আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-১ - চিন্তিত দার্শনিক
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- @ তাফসীরুল উশরুল আখীর (বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন) - ফজলে এলাহি
- নাস্তিকদের নৈতিক রূপ কি এসব করা??? - কঠিন চিজ
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক - হলদে ডানা
- @ সীরাতুন্নবী: প্রারম্ভ ও তথ্যাবলী... - ফজলে এলাহি
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- @ আমার বিশ্বাস: সামহোয়্যারইন ব্লগে কোন রাজাকার নেই - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(প্রথমার্ধ) - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(শেষার্ধ) - ফজলে এলাহি
- তুরস্কে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার - আশরাফ রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - বইপাগল
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশের প্রয়োজন “রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজার কুসংস্কার” থেকে মুক্তি - আবূসামীহা
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- @ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত - ফজলে এলাহি
- ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার - আস্তমেয়ে
- ফিলিস্তিন প্রান্তর হতে একটি চিঠি... [পর্ব/১] - আব্দুর রহমান রাযীন
- ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( প্রথম পর্ব ) - আশরাফ রহমান
- হায় '৫২-র ভাষা শহীদ! হায় '৭১-এর শহীদেরা!! এ কোন কাপুরুষ প্রজন্ম রেখে গেলেন?? যারা চেতনার জন্য গালির আশ্রয় নেয়? - ফজলে এলাহি
@স্বৈরাচারী ও স্থিতিতে পিচ্ছিল এরশাদকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবারো সহ্য হবে?
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
দীর্ঘ নয় বছর শাসন ক্ষমতা জবরদখল করে বাংলাদেশে স্বৈর শাসন চালিয়েছিলেন সাবেক প্রসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। গণমানুষের মুখের প্রতিবাদ, হাতের কলম ও চিন্তার প্রকাশের পথ রুদ্ধ করে রেখেছিল বন্দুকের নল উঁচিয়ে। কিন্তু কতদিন? না, দশ বছর হতে দেয়নি বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্রজনতা। জীবন দিয়েছেন নূর হোসেনসহ আরো অনেকে, আহত হয়েছেন বহু নাগরিক, দেশ দিয়েছিল চরম মূল্য। আমরা ভুলে যেতে পারি, কখনো প্রাকৃতিক নিয়মে, কখনো রাতের আঁধারে বাস্তবায়িত কালো চুক্তিতে, কখনো ক্ষমতার মোহে, আবার কখনো বা নিজেদের অধঃপতনের কারণে। হাঁ, যদি পরিবর্তন দেখা যেত, যদি উন্নতি দেখা যেত একদার সামরিক জ্যান্তা ও স্বৈরাচারীর অবস্থানে, আচরণে, তবে কল্যাণ থাকতো ভুলে যাওয়ায়, এই মেনে নেয়ায়। কিন্তু এদেশে তো 'দেশপ্রেম' এখন বক্তৃতার ভাষা, যা মুখ থেকে দাঁত-ঠোঁটের ফাঁকফোঁকর থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসে; অন্তর ছিঁড়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজলে সত্যিকার দেশপ্রেমের ছিঁটে ফোটাও খুঁজে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। তারই প্রকৃষ্ট নজির আমরা দেখতে পাই এবারের নির্বাচনের জোট-মহাজোটে।
গণতন্ত্রের মুক্তি দিবসে নূর হোসেনের মা জড়িয়ে ধরে শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেছিলেন যেন তার সন্তান হত্যাকারী স্বৈরাচারী এরশাদকে জোটে না নেন, কিন্তু নেত্রী সন্তান হারা মায়ের সে অনুরোধ রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। মহাজোটের কাঁধে ভর করে লম্প দিয়ে আবারো সিংহাসনে জম্প দেয়ার প্রসঙ্গে এরশাদের ভাষ্য-
"সেদিনের লিখিত চুক্তিতে ক্ষমতায় যেতে পারলে আমাকে রাষ্ট্রপতি পদ দেয়ার অঙ্গীকারও ছিল। আমি মনে করি এবারো মহঐক্যজোটের মাধ্যমে নির্বাচন হলে এবং সরকার গঠন করতে পারলে আমাকে অবশ্যই রাষ্ট্রপতি করা হবে। কারণ আমি রাষ্ট্রপতি ছিলাম। এখন ক্ষমতায় গেলে আমি তো মন্ত্রী, এমপি হতে পারি না। আমাকে রাষ্ট্রপতিই হতে হবে।"
সূত্র: খবর ডট কম Click This Link
এরশাদ আরো জানান- তাকে রাষ্ট্রপতি করা হলেও ভালো, না করা হলেও ভালো। তবে ২০০৬ সালের মহাজোট গঠনের সময়, ক্ষমতায় গেলে তাকেই রাষ্ট্রপতি বানানো হতো সেরকম একটি চুক্তি হয়েছিল বলে তিনি আবারো দাবি করেন। এরশাদ বলেন, "এবার চুক্তি না হলেও তাকেই যে রাষ্ট্রপতি করা হচ্ছে এ ব্যাপারে তিনি দারুণ আশাবাদী।"
সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত Click This Link
পরন্তু এরশাদের অস্থিতিশীল অবস্থান ও বক্তব্য দারুন হাস্যকর হিসেবে দেশবাসীর নিকট প্রমাণিত হয়ে আসছে বিগত কয়েকমাস থেকে। দেশের মানুষ এখন একথা ভেবে আশ্চর্য হচ্ছে যে, এরূপ অস্থিরচিত্ত একজন মানুষ কি করে দীর্ঘ নয় বছর তাদের উপর শাসন(স্বৈরশাসন) পরিচালনা করে এসেছিল। বিগত কয়েক মাসে বেশ ক'বার শোনা গিয়েছিল যে, এরশাদ মহাজোটে নেই, আবার শোনা যায় আছেন, আবার নেই, আবার আছেন। যার সর্বশেষ সংস্করণ দেশবাসী দেখেছে গতকাল। মাত্র পনর ঘন্টার ব্যবধানে চূড়ান্ত ঘোষনা দেয়ার পরও দারুন পিচ্ছিল চরিত্র বিশিষ্ট এরশাদ ও তার দল জাতীয় পার্টি যে উলঙ্গ অস্থিরতা দেখালেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার নজির বিরল।
সংবাদ মাধ্যমগুলো দেশবাসীকে জানায় যে, দৃশ্যত ক্ষুব্ধ এরশাদ সাংবাদিকদের বলেন, "জাতীয় পার্টি আর মহাজোটে নেই। আওয়ামী লীগ এখন যদি আমাদের ৭০ বা ৮০টি আসনও সাধে তাও আমরা মহাজোটে ফিরে যাবো না।"
"মহাজোট থেকে বেরিয়ে আসার ব্যাপারে আমরা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। এর আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনায় আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আওয়ামী লীগও চায় না জাতীয় পার্টি মহাজোটে থাকুক।"
শুধু ব্যক্তি এরশাদই নয়; বরং দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যের অন্যতম একজন কাজী জাফর আহমেদ বলেন, "আমরা মহাজোটে থাকছি না। এব্যাপারে (প্রেসিডিয়াম বৈঠকে) সিদ্ধান্ত হয়েছে।"
প্রেস ব্রিফিং এ কাজী জাফর বলেন, "প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আর মহাজোটে নেই। ৪১টি কেন ১০১ টি আসন দিলেও মহাজোট আর জোড়া লাগবে না। তাদের আর বিশ্বাস করা যায় না।"
সূত্র: বিডি নিউজ২৪ ডট কম Click This Link
অথচ দেখুন কত সামান্য সময়ের ব্যবধানে কি পরিমাণ চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়ার পর এরশাদ আবারো ফিরে যাচ্ছেন বর্জন করা জোটে। সংবাদে বলা হয়-
"বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এরশাদ বলেছেন, "মহাজোট এখনো ভাঙ্গে নাই। বিকাল ৫টা নাগাদ তারা প্রার্থী প্রত্যাহার করলে আমরা মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। "
সূত্র: বিডি নিউজ২৪ ডট কম Click This Link
এর দ্বারা কি দেশবাসীর জন্য আরো কিছু বুঝার আছে যে, তাদের ভবিষ্যত কর্ণধার হিসেবে এরশাদ কতটা অযোগ্য? কে জানে, আল্লাহ্ না করুন যদি এরশাদের মত ব্যক্তিরা আবারো ক্ষমতায় যেতে পারেন, তবে এরূপ অস্থির চিত্ততার কারণে কখন ভুল করে দেশটাকে বিক্রয় করে দিয়ে আসেন কোন বিদেশী সরকারের সুস্বাদু খাবারের টেবিলে কিংবা রাত্রিকালীন কোন লোভনীয় সুন্দরীর মোহে।
মহাজোট বার বার ত্যাগ করা ও বার বার ফিরে ফিরে আসা এরশাদ 'মহাজোট' সম্পর্কে বলেন- "মহাজোটের কথা আমিই আগে বলেছি। লন্ডনে আমাদের প্রতিনিধি শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। উনি মহাজোটের কথা বলেছিলেন। আমি দেশে ফিরে মহাজোটের কথা বার বার বলেছি। এ মহাজোটের কথা বলার পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতৃস্তরের ব্যক্তি আমাকে পরিহাস করেছেন, কটুক্তি করেছেন। এটা আপনারা সব জানেন। আমি এসব সহ্য করেছি।" এবং জোটের প্রধান দল একদার স্বৈরাচারী এরশাদের পতন আন্দোলনের শরীক আওয়ামী লীগকে দায়ী করে এরশাদ আরো বলেন- "ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আওয়ামী লীগের অফিসে গিয়ে ৯ ঘণ্টা বসে ছিলেন; কেউ তার সঙ্গে দেখা করেননি। আমাদের প্রতি অনেক অবহেলা করা হয়েছে, অসম্মান করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বার বার বলেছি আমরা মহাজোটে আছি।"
সূত্র: বিডি নিউজ২৪ ডট কম Click This Link
দেশ ও জাতির কল্যাণ নিয়ে সাবেক স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট এরশাদের তেমন কোন মাথাব্যাথা লক্ষ্য করেনি দেশবাসী। বরং বিশেষভাবে লক্ষ্য করেছে এরশাদের 'জীবনের আরেকবার প্রেসিডেন্ট হবার খায়েশ'-এর কথা। এত কিছুর পরও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট থাকার কি নির্লজ্জ অভিলাষ! রাজনৈতিক দলগুলো ও সেসবের নেতৃবৃন্দের ব্যক্তিগত স্বার্থ-ক্ষোভ-উচ্চাভিলাষের কাছে প্রতি বছর অসংখ্য নাগরিক বলি হচ্ছে যেখানে, হরতাল-অবরোধে দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে যে দেশে, সেদেশটিকে দীর্ঘ নয় বছর শাসন করা একজন প্রেসিডেন্টের নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে যেন এই একটি মাত্র উদ্দেশ্য যে, তিনি হবেন পরবর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট! কি নির্মম রসিকতা এদেশের মানুষেরা সহ্য করে যাচ্ছে নিরবে, মুখবুঁজে। সংবাদ মাধ্যমে আমরা যার পর্যালোচনা পাই এভাবে-
এরশাদ সাহেব নিজেই বলেছেন, সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রেসিডেন্টের কোনও ক্ষমতা নেই। তবে এটা মানসম্মান ও মর্যাদার ব্যাপার। তাই তিনি শেষ বয়সে বঙ্গভবনে থাকতে চান। প্রেসিডেন্টের মহামান্য আসনটি অলংকৃত করতে তার বড় ইচ্ছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট হবার জন্য তার মনের ভেতর আকুলিবিকুলি করলেও কিংবা শেখ হাসিনার সঙ্গে লিখিত চুক্তি থাকলেও এরশাদ সাহেবের প্রেসিডেন্ট হবার জো নেই। দেশের সংবিধান সেপথ রুদ্ধ করে দিয়েছে। হ্যাঁ, তিনি যদি আবার দেশের প্রেসিডেন্টপদটি অলংকৃত করতে চান তাহলে বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন হবে দু’শতাধিক সংসদ সদস্যের ভোট।
উল্লেখ্য, দেশে প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির শাসন পরিবর্তন করে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তনের সময়েই এরশাদ সাহেবের ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট হবার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। সেসময় সংবিধানের চতুর্থভাগে প্রেসিডেন্ট সম্পর্কিত পরিচ্ছদটিই বদলে ফেলা হয়। এরশাদের প্রেসিডেন্ট হবার পথে বাধাটি রয়েছে এখানেই। এর ৫০(২) অনুচ্ছেদে আছে, "No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive." (সূত্র: Click This Link.
) অর্থাৎ ‘একাদিকক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থকিবেন না।’ সংবিধানের এই বিধান উপেক্ষা করতে গেলে বিপত্তি সৃষ্টি হবে। এর নিস্পত্তি না হওয়া অবধি কোনও ‘চুক্তি’ কিংবা ‘সমঝোতা’র মাধ্যমে এরশাদকে প্রেসিডেন্টের পদে বসানো যাবে না।
সূত্র: দৈনিক সংগ্রাম Click This Link
সবশেষে 'আমাদের সময়'-এ প্রকাশিত আকিদুল ইসলামের লেখা থেকে নিম্নোদ্ধৃত অংশটুকু যোগ করছি, এতে দেশপ্রমিক মানুষেরা অনেক অমিল-সমিল খুঁজে দেখতে পারবেন এ লেখায় আলোচিত একজন 'বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রসিডেন্ট হবার স্বপ্নদ্রষ্টা'র কার্যক্রমে। তবে বিশেষ শিক্ষা নিহিত রয়েছে 'দেশ-প্রেমের ফেরিওয়ালা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম' এর জন্যে।
"৭১-এর ২৫ মার্চ যখন পাকসেনারা বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুরে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে এপ্রিলে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য সেপ্টেম্বরে রংপুরে আসেন। এবারো স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ না নিয়ে ফিরে যান পাকিস্তানে। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালি অফিসার ও সৈন্যদের ‘দেশদ্রোহিতা’র অপরাধে বিচার শুরু হলে লে• কর্নেল এরশাদকে ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। ভাবতে পারেন? ভুট্টো বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়া ৯৮ হাজার পাক যুদ্ধবন্দির একজনকেও সেনাবাহিনীতে বহাল রাখেননি। অথচ যিনি পাকিস্তানে বসে বাঙালি সেনা অফিসারদের বিচার করছিলেন তিনি হয়ে গেলেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান! এর প্রায়শ্চিত্ত জাতিকে করতে হবে না?"
সূত্র: আমাদের সময় Click This Link
দেশবাসীকে চিন্তা করতে হবে, একথা বুঝতে হবে যে, ১৪ দলীয় মহাজোট বিজয়ী হলে এরশাদের মত ব্যক্তিদের আবারো প্রেসিডেন্ট হবার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পরন্তু যারা রাজাকার প্রার্থী দিয়ে, (সূত্র: Click This Link ) এরশাদের মত '৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদানকারী (এক প্রকারের রাজাকার)' ও নিজেদেরই সংগ্রামে নিপাত করা একদার স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতার মসনদে আরোহণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং অন্যদিকে তারাই আবার মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধী ইস্যূকে সামনে রেখে ও 'রাজাকার' 'আলবদর' বলে চিৎকার করে করে মুখে ফেনা তুলে তাদের দ্বিমুখী চরিত্রকে গণমানুষের সামনে উলঙ্গ করে দিচ্ছে। সুতরাং দেশবাসীদের এদেরকে চিনতে হবে। মূলতঃ এসবের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশের ৮৫ ভাগ মানুষের ঈমান-আকীদাকে মুছে দেয়ার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদেরকে প্রতিহত করাই এবারের নির্বাচনে উক্ত ৮৫ ভাগ মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। অন্যথা এর দায়ভার তাদেরকেই বহন করতে হবে। আল্লাহ্ হেফাযত করুন বাংলাদেশকে এসব ভয়ংকর নেতৃত্বের মহামারী থেকে।
-১১ ডিসেম্বর ২০০৮, মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এরশাদ, স্বৈরাচার, নির্বাচন, ১৪ দলীয় জোট ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাশেদ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের দল কইরা আবার বড় বড় কথা!
লেখক বলেছেন: রাশেদ-
আপনাদের তথাকথিত "যুদ্ধাপরাধী দল" ক্ষমতার একাংশে আরোহন করে এবং তথাকথিত "যুদ্ধাপরাধী"রা মন্ত্রণালয় পরিচালনা করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, তারাই সত্যিকারের দেশপ্রেমিক।
এখন আপনি/আপনারা মামলাগুলোর কথা তুলবেন নিশ্চিত। এগুলো কি পর্যায়ের মামলা তা দেশের সাধারন একজন কৃষকের কাছেও পরিস্কার।
তাছাড়া আপনাদের ১৪ দল তো রাজাকার প্রার্থী দিয়ে প্রমাণ করেছেন তাদের স্বাধীনতার চেতনা মিথ্যাচার। এছাড়া এরশাদ সম্পর্কে নিচের অংশটুকু আরেকবার পড়ে নিন-
"৭১-এর ২৫ মার্চ যখন পাকসেনারা বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুরে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে এপ্রিলে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য সেপ্টেম্বরে রংপুরে আসেন। এবারো স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ না নিয়ে ফিরে যান পাকিস্তানে। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালি অফিসার ও সৈন্যদের ‘দেশদ্রোহিতা’র অপরাধে বিচার শুরু হলে লে• কর্নেল এরশাদকে ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। ভাবতে পারেন? ভুট্টো বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়া ৯৮ হাজার পাক যুদ্ধবন্দির একজনকেও সেনাবাহিনীতে বহাল রাখেননি। অথচ যিনি পাকিস্তানে বসে বাঙালি সেনা অফিসারদের বিচার করছিলেন তিনি হয়ে গেলেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান! এর প্রায়শ্চিত্ত জাতিকে করতে হবে না?"
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে আবারো স্বাগতম- এস্কিমো। ![]()
খুব দামী একটা বক্তব্য দিয়েছেন, কোট করে রাখার মত। ![]()
আসুন দেখি কে উত্তম।
রাজাকার=রাজাকারী + প্রমাণিত দেশপ্রেম (বিগত শাসনামলে দু'জন নির্ভেজাল সফল মন্ত্রী। ষড়যন্ত্রমূলক মামলা সম্পর্কে রাশেদের মন্তব্য বলা হয়েছে।)
এরশাদ=রাজাকার + এ প্রবন্ধের শেষাংশের উপরে উল্লেখিত বাকী কথাগুলো।
রাজাকার বলার ব্যাখ্যা দেখুন- ("৭১-এর ২৫ মার্চ যখন পাকসেনারা বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুরে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে এপ্রিলে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য সেপ্টেম্বরে রংপুরে আসেন। এবারো স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ না নিয়ে ফিরে যান পাকিস্তানে। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালি অফিসার ও সৈন্যদের ‘দেশদ্রোহিতা’র অপরাধে বিচার শুরু হলে লে• কর্নেল এরশাদকে ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। ভাবতে পারেন? ভুট্টো বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়া ৯৮ হাজার পাক যুদ্ধবন্দির একজনকেও সেনাবাহিনীতে বহাল রাখেননি। অথচ যিনি পাকিস্তানে বসে বাঙালি সেনা অফিসারদের বিচার করছিলেন তিনি হয়ে গেলেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান! এর প্রায়শ্চিত্ত জাতিকে করতে হবে না?")
আর বিস্তারিত অন্যান্য বর্ণনা তো পুরো পোষ্টজুড়ে, আরেকবার দেখে নেবেন।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
এরশাদরে লাথি মারি,কিন্তু তোমার মুখ থেকে তো এটা মানায় না, নিজামীর মত পাক্কা রাজাকার রে দেশের ভোলাভালা মানুষ মাইনা নিছে, এরশাদ তো সেই তুলনায় দেবদূত।
লেখক বলেছেন: আরিফুল হোসেন তুহিন-
এটাই আপনাদের আসল সমস্যা। আপনারা ভালো কথা শুনতে অভ্যস্ত নন।
কেউ যদি বাস্তবিকই কখনো অপরাধ করে থাকে, তারপর তার কথায় ও কাজে যদি সেটার সংশোধন করে নেয় এবং প্রমাণ করে দেখায়; তারপরও যদি কেউ তাকে তার অপরাধের জন্য মন্দ বলে, তবে বুঝতে হবে মন্দ বলা ব্যক্তিরাই আসল 'মন্দ'।
তাছাড়া আপনাদের কথিত "রাজাকার"-এর কাছ থেকে যদি দেশের মানুষ প্রকৃত সেবা পায়, যদি তারা বিশ্বাস করতে পারে, আস্থা আনতে পারে; তবে আপনাদের সমস্যা কোথায়?
যেভাবে পরিস্থিতি তৈরী করছেন আপনারা, তাতে মনে হচ্ছে সামনের দিনগুলোতে আপনাদের কথিত "রাজাকার"দেরকেই মানুষেরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে নির্বাচিত করবে ও নিজেদের নেতা হিসেবে মেনে নেবে।
অন্যদিকে আপনাদের দেবদূত 'চরিত্র' সম্পর্কে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে হেন লোক নেই, যিনি অবগত নন। আল্লাহ্ রহম করুন বাংলাদেশকে।
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:এরশাদরে লাথি মারি,কিন্তু তোমার মুখ থেকে তো এটা মানায় না, নিজামীর মত পাক্কা রাজাকার রে দেশের ভোলাভালা মানুষ মাইনা নিছে, এরশাদ তো সেই তুলনায় দেবদূত।
এস্কিমো বলেছেন: স্বৈরাচারার রাজাকারের চেয়ে উত্তম।
লেখক বলেছেন: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান-
আপনার বক্তব্য কোথায়?
টাইটেনিয়াম বলেছেন:
এই বইটির কোন ইলেকট্রনিক কপি কি পাওয়া যায়? খুব পড়তে ইচ্ছা করছে। আপনারা কেউ জানলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানান। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: টাইটেনিয়াম-
আমার জানা নাই, তবে পেলে জানাবেন। আমি প্রায়ই নাস্তিকদের সাইট/ফোরামেও ঢু মারি।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
খুব আঁতে ঘা লাইগাছে @ রাশেদ? শুন সত্যি কথা বিশ্ব বেহায়া, লুইচ্চারে জুটে নিয়া খুব শান্তি পাইবা না, কারণ দ্যাশের জনগণ তেনাগরে ঠিকই চিনে। ভুটটা কিন্তু হেরাই দিবো। লগি বৈঠা দিয়া আর কয়দিন??
লেখক বলেছেন: ফালতু মিয়া-
ভালো বলেছেন- "লগি বৈঠা দিয়া আর কয়দিন??"
সেলটিক সাগর বলেছেন:
রাশেদ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের দল কইরা আবার বড় বড় কথা!
লেখক বলেছেন: সেলটিক সাগর-
"যুদ্ধাপরাধীদের দল" শব্দগুলো তো আপনাদের তৈরী "বাংলাদেশ থেকে ধর্মভিত্তিক দল বিতাড়ন" প্রজেক্ট বাস্তবায়নের একটি হাতিয়ার। অবশ্য ভোঁতা। খুব একটা কাজে দেয়নি, দেবেও না ইনশাআল্লাহ্।
কিন্তু বললেন তো রাশেদের কথা, আপনার "কথা" কোথায়?
তানভীর মোর্শেদ বলেছেন:
ভাই মনে হয় সংগ্রাম নয়া দিগন্তো পড়েন ??বুঝছি, তয় আব্দুর রহমান বিশ্বাস এর থাইক্যা আর কি খারাপ হইব কন ?? যদিও আমি এরশাদরে সাপোর্ট করি না কিন্তু রাজকারের থাইক্যা স্বৈরাচার ভালো ----কথাটা মনে রাইখেন ।
লেখক বলেছেন: আপনি বোধ হয় লম্বা হবার কারণে কিংবা অন্য কোন কারণে লেখার শেষটুকু পড়তে পারেননি, অথবা আবার দেখে নিন-
"'আমাদের সময়'-এ প্রকাশিত আকিদুল ইসলামের লেখা থেকে নিম্নোদ্ধৃত অংশটুকু যোগ করছি, এতে দেশপ্রমিক মানুষেরা অনেক অমিল-সমিল খুঁজে দেখতে পারবেন এ লেখায় আলোচিত একজন 'বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রসিডেন্ট হবার স্বপ্নদ্রষ্টা'র কার্যক্রমে। তবে বিশেষ শিক্ষা নিহিত রয়েছে 'দেশ-প্রেমের ফেরিওয়ালা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম' এর জন্যে।
"৭১-এর ২৫ মার্চ যখন পাকসেনারা বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুরে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে এপ্রিলে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসুস্থ পিতাকে দেখার জন্য সেপ্টেম্বরে রংপুরে আসেন। এবারো স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ না নিয়ে ফিরে যান পাকিস্তানে। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানে আটকেপড়া বাঙালি অফিসার ও সৈন্যদের ‘দেশদ্রোহিতা’র অপরাধে বিচার শুরু হলে লে• কর্নেল এরশাদকে ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। ভাবতে পারেন? ভুট্টো বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়া ৯৮ হাজার পাক যুদ্ধবন্দির একজনকেও সেনাবাহিনীতে বহাল রাখেননি। অথচ যিনি পাকিস্তানে বসে বাঙালি সেনা অফিসারদের বিচার করছিলেন তিনি হয়ে গেলেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান! এর প্রায়শ্চিত্ত জাতিকে করতে হবে না?"
দেশবাসীকে চিন্তা করতে হবে, একথা বুঝতে হবে যে, ১৪ দলীয় মহাজোট বিজয়ী হলে এরশাদের মত ব্যক্তিদের আবারো প্রেসিডেন্ট হবার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পরন্তু যারা রাজাকার প্রার্থী দিয়ে,,,,,,
এরশাদের মত '৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক হিসেবে যোগদানকারী (এক প্রকারের রাজাকার)'
ও নিজেদেরই সংগ্রামে নিপাত করা একদার স্বৈরাচারের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতার মসনদে আরোহণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং অন্যদিকে তারাই আবার মীমাংসিত যুদ্ধাপরাধী ইস্যূকে সামনে রেখে ও 'রাজাকার' 'আলবদর' বলে চিৎকার করে করে মুখে ফেনা তুলে তাদের দ্বিমুখী চরিত্রকে গণমানুষের সামনে উলঙ্গ করে দিচ্ছে। সুতরাং দেশবাসীদের এদেরকে চিনতে হবে। মূলতঃ এসবের মাধ্যমে যারা বাংলাদেশের ৮৫ ভাগ মানুষের ঈমান-আকীদাকে মুছে দেয়ার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদেরকে প্রতিহত করাই এবারের নির্বাচনে উক্ত ৮৫ ভাগ মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। অন্যথা এর দায়ভার তাদেরকেই বহন করতে হবে। আল্লাহ্ হেফাযত করুন বাংলাদেশকে এসব ভয়ংকর নেতৃত্বের মহামারী থেকে।"
রাশেদ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের দল কইরা আবার বড় বড় কথা!
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: এরশাদরে লাথি মারি,কিন্তু তোমার মুখ থেকে তো এটা মানায় না, নিজামীর মত পাক্কা রাজাকার রে দেশের ভোলাভালা মানুষ মাইনা নিছে, এরশাদ তো সেই তুলনায় দেবদূত।
*************
ঠিক কথা।
সবার আগে লাথি মারি রাজাকার জামাতরে
এর পরে স্বৈরাচারকে
এরপরে আওয়ামী বিএনপি দুইটারে আরো জোরে কইষা লাথ্থি মারি, যারা ক্ষমতার লোভে রাজাকার আর স্বৈরাচারের লগে জোট করে।
লেখক বলেছেন: ভাইজান কি "জামানত হারানো দল"-এর কেউ? ![]()
লক্ষ্য করলে দেখতে পেতেন যে, আপনার কোট করা আরিফুল হোসেন তুহিন আগে কিন্তু এরশাদরে লাথি মারার কথা বলেছিলেন।
যাইহোক, আপনার মন্তব্যে সমাধান দেখতে পাইনি; বরং সমস্যা আরো জটিল হয়ে পড়েছে। ![]()
পারভেজ বলেছেন:
যেভাবে রাজাকার আলবদর সহ্য হয়; মাতা- পুত্র জুটি দ্বয় সহ্য হয়।সেভাবেই হবে!!
নিজামী, খালেদা, হাসিনা গং কে সহ্য করতে পারলে এরশাদ সহ্য হবে না কেন?
ভূতের মুখে রাম নাম মানায় না!!
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: পারভেজ-
একথা ঠিক যে, এদেশের মানুষেরা সহ্য করে অনেক, অনে---ক। কিন্তু তেড়ে গেলে স্বৈরাচারের মসনদও উল্টে যায়। তাই হয়তবা আবারো সহ্য করবে, হয়তবা আদৌ তা করতে হবে না।
কিন্তু আপনাদের সমস্যা হলো জামায়াত বাংলাদেশকে নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করে, এদেশের জন্য কাজ করে, এদেশকে ভালবেসে; এমনকি সর্বশেষ নিজেদের নামের আগেও দেশকে প্রাধান্য দিয়ে প্রমাণ করেছে যে, তারা বাংলাদেশকে ভালবাসে। তাদের দু'জন মন্ত্রী সফলভাবে দেশ প্রেমের সাথে সাথে তাদের বলা সততারও প্রমাণ দিয়েছে দেশবাসীর কাছে। এমনকি দেশবাসীও তাদেরকে ভালবেসেই ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে। আরো মজার ব্যাপার আপনাদের পাকানো "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার"-এর ধোঁয়াকে দেশবাসী আমলেই আনেনি; বরং বিরাট একটা অংশ ফুঁ দিয়ে মিশিয়ে দিয়েছে স্বাধীন বাংলার মুক্ত বাতাসের সাথে।
তারপরও আপনারা জোর করে জামায়াতকে পাকিস্তানপ্রেমী বানানোর জন্য হেন সাধনা নাই যা করে যাচ্ছেন না।
তাই আপনার "ভূতের মুখে রাম নাম মানায় না!!" প্রবাদের বিনিময়ে আমি যে প্রবচনটি বলবো, তা হলো- "সত্যের কল বাতাসে নড়ে!!!"
আল-আমিন বলেছেন:
লগি-বৈঠা দিয়া মানুষ হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার সময় এসেছে।বেলটের মাধ্যমে এর জবাব দেয়া আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।
লেখক বলেছেন: আল-আমিন-
আশা করছি দেশের মানুষ বিগত নির্বাচন বানচালকারীদেরকে এবং ২৮ অক্টোবর ভুলে যাননি। ইনশাআল্লাহ্ এবারে ব্যালটের মাধ্যমে সে জবাব দেয়ার জন্য তারা প্রস্তুত। আল্লাহ কবুল করুন।
লেখক বলেছেন: এরশাদকে বোধ হয় তার "ছোট বোন" নিজেও প্রসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চায় না ![]()
আর নিজামী ইতোমধ্যে সরকার পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করে প্রমাণ করেছে যে, তারা যে সৎ ও যোগ্য দেশ পরিচালনার কথা বলে এসেছে, তা তাদের দ্বারাই সম্ভব। সুতরাং দেশবাসীকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেন।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
সে কথায় চিন্তা করছি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















