আওয়াজ উঠতে হবে, আওয়াজ উঠছে

হায়রে আমার দেশ, হায়রে ইতিহাস, হায়রে উদযাপন

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

শেয়ারঃ
0 1 0

ফলাও করে পালন হচ্ছে, গান্ধীজি-র জন্মদিন, অথচ ১৯০০ সালের গোড়ার দিকে সম্ভাবনাময় যে বাংলার একটি উজ্জল মানচিত্র আঁকা হচ্ছিল, তখন এই গান্ধীজি-ই এদেশের বিপক্ষে (সেই সম্ভবনাময় দেশটির বিপক্ষে, পূর্ব বাংলা) ৬ দিন না ৭ দিন না খেয়ে কাটিয়েছিলেন)। এই রবী বাবুর আজকের জাতিয় সংগীত-ই তখনকার ভারত কে জুড়ে রাখার জন্য বাংলাকে (বাংলাদেশ না হেত দেয়ার জন্য দায়ী ছিলেন। অথচ এই সমস্ত লোকেরাই আজ দালালী-ভন্ডামীর চক্রান্তে এনাদের জন্ম-মরণ দিন ফলাও করে প্রচার করেন, অথচ এদের প্রিয় নবী (স) এর জন্ম-মরণ দিন কেউ ফলাও করে প্রচার করেন না। আমরা অবাক হয়ে যাই, যে এরা কি ইতিহাস জানে, ইতিহাস মানে। নাকি বেহুশের মত শুধু চলতে জানে, অন্যদের অনুকরন হোক তা সঠিক বা বেঠিক।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১২
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তৎকালীন আরও অনেকে, যারা বর্তমানে একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবির প্রাতঃনমস্য, বঙ্গভঙ্গ এমন কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিপক্ষে ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন দাসত্বের নিগড় থেকে মুকিাত লাভ না করতে পারে। এমনকি সূর্যসেন (মাস্টারদা), প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, ক্ষুদিরাম বসুদের আন্দোলনের মূললক্ষ্য ছিল বঙ্গভঙ্গ রদ। অথচ বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানোর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না যা দুঃখজনক।

তবে এর মধ্যে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর ইতিহাস টেনে আনা উচিত না। দু'টো আলাদা ইতিহাস।
২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: তখন এই গান্ধীজি-ই এদেশের বিপক্ষে (সেই সম্ভবনাময় দেশটির বিপক্ষে, পূর্ব বাংলা) ৬ দিন না ৭ দিন না খেয়ে কাটিয়েছিলেন)।
-----------------------------------------------------------------------------

কৈত্থিকা পাইলেন এই আজগুবী খবর?
৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: এইগুলা কি মাদ্রাসায় শিখায়? বালছালে ভইরা গেল ব্লগ।
৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২২
মহানাম বলেছেন: ধর্মান্ধ লেখক কি বলতে পারেন যে আর কি কি ভাবে নবীজির জন্ম-মরণ দিন পালন করলে আপনার খায়েশ পূরণ হবে ? ইতিহাস ভালভাবে জেনে নিয়ে তারপর মন্তব্য করলেই শোভন হয়। গান্ধীজির কাছে হিন্দু-মুসলমানের প্রভেদ ছিল না। তাই ত তিনি সাবলীলভাবেই মৃত্যু হতে পারে জেনেও ছুটে এসেছিলেন দাঙ্গা-প্রপীড়িত নোয়াখালীতে। তিনি নেহায়েতই অসাম্প্রদায়িক ছিলেন বলেই তাঁর আজীবন পাশে ছিলেন তৎকালীন সর্ব্বভারতীয় কংগ্রেসের আজীবন মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ। আর আপনার মত ধর্মান্তরিতরা সব কিছুর মধ্যেই নোংরামীর কাদা ছিটাতে শুরু করে। মানুষ হবার সাধনা করুন, শান্তি পাবেন।
৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
বাঁশী বলেছেন: আপনে নতুন কইরা ইতিহাস লিখেন, আমরা পড়ি। পাগল-ছাগলের আবজাব ভালই লাগে।
৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
ইরফান আহেমদ বলেছেন: ১. কেন মুজিব নিজেকে আজীবন রাষ্ট্রপতি ঘোষনা করলো।

২. কেন মুজিব সব দল নিষিদ্ধ করে একটি মাত্র দল বাকশাল কায়েম করে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার হরন করলো।

৩. কেন চারটি মাত্র পত্রিকা রেখে বাকি পত্রিকাগুলোকে নিষিদ্ধ করে জনগণের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হলো।

৪. কেন ১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষের সময় নিজের ছেলেদেরকে স্বর্ণ মুকুট মাথায় দিয়ে বিয়ে করালো।

৫. কেন ৭২ থেকে ৭৪ মধ্যবর্তি সময়ে রক্ষিবাহিনী দিয়ে ৪০,০০০ বনী আদমকে হত্যা করলো।

৬. কেন নিজের ছেলেদের ব্যাংক ডাকাতি আর র্যাতপ করার অভিযোগ থাকার পরেও তাদের বিচার করলোনা।

৭. কেনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে কোরানের আয়াত (اقرأ باسم ربّك الذى خلق) মুছে দেয়া হলো।

৮. কেনো কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে “ইসলাম” আর সলীমুল্লাহ মুসলিম হল থেকে “মুসলিম” শব্দদ্বয় মুছে দেয়া হলো।

৯. কেনো বাংলাদেশের সেনাবাহিনী কে অকার্য্যকর রেখে Parallel force হিসেবে রক্ষী বাহিনী এবং মুজিব বাহিনী নামক দু’টি বাহিনী তৈরী করা হয়েছিলো।

১০. কেনো সিরাজ শিকদার কে হত্যা করে সংসদে এসে হুংকার দেয়া হলো কোথায় আজ সিরাজ শিকদার।

এই দশটি প্রশ্ন নিজের অন্তরকে করুন।

যদি কোন উত্তর আপনি না পেয়ে থাকেন, তাহলে মহাত্মা গান্ধির চিন্তাটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।

দেশের এই চরম পরিস্থিতিতে আমাদের জাতির পিতা মুজিব হলো নাকি মহাত্মা গান্ধি হলো তাতে কিছু আসে যায়না।
৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
দাউদ রনি বলেছেন:
মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন।
৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
সুমন্ত বলেছেন: যতদুর জানি গান্ধী ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির বিপক্ষে ছিলেন।
এখন অনেকেই ধারণা করেন, ৪৭-এর বিভক্তি বড় বড় পরাশক্তির ৪৭-পরবর্তী শোষেণর জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল। ভারত-পাকিস্তান বিভক্তি না হলে পৃথিবীতে এ এলাকাটির অাজ অন্য অবস্থান থাকত, তখনকার ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এ কারনে এ এলাকায় বিভক্তির বীজ বপনে সচেষ্ট ছিল।
৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০২
িফেরাজ খান বলেছেন: বই খাতা, ইতিহাসের পাতার হুবহু নকল করে তারিখ, লাইন নম্বর লিখে ব্লগ লিখলেই কেউ শিক্ষিত হয়ে যায় না। কপি করে লেখা শিক্ষিত হওয়ার উদহারন না। শিক্ষিত হতে হলে লেখার বিষয়ের উপর নজর দিন। ভাবের উপর কথা বলুন। আমি আমার দেশের কথা বলেছি। আমি ইতিহাসের কথা বলেছি। আমি নোংরামীর উদহারন দিয়েছি। নিজের বিবেক আর দেশের স্বার্থ নিয়ে ভাবুন। সব পরিস্কার হয়ে যাবে।
১০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
ভাবসাধক বলেছেন: ফটকা প্যাচাল ! তবে পাকিস্তান ভাগের সময় আমরা ঠকছি ! বাংলা এত ছোট অইল ক্যা । গান্ধী, জিন্নাহ আর নেহরুরে মরোনত্তর ডিবি অফিসে জিগান দরকার।
১১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৩
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: নেতাজী ভারত স্বাধীন করছে গান্ধীজি নয় উনি বিশ্বাস করতন যে মহৎ উদ্দেশ্যসাধনের জন্যও হিংসাংতক রাস্তা পরিহার করতে হবে।



তাহলে বাংলার সৃষ্টি হতোনা যদি আমরা ৯ মাস না খেয়ে কাটাতাম


হা হা

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যতটুকু বলি, সত্য বলি, আর একজন মানুষ হিসেবে বুঝি পুরোটা শুদ্ধ হতে পারব না, তবে চেষ্টা করি, শুদ্ধ হওয়ার।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই