প্রবীন কবি আল মাহমুদের ৭৩ পেরোনো দিনে একরাশ ভালবাসা। এই ভালবাসার সাথে হয়তো কোন গোলাপ, কোন দামী সরঞ্জাম, কিংবা কোন বিখ্যাত কবিতা দেয়ার মত যোগ্যতা আমার নেই। কিন্তু কোন পবিত্র শ্রদ্ধার সাথে কলংক বিহীন কিছু ভালবাসা তবে তা আপনাকে দিলাম।
জীবনের ৭৩ পেরিয়েও মানসিকতায় ২১ এর সাহসিকতা। সেই পুরান দিনের সাথী হয়েও মনে আপনার এই টাইলস যুগের আধুনিকতা।যে পথ গুলো কখনও মাটি লাগা থাকতো আজ সেথায় কাচেঁর ছড়াছড়ি, দেশের ধর্ম, দর্শন, শিক্ষার পরিবেশে কিছু হিংস্র স্বার্থ বাজদের দখল দারিত্ব। জাতিকে সুস্থ্য জ্ঞান চর্চায় দিচ্ছে বাধা। কেন জানি তারা দায়িত্বের সাথে জড়াতে চায় টাকার ভাগা। কেন জানি সাহিত্যের সকল শাখা আজ রাজনীতির ভয়াল থাবায়, জর্জরিত, আহত। যেন সাহিত্যের পাতা গুরো মুসলমানবেসি চটি লেখকেদের গ্রেনেট হামলায় ক্ষতবিক্ষত।
এসবের মাঝে থেকেও আপনি সাহসিকতার যে দাবী ও আর্দশের যে বুলি ছড়িয়েছেন, তা ছিল আলোর মত। আগামীর লেখকেরা যদিও জন্ম থেকেই পক্ষ-বিপক্ষের ব্যানারে আবদ্ধ, কিন্তু তারপরও আপনি এই অন্ধকার যুগেও সুর্যালোকের মত আলোকিত করছেন, দেশের অর্ধ-শায়িত সাহিত্য। সাহস আর মানসিকতা, ও ধর্মের সুষ্ট আলোচনাই তো সাহিত্য। সাহিত্য তো নেতাদের বিরত্ব আর দলের কর্তৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনা। কিন্তু আপনার এই সোনার দিনগুলিতে আজ আপনাকে কি দেখতে হচ্ছে। বড় বড় পদবি নিয়ে কিছু সাহিত্যিক লেখকরা দলীয় কার্যালয়গুলো মাতিয়ে রাখে প্রশংসার কবিতায়। সাংবাদিকতার ভ্রষ্টতা আর সম্পাদকের নিলর্জ্জ সহযোগিতা সাহিত্য সুন্দর প্রষ্ফুটনকে কলিতেই গলা টিপে মারছে। তারপরও আপনাকে দেখে আমরা তৃপ্ত। আপনার এই দিনে তিতাস নদীর পার দিয়ে সবুজ ঘাসের বুকে সাদা ফুল, সোনালী কাবিনের কোন এক কবিতা উপহার দিতে পারতাম, কিন্তু দেশ আজ সেই সোনালী দিনে নেই, স্বার্থপরতা, রাজনীতি সবই গ্রাস করে রেখেছে দেশের সবক্ষেত্রে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


