somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কোন নজরুল? http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28786429 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28786429 2008-04-09 21:28:09 সেসব কাহার জন্ম নিশ্চিত করে জানি
পাকিস্তান চাইছিলো বাঙালীর জাতিগত শুদ্ধি। আমাগো সংস্কৃতির মধ্যে হিন্দুয়ানা প্রবল। কারণ আমরা শহীদ মিনারে ফুল দেই, নববর্ষে পান্তা ইলিশ খাই আর নাচ-গান করি। আমরা রবীন্দ্রনাথ পড়ি, আমরা তার গান ও কবিতারে সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করি। এইটা ঠিকঠাক করতে তারা পুরুষ পোলাগো মাইরা নারীগোরে ধর্ষন কইরা একটা নতুন জাত উপহার দিতে চাইছিলো আমাগোরে।

সেই পরিকল্পনা কাজে লাগে নাই। তবে প্রতিশোধের সংকল্প থাইকা তারা ফিরত আসে নাই। সেই মোতাবেক তারা আইএসআইরে দায়িত্ব দিছিলো বাংলাদেশে জামাতরে পুনঃপ্রতিষ্ঠা কইরা পাকিস্তানে ফেরত আনা। মুজিব মাইরা তারা শুরু করলো সেই পথে যাওয়া। কিন্তু জামাত প্রতিষ্ঠা পাইছে, বাংলাদেশ আর পাকিস্তান হয় না।

১৯৭৯ সালে লাহোরে এক গোপন বৈঠকে ঠিক করা হয় জাতিগত শুদ্ধির সেই আগের পরিকল্পনায় তারা ফেরত যাইবো। সেই মোতাবেক জামাতের প্রতিটা পাবলিকরে ইসলামী আইনের সুযোগ নিয়া একাধিক বিবাহ করার নির্দেশ দেয়া হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ করা হয়। িডম না ফুরানো পর্যন্ত বাচ্চা পয়দা করার সে হুকুম তারা তামিল করা শুরু করে। ১৯৮০ সালে এই আইনে নতুন একটা ধারা যোগ হয়। তাতে বলা হয় শুধু জামাতি জিনে দালালই তৈরি হবে। আর যেহেতু এই জিনের কিছু অংশে বাঙালীয়ানা আছে তাই তাদের সন্তানরা পরিপূর্ণ পাকিস্তানী হওয়ার সুযোগ কম। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ খোয়ারে একবার করে বিবি পাঠানোর নতুন হুকুম জারি হয়।

এই শঙ্করজাত নিয়া আইএসআই মহাখুশী। কারণ এরা দেখতে বাঙালীগো মতই। কথাও বলে বাংলা। এমনকি বাংলায় ব্লগও লিখতে পারে। ত্রিভুজ, সাগরনীল, প্রশ্ন কতোর মতো বাংলা নিক নিতে পারে। কিন্তু কাজে কর্মে একদম বায়োলজিকাল ফাদারদের মতো। তারা রবীন্দ্রনাথরে গাইলাইবো, যেহেতু সে হিন্দু আর ভারতীয়, তাই তার লেখা জাতীয় সঙ্গীত বাতিলের দাবি তুলবো। তারা সারাদিন ভারতরে গাইল পারবো। তারা সবার মধ্যে আওয়ামী লীগরে দেখবো (এইজন্য দেখে কারণ তাদের জৈবিক বাবারা প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামী লীগ ছাড়া কাউরে পায় নাই। তাদের সময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি আছিলো না)। তারা ধর্ষন জায়েজ বইলা পোস্ট দিবো। মুক্তিযুদ্ধ নিয়া লিখলে বাপেগো মতো ভারতের দালাল কইবো। আর মুক্তিযোদ্ধাগো বিরুদ্ধে ধর্ষণ আর গণহত্যার অভিযোগ আনবো। পাকিস্তানী সেই চক্রান্ত একাংশে সফল। সামহোয়ারে তাদের চোদনে জন্ম নেয়া ত্রিভুজ-সাগরনীল-পাঞ্জেরী-প্রশ্ন কতোরা এখন বাপেদের অধিকার আদায়ে নামছে।

আমাদের কি করা উচিত? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28783568 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28783568 2008-03-29 19:44:06
পাঞ্জু তোর কি হইচে? খেপলি কে http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28783250 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28783250 2008-03-28 18:56:40 সাঈদীর দালালী চক্র : পিরোজপুরের পতিতালয় থেকে পাকিস্তানী সেনাক্যাম্প ঘুরে মগবাজারে was originally a boorish mountebank and a pimp of the local brothel at Pirojpur, a small town in Barisal district. The locals still call him Delu (a name that negates all the spirituality that an Arabic name such as Sayeedee inspires) which is the short form of his name Delwar. During the liberation war Saidi was called delu razakar due to his collaboration with the Paki occupation army.

There is no record that Saidi had ever attended any school whether Islamic or public. Like many fake Islamic 'divines' Saidi was accorded a title 'Sayeedee' overnight and promoted as such by the then Pakistani civil affairs dept, an organization run by the Paki military intelligence (ISI). Saidi's personal idol must be Hitlar, for both of them assented to power by virtue of their oratory skills. Both of them whet their rhetoric in their first career as a street hawker. Hitler being a German sold fake paintings on the streets, Saidi a rustic quack sold potions for venereal diseases and sexual impotence. As a street hawker saidi had a second job as a pimp for the local brothel. Traditionally most quacks work as pimps in Bangladeshi villages. It is a very lucrative business: they earn commission from the hookers, blackmail the clients and when the clients contract venereal diseases become their permanent patients.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781551 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781551 2008-03-22 20:05:34
মাননীয় ত্রিভুজ ভাইজানের কাছে একটি ব্যাখ্যা দাবি পুস্ট Click This Link আপনি যথারীতি তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিতে ছোটো করার নিমিত্তে তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ নিয়া কিছু প্রলাপ বকিয়াছেন। আপনি বলিয়াছেন ৭১ এর হত্যা-ধর্ষন আর ৭১ পরবর্তী হত্যা-ধর্ষনের মাঝে আমি কোন বিশেষ পার্থক্য পাই না। ৭১এর চাইতেও ভয়াভয় লোমহর্ষক হত্যাকান্ড ৭১ এর পরে ঘটেছে।
আপনি ইহার স্বপক্ষে তথ্যপ্রমান সহ বক্তব্য রাখুন এই অনুরোধ করিতেছি। আপনাকে বরং ৭১ সালে অন্যতম ভয়াবহ একটি হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিই। ১৯৭১ সালের ১০ মে খুলনা জিলার ডুমুরিয়া থানার চুকনগরে কয়েক হাজার বাঙালী কচুকাটা হয়, নারীদের ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়।
বিস্তারিত এইরকম:
Chuknagar: The largest genocide during the Bangladesh Liberation War in 1971
Chuknagar is a small business town located in the Dumuria Thana of Khulna district and very close to the India Bangladesh border. In 71 thousands of refugees gathered in Chuknagar to go to Kolkata. According to a conservative account around ten thousand people were in Chuknagar waiting to cross the border.

In the early morning of May 10, the fatal day around 10am two trucks carrying Paki troops arrived at Kautala (then known as Patkhola). The Pakis were not many in number, most possibly a platoon or so. As soon as the Paki trucks stopped, the Pakis alighted from the truck carrying light machine guns (LMGs) and semi automatic rifles and opened fire on the public. Within a few minutes a lively town turned into a city of death.

The accounts of the two hundred interviewees were same. They differed only in details. “There were piled up dead bodies. Dead Kids’ on dead mum’s laps. Wives hugging their beloved husbands to protect them from killer bullets. Dads’ hugging their daughters to shield them. Within a flash they all were just dead bodies. Blood streamed into the Bhadra river, it became a river of corps. A few hours later when the Paki bastards ran out of bullets, they killed the rest of the people with bayonet.”

Source: Muntassir Mamun, The Archive of Liberation War, Bangabandhu and Bangladesh Research Institute

ইহার বাইরে ব্লগার মুকুলের দুইখানা পোস্ট যা বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভে স্থান পাইছে
Click This Link
Click This Link
তাহাতেও একাত্তরে নির্মম হত্যা ও ধর্ষনের বিষদ ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনা আছে।

একাত্তরের পর স্বাধীন বাংলাদেশে এইরকম ঘটনার বর্ণনা দিলে বাধিত হ্ই। নাইলে দয়া করিয়া স্বীকার করেন যে আপনি প্রায়শই না ভাবিয়া যা তা বলেন, যাহা প্রতিপক্ষ ম্যাতকার বলিয়া বিশেষিত করে (প্রসঙ্গত একই পোস্টে ফারজানা মাহবুবা আপনার কাঠাল পাতার স্টক হইতে কাহাকে যেন ধার দিতে অনুরোধ জানাইছেন)। আশা রাখি এই প্রসঙ্গে আপনার বক্তব্য পাওয়া যাবে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781479 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781479 2008-03-22 14:59:19
বিপন্ন বুদ্ধিজীবি সম্প্রদায় ও তাহাদের আশ্বস্তিকরণ আপনাদের আশ্বস্ত করিয়া বলি। আপনারা আপনাদের চর্চা চালাইয়া যান। জানিবেন আপনাদের পাঠক ওই গপ্পোবাজদের মধ্যেই বেশী। সেই ভক্ততা আকর্ষণের আগে কিছু নর্ম পুরন করার যে রীতি, তাহা মানিবারও বিশেষ কারণ দেখি না। লিখুন, পারষ্পরিক পিঠ চাপড়াচাপড়ি চালাইয়া যান।
ভালো হয় যদি আমাদের উত্তরাধুনিকতার পাঠ দেন। আমরা এই মোহগ্রস্থতার বলয় হইতে বাহির হইতে ইচ্ছুক। ৫৭০ বল সাবান থেকে গুড়া পাউডার কেনো বেশী বৈজ্ঞানিক ইত্যাদি আলেচনার চাইতে একটু নতুন ধারা শুরু করার জন্য আপনাদের প্রতি আহবান জানাই।
ব্লগটা ম্যান্দা মেরে গেছে। সেই ধারা থেকে উত্তরনের জন্য আপনাদের্ই প্রয়োজন। মোলাকাত হয়ে গেছে, আমাদের রায়ও পেয়ে গেছেন। এখন দেখেন রূপকথার ভক্তরা কি বলে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781200 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28781200 2008-03-21 15:55:26
মানস (দা) চৌধুরীর কাছে একটা প্রশ্ন http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780993 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780993 2008-03-20 23:49:23 বেকুব আসলেই গাছে ধরে Click This Link
কিন্তু সেইটা বলতে গিয়া তিনি পুরা খারাপ লেখাটা টাইপ করছেন। তারপর উপসংহারে আসছেন। আইচ্ছা এদের পেমেন্ট স্টাকচারটা কি ধরনের কেউ কইতে পারেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780634 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780634 2008-03-19 22:13:09
ছাগু তুমি ধরা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
শেস কথা : আমার মিশন আছিলো তুমি ছাগু আসলে ব্যান খাইয়া ভিমরু নামে সামহোয়ারে অশান্তি সৃষ্টি করতে আইছো সেইটা প্রমাণ করা। খুশীতে ম্যাতকার দিয়া সেইটা নিজেই প্রমান কইরা দিছো। আমার কাম শেষ, তুমি ধরা। ছাগু তোমারে এমনি এমনি কই? <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780407 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28780407 2008-03-19 06:29:08
কর্তৃপক্ষ, দয়া করে ব্যানারটা বদলান http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779961 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779961 2008-03-17 20:33:49 ছাগুরামের নয়া গোএষনা http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779666 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779666 2008-03-16 17:36:21 হিট ব্যবসা সুপার ফ্লপ, ফেরিওয়ালাদের জয়
ব্যবসাবুদ্ধি সবার থাকে না। আবার যাদের থাকে, তাদের চোখে বাকিরা সেই ব্যবসায় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়। আমাদের ঘটনার বিজনেস টাইকুনের প্রিয় খাবার কাঠাল পাতা বলিয়াই সবাই জানত।কিন্তু হঠাৎ প্রকাশ পাইলো যে উনি কাঠাল খাইতেও ছাড়েন না। তাহার যতটুকু দেশপ্রেম সেটুকু বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঠালেই সীমাবদ্ধ। এই একটি ক্ষেত্রে তিনি সীমালঙ্ঘনকারী নন। তাহার দৃষ্টিতে ব্যবসায় বাগড়া দেয়া প্রতিদ্বন্দ্বীদের দেখাইয়া উনি কাঠাল পাতা খান বটে, কাঠালটা খান কাছের মানুষদের মাথায় ভাঙিয়া। প্রসঙ্গের কারণেই উল্লেখ থাকে যে তিনি প্রায়শই অপরের মেধা ও বুদ্ধিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করিয়া থাকেন, কারণ তাহার নিকটে নমুনার সঙ্গে মেলে এমন মাথা প্রচুর। এবং এমনই নিরেট যে তাহাতে কাঠাল ভাঙিয়া খাইলেও তাহারা টের পায় না।

চতুর এই ব্যবসায়ী নিজের ধান্দা লুকাইতেই প্রতিপক্ষের কর্মকাণ্ডে বানিজ্যিক স্বার্থ পান। এই তালিকায় আতর ব্যবসায়ী কিংবা বই ব্যবসায়ীরা পড়েন না। তাহার প্রতিদ্বন্দ্বী তাহারাই যাহারা জাতীয় ফুল ও ফলের সীমা ছাড়াইয়া জাতীয় পতাকা ও জাতীয়তাবোধ নিয়া সদা সোচ্চার। তাহাদের তিনি চেতনা ব্যবসায়ী বলিয়া সম্বোধন করেন। চেতনা ব্যবসা করিয়া একেকজন আঙুল ফুলিয়া কলাগাছ হইয়া বাগানে এমনই জায়গাসংকট তৈরি করিয়াছে যে রোদ্দূরের অভাবে পুষ্ঠ কাঠাল পাতা পাইতে বড়ই সমস্যা। এই অভিযোগ শুনিয়া সত্যি কিনা জানিতে সেই ব্যবসায়ীদের খোজ নিয়াছেন কয়েকজন। দেখা গেছে ইহাদের কয়েকজন দেশে, কয়েকজন বিদেশে থাকেন। কেউ ছাত্র, কেউবা শিক্ষক হইয়াও ছাত্র, কেউ সাংবাদিক, কেউবা অফিসচারী। তাহারা সকলেই নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি দিতে রাজী, তবে তাহা মোটেও কর্পোরেট ধাচে নহে। তাহারা নিজেদের ফেরিওয়ালা বলিয়া দাবি করেন। বলেন- আমরা চেতনার ফেরিওয়ালা, বিনে পয়সায় চেতনা জাগাই। একজন যিনি উচ্চতর শিক্ষার্থে বিদেশে আছেন, তিনি তার মূল্যবান প্রতিটি মুহূর্ত হইতে সময় বাঁচাইয়া, যখন পড়ার বই পড়িলে ক্যারিয়ার আগাইবে তাহা ভুলিয়া মুক্তিযুদ্ধের বাগান ঘাটিয়া চেতনার বীজ ও চারা আলাদা করেন। বাকিরাও তাই। কেহবা চাকুরিতে কর্তৃপক্ষের শ্যেন দৃষ্টি এড়াইয়া, কেউবা অন্যকাজের ফাকে ফাকে এই ফেরি করেন।

এদিকে স্ব-ভাবিত বুদ্ধিমান ব্যবসায়ী দারুণ ঘটনা ঘটাইয়াছেন। তাহার ব্যবসা হিটের। শুরুতে তাহার হিটাসক্তি দেখিয়া অনেকে চমকাইয়াছেন। কি ব্যাপার! জনপ্রিয় লেখকেরা দশ হাজার হিট না পাইতেই তাহার হিট সংখ্যা দেড় লাখ হয় কিভাবে। পরে উদ্ধার হইলো তার সেই পায়ুরচনায় রিফ্রেস মারিয়া মারিয়া এবং পরে স্ক্রিপ্ট বসাইয়া তিনি এই কীর্তি গড়িয়াছেন। জিজ্ঞাস করা হইলে বলিলেন দেশ বিদেশের না হইলেই হাজার দশেক ভিজিটর শুধু আমার লেখা পড়িতে আসেন। অচিরেই উহা কোটি ছাড়াইলে অবাক না হইয়া হিংসা করিলেই প্রীত হই।

মাঝে আরেক কেলেংকারি। সামহোয়ারে চেতনার ফেরিওয়ালারা একবার ধর্মঘট করিলো। দাবি আদায় করার পর দেখা গেলো মার্কেটে কেনা বেচা না হইলেও হিটখোর প্রচুর ফায়দা করিয়াছে। আলেক্সা রেঙ্কিংয়ের অডিটে এই জোচ্চুরি ধরা পড়িলো। জানা গেল, সে সুযোগ পাইলেই এমনকি অন্যের পোস্টে গিয়াও লিংক দিয়া আসে তার ব্যক্তিগত সাইটের। তারপর সেই হিট দেখাইয়া গুগল নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হইতে ডলার গুনিয়া নেয়। প্রসঙ্গটি জানাজানি হয় প্রথমে রাগিব নামে আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান এক উইকিপিডিয়ান হিসেবে। ব্লগে দুই নাম্বারি কতপ্রকার ট্রোলিং হইতে শুরু করিয়া কি কি করা হয় তাহা সম্পর্কে সচেতন করিয়াছিলেন তিনি। তাহাকে ছোটো করিতে হিটখোর তাহাকে ইহুদিদের কর্মচারী বলিয়াছে। কিন্তু রাগিব সাহেব ছবি সহকারে ব্যাপারটি ফাস করিয়া দিলেন।
এই ঘটনায় অবশ্য হিটখোর নিজেকে ছাড়া কাহাকেও দায়ী করিতে পারিবে না। হিটখোরের গ্যাংব্যাঙিয়ের শিকার হইবার কুঅভ্যাস আছে। সামহোয়ারে এ ব্যাপারে কাউকে ভাগ দিতে সে নারাজ। অন্যদের ঠেলিয়া সরাইয়া দিয়া নিজের পশ্চাতদেশ আগাইয়া দিতে তিনি সিদ্ধপদ। আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট নামের এক ব্লগারের স্থলাভিষিক্ত হইবার বাসনায় তিনি তাহার দোকান খুলিয়া রাখিয়া যখন সবাইকে আহ্বানা জানাইতেছেন ব্যাঙ্গিঙয়ের, তখন কিছু দুষ্ট ছেলে রাজা তুমি ন্যাংটা বলার মতো করিয়া বলিল আদপে হিটখোর কি জোচ্চুরি করিয়া বেড়াইতেছে।
উহা নিম্নরূপ :

অমিত বলেছেন: মাহমুদউল্লাহ, শুনেন ছাগুরামের এই ঘটনা আজকের না। সে বেশ অনেকদিন থেকেই যেটা করে সেটা হল পোস্টের মাধ্যমে লিন্ক দিয়ে বিভিন্নভাবে সে ব্লগারদের নিজ সাইটে নিয়ে যেত হিট বাড়ানোর জন্য।বেআইনীভাবে এই কাজ করার জন্য অথরিটি তার একটা নিককে ব্যান করে।কিন্তু ততদিনে তার মোটামুটি একটা ইউজারবেস দাড়ায় গেছে, সেটা গুগল এড পাওয়ার জন্য যথেষ্ট।এরপর সে তার গ্রুপে ব্লগিং সুবিধা চালু করে।সাইটের মূল হিটগুলা আসে চ্যাট আর অনলাইন গেমিংসে, এর সংগে ব্লগিং যোগ হলে তাহলে তো আর কথাই নাই। এর পর সে যেটা শুরু করল যে বিভিন্নভাবে উস্কানীমূলক বক্তব্য আর পোস্ট দেয়া শুরু করা। একবার রাগ ইমন নামক একজন মহিলা ব্লগারকে নোংরাভাবে আক্রমণ করায় কর্তৃপক্ষ তাকে আবার ব্যান করে। সে এইগুলা করত যাতে লোকজন সামহোয়ারইনে লেখার মত কোন পরিবেশ না পায়, সব সময় একটা পলিটিক্যাল প্রেসার এর মধ্যে থাকে। এই কাজগুলা করে সে সচতুরভাবে দোষটা চাপাত সচলায়তন নামে আরেকটা সাইটের উপর। কিন্তু সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন, কারণ সচলায়তন ক্লোজড কমিউনিটি।সুতরাং স্টেডিলি হিট বাড়তে থাকে ছাগুরামের সাইটের। এরকম কার্যক্রমের একটা পর্যায়ে ডিসেম্বর মাসে ত্রিভুজ ও তার গং বেনামে ফ্লাডিং করা শুরু করে বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে।ফলশ্রুতিতে আরেকবার অস্থির সময় এবং থাকতে না পেরে অনেক ব্লগারের ছাগুরামের সাইটে গমন। আপনি দুটো সাইটের আলেক্সা র‌্যাংকিং দেখলেই ব্যাপারটা ধরতে পারবেন। প্রায় মার্চ মাস পর্যন্ত ছাগুরামের সাইটের হিট থাকে সামহোয়ার থেকে বেশি। গত সপ্তাহে সেই হিট পড়ে যায় এবং চতুর ত্রিভুজ যথারীতি আবার উস্কানীমূলক পোস্ট দেয়া শুরু করে।কারণটাকি বুঝতেই পারছেন।
আমার শুধু জানতে ইচ্ছা করে এই ব্যাপারটাকি পর্যায়ক্রমে চলতেই থাকবে ?
অমিত বলেছেন: ও আরেকটা ব্যাপার। ছাগুরামের এই লিন্ক দিয়ে হিট পাওয়ার নেশা এখনো যায় নি। এই ব্লগে ইসলাম নামক গ্রপের মডারেটর সে। গ্রুপ খুলেই সে যেটা করে সেটা হল চারটা মেনু বাটন সে গ্রপের সংগে অ্যাটাচড করে। তার মধ্যে দুইটাতে ক্লিক করলে আপনি সরাসরি তার সাইটে চলে যাবেন।একটি হল ফিডব্যাক আর আরেকটি হল লাইভ ডিসকাস। আমার একটু জানতে ইচ্ছা করছে যে এইভাবে যে ছাগুরাম সামহোয়ারইনকে ব্যবহার করে নিজের সাইটের হিট বাড়াচ্ছে, এটার জন্য সে কি সামহোয়ারইন কে কোন মাসিক ভাতা দেয় ?

প্রশ্নের উত্তর জানিবার পূর্বেই হিটখোর ভাগলবা। কারণ তাহার এই মাফিয়া বানিজ্যের অন্যতম পৃষ্টপোষক এক গডফাদার ফেরিওয়ালাদের তাড়া খাইয়া দৌড়ের উপর আছে। তাহাকে ধরিয়া আনিবার ছলে হিটখোরও পালাইয়াছে। এ ব্যাপারে আরো আপডেটেড তথ্য জানা গিয়াছে। তাহার হিট ব্যবসা সুপার ফ্লপ হইয়াছে দুই নাম্বারি ধরা পড়ার পর। অন্যদিকে ফেরিওয়ালার আনন্দে মিষ্টি খাইতেছে এতদিনে তাহাদের বিনিয়োগ তথা ঘরের খাইয়া বনের মহিষ তাড়াইবার শ্রম কাজে লাগিল বলিয়া। কারন গডফাদারকে দৌড়ানি দিবার কালে আশেপাশের সাধারণ মানুষরাও তাহাদের সঙ্গে যোগ দিয়াছে।

কিন্তু খানিকটা আতঙ্কিত আছি। সামহোয়ারে লগইন করিতে পারিতেছি না, পেইজ খুলিতেছেনা। হিট খোর কি নুডুস খাইতে খাইতে ডিডোস মারিয়া দিলো নাকি?<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779495 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28779495 2008-03-16 00:29:18
প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের আরেকটি মনোনয়নের আবেদনে যোগ দিন
হোসেইন বলেছেন: আমি আবেদন জানাই , সুন্দরবন আর কক্সবাজারের সাথে ছাগুরেও বিশ্বের সপ্তম প্রাকৃতিক আশ্চর্য হিসাবে ভোটে তোলা হউক ।

আমরা অচিরেই এই ব্যাপারে একটি রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনারাও একমত থাকলে এই আন্দোলনে সামিল হোন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28778453 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28778453 2008-03-12 04:48:02
বিজনেস টিপস : আসেন কিডনি বিক্রি করতে ধর্মভীরু জনগনকে উদ্বুদ্ধ করি
ঘটনা কি ভালোভাবে জানতে আজকের প্রথম আলো পড়তে হবে। Click This Link ছাগুসমাজের প্রিয় ইরানের কট্টরপন্থী ছাত্র সংগঠন জাস্টিস সিকিং স্টুডেন্টস (ইরানি ইসলামী ছাত্র শিবির) গাজায় ভয়াবহ হামলা চালানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হইয়া ইসরায়েলের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যার জন্য পুরষ্কার ঘোষনা করছে। তা তারা করতেই পারে। আমােদর দেশে কি তসলিমারে হত্যার জন্য ঘোষনা করা হয় নাই? হইছে তো। পুরষ্কারের অঙ্কটাও লোভনীয় ১০ লাখ ডলার। প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা।

ঘটনা প‌্যাচ খাইছে এরপর। পুরষ্কারের টাকা বাড়াইতে তারা ইরানি জনগনকে কিডনি দান করার জন্য উৎসাহ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিছেন। মারহাবা। এই ঘটনায় আমাদের ইরানপ্রেমী জনগনকেও আগায়া আসার জন্য আহবান জানাইতাছি। আপনারা দলে দলে কিডনি বিক্রি করিয়া মোসাদের নেতাদের হত্যা করার তহবিলকে স্ফিত করুন। চাইলে আমি আপনাদের হইয়া কিছু কমিশন রাইখ্যা সেই টাকা পৌছানোর দায়িত্ব নিতে পারি।

আইচ্ছা কিছু প্রশ্ন আসছে মাথায়? ইরানে চাদাবাজি বন্ধ নাকি? নাইলে চান্দা না চাইয়া কিডনি চাওয়ার কি রহস্য? ইবনে সিনা ক্লিনিকে কি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন সম্ভব?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28778346 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28778346 2008-03-11 20:19:29
সারওয়ারচৌধুরী : অবমূল্যায়িত এক প্রতিভা/সামহোয়ারের পরশ পাথর ক্ষ্যাপা পরশ পাথর খুঁজে বেড়ায। নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবির কবিতার নায়ক ক্ষ্যাপা অর্থাত পাগল। মাথার ঠিক নেই। আর পরশ পাথর হচ্ছে যা ছোঁয়ালেই সোনা হযে যায। ক্ষ্যাপা পরশ পাথর খুজতো নুড়ি পাথরের মাঝে। রাস্তায় যা দেখতো তাই ছোয়াতো তার শরীরে বাধা শিকলে। তারপর দেখতো সোনা হয় কিনা, হতাশায় ছুড়ে ফেলে দিতো পাথর। একদিন দেখে তার শিকল সত্যিই সোনা হয়ে গেছে। অর্থাত সে পরশ পাথর পেয়েছিলো, কিন্তু নিজের ভুলে অবহেলায় বুঝতে পারেনি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ক্ষ্যাপা ভুল করেছিলো। আমি করিনি। এই ব্লগে প্রতিভাবান লেখক খুব কমই আছে। সারওয়ার চৌধুরীকে আমি তাদের মধ্যে সর্বাগ্রে রাখব। যোগ্যতা বলেই তিনি আমার কাছে সে মর্যাদা আদায় করে নিয়েছেন।
কে এই সারওয়ার চৌধুরী। শুধুই কি চাদ সওদাগরের মতো সাত সাগরে ভেলা ভাসিয়ে দেশান্তরী হওযা এক রাজপুত্র? না শুধু তা নয়। যদিও দিব্যকান্ত সাচৌকে দেখলে এই ভাবনার ব্যত্যয় হবে না কারো মধ্যে। চোস্ত বাংলা, হিন্দি, উর্দু, আরবীতে কথা বলেন, ব্রিটিশ একসেন্ট ইংরেজী। বহুভাষাবিদ সাচৌর সঙ্গে তুলনা চলে শুধুমাত্র ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর। কিন্তু শহীদুল্লাহ সাহেব ভাষা শিখেছেন বই পড়ে। এমন বই ফুটপাথে প্রচুর পাওয়া যায় যাতে সাতদিনে কোরিয়ান থেকে স্প‌্যানিশ সব ভাষা শেখানোর চ্যালেঞ্জ থাকে। কিন্তু সাচৌ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন মানুষের সঙ্গে মিশে। তিনি যখন তার আসল দেশের নাম বলেন তখন নিশ্চয় শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে অপরিচিত কারো। সিলেটি হিসেবে আমার গর্বে বুক ভরে ওঠে।
কিন্তু সাচৌ তো শুধু মানুষের নন। তিনি সকল জীবের। জীবকে ভালোবেসেই তিনি ঈশ্বর সেবা করেন। তাই আমার কাছে যা পাখি, সাচৌ তাকে নীলপরী হিসেবে কল্পনা করে নেন। আমার কাছে যা মাছ, তার কাছে তা মৎসকুমারী। আর এর মাঝে তার বক্ষ্রচারী যাপনের কিংবা জিতেন্দ্রিযতার এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। সাচৌর কল্পনার নারীরা তার সঙ্গে ব্যাভিচার করে না। তারা শিল্প নিয়ে কথা বলে। সম্পর্কটাও দুই তরফেই প্লেটনিক। এই যে আবিষ্কারের চোখ, বোধের অভূতপূর্ব উন্মেষ- তা যেনতেন লেখকের মননে ধারণ করেনা। সাচৌ এখানেই বাকি সবার চেয়ে এগিয়ে।
তার কবিতায় ফররুখ আহমেদের জোশিলাপান আর জীবনানন্দ দাসের সুরিয়াল রোমান্টিসিজম হাত ধরে চলে। তারপরও বড্ড হেলাফেলায় লিখেন তিনি এসব লেখা। প্রতিনিয়ত চলে ফরম্যাট ভাঙ্গার খেলা। নিজের সঙ্গে চ্যালেঞ্জে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা। অবুঝ অবোধ সমালোচকরা সেই লীলা না বুঝে ঝাপিয়ে পড়েন হিংস্র বাক্যবানে তার পোস্টকে জর্জরিত করতে। কিন্তু অসীম ধৈয্য নিয়ে সাচৌ অপেক্ষা করেন তাদের সম্বিত ফেরার। রচনা করেন নতুন কাব্য। কিন্তু তাকে শুধুই লেখকের কাতারে রাখলে তাকে অসম্মাণ করা হয়। তিনি পাঠক। সক্রেটিস থেকে ফুকো তার নখদর্পনে। আর্কিমিডিসের ইউরেকা থেকে আলজাবিরের এলজেব্রা কিংবা স্টিভেন হকিংও তার কাছে অপরিচিত নন। বিজ্ঞান, দর্শন, কলা- সব কিছুকে সুপাচ্য ও সুস্বাদু খিচুড়িতে রূপ দিতে পারেন এই সব্যসাচী। আর বিদগ্ধ পাঠক অবাক হয়ে উপলব্ধি করার চেষ্টা করে এই ক্ষণজন্মা প্রতিভাবানের প্রতিভার দ্যুতিকে।
সেই আলো সাচৌ অনায়াসে বিলান। আর তাতে আলোকিত সামহোয়ারে আমাদের মতো পাঠকরা। তার জ্ঞানে কুয়ার অতল সীমা ন্যানোমিটারে মাপার নয়। তার এই সৃষ্টিশীলতার পরশ পাথরে সোনা হয়ে উঠেছে কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে বিপর্যস্ত সামহোয়ার। আমাদের মতো নির্বিবাদী জ্ঞানপিয়াসীদের জন্য তিনি ত্রাতা। প্রেরিত এক অলৌকিক ব্লগার। প্রার্থনা করি তার ক্ষুরধার লেখনীতে ফালা ফালা হয়ে চিরে যাক যতো বিরুদ্ধবাদিতা। প্রার্থনা করি তার কুমারত্বের অবসান যদি কখনও ঘটে, তার ঘর আলো করে আসেন যেন তারই মতো প্রতিভাবান কোনো নারী। তারই মতো ধারালো লেখনী নিয়ে। এতে ভবিষ্যত বংশধরদের মাধ্যমে আমাদের দেশ আরো বড় কোনো প্রতিভা পাবে। ধন্যবাদ সাচৌ আমার জ্ঞানচক্ষু খুলে দিয়ে আপনার কাব্যসুধা পান করতে দেযার জন্র্য। যুগ যুগ জিও সাচৌ। ধন্য সামহোয়ার, ধন্য আমরা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28777594 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28777594 2008-03-09 02:03:30
সবাই ঠিক আছেন তো? http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776240 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776240 2008-03-04 03:56:21 জানতে চাই খাসী এবং ছাগলে পার্থক্য কি? কোনটার মাংস বেশী মজা? বাজারে পাঠার মাংস পাওয়া যায় না কেন? পাঠা কি? রামছাগল আর ছাগল কিভাবে পার্থক্য করতে হয ? মেয়ে ছাগল ও পুরুষ ছাগল কোনটারে কি নামে ডাকে? কেউ দয়া করে ফাইজলামি করবেন না। জানলে উত্তর দিবেন]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776218 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776218 2008-03-04 01:24:08 বিজ্ঞাপনে বিপ্লব পৃথিবীর সব creative geniusবারবার আফসোস করে বলবে sh*t! এটা আমার ভাবা উচিত ছিল... sh*t so simple !
আজকে প্রথম আলোর ৭ম পাতায় ফুল পেজ বিজ্ঞাপনের ভাষা ছিলো এটি। কয়দিন পর ক্রিয়েটিভ জিনিয়াসরা হয়তো f*ck ও বলবেন। লাখ লাখ টাকার বিজ্ঞাপনের এই অসভ্য ভাষার ফাদে পড়তে কোনো সমস্যা নাইতো। ফেব্রুয়ারিতো মাত্রই গেলো। শীত নেই বলে কি shit বলা যাবে না!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776082 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28776082 2008-03-03 18:05:15
ব্রেকিং : গোলাম আযম বলে মারা গেছে! http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773795 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773795 2008-02-25 00:54:14 শহীদ মাথামোটাকে শ্রদ্ধা : সেলুট কমরেড http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773740 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773740 2008-02-24 21:21:51 ছাগমনস্কলাদিরচনা রোগের যথার্থ বোগাদাদীয়া চিকিৎসা ছাগমনস্কলাদিরচনা রোগ নিয়া বিশেষ কিছু বলিবার নাই। ব্লগাররা সকলেই ইহা বোঝেন, কেহবা বিরক্ত কেহবা আমোদিত হন। তৃতীয় এক শ্রেনীর ব্লগাররা সামাজিক দায়িত্ববোধ হইতেই তাহাদের এই সাইকোসোমাটিক অসুখটির নিরাময়ে আন্তরিকতার সহিত সুপরামর্শ দিয়াছেন। তাহাদের কয়েকটি উল্লেখ করা হইলো :

চিপা রংবাজ বলেছেন:
Rx
Tab.Alben . ১ টি চুষে খাবেন ।

পেইজ থ্রি বলেছেন:
এবং সাথে অবশ্যই অল্প বাসুডিন সার।

জেনারেল বলেছেন:
Rx,
1. Tab Alben DS 500 mg
(তিন বেলা খাবার আগে চুষে খাইতে হবে)

পেইজ থ্রি বলেছেন:
কাঁঠালপাতা চূর্ণ করে ইসবগুলের ভুষি খান দিনে ২ বার করে। আমি শিওর, আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। বিলিভ মি।

জেনারেল বলেছেন:
কাঠালর কষ পুটকে মাইখা রাখলে উপকার হবে

গণ্ডার বলেছেন:
Rx
Tab. supositor গুয়ার মইদ্যে হানদাইয়া তারপর ব্লগিংএ বইসো, তাতে ওসুক সাইরা যাইবো দ্রুত

মুতয বলেছেন:
সাথে ভলটারিন এস. আর. ৫০ জি।


কিন্তু এসবই এলোপেথিক চিকিৎসা। সত্যিকার চিকিৎসা হচ্ছে কোবরেজী।
হাকিম বোগদাদী (রা.) লিখিত মেশক-ই মোজামিয়াত বইয়ের ৩য় খন্ডের ১৩৫ পৃষ্টার ১৭ নং লাইনে লিখা আছে :

কমপক্ষে তিনবার প্রসব করিয়াছে এমন একটি রমনীছাগীকে (সম্ভবত রমনযোগ্য বুঝানো হইছে) সিদ্ধ বেল পাতা (সর্বশেষ সংস্করণে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে লেখা হয়েছে) ভুর্জপত্র (কাঠালপাতা) সহকারে আচ্ছা করিয়া বাটিয়া খাওয়াইবে ৭ দিন। লক্ষ্য রাখিবে সেই সপ্তাহে তিনবেলা এই খাদ্য ভিন্ন অন্য কিছু তাহাকে দেওয়া যাইবে না। তাহার লাদিগুলি সংরক্ষণ করিতে হইবে। সপ্তাহান্তে প্রতিটি লাদি আলাদা আলাদা করিয়া গোল গোল গুলি বানাইতে হবে। অতঃপর প্রতি সপ্তম লাদিগুলি বাছিয়া একটি পাত্রে নিয়া ঘুটা পাকাইতে হইবে। একটি বংশ কঞ্চি ভালো করিয়া চাছিয়া দুগ্ধ সহকারে ধৌত করিবার পর উহা ওই ঘুটায় প্রবেশ করাইতে হবে এবং পুনঃ ঘুটা দিতে হবে। কঞ্চিতে লাগিয়া থাকা লাদি গুলি চাছিয়া কোনো কুমারী মেয়ের ব্যবহার করা কাপড়ের টুকরায় রাখিতে হইবে। অষ্টম দিন সুবহে সাদিকের সময় গোছল করিয়া পবিত্র হইয়া সেই লাদিসত্বকে তিনভাগে বিভক্ত করিয়া একটুকরা গলাধকরণ, একটুকরা মাদুলীতে ধারণ করিয়া কোমরে পড়িতে হইবে। তৃতীয় টুকরাটি একটি প্লাস্টিক আবরণ দিয়া মোড়াইয়া চাবাইতে হইবে (চুইংগামের মতো) সাতদিন। খোদা চাহেতো রোগমুক্তি ঘটিবে। রোগমুক্তির পর হাদিয়া হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক সাজিয়া এই লক্ষণযুক্ত বাকিদের চিকিৎসায় আগাইয়া যাইতে হইবে। প্রকাশ থাকে ইহা একটি কমু্নাল রোগ যাহার চিকিৎসা এই কমু্নিটি মেডিসিন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773070 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28773070 2008-02-22 17:13:49
ষড়যন্ত্রের শিকার ব্লগারদের আনব্যান চাই

১. নির্ভৃত পথচারী
২. মাহমুদ মামূন
৩. পঞ্চভূজ
৪. বিগব্যাং
৫. মাথামোটা
৬. সংস্থাপক
৭. মিসকল মফিজ
৮. প্রশ্নোত্তর
৯. নাভদ
১০.গুড ফর নাথিং

এই ব্লগারদের অবিলম্বে ব্যান মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771736 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771736 2008-02-18 18:08:22
ষড়যন্ত্রের শিকার ব্লগারদের আনব্যান চাই

১. নির্ভৃত পথচারী
২. মাহমুদ মামূন
৩. পঞ্চভূজ
৪. বিগব্যাং
৫. মাথামোটা
৬. সংস্থাপক
৭. মিসকল মফিজ
৮. প্রশ্নোত্তর
৯. নাভদ
১০.গুড ফর নাথিং

এই ব্লগারদের অবিলম্বে ব্যান মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771427 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771427 2008-02-17 15:13:05
ষড়যন্ত্রের শিকার ব্লগারদের আনব্যান চাই ষড়যন্ত্র প্রকাশ পেয়েছে, কর্তৃপক্ষ ভুল শোধরান। এদের আনব্যান করুন।
যারা এখনও আনব্যান হননি :


১. নির্ভৃত পথচারী
২. মাহমুদ মামূন
৩. পঞ্চভূজ
৪. বিগব্যাং
৫. মাথামোটা
৬. সংস্থাপক
৭. মিসকল মফিজ
৮. প্রশ্নোত্তর
৯. নাভদ
১০.গুড ফর নাথিং

এই ব্লগারদের অবিলম্বে ব্যান মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771194 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28771194 2008-02-16 17:42:43
পয়লা ফাগুন দিচ্ছে ডাক রাজাকারিতা নিপাত যাক
ফিরে যেতে হয় যাব তবুও প্রিয় সামহোয়ারকে রাজাকার মুক্ত করতে লড়ে যাব

আমাদের দাবি স্বাধীনতা বিরোধীদের হাত থেকে সামওয়ারকে বাঁচান

আমাদের বর্তমান দাবী সমূহঃ

১। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো পোস্ট ছাপা হবে না । ২। ৭১ র স্বাধিনতা যুদ্ধের কোন বিপক্ষ শক্তির বানী পোষ্ট করা যাবেনা । ৩।রাজাকার বিরোধী পোষ্ট লিখে ব্যান হওয়াদের ব্যান মুক্ত করতে হবে।

নেকাব সরান কর্তৃপক্ষ : আসলে আপনারা কি চান? অমি রহমান পিয়াল
ধৈর্য্যের শেষ সীমা কিভাবে মাপে আমার জানা নেই। শুধু বুঝতে পারছি আমি সেখানে পৌছে গেছি। সমচেতনার ব্লগারদের কেমন লাগছে জানি না, কিন্তু আমি আর পারছি না। এই ইদুর বেড়াল খেলা আর কতদিন চলবে মাননীয় কর্তৃপক্ষ?

আমাদের তো একটাই দাবি ছিলো : নীতিমালা সংশোধন করে সেখানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো পোস্ট ছাপা হবে না এমন একটা ধারা যোগ করতে হবে

খুব কি বেশী ছিলো সে চাওয়া? এ ব্যাপারে গত কমাসে আন্দোলন কম হয়নি। প্রতিবাদে ছাকা ছাকা ব্লগাররা আর লিখছেন না। শুরুর ধাক্কার পর এরাই তো ছিলেন সম্পদ। কিন্তু আপনারা অনড়। আপনাদের কাছে কেউই অপরিহার্য নয়। কলম বিরতির সময় স্বাধীনতা বিরোধী বলে চিহ্নিত ব্লগারদের তিন-চারটে করে নিকে লগ ইন করার সুবিধা দিয়েছেন (তার প্রমাণও আছে) সব কিছু স্বাভাবিক আছে দেখাতে। কিন্তু আলেক্সা রেটিং বলছে অন্য কথা। সব কিছু স্বাভাবিক নেই। তারপরও আপনাদের কেনো বোধোদয় হচ্ছে না। নইলে আমাদের বলে দিচ্ছেন না কেনো যে স্বাধীনতা বিরোধী চর্চাকে প্রমোট করতেই আসলে এই প্লাটফর্ম আর আমরাই এখানে উড়ে এসে জুড়ে বসেছি। এই সরল স্বীকারোক্তিটুকু করলেই তো বর্তে যাই। সময় বাচে, কাজ ফেলে সংসার ফেলে পড়াশোনা ফেলে ব্যবসা ফেলে কার এত ঠ্যাকা যে দেশপ্রেমের ধ্বজা উড়িয়ে সামহোয়ারের হিট বাড়াবে।

রাজাকার শিরোমনি গোলাম আজমের পোস্ট পড়লে আপনারা বোধহয় তালি বাজান। মু্ক্তিযুদ্ধ নিয়ে অপমানজনক পোস্ট পড়লে বুঝি আপনাদের উৎসব শুরু হয়। অবিশ্বাস্য এই কথাগুলিই এখন বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে। আপনারা সত্যি আমাদের লেখালেখির প্লাটফর্ম করে দিয়েছেন নাকি আমাদের সবার সৃজনশীলতাকে হত্যা করার পরিকল্পিত নীলনক্সা বাস্তবায়ন করছেন সেটা এখন বিশাল এক প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে উকি দিচ্ছে সবার মনে। নইলে কেনো বারবার আন্দোলন ও প্রতিবাদের পরও আপনারা বাংলাদেশের চেতনা ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে নগ্নভাবে সমর্থন দিচ্ছেন?

দয়া করে আপনাদের অবস্থান আমাদের জানান। আপনারা কি চান? এখানে সব ধরণের বাকস্বাধীনতা দেওয়া হবে এই ধরণের অপযুক্তি বাদে আর কিছু বলুন। আমার পতাকা ও স্বাধীনতার আব্রু নিয়ে টানাটানি যদি বাকস্বাধীনতার চর্চা হয় তাহলে ঘরের মা বোনকে নিয়ে টানাটানিও সেই যুক্তিতে সিদ্ধ। আর এই অপচর্চার অবসান চাই। বহুত করেছেন, আর না। এবার ক্ষান্ত দিন। বাংলাদেশের বুকে বসে বাংলা ভাষা চর্চার মঞ্চ খুলেছেন বলে যে সাধুবাদ পেয়েছেন এতদিন, তা ক্রমেই বিপরীতমুখী হচ্ছে আপনাদের সন্দেহজনক পক্ষপাতদুষ্টতায়। এখানে স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের প্রতিবাদ করলে ব্যান খেতে হয়, ঘরের বউ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টের প্রতিবাদে ব্যান খেতে হয়। আর চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের জীবনি আপনারা প্রমোট করেন।

হুসেইন তার এক কবিতায় শুয়োরের সঙ্গে সহবাসে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সে পোস্টে সহমত বলে মন্তব্য করেছিলাম। এবার নিজের মুখে সক্রোধে উচ্চারণ করছি- শুয়োরের সঙ্গে সহবাস চাই না, করব না। হয় নীতিমালায় সংশোধন আনুন। নয়তো আমাদের অপমান নিপীড়ন না করে সরাসরি জানিয়েদিন আপনাদের অভিপ্রায়। নাটক করে নয়, সরাসরি। তারপর স্বাধীনতার মর্যাদা রাখতে ব্লগাররা কি করবেন তারাই ঠিক করবেন।

আমি আমার আগের সব পোস্ট ড্রাফট করেছিলাম আপনাদের অনৈতিকতার প্রতিবাদে। এবার বাকিগুলোও করবো। সামহোয়ারে যতদিন না স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা আসে। আমার ব্লগে কোনো পোস্টই থাকবে না। কলম বিরতি, লগ অফ থাকা- এ জাতীয় প্রতিবাদমূলক পদক্ষেপ আমি সহব্লগারদের উপর চাপিয়ে দিতে চাই না। আমি শুধু আমারটাই বললাম।

এত অপমানের পর আপনারাই ঠিক করুন কি করবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28770107 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28770107 2008-02-13 18:44:46
কাঠাল পাতা খাইবার আগে ও পরে (একটি অনুরোধে কাঠাল পাতা গিলা পোস্ট) পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্লগে সুলেখক বেশী নাই। যাহারা আছেন, সকলেই চিন্তার খোড়াক জাগাইতে বিশেষ পারঙ্গম বলিয়া বোধ হয় না। ব্যতিক্রম যিনি তাহার সুলেখনী উপভোগ করিতে শুরুতে ভারি সমস্যা হইত। বুদ্ধিপরিমাপক সূচকে একশত পঞ্চাশের বহু নিম্নে অবস্থান করিলে ইহাই অবধারিত। সমস্যার সমাধান দিলেন ষোলকলা সিদ্ধা এক রমণী। তাহারই সুপরামর্শ মানিয়া বিশেষ লেখনীকালে লেখকের মনস্তত্ব বিচারে প্রবৃত্ত হই এবং হাতে নাতে ফল লাভ করি। সেই সূত্র স্বতসিদ্ধ কিনা এই নিরীক্ষাকালেই বিচিত্র এক অভিজ্ঞতার শিকার হইতে হইয়াছে আমাকে। ভাবিয়াছিলাম চাপিয়া যাইব। কিন্তু যাহাকে বুঝিতে নিজের সহিত এত বড় বিপজ্জনক ঝুকি নিয়াছিলাম, তিনিই অনুরোধ করিলেন অভিজ্ঞতাটির বর্ণনা দিতে। ধারণা করি তিনি নিজ মুখে বলিলে দুমূর্খেরা রং-তামাশা করিবে, কিন্তু ফেলুদার মুখ হইতে শুনিলে পাঠকেরা ভিন্ন চিন্তায় ভাবিত হইবেন। সে ভাবনাতেই এই পোস্ট, বাকি বিচারের ভার পাঠকের হাতেই।


তিনি কেন এহেন প্রলাপ বকেন, এই নিযা মতভেদ আছে। পাঠকদের একটি বড় অংশ তাহাকে অবয়বে না হইলেও ভাবনাতে রামযুক্ত-শিংধারী চতুষ্পদ বলিয়া রায় দিয়াছেন। উপজাত হিসেবেই তাহারা এই উপসিদ্ধান্তে উপনত হইয়াছেন যে তাহাদের প্রিয় ছাগুরাম নিশ্চিত কাঠাল পাতা ভক্ষণ করিয়া এই রোগ বাধাইয়াছে। কি রোগ তাহা একজন ধরাইয়া দিয়াছেন, বলিয়াছেন : আমার ধারণা সে একই সঙ্গে Phobatrivaphobia এবং Automatonomania রোগে ভুগছে। প্রথমটি তথ্যপ্রমানভিততিক দলিল মেনে নিতে ভীতি এবং দ্বিতীয়টিতে কল্পনার রং চড়িয়ে চিত্রনাট্যের ভুমিকা বদলে দেওয়ার পাগলামী। ভদ্রলোক ভুল বলিয়াছেন। একটি লক্ষণ উনি গোলমাল করিযাছেন। অটোম্যাটোনোম্যানিয়া সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিলেও অন্য উপসর্গটি মোটেও ফোবাট্রিভিয়াফোবিয়া নহে। উহা আসলে ম্যানিট্রিভিয়াম্যানিয়া এবং এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত ব্যক্তি কুইজাকারে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন, সে প্রশ্নের যে উত্তরই আসুক,এমনকি তাহার ভ্রম সংশোধন করিয়া একই দলীয় চেতনাভুক্ত কেহ মিনমিনে গলায় কিছু বলিলেও তাহা সে বাতিল করিয়া দেয়। এইভাবে সে বৃত্তাকারে চক্কর পারিতে থাকে, সুশীলগন কেহ বেকুব, কেহ বিহ্বল হয়। এবং তাহাদের দুর্দশায় মন খারাপ করেন বাকিরা। দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া কেহ কেহ বলে- আহারে ছাগুর লাদিতে আরেকজন পিছল খাইল।
এতবড় ভূমিকার পর আসল কথায় আসি। শুরুতেই বলা জ্যামিতিক সূত্র মানিয়া এবং লোকমানসে প্রতিষ্ঠিত ধারণাকে ধারণ করিয়া আমি নিজের জীবনের উপর একটি ঝুকি নিয়া ফেলিলাম। ম্যাতকার বুঝিতে হ্ইলে তাহার মানসনেত্রে উকি দিতে হইবে, ভাবিতে হ্ইবে তাহার মতো করিয়া। আর তাহা সম্ভব কাঠাল পাতা খাইলেই। সমস্যা হইলো বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদিতা। মনুষ্য এবং পশুর পরিপাকতন্ত্র এক প্রকার নহে এবং তাহাতে জারক রসের বিভেদও আছে। সত্য হইতেছে গবাদি সকল পশুই কাঠাল পাতায় আসক্ত নহে। গরু-মহিষ-ঘোড়া-ভেড়া-কুকুর-বিড়ালেরা কি এক বিচিত্র কারণে এই পত্রটি এড়াইয়া চলে। তাই কৃষ্ঞকায় বঙ্গীয় চতুষ্পদীর এই খাদ্যে একক অধিকার। কিন্তু মনুষ্য তাহা কিভাবে খাইবে? সিদ্ধ করিয়া? গুড়া করিয়া? কাচা পত্র, নাকি হলুদাভ, নাকি আধকাচা বা আধপাকা? গাছেরটা নাকি তলারটা? ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি এইখানে কাজে আসিলো। ব্যাপক অনুসন্ধানের পর জানিলাম বিচিত্র এক রেসিপি অনুসরণ করিয়া এই পত্র ভক্ষণ করা হয় যাহাতে পরিপাকে সমস্যা না হয়, মনুষচর্ম ভেদ করিয়া চতুষ্পদি রোম না উঠে, পেলভিক গার্ডল হইতে স্যাকরাম নামক অস্থিটি ত্বক ফুরিয়া প্রলম্বিত লেজের রূপ না লয়, জনমানসে সর্বদা ভাসিয়া ওঠা শিঙ দুখানি নিরেট মষ্তিষ্ক ভেদিয়া সত্যি সত্যি উদ্ধমূর্খী এন্টিনা না সাজে। বুদ্ধি এবং ম্যাতকার একই থাকিবে। সেই রেসিপিও সহজ নহে। (চলিবে)
এই পোস্ট বুঝিতে হইলে অবশ্য পাঠ্য :
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28769460 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28769460 2008-02-12 01:08:24
আরেকটি ফটু ব্লগ " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28765255 http://www.somewhereinblog.net/blog/feludablog/28765255 2008-01-29 14:01:39