অলস ছেলে বলেছেন: লেখা খুবই ভালো লেগেছে। দেখছি কদ্দুর গড়ায় বিশ্বাসঘাতকদের স্পর্ধিত বোকামী।
২৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৪
হঠাৎ বলেছেন: Click This Link এই হল লিংক। সবাইরে কইয়েন একটু ব্লগায়া অ কি কইবার চায় খোলাসা কইরা যাতে কয়।
২৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: নাইল্যাকাডার গ্যাস-ইজারা সংখ্যা প্রকাশিত। পাবেন এখানে

Click This Link
২৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
অ্যামাটার বলেছেন: হরতাল সফল হবেই।
২৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
রাতমজুর বলেছেন: দিনমজুর বলেছেন:
হরতাল সফল হোক ......
২৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
সানিয়া বলেছেন: আফনেতো মিয়া পুরাই 'লুথা'
২৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৯
বিবর্তনবাদী বলেছেন: হরতাল নাড়া দিক আমাদের বিবেককে। সফলতা খালি রাস্তায় যতটা তার চাইতে বেশি সেখানেই।

তাই বলি, আগামীকালের হরতাল সফল হোক।
২৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১
এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন: রাজনৈতিক ক্ষমত দখলের হরতালের চেয়ে এই হরতাল অনেক বেশী গ্রহণযোগ্য এবং জরুরি।

হরতাল সফল হোক
হরতাল সফল হোক
হরতাল সফল হোক
৩০. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩
এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন: রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের হরতালের চেয়ে এই হরতাল অনেক বেশী গ্রহণযোগ্য এবং জরুরি।

হরতাল সফল হোক, হরতাল সফল হোক, হরতাল সফল হোক
৩১. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
মেঘনাদ বলেছেন: ফারুক ওয়াসিককে আন্তরিক ধন্যবাদ।
হরতাল সফল করার জন্য যা করা দরকার, করতে হবে। সফলতা এক দিনে আসবে না। সবাই রাস্তায় নেমে আসুন।
৩২. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫১
মেঘনাদ বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি করা হোক।
পোস্টটা স্টিকি করা হোক।
পোস্টটা স্টিকি করা হোক।
৩৩. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
বিলাশ বিডি বলেছেন: দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য দেশের ক্ষতি করার বিপক্ষে। এক কাজ করলে কেমন হয়ঃ একদিন ৮ ঘন্টার পরিবর্তে ১০/১২ ঘন্টা কর্মক্ষেত্রে কাজ করি? কিংবা সবাই পায়ে হেঁটে অফিসে যাই? কিংবা শুধু আধঘন্টা/একঘন্টা কর্মবিরতি করি?

হরতালের মতো জঘন্য জিনিস পৃথিবীতে আর নেই, সেটা আওয়ামীলীগ করুক, বিএনপি করুক, কিংবা সম্পদ রক্ষা কমিটি করুক। খুন যেমন র‌্যাব-পুলিশ করলেও সমর্থনযোগ্য নয়, হরতাল তেমনি দেশপ্রেমিক মানুষেরা করলেও সমর্থনযোগ্য নয়।

দেশের সম্পদ রক্ষা করতে হবে দেশের মানুষের স্বতস্ফুর্ত প্রতিবাদের মাধ্যমে। পনের কোটি মানুষের জীবনযাত্রা অর্ধদিনের জন্য থমকে দিয়ে প্রতিবাদ হয়না, হয় নিজেদের ক্ষয় আর পিছিয়ে পড়ায় সাহায্য।

ধন্যবাদ।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: ১. আমাদের সাফল্য এটাই যে, গত ক'দিনে জাতীয় গণমাধ্যমে এবং মানুষের মনেও অনেকটা, প্রশ্ন এটাই গ্যাস নিয়ে কী হচ্ছে? সরকারের ভূমিকা কি সঠিক? সরকার এত রাখঢাক করছে কেন?

২. সরকারকে এখন ডিফেন্সিভ অবস্থানে গিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হচ্ছে। হরতাল ঘোষণা এবং তার আংশিক পালনের এটাই নৈতিক বিজয়।

৩. জনস্বার্থে হরতাল ডাকা যায়, সেই হরতাল পালনে কাউকে বাধ্য না করেও আবেদন জানানো যায়, পথের মানুষের কাছে কীসের বিরুদ্ধে হরতাল সেটা ব্যাখ্যা করার এই বিনয়ী কিন্তু সবল ধরন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন দৃষ্ঠান্ত। জাতীয় কমিটির সংযম এবং সরকারের বাধা না দেওয়ার মনোভাব এবং বিএনটিকে স্যাবোটাজ না করার জন্য ধন্যবাদ।

৩৪. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: মনজুরুল হক বলেছেন,

''আজকের হরতাল "সফল" হবে কি হবে না তার চেয়েও জরুরী হরতাল কেন ডাকা হয়েছে সেটি দেশের মানুষ অন্তত জেনেছেন। এবার তাদেরই কর্তব্য তারা ঠিক করবেন। তারা রুখে দাঁড়াবেন না মাথা নত করে মেনে নেবেন সেই ভার তাদের উপরই রইল। ''

এটাই কহতব্য।
৩৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
রাজীব_নন্দী বলেছেন: 'আন্দোলন তো ব্যবসা নয় যে লাভ দেখে শেয়ার কিনব। কাল হারব জেনেও আত্মনিয়োগ প্রয়োজন, নইলে পরশু দাঁড়াবার জায়গা থাকবে না। আর পরশু যদি দাঁড়িয়ে থাকতে পারি, তার পরদিন মুখোমুখি টক্কর দেওয়ার তাকদ জনগণই যুগিয়ে দেবে। আমরা আশাবাদী।'
৩৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
ফারুক ওয়াসিফ বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই