আমাদের ছোট্ট জনি এবং বর্তমান অবস্থা
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৫
![]()
নাহ, জীবদ্দশায়ও সুখে ছিলেন না রুবি। অন্তত তাঁর ঘরে ঢুকে তাই মনে হবে যে কারো। খুব সাধারণ আর মলিন কিছু আসবাব পত্র। মাটির প্রলেপ দেয়া বাঁশের চাটাইর বেড়াঅলা একচালা ঘর। ঘরটা সব মিলিয়ে ৮ ফুট বাই ১২ ফুটের বেশি হবে কি! যদিও তার স্বামী আবুধাবী চাকরি করে। ঘর থেকে রান্না করার খুপরির মতো জায়গাটায় যেতে হয় মুরগির খোপে ঢোকার মতো করে। স্থানীয় সাংবাদিকসহ আমরা ক’জন অবশ্য গেলাম তার খুন হয়ে যাওয়ার প্রায় ১ মাস ২ দিন পর। গত ১১ নভেম্বর। চোখ আটকে গেল একটি হাতে আঁকা ছবিতে। ![]()
দরজার উপর লাগানো। রুবির আঁকা। কথাগুলো মিলে যায় পুরোপুরি ওর নিজের জীবনের সঙ্গেই। গত ১ মাসেও রুবির ঘরে পুলিশ আসেনি। কোন ক্লু কি থাকা সম্ভব? পাশের ঘরেই থাকতো পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী রুবির খুনি। সম্পর্কে তার দেবর। কুদ্দুস মিয়া। ![]()
সে ঘরে এখন তালা লাগানো। ভাঙ্গা টেবিলের উপর একটা প্রেসক্রিপশন পরে ![]()
আছে।
জনির বড় বোন ঝর্ণার অসুখের পর ডাক্তারের দেয়া পরামর্শ পত্র। জনির নানীর দায়ের করা মামলার অপর আসামী কুদ্দুসের স্ত্রী এখনো পলাতক। জনি ও ঝর্ণা তাদের নানীর সঙ্গে থাকলেও স্থানীয় মাদ্রাসায় ক্লাশ সেভেনে পড়ুয়া জনির ১৪ বছরের বড় ভাই জুবেল থেকে গেছে বড় চাচার ঘরেই। ওকে অনিচ্ছা সত্বেও জিজ্ঞেস করলাম খুনটা কে করেছে বলে মনে হয়? জুবেল নিঃসংকোচে বললো নানীর বাড়ির কেউ বিষ খাওয়াইয়া মারছে। জুবেল জানালো তাদের ঘরের হাড়ি পাতিল বস্তা বেঁধে রাখা হয়েছে ছোট চাচার ঘরে। জুবেলের চোখে সার্বক্ষণিক নিজের আশ্রয় হারানোর সতর্কতা। ভাবলাম, বড় হয়ে হয়তো নিজের বোনদের পাশে দাঁড়াবে সে। আচ্ছা মনে কষ্ট পেলে পাক। জিজ্ঞেস করলাম, বোনদের কি খবর ? জুবেল বললো, ছোট চাচা বিদেশ যাওয়ার আগে নানীর কাছে টাকা পাঠিয়েছে ওদের জন্য। (পরে খোঁজ নিয়ে জেনেছি জুবেলকে দেয়া এই আশ্বাস সত্য ছিল না। খুনের ঘটনার ১ দিন পর ওর ছোট চাচা বিদেশ চলে যায়।)
অনেক খুঁজেও একটা গ্রুপ ছবি পেলাম না । জনির বাবা ,মা,বোনদের সঙ্গে এক সাথে। আসলে কোন ছবিই নেই। আশ্চর্য!
রুবি হত্যা মামলার বর্তমান অবস্থাঃ
এই ঘটনাটার স্মৃতিচারণও খুব বেদনার মনে হয়। ঘটনাটা ছিল এরকম যে, গত ১০ অক্টোবর শুক্রবার ভোর বেলা রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের মরিচা গ্রামে লাঘাটা নদীর পূর্ব তীরে ![]()
প্রবাসী মাসুদ মিয়ার স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী রুবি বেগমের লাশ ও লাশের পাশে তার কনিষ্ঠা এক বছর বয়সের শিশু কন্যা জলি বেগমকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় শিশু জনির মৃত মায়ের স্তন পানের চেষ্টা গ্রামবাসীকে হতবাক করে। পরে এই দৃশ্য পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে স্তম্ভিত হয়ে যায় সবাই। ১১ অক্টোবর শনিবার লাশের ময়না তদন্ত শেষে নিহত গৃহবধূর বাবার বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের গোপী নগর গ্রামে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় গৃহবধূ রুবির মা সিতারা বেগম বাদী হয়ে কুদ্দুছ মিয়া ও তার স্ত্রী খায়রুন বেগমকে আসামী করে রাজনগর থানায় মামলা নং ০৩/১০-১০-০৮ইং দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাজনগর থানা পুলিশ নিহত গৃহবধূর দেবর কুদ্দুছ আলীকে গ্রেফতার করলেও তার স্ত্রী খায়রুন বেগমকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি।
মামলাটির বর্তমান অবস্থা একবাক্যে বলা মুস্কিল। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এখনো এসে পৌঁছায়নি। মামলার সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার সম্প্রতি মৌলভীবাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবী করেন, খুনিকে তারা সনাক্ত করতে পেরেছেন। পুলিশ জনির নানীর মামলার সূত্রে গ্রেফতার করে আসামী আব্দুল কুদ্দুসকে। এরপর রুবির ব্যবহৃত ফোন সেটটিসহ গ্রেফতার করা হয় এক ব্যক্তিকে।
সে জানায় তার ভাই তাকে এই ফোন সেট দিয়েছে। যার ওই ভাই দুটি হত্যা মামলার আসামী। খুনটি সেই করেছে বলে এখন পর্যন্ত পুলিশের ইঙ্গিত। ৯ অক্টোবর বাড়ি থেকে দুপুরে শিশু জনিকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময়ও তার হাতে এই ফোন সেট ছিল। এটা দিয়ে সে সর্বশেষ তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে কথা হয়। সে তখন ডাক্তারের সামনে আছে বলে জানায়। পরিচিত জনদের সঙ্গে সেই তার শেষ কথা। পুলিশ অবশ্য বলছে তারা রুবির ফোন কলের লিস্টে দেখেছে সর্বশেষ রাত ১০ টা পর্যন্ত সে তার দেবর কুদ্দুস আলীর সাথে কথা বলেছে। পুলিশের আরো বক্তব্য রুবির কল লিস্টের ১শ ২০টি কলের মধ্যে ৯০ টিই সে করেছে দেবরকে। এই সূত্রে পুলিশের সন্দেহ রুবির সঙ্গে দেবর কুদ্দুসের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। এসপির বক্তব্য রুবি খুন হওয়ার আগে ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকতে পারে। এই আলামত পাওয়া গেছে। আর রুবিকে মারা হয়েছে শ্বাসরোধ করে। তার কাঁধে আঘাতের দাগ ছিল বলেও জানায় পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য তাকে খুন করার পর লাঘাটা নদীর পারে নিয়ে ফেলে রাখা হয় মুখে বিষ ঢেলে।
খুনের কারণ হিসেবে পুলিশ যে সব তথ্য পেয়েছে তা হলো, নিহত রুবি বেগমের কাছ থেকে দেবর কদ্দুছ মিয়া ও তার স্ত্রী খয়রুন বেগম নিহত রুবি বেগমের কাছে জমি বিক্রি করবে বলে বিরাট অংকের টাকা নেবার পর জমি রেজিষ্ট্রি করে না দেওয়াতে নিহত রুবি বেগম টাকা ফেরত নিতে চাইলে দেবর কদ্দুছ মিয়া ও স্ত্রী খয়রুন বেগমের সাথে নিহত গৃহবধূ রুবি বেগমের ঝগড়া বিবাদ হয়। ৮ সেপ্টেম্বর কুদ্দুস তাকে বাড়ির উঠোনে ফেলে মারধর করে অনেক লোকজনের সামনে। এছাড়াও কিছুদিন আগে রুবির স্বামী তার ভাই কুদ্দুসের কাছে ৭০ হাজার টাকা পাঠায়। এই টাকা নিয়েও কুদ্দুসের সঙ্গে রুবির ঝগড়া হচ্ছিল।
এসব তথ্য প্রকাশিত ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত। স্থানীয়দের মধ্যে এই ধারণাও প্রবল যে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছিল। একই অভিযোগ রুবি হত্যার বিচারের দাবিতে গঠিত
![]()
নাগরিক কমিটির আহ্বায়কেরও।
জনি কেমন আছে ?
মাঝরাতে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে জনি। কিছুক্ষণ কেঁদে থেমে যায় নিজ থেকেই। ওর নানীর অনুমান মায়ের জন্য কাঁদে।
এমনিতে জনির স্বাস্থ্য একটু ভালোর দিকে।
কাশি-ঠান্ডা কমেছে। হাসি খুশি। ![]()
জনির খাবার দুধের ব্যবস্থা হওয়ার পর ![]()
নিশ্চিন্ত বোধ করছেন ওর নানী।
আর জনির বড় বোন ঝর্ণাকে গতকাল মানে ১৭ নভেম্বর স্থানীয় রাধাগোবিন্দ ![]()
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়েছে ক্লাশ থ্রিতে। কাল থেকে তার বার্ষিক পরীক্ষা।
সাহায্য:১৩/১১/০৮
বলা ভাল ইমিগ্রেশন এইড জনি, তার নানী ও বোনের ভরন-পোষণ, দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেয়া সত্বেও অনেকে এখনো জনিকে সাহায্য করার জন্য তার বাড়ি চলে যাচ্ছেন। ১২ নভেম্বর ঢাকার মিরপুর থেকে নাজমিন আক্তার নামের এক ভদ্রমহিলা জনি যাতে নিয়মিত দুধ খেতে পায় এজন্য একটি বাছুরসহ গাভী পাঠিয়ে দিয়েছেন ট্রাকে করে। ১০ হাজার টাকা পৌঁছে দিয়েছেন প্রিন্স নামের এক জন। তার সঙ্গে পথ চিনিয়ে নিয়ে যাওয়া রাজিব সাহেব জনির হাতে গুজে দেন ২ হাজার টাকা।
আমেরিকা থেকে ফিরেই গত ১১ নভেম্বর ঢাকা থেকে পতন ঊষার গোপীনগর গ্রামে গিয়ে জনির পরিবারের সদস্যদের কাছে ৩ হাজার টাকা ও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে আসেন সাবিনা ইয়াসমিন নামের এক ভদ্র মহিলা।
এর মধ্যে জনি দুদিন তার নানী ও বোনসহ ঢাকায় ছিল। তাকে আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসককে দেখিয়ে ওষুধ কিনে দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি।
এছাড়া ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ থানা নির্বাহী কর্মকর্তা জনিকে দেখে ২ হাজার টাকা দিয়ে এসেছেন।
সাহায্য:১৪/১১/০৮
শ্রীমঙ্গলের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন
অঙ্গীকার-এর সদস্যরা ১৪ নভেম্বর সকাল ১১.৩০ মিনিটের দিকে জনিকে দেখতে যান। তারা জনি ও তার নানী,বোনের জন্য কম্বল,শীতের পোষাক ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে গিয়েছিলেন সঙ্গে করে।
সাহায্য:১৮/১১/০৮
মুন্সিবাজার শাখা সোনালী ব্যাংকে ভাস্করসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্যোগে জনির সাহায্যের জন্য করা এ্যাকাউন্টে ৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। ফাতেমা নামে এক ভদ্রমহিলা।
জনির জন্য সাবিনা ইয়াসমিনের দেয়া গাভী থেকে আধা লিটারের কিছু বেশি দুধ দোয়ানো হয়। জনির যা লাগে সেটুকুই নেয়া হয়। বাকি টা গাভীর বাছুরটি খেয়ে নেয়![]()
তবে ওর একটা মশারি দরকার। মাছি ঝামেলা করে ও ঘুমানোর সময়। আর ঝামেলা করে বাড়ির ১৫/২০টা পিচ্চি! ওরা দিন ভর উঠানে লাফালাফি করে, আর চিল্লিয়ে বাড়ি মাথায় তুলে রাখে![]()
![]()
এতেও ঘুমে ডিস্টার্ব হয় জনির।![]()
জনিকে নিয়ে বিস্তারিত আরো জানতে কৌতুহলীদের জন্য
ভাস্কর চৌধুরীর...জনিরা জলে উঠুক প্রতিশোধের আগুনে
এবং
মানবীর...ডিসপোজেবল মানবীদের কথা- আরেকটি ছবি, আরেকবার ভুলে যাবার পালা!!!
পোস্ট দুটি রেফার করছি।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ নিহন।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
কী আর কবো। বালের দেশে জন্মাইসি।
লেখক বলেছেন: সেটাই!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।নির্বাক সুশীল।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
রাইডার বলেছেন:
কিছুই বলার নাই
লেখক বলেছেন: রাইডার, আপনাকে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভ কামনা।
সন্ঞ্জু বলেছেন:
জনি .......... ভাল থেকো
লেখক বলেছেন: ভাল থেকো জনি।
সন্ঞ্জু, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ?,ভাব স্পষ্ট নয়
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
আমি পড়ছি আর আমার দুচোখ দিয়ে পানি পড়ছে। অপরাধীর যেন কঠিন শাস্তি হয় আর জনির সুস্থতা কামনা করছি। জনির বাবা কি এখনো আবুধাবীতে কাজ করছে? আমি কিভাবে যোগাযোগ করবো?
লেখক বলেছেন: সে কোন নাম্ভার দেয় না। জনির কোন খোঁজ সে নেয় না!
নিহন বলেছেন:
ওকে অনিচ্ছা সত্বেও জিঙ্গেস করলাম খুনটা কে করেছে বলে মনে হয়? জুবেল নিঃসংকোচে বললো নানীর বাড়ির কেউ বিষ খাওয়াইয়া মারছে। জুয়েল এটা কেনো বলেছে ??
লেখক বলেছেন: জুবেল বোধ হয় তার আশ্রয়টুকু,খাবারের যায়গাটুকু হারাবে আশংকায় এমন বলে।আর মামলায় লড়ায় সুবিধা হবে এজন্য বোধ হয় ওর চাচা ওকে মগজ ধোলাই দিয়ে রাখে।
বাচ্চা মেয়ে দুটির যায়গা হয়না,হয় কিশোর ছেলেটির!
শেখ রহিম বলেছেন:
+
ফয়সলা ভাই কেমন আছেন ?
আশাকরি ভাল আছেন ?
জনিকে দেখতে গিয়েছিলাম অঙ্গিকার পরিষদের সাথে। তারপর আর যাওয়া হয়নি। তবে ফোনে এস কে দা ও জনির পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নিয়মিত খোঁজ খবর নিয়েছি।
সবশেষ জনি এখন ভালো আছেন! কিন্তু ভালো নেই রুবীর মামলার অবস্থা। কিন্তু পুলিশ টানছে ওল্টো সূর। বলছে ৯০ ভাগ এগিয়েছে। ওরা সংবাদ সম্মেলনে ফলাও করে বলেছে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই না।
যাই হোক আমাদের লেখা থামবে না। আমার পত্রিকায় রুবীর মার্ডার বিষয়ে ফলাও করে লিখেছিলাম। আগামীতেও লিখবো।
দু-একদিনের মধ্যে জনিকে দেখতে যেতে পারি।
সবচেয়ে ভালো লাগছে জনি এখন ভালো আছে। ওর জন্য আপনার এতো ব্যস্ততার মধ্যে কিছু করা সত্যি .....................বলার ভাষা নেই।
আর একজন তো নেপথ্যেই থেকে গেলেন। যাকে আমরা চিনি , জানি.......সময়ের প্রয়োজনে যাকে অনেকেই ভূল বুঝেছেন। ফয়সাল ভাই উনার নামটা বোধহয় বলার দরকার নেই। আপনিতো বুঝতে পারছেন।
ভালো থাকবেন ফয়সাল ভাই। শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রেখে গেলাম।
লেখক বলেছেন: আর একজন তো নেপথ্যেই থেকে গেলেন। যাকে আমরা চিনি , জানি.......সময়ের প্রয়োজনে যাকে অনেকেই ভূল বুঝেছেন। ফয়সাল ভাই উনার নামটা বোধহয় বলার দরকার নেই। আপনিতো বুঝতে পারছেন।'
নাম বললে কি হয়
? আপনি মানবীর কথা বলছেন বোধ হয়?
তাকে স্যালুট!
শেখ রহিম,আপনার,ভাস্কর,বিকুল,ইমন,এসকে সাহার সাথে কাজ
করা ,এক সাথে চলতে পারা ,এমন সাদা মনের মানুষদের সাথে পরিচিত হতে পারা ব্যক্তিগত উপলব্দিতে নিজের সৌভাগ্য মনে করি।
আপনার মন্তব্যটা খুব ভালো লাগলো। ইমন পাগলটা কেমন আছে
?
মামলার অবস্থাটা খারাপ জানি।ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা
বাইত যামু বলেছেন:
ধন্যবাদ ফয়সাল ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ,বাইত যামু।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
জনির বাবার কোন নাম্বার পেলে আমাকে মেইল করে জানাবেন। কারন আমি ও দুবাইতে থাকি। আপনার যে এত কষ্ট করছেন আমি তাকে জানাতে চাই।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে, তার ফোন নাম্বার যোগার করতে পারলে আমি আপনাকে জানাবো।
পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,সিটিজি৪বিডি। ভাল থাকবেন।
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
ধন্যবাদ ফয়সাল ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,মাহমুদ ভাই।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
শামস শামীম বলেছেন:
জনির এমন হাসিহাসি মুখ কখনো যেনো মেঘেঢাকা না পড়ে।ফয়সল ভাই আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, একটি পূর্ণাঙ্গ ফটো ফিচারের জন্য।
লেখক বলেছেন: `জনির এমন হাসিহাসি মুখ কখনো যেনো মেঘেঢাকা না পড়ে'
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ শামস শামীম।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ ফয়সল ।মামলার গতি শুনে আজকাল আর হতাশ হই না ।
শুধু বস্তা বস্তা আইনের বইগুলোতে আগুন জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছে হয় ।
শেখ রহিম বলেছেন:
স্যালুট মানবী আপু। তোমায় .............হাজার সালাম।
কি বলেন ফয়সাল ভাই। আসলে সাময়ীক ক্ষণের জন্য হলেও আমরা আপনার সাথে মিশতে পেরেছি বলে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আরে সাদা মনের মানুষ তো আপনি।
আপনাকে দেখেছি জনির বাসায় । আমার এখনো চোখে ভাসছে জনির বাসায় গিয়ে আপনি কিভাবে কি করেছেন। কত আপন করে নিয়েছেন সবাইকে। কোলে তুলে নিয়েছেন জনিকে। জনির প্রতি এতো ভালবাসা সত্যি.......!
ইমন পাগলটা ভালো আছে !
ভালো থাকবেন ফয়সাল ভাই।
লেখক বলেছেন:
মানবী
?ভাবনার মিল দেখে সস্তি লাগছে।
শেখ রহিম, আপনারা ভাল বলে সাধারণ ব্যপারও বেশি ভাল লেগেছে।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।ভাস্করদা কোথায়?
জনির বাড়ি গেলে ফোন দিয়েনতো!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য, নাজিরুল ভাই।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
বিডি আইডল বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস, বিডি আইডল।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনার জন্যও শুভ কামনা।
সাদা কাগজ বলেছেন:
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা,সাদা কাগজ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
নিরক্ষর বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নিরু ভাই।
ভাল থাকবেন ,শুভেচ্ছা।
ফয়সল নোই বলেছেন:
জনির নিষ্পাপ হাসি দেখে ভালো লাগছে... ওর হাসি যেন না ফুরায়...অনেক ধন্যবাদ,মুকুল।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
অপেক্ষায় ছিলাম আপডেটটার, পেয়ে ভালো লাগলো ফয়সল ভাই। জনির মায়ের খুনীরা হয়তো শাস্তি পাবে না। পেলেও কবে, তা এখনও পরিষ্কার না। বিচারব্যবস্থার উপরে আস্থাও নাই। তবে জনি ভালো থাকুক। ওর বোনও ভালো থাকুক!
লেখক বলেছেন: আপডেট পেয়ে ভাল লাগছে জেনে খুব ভাল লাগছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
কৃতজ্ঞতা +
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,মেহরাব।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
জেরী বলেছেন:
জনি ভালো থাকুক.......।
লেখক বলেছেন: জনি ভালো থাকুক।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
জেরী কেমন আছে?![]()
মুকুট বলেছেন:
কষ্ট আর কষ্ট! পিচ্চি জনি বেঁচে থাক! বড় হোক........ স্বাবলম্বী করে তুলুক নিজেকে পরিবারকে! ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য!
লেখক বলেছেন: মুকুট , আপনার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
পিচ্চি জনি বেঁচে থাক!
মন মণষা বলেছেন:
আজকাল যে কোন কিছুতেই বানিজ্য চলে...তাই মন বড় সন্দেহ বাতিক হয়ে উঠেছে...তবু যেটুকু মঙ্গলময় তার সাথে প্রতক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত সকলকে মনের গহীন থেকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মন মণষা, আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনার মঙ্গলাকাঙ্খী মনকে শুভেচ্ছা।
রাহুল বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ,রাহুল ভাই।
ভাল থাকবেন ।শুভেচ্ছা।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
শুভ কামনা রইল যেন এই হাসি সারাজীবন থাকে।
লেখক বলেছেন:
`শুভ কামনা রইল যেন এই হাসি সারাজীবন থাকে'
সীমান্ত আহমেদ,আপনি কেমন আছেন ? ভাল আছেন আশা করি।শুভেচ্ছা জানবেন।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
জনি ভালোভাবে বেঁচে উঠুক। বড় হয়ে একদিন নিশ্চয়ই তার মায়ের হত্যাকারীর বিচার চাইবে, বিচার করবে...এ টুকুই চাওয়া আমার ।থ্যাংকু ফয়সাল...
লেখক বলেছেন: জনির জন্য শুভকামনা
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন:
পড়তে পড়তে চোখের কোনায় এক ফোটা জলের আগমন অনুভব করলাম। জানিনা কেন? কারন হয়ত - জনি তার মা'য়ের অভাববোধটি ভেবে হয়তবা জনির সাহায্যে এগিয়ে আসা মানুষের উদারতা দেখে। ধন্যবাদ @ লেখক।
লেখক বলেছেন: বৃষ্টি ভেজা সকাল,আপনার সুন্দর আন্তরিক মন্তব্যটির জন্য অনেক ধন্যবাদ । খুব ভাল লাগলো।
ভাল থাকবেন ।শুভেচ্ছা।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
আপনার আপডেট টা পেয়ে ভালো লাগছে। সত্যি দারুণ একটা রিপোর্ট করেছেন। বাচ্চাটা কি সুন্দর দেখতে!
অথচ কি হতভাগা। মা নেই।
একটা অন্য প্রশ্ন করি, মানবীর কি হয়েছে?
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ফেরারী পাখি।
মানবীর শেষ পোস্টটা দেখতে পারেন।ওখানে বিস্তারিত আছে।
ফয়সল নোই বলেছেন:
মন্তব্য আর জনির জন্য শুভ কামনার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
জনির হাসি মুখ আমারও খুব ভাল লাগছে, এখন।
পোস্ট স্টিকি করায় কতৃপক্ষকে হাল্কা ঘাবড়ে যাওয়াসহ ধন্যবাদ।
বেরসিক বলেছেন:
''কে হায় হৃদয় খুড়ে বেদনা জাগায়'' !
লেখক বলেছেন: সেটাই
মনজুরুল হক বলেছেন:
শুভকামনা আর অলিক কোথাও একটা প্রার্থনা ছুঁড়ে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কি-ই বা করবার আছে !! প্রচেষ্টা চলতে থাকুক।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
ওসমানজি২ বলেছেন:
ফয়সল, সৃষ্টিকর্তা অব্শ্যই আপনাদের ভাল করবেন। আপনাদের সবার জন্যে দোয়া রইল।
লেখক বলেছেন: ওসমানজি২ ,আপনার আমি কিছু করিনি।তবে জনির জন্য আমার সঙ্গের কয়েকজন করেছেন যথাসাধ্য। তাদের সঙ্গে থাকতে পেরে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে আপনার এই অসাধারণ ও আন্তরিক মন্তব্যটি পড়ে।
ভাল থাকবেন,ভাই।
মনির হাসান বলেছেন:
... জনির হাসি মুখ খুব ভাললাগলো । ছবিটা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
অনেক মন খারাপ করা ব্যাপারের মধ্য এই এক সুবাতাসের জন্য আবার'ও ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: মনির ভাই, জনির হাসি মুখ ছবিটি দেখে আমারও এতো ভাল লাগে!
আপনার ভাল লাগছে দেখে আমারও ভাল লাগলো খুব।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ,রেডসিগনাল।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
পূর্ণম বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো। আপনার এই ধরনের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।
লেখক বলেছেন: পূর্ণম , আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমি কিচ্ছু করিনি বড় ভাই।যারা জনির জন্য এখন পর্যন্ত হেল্প পৌঁছে দিয়েছেন তাদের নাম উপরে দিয়ে দিয়েছি।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
আশ্বস্ত হলাম এই লেখাটি পড়ে। যাঁরা অসহায় এই শিশুটির পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের শুধু ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করার স্পর্ধা আমার নেই।আমি আবারো জানাতে জাই, "মানুষ আছে মানুষেরই পাশে"
লেখক বলেছেন: অরণ্য আনাম , আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।অবশ্যই মানুষ মানুষের জন্য।'
ভাল থাকবেন ।শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুক জনি।
মাঈনুদ্দীন বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ। আপনি ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: মাঈনুদ্দীন ভাই,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।
মাহমুদুল হক ফয়েজ বলেছেন:
এ বর্বরতার তো কোন ভাষা নেই। পৃথিবী থেকে যে মানবতা হারিয়ে যায়নি, জনিদের দিকে অনেকে হাত বাড়িয়ে দেয়াতে বুঝা যায়্। রুবির হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।ফয়সল নোইকে অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্য খুব ভালো লাগো পড়ে।
ভাল থাকবেন,মাহমুদুল হক ফয়েজ ।শুভেচ্ছা।
চাণক্য বলেছেন:
এ কোন ঘোর কলি যুগে আসিলাম হে। নিস্পাপ শিশুও তো এদের হইতে মুক্তি পাইতেছে না।
লেখক বলেছেন: ফারহান দাউদ , আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
আপনার ভাল লাগা দেখে আমারও ভাল লাগছে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ। জনির জন্য শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শামীম ভাই।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
পাখি উড়ে যায় নিচে পড়ে ছায়া......
মানুষ চলে যায় রেখে যায় মায়া।।
জনির জন্য সবার মায়ার হাত প্রসারিত থাকুক সবসময়, এই প্রার্থনা ।
লেখক বলেছেন: `জনির জন্য সবার মায়ার হাত প্রসারিত থাকুক সবসময়, এই প্রার্থনা ।'
তারার হাসি,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।ভাল থাকবেন।
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
জনির জন্য শুভকামনা...
লেখক বলেছেন: জনির জন্য শুভকামনা...
নিবিড় অভ্র,মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
নেতাজী বলেছেন:
আমাদের দেশে এরকম ঘটনা অহরহই ঘটছে,কয়টার খোঁজই আমরা রাখতে পারছি?নিস্পাপ বাচ্চার জন্য নিস্পাপ ভালোবাসা !
লেখক বলেছেন:
নিস্পাপ বাচ্চাটির জন্য নিস্পাপ ভালোবাসা ।
আনোয়ার সাদী বলেছেন:
ফয়সলের রিপোর্ট। ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাদী।
যুধিষ্ঠির বলেছেন:
কোন দুজনের ভালো লাগল না???
লেখক বলেছেন: আপনি যুধিষ্ঠির, আপনি বের করে দিন
।
বিবর্ণ বলেছেন:
হায়রে.... মানুষ আমরা....
লেখক বলেছেন: মি.ডিজকালার,কি খবর আপনার?
তানজু রাহমান বলেছেন:
বাচ্চাটা ভালো আছে জেনে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: জি,আমারও খুব ভাল লাগছে।
ভাল থাকবেন,তানজু রাহমান ।শুভেচ্ছা।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে আপডেট দেওয়ার জন্য। আপনাদের সাহর্য্যের হাতে জনির মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। আপনার জন্য শুভকামনা থাকলো।
লেখক বলেছেন: চিটি (হামিদা আখতার) ,আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল ,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
মু্ক্ত মানব বলেছেন:
সচিত্র আপডেট পড়ে ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা রইলও সংশ্লিষ্ট সবাইকে।
লেখক বলেছেন: মু্ক্ত মানব,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,মুক্ত মানব।
মানবী বলেছেন:
"পুলিশের আরো বক্তব্য রুবির কল লিস্টের ১শ ২০টি কলের মধ্যে ৯০ টিই সে করেছে দেবরকে। এই সূত্রে পুলিশের সন্দেহ রুবির সঙ্গে দেবর কুদ্দুসের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। "- একজন নির্যাতিতা নারীকে আরো কিভাবে ঘায়েল করা যায় তার খুব সহজ উপায় বোধহয় তাঁর চরিত্র নিয়ে এধরনের কুৎসিত ইঙ্গিত করা! যিনি সন্তানদের নিয়ে এমন জীর্ণদশায় জীবন কাটিয়েছেন, তাঁর কাছৈ ৭০ হাজার টাকা অনেক অনেক মূল্যবান, স্বামীর পাঠানো সে অর্থ আদায়ে ৯০ কেন ৯০০টি কল করলে কি অবাক হবার কিছু আছে!
রাহেলা হত্যার পর শুনেছিলাম তাঁকে "বারবণিতা" হিসেবে প্রচারের অপচেষ্টা ছিলো! রুবী বেগমের বিষয়ে সত্য মিথ্যা জানিনা, তবে পুলিশের এধরনের সন্দেহ(নিশ্চিত না হয়ে) করাটা খুব আপত্তিকর মনে হলো।
সচিত্র আপডেট সহ চমৎকার পোস্টটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ফয়সল নোই।
আমাদের ছোট্ট জনির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানালাম না, কারন মাতৃহারা অসুস্থ, ক্ষুধার্ত এই অসহায় দুগ্ধপোষ্য শিশুটির মুখে আজকের হাসিটি এই ব্লগ ও ব্লগারদের সাফল্য :-)
সকলকে আবারো অভিনন্দন!!
লেখক বলেছেন: `- একজন নির্যাতিতা নারীকে আরো কিভাবে ঘায়েল করা যায় তার খুব সহজ উপায় বোধহয় তাঁর চরিত্র নিয়ে এধরনের কুৎসিত ইঙ্গিত করা! যিনি সন্তানদের নিয়ে এমন জীর্ণদশায় জীবন কাটিয়েছেন, তাঁর কাছৈ ৭০ হাজার টাকা অনেক অনেক মূল্যবান, স্বামীর পাঠানো সে অর্থ আদায়ে ৯০ কেন ৯০০টি কল করলে কি অবাক হবার কিছু আছে!'...
খুব ঠিক কথা বলেছেন মানবী।পুলিশের ইঙ্গিত মুটামুটি এরকমই।তারা বলতে চায়, তার দেবরের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক ছিল। টাকা নিয়ে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
শুধু রুবির ঘটনাতেই নয় গত ৬ মাসে মরিচার আশে পাশে এরকম আরো ৩ জন নারী খুন হয়েছেন।সব কটিতেই খুন হোয়া নারীদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আর একটা ব্যপার হয় ওদিকে। তা হলো খুন হওয়া নারীদের মুখে বিষ ঢেলে রাখা হয়। এতে সহজেই খুনটা আত্মহত্যা নামে প্রচারিত হয়ে যায়। সাপলা নামে এক কিশোরী খুন হয় কয়েক মাস আগে।খুন করার পর তার মুখেও বিষ ঢেলে রাখা হয়েছিল। এই খুনটিরও কোন কূল কিনারা করতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ।
হ্যাঁ, রাহেলারও চরিত্র নিয়েই প্রথম সন্দেহ জাগানোর চেষ্টা ছিল।
আমাদের ছোট্ট জনির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানালাম না, কারন মাতৃহারা অসুস্থ, ক্ষুধার্ত এই অসহায় দুগ্ধপোষ্য শিশুটির মুখে আজকের হাসিটি এই ব্লগ ও ব্লগারদের সাফল্য :-) ... সহমত মানবী।
আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
মানবী বলেছেন:
আমার জনিকে নিয়ে বেশ অদ্ভুত ব্যাপার ঘটছে!!!
ভাস্ক চৌধুরী, শেখ রহিম, ফয়সলো নোই- যাঁরা এই অসহায় শিশুটির মুখে হাসি ফোটাতে, ক্ষুধার্ত শিশুটির মুখে দুফোটা দুধ পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধা আমাকে জানাচ্ছেন!! আবার একদল ব্লগার নিজেদের মন গড়া ভাবনা(ফতোয়াবাজরা কার্টুনিস্ট আরিফের বিরুদ্ধে যেমন মন গড়া ব্যাখ্যা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলো) নিয়ে আক্রমণাত্ব হয়ে উঠে, এসব অন্যায় আক্রমণ মূল্যহীন এবং অগ্রাহ্য করা যায়।
বিপাকে পড়েছি এমন অঢেল শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা নিয়ে, যা আমার প্রাপ্য নয় :-)
শেখ রহিম, ভালো থাকুন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: "ভাস্কর চৌধুরী, শেখ রহিম, ফয়সল নোই- যাঁরা এই অসহায় শিশুটির মুখে হাসি ফোটাতে, ক্ষুধার্ত শিশুটির মুখে দুফোটা দুধ পৌঁছে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধা আমাকে জানাচ্ছেন!"...
আপনার বিনয় এখন আমাকে বিপাকে ফেলছে।
যা করার করেছেন, আপনি,ভাস্কর,রহিম।আমি শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি বিষয়গুলো বিস্তারিত জানি বলে।
"
বিপাকে পড়েছি এমন অঢেল শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা নিয়ে, যা আমার প্রাপ্য নয় :-)"...ভালই বলেছেন
এমন সবাই বলতে পারলে,আপনার বক্তব্যের মতো..." আবার একদল ব্লগার নিজেদের মন গড়া ভাবনা(ফতোয়াবাজরা কার্টুনিস্ট আরিফের বিরুদ্ধে যেমন মন গড়া ব্যাখ্যা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলো) নিয়ে আক্রমণাত্ব হয়ে উঠে,"... এরকম অসস্তিকর পরিস্থিতি তৈরী হতো না।
আপনার শেষ পোস্টে `সত্য থেকে দূরে
' কয়েকজনের আজগুবি ,কুটিল ও অশোভন আচড়নের কারণে এই পোস্টে শুধু জনির সাহায্যের কথা বলেছি।কিন্তু,যাদের কারণে সাহায্য ওর কাছে পৌঁছেছে সেই নামগুলো মুখে আনতে চাই নি। তার দরকারও নেই।কারণ ,আমি জানি এখানের অসংখ্য মানুষের মতো তারাও জনির হাসিমুখ দেখে উদ্বেলিত ।নিজের কৃতিত্ব জাহিরে ব্যস্ত নয়।![]()
মানবী,ভাস্কর,শেখ রহিম,বিকুল,ইমন,এস কে দাস সহ কয়েকজন মানুষের সঙ্গে কয়েকদিন খুব যোগাযোগ হলো।এক সঙ্গে কাজ করা হলো।প্রান প্রাচুর্যে ভরা সব মানুষ।এমন মানুষেরা কোথাও আছে জানাও আনন্দের ব্যপার![]()
(আপনি বিপাকে পরেছেন জেনে আপনার কথা আর পৃথক করে বললাম না
আশা করি `ফতোয়াবাজদের' উম্মাদনা আপনার শুভাকাঙ্খী মন পরিবর্তন করতে পারে না!?)
আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ভাল লাগলো, মানবী। আপনি ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
কোন এক সন্ধায় জনির প্রতিশোধের ক'টি শব্দমালা নিয়ে হাজীর হয়েছিলাম এ দ্বারে। রাতের নিস্তব্দতার সাথে সাথে আমার শব্দমালাও নিস্তব্দ হয়ে যায়। অথৈই জলে ভেসে যায় শব্দের যোগ বিয়োগ। কিন্তু কিছু বিবেকবান চোখ এড়াতে পারেনি সেই শব্দের যোগ-বিয়োগ। সেই রাত্রীর আগেই কষে নেন শব্দমালা।
জনি ও জনিদের প্রতিশোধ ধীরে ধীরে শব্দের বর্ণমালা ছেদ করে। আল্লাহর দোহাই কিংবা কাব্যের জলাঞ্জলীতে আবারো প্রতিশোধ হয়ে উঠে তীব্রতায়।
কারো অপেক্ষায় থাকা হয় কি হচ্ছে, কি হবে, কিছু অভিব্যক্তি এমনি......!
সেই লাঘাটার ছবি ও ছবির মর্মস্পর্শী বর্ণনা কষতে থাকেন মানবী আপু। স্বচক্ষে স্পর্শের রঙ তুলি আকঁতে আবারো ছুটে যাওয়া হয় সেই লাঘাটায়। রুবীর ছোট্ট কুঠিরে.......!
ফয়সাল ভাই আপনিও ছুটে আসেন মাইলক্রোশ পাড়ি দিয়ে । জনির প্রতি মমত্ববোধ দেখে সত্যি বিস্মিত। ক্যামেরার ল্যান্সে সেই চিত্র ফলাও করে প্রকাশ হয় চ্যানেল আইতে। টনক নড়ে প্রশাসনের । দুর্বল চিত্তের কেউ কেউ হয়ে উঠেন অস্বাভাবিক। স্বচক্ষে না দেখলেও উপলব্ধি করতে পেরেছি মৃত মায়ের স্তন পান দেখে অনেকউ ধুকড়ে কেঁদে উঠেন।
কিছু অব্যক্ত কথা পুনরাবৃত্তি করলাম। হয়তো চাপা কষ্ট কিছু হালকা করার জন্য।
তারপর শস্তি বোধ করছি জনি এখন ভাল আছে। হয়তোবা আমার সেই শব্দের যোগ বিয়োগ কারো হৃদয়চিত্তে হানা দিয়েছে বলেই।
সবাইকে শুভেচ্ছা জনির জন্য এগিয়ে আসার জন্য।
আর ফয়সাল ভাই সাদা বললে ভূল হবে। যদি সাদার চেয়েও আরো কিছু থেকে থাকে তাহলে আপনি সেই........মনের মানুষ।
মানবী আপুকে অভিনন্দন এই যুদ্ধে সামিল হওয়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ভাস্কর দা, য়্যু আর দ্য হিরো।
আপনি পোস্টটা পড়েছেন দেখে ভাল লাগছে।আমি অপেক্ষা করছিলাম।
আপনাকে লাল সালাম এমন একটা দেশ নাড়ানো কাজের জন্য।
আপনার সঙ্গে,শেখ রহিম,এস কে দাস,ইমনের সঙ্গে পরিচয় ব্যক্তিগত চমৎকার অভিজ্ঞতার অন্যতম।
আপনি ভাল থাকবেন ভাস্কর । এমন মন্তব্যের জবাব দেয়া আসলেই কঠিন
যাই বলি কম হয়ে যায়![]()
যা বল্লাম না ,আপনিতো জানেন। মনে করে নিয়েন।![]()
মানবী বলেছেন:
ফেরারী পাখি, বিভিন্ন কারনে ব্যস্ততা বেড়েছে আপু। আপনি খোঁজ করেছেন জেনে ভালো লাগলো, অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভালো আছেন আশা করি।ভাস্করদা, আমাকে অভিনন্দন!!!
আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনাদের সকলকে..
লেখক বলেছেন: আপনার ব্যস্ততা কমেনি এখনো?
মানবী বলেছেন:
"যা করার করেছেন, আপনি,ভাস্কর,রহিম।আমি শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি বিষয়গুলো বিস্তারিত জানি বলে।"- ফয়সল নোই, আপনার বিনয় প্রবাদতুল্য(রাহেলা এবং জনি, দুজনকে নিয়ে ক্যাম্পেইনে তা একাধিকবার প্রমানিত)! এর বেশি কিছু বলার নেই
তবে জনির কাছৈ পৌঁছনো সম্ভব না হলেও এই ব্লগের অনেক ব্লগার ও নেটের বাইরের অনেক মানুষ উদ্যোগী হয়েছিলেন। তাঁদের সেই উদ্যোগ ও পরিকল্পণা ছিলো আন্তরিক। জনি ভালো আছে, তাদের ভরনপোষনের ব্যবস্থা হয়েছে জেনে তাঁরা সকলেই আনন্দিত।
সামহয়্যারইন ব্লগের অনেক ব্লগার বিভিন্ন ভাবে জানিয়েছেন তাঁদের ডোনেশনের আগ্রহের কথা, এমন ও আছেন যিনি বা যাঁরা নিজের এক মাসের বেতন দিতে চেয়েছিলেন ছোট্ট জনির খাবারের জন্য।
অনেক অনেক মানুষের নাম চলে আসে বলে আমার পোস্টে কোন উদ্যোগের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ না করে, শুধু লক্ষ্যে পৌঁছবার কথাটি জানিয়েছি।
লেখক বলেছেন:
রাহেলা,জনি ইস্যুতে আপনার নেতৃত্বে কাজ করে একটা অনুভূতি আমার হয়েছে,আপনার মতো একজন প্রকৃতই সচেতন ও মানবিকসবগুনের মানুষের ভাবনার কথা জানতে পারাও সৌভাগ্যের ব্যপার।(এটা বিনয় নয়)
স্যালুট লিডার।
এ নিয়ে আর কিছু বলা মানে হচ্ছে নিজেকেই নিজে ঘৃণা করা মনুষ্য জন্মের জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ করিম ভাই। ভাল থাকবেন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
সাবাস ফয়সল ভাই। অনেক করেছেন আপনারা!----------------
তেমনি একবার-
Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরজু ভাই।
বিবর্ণ বলেছেন:
খবর দোস্ত আগেরটাই.....
লেখক বলেছেন: কোনটা দোস্ত?
মানবী বলেছেন:
"শুধু রুবির ঘটনাতেই নয় গত ৬ মাসে মরিচার আশে পাশে এরকম আরো ৩ জন নারী খুন হয়েছেন।সব কটিতেই খুন হোয়া নারীদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আর একটা ব্যপার হয় ওদিকে। তা হলো খুন হওয়া নারীদের মুখে বিষ ঢেলে রাখা হয়। এতে সহজেই খুনটা আত্মহত্যা নামে প্রচারিত হয়ে যায়। সাপলা নামে এক কিশোরী খুন হয় কয়েক মাস আগে।"- খুব দুঃখজনক। উদ্দেশ্যমুলক ভাবে এমন একটি বিকৃত ধারা প্রচলিত হওয়া সত্বেও এলাকাবাসীরা এখনো কিভাবে এই ধরনের মিথ্যা অপবাদ বিশ্বাস করতে পারে।
কিশোরী শাপলার ছবিটি দেখে খুব খারাপ লাগছে, হত্যাকারীরা ধরা পড়েছে কিনা বুঝতে পারছিনা! তাঁর নির্মম মৃত্যুর সুবিচারের প্রার্থনা
করছি।
লেখক বলেছেন: না, এই ৩টি হত্যাকান্ডে কোন আসামী এখনো ধরা পড়েনি। শাপলা হত্যাকান্ডে এখনো মামলাই নেয়া হয়নি যদ্দুর জানি। ৩ টার একটায়ও এখনো ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। যেমন এখনো যায়নি রুবিরটিও।
এনিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারি আপনার আগ্রহ থাকলে।
ভাল থাকবেন মানবী। শুভেচ্ছা।
ফয়সল নোই বলেছেন:
জনি ভালো আছে।ও এখন একটু একটু কথা বলতে পারে।সারা দিন দুষ্টামি করে বাড়ির বাচ্চাদের সাথে।ওর বড় বোনও ভালো আছে।ভাইটা শুধু ওর বাবার বাড়ি , চাচাদের সাথে।ইমিগ্রেশন এইড প্রতিমাসে নিয়মিত টাকা পৌঁছে দিচ্ছে।জনিকে দুধ খাওয়ানোর জন্য মিরপুরের এক ভদ্র মহিলা যে একটি বাছুরসহ গাভি দিয়ে এসেছিলেন,বাছুরটি বড় হয়ে যাওয়ায় ওটিকে দুধ ছাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।জনি এখন পরিবারে যা রান্না হয় তাই খায়।
মানবী বলেছেন:
আমাদের ছোট্ট জনি ভালো আছে জেনে ভালো লাগলো।জনিদের জীবন হোক সুস্থ, সুন্দর আর নিরাপদ, তারা বেড়ে উঠুক আপনার মতো নিষ্ঠাবান, মানবতাবাদি আদর্শ মানুষ হয়ে।
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ ফয়সল নোই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















কিছুই বলতে পারছিনা ।
আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ ।