হ্যালো, কিরে এখনও ঘুমাস!!...উঠ ..কাজ আছে অনেক...
ঝামেলা করিস কেন ?? বন্ধের দিন একটু ঘুমাইতে চাইলাম তুই আবার কি কাজ নিয়ে আসলি...নাহ শান্তি দিলি না...
দোস্ত বিয়া করতে যাইতাছি, বিলিভ মি...তোদের হেল্প দরকার..
শোয়া অবস্থা থেকে উঠে বসলাম এক লাফে (ঘুম বাকিটুকুনও শেষ)..বলিস কি??? কাকে? কখন?
কোথায়? কিভাবেএত দূর? আর তোর বাসায়???
দোস্ত ,,এত প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার সময় নাই ...বাসায় কেউ জানে না।কাহানি পরে কমু আগে আয় তাড়াতাড়ি।
দেখ ফাজলামি করছিস নাতো?!
ফাজলামি করতাছি না....তুই টিপুকে নিয়ে চলে আয়....টিপুকেও ফোন দিছি...আমি রামপুরা আছি। ১০ টার মধ্যে চলে আয়।
ওকে।
ফোন লাইন কেটে দিয়ে ঘড়ির কাটার দিকে তাকালাম....৮.৪০মিনিট,
হিসেব কষতে শুরু করলাম...সবার আগে ফ্রেশ হতে হবে...নাস্তা খেতে হবে তারপর বের হতে হবে।
ঠিক ৯.৪৫ মিনিটে তিন বন্ধু বের হলাম...আমার বাসা থেকে। গন্তব্য রামপুরা....তিন বন্ধু পৌছে গেলাম যথাসময়ের একটু পরেই ...এরই মাছে তিনবার ফোন নতুন জীবনে প্রদার্পণ করা দোস্তের ।বুঝা যাচ্ছে তর তার সয় না।
প্রথমে গিয়েই হুমড়ি খেয়ে পড়লাম কনে কে? কিন্তু হায় কনে এখনও আসে নাই....আসবে ১২টায়...
তয় বেচারা কোরবানি হইতি যাইতাছে তার আগে মালা তো পরান লাগবে... তাই টুকিটাকি কিছু বাজার সদাই আর খেজুর আর মিষ্টি কিনে আনা হলো....শুরু হলো বিয়ের প্রস্তুতি।
১২.৩০টার মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন । এরই মাঝে কনে আর কনের বান্ধবী উপস্থিত। আর আমরা আছি ১৪জন। এইবার কাজীর অপেক্ষা...
ক্ষনিক পরেই কাজীর ফোন। কাজীকে নিয়ে আসা হলো বাসায়(এক ব্যাচেলার বন্ধুর বাসায়)।
এইবার শুরু হলো আসল কাজ। মানে জোড়াকে হালাল করার কাজ।
। উকিল বাপ, সাক্ষী সব রেডী ...কাজী সাহেবও কাজ শুরু করলেন দ্রুত। আধা ঘন্ঠার মেধ্য বিয়ে সম্পন্ন!!!! আমি একটু অবাক হলাম।কারন এ ধরনের অভিজ্ঞতা এই প্রথম। সবাইকে খেজুর আর মিষ্টি খাওয়ানো হলো। আর সেই সাথে জমপেশ আড্ডা খাওয়া দাওয়া।
(আমার ব্লগের বয়স আড়াই বছরের কাছাকাছি। এত দীর্ঘ সময়ে লিখা লিখি খুব একটা হয়ে উঠেনি বলেই পোস্টের সংখ্যাও কম। আমার অনেক পরে এসেও অনেকে কয়েক শতক ছাড়িয়ে গেছেন পোস্ট সংখ্যা। আর আমার শততম পোস্টে এমন একটা বিষয় চলে আসবে ভাবিনি। তবে শতক যে পূর্ণ হেয়েছে সেজন্য শুকরিয়া)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

