আমার প্রিয় পোস্ট

আমার মেঘের বুকে জল/তোমার তেমন আকাশ কই/ইচ্ছে করে আরেক জনম/মুষলধারা হই...

আজ F-1 ভিসার কনফারমেশন পেলাম.....

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

শেয়ারঃ
0 0 0

ঠিক এক বছর আগে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে GRE পড়ার মাধ্যমে যে অনিশ্চিত পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম, আজ US Embassy থেকে ভিসা কনফারমেশন পাওয়ার পর তার সফল সমাপ্তি হলো। এই দীর্ঘ এক বছরে কত কত বাধা, কত টেনশন, কত টাকার অনিশ্চিত শ্রাদ্ধ.....ভাবতেই কেমন লাগে। একেকটা uni তে apply করতাম আর টেনশনে থাকতাম, স্কলারশিপ পাবো তো? দিলেও ফুল স্কলারশিপ দিবে তো? প্রায় লাখখানেক টাকা খরচ করতেছি(নিজের+বাপের), এগুলা কাজে লাগবে তো? আর GRE-র কথা চিন্তা করলেই তো কেমন কেমন লাগে! একেকটা word তো word না যেনো হাতুড়ী। যে স্পীডে মুখস্থ করতাম তার দ্বিগুন স্পীডে ভুলতাম। আর TOEFL এক্সাম দিতে গিয়ে তো মর্মান্তিক কাহিনী। ভুলেও কেউ গ্রামীন স্টারে TOEFL এক্সাম দিতে যাইয়েন না,আর যদি schedule এর প্যাচে পড়ে দিতেই হয়, তাহলে আল্লাহর নাম নিয়ে মনটারে শক্ত করে যা হয় হবে এমন একটা preparation নিয়ে রাখাই ভালো B-)। যখন তখন pc অফ হয়ে যাবে, concentration যাবে ব্রেক হয়ে(যেটা TOEFL এ সবচেয়ে বেশি দরকার)। তবে এখানকার একটা সুবিধাও আছে যেটা কিছু সৌভাগ্যবান/সৌভাগ্যবতী পেয়ে থাকে আর তা হলো নিজের PC বন্ধ থাকার সময় যদি অন্য কারো speaking চলতে থাকে আর নিজের speaking যদি তখনো না হয়ে থাকে,তাহলে ঐগুলা শুনে শুনে সুন্দর লিখে ফেলা যায় আর নিজের speaking এর সময় জাস্ট কপি পেস্ট। এইটা বাদ দিলে গ্রামীন স্টারে TOEFL এর এক্সপেরিয়েন্স কমবেশি সবারই ভয়াবহ। আমি নিজে খুব ভালো Preparation নিয়ে গেছিলাম, কিন্তু তিনবার pc বন্ধের ফাদে পড়ে পুরা তালগোল পাকায় গেছিলো। এক্সাম শেষে তো বিরক্ত হয়ে নেক্সট এক্সাম কবে দিবো এইটা নিয়ে চিন্তা শুরু হয়ে গেছিলো। আল্লাহর অসীম কৃপায় যে পার্টগুলায় গোলমাল লাগছিলো ঐগুলা কাউন্ট হয়নাই, আর আমারো স্কোর ভালোই আসছে। net এ স্কোর দেখে আমি নিজেই চমকে গেছি, আমার ধারনা ছিলো আরো ১০-১৫ কম পাবো :)


যাইহোক, GRE TOEFL তো ভালয় ভালয় শেষ হল, এখন অ্যাপ্লিকেশনের পালা। ছিলাম সাগরে,পড়লাম মহাসাগরে। হাজার হাজার ইউনি usa তে, কোনটা ছেড়ে কোনটায় apply করবো? তার উপর একেকটায় apply করতে ৭-১০ হাজার টাকা বেরিয়ে যায়। কেমনে জানবো কোনটায় ফান্ডিং পাওয়া যাবে? শুরু হল দিনরাত নেট সার্চিং আর প্রফেসরদের মেইল করা। গনহারে টিচারদের ইমেইল করতে লাগলাম। সব মেইলের ভাষা একই--"আপনার ওয়েবসাইট দেখলাম,আপনার অমুক রিসার্চ পেপারটা আমি মন দিয়ে পড়ছি,আমার খুব খুব পছন্দ হ্ইছে (যদিও খালি রিসার্চ টাইটেল ছাড়া কিছু দেখিনাই)....আমি আন্ডারগ্রাজুয়েটে ঠিক এই টপিকসের উপর কাজ করছি (কচু করছি, একটা থিসিস করছিলাম তাও জোড়াতালি দিয়ে).....আপনার রিসার্চ ইন্টারেস্ট আর আমার রিসার্চ ইন্টারেস্ট একদম সেইম (কম্পিউটার সায়েন্সের সঅঅব ফিল্ডই আমার ফেভারিট রিসার্চ এরিয়া হয়ে গেছিলো কদিনের জন্য).....আমি আপনার সাথে কাজ করতে খুবই আগ্রহী (যদি TA/RA দেন).....আপনার সাথে কাজ করতে পারলে ধন্য হয়ে যাবো........blah blah blah"। রেসপন্সও পেতে থাকলাম অনেক। কিছু রেসপন্স খুবই হাস্যকর-----"আমার তোমাকে খুবই পছন্দ হইছে, হ্যা আমি তোমাকে নিতে চাই, কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি কোনো ফান্ডিং দিতে পারবোনা...আসবা?"। কিছু আছে হৃদয়বিদারক-----"তোমার আর আমার রিসার্চ ইন্টারেস্ট একই, তোমাকে নিতে পারলে খুশী হতাম, কিন্তু আমি এই সেমিস্টারে স্টুডেন্ট নিচ্ছিনা"। আবার কিছু আশাব্যন্জক-----"তোমার প্রোফাইল/CV পাঠাও দেখি"----পাঠানোর পর "হ্যা তোমার GRE TOEFL স্কোর তো ভালই, অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজও স্ট্রং, তো ডিসিশন তো নিবে অ্যাডমিশন কমিটি,ওরা নিশ্চয়ই তোমাকে গুরুত্বের সাথে consider করবে,hope for the best"। এসব মেইল ক্লান্তিহীনভাবে পড়তাম আর মেইলবক্সে ট্যাগ করে রাখতাম। অবশেষে ৬টা স্কুল সিলেক্ট করতে পারলাম। এখন ভার্সিটিতে গিয়ে recommendation letter কালেক্ট করা। সে আরেক কাহিনী যার শুরু আছে শেষ নাই :(( (আরেকদিন বলবো)


অবশেষে মোটামুটি সবকিছু রেডি টেডি করে, অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরন করলাম আর ক্রেডিট কার্ডওয়ালা পাবলিক খুজতে লাগলাম। কিন্তু খোজাখুজি্ই সার,সবারই ন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারন্যাশনাল কারোই নাই(থাকলেও দিতে চায়না)। কি আর করা, একটা ইউনির ডেডলাইন কাছে চলে আসছে। নিরুপায় হয়ে গেলাম ভার্সিটি অ্যাডমিশন ডট কম এ(আমি নাম দিছি গলাকাটি মিশন ডট কম, ওদের রেট চার্ট দেখলে মাথা ঘুরায়)। score forwarding আর অ্যাপ্লিকেশন ফি বাবদ এক্সট্রা যে টাকা বেরিয়ে গেলো, তাতে আমি প্রমাদ গুনলাম। এরকম হলে যে টাকা আছে তা দিয়ে ৬টার জায়গায় টেনেটুনে ৪টায় অ্যাপ্লাই করা যাবে। ভাগ্য ভালো আমাদের ভার্সিটির এক সিনিয়র ভাইয়া বুয়েটের এক ভাইয়ার সেল নাম্বার দিলেন যার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে এগুলা করা যায়। উনি খুব অল্প টাকা চার্জ নেন। যাক আল্লাহ মুখ তুলে চাইলো অবশেষে। উনাকে দিয়েই বাকিগুলাতে অ্যাপ্লাই করলাম।

অ্যাপ্লাই তো শেষ, এখন অপেক্ষার প্রহর তো ফুরায় না। ৮ মাস বেকার বসে ছিলাম,পকেট পুরা গড়ের মাঠ,ঢুকলাম আরেকটা জবে। ডেইলি রাত্রে আশা নিয়ে মেইলবক্স চেক করি,কোনো খবর এলো কিনা। আল্লাহর অসীম রহমতে প্রথম যে মেইলটা আসলো ইউনিভার্সিটি থেকে,সেইটাই PhD এর জন্য ফুল স্কলারশিপের মেইল! আমাকে আর পায় কে (মজার ব্যাপার হল পরে আরো অ্যাডমিশন পাইছি,কিন্তু ফুল স্কলারশিপ আর একটাও পাইনি!)। এরপর ভিসা ইন্টারভিউ এর জন্য কাগজপত্র জোগাড়,দৌড়াদৌড়ি, I-20 হাতে নিয়ে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকা, ভিসার জন্য টেনশন......অবশেষে সেই ক্ষণ। আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম মহিলা অফিসার যেনো না পড়ে (শুনছি উনারা অনেক উল্টাপাল্টা q করে)। ভারি পুরুষ কন্ঠে আমার নাম শুনে লাফ দিয়ে উঠলাম। ইন্টারভিউ হলো সাকুল্যে দেড় মিনিট। full funding পাইছি কিনা, TA/RA কোনটা করতে হবে, gre/toefl স্কোর কত........শেষ। যদিও সাথে করে নিয়ে গেছিলাম একগাদা ডকুমেন্টস (খাস বাংলায় লেখা বাপের জমিজমার দলিল সহ), কিছুই লাগেনাই। যদিও additional processing এ পাঠাইছে, এক দেড় মাস টাইম লাগবে পাসপোর্ট হাতে পেতে, কিন্তু confirmation letter দিয়ে দিছে। আল্লাহকে অসংখ্য ধন্যবাদ সবকিছুর জন্য। আর পাঠকদেরও ধন্যবাদ এতক্ষন ধরে আমার প্যাচাল শোনার জন্য। ইচ্ছা আছে যারা usa যেতে আগ্রয়ী higher education এর জন্য, তাদের কাজে লাগবে এমন কিছু পোস্ট দেওয়ার। কারণ আমার ক্ষুদ্র experience এ যেটা দেখছি, GRE তে একটু ভালো স্কোর মানে স্কলারশিপ অলমোস্ট কনফার্ম, শুধু সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে হিট করতে হবে আর অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজটা স্মার্ট করে প্রেজেন্ট করতে হবে। আর স্কলারশিপ পেলে তো ভিসা ডালভাত। আমার জন্য দোয়া করবেন সবাই। এখনকার মত বিদায়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
ম্যাভেরিক বলেছেন: কল্যাণকর গৌরবময় হোক এই প্রচেষ্টার ফসল...
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: ++ সংবাদ আবার কি?

৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: আশির্বাদ রইলো তোমার প্রতি।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: অনেক অনেক শুভকামনা রইল। কোন ইউনি তে যাচ্ছেন? আপনি কি বুয়েট? গ্রামীণ স্টারের হ্যাপা আমাকেও সহ্য করতে হয়েছিল। ভালো থাকুন। শুভ হোক নতুন পথচলা।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমার ইউনিভার্সিটি হচ্ছে UTSA (University of Texas at San Antonio)

৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ুহুম্মম ...জি আর ই শুরু করতে ভয় লাগে ...

যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন ...


ভালো থাকবেন ...
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: শুরু করে দিন, একবার ভালোমত শুরু করলে দেখবেন মজা লাগবে....এপ্লিকেশন প্যাকেজটা অনেকই চাচ্ছে, আমি সফট কপি বানানো শুরু করছি, হয়ে গেলে অবশ্যই পাঠিয়ে দিবো।

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: হে হে হে......চাচামিঞা ভালা নি?

৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
পারভীন খােলদা বলেছেন: I wish your all success, its really a tough job but u did it, congratulations!! i will appreciate if you give a informative post for other scholarship seekers.

Best of Luck.
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: thanks

৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
ডি এস এন হীরা বলেছেন: কংগ্রাচুলেশানস্। আমাদের ভাবমুর্তি উজ্জল করুন সে শুভ কামনা রইলো। আশাকরি আপরার পরের স্টেপস্ ও ব্লগে আমাদের শাথে শেয়ার করবেন। এটা আমাদের জন্য খুবি সহায়ক হবে। +১

ধন্যবাদ
৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
ইটেপা বলেছেন: শুভ কামনা রইল। লেখাটি অনেক স্টুডেন্টকে অনুপ্রারীত করবে, ধর্য্য ধরতে সাহায্য করবে। আমার ভাল লেগেছে।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইটেপা

১০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
জেমসবন্ড বলেছেন:

....কংগ্রাচুলেশানস্ । মন্দায় যাচ্ছেন চলতে পারবেন তো ? আবার তো সোয়াইন ফ্লো শুরু হইছে । সুতরাং সাবধানে ।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস.....ফুল স্কলারশিপের সাথে ভার্সিটি থেকে বেশ ভালো অ্যামাউন্ট দিবে লিভিং কস্ট হিসেবে....এইটাই ভরসা

১১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
সো-(হেল)!! আহমেদ বলেছেন: ডিগ্রী শেষে এই অভাগা দেশে আবার ফিরা আইসেন।
১২. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
যুগান্তকারী বলেছেন: আপনারে স্বাগতম জানাই।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: BD থেকে না US থেকে?

১৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
বাসার বলেছেন: সংবাদটা সুখের। যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন।
১৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
অধর বলেছেন: শুভ কামনা রইল।

এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা কি পেতে পারি............

ahdhor[gmail][com]
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: কমপ্লিট হলেই পাঠায় দিবো ইনশাল্লাহ

১৬. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
অভীষ বলেছেন: . best of luck.
১৭. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫১
আতিকুল হক বলেছেন: কংগ্র্যাচুলেশনস। :)

সিকিউরিটি (এডিশনাল প্রসেসিং) কোন ব্যপার না। তিন দিনেও হয়ে যেতে পারে। স্টুডেন্ট ভিসায় কয়েক মাসের বেশি লাগে না কখনোই। তবে ভিসা হবে এটা নিশ্চিত। সো, গোছগাছ শুরু করে দেন।

মহিলা ইন্টারভিউয়ার কিন্তু খারাপ না। আমার তাই ছিল। পাচ মিনিটে ভিসা দিয়ে দিয়েছে। সিকিউরিটি দেয়নি। বলেছে তিন দিন পর ভিসা সহ পাসপোর্ট নিয়ে যেতে।

আপনি কি বুয়েটের না? তাহলে ফি নিয়ে এতো ভুগলেন কেন? পরিচিত কোন সিনিয়র, বিদেশে আছেন এমন কাউকে বললেই হতো। দেশের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে অবশ্য ফি দেয়া কঠিন। গর্ভমেন্টের বার্ষিক আপার লিমিট আছে ৫০০ না ৭৫০ ডলার।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া......

আমি বুয়েটের না, চুয়েটের। আচ্ছা এডিশনাল প্রসেসিং জিনিসটা কি? এইটা কাউকে দেয় কাউকে দেয়না এমন কেনো? যদি কয়েক মাস লেগে যায় তাহলে তো জুন/জুলাই এর দিকে যারা apply করে তাদের academic session মিস ও হয়ে যেতে পারে? সেক্ষেত্রে কি স্পেশাল কোনো ব্যবস্থা নেয়া যায়?

১৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৭
লুথা বলেছেন: ভাই আমি আপনার রেজাল্ট জানতে চাই মানে গ্রাজুয়েশন এর।

মিনিমাম কত সিজিপিএ থাকতে হয় ? আমি শুনছি অনেক ভালো সিজিপিএ নাকি লাগে ??
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: না ভাই, ভালো সিজিপিএ থাকতে হয় এটা একেবারেই ভুল। 3.25 is enough. even 3+ থাকলেও সেটা পুষিয়ে নেয়া যায় ব্রিলিয়ান্ট GRE স্কোর দিয়ে। আমার সিজিপিএ ছিলো 3.29

২০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
বোকা ছেলে বলেছেন: শুভ কামনা আপনার জন্য। আপনারে দেইখ্যা তো আশায় বকিটা ভইরা গেলো...তয় GRE পড়তে কস্ট লাগে :( :(
২১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন .. শুভ সংবাদ ।

তবে ইউ এস এ গিয়ে মন খারাপ না হলেই হলো :)
২৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:২৬
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন

এই এড্রেসে।
২৪. ০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১২:১৪
অর্ন্তমুখী বলেছেন: অভিনন্দন!আপনার এই অভিজ্ঞতার বিস্তারিত নিয়ে পোস্ট দিন।অনেকেরই কাজে লাগবে।
২৫. ০২ রা মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
আতিকুল হক বলেছেন: সিকিউরিটি প্রসেসিং এর ব্যাপারে আসলে কিছু করার নাই। সিকিউরিটি পাওয়াটা অনেকটাই লাকের ব্যাপার- ওদের পলিসি আর ইন্টারভিউয়ারের ইচ্ছা। ওরা কিছু র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং এ ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে। তবে স্টুডেন্ট ভিসায় কারো সিকিউরিটির অপেক্ষায় বসে থেকে সেশন মিস হওয়ার কথা শুনি নাই। যখনই দাড়াক হয়ে যায় সময় হওয়ার আগেই।

প্রবাস জীবনে স্বাগতম!!
২৬. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: অভিনন্দন। পারলে এ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজটা একটু পাঠায়েন।
২৭. ১৩ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এইডা পজিটিভ না? তুমি না কোরিয়ায় আছিলা?

কিছুই বুঝতাছি না, তবে তুমারে কন গ্রাটস!
২৮. ২২ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
মাহমুদ সিএসই বলেছেন: আপনার জন্য শুভকামনা। যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন প্লিজ। ই-মেইল :
২৯. ২৪ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
শরীফ উদ্দীন বলেছেন: শুভ কামনা রইল। আপনার পরবর্তী স্টেপগুলো সফল ভাবে পার করাতে পারেন ও বয়ে আনতে পারেন বাংলাদেশের জন্য গৌরব। ধন্যবাদ আপনার পোষ্টের জন্য। অনেকের কাজে লাগবে।

আর যদি সম্ভব হয় তবে এপ্লিকেশন প‌্যাকেজটা একটু মেইল করলে উপকৃত হব।
৩০. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
সাজিদ. বলেছেন: অনেক শুভকামনা রইল। আপনি সরাসরি PhD এ করেছেন? নাকি MS করা ছিল? জানাবেন। আমি Undergrad শেষে সরাসরি PhD তে apply করতে চাই। আপনার application package টা পাঠালে খুশি হব।

sajid.kaist এট gmail.com
৩১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৭
ঘুমরাজ বলেছেন: শুভ কামনা রইল।
আপনার application package টা পাঠালে খুশি হব।
৩২. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
বাকেরভাই বলেছেন: ভাই খুব দরকারি লেখা। আমি বাচেলর শেষ করলাম । সিজিপিএ ভালো না মাত্র 2.80 । আমার ক্ষেত্রে কি করনিও থাকতে পারে এই ক্ষেত্রে । জানালে এক্তু খুশি হব । আর যদি দয়া করে প্যাকেজ টা পাঠালে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।
৩৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: দারুন। এই বছর শেষের দিকে খুব ক্যালকুলাস জিজ্ঞেস করেছে ইন্টারভিউতে। খুবই হাস্যকর ব্যাপার।
৩৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
কালের কুতুব বলেছেন: শুভ কামনা রইল।
যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন ...
৩৬. ১৩ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৪
লিবিব বলেছেন: আমাকেও দিবেন...।।
৩৭. ১৩ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৫
লিবিব বলেছেন:
৩৮. ১০ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩৯
জিহান আনোয়ার সাদাত বলেছেন: ভাই।কোন স্টেট।আমি ২৮ জুন ভিসা পেলাম।মানে পাসপোর্ট পেলাম।আমাকে ২ কার্য দিবসে দিছে।তবে আমি আন্ডারগ্রেড এ যাচছি।দোয়া করবেন
৩৯. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৪
অ।মি বলেছেন: May be u r not coming this I dont know whether u come to this blog anymore or not. Bcoz I dont see any latest response from u. Anyway if u come please send me ur appl package to

anyway, Apnar score koto silo GRE-TOEFL e. Thank u and wishing u happy prosperous life
৪০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৮
রাজিববাবা বলেছেন: যদি সম্ভব হয় তাহলে এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা মেইল করবেন ...

৪১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
কাঠঠোক্‌রা বলেছেন: ভাইডি, এপ্লিকেশন প্যাকেজটা পাইলে খুব উপকার হইত .. :)
৪২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৭
কাঠঠোক্‌রা বলেছেন: ভাইডি, এপ্লিকেশন প্যাকেজটা পাইলে খুব উপকার হইত .. :)
৪৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩৫
হেফান বলেছেন: কনগ্র্যাচুলেশনস ভাই, আপনি ভাগ্যবান। USA তে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে কেমন স্কলারশীপ পাওয়া যায়? কোন টিপস দিতে পারলে বড়ই উপকৃত হৈতাম..... :)
০৫ ই নভেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে স্কলারশিপ পাওয়ার চান্স খুবই কম, বলতে গেলে প্রায় শুণ্য। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেলে সবাই টিউশন ফি টা নিজের পকেট থেকেই দেয়, আর টুকটাক জবটব করে লিভিং কস্ট যোগাড় করে। তবে মাস্টার্স আর ডক্টরেটে পুরো উল্টা। প্রচুর স্কলারশিপ অপরচুনিটি থাকায় মোটামুটি সবাই কিছু না কিছু ম্যানেজ করতে পারে।

৪৭. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৮
দূর্লভ রায় বলেছেন: vaiya , plz send me your application package .

Email:
৪৮. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৪১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আমাকে আর পায় কে (মজার ব্যাপার হল পরে আরো অ্যাডমিশন পাইছি,কিন্তু ফুল স্কলারশিপ আর একটাও পাইনি!)

এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গায় হিট করা ভাগ্যেরও ব্যাপার। এই জন্য ৮-১০ টাতে আবেদন করতে বলা হয়। খুব ছোট ভার্সিটি থেকে প্রত্যাখ্যাত হবেন, কিন্তু বড় ভার্সিটি লুফে নিবে। টেক্সাস শুনেছি একটু বিটকেলে বর্ণবাদের জায়গা। শুভ কামনা।
৪৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪
আলোর মিছিল বলেছেন: ভাইরে, আমার জন্য একটু দোয়া করেন। আগামী মাসে জিম্যাট পরীক্ষা। preparation এর অবস্থা মোটেই আশানুরুপ না। জব করি ব্যাংকে। সব মিলায় অবস্থা শোচনীয়।


৫০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:২৯
হাঁড়িচাচা বলেছেন: আপনাকে অনেক অভিনন্দন। আর সেইসাথে অনুরোধ application package টা এ পাঠানোর জন্য।
ধন্যবাদ।
৫১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:১২
বর্ণান্ধ বলেছেন: ভাই নিশ্চয়ই এখন আমিরিকায়। সবার মত করে আমিও এপ্লিকেশন প্যাকেজটা চাইছি।
৫২. ১৯ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:২৯
সেতু আমিন বলেছেন: বর্ণান্ধ বলেছেন: ভাই নিশ্চয়ই এখন আমিরিকায়। সবার মত করে আমিও এপ্লিকেশন প্যাকেজটা চাইছি।
৫৩. ২৫ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৮:০৭
ডিএইচ৫০০ বলেছেন: আমাকে এপ্লিকেশন প্যাকেজটা পাঠিয়ে দিন ,please.

এই ঠিকানায়।
৫৪. ১৬ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ১২:২২
ৈসকত িব্াস বলেছেন: আমাকে এপ্লিকেশন প্যাকেজটা পাঠিয়ে দিন ,please.
এই ঠিকানায়।
৫৫. ৩০ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৩৩
সরল জীবন বলেছেন: ভাই আপনার এপ্লিকেশন প্যাকেজ টা পেলে হতো আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্নটাকে আরেকটু পোক্ত করে নিতাম, আমার ইমেইল এড্রেস হচ্ছেঃ

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৬০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই