অবশেষে বাংলাদেশে ওয়েবসাইটে কেনাকাটা শুরু হলো।
অবশেষে বাংলাদেশে ওয়েবসাইটে কেনাকাটা শুরু হলো। বেসরকারি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিবিএল) ইলেকট্রনিক লেনদেন ও কেনাকাটার সুবিধা (ই-পেমেন্ট) চালু করেছে। গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইনে লেনদেনের অনুমতি দেয়। এ অনুমোদনের ফলে দেশীয় টাকায় ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেনাকাটা করা যাবে। ডিবিবিএল ৪ জুন থেকে চালু করেছে ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটার এই সেবা।বর্তমানে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটার সুযোগ আছে। তবে ভবিষ্যতে ওয়েবসাইটের সংখ্যা আরও বাড়বে।
নতুন যুগে বাংলাদেশ
ইন্টারনেটে কেনাকাটার এ সুযোগ অনেক আগে থেকে থাকলেও দেশীয় টাকায় কেনার সুযোগ ছিল না। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আগে পণ্য কেনা যেত। তবে এসব পণ্য কিনতে হলে বিদেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে হতো।মূলত এসব ওয়েবসাইটে প্রবাস থেকে পণ্য কিনে তা দেশে প্রিয়জনদের কাছে পাঠাতেন অনেকে। তবে এখন এ কাজটি করা যাবে বাংলাদেশের মধ্যেই, স্থানীয় মুদ্রা অর্থাৎ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে।
পুরো প্রক্রিয়া যেমন
নতুন এ সুবিধার ফলে ডেসকোর বিদ্যুৎ বিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন, যানবাহনের টিকিটসহ সবকিছুই কেনা সম্ভব ঘরে বসেই। বাংলাদেশে নানা ধরনের লেনদেনের পাশাপাশি ইন্টারনেটে লেনদেনও চলছে। বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম (অটোমেটেড টেলার মেশিন) থেকে টাকা তোলার ব্যাপারটা এখন বেশ জনপ্রিয়। এটিএমগুলো ব্যাংকের নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে। যখন কোনো গ্রাহক তাঁর কার্ডটি এটিএমে ঢোকান তখন সেটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত হয়। গ্রাহক যখন তাঁর পরিচিতি নম্বর (পিন) দেন, তখন ব্যাংকের সার্ভার সেটির যথার্থতা নিশ্চিত করে। তারপর ইলেকট্রনিক লেনদেনটি সমপন্ন হয়। যখন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এটিএম থেকে টাকা তোলা হয়, তখনো কমবেশি একই রকম ব্যাপার ঘটে। এখন এসব লেনদেন ওয়েবসাইটে ঢুকেই করা যাবে।এ ক্ষেত্রে কার্ডধারীর ব্যাংক হিসাব থেকে বিক্রেতা বা সেবাদাতার হিসাবে টাকা জমা হয়ে যায়। এটিএম বা কার্ডে লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতাকে একই নেটওয়ার্কের সদস্য হতে হয়। তবে হিসাবগুলো যদি পৃথক পৃথক ব্যাংকে থাকে, তাহলে সেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জড়িত হতে হয়। আন্তব্যাংক লেনদেন কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে হতে পারে। এ কাজটি বর্তমানে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। ফলে যেকোনো ব্যাংকের কার্ড দিয়েই বর্তমানে অনলাইনে কেনাকাটা করা যাবে। আন্তব্যাংক ই-লেনদেন অনেক দিন ধরেই চলছে। তবে এখন ই-পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হওয়ার ফলে তা ওয়েবভিত্তিক হলো।
ওয়েবসাইটে কেনাকাটা
শুরুতে ব্যাংকের অনুমোদিত ওয়েবসাইটগুলোতে পণ্য কেনাবেচা করা যাবে।এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকে একটি কম্পিউটার সার্ভার থাকবে এবং যে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে কেনাবেচা করা যাবে, সেখানেও থাকবে সার্ভার। বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হবে—জানালেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন। তিনি বলেন, গ্রাহক যখন ওয়েবসাইটে ঢুকে পণ্য পছন্দ করবেন এবং এর জন্য অর্থ পরিশোধের জন্য নির্দিষ্ট বোতামে (পে) ক্লিক করবেন, তখন সে নির্দেশব্যাংকের সার্ভারে চলে যাবে। এরপরের কার্যক্রমটুকু ব্যাংকের সার্ভারে সম্পন্ন হবে। সার্ভার থেকে পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ব্যাংক ওই গ্রাহকের নির্দিষ্ট হিসাব পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট অর্থ কেটে নেবে। ওই ব্যাংক দেশি না হলে পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে নম্বরটি ভিসা কিংবা মাস্টার কার্ড নেটওয়ার্কে যাবে। এখান থেকে নির্দিষ্ট ব্যাংকের অনুমতিক্রমে অনুমোদিত হবে। ব্যাংক ক্রেতার হিসাব থেকে অর্থ কেটে নিয়ে বিক্রেতার হিসাবে জমা করে দেবে। এ ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই অর্থ পরিশোধ করা যাবে। পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে মিনিট খানেকের মধ্যেসম্পন্ন হবে।
আবুল কাশেম মো. শিরিন জানান, লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে নির্দিষ্ট পণ্য পৌঁছে দেবে। যদি কোনো ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ পণ্য গ্রাহকদের কাছে না পৌঁছায়, তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান আবুল কাশেম মো. শিরিন। এসব ক্ষেত্রে চিন্তার কিছু নেই বলে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, যখন গ্রাহকদের নির্দিষ্ট হিসাব থেকে টাকা কেটে নেওয়া হবে, তখন তার একটি দলিল থেকে যায়, যা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। ডিবিবিএল কার্ড নম্বর পেমেন্ট গেটওয়েতে আসার পর তা নির্দিষ্ট সার্ভারে পরীক্ষা করে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস পাঠাবে। নির্দিষ্ট গ্রাহককে এসএমএসটি পুনরায় একই নম্বরে পাঠাতে হবে, যার ফলে নিশ্চয়তা বাড়বে বলে জানান তিনি।
আছে নানা সুবিধা
নানা ধরনের পণ্য কেনাকাটা ছাড়াও ইলেকট্রনিক পেমেন্টের মাধ্যমে ডেসকোর বিল (http://www.desco.org.bd/bill) পরিশোধ করা যাবে। এ ছাড়া ই-কমার্স সাইট হাটবাজার (http://www.hutbazarbd.com), চরকা (http://www.chorka.com), একুশে (http://www.ekushey.com.bd) ওয়েবসাইট থেকে কেনা যাবে প্রয়োজনীয় নানা ধরনের পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক, বই, ইলেকট্রনিকস পণ্য, প্রযুক্তি পণ্য, খাবার, উপহারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ধরনের পণ্য। শুরুতে কেনাকাটার সুবিধার জন্য এ ওয়েবসাইটগুলোতে রয়েছে বিনা মূল্যে নিবন্ধনের সুবিধা। ফলে ক্রেতা পণ্য কিনে বারবার নিজের ঠিকানা লেখার প্রয়োজন নেই।
ই-কমার্স সাইটে এ সুবিধা যোগ করতে চাইলে ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে। ব্যাংকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তির পরই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান আবুল কাশেম মো. শিরিন।
নতুন সম্ভাবনা
ঘরে বসে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেনাকাটার বিষয়টি জনপ্রিয় হবে এমনটাই মনে করেন অনেকে।তবে শুরুতে সাধারণ ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনই মূল বিষয় বলেমনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাকিলা ইমরোজ। তাঁর মতে, যেহেতু এ ব্যাপারটি আমাদের দেশে এবারই প্রথম, তাই শুরুতে উন্নত সেবা এবং সময়মতো পণ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা ভালোভাবে পূরণ করতে হবে। এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষের।
Click This Link
-------------------------------------------------------
দেশে ইন্টারনেটে কেনাকাটা
Click This Link
দেশে অথবা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করা হোক না কেন, মুঠোবন্দি বাজার। ই-কমার্সের কল্যাণে কেনাকাটা সম্ভব হচ্ছে মুহূর্তেই। ইন্টারনেটে সংযুক্ত কম্পিউটার, মাউস-কিবোর্ডের স্পর্শে সম্পূর্ণ হচ্ছে বিকিকিনি। সম্প্রতি দেশে চালু হয়েছে ইন্টারনেটে পণ্য বিকিকিনির এ জনপ্রিয় মাধ্যম
নূর-ই আলম
বাংলাদেশ ব্যাংক গত বছর ২ নভেম্বর বাংলাদেশে ই-কমার্সের আইনগত বৈধতা দিয়েছে। এরপর ক্রেডিট কার্ডে অর্থ নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশিল্গষ্ট কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। তবে এ গেটওয়ের কাজ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বছরখানেকের মধ্যে চালুর কথা থাকলেও তা সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাংলাদেশে নিজস্ব গেটওয়ের মাধ্যমে ই-কমার্স চালু করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। গত ৩ জুন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এ গেটওয়ে চালুর ফলে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও যে কোনো ব্যাংকের মাস্টার বা ভিসা কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন কেনাকাটার সুবিধা পাওয়া যাবে। একজন গ্রাহক নিজের ব্যাংক হিসাব থেকে একই ব্যাংকের অন্য হিসাবে অনলাইনে টাকা স্থ্থানান্তর করতে পারবেন। বিভিন্ন সেবার বিল অনলাইনেই পরিশোধ করা সম্ভব হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা ও পণ্যের মূল্য স্থানীয় মুদ্রায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।
মুঠোবন্দি বাজার : কিছুদিন আগেও প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্য ছুটতে হতো ডিপার্টমেন্টাল স্টোর অথবা ফ্যাশন হাউসে। বিশেষ করে উপহার পাঠাতে প্রবাসীদের নির্ভরতা দেশে ফেরা পরিচিত কোনো ব্যক্তি। কিন্তু ই-কমার্সের কল্যাণে প্রিয়জনকে উপহার পাঠানো সম্ভব হচ্ছে মুহূর্তেই। দেশে অথবা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করা হোক না কেন, মুঠোবন্দি বাজার। ইন্টারনেটে সংযুক্ত কম্পিউটার, মাউস-কিবোর্ডের স্পর্শে সম্পূর্ণ হচ্ছে বিকিকিনি। যেখানে ইচ্ছে করলেই যে কেউ অর্ডার দিতে পারেন পছন্দানুযায়ী পণ্যের। একটা বই অথবা সেলফোন কিনবেন_ ঘরে বসে অর্ডার করলেই ব্যাস। বিক্রি হওয়া পণ্যের টাকাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেয়ে যাবেন বিক্রেতা। তাকে ক্রেতার কাছে গিয়ে পণ্যের মূল্য সংগ্রহ করতে হবে না। ই-লেনদেনের ফলে একজন ক্রেতা খুব সহজে প্রয়োজনীয় পণ্যটি যেমন পছন্দ করতে পারবেন, তেমনি মূল্যও পরিশোধ করতে পারবেন ইন্টারনেটে। অনলাইনে শপিংয়ের মজাটা হচ্ছে, ঘরে বসে ওয়েবসাইটে পণ্য পছন্দ করা ও পছন্দের পণ্যটি ইন্টারনেটেই অর্ডার দেওয়া। আর ওই পণ্যটি আনতে দোকানেও যেতে হবে না। নির্দিষ্ট সময়ে কাঙ্ক্ষিত স্থানে চাহিদানুযায়ী পণ্য পেঁৗছে দেবে ইন্টারনেটে পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে অনলাইনে পণ্য বিকিকিনির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। এসব প্রতিষ্ঠানের সাইটে রয়েছে দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন এমন যাবতীয় পণ্য। এর মধ্যে শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, শার্ট-প্যান্ট, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শিশুদের খেলনা, বিভিন্ন ধরনের খাবার, জন্মদিনের কেক, ফুল, ঈদ কার্ড, ক্রোকারিজ সামগ্রী, হস্তশিল্প এবং মাছ-মাংস থেকে শুরু করে উৎসবে রান্নার সব উপাদান। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের গেটওয়ের সমর্থনে যঃঃঢ়://িি.িযঁঃনধুধৎনফ.পড়স, যঃঃঢ়://িি.িবশঁংযবু.পড়স.নফ, যঃঃঢ়://িি.িপযড়ৎশধ.পড়স সাইট থেকে পণ্য কেনা যাবে।
ই-কমার্সের কারিগরি : অনলাইনে বিক্রয়কারী নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের হোমপেজ থেকে পণ্য পছন্দ করতে হবে। এরপর মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়া। পণ্য বাছাইয়ের পর একটি নির্দিষ্ট ওয়েবপেজে গিয়ে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এ পেজটি সাধারণ ওয়েবপেজ থেকে অনেক নিরাপদ। সাধারণত যেসব ব্যাংক এ অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা প্রদান করে এ ওয়েবপেইজটি হচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ইন্টারফেস [এপিআই]। এখানে ক্রেতা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত এবং পাসওয়ার্ড ইত্যাদি প্রদান করবেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সেসব তথ্য যাচাই-বাছাই করবে এবং লেনদেনের প্রক্রিয়াটি সম্পাদন করবে। যখন বিক্রেতার ব্যাংক হিসাবে ক্রেতার ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ লেনদেন সম্পাদন সম্পূর্ণ হবে তখন ক্রেতা একটি বার্তা পাবেন এবং পণ্যের অর্ডার বিক্রেতার ডাটাবেজে জমা হয়ে যাবে। বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক জায়গাতেই পণ্য বা সেবার মূল্য ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে পরিশোধ করা যায়। এজন্য সেসব প্রতিষ্ঠানে একটি বিশেষ যন্ত্র থাকে। ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ওই যন্ত্রে প্রবেশ করানো হলে সেটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কার্ডের হিসাব থেকে টাকা দোকানের বা বিক্রেতার হিসাবে চলে যায়। একইভাবে এ প্রক্রিয়ায় যখন কোনো ওয়েবসাইটে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হবে, সে ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ ওয়েবপেইজ থাকবে। সাধারণত যেসব ব্যাংক এ সেবা দেবে, এটি হবে তাদের সরবরাহ করা এপিআই। এর মাধ্যমে বিক্রেতার ওয়েবসাইটে টাকা গ্রহণের প্রতি সরাসরি ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, বিক্রেতার সার্ভারে নয়। এখানে কার্ড যন্ত্রে প্রবেশ করাতে হবে না, ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট জায়গায় ক্রেতা বা গ্রাহককে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর এবং একটি গোপন নম্বর লিখে দিতে হবে। এতে কার্ডের নম্বরটির উল্লেখ থাকবে। এ দুটি তথ্য ব্যাংকের সার্ভারে চলে যাবে এবং এর পরের অংশটুকু এখনকার কার্ড লেনদেনের মতো হবে।
থাকতে হবে সাবধান : ই-কমার্সের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সব লেনদেন অনলাইনেই সম্পাদন হবে। এজন্য ব্যবহারকারীদের অনেক সাবধানে লেনদেন করতে হবে। একটু ভুলের কারণে ব্যবহারকারীরা যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। যেহেতু অনলাইনে টাকা-পয়সার লেনদেন হবে, তাই নিরাপত্তার বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। অনলাইন কার্ড বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের বেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপত্তা। কার্ড বা ব্যাংক হিসাবের গোপন সাংকেতিক নম্বর [পাসওয়ার্ড] যাতে চুরি না হয়, সেজন্য ব্যবহারকারীকে সতর্ক থাকতে হবে। একইভাবে যে ওয়েবসাইটে ওই নম্বর দেওয়া হবে সেটি নিরাপদ কি-না, তা দেখে নিতে হবে গ্রাহককেই। অনলাইনে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং তার ব্যাংক হিসাবের নিরাপত্তা। যেসব ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত এবং ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করা হবে সেগুলো নিরাপদ কি-না তা আগে যাচাই করে নিতে হবে। সাধারণ যে কোনো ওয়েবসাইট এইচটিটিপি বা যঃঃঢ় [হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল] প্রযুক্তিতে কাজ করে। কিন্তু আর্থিক লেনদেনকৃত অধিক নিরাপত্তা প্রয়োজন এমন সাইটগুলোয় যঃঃঢ়ং [হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল সিকিউরড] প্রযুক্তিতে কাজ করে। এটি যঃঃঢ় এর চেয়ে অধিক নিরাপদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

