কথাটার শুরু হচ্ছে বিদেশ যাত্রা নিয়ে, দেশের নেতাদের বিদেশ পাঠিয়ে দেয়া হবে এবং অনেতাদের নেতা বানাতে হবে। কিন্তু নেতার চেহারা পাল্টালে কি দেশের চিত্র পাল্টাবে। আশা করি না, কারন পাল্টাতে হবে আদর্শ । পাল্টাতে হবে ব্যবস্থা। খুন সেই মধ্যযুগ থেকে আজ অবধি বন্ধ হয়নি।রাজনৈতিক হত্যা সেই ৭৬ থেকে ০৮ পযর্ন্ত থামানো যায়নি। অনেকে নেতা-খেতা তো পটল তুলেছেন। কিন্তু তাদের শিষ্যরা কি চাঁদাবাজি হত্যা বন্ধ করেছে, না করেনি। কেন বন্ধ করবে? বংশ পরম্পরায় আমরা খুনি। আমরা বড়দের , আমাদের আদর্শদের দেখেছি কিভাবে হত্যার করে রাজপথ দখল করতে হয়। আমাদের নেতাদের বক্তব্য আমাদের লগি-বৈঠা কিংবা কাস্তে-দা দিয়ে মারতে শেখায়। হয় আমরা গরান কাঠ নিয়ে না হলে পকেটে বম নিয়ে মিছিল করি। আমাদের শিক্ষকরা আমাদের জীবনের নির্মাতারা আমাদের দলীয় মন্ত্রে উদ্ভদ্ধ হতে শেখান। আমাদের গুরুরা আমাদের গাঁজা ধরাতে শেখান। আর ভাল একটা বই এর বদলে চটি বই সরবরাহ করেন।
কথাটা ছিল বিদেশ যাত্রা নিয়ে, একজন আপোষহীন বিদেশে যাবেন না ও অন্য জন দলীয় বিদেশ অবস্থান করার পরম্পরায় বজায় রেখেছেন । দেশের স্বার্থ নিয়ে যে নেত্রীরা একদিন মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গন অবরোধ দিয়ে মানুষের রুহু বিষিয়ে তুলেছিলেন তারা আজও শর্ত দিয়ে চলাফেরা করেন। আমি জানি না এতগুলো লোকের হত্যাকারী হিসেবে দেশবিরোধী রাজাকার হিসেবে জামায়াত কে দোষারোপ করা হয় সেখানেই কেন এসব রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের দোষারোপ করা হয়না। শুধুমাত্র ৭১ সালের ভুমিকায় জামায়াত যদি রাজাকার দোষী হয় তবে কেন এই ৩৭ বছর ধরে দেশকে কুড়ে কুড়ে খাওয়া এসব হায়নারা রাজাকার কিংবা পশুকার নামে অভহিত হবে না। অবশ্যই এসব কালপ্রিট অথবা হায়নাদের দেশ ধ্বংষের দায়ে ফাঁসি কিঙবা উল্লেখযোগ্য সাজা হোক। জামায়াত যদি পাপী হয় তাদের পাপী নেতাদের সাজা দেয়া হোক। দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে যারা ট্রামকার্ড কিংবা পিসকমিটি যে যাই ব্যবহার করেন না কেন, প্রমানিত হলে তাদের বেঁধে রাখুন। চৌরাস্তায় মাথায় খুটির সাথে বেঁধে রাখুন। এবং গায়ে-মুখে চুন মাখুন। চুন মাখুন -টাক করে দিন সেসব শিক্ষকদের যারা মেধা নয় ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে গবেষনা করে, যারা নিরীহ ছাত্রদের জীবনের দামে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ ক্রয় করে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কখনও দেশ কে নিয়ে ভাবেননি। প্রধাণমন্ত্রিত্ব, রাষ্ট্রত্ব, ক্ষমতাত্ব, স্বার্থের ব্যক্তিত্ব এসব ছাড়া তাদের মাথায় অন্য কোন চিন্তা কোন কালেও আসেনি। তারা কেবলিই ব্যক্তি কিংবা দলীয় এ দুটো ফিতের মধ্যে নিজেদের আবদ্ধ রেখেছেন। পূর্বে দেখেছি আমাদের শিক্ষকরা এদের কে ঘৃণা করতেন, কিন্তু এখনকার ছার (দুঃখিত) স্যার-রা দেখেছি এসব নোংরা-ঘৃণ্য লোকদের চামচামি করে দেশের বারটা বাজাতে পিছ পা হন না। দেশের ছাত্র সমাজ কে দেশ ও ভবিষ্যত ধ্বংসের রাজপথে এনে তারা তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বজায় রাখা কৌশলে কারও জীবনের পরওয়া কখনই করেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


