অনেক আশা নিয়ে ডাউনলোড করেছিলাম উবুন্টু কারমিক কোয়ালা। অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। কয়েকবার অনেকটুকু ডাউনলোড করার পর প্রথম থেকে শুরু করতে হয়েছে নানা কারণে। তারপরেও কোয়ালা নিয়ে এত আলোচনা হয়েছিল যে ভেবেছিলাম পরিশ্রম স্বার্থক হবে। প্রায় একই সময়ে বাজারে আসা উইন্ডোজ সেভেন ভিসতার মত ফল করেছে কিনা জানি না। তবে ক্যাননিক্যাল যে মাইক্রোসফটের পথ ধরতে গিয়ে হোঁচট খেতে যাচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। একটা কিছুকে রংচঙে করলেই শুধু হয় না সাথে কোয়ালিটিও লাগে, মাইক্রোসফট সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। উবুন্টু কারমিক কোয়ালাতে ক্যানোনিক্যাল অ্যাপিয়ারেন্সের দিকে একটু বেশীই নজর দিয়েছে মনে হয়। ফলাফলও দাঁড়িয়েছে ভিস্তার মতই। লিনাক্সের সেই বিখ্যাত স্ট্যাবলিটি অনেকাংশেই অনুপস্থিত, অসংখ্য বাগ আর অযথা রংচঙ। ৭ দিনে ৪ বার ইন্সটল করতে হয়েছো কোয়ালা। আগের ভার্সনের APTonCD দিয়ে তৈরি করা ব্যাকাপের অধিকাংশ সফটওয়্যারই চলে না এতে। না চললেও সমস্যা ছিল না, ডাউনলোড করে নিয়েছিলাম নতুন করে। কিন্তু অনেক সফটওয়্যারই ক্রাশ করছিল বারবার। মডেমটা একবার পায় তো তিনবার পায় না। রিস্টার্ট দেয়া লাগে বারবার। ল্যানে ইন্টারনেট শেয়ার হয় না। সফটওয়্যার সেন্টারে বারবার রিলোড করার পরেও ডাউনলোড বাটন আসে না। গ্রাব ২ এর কথা বলে দেয়া হয়েছে ১.৯৭ বেটা ৪। পার্থক্যটা যে কোথায় বুঝলামই না। দেখতে একটু আলাদা। আজ সম্পুর্ণ অকারণে আমার পুরো অপারেটিং সিস্টেম ক্রাশ করল। গ্রাব লোড করার যে কমান্ড জানতাম সেগুলোও কাজ করল না। অন্য ভার্সন বলেই হয়ত। আবার নতুন করে ইন্সটল করে সব ডাউনলোড করার চেয়ে আগের ভার্সনে ফিরে যাওয়াটাই ভাল মনে করলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



