আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ রোদন নয়; এ এক প্রেরণার দিন!!!

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২১

শেয়ারঃ
0 0 0

অনেকেই বলেন: এ দিনটি নিয়ে এ দিনেই লিখতে হবে। আমি তা মনে করি না, কেননা ২৮ অক্টোবর আমার নিকট বদর, ওহুদ থেকে নিয়ে বালাকোটের উত্তরসূরী একটি দিন!
২৮ অক্টোবর, দুপুরবেলা ঘুম থেকে উঠার কথা থাকলেও আজকে সকালেই উঠলাম। গত রাত থেকেই অসংখ্য প্রবাসীর মত আমিও দারুন শংকায় ছিলাম আজকে কি ঘটবে তা নিয়ে। বন্ধুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গে যোহরের অনেক আগেই, তারপর যা দেখে গেলাম! হায় আল্লাহ্! তা যদি আমার জীবনে একটি স্বপ্নই হতো...
না, আমার জন্য স্বপ্ন হতে যায়নি। এ ছিল এক নির্মম বাস্তবতা। টিভির পর্দা ভেদ করে যেন লগি-বৈঠার প্রতিটি আঘাত আমার শরীর স্পর্শ করছে। কত ভয়ংকর চিত্র-চলচিত্রই তো চোখের পর্দায় তাক লাগিয়ে চলে যাচ্ছে, কত ঘটনাই তো নজর কেড়েছে অতীত হতে বর্তমান পর্যন্ত। কিন্তু এমন অনুভূতি তো কখনো আসেনি...।

ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের পর জানলাম যে, প্রতিজন মুসলমানের জন্য শাহাদাতের আকাংখা ধারন করার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। আমাদের প্রাথমিক ইতিহাসের শাহাদাত পিয়াসী মুসলমানদের সেসব ঘটনাবলী জানার পর দৃঢ় প্রতীজ্ঞ হলাম যে, মৃত্যুই যদি অবধারিত তবে রোগশোকে নয়; বরং শাহাদাতের মৃত্যুই হোক। সকাল সন্ধ্যা তাই সে প্রার্থনাকেই রুটিন করে নিলাম। কিন্তু শাহাদাতের অবস্থাটা ঠিক কেমন হবে, সে নিয়ে নানা ভাবনায় শিহরিত হতাম।

কখনো ভাবতাম, যদি গুলি করা হয় তবে কেমন অনুভূতি হবে? যদি কিডন্যাপ করে একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, সে কেমন অনুভব হবে? যদি অন্য কোনভাবে শাহাদাত আসে তবে সেসব কেমন হবে; এমন ভাবনায় ভারাক্রান্ত হতাম। তারপর একদিন জানলাম যে, শাহাদাতের মৃত্যু অনেক সহজ, অনেক নির্বেদন অন্য সকল মৃত্যুর চাইতে। তবু ভাবনারা নানা জাল বুনেই চলছে,,, কিভাবে আসবে শাহাদাত একদিন আমার দুয়ারে...

(শহীদ শিপনের উপর অকথ্য নির্যাতন)
২৮ অক্টোবর! আমি এখনো মেলাতে পারছি না কেন এমন হলো...! কেন মনে হলো প্রতিটি বৈঠার আঘাত আমার পিঠেই পড়েছে, প্রতিটি লগির খোঁচা আমার আহত আত্মায় দেয়া হয়েছে। আজো মেলাতে পারিনি সে হিসেব। না, আমার একটি পশমও ছিঁড়েনি সে অনুভবে, আমি আহত হয়েছি কেবল আত্মায়, অন্তরে। শহীদ জসিমকে যেভাবে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে শুইয়ে দেয়া হয়েছে বাংলার যমীনে; সে দৃশ্য আমায় শিহরিত করার চাইতে আহত করেছে বেশী, আমি ঘুমুতে পারিনি অনেক রাত, আমি ২৮ অক্টোবরের পর মনে পড়ে আরো মাত্র একবার দেখতে পেরেছি সেই দুর্বিসহ সচিত্র।

(এই কমিউনিষ্ট কর্মীর হাত থেকে রেহাই পায়নি রাস্তায় পরে থাকা মানুষটি। সে পেটে লাথি দিয়ে এভাবেই উল্লাস প্রকাশ করে।)
আমি জানিনা ২৮ অক্টোবরের শহীদেরা ঠিক কি পরিমাণ যন্ত্রণা নিয়ে নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছিলেন আল্লাহর যমীন এই বাংলাদেশে তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য, তবে আমাদের ইতিহাসের সেসব সান্ত্বনা আমাদেরকে ভুলিয়ে দেয় সকল যন্ত্রণা। হামযা রাদিয়াল্লাহুর শাহাদাতের পর তাঁর বুক চিরে কলিজা কেটে নেয়া হয়েছিল, তা চিবানো হয়েছিল। বীরত্বের কিংবদন্তী সাহাবীদের শরীরের টুকরোগুলোকে একত্র করে সনাক্তকরণের জন্য আত্মীয়দের ডাকা হয়েছিল।

Jashim- On his way to Jannah
(শহীদ জসিম উদ্দিন এর একটাই অপরাধ ছিল। তিনি আল্লাহকে রব বলে স্বীকার করে নিয়েছিল। আর সেই অপরাধেই তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।)
আমি জানিনা কিভাবে আমিও একদিন পৌঁছে যাবো আমার পরম প্রিয় প্রভু আল্লাহর সাক্ষাতে। তবে এ লেখার সকল পাঠকের নিকট বিনীত অনুরোধ- আমার মৃত্যু যেন কবূল হওয়া শাহাদাতে হয়; আল্লাহর নিকট এ প্রার্থনায় আমীন বলবেন। আমি তীব্রভাবে আকাংখী আমার আত্মার আত্মীয়দের সাথে সাক্ষাত করতে সেই জান্নাতে, যার ওয়াদা আল্লাহ্ শহীদদের সাথে করেছেন।

(রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পরও আওয়ামী হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শিবির কর্মীরা)
পৃথিবীতে একমাত্র মুসলমানগণই সে জাতি, যারা তাদের প্রভুর নিকট মৃত্যুর জন্যেও প্রার্থনা করে। তারা তাদের প্রভু আল্লাহর পথে নিজেকে কুরবান করে দেয়ার জন্য সদা প্রস্তুত থাকে। তাদের মধ্যে অনেকেই গাফেল, সন্দেহ নাই; তবে কা’বার চত্ত্বরে সেদিন যখন তাওয়াফ করছিলাম, তখন উচ্চস্বরে একটি কণ্ঠ থেকে দো’আ করতে শুনলাম এভাবে- “হে আল্লাহ্! আমাকে ভাগ্যে আপনার পথের শাহাদাত দান করুন। এবং আমার সে ভাগ্য দান করুন আপনার রাসূলের শহরে”। আমি স্তম্ভিত! এখনো মুসলমাদের অন্তর উচ্চস্বরে পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে শাহাদাতের আকাংখায় বিস্ফোরিত হয়। নিরবে-নিভৃতে তো সংখ্যাতীত হচ্ছেই। হে দয়াময়! ২৮ অক্টোবরের শহীদদের শাহাদাত কবূল করুন। তাদের উচ্চ মর্যাদা দান করুন প্রতিশ্রুত জান্নাতে। এবং আমাদেরকেও তাদের পদাংক অনুসরণের তৌফিক দান করুন। আমীন।

ছবি কৃতজ্ঞতা: http://www.28thoctober.com

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ২৮অক্টোবরআওয়ামীলীগ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২২
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: _
পরকালে কি জবাব দেবেন, ঠিক করেছেন তো?

Click This Link

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: জি, ঠিক করেছি। আপনিও ঠিক করুন।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যেমন করে আল্লাহ্ শিখিয়েছেন যে, বলুন, অপেক্ষা কর, তোমরাও দেখ এবং আমরাও দেখবো।

ধোঁয়া খুব বেশী স্থায়ী হয় না, জানেন তো? এক সময় না এক সময় মুক্ত বাতাস এসে তা মিলিয়ে দেয়।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: পরিস্কার হয়নি মন্তব্য।

৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৫
মানুষ বলেছেন: এইরাম গণপিটুনিই দরকার
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: আর এভাবেই একদিন এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষেরা আওয়ামী লীগকে যুগের কসাই খেতাবে ভূষিত করে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।

বোধ হয় সেদিন আর বেশী দূরে নয়।

৪. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৫
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: আগের পোস্টে করা রেজওয়ান ভাইয়ের মন্তব্য।

রেজওয়ান বলেছেন: এই লিন্কটাও সাথে তুলবেন।
Click This Link
দুই পক্ষই সমান দায়ী এই পরিস্থিতির জন্যে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: সেদিনটিকে কতভাবে মিথ্যার জালে আটকাতে চেয়েছিল, আমরা তা ভুলিনি। মিডিয়াসমূহ চরম জালিয়াতি দেখিয়েছিল। কেন?

দু'পক্ষই সমান দায়ী বলতে যদি বুঝানো হয় যে, উভয়ের দোষ, তবে মিডিয়ার এই কারচুপি কেন?

মূলত: বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসে ২৮ অক্টোবর ছিল এক ক্রান্তিকাল। শহীদেরা প্রাণের বাজী রেখে এদেশে ইসলামী আন্দোলনের যমীনকে উর্বর করেছে তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে।

সুতরাং, কাউকে এদেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য আক্রমণ করা আর কেউ নিজের অবস্থানকে নিশ্চিত করার জন্য লড়ে যাওয়া যদি একই মাপের অপরাধ হয়, তবে বিচারের এ মানদণ্ড ভাঙ্গা!
দৃষ্টিভঙ্গির এ দৃষ্টি অন্ধ!
কোন সন্দেহ নাই তাতে।

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: কার লিংক দিলেন :) কষ্টের মাঝেও হাসি পেল।

৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: আল্লাহর নাম মুছে ফেলা দল আর ভন্ডের দল - জামাত।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামও মক্কার কাফেরদের সাথে চুক্তির সময় "আল্লাহর রাসূল" শব্দগুলো মুছে ফেলেছিলেন হেকমত হিসেবে।

সেসব বুঝার মত মন-বুদ্ধি-বিবেক কি আল্লাহ্ আপনাদের দিয়েছেন? অথবা সেসবকে কি আদৌ কাজে লাগাতে পারছেন?

৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

তোমরা এটা ভেবে সুখ লভো যে যুদ্ধাপরাধের বিচার থেকে বেচে গেলে !

মানুষের ঘৃণার এই স্ফোরণ থেকে তোমাদের বাচাবে কে ?
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: গালিবাজ আরাশি আমার ব্লগে দেখছি এখনো আছেন। যাকে গালি দিতে লজ্জাবোধ হয় না, তার ব্লগে লিখতে এত নির্লজ্জ হন কিভাবে?

পারলে করেন বিচার, কে ঠেকিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষতো আর এগার দল খুঁজে ন'জন পাওয়াদের মত বুদ্ধি রাখে না মাথায়, রাখলে হয়ত আপনাদের মত দেশের বারোটা বাজানোর জন্য এটা নিয়েই চিৎকার করত সারাদিন।

৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৯
শঙ্খচীল বলেছেন: আওয়ামী বাকশালীরা পশুর চেয়েও অধম। তাদের কে বাংলার মাটি থেকে উচ্ছেদ করতে হবে।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: এদেশের মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে। চেনাতে হবে তাদের বন্ধু এবং শত্রুদেরকে। সেজন্য চাই কাজ আর কাজ।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৯. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১২
অপ্রিয় সত্য বলেছেন: এগুলো কি মানুষের কাজ? হাউএভার, উস্কো পাকড়াউ যে উস্কে দিয়েছে ব্লগ বন্দুদের মাঝে এ বিভেদ..........
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: দেশের মানুষ দু'চোখ বুঁজে ছিল না সেদিন। এমনকি আজো হন্তারকদের হুমকি ধমকি কারুরই নজর এড়িয়ে যাচ্ছে না।

এই ভার্চুয়াল জগতেও দেখুন, যারা ২৮ অক্টোবর ঘটিয়েছে, তারা এখনো মারমুখী, এখনো তারা হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে, ক্ষমতায় গেলে আবারো যে তারা বিগত ১৯৯৭-২০০১ সময়কালের চেয়েও ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে, সে ব্যাপারে দেশের মানুষ আশা করছ সতর্ক হবে। যদি না হয়, তাহলে হয়ত বাংলাদেশের ভবিষ্যতে বিপর্যয়ই অনিবার্য হবে।
আল্লাহ্ রক্ষা করুন।

১০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২২
ফজলে এলাহি বলেছেন: সামহোয়্যারইন ব্লগের ব্লগ পরিচালনার আদর্শ(?) দেখুন-

সংকলিত পোষ্টে শোভা পায় আব্দুর রাজ্জাক শিপনের পোষ্ট-
"@ ম্যাৎকার নয়, আছে কাঁঠাল পাতা" Click This Link
যার ভেতর একটি লাইন এবং দু'টি ছবি মাত্র।

অন্যদিকে ফজলে এলাহির দীর্ঘ প্রামাণ্য পোষ্ট-
"@ রোদন নয়; এ এক প্রেরণার দিন!!!" Click This Link
খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সংকলিত পোষ্ট পাতায়....!

হায় দূর্নীতির ভার্চুয়াল রূপ....কোথায় পাবো দুদক?
১১. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৮
ঘোর বলেছেন: নারায়ে তাকবীর!
আল্লাহু আকবার!!

বদর, ওহুদের পর ২৮শে অক্টোবর।

মারহাবা... মারহাবা...
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: আল্লাহু আকবার!!!

১২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩২
ফজলে এলাহি বলেছেন: রাত প্রায় দেড়টা। ঘুম আসছিল না দু'চোখে। তাই পোষ্টটি করলাম। ঘুমুতে যাচ্ছিলাম, দেখি একটা শুয়োর এই শহীদী পোষ্টে ঢুকে পড়েছে। শুয়োরটাকে খোয়াড়ে আটকালাম।
১৩. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:০৩
যুক্তিবাদি বলেছেন: আওয়ামি জানোয়ারদের আসল পরিচয় জানতে

Click This Link
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: যুক্তিবাদি-
অসাধারণ এক লিংক দিলেন। অনেক ধন্যবাদ। দারুন অভাব এমন ধারার ওয়েব সাইটের।

১৪. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:২৯
একলা একজন বলেছেন: দৃষ্টি কে? তার সায়া নিয়ে এত উতলা কেন সবাই?
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: একলা একজন-
এসব ছিল যন্ত্রণার অবসান ঘটানো। কারণ, বর্বর খুনীদের জন্য নিজেদের হিংস্র চরিত্র ঢাকার আর কোন উপায় যে অবশিষ্ট নেই।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য সেটাই ঠিক; মাইনাসপন্থী বলে কথা কি না।

১৬. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
যুক্তিবাদি বলেছেন: আওয়ামি জানোয়ারদের আসল পরিচয় জানতে

Click This Link
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: আবারো ফিরে এলো ২৮ অক্টোবর। ধন্যবাদ লিংকের জন্য।

১৭. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৬
আলমগীর আহসান বলেছেন: অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম।
বুঝতে পারলাম, সামহয়্যারইন এখনো কিছু গালিবাজদেরদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। আর মড়ারেটর সাহেবরাও সেই পুরাতন ভূমিকাতেই..!

ধিক সামহয়্যারইন!!
১৮. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৩
দ্বীপবালক বলেছেন: অবশ্যই রোদন নয়, প্রেরণার দিন ঐটি। আমাদের শহীদেরা আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস সবসময়ই।
১৯. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: সজ্ঞানে মাইনাস, জামায়াতের জন্য কোন করুনা নাই।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: এর দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, আপনারা হিংস্র। করুণা মানবিক গুণ। কট্টর আওয়ামীদেরকেও দেখেছি এ দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছে। কেবলমাত্র হিংস্র প্রকৃতির মানবরূপই আপনার মত কথা বলতে পেরেছে।

২০. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: এই দৃশ্য দেখে শিউরে উঠতে পারছি না, কারন এরাই কিন্তু এর চেয়ে হাজারো গুন শিউরে উঠা দৃশ্যের জনক। তাই বলে ভাববেন না যে আমি আওয়ামী লীগ সমর্থন করি। আওয়ামী লীগ বিএনপি এরাও খারাপ। আর জামায়াত হল খারাপের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: শিউরে উঠা দৃশ্য দেখলে শিউরে উঠাই মানুষের স্বাভাবিকতা। যে উঠে না, তার দু'টো কারণ থাকতে পারে- অতিমাত্রার হিংস্রতা কিংবা বোধশক্তিশূন্যতা।

যাইহোক, "এরাই কিন্তু এর চেয়ে হাজারো গুন শিউরে উঠা দৃশ্যের জনক।" ২৮ অক্টোবরে শহীদ হওয়া ছেলেগুলোকে নিয়ে দেয়া পোষ্টে আপনার এ কথাটির ব্যাখ্যা দিন।

আন্দাজ করে ৭১ এ দৌড় লাগাবেন না যেন, কারণ এদের জন্ম একাত্তরের পর।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্যদিগন্ত: www.bishorgo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর খুঁজে পাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ