সেসব কাহার জন্ম নিশ্চিত করে জানি
২৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
আজ ডেইলি স্টারে একটা লেখা পড়লাম। সেইখানে লেখক বলছেন ভারতে বন্দী পাকিস্তানীরা দেশে ফিরার আগে নাকি হুমকি দিছিলো দেইখা লমু তোগোরে। তোগো বলতে, ভারত আর বাংলাদেশরে যাগো লাইগ্যা তাগো মুখে চুনকালি লাগছে।
পাকিস্তান চাইছিলো বাঙালীর জাতিগত শুদ্ধি। আমাগো সংস্কৃতির মধ্যে হিন্দুয়ানা প্রবল। কারণ আমরা শহীদ মিনারে ফুল দেই, নববর্ষে পান্তা ইলিশ খাই আর নাচ-গান করি। আমরা রবীন্দ্রনাথ পড়ি, আমরা তার গান ও কবিতারে সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করি। এইটা ঠিকঠাক করতে তারা পুরুষ পোলাগো মাইরা নারীগোরে ধর্ষন কইরা একটা নতুন জাত উপহার দিতে চাইছিলো আমাগোরে।
সেই পরিকল্পনা কাজে লাগে নাই। তবে প্রতিশোধের সংকল্প থাইকা তারা ফিরত আসে নাই। সেই মোতাবেক তারা আইএসআইরে দায়িত্ব দিছিলো বাংলাদেশে জামাতরে পুনঃপ্রতিষ্ঠা কইরা পাকিস্তানে ফেরত আনা। মুজিব মাইরা তারা শুরু করলো সেই পথে যাওয়া। কিন্তু জামাত প্রতিষ্ঠা পাইছে, বাংলাদেশ আর পাকিস্তান হয় না।
১৯৭৯ সালে লাহোরে এক গোপন বৈঠকে ঠিক করা হয় জাতিগত শুদ্ধির সেই আগের পরিকল্পনায় তারা ফেরত যাইবো। সেই মোতাবেক জামাতের প্রতিটা পাবলিকরে ইসলামী আইনের সুযোগ নিয়া একাধিক বিবাহ করার নির্দেশ দেয়া হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ করা হয়। িডম না ফুরানো পর্যন্ত বাচ্চা পয়দা করার সে হুকুম তারা তামিল করা শুরু করে। ১৯৮০ সালে এই আইনে নতুন একটা ধারা যোগ হয়। তাতে বলা হয় শুধু জামাতি জিনে দালালই তৈরি হবে। আর যেহেতু এই জিনের কিছু অংশে বাঙালীয়ানা আছে তাই তাদের সন্তানরা পরিপূর্ণ পাকিস্তানী হওয়ার সুযোগ কম। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ খোয়ারে একবার করে বিবি পাঠানোর নতুন হুকুম জারি হয়।
এই শঙ্করজাত নিয়া আইএসআই মহাখুশী। কারণ এরা দেখতে বাঙালীগো মতই। কথাও বলে বাংলা। এমনকি বাংলায় ব্লগও লিখতে পারে। ত্রিভুজ, সাগরনীল, প্রশ্ন কতোর মতো বাংলা নিক নিতে পারে। কিন্তু কাজে কর্মে একদম বায়োলজিকাল ফাদারদের মতো। তারা রবীন্দ্রনাথরে গাইলাইবো, যেহেতু সে হিন্দু আর ভারতীয়, তাই তার লেখা জাতীয় সঙ্গীত বাতিলের দাবি তুলবো। তারা সারাদিন ভারতরে গাইল পারবো। তারা সবার মধ্যে আওয়ামী লীগরে দেখবো (এইজন্য দেখে কারণ তাদের জৈবিক বাবারা প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামী লীগ ছাড়া কাউরে পায় নাই। তাদের সময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি আছিলো না)। তারা ধর্ষন জায়েজ বইলা পোস্ট দিবো। মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লিখলে বাপেগো মতো ভারতের দালাল কইবো। আর মুক্তিযোদ্ধাগো বিরুদ্ধে ধর্ষণ আর গণহত্যার অভিযোগ আনবো।
পাকিস্তানী সেই চক্রান্ত একাংশে সফল। সামহোয়ারে তাদের চোদনে জন্ম নেয়া ত্রিভুজ-সাগরনীল-পাঞ্জেরী-প্রশ্ন কতোরা এখন বাপেদের অধিকার আদায়ে নামছে।
আমাদের কি করা উচিত?
সু-শান্ত বলেছেন:
খুব শক্ত লেখা ও পরিশেষে জটিল প্রশ্ন। উত্তরের প্রত্যাশায় ।
ভক্কডা বলেছেন:
এতক্ষনে কিলিয়ার অইল এই জারজ গুলান আহে কইথন। আরেক জারজ ডিয়ার পাকি বাপের চোদা আইজকা পোস্ট দিচে হ্যায় কিলা জামাত পছন করে। কিন্তুক এই পুস্টে দেওয়া সইত্যগুলান হ্যায় গোপন কইরা গেছে। ++++....
লেখক বলেছেন: এইবার বুঝেন হালারা কতোবড় মুনাফেক
তীরন্দাজ বলেছেন:
ঠিক! +++++
কোবরা বলেছেন:
আমিও চিন্তা কইরা পাইতাছিলাম না এই বেজন্মা গুলা আইলো কই থিকা(!)এই মাদার ** বেজন্মা গুলারে বাংলাদেশী কুত্তা দিয়া োা খাওয়াইলে তাগো পরের প্রজন্ম কি পাকিকুত্তা না বাংলাদেশী নেড়ী কুত্তা হইয়া জন্ম নিবো ফেলুদা?
আকাশচুরি বলেছেন:
লাথি দিয়া ফাকিস্তান পাঠায়া দিতে হইবো
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
একদম খাটি কথা।
একে ৪৭ বলেছেন:
সব ভারতীয় জারজ রা একজায়গা তে.........সাধু সাধু
রাশেদ বলেছেন:
++
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
++
ভক্কডা বলেছেন:
এঁহহে, আনাতোলি কালাশনিকভের ৪৭ নম্বর ছাগলডা এত্ত সুন্দর পোস্টটার মইদ্যে মুখ দিছে !
ফেলুদা বলেছেন:
এইবার তো জানলেন আমরা কাদের সন্তানদের বিরুদ্ধে আমরা লড়তেছি
নাভদ বলেছেন:
+
ফেলুদা বলেছেন:
এইটা একটা ব্যক্তিআক্রমণাত্মক লেখা


















