somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রাহেলা হত্যা মামলার রায় নভেম্বর মাসের মধ্যে রাহেলার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি গ্রহনকারী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মফিজুর রহমান। বর্তমানে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মফিজুর রহমান মূলত তার ধারণকরা জবানবন্দির বিষয়টি আদালতে উল্লেখ করেন। এবং রাহেলার সে সময়ের স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান।

এখন অবশিষ্ট ৫ স্বাক্ষীর মধ্যে আছেন,রাহেলা হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মোরশেদুল ইসলাম ও সুরুতহাল প্রস্তুতকারী চিকিৎসক শহিদুল ইসলাম এবং রাহেলা যে গার্মেন্টসএ কাজ করতো সেখানকার ৩ জন।রাহেলা হত্যামামলার নথিপত্র

মামলাটির রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি আব্দুল কাইয়ুম জানিয়েছেন, আজকের গুরুত্বপূর্ন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলাটি প্রমাণের পথ সুগম হয়েছে। তিনি জানান,মামলার অবশিষ্ট স্বাক্ষীদের একাধিকবার সমন পাঠানো সত্বেও তারা কেন আসেননি তা তিনি জানেন না। মামলাটির পরবর্তী তারিখে তিনি অন্য স্বাক্ষীদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন ,দ্রুত বিচার আইনে মামলাটি অর্ন্তভুক্তি করার পর এর বিচারের জন্য বেঁধে দেয়া নির্দিষ্ট সময় শেষ হবে এমাসেই। এর পর বিশেষ প্রয়োজন হলে পরের মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত সময় পাওয়া যাবে নিয়ম অনুযায়ি।এই সময়ের মধ্যেই অবশিষ্ট স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে মামলাটির বিচার কাজ সম্পন্ন করতে আন্তরিক ভাবে সচেষ্ট তারা।

উল্লেখ্য,গত এপ্রিল মাসে সরকারের দায়িত্বশীল বিভাগ মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘চাঞ্চল্যকর মামলা মনিটরিং সেলে’ অন্তর্ভুক্ত এবং দ্রুত বিচার আইনে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

তবে আজ মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি সমন পাওয়ার পরই আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে এসেছেন।

পিপি জানিয়েছেন,মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমানে উল্লাপাড়া থানার ওসি। চিকিৎসকও ঢাকাতেই আছেন। তাদেরসহ জবানবন্দি গ্রহনকারী ম্যাজিস্ট্রেটকে একাধিক বার সমন পাঠানোর কথা গত ৩/৪ মাস ধরেই বলে আসছিলেন পিপি।মফিজুর রহমান অবশ্য জানিয়েছেন তিনি প্রথমবার সমন পেয়েই আদালতে এসেছেন।বাকিরা কবার পেয়েছেন বা আদৌ সমন তাদের পৌঁছানো হয়েছে কিনা কে কাকে নিশ্চিত করে!!!

ঊল্লেখ্য গত বছর অক্টোবরে সামহোয়ার ইন ব্লগে মানবীর,সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ লেখাটির পর সচেতন মানুষের ভূমিকায় রাহেলার ধুলো জমা ফাইল খুঁজে বের করা হয় ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28852117 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28852117 2008-10-08 00:56:00
রশিদ ফকিরের ঈদ সপিং ঈদ এক দিন পরে হবে শুনে সে গতকাল সন্ধ্যায় এগুলো বাসায় রেখে গিয়েছিলেন। রাতে তিনি রাস্তার পাশে থাকেন বলে ওগুলো নিজের কাছে রাখা নিরাপদ মনে করেনি। আব্দুর রশিদের সঙ্গে বাসার সবার কেমন সদ্ভাব!

কিছুক্ষণ পর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। আব্দুর রশিদের মধ্যে এক ধরনের শিশু সুলভ তাড়াহুড়া। এর মধ্যেই জিঙ্গেস করলাম কয় টাকা পেলেন আঙ্কেল?

আব্দুর রশিদের মধ্যে আজ ভিখারি ভিখারি ভাবটা নেই। তার কপাল ঢাকা টুপিটার বদলে ফোটা ফোটা একটা নতুন টুপি পরেছেন। প্রথম দিন হাত গুটিয়ে পরেছিলেন যে রঙচটা শার্টটা তার বদলে একটা কালো টি শার্ট গায়ে চাপিয়েছেন। আমার অবশ্য লোকটার বিষয়ে প্রথম দিনের ঘোর নেই আর। এর পর দীর্ঘক্ষণ কথা হয়েছে তার সাথে। জানিয়েছেন,ঈদ সামনে রেখে ভিক্ষা করলেও তার ইচ্ছা এর পর থেকে শুধু কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তরকারী চেয়ে নিয়ে সামনের রাস্তায় বসে বিক্রি করবেন। ব্যবসা খারাপ হলে তবেই শুধূ ভিক্ষা করবেন। আশ্চর্য হয়েছি তার কথা শুনে!ব্যাটার দেখি বহু মুখি আয়। একটা পয়সা অকাজে খরচ করেন না। খাবারও কেনেন না।মানুষের কাছ থেকে চেয়ে চিন্তে খেয়ে নেন। রাতে ঘুমান ডেইলি স্টারের উল্টো পাশে যে মসজিদটা আছে তার সামনের যায়গায়। রশিদ সাহেব অবশ্য একে বলেন,মসজিদের সামনের ময়দান।১০/১২ হাত যায়গাকে কেউ কোন আক্কেলে ময়দান বলে বুঝি না। ঢাকায় ভিক্ষুকের অভাব নেই, কিন্তু আব্দুর রশিদের জন্য বেশি মায়া লেগেছিল লোকটা জন্ডিজে ভুগছিল বলে।কিছু খেতে পারছিলেন না!এক ক্যানভাসার তাকে বারণ করেছেন,মাংস,ইলিশ ও চিংড়ি মাছ না খেতে। ১০ টাকা দিয়ে তিনি এই পরামর্শ নিয়েছিলেন। লোকটাকে একটা মোবাইল দিয়ে পরিচিতদের নাম্বার দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ করবো ভাবছিলাম।সে নিতে রাজি হয়নি। ওটা চুরি বা ছিনতাই হয়ে যাবে সহ কি কি যুক্তি দেখিয়ে এড়িয়ে গেলেন। তাকে কোন একটা বস্তিতে বা আরাম বাগের মেসে পরিচয় বদলে সস্তা একটা মেসে ওঠার পরামর্শ দিলে তিনি এটাকে অহেতুক টাকা খরচ বলে মত দিলেন। উল্টো জিঙ্গেস করলেন এই বাড়িটা আমার কিনা! ভাড়া থাকি বলার পর হাল্কা এমন একটা ভঙ্গি চেপে গেলেন যা প্রকাশ করলে মনে হতো, টাকা খরচ করে এমন ভাড়া থাকার কোন মানে নেই। শেষে রশিদ ফকিরকে স্বাবলম্ভি করার নিস্ফল চেষ্টার অংশ হিসেবে নগদ কিছু টাকা ছাড়া কিছুই গছাতে পারলাম না। উল্টো আমার দিকে কৌতুকের দৃষ্টিতে তাকালেন। তবে তার জন্য কেনা আইড় মাছের তরকারি দিয়ে পেট পুরে খেতে দেখে সত্যিই শান্তি পেয়েছিলাম। আমি ভেবে ছিলাম লোকটা আসবেনই না। কিন্তু ঠিক ঠিকই এসেছিলেন। খাওয়ার পর কাজ আছে বলে কেটে পড়ার চেষ্টা করছিলেন। তার স্ত্রী গ্রামে এক বাড়িতে কাজ করেন। ছেলে ছোট টা মাঝে মাঝে আসে টাকা কিছু জমলে গ্রামে পাঠান তিনি। কী কী কাজে কিছু টাকা সুদের উপর নিতে হয়েছে তাকে।

আব্দুর রশিদ দেখলাম সার্বক্ষণিক কথা বলে। এক প্রসঙ্গ থেকে আরেক প্রসঙ্গে চলে যান একটু একটু করে।সবাই যেন তার সব কথা জানে। কাপড় গুছিয়ে রাখতে রাখতে বললেন, লাল শাড়িটায় তিনি ঠকেছেন। এরপর আমার প্রশ্ন শুনে বলেন, ৩ হাজার টাকার মতো।কিছু খুচড়া আছে। ছেড়া ২ টাকার নোট আছে কতগুলো দেশ থেকে ফিরে চালাবেন ওগুলো।

আমি হিসেব করি,১০/১২ দিন হবে প্রথমবার আসার পর অতিবাহিত হলো। এর মধ্যে ৩ হাজার টাকা । মন্দ কি! লোকটার একটা জিনিস পছন্দ হলো , সে আমাকে নিজের উপর ভরসার যায়গাটুকু জানিয়ে কোন একটা যায়গায় দুশ্চিন্তা মুক্ত করেছেন। মনে হলো সব মানুষের বাঁচার যাই হোক নিজস্ব ভরসার যায়গা থাকে।

জিঙ্গেস করি,স্বাস্থ্য কেমন এখন? খেতে পারেন?
রশিদ মিয়া বলেন,পেশাব হলুদ খুব। মাথা ঝিম ঝিম করে। তবে বাড়ি গেলে এই কয় দিনে ভাল হয়ে যাবেন। সঙ্গে আরো কি কি বলেন।আমার খারাপ লাগাটা জেগে ওঠতে চায়। তবে তিনি বাড়ি গেলে তার পর্ণকুটিরের ছায়া তাকে হয়তো সুস্থ্য করে ফেলবে এই ভরসা জাগে।ভাবি এই লোকটা এতো খারাপ স্বাস্থ্য নিয়ে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে এক টাকা,দুই টাকা জোগার করার চেষ্টা হরেছেন কিভাবে! তার মতো আরো কত মানুষ করছে!

আব্দুর রশিদ আবার আসবেন বলে চলে গেলেন। যাবার আগে দরজায় দাড়িয়ে জিঙ্গেস করলেন,বাবার জন্য দেশের থেকে কি আনবো?মাশ কলাই খান?

লোকটা আদিখ্যেতা দেখে মেজাজ খিচড়ে ওঠে। বলি, না-কিছুই খাই না। আপনার কিছু আনা লাগবে না। বলি ,আপনি কি রোজা? কিছু খেয়ে যাবেন নাকি?আব্দুর রশিদ বলেন,তিনি চৈত্র মাসেও রোজা রেখেছেন,এখন কার দিন ব্যাঙের লাফের এক লাফ।

আব্দুর রশিদ চলে যাওয়ার পর, মনে আসে সে শাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা কি করবে। দুর থেকে তাকে বাড়ি ফিরতে দেখে বাবা এসেছেন বাবা এসেছেন বলে বোধ হয় দৌড়ে যাবে তার ছোট ছেলেটা। কিন্তু,রশিদ তো ছেলেটার জন্য কিছু কিনলেন না! ছোট একটা মেয়েও আছে বলেছিলেন কি? যাক,যার যার জীবন তার তার।

আব্দুর রশিদের অসুস্থতা খুব ভয়ংকর নয় বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু প্রথম তার সঙ্গে কথা বলার পর খুব ভড়কে গিয়েছিলাম। কি এক ঘোরে পেয়ে বসেছিল। চাচ্ছিলাম, দ্রুত সুস্থ হোক বুড়োটা।

আব্দুর রশিদ এর আগের বার খেতে আসার দিন কি করবো কি করবো ভেবে গ্রামীণের স্বাস্থ্য সেবার হেল্প লাইনে ফোন করে পরামর্শ চেয়েছিলাম।৭৮৯। এই সেবাটা আমার খুব পছন্দের। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ প্রথম কলেই ফোন ধরেন। খুব মনযোগ দিয়ে সমস্যা শোনেন এবং পরামর্শ করেন।

এ দফা ফোন করলে এক ভদ্র মহিলা ফোন ধরলেন,তাকে সমস্যার কথা বললে তিনি যে পরামর্শ দিলেন সে উপায়ে আব্দুর রশিদের চিকিৎসা সম্ভব নয়। বলছিলেন, কিছু খেতে পারেন না মানে কি?খান না ? খেতে ইচ্ছে করে না? না খেলেও স্যালাইন ওয়াটার খাওয়াতে হবে। ঠান্ডা পানি,ফ্রুট জুস। আর ফুল বেড রেস্ট। বললাম আমি যার অসুখের কথা বলছি তিনি খুব হাঁটা হাঁটি করেন। অনেক সময় রোদেও ঘোরেন। চিকিৎক বললেন,না না একদম রোদে হাঁটা হাঁটি করা যাবে না। আমি লজ্জিত হয়ে বললাম লোকটা রাস্তার পাশে থাকেন,খুব গরিব। এ ক্ষেত্রে কি করা যায় একটু জানিয়ে হেল্প করবেন? তিনি কি একটা টেবলেটের নাম বললেন,৫ এমজি। বললেন,খাবার আগে তিন বেলা খেতে হবে।এত রুচি বাড়বে। আর ফুল রেস্ট কিছু দিন। ঠান্ডা পানি। ঠিক হয়ে যাবে। আগে কখনো ও প্রান্ত থেকে ফোন কাটা হয়েছে এমনটা হয় নি। সেদিন কেটে দেয়ায় নিজেকে আহাম্মকের মতো লাগছিল। ওষুধ ঠিক আছে। কিন্তু এই রোগীর ক্ষেত্রে তো এই ওষুধ যায় না।

আব্দুর রশিদের জীবীকার পরিকল্পণা জেনে একটু নির্ভার লাগছে।

এতোক্ষণে আব্দুর রশিদ পৌঁছে গেছেন নিশ্চয়। এতোক্ষণে কি!দুপুরের মধ্যেই পৌঁছে যাওয়ার কথা। এখন বোধ হয় নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। সকালে আবার ঈদ না ! ঈদ মোবারক আব্দুর রশিদ।

রশিদ ফকিরকে নিয়ে আগের লেখাটা এখানে দেখতে পারেনঃভিখারি আব্দুর রশিদের স্বাস্থ্যটা ভাল যাচ্ছে না ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28850290 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28850290 2008-10-02 02:42:40
মুদ্রাক্ষরিক এই স্বপ্নগুলো কিইবা হারায় প্রিয় কিছু মুখ ছাড়া!

ফুল থেকে উবে যায় ঘ্রাণ,বুড়ো চাম্বুল নিজেকে গুটায়
বন্ধুহীন অন্ধকারে,আকুল জ্যোৎস্নায় ঝরে পাতা । যে রাস্তায়
বেশি দূর হাঁটে না পথিক ।

গুনগুন গানে উদাসীন বৃষ্টিও
ফেরত দেয়না সবুজ শাখা, দৃষ্টিপাত

...এই দুঃখসহ আজ একটা
ঝুপড়ো গাছের বানান দেখে দিতে হলো

সারা দেহ তাই কালি ঝুলি মাখা। লেটার প্রেসের গেটে
কৌতুহলী চোখ অভ্যাসমতো খুঁজছিল রজনীগন্ধার মুখ

গোপনে মজুদ অক্ষর , বর্ণমালার স্তুপ
রূপান্তরিত হচ্ছে পাখির পালকে
পালক থেকে উড়ে যাচ্ছে গতির ইতিহাস

মেঠো ঘামে জমাট অস্থিরতায়

বর্ষায় ফুল এলে রঙ জমানো গল্প বলার কথা আছে ওর

বদনাম জড়ানো মজা-জলাশয় তবু
যে লোভে মুদ্রাক্ষরিক হয়ে আছি ।

নজর রাখি অনাত্মীয় গান, অচেনা জীবন

দেখা হয় কি না হয় রূপসী রজনীগন্ধা !
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28850020 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28850020 2008-10-01 11:30:39
দীর্ঘশ্বাস ও আরো একটি সন্ধ্যা প্রেমের দায়িত্ব নিল না অস্ত্র লুকানো শিকারী পুরুষ
বিড়াল নখর নারীর সামনে বসে
চাউমিন খাচ্ছে

আর গল্প করছে টুকিটাকি

উল্টানো ভাজা মাছ সেজে
খুনসুটি করছে সচকিত ও নমনীয় চোখ

না দেখি না দেখি ভাব পুরো
রেস্তোরা জুড়ে

বন প্রহরীর মতো বেয়ারাগুলো
টহল দিয়ে যায়

পর্যুদস্ত শিকার ও শিকারী

শেষ দৃশ্যে দুজন উঠে চলে যায়

দীর্ঘশ্বাস ও আরো একটি সন্ধ্যা
প্রেমের দায়িত্ব নিল না
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28846968 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28846968 2008-09-23 16:48:37
দুপুর বেলায় জারুল ফুলে জারুল ফুলে
দৃষ্টি তখন আটকে ছিল

এমন তরো জীবন যাপন
রুদ্র তরী রুক্ষ খেলায়
খোল ফেঁসেছে
দুপুর বেলায়

ফিরতি পথে ঢেউ ছিল না
তবু কেমন অচিন লাগে

আঁচল জুড়ে গুল্ম কাটা
মেঘ হয়েছে কোমল দেহ
ক্ষীণ রেখা চোখের নেশায়
তেমনি হাসে জীবন যাপন

সংগোপনে প্রতিশ্রুতি
দুপুর বেলায় দুপুর বেলায়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28845915 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28845915 2008-09-21 01:13:00
ভিখারি আব্দুর রশিদের স্বাস্থ্যটা ভাল যাচ্ছে না
মহা মুসিবত!এরা সবাই ভিখিরিটি খাবে না তারপরও জোর করছে কেন!?পরক্ষণে মনে হলো ,যা ইচ্ছে করুক। রোজার মাসে খাওয়ালে সোয়াব হবে এই আশায় হয়তো সাধছে এমন। তবু ইচ্ছে হলো সাহেব সাহেব ভিখিরিটিকে একটু দেখি!মুরগির মাংশ,গরুর মাংশ,ইলিশ মাছ,চিংড়ি মাছ খায় না!তাহলে তিনি কি খান!চাইনিজ নাকি!?মুখ বাড়িয়ে দেখি বাটিটা নিচু হয়ে মেঝেতে রেখে হাত উচিয়ে দেখাচ্ছেন,সন্ধ্যায় কতগুলো বুট খেয়েছেন তিনি। একটা বুদ্ধি পেলাম লোকটাকে ভাগানোর। দশ টাকা বের করে এগিয়ে দিলে বুড়ো চট জলদি হাতে নিয়েই লুঙ্গির খুচিতে লুকিয়ে ফেলে চলে যেতে উদ্যত হলো। বাসার এক পুন্নি লোভি বললেন,তাহলে কাল এসে খেয়ে যান।

ভিখিরি সাহেবের পাল্টা প্রশ্ন: কোনসুম?
পুন্নিলোভি:ইফতারির পর এসে খেয়ে যাইয়েন।
ভিখিরি সাহেব: না,কাল পারুম না।পরশু আমু।

বুড়োর ত্যাদরামিতে বিরক্তি কমাতে,ভীড়ের ফোকড় দিয়ে একটা ছবি তুললাম ফোন সেটের ক্যামেরা দিয়ে। লাইটের ক্যাচালের কারণে,ঝাপসা আসছে। ভুয়া ফোন।ভাল ফোনে কত সুন্দর ছবি ওঠে!

আমার মনে হলো,একেক দিন একেক এলাকায় যায় বলে কাল এখানে আসতে রাজি হলো না ব্যাটা। কাল যেখানে যাবে সেখানেও তো কেউ না কেউ খেতে দিবে!অহেতুক এখানে খেতে এসে নগদ কামাই গচ্ছা দিবে নাকে ভিখিরি সাহেব! সন্দেহ জাগছে,পরশুও আসবে না।পরে এসে বলবে,সেনি আসতে পারিনি...পার্মানেন্ট ডোনার বানিয়ে ফেলার সম্ভাবনাই বেশি।যাউগ্গা,এতো চিন্তা কেন করছি খামোখা। যত অকল্যাণ চিন্তা।একটা ভিখিরির বিরুদ্ধে চিন্তা করতে লজ্জা করে না!? নিজেকে নিজে ধমক লাগিয়ে ক্লান্তি দূর করার চেষ্টা করি। ভিখিরি আমার দুচোখের যম। মনে মায়া মমতা কম বলে নয়। ওদের দুর্ব্যবহারের জন্য। সার্ক ফোয়ারার কাছে জ্যামের মধ্যে এক ভিখিরি মহিলা হাত বাড়ালে , মাফ করুন বলার সঙ্গে সঙ্গে সে চিৎকার করে গলা ফুলিয়ে অভিশাপ দেয়ার মতো করে বেশ কয়েক বার বললো তোর উপর আল্লার গজব পড়ুক!আশে পাশের ট্যাক্সি- গাড়িতে বসে থাকা কয়েক জন শব্দ করেই হেসে ফেলল। ভিক্ষুকটি আমাকে অভিষাপ দেয়ার সময় হাত নেড়েছে হাত ঢিল ছোড়ার মতো করে।খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম। এমন হলে কে না ভয় পেয়ে যাবে। আসলেই যদি গজব মানে অলৌকিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই । ভিক্ষুকদের মধ্যে কারো কারো নাকি আধ্যাতিক ক্ষমতা থাকে। ভিখারিনি আমাকে গালিগালাজ করে সামনের সিএনজির যাত্রীর সামনে দাড়ানো মাত্রই সে দুই টাকা দিয়ে দিল। আমার সন্দেহ আমাকে ধমক দিয়েছে বলে সে ইজ্জত বাঁচাতে টাকা দিয়েছে। পান্থপথ দিয়ে যাওয়ার সময় এক সিগনালে পড়লে ১০/১২ জন ভিখিড়ির মুখোমুখি হতে হয়। সে দিন এক ভিখিরিকে টাকা নেই বলে বিদায় করার পর আমার সিএনজি চালক তাকে ডেকে উদাস ভঙ্গিতে ২ টাকা দিয়ে দিল। অফিসের সামনে ভিক্ষা করে এক ভিখিরিকে এক সন্ধ্যায় নিজ চোখে দেখেছি রিক্সায় চেপে বিড়ি ফুকতে ফুকতে যাচ্ছে। কাওরান বাজার এলাকায় ভিক্ষা করে রফিক ও তার মা।রফিক তখন অনেক ছোট ,৮/১০ বছর আগে। আমি আর আমার বন্ধু চা খাচ্ছিলাম বাংলামোটর ,তখনকার ভোরের কাগজ অফিসের পাশের একটা রেস্টুরেন্টে।পাশের টেবিল থেকে রফিকের খাইলাম!স্যূপ খেয়ে এই তৃপ্তির ঢেকুরে ফিরে তাকালে বন্ধুটি আঁতলামি আলোচনা শুরু করেছিল,দেখ আমাদের চেয়ে ওদের জীবনীশক্তি অনেক বেশি।ইত্যাদি।এখন কখনো দেখি রফিক ও তার মা দুজন দুই যাত্রীর কাছে পৃথক ভিক্ষা চায়।যাক এক সাথে হয়ে দুজন চাইলে পৃথক পৃথক দুজনকেতো কেউ ভিক্ষা দেয় না।এটা ওদের বিজনেস পলিসি। একদম অমানুষতো হয়ে যাইনি,ভিক্ষা যে দেই না তাও না।কিন্তু,দুর থেকে ভিক্ষুক দেখলেই মনের উপর একটা চাপ তৈরি হয়। কি বলবো,ঠিক করে রাখি।ভিখিরিরা সবচে জব্দ হয় দেখলাম,যদি বলি, এই মাত্র একজনকে দিয়ে দিলাম- বললে।

না হবে না। আমার অবস্থাও ভিখিরি সাহেবের মতো। রোজা না রেখেও সন্ধ্যায় পাল্লা দিয়ে ইফতারির নামে আবোল তাবোল খেয়ে খুব হাসফাঁস লাগছে এখন। এর মধ্যে ভিখিরি সাহেবের বলা বুটও ছিল।!মনে হচ্ছে পেটের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। যেমন গিলেছি ওরকমই ভেতরে ঢুকে ঘুমিয়ে আছে।ইটের কনার মতো।একটা নিমো খেতে পারলে হতো। বিজ্ঞাপনে বলে শুনি,নিমো দেয় ঝটপট আরাম!আচ্ছা, বুড়োটা মাছ-মাংস খায় না কেন!?ওমা,মিলটা কোথায়!?লোকটার সঙ্গে আমার কোথায় যেন মিল আছে!কোথায়?সন্ধ্যায় বুট খাওয়া? না... না...না...চোখের সামনে রোদের ঢেউ নাচতে শুরু করেছে। লোকটা আছে না চলে গেছে এতোক্ষণে!উপরের তলাগুলোতে ভিক্ষার জন্য যাবে নিশ্চয়ই!বাসার একজনকে বললাম বুড়োটাকে ডেকে আনতো আরো দুটো টাকা দেই! সে,‘নাই ,চলে গেছে’...নয় ছয় বলে যেতে না চাইলেও কিছুক্ষণ পর ডেকে নিয়ে আসলো।

তাকে ভেতরে ডেকে বসালাম।

:চা খাবেন?
:না।চা খাই না।

ওহ,আচ্ছা!খচখচানিটা দুর হয়েছে!আমিও কব্জি আর কনুইর মাঝা মাঝি শার্টের হাতা গুটিয়ে রাখি এই ভিক্ষুক সাহেবের হাতা মুড়ানোর সঙ্গে আমার মুড়ানোর খুব মিল।এটা লক্ষ্য করে,নিজের বিশ্লেষনি ক্ষমতার ক্রমহ্রাসের উদ্বেগজনক হার লক্ষ হরে মেজাজ খিচড়ে গেল।
`তুমি জানো না আমার বেস্ট ফ্রেন্ড অসুস্থ্য হয়ে বিছানায় পড়ে আছে !আমি এক বিন্দু শান্তিতে নাই কতো দিন! আমার অবস্থা পাগলের মতো,এ সময় অন্তত একটু সহমর্মী হও!'...পাল্টা ধমক খেলাম নিজের ভেতর থেকে।
জিঙ্গেস করলাম চাচা নাম কি?কই থাকেন?আপনি মাছ-মাংস খান না কেন?

বুড়োর মুখটায় কেমন যেন একটা ভাব আছে।ঠিক ভিক্ষুকদের মতো নয়।একবার মনে হলো গোয়েন্দা নাকি?ওরা তো বিভিন্ন বেশ ধরে ঘুরে বেড়ায়! নাকি ডাকাত দলের সদস্য। নাকি মলম পার্টির লোক। আরে ধ্যাত! মলম পার্টি থাকবে রাস্তায়,হঠাৎ চোখে ওসব মেখে লাইফের বারোটা বাজিয়ে দেবে। অজ্ঞান পার্টি হলে ওদের ডাকাত হিসেবেই ধরা উচিত।নিষ্ঠুরতায় আর কাজের ধরনে প্রায় কাছাকাছি দু পক্ষই। মাথাতো পুরা গেছে!এই অবস্থা কেন!? লোকটাকে আবার কেন ডেকে আনলাম? আমার মতো দেখতে কি যেন,আচ্ছা সেটা হলো এক রকম হাতা গুটাই আর?আর হলো, লোকটা ভিখারি হয়েও মাছ –মাংস খায় না কেন?এসব ভাবতে ভাবতে মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় কটা ছবি তুললাম লোকটার। নিজের উপর সাময়িক অনাস্থা চলে আসলো যখন খেয়াল করলাম লোকটা এক নাগারে কথা বলে যাচ্ছে আমি প্রথম প্রশ্ন করার পর থেকে।সন্ধ্যায় এতোগুলি বুট দিছে।কইছি অজম হয় না।মাতা চক্কর মারে।জন্ডিজের লাইগ্গা কিছু খাইতে পারি না।বাইত যাই না দুই বছর।একটা পোলা আছে।মাঝে মাঝে আইয়ে।যা পারে দেই।

মনে হয় লোকটা আমার মন গলানোর চেষ্টা করছে।এক নাগারে কথা বলেই যাচ্ছে। ভিক্ষুকদের এই জিনিসটার জন্যই খুব মায়া লাগে নিজের দুঃখগুলোর কথা বার বার বলতে হয় তাদের।

:চাচা পানি খাবেন?
বুড়োকে থামানোর চেষ্টা করি। আর মনে হয় তার পানি খাওয়া দরকার।মুখটা কেমন শুকিয়ে আছে।
:ঠান্ডা পানি হইলে একটু খাওয়া যায়।
আব্দুর রশিদ তার বাড়ির নাম বলতে চায় না। ‘

‘গফরগাঁও থেকেও বিশ টাকা ভাড়া।অনেক দুর । আগে সিধাইল আছিলাম।কিশোরগঞ্জের।
:এখন কই থাকেন?
কাওরান বাজার মজ্জিদের সামনের রাস্তায়। এই যে গামছা।
হাতের প্লাস্টিকের ব্যগটা খুলে একটা গামছা বের করে দেখায় আব্দুর রশিদ।
:গামছা পাইততা শুই।আড়তের মইধ্যে গোছল করি।কিছু খাইতে পারি না।জন্ডিজ।মাথা ঘোরে।মজ্জিদের সামনের কবিরাজ কইছে মাছ,মাংস,ইলিশ মাছ খাইতো না। খুব খারাপ দিকে মোড় নিছে।মাথা ঘোরে।
:তার মানে ডেইলি স্টারের উল্টা পাশের মসজিদের সামনে থাকেন?চাচা,ঠিকাছে।আপনি যান।পরশু আসবেন সন্ধ্যায়।

আরো কয় টাকা দেই আব্দুর রশিদকে। রশিদ মিয়ার বয়স কতো হবে?৪৫?৫০?না .বুঝা যায় না। গোঁফ কামিয়ে ফেলেছেন।দাড়ি-চুলও বোধ হয় নিজেই কাটেন। কোন ছাট নেই ওগুলোর।শার্টের বুতাম ওপর নিচ লাগিয়েছেন একটা।ছোট বেলায় এরকম হতো আমারও।

আব্দুর রশিদ চলে যাওয়ার পর,খালি মনে হচ্ছে জন্ডিজ হলে অনেক রেস্টে থাকতে হয়। বিষুদ্ধ পানি খেতে হয়।ঠান্ডা তরল...আব্দুর রশিদ লোকটা কি মারা যাবে? সে কিছু খেতে পারে না।

আগামী পরশু সে যদি আসে কি করা যায়?এক বন্ধু ছিল,টোকাইদের ২০/৫০ টাকা দিয়ে শেয়ারে ফুল ব্যবসা করতো।ধানমন্ডি লেক পাড়।কয়েকটা বিপনি বিতান। সে বলছিল অনেক লাভ হতো নাকি!ফিফটি-ফিফটি।গরিবরা নাকি খুব বিশ্বস্ত হয়!আর মেরে নিলেতো ২০/৫০ টাকাই!এমন একটা ব্যবসার প্রস্তাব দিব নাকি?নাহ,ফার্ম গেটে এক ভিখারির কথা পত্রিকায় ছেপেছিল,দৈনিক ৫/৭শটাকা পায়।আব্দুর রশিদ ২শ টাকাওকি পায় না?নিশ্চয়ই পায়।না হয় ভিক্ষা হরে পোষায়!২০/৫০ এর যায়গায় ২শ/৫শ বা ১ দুই হাজার হলে?একটা ব্যবসা করবে না আব্দুর রশিদ?না পোষাবে না!১হাজার টাকা পুজিতে ব্যবসা হয়?আচ্ছা ভাই মাফ করোতো মাফ করো।
নিজেকে নিজে মাফ করার সময় আসে। আমি পুরাতন সিটিসেল লাইনটা দিতে পারি। ফিরে আসে আব্দুর রশিদ। সে ভিক্ষা করার সময় গলায়,‘ ফোন করা যায় ’-লেখা ঝুলিয়ে রাখলে কেউ ফোন করতে চাইতেও পারে। লজ্জার কি আছে?ঢাকায় কত জন কত ঘাপ খোঁজে জীবীকার। ভিখারিদের আবার লজ্জা কি?দেখি আব্দুর রশিদকে জিঙ্গেস করে।ফোনটা একবারেই দিয়ে দেব!আমাকে ফেরত দেয়ার দরকার নেই।লাভের ভাগও চাই না। সে যদি ওটা বেঁচেও দেয় দু পয়সা সেখান থেকেও পেতে পারে।

এখন আসলেই বিরক্ত লাগছে।সকাল থেকে রাজ্যের কাজ।ওগুলো কি আব্দুর রশিদ করে দিবে!!এখন বাজে ৪টা ৭। তার মানে জাগতে দেরি,যেতে দেরি,না কাল মোটা মুটি আমাকেও রশিদ সাহেবের সঙ্গে নামতে হবে! আরেকটা করা যায়, ফোনটা রশিদ ফকিরকে যদি আসলেই দেই পরিচিতদের মধ্যে নাম্ভারটা দিয়ে দেয়া যায়। কেউ চাইলে হেল্প করবে।

আসলেই এই ফকিরের মোহ থেকে মুক্তি দরকার এখন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28845536 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28845536 2008-09-20 04:11:53
কেবলই বিচার হয়না রাহেলা হত্যামামলা প্রসঙ্গ...
সাভারে চাঞ্চল্যকর রাহেলা হত্যা মামলার বিচার কাজ আবার মুখ থুবড়ে পড়েছে। স্বাক্ষ্য গ্রহনের ৩টি তারিখ পিছিয়ে গেল অবশিষ্ট ৩ স্বাক্ষীকে খুঁজে না পাওয়ার কারনে। আশ্চর্যের বিষয় আদালতে হাজির না হওয়া এই ৩ স্বাক্ষীর মধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও রয়েছেন। হাজির না হওয়া অন্য দুই গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষী হচ্ছেন,রাহেলার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট ।এবং সুরুতহাল প্রস্তুতকারী চিকিৎসক।এই স্বাক্ষীদের বক্তব্য শেষ হলে দুপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন এবং এর পরপর মামলা পরিনতি পেত দ্রুত। এর আগে মামলাটির তারিখ বেশ কয়েক বার পিছিয়েছে মামলাজট এবং বিচারক সংকটের কারণে। আজ সকালে বারবারই মনে হচ্ছে,যে মামলার আইওই আদালতে গিয়ে স্বাক্ষ্য দেন না সেই মামলায় কি ন্যায্য বিচার পাবে বিচার প্রার্থী! মামলাটির স্বাক্ষ্যগ্রহনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ অক্টোবর। মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন,গত তারিখগুলোতে এই ৩ স্বাক্ষীকে হাজির করা যায়নি তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে। এখনো তাদের বর্তমান ঠিকানা খুঁেজ পান নি। তাই,১২ অক্টোবর স্বাক্ষীরা হাজির হবেন এই নিশ্চয়তা কে দেবে। বিচার না হওয়ার - না পাওয়ার যেন দায় দায়িত্ব নেই কারো।

আপডেট ৭/১০/০৮
রাহেলা হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহন

সাভারের গার্মেন্টস কর্মী রাহেলা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মফিদুর রহমান। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দেয়া সাক্ষ্যে তিনি রাহেলার জবানবন্দির বিষয়াদি আদালতে উল্লেখ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান জানান, এ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রমে আরেক দফা অগ্রগতি হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৮ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকী আছেন ফরেনসিক পরীক্ষার ডাক্তার, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৫ জন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৩শে অক্টোবর। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28844740 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28844740 2008-09-18 11:35:41
দুরন্ত দুপুর
কোন মুখে তাও বৃষ্টি এলো
ঝর্ণা-ছটায় জড়িয়ে গাঢ়-শ্বাস।

ঢেউয়ের দোলায় রুক্ষ কিশোর
ছৈ এর নিচে - ছৈ এর নাচে

দেখছে জলোচ্ছ্বাস।

তার আড়ালে ...

পাতা ঝরার উদাস রাতে
মন খারাপের সিঁধেল হাওয়া

চির চেনা আঙ্গিনাতে
দাপাচ্ছে ঝুপ-ঝাপ ।

শালুক হাতে রং-কিশোরী
সন্ধ্যা ডাকা ঢেউয়ের গানে

ছৈ এর নিচে - ছৈ এর নাচে
মন ঘুরানো অভিমানে

জাগিয়ে অবিশ্বাস...

কোন মুখে তাও রাত্রি নামে
অকস্মাৎ , গোপনে চুপচাপ ।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28843995 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28843995 2008-09-16 17:22:45
যে কারণে এ তল্লাটে কেউ ফুলের বাগান করে না `এবার ফুলের ব্যবসাই জমবে দারূণ!'

গ্রামে বন্দরে কৃষিবিদ, ঝানু ব্যবসায়ীর
চাহিদা আসে;অপ্রত্যাশিত ব্যাপারীর,জন-দরদির
জলসা মালিকের, রসিক নাগরের এমন কি
উপ-জীবীকার নারীর প্রশ্ন-প্রকৃতি -
প্রকাশ্যে ও রাখঢাক করে ওজন দিতে চায়
মাটি-রূপ-রঙ,বাগানের আগাছা

গত মৌসুমের মলিন পাপড়ি।

এর মাঝে থেকে উজ্জল বেগুনি যে বুনো ফুলগুলো
তুলে নিলে লুপ্ত হয় মালির মূল্যবোধ?
কুৎসিত হয় পুরো স্তুপ,আর আকর্ষণ হারায়?

চালবাজগুলো প্রিয় পুষ্পের দামই তোলে বেশি !

যে কারণে এ তল্লাটে কোন প্রেমিককে -
ফুল বাগান করতে দেখা যায় না ।

যত না করা বাগানের ফুলের ঘ্রাণ তারা
দশ দিগন্তে পাঠায় প্রেমিকার খোঁজে,

ফিরতি ডাকে মেঘ এসে ঘুরে যায়

বৃষ্টিপাত হয় দেখে দেখে- দরিদ্র কবির বুকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28842090 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28842090 2008-09-12 12:56:23
পূর্ণিমার স্রোতে স্বর্বহারা অস্ত্র ভেসে যায় আমরা সংঘ ভেঙ্গে দিয়ে
যে যার নিজস্ব জীবনে ডুব দিই...

পূর্ণিমার স্রোতে স্বর্বহারা অস্ত্র ভেসে গেল।।

উল্টো বাতাসে -পতাকা - আমাদের চুল থিতু হলো
বটে,মগজ লেপ্টে আর ঘাম নেই

প্রেম পুরানা হলো,

ঘরে ঘরে ব্যবহৃত নারী,অসুখ-বালাই




বি.দ্র:ভাই বন্ধুগণ
ইহা আমার থলিতে থাকা আপাতত সর্বশেষ কোবতে<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28837738 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28837738 2008-09-02 11:00:11
এই কোলাহল,নীরবতায় পড়া রোদ্দুরে-

ডাকছি তোকে,
আয় এখনো কদ্দুরে।

রঙ্গিন ঘুড়ি,উল্টো আকাশ
কার পাঁজরে সুতোর টান

একই স্বপ্ন এই নিদানে
তোমার চোখের অভিমান।

একলা পাখি,অনেক পাখি
তুমি পক্ষী পৃথক রও

এই কোলাহল,নীরবতায়
আমার হয়ে কথা কও।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28834239 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28834239 2008-08-24 10:37:22
অগ্নিপুজা
অগ্নি পুজা করি।।

সম্মুখে হাজির
দেব-দূহিতা ঊষা

সৌভাগ্যবতী,
ঐশ্বর্যশালিনী ঊষা

তুমি আজ আমার
পাশে শোও

তোমাকে চিনেছি ঐ ঋষির আগে

কী নৈবেদ্য সুখ?
আলোতে সোমরস,
বৈদিক ভাবাবেশ!

প্রাচীণ বর্ণকৃষ্ণ আমি...

জ্ঞানকাণ্ড -নয়
ইন্দ্র,সূর্য,বরুণ,
দৌসপিতর-
সতিনের সংসার


মন্ত্রপূত যজ্ঞবেদী
এ গজ্ঞা রাষ্ট্র-

তুমি আজ,
আমার পাশে শোও ।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28834139 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28834139 2008-08-24 00:24:48
বনস্পতি আমাকেই নজর রাখতে হয়, তার-

শিশু হাসপাতাল,মাতৃসদন, প্রাথমিক বিদ্যালয়;

ক্রমশঃ আড়াল করে ফেলছে হাস্নাহেনা,
সন্ধ্যার ঝিরঝিরে বৃষ্টি,কাঁঠালচাপা ও রূপালী জ্যোৎস্না।

অথচ,চোখ ধাঁধাঁনো দুপুর রোদে
গাছের তলে,গাছের ডালে রঙিন ঝুমকাটা
এতোই স্পষ্ট আর প্রকাশ্য যে তার
প্রেমিকরাও চোখ তুলে তাকাতে সাহস পায় না।

বরঞ্চ সন্দেহ জমে বুকে -
নিশ্চিতই, মেয়েটা ভুবনে এমন রহস্য জানে
যা কাউকেই ফাঁস করতে রাজি নয়

তার ভ্রমর উড়ানো উদাসী আড় চোখ
গোপনে কখনো এই রহস্য প্রকাশ করে

-ব্যাকুল বিষাদ সুরে হাহাকার ফোটে যদি
অভুক্ত বাউলের আঙ্গুলে-একতারায়-কণ্ঠে,
জন্ম-কোঠরে,নদের বানে,কস্তুরী মাখা চাঁদে;

কেউ কেউ অনুমান করে বটে আমারও উপশম।



১৫/৮/০৮


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28831499 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28831499 2008-08-16 13:56:04
ঈষান কোনের মেঘ চোখ মুছে দ্রুত উড়ে যায় সূর্য ডোবার আগে আগে কানা গলির শেষ মাথায় ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসে
রাস্তায় জমে থাকা তিরতিরে জল ও গোপন পলক শুধু
এ খবর জেনে সমব্যথী হয়। বুক-ভারি ঈষান কোনের মেঘ চোখ মুছে
দ্রুত উড়ে যায়। কুণ্ডলী পাকায় এবং মিশে যায় অস্তিত্বহীন রাতের অন্ধকারে

- যেন, ফেরত আসা চিঠি। উদ্ভিদহীন বালুচরে রোদে খাক তামাটে-ত্বক জেলে!

বহু নদীর পলিমাখা পুরানো মাছ, ব্যস্ত হাতে টানানো রশিতে উল্টানো ।
টুপটাপ ঝড়ে পড়ে- নোনাজল,সাথে আঁশটে গন্ধ,ঢেউয়ের স্মৃতি...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28829171 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28829171 2008-08-09 23:12:28
প্রমোদতরী ঢেউয়ের দোলায় তলিয়ে যাবার আগেই

প্রস্তাবগুলো যথাসাধ্য পৌঁছে দেবে

মিলবে কি মিলবে না সমীকরণ

তা না বুঝেই বেওয়ারিশ দীর্ঘশ্বাস
ফিরে ফিরে উড়াবে তোমার আহ্লাদী আঁচল।

আড় দৃষ্টিতে দেখে নিও- বিপন্ন নৌ-যান
রশি নোঙ্গর আঁকড়ে আছে উদ্বিগ্ন মানুষ

রুদ্র সাগরের চোখে চোখ রেখে
মণি কেঁপে যায়, মনে শঙ্কা...শঙ্কা

তুমি চমকে যেও না ! আঙ্গুলে-

পেঁচানো কাপড় অগোচরে নোনাজলে
ভিজে উঠলেও

শেষ যে বাতাসের ঝাপটায়-
কানে তুলে দিল সুর;

নিখোঁজ জাহাজের যাত্রী ও মাস্তুল

ভেসে ভেসে যায়, তার পিছু পিছু

আর্তচিৎকার... ক্লান্ত শঙ্খ চিল হয়ে
জীবনস্মৃতি খোঁজে নিজস্ব পাপ-শহরে

...সাগর ভ্রমনে তোমার প্রমোদতরী
এসব দৃশ্য ও ঘটনার মুখোমুখি হয়



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28827655 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28827655 2008-08-05 16:17:42
মিথ্যাবাদী পুরুষের গান গেঁয়ো সুর, মেঠো পথ
এই অন্ধকারে
মন খারাপ আলোয়
নিস্তব্দ মেয়ে

বাড়ি ফিরে যায়

ঘুর্ণয়মান আকাশ তবুও
কোন না কোন ছলে
তাকেই, প্রেমের কথা বলে

ধুলোয় ধুলোয়
অশ্রু ফোটা চিনে
কেউ একজন পিছু নেয়

বেদনার্ত চখা

সে আজ পথ ভুলে
উদ্ভ্রান্ত হলে হোক

এক রোখা মেয়ে
ভুমিহীন সর্বশান্ত সন্ধ্যায়
ফিরে যেতে যেতে

অশ্বত্থ ঝোপে জমা আঁধারে
সচকিত কি-বা ,হরিয়াল ঝাঁকের

পাখার ঝাপটায় ,তক্ষুনি

মিথ্যাবাদী পুরুষের গানে
মোহাবিষ্ট তার মন

চাঁদ ফিরে পায়

দেনা মুক্ত হয়

চোখ থেকে মরুদ্যান
খসে পরে,

অচেনা মরুদ্যানে ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28824630 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28824630 2008-07-27 14:33:38
পশ্চিমতীরে রক্তস্নান আত্মঘাতি সন্ত্রাস না হলে তবে যে ডাক্তার হবে

বাড়ির উঠোনে আসে দলবদ্ধ বেড়াল

কৃতজ্ঞ পরস্পর-
দুধ ভাগাভাগি করে খায়,
স্তন পোড়ায় বোমা মেরে...

শিরিন ওদে কালকিলিয়ার
আমি তার কেউ না

শিরিনের স্মরণকালে মারাপরি আমরা

পশ্চিমতীর লক্ষ করে সাঁতরাচ্ছে শিরিন

আমি শিরিন ওদে'র প্রেমিক ছিলাম।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28823483 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28823483 2008-07-23 21:52:36
নদীতে ভাসবে লাশ অভিমানী মুখে
ছাই উড়বে।নাকি উড়বো নিজেই-

নাকি, নদীতে ভাসবে লাশ অভিমানী মুখে!

অথবা, বৃষ্টিই মাঝ পথে নিভিয়েছে চিতা
আধ-পোড়া রেখে

অন্ধকারে মেঘ চিরে চন্দ্র সূর্য হবে কার হাসি

আস্ত থেকে গলে যাবো। তার আগে যে দেখেছিলাম
ঝোপের পাশের আঁধারে আঁধারে বিদ্যুত ঝলকে
বাঘ ও বাঘিনি কেলি করে -ক্লান্ত হয়,

তার সন্নিকট মরু ভূঁইয়ে শুকাবো ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28823303 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28823303 2008-07-23 12:30:11
বাউল
বাইরে চন্দ্রগ্রহণ,
ঘরে রুদ্ধ-
অন্ধ হয়ে আছি

হৃদয় আমার উন্মেলিত
ফুলের ঘ্রাণে।

সাধু,তোমার খবর রেখেছি,
তুমি অপার স্বার্থপর।

চেনা পথে আছো-
ভাটিয়াল মুখি গাঁও
বুক ছেড়ে পালিয়ে বেড়াও
রোদে;প্রতিদিন

আকাশ মেঘলা করে ভালবাসি

গ্রীবা উচিয়ে তাকায়
কিশোরী কাঁঠাল পাতা-

মন যোগী বুন পথে

কলঙ্কে শিয়র পেতে শুয়ে রই।

কচি আনারস ঝাড়ে
লুক্কায়িত প্রেম।

প্রেম আবর্জনায় ঘাস হয়ে বাঁচি

বিধৃত এই প্রণয়-পুরাণে
অবান্তর নোনাজল-
ঘুঙুর শব্দের ইতিহাস

কে কার দুরত্বে চলে যায়?

খানিকটা হেরে যায়
সম্মিলিত জনতা!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28822788 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28822788 2008-07-22 00:07:17
চল আজ ফিরে যাই বৃষ্টি ভেজা রাতে জবুথবু
মা ভোলানো বিড়াল ছানাগুলোর চোখে
আলো তুলে দে

বিদ্যুৎ চমক - বিদ্যুৎ চমক!

ঝড়ে খসে পড়া পাতা,কাঁটা-লতা ভর্তি পথে
খুব ভোর বেলা
ছোট পায়ে নিরুদ্দেশ ওরা
সন্তর্পণ দীর্ঘশ্বাসে, চোখের আড়ালে

দূরে ভেসে ওঠে-

বিদ্যুচ্চমক-বিদ্যুচ্চমক!

কোলাহলের আগে,সদাই সঙ্গে
বাড়ি মুখি মাঝি সাঁতরে উঠে অচেনা গাঁয়ে

বাতাসের ঝাপটায় কোষা নৌকা
ডাঙ্গায় উড়ে যায়,পথে পথে -

রাগান্বিত ঢেউ,উদ্দেশ্যহীন ছানাপোনা

মুখোমুখি দেখা হয়।

রচনা:২০-২১/০৭/০৮


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28822543 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28822543 2008-07-21 11:52:13
এনকাউন্টার যে ভ্রমর,তার মন কোথায় থাকে? দেহ?
পাখা?পাখার নিচে পাতলা কাগজ - অসমাপ্ত চিঠি!

-এই সংসারে অহরহ বলে, স্বপ্নের হের ফেরে
লেখা হতে হতে একটি গাছের বাকি জীবনী,
একটি পাখির বাকি জীবনী;
মাঠের কোনায় জঙ্গলে সশস্ত্র পা...লা...য়
পা...লা...য়, আর -
বেঘোরে প্রান যায়। তাই অবশিষ্ট থাকে

: একটি ক্রসফায়ার কিংবা লাইন অফ ফায়ার
বা,একটি এনকাউন্টারের গোপন কথন।

মৃত্যু বদলায় উল্লেখিত অভিযোগ অশ্রু রেখায়
মুছে দিতে চায়-

রক্ত ধারায় যার বিচার সেরেছে বুলেট,অধঃমুখি-
স্মৃতি বিধূর কানে শীষ দেয়,গুঞ্জন করে।

- যে ফুলটি বার্তা পেয়ে পাখি হয়ে যায়
ভ্রমর তাকে হারায়, নিরালায়।


রচনা:১৫/০৭/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28820389 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28820389 2008-07-15 04:43:40
আমাদের জলোচ্ছাস যুগের অবসান
ঢেউয়ে ঢেউয়ে লবন জলে চোখ কচলে ডাঙ্গায় হুলুস্থুল যারা ছুটে এসেছিল
বিস্মৃতির গহ্বর থেকে তাকাবার উপায় না পেয়ে পুনরায় আকাঙ্খা করে _
অন্ধকার,মহান ও রহস্যময় মহাসমূদ্রের দোলা

সুকৌশলে এই সাগরের ছলনাময়ী ডাইনী বাতাস রূপ বদলে আমাদের
সম্মোহিত করেছিল ।বন্ধুদের ও আমাকে পৃথক পৃথক দ্বীপে বসত গড়তে
ঠেলে দিয়েছিল আর আদ্রতা শুষে চার পাশে গড়ে দিয়েছিল মরূভূমি।

জলোচ্ছাস শেষে আমরা পরস্পরের মৃতদেহ লটকানো দেখি_
মায়া ভাঙ্গা চোখে,দষ্ট গাছের ডালে,বিভ্রমের হাড়ে কঙ্কালে

দিনে দিনে আমাদের ক্ষতিকারক ভুমিকার স্মৃতিচারণ কমে যায়
পান্থ শালা,উপাসনালয় বা মোষের বাথানে রাখালের ঠোঁটে বা
জলদস্যুর নিষ্ঠুর গদা বন্ধুকের ডগায়। নতুন দুর্বায় পা ছড়িয়ে বসা
মেয়েগুলোও আমাদের অনুপস্থিতি না দেখে থাকার ভান করে

এমন কি আসে না ফিরে ডাইনী বাতাস ।পরিচিত কারো কিংবা আমার নামে
পুনঃপুন সরাইখানার জীবন,টলোমলো প্রজাপতির দৃষ্টি লুটের বদনাম রটে না

শেষ কবে একবার সবার কান থেকে প্রলয়ংকরী নর্তকীর ঘূঙুর ছিনিয়ে
বাজিয়েছি আমাদের দ্বীপে দ্বীপে।যাতে, কাল_মহাকাল থেকে সব নারী ফিরে আসে

যারা যুগে যুগে অস্বীকার করেছে জলের শাসন ।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28817216 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28817216 2008-07-06 01:51:56
আগুন কিশোরীর বাড়ি
বাঁচবার সুখ উদ্রেক করে
উল্লাস ভেঙ্গে আদীম যুদ্ধ পতাকায়

ফিরে আসে স্বপ্ন-সম্মোহনের কাদা।

দূরে আদিবাসী গাঁয়
আলগোছে এই প্রশ্ন রটে যায়:

_ কি মেঘে এমন সংসারে
মেয়েদের বুক ফুলে ওঠে;

মরা জ্যোৎস্নায় ক্রমশঃ বিলীন ভেলা...

_ উদাসী বেহুলা গান গায় ,

এবং,অচেনা নীল ফুল
অভিমানে কাঁদে

_ ভ্রমরের আচরনে জ্বলে সারা রাত।

আর,দু’নয়নের ক্লান্ত মায়ায়
কে ভুলাল,উজান বাওয়া

রক্ত জমা বুকের নিচে
বিদিক হাওয়া ,বেওয়ারিশ মৃত আছে।

আর, দূরে লালচে মশাল

সাঁজ বয়ে গেলে সব
খুন হতে যায় _

ঐতিহাসিক আগুন কিশোরীর বাড়ি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28816397 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28816397 2008-07-03 13:32:05
সূর্যরমণী এই স্বপ্নীল ষড়যন্ত্রের কথা সকলেই জানে,
সকলের মাঝে জানাজানি আছে তাহাদের ফুল ঘর, আর
দুর্দান্ত ঘুম যাওয়া, আর ঈর্ষাভর্তি তুন!

বাস, টেম্পো, রিক্সায় কখনো ওদের পাশ কেটে
চলে যেতে দেখি।
প্রলয়দিনের সূর্যের মতো
চমকিয়ে ঝলসিয়ে ওরা যায়।

যতদিন বাঁচে দোসর শূন্যতাকে চেনে না,
নিধুবন রাতে কড়া নাড়ে শয়তানের বাড়ি।

ওরা কোন ঋণখেলাপীর বউ হলে হোক,

সেইসব রমণীর মাঝে আমাদের ভাগ আছে,

সেইসব রমণীরা জানে আমাদের অধিকার।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28814272 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28814272 2008-06-27 16:00:52
পরী ও আবডালের ভুতুম বহুরঙা পরীটি মেয়ে রূপ নিলে তার ডানায়
লুকানো ভুতুম মাটিতে আছড়ে পরে।

এর আগে পালকের ওমে
আহ্লাদে সময় কাটায় নোংড়া ভুতুম।
কুতকুতে চোখে চায়

পরীটি বাগানে ওড়ে-পাহাড়ে বেড়ায়

ভুতু আবডালে চায়,পালক নাড়ায়

শহরে এলে পর-
উন্নাসিক নাগরিক ভোরে
প্রেমিকের ঘুম ভেঙে যায়,তাকে
পিছে ফেলে দ্রুত নারী উড়ে যায়।

বহুরস্মি আলোয় সঙ্গাহীন ভুতুম
পরীর ব্যস্ততায় প্রাচীন সুর হয়ে বাজে
ফোটা ফোটা বৃষ্টির মেঘ হয়ে ঘুরে
হয়রান হয়।খুব ইদানিং যে সুর -

নগরে বন্দরে অচল। আর মিষ্টি মেঘের
অনুমতি নেই শহরে বৃষ্টি হবার।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28812317 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28812317 2008-06-22 10:06:40
প্রতিশ্রুতি তারপর কাল রাতে আর কোন গল্প তৈরী হলো নাতো-
শুধু গোলাপ আঁকা আঁধা পুরান কম্বলটা গায়ে টেনে শুয়ে গেছি

কিচ্ছুই স্বপ্নে দেখলাম না,ডুবে যেতে যেতে সবচেয়ে
তলাকার মাছটির পেছন কিছু দিন ঘুরে শুনি
মাথার উপরে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে হয়
সব ওলট পালট, সেও ভুলেছে কবেকার করুণ আকাশ
টুপুর টাপুর জলের দীর্ঘশ্বাস জলে চুবানো আঙ্গুল
ফিনফিনে ঢেউ আলোর প্রতিবিম্ব হাওরের বিশ্বাস
খ.

তারপর বাদ রয়ে যায় রাতের স্টেশনে শোনা প্রতিশ্রুতি

কত মায়াময়,বিশজন তোমার ছবি আঁকছিল লিটলম্যাগের প্রচ্ছদে

সে রাত্র বিনিদ্র কাটাই।ততক্ষণে তোমার স্নান হয়ে যায়
তারও আগে সমর্পণ করেছো শাঁখা-নোওয়া

জলমগ্ন সিঁথিতে,শিশিরে,ঘাসে পদচিহ্ন এঁকে এঁকে হেঁটে যায়
ভুলে যায় আর সংগ্রহ করে প্রস্তাবিত দৃশ্যাবলী


চোখে মৃত সাগরের গান


অবুজ জোৎস্না রাত্রি বলে কিছু দিল না
মৃত আলোর সন্ধ্যা ঠেলে ঠেলে বাড়ি ফরে আসি

মনে পড়ে,স্বাক্ষর রেখে মেঘে-প্রকৃতি প্রথম চিবুকে ওষ্ঠে
বেদনার আল্পনা এঁকে দিল,নতুন হাঁটু বেয়ে নেমে গেল
বনাঞ্চল বিধাতা -প্রগাঢ় লালের অধিক রঙিন প্রবাহ...

উষ্ণ জল,জীবানু নাষক আর তুলা-মনে আছে মায়ের
রূপালী পরিচর্যা?

আজ চারিদিকে আগুন,সকলে খেদিয়ে বৃন্দাবন নিয়ে যেতে চায়

রাধা,ব্যক্তিগত অন্ধকারে একান্ত বৃষ্টিপাত কাউকেই দেখতে দেবে না\


যদিও দূর সমূদ্র কণ্ঠ ঢেউ-
করতালী,হাসির ধ্বনি ওঠে নামে

মনযোগে জলের ছলাৎ আদর,
অতদূর গিয়েছিল কেউ?

আমাদের প্রত্যাবর্তন আসে,
ভালোবেসে আসে

-জ্যোৎস্নার কান্না উছলানো রাত

সঙ্গীত ঝঞ্জাট রাত্রির নিবিড়তা আজ
হেমন্তের হাহাকার উৎকণ্ঠিত বেদনার কোন সুর নেই

এ কেমন অভিষাপ প্রিয়তমা দিয়েছিল

সমূদ্র নিশ্চুপ পুনরায়

মশাল জালিয়েছে জেলে নৌকার মাঝিরা

ক্ষর রোদ ও দৃশ্যমান জোৎস্নায় কুড়ানো যা প্রতিশ্রুতি
পেছনে দীর্ঘ খানাখন্দ ভরা পথে ডুব সাঁতার খেলে আর
ছড়ানো ছিটানো গাছের তলায় ফিরে যেতে বলে
ক্লান্ত কৃষকের পাশে ঘামের ঘ্রানে

ভর সূর্য ডোবা আকালে তার ফসলী মাঠে লেগেছে পঙ্গপাল

কিষাণীর আলোহীন হাড় ঘিরে প্রবাহিত আজগুবি ফাল্গুন

দু’পা ছড়িয়ে অংক কষি বলিরেখায়,উঠে মানুষের ভীড় ঠেলে হেঁটে যাই-

রঙ বলকানো ক্যানভাসে আমাদের গাঢ় সমাবেশ
আদ্র অনুভবে রাত্রি জাগে,শোনা প্রতিশ্রুতিগুলো
হাঁটাহাঁটি করা রাজা পিঁপড়া রঙে রঙে দিশেহারা ঃ
‘যদি বৃষ্টি বিপক্ষে না দাড়ানো বন্ধু হতো!
ফোঁটায় ফোঁটায় ভরা কত স্বজন পুকরের পাড় ছুঁয়ে তুমি
গভীর রাতে কাছে এসে গল্প করো-ভেজা পায়ে’ সবগুলো বাগান থেকে দূরে...
ওই যে আবছায়া আকাশ যেখানে
কোন সুঘ্রান পৌঁছায় না, অন্ধকার রেখার মতো গ্রাম বা চোখের ভ্রান্তি-

একটা লালছে ঢেউ ডুবছে-
জাগছে নদীতে বয়া বাতির মতো কোন কোন রাতে জাগে প্রতিশ্রুতি

রচনা:৯-১৪/০৬/০৮





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28810769 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28810769 2008-06-18 02:21:35
রক্তে উদ্দীপনা ও মানুষগুলো মারা যায়
হেমন্ত সন্ধ্যায় গ্রাম্য বাড়িটির
চারপাশে ঘুরে আসি ,

রক্তে মানুষ ও উদ্দীপনাগুলো নির্ঘুম
রাত কাটিয়ে নির্জিব

তোমাকে কী আর বলবো...

ভালোবাসি জানিয়েছি।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28809400 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28809400 2008-06-14 12:43:11
রাহেলা হত্যামামলার গুরুত্বপূর্ণ ২ স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন হয়েছে আজ সাভারের গার্মেন্টস কর্মী রাহেলা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনালে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান বলেছেন... সাক্ষ্য পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে রাহেলাকে ধর্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে আসামীরা।লিটনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদের ভূমিকাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।বিচারক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দেন... রাহেলার মরদেহের ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার মোহাম্মদ কামরুল হাসান সরদার। তিনি রাহেলার উপর চালানো পাষবিক নির্যাতনের প্রমানগুলোর কথা আদালতে জানান।যে ক্ষতচিন্হগুলো মরার পরও রাহেলা নিজ দেহে বয়ে বড়াচ্ছিল।এছাড়াও আজ স্বক্ষ্য আলামত সংগ্রহে সহযোগীতাকারি যুবক মনির হোসেন।

এ মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28807515 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28807515 2008-06-08 19:30:56
এই সমতলে নিরবধি
খুব ইচ্ছে,ডেকে শোনাই-দেবতা
পাথর কথা বলবে না
প্রবেশ দ্বারে কৃষকের মূর্তি,
ফসল নষ্ট করে যায় পাহাড়ী হাতির দল

গাছের ডালে দীর্ঘশ্বাস ঝুলে রয়
হাতে ছটফটে প্রজাপতির লাজ-রেণু,
ঘুর্ণিঝড়ের ধুলো সেখানে হারায়

আমার একদা-চোখের আলো
রঙধনু হয়ে আজ আকাশে ভেসেছে
যদিও দেহ বিষে নীল-
ফুটছেনা ফুল বাগানে বাগানে

বৃষ্টিও হয় না বহু কাল,আমি
হীম বায়ু ঠেলে তোমার বাড়ি যেতে চাই!

-তখন,কাটা-গুল্ম এড়িয়ে,
মৃত ঝর্ণাটির পাশে খুব সন্তর্পণে
দুর থেকে সংসারী নারীর সিঁথির মতো
বিস্মৃত পথে উঁকি দেই;

এই সমতলে নিরবধি
ভৃত্য বায়ূ হয়ে রই,তারই আশায়

আমাকে ছাড়াই যার জীবন চলে যায়

রচনা:২/৬/০৮ইং








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28805343 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28805343 2008-06-02 04:11:58
মলিন আঁচড় রৌদ্র করোজ্জল
কী হবে এই দিনটি দিয়ে?

লিপির নশ্বর ঘোরে-
আমাদের মিঠে মুখে পথ চলা
হেসে হেসে কথা বলা-বলি
পুরাতন জলাশয়ের গন্ধ মাখা

লোনা রক্তে যে অন্তঃপ্রবাহ উচ্ছ্বাস তুলে বিদায় হয়েছে-

এখানে সে কথাও অস্পষ্ট মলিন আঁচড়ে বেঁচে আছে!

বাকিটা জানা-ই নেই।অস্থির পাগল সূর্য
পায়ের তলায় শর্ষে ঢেলেছে সেই কবে।

বলো,পাহাড়ী রোদ্দুর জুড়ে-
তার চোখ ঢুলে আছে আমারই ঘুমে।

তারিখ:২৯/৫/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28804042 http://www.somewhereinblog.net/blog/faysal1blog/28804042 2008-05-29 05:55:40