স্তপীকৃত জলরাশি
জীবীকার ধানের পাশে;
জোয়ার ভাটার টান , নষ্ট বীজ
মানচিত্র,সবুজ মাটি
গাছ, ছায়া
পিতা মিশে আছে
ধারণা কল্পের চিকিৎসক !
বন্যা ও দমকা হাওয়ার ভুলে
কিছু ধান বোনা বাকি ছিল ।
বহুভাষী মেঘ ও কণ্ঠবিনোদিনীর
ভাষা বোঝা ভার। তাই,এই পনের জুনে
গ্রামগুলোর যে প্রান্ত ট্রেনের অন্য জানালায় থাকে
বাকি থেকে গেল দেখাঃ
কুড়ে ঘর,ভেজা পথ,খড়-কাঠি, ধোঁয়া ও মা,
নিঃসঙ্গ উনুন ;
অন্ধকারে লেপ্টে আছে নিস্তব্দ প্রাচীর
ঃ মতবাদহীন বিস্ময়
ঃ নিকষ মৃত্যু সংবাদ
ঃ রথ ও আতশবাজী
সন্ধানে, বুকে হাঁটা জল ...
উপেক্ষার হুইসেল দূরে পৌঁছে দেয়
বিকেলের মধ্য দিয়ে নিয়ে গোধুলির মধ্য দিয়ে
সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে নিয়ে রাত্রি ও নিঃসঙ্গতার মধ্য
দিয়ে নিয়ে ভোর রাতের স্টেশনের পাশ দিয়ে
অসময়ের ট্রেন কোমল ও ক্রমান্বয়
তাপের মধ্য দিয়ে নিয়ে
পরের বিকেলের পর আরো নিয়ে যায়
অন্য সন্ধ্যার মোহন ক্লান্তি-বিভ্রমের মধ্য দিয়ে
পহেলা আষাঢ়ে !
সেখানে দীর্ঘশ্বাসের মেঘলা বাতাস
দিক ভুলায় ,আর ফেরত নিতে বাধ্য করে -
ঃহাস্নুহানা ঝোঁপে লুকানো স্মৃতি।
ঃ ঘ্রাণ
ঃ ফুল
ঃ হাসি
ঃ ফুলের নাভীর মতো অপূর্ব সুন্দরী
হিরক খচিত ঝাড়বাতির আলোর শিহরণ বেয়ে
নামা গিরিপথ, উপত্যকা,ছলনার বিচ্ছুরণ।
বিষুব রেখার পুবে তখন জোড়া চাঁদ , রূপপূর্ণিমা
ঘন গ্রাম জুড়ে কামুক বর্ষার বিষণ্ন ঝড়
ঊঢ়া ফুলের গায়ে বৃষ্টি পড়ে ।
রচনা : ১৯/৭ - ২৩/৮/২০১০ ইং

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



