somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যেভাবে বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল পেমেন্ট নেবেন
তারপরেও পেপ্যাল দিয়ে পেমেন্ট নেওয়ার দরকার পরে রেগুলার বড় ক্লায়েন্টদের জন্য। তাদের অনেকেই আমেরিকান হওয়ায় মানিবুকারস ব্যবহার করতে পারেন না। সাইটের মাধ্যমে টাকা দেয়ার খরচের চেয়ে টাকা আপলোড করার ঝামেলাটাই তাদের জন্য বড় সমস্যা।

আমি বেশ কিছুদিন থেকেই পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে পেমেন্ট নিচ্ছি এবং আমি অপেক্ষা করছিলাম টাকা হাতে পাওয়ার জন্য। হাতে পাওয়ার পর একটা ফার্স্ট হ্যান্ড রিভিউ দিচ্ছি। বাংলাদেশে এখনও পেমেন্ট গেটওয়ে খুব বেশী ব্যবহৃত হয় না বলেই মনে হয় (প্লাইমাস দিয়ে সার্চ দিয়ে মাত্র ২ টা রেজাল্ট পেলাম), তাই এব্যাপারে সবাইকে জানানো প্রয়োজন মনে করছি।

পেমেন্ট গেটওয়ে অনেক পাবেন। সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত গেটওয়ে হল 2co। এদের সবই ভাল তবে সেটাপ চার্জ থাকায় এটা অনেকের জন্যই সমস্যা। সেটাপ চার্জ বিহীন পেমেন্ট গেটওয়ে হল Plimus

পুরো সিস্টেমটা এরকম,

ক্লায়েন্ট আপনাকে যত টাকা পে করবে আপনি সেই অ্যামাউন্টের একটা প্রোডাক্ট তৈরি করবেন। তারপর সেই প্রোডাক্টের পেমেন্ট লিংকটা ক্লায়েন্টকে দেবেন। সরাসরি লিংকটা মেইল করে দিতে যাবেন না, আমি এরকম করায় তারা আমাকে ওয়ার্নিং দিয়েছিল। আপনার প্রোফাইলে একটা সাইট অ্যাড করতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক। তারা শুধু সাইটের মাধ্যমেই ট্রানজেকশন অ্যালাউ করে। সেই সাইটে একটা পেজ তৈরি করে লিংকটা সেখানে দিয়ে ক্লায়েন্টকে ঐ পেজের লিংকটা মেইল করে দিন। পেজটা এরকম,




ক্লায়েন্ট পেমেন্ট লিংকে ক্লিক করলে তাকে অনেক কয়েকটা পেমেন্ট অপশন দেয়া হবে, ক্রেডিট কার্ড (সব মেজর কার্ড), পেপ্যাল, মানিবুকারস, চেক, লোকাল ব্যাংক ডিপোজিট, পোস্টাল ওর্ডার ইত্যাদি। ক্লায়েন্ট যে মেথডেই পেমেন্ট দিক না কেন সেটা কালেক্ট করার দ্বায়িত্ব Plimus এর। তবে, আপনি চাইলে কিছু মেথড বাদ দিতে পারেন, যেমন চেক, এর প্রসেসিং লেনদী। পেমেন্ট পেজটা ১০০% সিকিউরড https এবং অনেক সিকিউরিটি সংস্থা কর্তৃক ভ্যারিফায়েড তাই এটা ব্যবহার করতে ক্লায়েন্টের কোন আপত্তি থাকার কথা না।

ক্লায়েন্ট পেমেন্ট করা মাত্র আপনি ইমেইল নটিফিকেশন পাবেন। প্লাইমাসের চার্জ এরকম,

4.99$ এর নিচে 75 সেন্ট
5$-8.99$ 15%
9$-49.99$ 10%
50$-59.99$ 9%
60$-79.99$ 8%

80$ এর উপরে হলে তাদের পার্সোনালাইড অফার আছে, যোগাযোগ করতে হবে। তবে আমি যোগাযোগ না করেও ৬% রেট পেয়েছি ১০০ ডলারের বেশীর জন্য। আগেই বলেছি, গেটওয়েগুলো ছোট পেমেন্টের জন্য নয়। বড় পেমেন্ট নেয়াই লাভজনক।

টাকা বাংলাদেশে আনার উপায় চেক, ব্যাংক ওয়্যার আর পেঅনার কার্ড। পেঅনারে আনার আগে আপনাকে অবশ্যই একটা পেমেন্ট ব্যাংক ওয়্যারে নিতে হবে (সম্ভবত ভ্যারিফিকেশনের জন্য)। ব্যাংক ওয়্যারের চার্জ ২ রকম, ডলারে নিলে ২১$ আর অন্য কারেন্সীতে ১৫$। যেহেতু অন্য কারেন্সীতে নিলে আমার কোন সমস্যা হচ্ছে না তাই আমি ইউরোতে নিয়েছি।

তারা মাসে একবার টাকা পাঠায়। প্রতি মাসের মাঝামাঝি। প্রথমবারের পরে পেনার কার্ডে টাকা নেয়া যাবে।

আশা করি অন্তত কয়েকজনের হলেও উপকার হবে। ধন্যবাদ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পোস্টটি উৎসর্গ করা হল দি ফ্লাইং ডাচম্যান কে। তার ক্রমাগত জ্বালাতনেই <img src=" style="border:0;" /> সামুতে আবার লিখা। মাথা অনেকদিন থেকে খালি ছিল, লেখার কিছু পাচ্ছিলাম না।

নকল হইতে সাবধান:
ইঞ্জিনিয়ার নামে একজন ব্লগার অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। সেটা আমি নই। বানানের খুব সূক্ষ তারতম্য সাধারণভাবে চোখে পড়ে না। তাকে দোষ দিচ্ছি না। তিনি হয়ত জানতেন না যে কাছাকাছি নামে আরেকটি নিক আছে। তবে, বিভ্রান্তি এড়াতে এখানে উল্লেখ করলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29384264 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29384264 2011-05-20 17:39:44
উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড LTS: চোখ ধাঁধানো রিভিউ<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

কারমিক কোয়ালা ফেইল করার পরে উবুন্টুর এই ভার্সনটা আমার কাছে বহুল প্রতিক্ষীত ছিল। তবে আগের বারের মত এবার আর রিস্ক নেই নি। আগে লাইভ সিডি থেকে চালিয়ে দেখেছি সব কিছু ঠিক আছে কিনা। গতবার জিপি মডেম নিয়ে সমস্যা ছিল। এবারও কিছুটা আছে বলে মনে হয়। আমার জিপি মডেম লাগানোর পরে সেটাকে মডেম হিসেবে ডিটেক্ট না করে ইউএসবি ড্রাইভ হিসেবে শো করছিল। তবে, সেটার সমাধান করতে পেরেছি। যদি আপনর মডেমটাকে মডেম হিসেবে ডিটেক্ট না করে তাহলে মডেমটা খুলে কানেকশনস সেটিংস থেকে একটা মোবাইল ইন্টারনেট কানেকশন তৈরি করে তারপর মডেমটা লাগান। আমার মডেমটা এভাবে পেয়েছে। কারমিক কোয়ালায় ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারি নি। এটায় দেখলাম শেয়ার হচ্ছে। মনে হচ্ছে এই ভার্সনটা চালাতে পারব। জন্টির বিদায় ঘন্টা তাহলে অবশেষে বাজলো /<img src=" style="border:0;" />।



যে বিযয়গুলো নিয়ে টেনশনে ছিলাম সেগুলো আগে বলে নিলাম। এবার স্টেপ বাই স্টেপ রিভিউ শুরু করি।

আমি লুসিড ইন্সটল করেছি আমার গিগাবাইট W451U ল্যাপটপে। এটার প্রসেসর কোর টু ডুয়ো ১.৮৩, মাদারবোর্ড Intel GM945,র‍্যাম ২ গিগা। বুট করেছি আমার Trancend V30 4GB পেনড্রাইভ থেকে <img src=" style="border:0;" />।

লাইভ সিডি লো‌ড হতে "Try Ubuntu” সিলেক্ট করার পর সময় নিয়েছে ১ মিনিট ২২ সেকেন্ড। এই ভার্সন দেখলাম ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ কে ফ্লাশ ড্রাইভ হিসেবেই দেখাচ্ছে। আগে ইউএসবি থেকে বুট করলেও সিডি বলত। ইন্সটল করতে সময় লেগেছে৭ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড যেটা আগের ভার্সন কারমিক এর প্রায় দ্বিগুণ। নতুন যে ফিচারটা ভাল লেগেছে সেটা হল ইন্সটলেশন প্রসেস চালু অবস্থায়ও লাইভ সিডি থেকে সব কাজই করা যায়। আমি ইন্সটল ৯৫% হবার পরেও সফটওয়্যার রান করতে পেরেছি। এটা খুবই ভাল একটা ব্যাপার যে ইন্সটল করতে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকা লাগে না। এই ফিচার লুসিডেই প্রথম।



উবুন্টুর যে ১০ সেকেন্ড বুটের একটা লক্ষ্য ছিল যেটা লুসিডে বাস্তবায়ন হবার কথা ছিল সেটি সম্ভবত তারা করতে পেরেছে। লুসিড আমার ল্যাপটপে বুট করতে সময় নিয়েছে ৪০ সেকেন্ড। আগে জ্যাকিলোপ অফিসিয়ালী ৩০ সেকেন্ডে বুট করার কথা থাকলেও আমার লাগত ৫৫ সেকেন্ড। তারমানে আমার ল্যাপটপে তাদের এক্সপেরিমেন্ট এনভায়োর্নমেন্টের চেয়ে মোটামুটি দ্বিগুণ সময় লাগছে। সে হিসেবে ৪০ সেকেন্ড=১০ সেকেন্ড ধরা যায়। ৪০ সেকেন্ট বুট আমার কনফিগারেশনে আমি যথেষ্ট ফাস্ট বলে মনে করি।

এবার আসি উবুন্ট ব্যবহারে। এই ভার্সনে নতুন যা যা এসেছে,



স্প্যাশস্ক্রিন: উবুন্টুর স্প্যাশস্ক্রিন কেমন যেন ম্যারম্যারা হয়ে যাচ্ছে। গত ভার্সনে স্পটলাইট ইফেক্ট দেয়া হয়েছি। এবার আরও সাদামাটা। আমার মতে ৯.০৪ এর স্প্যাশস্ক্রিনটা সবচেয়ে সুন্দর ছিল।



নতুন আউটলুক: উবুন্টু অবশেষে তাদের সেই বাদামী হিউম্যান থিমটি বাদ দিয়েছে। নতুন যে থিমটা দেয়া হয়েছে সেটি পুরোপুরি বাদামী রং বর্জিত এবং যথেষ্ট সুন্দর। এই থিম উবুন্টু পুরো ইমেজটাই পাল্টে দিয়েছে। আমি মনে করি এটা নতুন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে সাহায্য করবে। দুটো সম্পূর্ণ নতুন থিম যোগ করা হয়েছে।



গত ভার্সনে ওয়ালপেপার গুলো সুন্দর ছিল। এবার আরও সুন্দর, এককথায় চমৎকার। অসাধারণ সব ওয়ালপেপার। উবুন্টু এত দিনে আউটলুকটা মানানসই করতে পেরেছে। গত ভার্সনে একটা স্লাইডশো ওয়ালপেপার ছিল। সেটা এখনও আছে। বাঁকীগুলো সব নতুন। একটা ব্যপারে ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। ক্লোজ, মিনিমাইজ, ম্যাক্সিমাইজ বাটনগুলো বাম পাশে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আমরা যারা ডান পাশে এগুলো ব্যবহার করে অভ্যস্ত তারা কিছুটা সমস্যা অনুভব করব। এর কারণ হিসেবে উবুন্টু বলছে যে তারা পরের ভার্সনে বামপাশের কন্ট্রোল সিস্টেমে নতুন কিছু ফিচার যোগ করতে যাচ্ছে। তার আগে ব্যবহারকারীদের প্রস্তুতির জন্য এ ভার্সনে এগুলো সরানো হয়েছে। তবে, আপনি চাইলে থিম কাস্টমাইজ করে সেগুলো বাম পাশে নিয়ে যেতে পারেন।



সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ইন্ট্রিগেশন: উবুন্টু ডেস্কটপ থেকেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য Broadcasting ফিচার যোগ করা হয়েছে। এটা দিয়ে ফেসবুক, টুইটার সহ অনেকগুলো সাইটে সরাসরি স্ট্যটাস আপডেট আর ম্যাসেজ আদান প্রদান করা যায় ডেস্কটপ থেকেই। ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রস্তুতি হিসেবেই মনে হয় উবুন্টু ওয়ান ইন্ট্রিগ্রেশন আরও সহজ করা হয়েছে। উপরে প্যানেলে ডানপাশে উবুন্টু ওয়ান, Broadcast, মেইল আর চ্যাটিং এর জন্য আলাদা একটা প্যানেল ইনগ্রেডিয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। গত ভার্সনেই পিজিনের পরিবর্তে ইম্ফানী আনা হয়েছিল। এবারও সেটাই আছে। ভিওআইপি ক্লায়েন্ট Ekiga কে এ ভার্সনে বাদ দেয়া হয়েছে কোন বিকল্প ছাড়াই।

ফায়ারফক্স: এটা নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। ডিফল্ট হিসেবে দেয়া আছে 3.6.3। ডিফল্ট সার্চ ইন্জিন ইয়াহু দেবার কথা থাকলেও সেটা করা হয় নি। গুগলই আছে।



সফটওয়্যার সেন্টার: সফটওয়্যার সেন্টার কারমিক কোয়ালাতে যোগ করা হলেও তাতে অনেক সমস্যা ছিল। মাঝেমাঝে ইন্সটল বাটন দেখাতো না। এ ভার্সনে সফটওয়্যার সেন্টার কে সম্পূর্ণ এরর ফ্রী করা হয়েছে। আগের ক্যটাগরীগুলোর আবার সাব ক্যাটাগরী করা হয়েছ। এই ফিচারটা দারুণ। যেমন, ইন্টারনেট ক্যাটাগরীতে সাব ক্যাটাগরী হিসেবে রয়েছে চ্যাট, ফাইল শেয়ারিং, মেইল আর ওয়েব ব্রাউজার। তিনটি নতুন ক্যাটাগরী যোগ হয়েছে, ফন্ট, সায়েন্স এন্ড ইন্জ্ঞিনিয়ারিং আর থিমস এন্ড টোয়েকস। সফটওয়্যার খুঁজে পাওয়া এখন পানির মত সহজ। সার্চ অপশন তো আছেই।

গ্রাফিক্স এডিটর: এই ভার্সনে যে কাজটা আমার সবচেয়ে খারাপ লেগেছে সেটা হল, কোন বিকল্প সফটওয়্যার না দিয়ে জিম্প কে বাদ দেয়া। এতে উবুন্টুর যে Out of the Box ইমেজ ছিল সেটা অনেকাংশে নষ্ট হয়েছে বলে আমার মনে হয়। জিম্প উবুন্টুর একটা অবিচ্ছদ্য অংশ হিসেবে ছিল, এটাকে কেন বাদ দেয়া হল, তাও আবার কোন বিকল্প সফটওয়্যার ছাড়া সেটা বুঝলাম না। নতুন একটা ভিডিও এডিটর দেয়া হয়েছে Pitivi। ডকুমেন্ট স্ক্যানের জন্য একটা সফটওয়্যার দেয়া যোগ হয়েছে Simple Scan। বাঁকী সব আগের মতই।

ওপেন অফিস: ওপেন অফিসের নতুন ভার্সন ৩.২ দেয়া হয়েছে। মাইক্রোসফট অফিসের docx সাপোর্ট দেয়া হয়েছে। আগের ভার্সনে সম্ভবত এটা ছিল না। ৩.২ দেখলাম অনেক ফাস্ট। পরিবর্তন চোখে পড়ে যেটা তা হল স্প্যাশস্ক্রিনে সান মাইক্রোসিস্টেমের পরিবর্তে ওরাকল। আর তেমন কোন পরিবর্তন দেখলাম না।



ফাইল ম্যানেজার: ফাইল ম্যানেজার নটিলাসের সবকিছু আগের মতই আছে। নতুন বলতে View মেন্যূতে "Exter Pane” অপশন যোগ হয়েছে। এতে এক সাথে দুইটা ড্রাইভে একই উইন্ডোতে কাজ করা যায়। ট্যাবড ব্রাউজিং আগেও ছিল কিন্তু তাতে ট্যাব চেন্জ করতে হত। এখন সেটা লাগে না।





ডিস্ক ইউটিলিটি: পার্টিশন ম্যানেজারের অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে। নামও পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ডিস্ক ইউটিলিটি। কিছু নতুন ফিচার দেখতে পাচ্ছি তবে কাজ করলে বোঝা যাবে আসলে কতটুকু উন্নতি হল।

ওভার অল যদি বলতে চাই, তাহলে বলব এই ভার্সনে একবারে ব্র্যান্ড নিউ বলতে তেমন কিছুই নেই। যা আছে সেগুলো কারমিকের মডিফিকেশন আর ঘঁসামাজা। বরং কিছু জিনিস বাদ দেয়া হয়েছে। কারমিকে অনেক কিছুরই ফিনিশিং টাচ বাঁকী ছিল। সেটা এ ভার্সনে করা হয়েছে। ইন্সটল করার পরে আমার কাছে এই ভার্সনকে অচেনা বা নতুন মনে হয় নি। এটাই আসলে সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। ৬ মাস পর পর যদি নতুন করে নতুন এনভায়োর্নমেন্টে অভ্যস্ত হতে হয় তাহলে মুশকিল <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29147551 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29147551 2010-05-03 13:18:45
রিলিজ হল উবুন্টু 10.04 Lucid Lynx LTS <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

এই মাত্র রিলিজ হল উবুন্টু 10.04 Lucid Lynx LTS. এই ভার্সনে লেটেস্ট লিনাক্স কার্নেল, নোম ডেস্কটপের লেটেস্ট ভার্সন ছাড়াও বহুল প্রতিক্ষীত ১০ সেকেন্ড বুট বাস্তবায়ন হবার কথা। ডাউনলোড শুরু করে দিয়েছি। কয়েকদিন ব্যবহার করে একটা রিভিউ দেব। গত ভার্সনের মত আগে থেকেই লাফালাফি করা ঠিক হবে না। <img src=" style="border:0;" /> :`> :``>> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29145189 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29145189 2010-04-30 00:18:13
অভ্রের প্রতি নৈতিক সমর্থন দিন: আপনার প্রোফাইল পিক পরিবর্তন করুন।

অভ্রর প্রতি নৈতিক সমর্থন দিয়ে আপনার সামু, ফেসবুক সহ সকল প্রোফাইল পিকে অভ্রের "ভাষা হোক উন্মুক্ত" ব্যানারটি ব্যবহার করুন। ব্লগ, ফোরাম আর ফেসবুকে লেখালিখির পাশাপাশি এই ব্যানার ব্যবহার অভ্রের প্রতি আপনার সার্বক্ষণিক নৈতিক সমর্থনকে প্রকাশ করবে।



সামুর প্রোফাইল পিক চেন্জ করার জন্য আপনার ব্লগ পেজে গিয়ে ডান পাশে প্রোফাইলের নিচে এডিট বাটনে ক্লিক করুন।



ছবিটি ডাউনলোড করুন। তারপর ব্রাউজ করে ছবিটির লোকেশন দেখিয়ে দিন।

এখান থেকে ছবিটি ডাউনলোড করুন। তাহলে একটা হিসাব থাকবে ঠিক কতজন ছবিটি দেখেছেন বা ব্যবহার করেছে। এই পোস্টে রেগুলার সেটি আপডেট করা হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29138696 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29138696 2010-04-20 22:10:32
ফেসবুকে নিরাপত্তা: কপিপেস্ট কিন্তু দরকারী পোস্ট
বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের খুবই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। নানা বয়সের মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করলেও মূলত তরুণ প্রজন্মই এটি বেশি ব্যবহার করে। তরুণদের কাছে ফেসবুকের আকর্ষণ অনেক বেশি। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ফেসবুকের নীতিমালা না জানা বা নীতিমালা না পড়ার কারণে অনেক কম বয়সী ছেলেমেয়ে ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে তা ব্যবহার করে। ফেসবুকে হাজারো সুবিধা থাকার পরও কম বয়সী ব্যবহারকারী ও মেয়েরা এখানে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকারও হয়। যেহেতু ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা কঠিন, তাই এতে অনেক সময় অনেক সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় দেখা যায় ব্যবহারকারীর সব তথ্য (প্রোফাইল ইনফো) তাঁর বন্ধু (ফেসবুক ফ্রেন্ড) না হয়েও অনেকে দেখতে পারে বা একজনের ব্যক্তিগত ছবির অ্যালবাম অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দেখে ফেলে। এসব সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। তবে এর জন্য ব্যবহারকারীকে ফেসবুকে তাঁর ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। বিভিন্ন ধরনের প্রাইভেসির সুবিধা এতে রয়েছে।

ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট আলাদা রাখা
ফেসবুকে প্রাইভেট গ্রুপিংয়ের মাধ্যমে বন্ধুদের তালিকা আলাদা করা যায়। পরিবার, স্কুল, কলেজ বা অফিসের বন্ধুদের তালিকা আলাদা রাখলে সবারই নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। এটি সহজে করা যায় ফ্রেন্ড লিস্টে গিয়ে নতুন লিস্ট তৈরি করার মাধ্যমে।
ফেসবুক সার্চ লিস্ট বন্ধ করা
ফেসবুকের সার্চ অপশন ব্যবহার করে সহজেই মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে এটি বন্ধ করা যায়, এমনকি ব্যবহারকারী যে নেটওয়ার্কের সদস্য, সেটি থেকেও তাঁর উপস্থিতি লুকানো সম্ভব। এটি করা যাবে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে সার্চ অপশনে গিয়ে। ফেসবুক সার্চ রেজাল্টে কারা সার্চ করতে পারবেন, এটি বাছাই করা যাবে এখান থেকে।

গুগল সার্চ লিস্ট বন্ধ
অনেক সময় দেখা যায়, গুগলে কারও নাম দিয়ে সার্চ করা হলে, সেখানে সেই ব্যক্তির ফেসবুকের পেইজও চলে আসে। এভাবে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিও নির্দিষ্ট কারও সব তথ্য পেতে পারে বা তাকে খুঁজে বের করতে পারে। এটি করার জন্য ‘সার্চ প্রাইভেসি সেটিং’ পেইজে গিয়ে ‘পাবলিক সার্চ রেজাল্ট’ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিতে হবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ
যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে এটি খুব পরিচিত ব্যাপার। ব্যবহারকারীর অজান্তে দেখা যায়, তাঁর কোনো ব্যক্তিগত ছবি বা অন্য কারও ছবি যোগ হয়ে যায় (ট্যাগ করা) এবং ব্যবহারকারীর বুন্ধরা সেটি দেখতে পান। প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে ‘ফটোস ট্যাগড অব ইউ’-এ গিয়ে ‘ওনলি মি’ অপশন বাছাই করে দিলে কেউ আর কোনো ছবি যোগ করতে পারবে না।
ফটো অ্যালবামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
অনেক সময় দেখা যায়, পারিবারিক ফটো অ্যালবাম, যা কিনা শুধু পরিবারের সাঙ্গে দেখা যায়, তা অসাবধানতার কারণে সবার কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়। ফটো বা ফটো অ্যালবাম ফেসবুকে রাখার (আপলোড) সময় কে কে এটি দেখতে পাবে, তা ঠিক করে দেওয়া যায়।
নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যবহারকারী তাঁর নিউজ ফিড নিয়ন্ত্রণ না করলে তাঁর প্রোফাইলের অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সবার নজরে পড়ে যায়, যা হয়তো তিনি কাউকে দেখাতে চাননি।
অ্যাপ্লিকেশন স্টোরি নিয়ন্ত্রণ করা
ফেসবুকের অন্যতম আর্কষণ এর বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন। এসবের হালনাগাদ (আপডেট) অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তে তাঁর নিউজ হোম পেইজে প্রকাশ হয়, যা অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। এ থেকে মুক্তি পেতে ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশন সেটিংস অপশনে গিয়ে ইচ্ছেমতো পবির্তন করতে হবে।
কনটাক্ট ইনফরমেশন প্রাইভেট বানানো
ব্যবহারকারী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার তথ্য যেমন—ফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস থেকে কনটাক্ট ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করে এটি করা যাবে।
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করা
ওয়ালপোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রাইভেসি সেটিংস থেকে প্রোফাইল ইনফরমেশন অপশনটি বাছাই করতে হবে। সেখানে অ্যালাউ ফ্রেন্ডস টু পোস্ট অন মাই ওয়াল অপশনে টিক চিহ্ন দিতে হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি ব্লক করা
ফেসবুক ব্যবহারকারী যদি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করতে চান, তবে তাঁকে বুক লিস্টে যেতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম বা ই-মেইল ঠিকানা ব্লক করা যাবে।

আজকে প্রথম আলোতে প্রকাশিত। অনেকের নজর এড়িয়ে যেতে পারে বলে এখানে কপি করলাম। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুকে আপনি কি নিরাপদ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29127682 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29127682 2010-04-02 11:17:09
ইন্জ্ঞিনিয়ারের ফটোগ্রাফী !!! পর্ব: ২ প্রথম পর্ব এখানে



আবারও সেন্টমার্টিনস...আকাশ আর পানির এত সুন্দর রং আমি বাস্তবে তো দূরের কথা কোনদিন ছবিতেও দেখি নি।



এটা ফয়স' লেকের পাহাড় থেকে তোলা। ছবি তোলার আগে এলসিডিতে প্রিভিউ দেখানোর সময় সূর্যের রশ্মিগুলো ছিল। তোলার পর দেখি সব গায়েব। ক্যামেরার প্রসেসরটার মাতাব্বরী আর সহ্য হয় না <img src=" style="border:0;" /> একই কাজ করেছিল জাফলংয়ের পানিতে প্রতিফলিত সূর্যরশ্মি নিয়ে।



এই ছবিটা বলা যায় কপি করা।সিলেট লাউয়াছড়ি ইকোপার্কে গিয়ে মনে হল এই রকম একটা ছবি আগে কোথাও দেখেছিলাম। কোথায় সেটা মনে নেই।



এই ছবিটায় আমি প্রসেসরের কাজে সন্তুষ্ট!!! আমি জাস্ট শাটার প্রেস করেছি, কিছুই সেট করি নি। ফোকাসিংও না। এমন কি মোশনটা ফ্রিজ করব এটা চিন্তাও করি নি। কিন্তু প্রসেসর দেখি নিজ দ্বায়িত্বে সেটা করে দিয়েছে।



এটা সেন্টমার্টিনস এ সূর্যাস্ত। অস্তমান সূর্যের সামনে দিয়ে ভেসে যাওয়া সাদা মেঘ ধরার চেষ্টা করেছি।



এটা পতেঙ্গার সী বিচ। গাঢ় নীল।



কাপ্তাই লেকের পাশের পাহাড়।



এই ছবিটার কোন বর্ণনা নেই। সবুজের অনেকগুলো শেড উঠেছে ছবিটায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29117509 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29117509 2010-03-16 15:03:45
ইন্জ্ঞিনিয়ারের ফটোগ্রাফী !!! " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> তবে ছবি তোলার পরে এর পার্ফর্মেন্সে আমি সন্তুষ্ট। সামুতে অনেকদিন হল দেব দেব করে দেয়া হচ্ছে না। আজ কিছু ছবি এডিট করে দিলাম। জীবনে প্রথমবার ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা, ফটোগ্রাফীর জ্ঞান বলতে সামু, সচলায়তনের পোস্ট, নেটের কিছু ব্লগ আর কয়েকটা ই-বুক। আকারে অনেক বড় বলে ছবিগুলোর রেজ্যূলেশন অনেক কমিয়ে দিতে হল। একেকটা ছবিই প্রায় ৫ মেগাবাইট করে ছিল। এডিটের পর কোয়ালিটি কিছুটা কমে গেছে (আগে যদি কিছু থেকে থাকে আর কি<img src=" style="border:0;" /> )




পিটিএস এ ফোকাসিং করা যায় না বলে দুঃখ ছিল। সিলেট বিটিআরআই এ এই ফুলগাছটা দেখে হঠাং আইডিয়া এল। ম্যাক্রো মুডে তুললাম। পিছনের ফুলগুলো ব্লার হয়ে গেছে <img src=" style="border:0;" />




এই ধরনের ছবির নামকরণের একটা রেওয়াজ চালু আছে, দুরন্ত শৈশব। রেওয়াজ ভাঙ্গলাম না <img src=" style="border:0;" />



জাফলংয়ের অসাধারণ স্বচ্ছ পানি। এডিটের পর সামান্য অস্বচ্ছ্...<img src=" style="border:0;" />



এটা মনে হয় একটু ভাল আছে। এটাও জাফলংয়ের।




কাপ্তাই লেক নৌকা চালিয়ে পাড় হয়ে স্কুলে যাওয়া। আমি হলে জীবনেও পড়তাম না <img src=" style="border:0;" />




এইটার শানে নূজুল একটু বড়। ছবিটা ভ্যালেন্টাইনস ডে তে তোলা। ডুলহাজরা সাফারী পার্কে। আমাদের এক বান্ধবীর হাত থেকে ফুল ছিনতাই করে নেয় বানরটা!!!



ইনানী বিচে সূর্যাস্ত। আচ্ছা, সূর্য দেখি দিগন্তের প্রায় ফুটখানের উপরে ডুবে। আমিতো শুনেছিলাম সরাসরি নাকি সাগরের পানিতে ডোবে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />




সেন্টমার্টিনস আইল্যান্ডে তোলা আমার এক বান্ধবীর ছবি। এক্সপোজার অনেক কমিয়ে দিয়েছিলাম। এখন মনে হচ্ছে আরও কমালে আর্টিস্টিক হত <img src=" style="border:0;" />




সেন্টমার্টিনস এর অসম্ভব পরিষ্কার নীল আকাশের পটভূমিতে নারিকেল পাতার দোলা...



The Old man and the Sea???





ঐ দেখা যায় পোনা মাছ।সাগরের স্বচ্ছ পানিতে পোনা মাছ দেখা



ছেঁড়া দ্বীপের পানি। স্বচ্ছতায় জাফলং ফেইল!!!




প্রিন্স আর প্রিন্সেস। প্রিন্সেস দেখলাম কথা ভাল করে বলতে পারে না এখনও, কিন্তু যা বলে সব ইংলিশে!!! প্রিন্সকে বেবী বেবী করে কি যেন বলছে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। পরে জানলাম ইনি আমেরিকায় থাকেন <img src=" style="border:0;" />





শুরুতে তোলা ছবি দিলাম সবশেষে। খুলনা শহর। সূর্যোদয় না সূর্যাস্ত মনে নাই <img src=" style="border:0;" />


দ্বিতীয় পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29116361 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29116361 2010-03-14 21:06:27
ইন্জ্ঞিনিয়ার পোস্টের জন্য প্রার্থীর যোগত্যা যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাশ!!! ওপেনসোর্স ইন্জ্ঞিনিয়ার পোস্টের জন্য প্রার্থীর যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে Graduated from a renowned university। যে লোকের পোস্ট ওপেনসোর্স ইন্জ্ঞিনিয়ার তার যোগ্যতা যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাশ!!!<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> এই পোস্টের প্রধান দায়িত্ব সফটওয়্যারের বাংলা লোকালাইজেশন। আমার ধারণা এই পোস্টে সামান্য কম্পিউটারের জ্ঞান আছে এরকম যে কোন ইংরেজীতে অনার্স পাশ ব্যক্তি খুব ভাল ভাবে কাজ করতে পারবে। এই পোস্টটার নাম কেন ইন্জ্ঞিনিয়ার দেয়া হল বুঝলাম না। ওপেনসোর্স নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অঙ্কুর, একুশে এগুলোর প্রতি একধরনের আত্নিক টান অনুভব করি। বাংলা লোকালাইজেশনের ক্ষেত্রে তারা যে অবদান রেখেছে তাতে সমগ্র বাঙ্গালী জাতি তাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। তাদের কাছ থেকে এধরনের ভুল আশা করি না। এই ব্লগে অঙ্কুর সংশ্লিষ্ট কেউ না কেউ নিশ্চয় আছেন। তাঁদের কেউ কি ব্যাপারটা পরিষ্কার করবেন???? বিজ্ঞপ্তিটি আছে এখানে http://ankur.org.bd/wiki/Jobs]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29109179 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29109179 2010-03-03 14:10:42 সূত্রঃ প্রথম আলো কম্পিউটার প্রতিদিন- খবরটা কেউ আমারে বুঝাইয়্যা দ্যান <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থাকা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ছাড়াও অন্য যেকোনো ব্রাউজার ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে মার্চের শুরু থেকে।
গত বছরের শেষ দিকে এ নিয়ে মাইক্রোসফট ও ইউরোপের কম্পিটিশন কমিশনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে। শুরুতে শুধু ইউরোপে হলেও পরবর্তী সময়ে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহূত যেকোনো কম্পিউটারে নিজের পছন্দের ব্রাউজার ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। বিশ্বের বেশির ভাগ উইন্ডোজ ব্যবহারকারী ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করছেন। ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে একটি সফটওয়্যার যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম ও ফ্রান্সের ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন।
মাইক্রোসফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভ হেইনের জানান, স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ সফটওয়্যার আপডেট উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা ও উইন্ডোজ ৭ ব্যবহারকারীরা পাবেন। এ ছাড়া পছন্দ অনুযায়ী পর্দা (স্ক্রিন) পরিবর্তনের মাধ্যমে গুগলের ক্রোম, ফায়ারফক্স, সাফারি, অপেরাসহ পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ব্রাউজার ব্যবহার করা যাবে। শুরু থেকেই উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের অনেকটা বাধ্য হয়েই স্বয়ংক্রিয়ভাবে থাকা সফটওয়্যার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করতে হতো। জনপ্রিয় মুক্ত সফটওয়্যার মজিলা ফাউন্ডেশনের প্রধান মিথহেল বাকের বলেন, মাইক্রোসফটের এ উদ্যোগ বিরাট একটি মাইলফলক, যা ব্যবহারকারীদের পছন্দ অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেবে। মাইক্রোসফটের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরাও।


এর মানে কি ভাই? আগে কি উইন্ডোজে ক্রোম, ফায়ারফক্স, সাফারি, অপেরা ব্যবহার করা যেত না???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29103011 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29103011 2010-02-22 09:55:45
শর্টকার্ট প্রিয় বাঙ্গালীর শর্টকার্ট ক্রিকেট " style="border:0;" /> ছোটবেলায় ক্রিকেট খেলতাম "নাম-ব্যাটিং" পদ্ধতিতে (সঠিক শব্দটা সম্ভবত নাম্বারিং)। যে কয়জন খেলোয়াড় আছে তত পর্যন্ত নাম্বার উল্টাপাল্টা করে লিখে প্রতিটা নাম্বারের পাশে একটা করে লম্বা দাগ দেয়া হত। তারপর নাম্বারগুলো ব্যাট দিয়ে ঢেকে দিয়ে সবাই একটা করে দাগ ধরত। যার ভাগ্যে যত নাম্বার সিরিয়াল পড়বে সে তত নাম্বারে ব্যাটিং করবে। বাঁকি সবাই ফিল্ডিং আর বোলিং।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট টেস্ট থেকে করে হল ওয়ান ডে, সেখান থেকে হল টুয়েন্টি-টুয়েন্টি। যেহেতু শর্টকার্ট জিনিসটা বাঙ্গালীর কপিরাইট করা তাই তারা যে আরও শর্টকার্ট বের করবে তাতে আর আশ্চর্য্য কি!

এরকম একটা শর্টকার্ট ক্রিকেট টূর্নামেন্ট দেখলাম দিনাজপুরের বড়মাঠে। রীতিমত জেলা পর্যায়ের খেলা। পুরো জেলা থেকে আসা টিম অংশ নিচ্ছে এতে। নাম "ডাবল-ডাবল ক্রিকেট টূর্নামেন্ট"। খেলার নিয়মটা এরকম,

প্রতি "টিমে" খেলোয়াড় থাকবে দুইজন <img src=" style="border:0;" /> দুইজনই অলরাউন্ডার হতে হবে। এই দুইজন বাদে বাঁকী ৯ জন খেলোয়াড় দুই দলেই কমন। এবং এরা খেলা কমিটির লোক। খেলাটা ৪ ওভার করে। মাঠের একজন আমাকে বললো লিগ পর্যায়ের ম্যাচগুলো নাকি ২ ওভারের ছিল!!! দুইজন ব্যাটিং করবে আর প্রতিপক্ষ দলের দুইজন পালাক্রমে বোলিং করবে। চমক এখানেই শেষ না। এ পর্যন্ত হলে তো ঠিকই ছিল <img src=" style="border:0;" />

এই খেলায় কোন ব্যাটসম্যান আউট হলে তাকে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় না (রিপ্লেসমেন্ট নেই তো, মোট খোলোয়াড়ই তো দুইজন <img src=" style="border:0;" /> ) কেউ আউট হলে তার দলের মোট রান থেকে ৫ রান বাদ!!! এটা খুব মনে হলেও ৪ ওভারের ম্যাচে কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। আরও নিয়ম আছে <img src=" style="border:0;" /> সকল প্রকার অতিরিক্ত রান দুই করে ধরা হয়, ওয়াইড বল, নো বল সব। ফিল্ডাররা যেহেতু কমিটির লোক তাই তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ফিল্ডার পরিবর্তনের ব্যবস্থা আছে। একটা ক্যাচ মিস করায় আমার সামনেই একজনকে তুলে নেয়া হল। আমি যে ম্যাচটা দেখেছিলাম সেটা ছিল টূর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ। প্রথম দল ২৫ রান করলে দ্বিতীয় দল ৩ রান করতে গিয়েই এক উইকেট হারিয়ে ফেলল। ফলে তাদের দলীয় রান হল -২। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৮ রান। প্রথম বলে ৪ মারায় হল ৫ বলে ৪ রান। তারপর পরপর ৪টা বল ডট। শেষ বল ৬ মেরে জিতে গেল দ্বিতীয় দল। দারুণ উত্তেজনাকর ম্যাচ। ১৫ মিনিটে খেলা শেষ <img src=" style="border:0;" /> অন্য খেলার মত এটাতেও লাখলাখ টাকার বাজী চলে। মাত্র ২ জনের দল বলে দল রেজিষ্ট্রেশনও হয় অনেক এবং রেজিষ্ট্রেশন ফীও খুবই কম। দ্রুত খেলা শেষ হয় বলে দর্শকও প্রচুর হয়। প্রচুর দর্শক মানেই প্রচুর বাজী!!! আর, বাজী শর্টকার্ট হলেও টাকা তো "শর্ট" না <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29078897 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29078897 2010-01-15 11:56:01
ক্যামেরা বিশেষজ্ঞরা আমাকে একটু সাহায্য করবেন? Canon A1100IS Vs Olympus mju 7010: কোনটা ভাল হয়?


Canon A110IS

12.1 মেগাপিক্সেল
4X Optical Zoom
2.5” LCD 115000 dots
CCD sensor
অপটিকাল ভিফাইন্ডার আছে
ISO: 80-1600
Shutter Speed: 15- 1/1600Sec
White Balance: 6 modes. সাথে অটো মুড।
Shooting mode: 16 টা
Alkaline ব্যাটারী


Olympus mju 7010
12 মেগাপিক্সেল
2.7” LCD 230000 dots
7X Optical Zoom
অটো কন্ট্রাস্ট ডিটেকশন
ফোকাস লক
Shutter Speed: 4Sce- 1/2000Sec
ডিজিটাল ও মেকানিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন
Shooting mode: ১৫ টা। সাথে অটো ডিটেকশন মুড।
ম্যাজিক ফিল্টার'
ISO 64-1600
In camera প্যানারমা মুড
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29072951 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29072951 2010-01-06 13:51:39
সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা, খালি হাতে না! কার্ড দিয়ে!!! B









































]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29069236 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29069236 2009-12-31 20:28:12
উবুন্টু ইউজ করছেন? ঝাঁড়ু দেন তো নিয়মিত " style="border:0;" />। KleenSwap আর কম্পিউটার জ্যানিটর দিয়ে ঝাড়ু দেবার পরেও দেখি জায়গা খুব বেশী বাড়ল না। ফোরামগুলোতে ঘাঁটাঘাঁটি করে যা জানলাম তা হল উবুন্টুতে প্রোগ্রাম আনইন্সটল করার পরেও অনেক ফাইল থেকে যায় (শুধু কনফিগারেশন না ইন্সটলারও)। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় আনইন্সটল করা প্রোগ্রাম আবার সিনাপটিকে ইন্সটলের জন্য মার্ক করলে সাথে সাথে ইন্সটল হয় (mark for complete removal সিলেক্ট না করলে), ডাউনলোড না করেই। আর কনফিগারেশন ফাইলগুলো তো থাকেই। উইন্ডোজে Ccleaner বা revo Uninstaller টাইপ টুলগুলো এই ফাইলগুলো সরিয়ে রেজিষ্ট্রি পর্যন্ত ক্লিন করে। উবুন্টুতেও আপনাকে এরকম কিছু কাজ করতে হবে ফাইল সিস্টেম ক্লিন করতে।

সব ফাইল ক্লিন করুন নিচের স্টেপগুলোতে:

প্রথমে কমান্ড দিন,
sudo apt-get autoremove
sudo apt-get clean
sudo apt-get autoclean

এরপর আসুন সিনাপটিকে। স্ট্যাটাস বাটনে ক্লিক করে residual (not installed) সিলেক্ট করে কোন ফাইল যদি থাকে সেটা mark for complete removal সিলেক্ট করে অ্যাপ্লাই করুন।।

এরপর রিমুভ করুন Orphan ফাইলগুলো যেগুলো অন্য প্যাকেজের ডিপেন্ডেন্সী হিসেবে ডাউনলোড হয়েছিল কিন্তু এখন আর দরকার নেই। ইনস্টল করুন deborphan।

sudo apt-get install deborphan

এরপর রান করুন sudo deborphan | xargs sudo apt-get -y remove –purge

রিমুভ করুন নিজের ভাষা ছাড়া অন্য ভাষার লোকাল ফাইলগুলো। ইন্সটল করুন localepurge

sudo apt-get install localepurge

যে যে ভাষা রাখতে চান শুধু সেগুলো সিলেক্ট করে এগিয়ে যান।।

এতকিছু যদি করতে না চান তাহলে bleachbit ডাউনলোড করে নিন http://bleachbit.sourceforge.net



এটি হিডেন জাংক ফাইল, ক্যাশ, কুকি, লোকালাইজেশন ফাইল, ইন্টারনেট হিস্টোরী, টেম্পোরারী ফাইল ইত্যাদি সব ডিলিট করে দেবে <img src=" style="border:0;" />


খুব বেশী কষ্টকর মনে হচ্ছে??? উইন্ডোজে এগুলো তো করতে হয়ই সাথে অ্যান্টিভাইরাস আর ডিফ্রাগমেন্টার চালাতে হয়। লিনাক্সে তো আর সেটা করা লাগছে না, নাকি? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29066042 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29066042 2009-12-26 20:06:07
রেপিডশেয়ার নিয়ে ঝামেলা শেষ: বছরের সেরা সুখবর পেলাম মনে হয় !!!!


এই মাত্র এন্টারআপলোড ডট কমের মেইল পেলাম। তারা জানিয়েছে তাদের মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে। নতুন প্রশাসন আরও সার্ভার অ্যাড করছে। এখন থেকে ইউজারগণ সরাসরি রেপিশেয়ার থেকে ফাইল লিচ করে নিজের অ্যাকাউন্টে রাখতে পারবেন। ফাইলগুলোর ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকও পাওয়া যাবে (এটা মিথ্যা কথা, আসলে ডিরেক্ট ডাউনলোড হয় না, চেক করেছি)!!! এত বড় সুখবর তাড়াতাড়ি শেয়ার করলাম <img src=" style="border:0;" />

খালি একটু কষ্ট করে enterupload.com এ একটা ফ্রী একাউন্ট খুলতে হবে। ব্যাস!!!

১০০ গিগাবাইট স্টোরেজ আর ৫০০ মেগা আপলোড লিমিট।
আপডেট: রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে শুরুতে সমস্যা থাকলেও এখন রেজিষ্ট্রেশন করা যাচ্ছে। সম্ভবত তাদের সার্ভার আপগ্রেডের কারণে সমস্যা হচ্ছিল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29065603 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29065603 2009-12-26 00:34:38
ফায়ারফক্সের অ্যাড বিষয়ক কিছু সমস্যার সমাধান, সাথে বোনাস কিছু অ্যাডঅন (ইন্জ্ঞিনিয়ারস চয়েস ) অ্যাডঅন সাইট: আপনাদের অভিজ্ঞতা কি জানি না তবে মজিলার অফিসিয়াল অ্যাডঅন সাইটের ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা খুব একটা ভাল না। সাইটটা এত ভারী আর স্লো যে আমি মোট কতবার এটাতে ঢুকতে পেরেছি আঙ্গুলে গোণা যাবে!!! আবার, এই সাইট থেকে অ্যাডঅন ডাউনলোড করা যায় না, সরাসরি ইন্সটল হয়। কোন কারণে ফায়ারফক্স রি-ইন্সটল করতে হলে সব আবার নতুন করে ডাউনলোড করতে হয়। একই অবস্থা ফায়ারফক্সের অ্যাডঅন মেন্যূ থেকে ইন্সটলের ক্ষেত্রেও (এর অবশ্য সমাধান আছে। সে ব্যাপারে পরে আসছি)। এ জন্য আমি করি কি, কোন অ্যাডঅন ডাউনলোডের দরকার হলে কোন মিরর সাইটের ইনডেক্স পেজে চলে যাই। এগুলো খুবই ফাস্ট এবং হালকা বলে খুব দ্রুত লোড হয়। তবে, এখানে নাম্বার দিয়ে অ্যাডঅনগুলো ফোল্ডারে রাখা থাকে বলে ব্রাউজ করে অ্যাডঅন খুঁজে বের করা সম্ভব না। নাম্বার জানার উপায় হল, এক নম্বর, ফায়ারফক্সের অ্যাডঅন মেন্যূতে গিয়ে যে বিষয়ের অ্যাডঅন চাই সেটা সার্চ দেই। তারপর, ডেসক্রিপশন থেকে যেটা দরকারী মনে হয় সেটার নাম দিয়ে গুগলে সার্চ দেই নাম্বার জানার জন্য। নাম্বারটা পেয়ে গেলে কাজ শেষ! জাস্ট টাইপ করি http:// ftp.kaist.ac.kr/mozilla/addons/নাম্বার(মিরর অবশ্য অনেক আছে। আমি এটা ইউজ করি)। অতীত-বর্তমান, উইন্ডোজ-লিনাক্স সব ভার্সন একবারে দেখতে পাবেন!!! যেটা দরকার সেটা ডাউনলোড।

যেমন, আপনার যদি FriendBar অ্যাডঅনটি দরকার হয় তাহলে সার্চ দিন Firefox Addon Friendbar। রেজাল্টগুলো থেকে addon.mozalla.org এর অ্যাড্রেসটা দেখুন এরকম https://addons.mozilla.org/ .../firefox/addon/10223 । 10223 হল ফ্রেন্ডবারের অ্যাডঅন নাম্বার। এবার আপনাকে যেতে হবে http://ftp.kaist.ac.kr/mozilla/addons/10223 ঠিকানায়।


অনেকের কাছেই মনে হতে পারে এত ঝামেলার চেয়ে অ্যাডঅনের অফিসিয়াল সাইটে ঢোকাই ভাল। তবে, আমার মত যারা প্রচুর অ্যাডঅন ব্যবহার করেন, অ্যাডঅন যাদের জীবন-মরণ এবং যারা অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে প্রায়ই ফায়ারফক্সের বারোটা বাজিয়ে রি-ইন্সটল করেন তাদের খুব কাজে লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
অ্যাডঅন ব্যাকাপ: আর যদি আপনি অ্যাডঅনের অফিসিয়াল সাইট থেকে ডাউনলোড করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাহলেও আপনার ইন্সটলকৃত অ্যাডঅনগুলো ব্যাকাপ রেখে বারবার ডাউনলোডের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। অ্যাডঅন FEBE শুধু আপনার ফায়ারফক্সের অ্যাডঅনগুলোই না পুরো ফায়ারফক্সের প্রোফাইল (বুকমার্ক,অ্যাডঅন, সেটিংস সব) অটো ও ম্যানূয়্যালী ব্যাকাপ রাখে। আবার, অনেকগুলো অ্যাডঅন যদি একটা একটা করে সেটাপ দিতে বিরক্ত লাগে তাহলে FEBEর সাথে আরেকটি অ্যাডঅন CLEO ব্যবহার করুন। CLEO সব অ্যাডঅনগুলো জোড়া দিয়ে আপনাকে একটা অ্যাডঅন বানিয়ে দেবে। সেটা ইন্সটল করলেই সবগুলো অ্যাডঅন যথাস্থানে পেয়ে যাবেন <img src=" style="border:0;" />।
আমার প্রিয় কিছু অ্যাডঅন:

AdBlockPlus: এটা নিয়ে কিছু না বলি <img src=" style="border:0;" />
FriendBar: ফেসবুক ও টুইটারে ফ্রেন্ডদের রিয়েলটাইম স্ট্যাটাস আপডেট টুলবারে স্ক্রল করে। এতে লাইক করা, কমেন্ট করা, নিজের স্ট্যাটাস আপডেট করা, আসন্ন জন্মদিন দেখার ব্যবস্থা আছে।

TabMixPlus: ট্যাব সংক্রান্ত টোটাল কন্ট্রোল। ট্যাব অটোরিলোড করা, ডুপ্লিকেট করা, রাইট ক্লিক মেন্যূতে কি কি অপশন দেখাবে সেটা ঠিক করা, ক্লোজ করা ট্যাব আবার খোলা, সেশন রিস্টোর করা, মাউস ক্লিকের ফাংশন ঠিক করা ইত্যাদি অসংখ্য কাজে লাগে এটা।

Personas for Firefox: ফায়ারফক্সের থিমের বিকল্প হিসেবে কাজ করে এটি। অসংখ্য স্কিন খেকে একটা ক্লিক করেই আপনি ফায়ারফক্সের টোটাল অ্যাপিয়্যারেন্স চেন্জ করে ফেলতে পারবেন।

TabScope: ট্যাবে না ঢুকেই ট্যাবের উপর মাউস রেখে ট্যাবটাকে দেখা যায় এটা দিয়ে। সামুতে অনেকগুলো পোস্ট ট্যাবে ওপেন করে এটা দিয়ে আমি দেখি পেজ লোড হয়েছে কিনা। <img src=" style="border:0;" />

FlagFox: এটা আসলে কোন কাজের না। এটা দিয়ে দেখা যায় যে সাইটটি ব্রাউজিং করছি সেটার সার্ভার কোন দেশে।

BrowserBackground: ফায়ারফক্সের খালি উইন্ডোগুলোতে পেজ লোড হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যাকগ্রাউন্ড পিকচার শো করে।

Smart Bookmark Bar: যাদের অনেক বুকমার্ক টুলবারে আছে তাদের জন্য এটা খুব কাজের। বুকমার্ক টুলবারের বুকমার্কগুলোর শুধু আইকন দেখায় এটি। ফলে অনায়াসে ৫০-৬০ টা বুকমার্কে ওয়ান ক্লিক অ্যাক্সেস পাওয়া যায় টুলবার থেকে।

PrintPdf: কোন পেজকে pdf ফরম্যাটে প্রিন্ট করে নেয়া যায় এটা দিয়ে। ফাইল মেন্যূ থেকে সেভ করার চেয়ে এটা অনেক ভাল।

Reader It Later: যেকোন পেজ পরে পড়ার জন্য রাখা যায়। আইকনে ক্লিক করলেই লিস্টে যোগ হয়ে যায়।

Rename Tab: ঢুকেছেন সামুতে আর দেখাতে চান প্রথম আলো <img src=" style="border:0;" />??? তাহলে এটা আপনার জন্য <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29062318 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29062318 2009-12-20 13:57:26
সারাদিন আজ নোটিশবোর্ডাতঙ্কে (নোটিশবোর্ড+আতঙ্ক) কাটাইলাম <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /> (" style="border:0;" /> সকালের দিকে একটা "জানা" আপার পোস্টে কমেন্ট করছিলাম। কোনো মিসটেক কইরা ফালাইলাম কিনা কে জানে <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

নইলে আমার ব্লগে নোটিশবোর্ড আইলো কেন??? <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />


কোন খরগ নাইমা আসে কে জানে??? এখনও অবশ্য কোন আলামত পাইতেছি না <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ব্লগ দিবস বইলা মাফ কইরা দিছে মনে লয় <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29061879 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29061879 2009-12-19 21:14:13
মাইক্রোসফটের কান্ড দেখে হাসতেই আছি, হাসতেই আছি " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কে ব্লক করেছে তাদের নিজেদেরই ফায়ারওয়াল। নিজের প্রোগ্রামের সিকিউরিটি নিয়ে নিজেরাই সন্ধিহান। যেহেতু উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালে ইউজারকে ম্যানূয়ালী এটাকে অ্যালাউ করা লাগছে তাই মাইক্রোসফট দায়দ্বায়িত্ব থেকে মুক্ত! আপনি নিজেই তো অ্যালাউ করেছেন, তারা তো ব্লকই করেছিল <img src=" style="border:0;" />!!! আহারে কি যুক্তি <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29061622 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29061622 2009-12-19 13:20:46
আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদরা দেশকে স্বাধীন করেছেন স্হান:ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তন, ঢাকা

‘আমরা আমাদের দেশকে স্বাধীন করেছি। আমাদের বীর জনতা দেশকে স্বাধীন করেছে। আমরা এই স্বাধীনতাকে প্রয়োজনবোধে জীবন দিয়ে রক্ষা করব।’

-আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ
সেক্রেটারি জেনারেল
জামায়াতে ইসলামী

ঐখানে গিয়া তো আর মাইনাস দিতে পারলাম না! পোস্টে দিলাম। দয়া করে একটা মাইনাস দিন। আম জনতা হিসেবে এরচেয়ে বেশী আমরা আর কি করতে পারি। যাঁরা পারেন তাঁরা তো করবেন না ঐ ৩% ভোটের জন্য। না হলে কি আর একথা শুনতে হয়...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29059861 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29059861 2009-12-16 11:21:47
সামু কর্তৃপক্ষ, দ্রুত আমার বিদেশ ভ্রমনের ব্যবস্থা করুন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> "বিশেষ এক ধরনের জটিল ব্যাধি আছে যা শুধুমাত্র লেখকদের আক্রমন করে। লেখকরা তাদের লেখালিখি জীবনে কয়েকবার এই ব্যাধিতে ধরাশায়ী হন। পৃথিবীতে এমন কোন লেখক পাওয়া যাবে না- যিনি জীবনে একবারও এই জটিল অসুখের শিকার হন নি। মেটিরিয়া মেডিকায় এই অসুখের বিবরণ থাকা উচিত ছিল কিন্তু নেই! লেখকদের নিয়ে কে ভাবে? যাই হোক, অসুখটার ইংরেজী নাম "Writers' Block” বাংলায় " লেখক বন্ধ্যা রোগ" বলা যেতে পারে। এই রোগের লক্ষণ এরকম- হঠাৎ কোনো একদিন লেখকের মাথা শূন্য হয়ে যায়। তিনি লিখতে পারেন না। গল্প-কবিতা, লুল, টেকি তো দুরে থাকুক স্বরে 'অ'-ও না। তিনি অভ্যাসমত রোজ কাগজ-কলম নিয়ে বসেন এবং কাগজের ধবধবে শাদা পাতার কোনায় কোনায় ফুল-লতাপাতা আঁকার চেষ্টা করেন। কাপের পর কাপ চা ও সিগারেট খান। একসময় উঠে পড়েন। এটা হচ্ছে রোগের প্রাথমিক পর্যায়। রোগের দ্বিতীয় পর্যায়ে লেখক ইনসমনিয়ায় আক্রান্ত হন। সারা রাত জোগে থাকেন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। অকারণে রাগারাগি করতে থাকেন-যেমন, “চা এত গরম কেন?” (চা গরম হবারই কথা। লেখক আইসটি খেতে চাইলে ভিন্ন কথা) “সবাই এত উঁচু গলায় কথা বলছৈ কেন?” (সবাই স্বাভাবিক গলাতেই কথা বলছে। এরচে' নিচু গলায় বললে কানাকানি করতে হয়।) “এই গ্লাসে করে আমাকে পানি কেন দেয়া হল?” (লেখক জীবনে কখনো কোন গ্লাসে পানি দেয়া হয়েছে তা নিয়ে মাথা ঘামান নি। ব্যাধিগ্রস্থ হবার পর গ্লাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন। কী রকম গ্লাসে পানি দেয়া হলে তিনি খুশি হবেন তাও তিনি খোলাসা করে বলছেন না।) কোনো কোনো পাঠক হয়তো ভাবছেন আমি "Writers' Block” নামক রোগটা নিয়ে রসিকতা করছি। তাঁদের জ্ঞ্যাতার্থে জানাচ্ছি, এই পৃথিবীর অনেক লেখক (খ্যাত এবং অখ্যাত) এই ভয়াবহ অসুখের শেষ পর্যায়ে এসে আত্নহত্যা করেছেন। এই মুহূর্তে যাঁদের নাম মনে পড়ছে তাঁরা হলেন- কবি মায়াকোভক্সি (রাশিয়া) ঔপন্যাসিক হেমিংওয়ে (নোবেল প্রাইজ বিজয়ী, আমেরিকা) ঔপন্যাসিক কাওয়াবাতা (নোবেল প্রাইজ বিজয়ী, জাপানি) কবি জীবনানন্দ দাশ (বাংলাদেশ) জীবন সংহারক রাইটার্স ব্লকের কোনো ওষুধ নেই। এন্টিবায়োটিক বা সালফা ড্রাগ কাজ করে না, তবে সিমটোমেটিক চিকিৎসার বিধান আছে। সিমটোমেটিক চিকিৎসায় লেখককে অতি দ্রুত তিনি যে পরিবেশে বাস করেন সেখান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাঁর প্রিয়জনরা সবাই তাঁর আশেপাশে থাকবেন, তবে লেখালেখি বিষয়ে কেউ তাঁর সঙ্গে কোনো কথা বলতে পারবেন না। লেখকের সঙ্গে কোনো বিষয়েই কেউ তর্কে যাবেন না। তিনি যা বলবেন সবাই 'গোপাল বড়ই সুবোধ বালকে'র মতো তাতে সায় দেবে। আমার লেখক ব্লক দূর করার ব্যবস্থা হলো। প্রধান উদ‍্‍‍যোগী অন্যপ্রকাশের মাজহার। আমার অসুখে সে-ই সবচে' ক্ষতিগ্রস্থ। আমি বই না লিখলে সে ছাপবে কী? সামনেই একুশের বইমেলা! মাজাহার এক সকালবেলায় অনেক ভনিতার শেষে বলল, আমি জানি আপনি দেশের বাইরে যেতে চান না। চলুন না ঘুরে আসি। আপনি লেখালেখি করতে পারছেন না। এটা কোনো ব্যাপার না। সারা জীবন লেখালেখি করতে হবে এমন তাও না। এক জীবনে যা লিখেছেন যথেষ্ট। এমনি একটু ঘুরে আসা। আপনি হ্যাঁ বললে খুশি হব। আমি বললাম, হ্যাঁ। আনন্দে মাজহারের কালো মুখ বেগুনী হয়ে গেল। হিসাব মতো তার মুখে বত্রিশটা দাঁত থাকার কথা, সে কীভাবে যেন চল্লিশটা দাঁত বের করে হেসে ফেলল। হুমায়ূন ভাই, কোথায় যেতে চান বলুন- ইন্দোনেশিয়ার বালি, মালেশিয়ার জেনটিং, থাইল্যান্ডের পাতায়া/ফুকেট, মরিশাস, মালদ্বীপ। আমি বললাম ড্রাগন দেখতে ইচ্ছা করছে। চীনে যাব। মাজহারের মুখের ঔজ্জ্বল্য সামান্য কমল। সে আমতা আমতা করে বলল, চীনে এখন ভয়ংকর ঠান্ডা। টেম্পারেচার শূন্যেরও নিচে.... আমি আগের চেয়েও গম্ভীর গলায় বললাম, চীন। মাজহারের মনে পড়ল রাইটার্স ব্লকের রোগীর সব কথায় সায় দিতে হয়। সে বলল, অবশ্যই চীন। আমরা গরম দেশের মানুষ। ঠান্ডার কী জানি না। হাতে কলমে ঠান্ডা শেখার মধ্যেও মজা আছে।"
উঠোন পেরিয়ে দুই পা- হুমায়ূন আহমেদ।


রাইটার্স ব্লকের মত ব্লগারস ব্লক নামেও একটা রোগ আছে। যার আক্রমনে অসংখ্য জনপ্রিয়- শক্তিমান ব্লগার হারিয়ে গেছেন। আমি শক্তিমানও নই, জনপ্রিয়ও নই। কিন্তু যেহেতু রোগ ব্যাধি সবার জন্যই সমান তাই আমিও ব্লগারস ব্লকে আক্রান্ত। গত একমাসে আমার মাথায় একটা পোস্টের আইডিয়া সামান্য সময়ের জন্যও আসে নি। অদূর ভবিষ্যতে আসবে এমন কোন সম্ভাবনাও দেখছি না। তাই, সামু কর্তৃপক্ষের কাছে আকূল আবেদন (নিজেরই চাওয়া লাগছে, তারা তো আর নিজে থেকে আমাকে বলবে না। আমি কোথাকার কে!!! <img src=" style="border:0;" />) আমার ব্লগারস ব্লক দূর করার জন্য চীন না হোক কাছে পিঠের কোন দেশেও যদি একখান ভ্রমনের ব্যবস্হা করে দিতেন : P (উইথ বন্ধু-বান্ধব, আমি নিজে সিলেক্ট করব, যতজন খুশি। যেতে আগ্রহীরা কমেন্টে লিখুন <img src=" style="border:0;" /> ) তাহলে বাঙ্গালী জাতি এই ক্ষণজন্মা ব্লগ প্রতিভার স্ফূরন আবার দেখতে পেত...............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29059407 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29059407 2009-12-15 18:28:54
আপনার পোস্ট অটো ব্যাকাপ রাখুন, নিশ্চিন্ত থাকুন!!! " style="border:0;" /> আর যদি কাজে লাগে তাহলে অবশ্যই এই পোস্টে একটা প্লাস দিন, কারন আমি কষ্ট করে লিখেছি!!!! <img src=" style="border:0;" /> (এই পোস্টে প্রথম মাইনাস মনে হয় রনিই দেবে <img src=" style="border:0;" />)


প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যে কোন কারণে ডিলিট হয়ে যেতে পারে আপনার পোস্ট। সেভ করা না থাকলে হাজারবার মাথা কুটলেও ফেরৎ পাবেন না সেটা। কিছুদিন আগে একটা পোস্ট ব্যাকাপ সার্ভিস চালু হয়েছে। সেটা দিয়ে কমেন্ট সহ পোস্ট ব্যাকাপ নেয়া গেলেও প্রধান সমস্যা হচ্ছে সব পোস্টের জন্য আলাদা আলাদা করে ব্যাকাপ নিতে হয়। বিষয়টা বেশ ঝামেলার। তারচেয়ে ফেসবুকে অটো ব্যাকাপ নেয়াটা অনেক সুবিধাজনক। এতে সামুর কমেন্টগুলো ব্যাকাপ না থাকলেও আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ডরা পোস্ট দেখতে ও কমেন্ট করতে পারবে। বিষয়টা সম্পুর্ণ অটোমেটিক। একবার সেটাপ করার পর জীবনে আর তাকাতেও হবে না!


প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগিন করুন। বাম দিকে নিচে Applications বাটনে ক্লিক করুন।



সেখানে Notes নামে একটা লিংক পাবেন।




সেটায় ক্লিক করলে পেজের ডান দিকে notes settings এর নিচে Import a blog অপশন পাবেন। ক্লিক করে আপনার ব্লগের অ্যাড্রেস দিয়ে। যেমন, আমার ক্ষেত্রে www .somewhereinblog. net/blog/freedom71। টিক দিয়ে শর্তে একমত হোন!




এরপর, আপনাকে ইমপোর্ট প্রিভিউ দেখাবে। কনফার্ম করুন। নোটস প্রাইভেসী থেকে কে কে আপনার নোট দেখতে পাবে সেটা ঠিক করে দিতে পারেন। কাজ শেষ!!!

অফটপিক: আমার একাউন্টে যারা ফ্রেন্ডশিপ রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন তারা দয়া করে একটা ম্যাসেজে আপনার সামু নিকটিও দেবেন। তাহলে আমি বুঝতে পারব আপনি কে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29043343 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29043343 2009-11-14 13:07:48
অবশেষে দুঃখ ভরাক্রান্ত হৃদয়ে বিদায় জানালাম উবুন্টু ৯.১০ কে; কত আর সহ্য করা যায়!


অনেক আশা নিয়ে ডাউনলোড করেছিলাম উবুন্টু কারমিক কোয়ালা। অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। কয়েকবার অনেকটুকু ডাউনলোড করার পর প্রথম থেকে শুরু করতে হয়েছে নানা কারণে। তারপরেও কোয়ালা নিয়ে এত আলোচনা হয়েছিল যে ভেবেছিলাম পরিশ্রম স্বার্থক হবে। প্রায় একই সময়ে বাজারে আসা উইন্ডোজ সেভেন ভিসতার মত ফল করেছে কিনা জানি না। তবে ক্যাননিক্যাল যে মাইক্রোসফটের পথ ধরতে গিয়ে হোঁচট খেতে যাচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত। একটা কিছুকে রংচঙে করলেই শুধু হয় না সাথে কোয়ালিটিও লাগে, মাইক্রোসফট সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। উবুন্টু কারমিক কোয়ালাতে ক্যানোনিক্যাল অ্যাপিয়ারেন্সের দিকে একটু বেশীই নজর দিয়েছে মনে হয়। ফলাফলও দাঁড়িয়েছে ভিস্তার মতই। লিনাক্সের সেই বিখ্যাত স্ট্যাবলিটি অনেকাংশেই অনুপস্থিত, অসংখ্য বাগ আর অযথা রংচঙ। ৭ দিনে ৪ বার ইন্সটল করতে হয়েছো কোয়ালা। আগের ভার্সনের APTonCD দিয়ে তৈরি করা ব্যাকাপের অধিকাংশ সফটওয়্যারই চলে না এতে। না চললেও সমস্যা ছিল না, ডাউনলোড করে নিয়েছিলাম নতুন করে। কিন্তু অনেক সফটওয়্যারই ক্রাশ করছিল বারবার। মডেমটা একবার পায় তো তিনবার পায় না। রিস্টার্ট দেয়া লাগে বারবার। ল্যানে ইন্টারনেট শেয়ার হয় না। সফটওয়্যার সেন্টারে বারবার রিলোড করার পরেও ডাউনলোড বাটন আসে না। গ্রাব ২ এর কথা বলে দেয়া হয়েছে ১.৯৭ বেটা ৪। পার্থক্যটা যে কোথায় বুঝলামই না। দেখতে একটু আলাদা। আজ সম্পুর্ণ অকারণে আমার পুরো অপারেটিং সিস্টেম ক্রাশ করল। গ্রাব লোড করার যে কমান্ড জানতাম সেগুলোও কাজ করল না। অন্য ভার্সন বলেই হয়ত। আবার নতুন করে ইন্সটল করে সব ডাউনলোড করার চেয়ে আগের ভার্সনে ফিরে যাওয়াটাই ভাল মনে করলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29043285 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29043285 2009-11-14 11:23:43
সাবধান, গুগল যা বলে সবই বিশ্বাস করবেন না আবার অবিশ্বাসও করবেন না



গুগল যে বান্দরের হাড্ডি এটা আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন। তাদের বান্দরামীর কিছু নমুনা দেখুন। সবগুলো লিখলাম না, এত লেখা সম্ভব না /<img src=" style="border:0;" /> ।



জিমেইল পেপার:

এটার কথা প্রথমে লিখলাম কারণ এটা আমাকেও বোকা বানিয়েছিল <img src=" style="border:0;" /> ! ৩০ শে মার্চ ২০০৭ সালে গুগল এই সার্ভিসের ঘোষণা দেয় জিমেইল লগিন পেজে। এতে বল হয়, এখন থেকে গ্রাহকরা তাদের ইমেইলগুলো প্রিন্ট করার অর্ডার দিতে পারবেন। মেইলগুলো পরিবেশবান্ধব রিসাইকেল করা কাগজে প্রিন্ট করে ডাকযোগে গ্রাহকের ঠিকানায় পাঠানো হবে। সার্ভিসটি সম্পুর্ণ ফ্রী। ছাপানো মেইলের উল্টাপিঠে বিজ্ঞাপণ দেয়া হবে। গ্রাহক যতখুশি অর্ডার দিতে পারবেন। অ্যাটাচমেন্টের ছবিও একইভাবে হাইকোয়ালিটি ফটোপেপারে প্রিন্ট করে দেয়া হবে <img src=" style="border:0;" /> অডিও ফাইলগুলো আপাতত পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। পরবর্তীতে এগুলোও পাঠানোর ব্যবস্হা করা হতে পারে!!! আরও জানতে চাইলে Click This Link
Click This Link


গুগল টিআইএসপি

টয়লেট ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার। গ্রাহকদের বিনামূল্যে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কানেকশন দেয়ার সার্ভিস এটা। কমোডের মধ্য দিয়ে সূয়্যারেজ লাইন দিয়ে গ্রাহকের টয়লেটে স্থাপিত রাউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস পাওয়া যাবে। ফ্রী কানেকশনের স্পীড হবে ৮মেগাবিট/সেকেন্ড!!! <img src=" style="border:0;" /> আর পেইড কানেকশনে ৩২ মেগাবিট <img src=" style="border:0;" />। গ্রাহক টিআইএসপির ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করলে তার ঠিকানায় একটা ফ্রী কানেক্টর কিট পাঠানো হবে। এতে থাকবে ওয়্যারলেস রাউটার, অপটিকাল ফাইবার আর ইন্সটলেশন সফটওয়্যার। আপাতত শুধু উইন্ডোজ এক্সপি আর ভিস্তায় এই সেবা পাওয়া যাবে। খুব শীঘ্রই লিনাক্স আর ম্যাক ভার্সন চালু হচ্ছে!!! কিটের অপটিক্যাল ফাইবারের এক মাথা কমোডে ছেড়ে দিয়ে ফ্লাশ করলে সেটা একঘন্টার মধ্যে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে গুগলের "Plumbing Hardware Dispatcher (PHD)" প্রযুক্তির সাহায্যে। টয়লেট অ্যানালাসিসের মাধ্যেম আপনার সম্পর্কিত ডাটা কালেক্ট করে সে অনুযায়ী আপনাকে অনলাইন বিজ্ঞাপণ দেখানো হবে। এ থেকে ফ্রী সার্ভিসের খরচ মেটানো হবে। এই সার্ভিসের ঠিকানা http://www.google.com/tisp/,
FAQ http://www.google.com/tisp/faq.html,
ইন্সটলেশন পেজ http://www.google.com/tisp/install.html, প্
রেস রিলিজ http://www.google.com/tisp/press.html


মেন্টালপলেক্স:

গুগলের এই সার্চ টেকনোলজি ব্যবহারকারীর মন পড়ে তিনি কি খুঁজছেন সে অনুযায়ী রেজাল্ট শো করবে। কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন তার ইন্সট্রাকশন দেয়া আছে হোম পেজে:
১। হ্যাট এবং চশমা খুলুন
২। মেন্টালপ্লেক্স গোলকটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন। চোখ সরাবেন না <img src=" style="border:0;" />
৩। যা খুঁজছেন মনে মনে তার একটা ছবি কল্পনা করুন।
৪। সার্কেলে ক্লিক করুন অথবা ক্লিক করার কথা ভাবুন <img src=" style="border:0;" />

ঠিকানা http://www.google.com/mentalplex/
FAQ http://www.google.com/mentalplex/MP_faq.html


গুগল লুনার জব:

এক অভাবনীয় চাঁদে চাকুরীর সুযোগ :-*। গুগল কোপার্নিকাস সেন্টার ইন্জিনিয়ারিং পজিশনে স্টাফ নিচ্ছে। এই রিসার্চে entropized information filtering, high-density high-delivery hosting (HiDeHiDeHo) ও de-oxygenated cubicle dwelling এর উপর গবেষণা করা হবে যা গুগল সার্ভিসে ব্যবহার করা হবে <img src=" style="border:0;" /> জব সেন্টারের ঠিকানা http://www.google.com/jobs/lunar_job.html



গুগল গুল্প:
এটি গুগলের উদ্ভাবিত একটি পানীয় যা মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে এমনভবে বিকশিত করে যেন সে গুগল সার্ভিসগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে। এই পানীয় চারটি স্বাদে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। স্বাদগুলো হল Glutamate Grape), Sugar-Free Radical, Beta Carroty, এবং Sero-Tonic Wate। বিনামূল্যে হলেও গ্রাহক একটি গুগল গুল্প বোতলের ক্যাপ নিকটস্থ গুগল অনুমোদিত দোকানে জমা দিলেই কেবল আরেক বোতল গুল্প পাবেন!

http://www.google.com/googlegulp/
http://www.google.com/googlegulp/faq.html


গুগল রোমান্স:
ডেটিং সার্চ ইন্জিন। এতে নিজের প্রোফাইল যোগ করার সুবিধা রয়েছে। একজন ইউজার একাধিক প্রোফাইল রাখতে পারবেন।

http://www.google.com/romance/

FAQ http://www.google.com/romance/faq.html
Tour http://www.google.com/romance/tour.html


জি-ডে

গুগল অস্ট্রেলিয়ার সার্ভিস এটা। এই সার্ভিস ব্যবহার করে কোন ওয়েবপেজ তৈরি হওয়ার ২৪ ঘন্টা আগে কেমন ছিল সেটা দেখা যাবে <img src=" style="border:0;" />


জিমেইল কাস্টম টাইম:

এই সার্ভিসের মাধ্যমে জিমেইল ইউজাররা তাদের মেইলের তারিখ চেন্জ করে দিতে পারবেন। ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ থেকে একটি নতুন লিংক জিমেইল ইনবক্সে যুক্ত হয় যার টাইটেল ছিল “ Gmail Custome Tims>> new”। ৩১ মার্চ সারাদিন ঐ লিংকটি ডেড থাকলেও ১ এপ্রিল থেকে এটি একটি ঘোষণা পেজে নিয়ে যায় যেখানে বলা হয় এটি একটি এপ্রিল ফুল ডে জোক!


গুগল ওয়েক আপ কিট:

সময় মত আপনাকে জাগানোর মহা পরিকল্পনা এটি। গুগল ক্যালেন্ডারে আপনার সিডিউল অনুযায়ী সকালে ওঠানোর পুরো দায়িত্ব নিচ্ছে গুগল। আপনাকে একটা ফ্রী কিট পাঠানো হবে যাতে থাকবে পানির বালতি (বাসার পানির লাইনের সাথে যুক্ত) এবং একটা বিছানা নাড়ানোর ডিভাইস। প্রথমে আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। তাতে যদি উঠলেন তাহলে তো বাঁচলেন! <img src=" style="border:0;" /> না হলে ওয়াটার আর কাঁপানি থেরাপীতো আছেই!!!

Click This Link


জোকের আড়ালে সত্যি! এতেও বোকা বানানো <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

বান্দরের হাড্ডি গুগল আবার এপ্রিল ফুল ডে টে সত্যি প্রোডাক্টের ঘোষণা দিয়েও বোকা বানায়। মানুষ হয়ত ধরে ফেলেছে যে এটা গুগলের জোক, বিশ্বাস করলাম না। পরে দেখা যায় সেটা আবার সত্য। জিমেইলের ঘোষণাটাও দেয়া হয়েছিল ৩১ মার্চ। ঐ সময় এক গিগাবাইট ফ্রী স্টোরেজ অবিশ্বাস্য ছিল। তাই কেউ বিশ্বাস করে নি। ভেবেছে জোক। পরে দেখায় গেছে ওটা‌ জোক ছিল না <img src=" style="border:0;" /> !!!

আবার, ২০০৫ এ জিমেইলের সটোরেজ বাড়ানো আর “গুগল রাইডার ফাইন্ডার সার্ভিস” শুরুর ঘোষণাও দেয়া হয়েছিল জোকের আড়ালে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29042335 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29042335 2009-11-12 15:24:23
P2,জিপি মডেম আর উবুন্টু ৯.১০: স্পিড দেখি ৬০ এর নিচে নামেই না " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
















আমি বাংলাদেশেই, জিপির P2 ইউজ করছি জিপি এজ মডেম দিয়ে! উবুন্টু ৯.১০! উইন্ডোজের চেয়ে সবসময়ই স্পিড বেশী পেলেও আগের ভার্সনে এত স্পিড উঠত না।


স্ক্রিনশটটা একটু ভাল করে দেখলেই বুঝতে পারবেন ঘটনাটা কি! বর্তমান রেটে জিপি এই স্পিড দেওয়ার আগে ব্যবসা গুটিয়ে চলে যাবে! আসল বিষয়টা হচ্ছে, উবুন্টু কারমিক কোয়ালার সিস্টেম মনিটরে স্পিড কিলোবিটে দেখার ব্যবস্থা আছে। আগের ভার্সনগুলোতে এটা ছিল না। প্রথম যখন এটা খেয়াল করলাম তখন থেকে এটা সেট করে স্পিড দেখিয়ে ভাব নিয়ে বেড়াচ্ছি <img src=" style="border:0;" />। স্পিড দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যাওয়ায় কেউ এখন পর্যন্ত খেয়াল করে দেখে নি যে স্পিড বিটে দেখানো হচ্ছে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />। আমিও বেশীক্ষণ দেখার সুযোগ দেই না <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29039865 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29039865 2009-11-08 14:58:30
মডু "স্যারদের " এটা কিধরনের আচরণ ??? (মডু মামা‌দের জ্ঞ্যাতার্থে জানাচ্ছি এটা একটা ফান পোস্ট! ) দ্রষ্টব্য )"নুটিশবুর্ড" এর একটা কমেন্ট পাই তাহলে আমার ব্লগ জীবন ধন্য হবে <img src=" style="border:0;" /> তাছাড়া আমার ডিলিট হওয়া পোস্টটা অনেকক্ষণ প্রথম পাতায় ছিল না। পরে ফেরৎ দিলেও সেটা অনেক পিছনে পড়ে যাবে, হিটের ক্ষতিপূরণের ব্যাপার আছে না??? <img src=" style="border:0;" /> "আমার পোস্ট কোথায় গেল" টাইপ পোস্ট সাধারণত হিট পায় <img src=" style="border:0;" /> এত ব্যাপক প্রস্তুতি আর পরিকল্পনায় ডাইরেক্ট শীতের দিনে মিনারেল ওয়াটার ঢেলে দিল মাডু স্যারেরা। কমেন্ট তো দূরের কথা, দুঃখ প্রকাশ করে একটা মেইলও পাঠালো না<img src=(" style="border:0;" />!!! উল্টা দেখি ঐ পোস্ট ডিলিট করে হুমকি নোটিশ দিছে, প্রথম পাতার বৈচিত্র রক্ষার........ঐ পোস্টটি আবার দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাইরেক্ট ব্যান <img src=" style="border:0;" /> কন আপনেরা এইডা কি বিচার!!!<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29039435 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29039435 2009-11-07 20:40:17 জানা অজানা যত গুগল সার্ভিস: গুগল সার্ভিস গাইড পর্ব ২ জানা অজানা যত গুগল সার্ভিস: গুগল সার্ভিস গাইড পর্ব ১


গুগল ফ্রেন্ড কানেক্ট:


এই সার্ভিসের কাজ হল বিভিন্ন সোস্যাল নেটওয়ার্কিং ও অন্যান্য সাইটে ছড়িয়ে থাকা আপনার বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা। এতে আবার কমেন্ট ট্রান্সলেশন অপশনও আছে। এতে আপনার বন্ধু অন্য কোন ভাষায় কমেন্ট করলেও আপনি তা ট্রান্সলেট করে দেখতে পারবেন। কেনাকাটার সাইটে কোন কিছু কেনার আগে আপনি দেখতে পারবেন আপনার কোন বন্ধু আগেই এই প্রোডাক্টটি কিনেছে কিনা বা কিনে থাকলে সেটা সম্পর্কে তার মতামত কি। নিজের প্রোফাইল সহ কমেন্ট করতে পারবেন সাপোর্টেড ব্লগ বা নিউজ সাইটগুলোতে।

গুগল ফাস্ট ফ্লিপ:


গুগল ফাস্ট ফ্লিপ হল একটি নিউজ অ্যাগরিগেটর সার্ভিস। গুগল নিউজের সাথে এর পার্থক্য হল এতে আপনি পাবলিশার বা ঘটনা অনুসারে সাজানো নিউজ পাবেন। খবরগুলোর নেভিগেশন সিস্টেম গুগল নিউজের মত হলেও ক্লিক করলে সংশ্লিষ্ট সাইটে চলে যাবে। অনেকটা ম্যাগাজিনের পাতা উল্টানোর মত আপনি খুব সহজেই মাউস স্ক্রল করে বা কার্সরের মাধ্যমে মুভ করতে পারবেন।
http://fastflip.googlelabs.com/

গুগল গ্যাজেটস:

গুগল গ্যাজেটের মাধ্যমে ওয়েবে বা নিজের ডেস্কটপে ডায়নামিক কন্টেন্ট যোগ করা সম্ভব। হতে পারে তা নিজের আইগুগল পেজ, ব্লগ, ওয়েব পেজ বা গুগল ডেস্কটপ। যে কেউ নিজের তৈরি কন্টেন্ট পাবলিশ করতে পারেন এর মাধ্যমে।

গুগল লাইভলি:



বর্তমানে এ সার্ভিসটি বন্ধ।
এটি গুগলের ভার্চুয়াল দুনিয়া। এতে আপনি আপনার নিজস্ব রুম তৈরি করতে পারেন। সেটি ইচ্ছামত সাজাতে পারেন। ডিজাইন করতে বা রং বদলাতে পারেন, পিকাসা বা ইউটিউব থেকে ছবি দেয়ালের ফ্রেমে ঝুলাতে পারেন। একসাথে ২০ জন পর্যন্ত চ্যাট করা সম্ভব রুমগুলোতে। আপনি এবং অন্যরা এক একটি কার্টুন ক্যারেক্টার হিসেবে রুমে একে অন্যকে দেখতে পারবেন। এবং আপনাদের কথাগুলো বাবল হিসেবে দেখা যাবে।

গুগল ল্যাটিচুড:

গুগলের লোকেশন ট্র্যাকিং সার্ভিস। মোবাইল ফোনে গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী তার নিজের বর্তমান অবস্থান অন্যদের জানাতে পারেন। ব্ল্যাকবেরী, উইন্ডোজ মোবাইল, অ্যান্ড্রোয়েড, আইফোন আর সিম্বিয়ান প্লাটফর্মে কাজ করে এটি। ফাঁকিবাজীর ব্যবস্থাও আছে কিন্তু <img src=" style="border:0;" /> আপনি চাইলে শুধু শহরের নাম দেখাতে পারেন, এমনকি নিজে যে কোন লোকেশন ম্যানূয়ালী লিখেও দিতে পারেন!!! ঢাকায় বসে সিডনী লিখে দিলে সবাই দেখবে আপনি সিডনীতে " <img src=" style="border:0;" /> ঠিকানা http://www.google.com/latitude


গুগল মার্স:


আমাদের মত নাদানদের মঙ্গল গ্রহ দেখার সুব্যবস্থা করে দিয়েছে এই সার্ভিস। বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা মঙ্গল গ্রহের ছবি নিয়ে ব্রাউজার আর গুগল আর্থ ভিত্তিক সার্ভিস এটি। ব্রাউজারে দ্বিমাত্রিক হলেও গুগল আর্থে হাই রেজুলেশন ত্রিমাত্রিক ছবি দেখতে পাবেন আপনি। দেখতে চাইলে http://mars.google.com/

গুগল মুন:


গুগল মার্সের মত একই সার্ভিস চাঁদ দেখার জন্য। ছবির কালেকশন আর কোয়ালিটি স্বভাবতই মার্সের চেয়ে রিচ। http://moon.google.com/

গুগল মডারেটর:


গুগলের মডু সার্ভিস <img src=" style="border:0;" /> এটা একটা সার্ভে বা কোশ্চেন এবং তার ফিডব্যাক ম্যানেজমেন্ট টুল। এর মাধ্যমে ব্যাপক আকারে প্রশ্ন, সাজেশন বা আইডিয়া কালেক্ট করা, সাজানো বা বিশ্লেষণ করা যায়। কোন বিষয়ের উপর বা প্রশ্নে রেটিং বা ভোটিংয়ের ব্যবস্থাও আছে।
http://moderator.appspot.com/

অর্কুট:

গুগলের সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। ফেসবুকের সাথে প্রতিযোগীতায় পাত্তা না পেলেও এটি বেশ জনপ্রিয়। এতে ফেসবুকের মতই প্রোফাইল তৈরি, ছবি, ভিডিও শেয়ারিং, ফ্রেন্ডশিপ করা যায়। এতে থিম পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে। গুগলের অন্য সার্ভিসের সাথে ইনট্রিগেশন করা যায় একে। গুগল টক ব্যবহার করে চ্যাটিং আর ফাইল শেয়ারিংও সম্ভব। করা যায় ভিডিও চ্যাটও। বন্ধুদের রেটিং করা যায়। ফেসবুকের সাথে একটা বড় পার্থক্য হল আপনি যাদের "ইগনোর লিস্ট" এ রেখেছেন তারা ছাড়া যেকেউ যে কারো প্রোফাইল দেখতে পারবে, বন্ধু না হলেও।

http://www.orkut.com/


গুগল স্কলার:

গুগল স্কলার একটি স্কলার আর্টিকেল, টেকনিক্যাল রাইটিং,রিপোর্ট আর থিসিস সার্চ ইন্জিন। ডিসিপ্লিন ভিত্তিক স্কলার ফুল টেক্সট কন্টেন্ট সার্চ করা যায় এতে। বিশ্ববিখ্যাত অসংখ্য জার্নাল থেকে ফুল পাবলিকেশন পাওয়া যায়।

গুগল সাইটস:


নবিসদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরির সার্ভিস। খুব সহজে কোন রুপ কোডিং জানা ছাড়াই ওয়েবপেজ তৈরি আর পাবলিশ করা যায় গুগলের সার্ভারে। খুব সহজ থিম, ফন্ট, লেআউট কাস্টমাইজেশন করা গেলেও হাই কোয়ালিটি পেজ বা ডায়নামিক কিছু করা সম্ভব না। ফ্রী ইউজারদের ১০০ মেগাবাইট স্টোরেজ আর গুগল ডক, ইউটিউব, ক্যালেন্ডার থেকে কন্টেন্ট যোগ করা যায়। রয়েছে অ্যাডসেন্সও!


গুগল স্ট্রিট ভিউ:





গুগল ম্যাপস আর গুগল আর্থের একটি ফিচার এটা। বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় শহরের রাস্তাঘাট একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরে দেখা যায়। স্যাটেলাইট ইমেজ, জাহাজ বা গাড়ী থেকে তোলা ছবি ব্যবহার করা হয়েছে এতে। রয়েছে জুম করার সুবিধাও।


গুগল স্কোয়ার্ড:


গুগল স্কোয়ার্ড একটি ডাটা এক্সট্রাকশন সার্ভিস। ওয়েব থেকে আপনার দরকারী ডাটা কালেক্ট করে স্প্রেডশিট আকারে দেবে এটি। সার্ভিসটি এখনও বেটা পর্যায়ে আছে।
http://www.google.com/squared

গুগল ট্রেন্ড:



কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয় জনমনে কতটুকু আলোড়ন তুলছে সেটা দেখার সেবা। গ্রাফের মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে কেন কী-ওয়ার্ড দিয়ে করা সার্চের পরিমাণ দেখা যায়। মোট সার্চের পরিমাণের কত ভাগ এই কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেছে তার একটা তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায় এ থেকে।

ভেবো:


মিউজিক ভিডিও সার্ভিস। ইউটিউব আর ইউনিভার্সাল স্টুডিওর যৌথ উদ্দ্যোগে মিউজিক ভিডিও বিক্রির ব্যবস্থা।
http://www.vevo.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29038786 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29038786 2009-11-06 18:09:06
অবশেষে ইন্সটল করলাম উবুন্টু কারমিক কোয়ালা: ছোট মুখে বড় কথা টাইপ রিভিউ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> " ভেবে টরেন্টে ডাউনলোড করা শুরু করেছিলাম লাস্ট বেটা ভার্সন। মনে করেছিলাম রিলিজ হলে আপগ্রেড করে নেব। কিন্তু বিধি বাম! ৫৭২ মেগাবাইট হওয়ার পর হঠাৎ বেটা সরিয়ে ঐ ট্র্যাকারে রিলিজ ক্যান্ডিডেট দিয়ে দেওয়ায় ডাউনলোড কমপ্লিট করতে পারি নি <img src=" style="border:0;" /> রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে ডাউনলোড শুরু করেছিলাম আবার। ২৭২ মেগাবাইট হওয়ায়র পর স্ট্রার্টআপ ম্যানেজার নিয়ে ঘাটাগাটি করতে গিয়ে স্ট্রার্টআপে কার্নেলের সংখ্যা শূন্য করে দেওয়ার পর দেখি কম্পিউটার আর চালু হয় না <img src=" style="border:0;" /> অনেক কিছু করে, কয়েকবার গ্রাব রিরাইট করেও স্টার্ট করাতে পারলাম না। শেষে ঐ টরেন্ট ফাইলটা কপি করে রেখে আবার উবুন্টু ইন্সটল করলাম। পরে ডাউনলোড দিয়ে দেখি ১১ মেগাবাইট থেকে ডাউনলোড শুরু হয় <img src=(" style="border:0;" /> । দুঃখে বাদ দিলাম ডাউনলোড। গত পরশু থেকে সব কাজ বন্ধ রেখে আবার ডাউনলোড শুরু করেছিলাম। আজ সকালে অবশেষে ডাউনলোড শেষ হল। সেটাপ দিয়ে ভাবলাম একটা রিভিউ লিখি। রিলিজের দিন একটা পোস্ট দিয়েছিলাম নতুন ফিচারগুলো নিয়ে। এবার চেক করি দেখি আসলে নতুন ফিচারগুলো কেমন।





স্ট্রার্টআপের শুরুতেই বেশ একটা স্টাইলিশ ভাব লক্ষ্য করলাম। এতদিন এর বেশ অভাব ছিল। উবুন্টু লোগো সাদা করে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে একটা জমকালো ভাব আনা হয়েছে।




লগিন স্ক্রিনও বেশ সুন্দর। পার্টিশনিংয়ের ক্ষেত্রে আগে ডিফল্টভাবে উবুন্টু সব ইরেজ করে হার্ডডিস্কে একাই পুরো রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করলেও এখন ডিফল্টে Side by Side বা সোজা বাংলায় পারস্পরিক সহাবস্থানের নীতি গ্রহণ করেছে! সেটাপ হওয়ার সময় এক্সপির মত ফিচারের গুণগাণ ও উবুন্টু চুজ করার জন্য ধন্যবাদ টাইফ কথা বার্তা ডিসপ্লে করছে।





সেটাপ প্রসেস চলাকালীন সময়ে সময় কাটানোর ভাল রাস্তা একটা <img src=" style="border:0;" /> তবে খুব বেশী সময় কাটানোর সুযোগ আপনি পাচ্ছেন না! আমার কোর টু ডুয়ো ১.৮৩, ২ গিগা RAM এর ল্যাপটপে পার্টিশনিং আর ইউজার ডাটা পূরণ করে ইন্সটল বাটন ক্লিক করার পর সেটাপ প্রসেস শেষ হয়েছে মাত্র ৪:৩০ মিনিটে!!! রীতিমত অবিশ্বাস্য। তাও ৮০% এর পরে সিস্টেম কনফিগারেশন স্কিপ করার অপশন শো করে। সেগুলো স্কিপ করলে ৪ মিনিটেই ইন্সটল শেষ হবে!!! বুটে ক্ষেত্রে আমি একটু হতাশ। উবুন্টুতে এন্টার চাপার পর থেকে ডেস্কটপ আসতে ৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়েছে। আমি আরও কম আশা করেছিলাম। গ্রাব ২ ডিফল্টভাবে দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয়েছে ১.৯৭ বেটা ৪। বুট লোডারের অক্ষরগুলো একটু চিকন হওয়ায় ছাড়া আমার নন-টেকি চোখ আগের গ্রাব আর নতুনটার মধ্যে কোন পার্থক্য খুঁজে পায় নি। ইউজার অ্যাকাউন্ট ছাড়াও হোম ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড প্রোটেকশন দেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দু একজন হাট্রফেল করে না মরা পর্যন্ত ক্যানোনিক্যাল মনে হয় স্ট্রাটআপের ঝংলী সাউন্ডটা চেন্জ করবে না!!! স্পিকার চালু অবস্থায় হঠাৎ এই সাউন্ডে সব সময় শুনে অভ্যস্ত আমিও কয়েকবার ভয়ংকর ভাবে চমকে উঠেছি। দূর্বল হার্টের নতুন কোন ইউজার হলে অঘটন ঘটা অসম্ভব কিছু না <img src=" style="border:0;" />





চালুর পরে প্রথম যে জিনিসটা আমার ভাল লেগেছে সেটা হল নতুন ওয়ালপেপারগুলো। জিনোম লুক সাইটে অসাধারণ অসংখ্য ওয়ালপেপার থাকলেও কেন জানি উবুন্টুতে জঘন্য কিছু ওয়ালপেপার গছিয়ে দেয়া হত। এবারের ওয়ালপেপার কালেকশন কিন্তু খুবই চমৎকার।


সবচেয়ে খুশির ব্যাপার হল, আমাদের জাতীয় ফুল শাপলার একটি ওয়ালপেপারও আছে।




সফটওয়্যার সেন্টার নিয়ে অনেক আলোচনা শুনলেও এটা আর আগের Add/Remove এর মাঝে আমি কাজে তেমন কোন পার্থক্য পাচ্ছি না।



আগে Get Screenshoot বাটনে ক্লিক করে সফটওয়্যারের স্ক্রিনশট দেখা যেত, আর এখন সেটা একাই লোড হয়। আগে সফটওয়্যারের ওয়েবসাইটের প্লেইন টেক্সেটে লেখা থাকতো এখন একটা বাটন যোগ করা হয়েছে। আগে সফটওয়্যারের রেটিং দেখা যেত, এখন যায় না।



নটিফিকশন আইকনগুলো চেন্জ করা হয়েছে। নেটওয়ার্ক কানেকশনস এ IPv6 যোগ করা হয়েছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ডের ক্ষেত্রে ওয়ারিদ নেটওয়ার্ক যোগ করা হয়েছে। টেলিটক এখনও নেই। নিচে ম্যানূয়াল কনফিগারেশন অপশন যোগ করা হয়েছে। প্লেসেস মেন্যূতে উবুন্টু ওয়ান যোগ করা হয়েছে। উবুন্টু ওয়ান নামে একটা ফোল্ডার রয়েছে হোম ফোল্ডারের ভেতরে। উপরের প্যানেলের ডান দিকে মেইল আর ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং এ ওয়ান ক্লিক এক্সেসের জন্য একটা বাটন দেয়া হয়েছে। ইন্টেল ড্রাইভার নিয়ে অনেক সমস্যার কথা শোনা গেলেও আমার Intel 945GM যথারীতি দারুণ পারর্ফমেন্স দেখাচ্ছে <img src=" style="border:0;" /> ডিফল্ট থিম হিউম্যানে কিছুটা ঘষামাজা চোখে পড়ছে। একটু ভালই লাগছে মনে হয় <img src=" style="border:0;" />

আপাতত এটুকুই <img src=" style="border:0;" /> আরও মেজর কিছু চোখে পড়লে জানব।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29038300 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29038300 2009-11-05 21:54:24
জানা অজানা যত গুগল সার্ভিস: গুগল সার্ভিস গাইড পর্ব ১

সারা বিশ্বে ওয়েব সার্চিংওয়ের ক্ষেত্রে গুগল একটি অপ্রতিদ্বন্দী নাম। শুরুটা সার্চ দিয়ে হলেও গুগল শুধু এতেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাড়িয়ে যাচ্ছে তার ওয়েব সম্রাজ্য। গুগলের অসংখ্য প্রোডাক্ট আমরা সবাই ব্যবহার করি। তারপরেও অনেকে অনেক প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ব্যাপারে জানি না। এই পোস্টে গুগলের জানা অজানা সার্ভিস আর প্রোডাক্টগুলো একত্রিত করার চেষ্টা করেছি। আজ প্রথম পর্ব।

গুগল স্কেচআপ:
গুগল স্কেচআপ হচ্ছে আপনার শিল্পীমন আর প্রকৌশলের মিলন ঘটানোর এক জায়গা। গুগল স্কেচআপ দিয়ে আপনি আর্কিটেচার ডিজাইন, বিল্ডিং ডিজাইন, গেমের ইন্টারফেস বা পটভুমি ডিজাইন থেকে শুরু করে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে যা খুশি করতে পারবেন। সুযোগ রয়েছে আপনার তৈরি মডেল গুগল আর্থে যোগ করারও। এছাড়াও অন্য ব্যবহারকারীদের তৈরি করা মডেল দেখারও অপশন আছে। Last Software নামের একটি ছোট সফটওয়্যার ফার্মের প্রোডাক্ট স্কেচআপকে গুগল কিনে নেয় ২০০৬ সালে। অন্যান্য CAD সফটওয়্যারের মত ব্যবহারের জটিলতা নেই এটায়। স্কেচআপ সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে চলে যান http://sketchup.google.com/


গুগল প্যাক:


গুগল প্যাক হচ্ছে কিছু অত্যাবশ্যকীয় সফটওয়্যারের সংগ্রহ। গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট ছাড়াও বেশ কিছু অতি দরকারী থার্ডপার্টি সফটওয়্যারও আছে এই প্যাকে। এটি পাওয়া যায় উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা ও সেভেনের জন্য। এই প্যাকের সফটওয়্যারগুলো হচ্ছে গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, স্পাইওয়্যার ডকটর ও অ্যান্টিভাইরাস, পিকাসা ফটো এডিটর, গুগল আর্থ, গুগল টুলবার, গুগল ডেস্কটপ, অ্যাডোবি রিডার, গুগল টক, রিয়েল প্লেয়ার ইত্যাদি। প্যাক মানে এই নয় যে আপনাকে সবগুলো সফটওয়্যারই ডাউনলোড করতে হবে। আপনি আপনার পছন্দমত সফটওয়্যার নির্বাচন করতে পারবেন। গুগল নিজেই দেখে নেবে কোন কোন সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারে আগে থেকেই ইন্সটল করা আছে। গুগল আপডেটার নিজে থেকেই ইন্সটলকৃত প্যাক সফটওয়্যারগুলোর আপডেট চেক করবে। গুগল প্যাকের ঠিকানা http://pack.google.com/


গিয়ার:

গুগল গিয়ার ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনকে নতুন গতি এনে দেয়া একটি ওপেনসোর্স প্রোডাক্ট। এটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ডাটা লোকাল হার্ডডিস্কে স্টোর করে, কয়েকটা জাভাস্ক্রিপ্ট একসাথে এক্সিকিউট করতে পারে এবং রিসোর্স ক্যাশ করে ব্রাউজিং দ্রুততর করে। এই সেবা আপনি পেতে পারেন জিমেইল, গুগল ডক, গুগল রিডার, ক্যালেন্ডার, পিকাসা, মাইস্পেস ইত্যাদি বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইটে। জিমেইল বা গুগল রিডারে এই সেবা চালু থাকলে আপনি আপনার রিডার বা মেইল বক্সে ইন্টারনেটে কানেক্টেড না থাকলেও ঢুকতে ও পড়তে পারবেন। এমনকি নতুন ইমেইল পাঠাতেও পারবেন। কানেক্টেড হওয়া মাত্র মেইলটা পাঠানো হয়ে যাবে। একে পাওয়া যাবে http://gears.google.com/ ঠিকানায় গেলে <img src=" style="border:0;" />




গুগল টুলবার:


এটা মোটামুটি সবাই জানেন। আপনারে ওয়েব ব্রাউজিংকে আরও সহজ সাবলীল করতে আগমণ এর। উইন্ডোজ, ম্যাক আর লিনাক্স সাপোর্টেড এটি। ব্যবহার করা যায় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার আর ফায়ারফক্সে। এটা আপনাকে গুগল সার্চ, জিমেইল, বুকমার্ক, ট্রান্সলেশন সহ প্রায় সব সার্ভিসে ওয়ান ক্লিক অ্যাক্সেস দেবে। সাথে রয়েছে অটোফিল (ওয়েব ফর্ম অটোমেটিক পূরণ হবে), স্পেলচেক (বানান যাচাই), অটোলিংক (টেক্সট ইউআরএলগুলো ক্লিকেবল হবে, কোন নির্দিষ্ট তথ্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে লিংক হবে ) ইত্যাদি ইত্যাদি। সাথে আছে পপআপ ব্লকার। এর ঠিকানা http://toolbar.google.com

গুগল ডকস:
গুগল ডকস হল গুগলের অফিস স্যূট। এটি একটি অনলাইন ওয়ার্ড প্রসেসর, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন সার্ভিস। এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে ফাইল তৈরি ও এডিট করতে পারবেন। এর একটা বড় সুবিধা হল একটা ডকুমেন্ট নিয়ে কয়েকজন কাজ করতে পারবেন একই সাথে। গুগল ডক সাপোর্ট করে ওপেন অফিস, মাইক্রোসফট অফিস, HTML, PDF,RTF সহ প্রায় সব জনপ্রিয় ফরম্যাট। তাই কম্পিট্যাবলিটি নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। পাঁচ হাজার ডকুমেন্ট, পাঁচ হাজার ছবি, এক হাজার স্প্রেডশিট, একশ পিডিএফ ফাইল গুগল সার্ভারে নিরাপদে সেভও করে রাখতে পারবেন। গুগল গিয়ার সাপোর্টেড হওয়ায় এটা দিয়ে অফলাইনেও কাজ করা সম্ভব। রয়েছে মোবাইল ফোন থেকেও দেখার সুবিধা। গুগল ডকস এর ঠিকানা http://docs.google.com/

গুগল ডেস্কটপ:




গুগল সার্ভিসকে ব্রাউজার থেকে একেবারে আপনার ডেস্কটপে আনার সার্ভিস গুগল ডেস্কটপ। লিনাক্স,ম্যাক, উইন্ডোজ ভার্সন রয়েছে এর। গুগল ডেস্কটপ সফটওয়্যার দিয়ে আপনি আপনার ডেস্কটপে টেক্সট, ইমেইল বা ফাইল সার্চ করতে পারবেন। এটি আপনার কম্পিউটারের ফাইলগুলো ইনডেস্ক করে রাখে। সার্চ রেজাল্ট ওয়েব সার্চের মত একই ভাবে ব্রাউজারে দেখায়! <img src=" style="border:0;" />



এর সাইডবারে ইমেইল, স্ক্র্যাচপ্যাড, নিউজ, আবহওয়া, গুগল টক ইত্যাদি গ্যাজেট ডিফল্টভাবে দেয়া থাকে। আপনি আপনার পছন্দমত গ্যাজেট যোগ করতেও পারবেন। কুইক ফাইন্ড ভাসমান ডেস্কবারে আপনি “AS you type update” বেসিসে ফাইল সার্চ করতে পারবেন। এর ঠিকানা http://desktop.google.com/
গুগল নোটস:



গুগল নোটস সার্ভিসের মাধ্যমে একজন ইউজার অনলাইনে নোট লিখতে, ছবি বা লিংক সেভ করে রাখতে পারেন। হতে পারে এটা সরাসরি টাইপ করে অথবা কোন ওয়েব পেজ বা সার্চ রেজাল্ট কিংবা ব্রাউজার সেশন থেকে। নোট শেয়ারও করা সম্ভব। গুগল নোটস এক্সটেনশন ব্যবহারের মাধ্যমে ইউজার ব্রাউজার কনটেক্সট মেন্যূ থেকেই নোট সেভ করতে পারেন, গুগল নোটস সাইটে ঢোকার দরকার নেই। নোটগুলো ড্রাগ এন্ড ড্রপ পদ্ধতিতে অর্গানাইজ করা বা গুগল ডকসে এক্সপোর্ট করার ব্যবস্থাও আছে। তবে, নতুন ইউজারদের জন্য এ সার্ভিস বর্তমানে নেই। ঠিকানা http://www.google.com/notebook

গুগল নল:




গুগল নল হল গুগলের আর্টিকেল সংগ্রহশালা। নল শব্দটি গুগল ব্যবহার করেছে নলেজের একবচন হিসেবে। এটি অনেকটা উইকিপিডিয়ার মত। যে কোন ব্যবহারকারী নতুন পেজ তৈরি করতে পারেন। উইকিপিডিয়ার সাথে এর বড় পার্থক্য হল, এতে একই বিষয়ে একাধিক আর্টিকেল থাকতে পারে। নল আর্টিকেলগুলো উইকিপিডিয়ার আর্টিকেলগুলোর মত মূল লেখকের অনুমতি ছাড়া যে কেউ এডিট করতে পারে না। লেখক যে কোন ব্যক্তিকে এডিট করার অধিকার দিতে পারেন। আপনি আপনার নল পেজে অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপণও দিতে পারেন <img src=" style="border:0;" />। এটা একটা বড় আকর্ষণ উইকিপিডিয়ার চেয়ে। তবে, নলের আকার উইকির তুলনায় খুবই ছোট। ম‌োট আর্টিকেল সংখ্যা একলাখের কাছাকাছি।

(আগামী পর্বে সমাপব্য)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29037720 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29037720 2009-11-04 21:12:31
আমি সামুর ২৭০৬৪ তম ব্লগার!!!

<img src=" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" />

জটিল ভাইয়ের জন্মদিনের পোস্টে কমেন্ট করতে গিয়ে দেখলাম এই অবস্থা। টরেন্টে উবুন্টু ডাউনলোড দেয়া থাকায় ব্রাউজিং স্পিড পাচ্ছিলাম না। পেজ লোড হচ্ছিল খুব ধীরে। ঐ পেজটা আংশিক লোড হওয়া অবস্থায় দেখি আমার নামের জায়গায় ২৭০৬৪ লেখা। বুঝলাম না এটা কি? কোন কোড নাকি আমি সামুর ২৭০৬৪ তম ব্লগার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29035167 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29035167 2009-10-31 12:16:29
চলে এল উবুন্টু ৯.১০ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_53.gif" width="23" height="22" alt=":-B" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_31.gif" width="23" height="22" alt=":#)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_71.gif" width="23" height="22" alt="!:#P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_71.gif" width="23" height="22" alt="!:#P" style="border:0;" /> আসুন...
উবুন্টু সফটওয়্যার সেন্টার













অবশেষে রিলিজ হল উবুন্টু ৯.১০ কারমিক কোয়ালা!!! উবুন্টুর এই ভার্সন এমন এক সময় রিলিজ হল যার মাত্র কিছুদিন আগেই বাজারে এসেছে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের হারানো বাজার দখলের মরিয়া হাতিয়ার উইন্ডোজ সেভেন। উইন্ডোজ সেভেনের সাথে প্রতিযোগিতার জন্য এই ভার্সনে যোগ করা হয়েছে অনেক নতুন ও আকর্ষণীয় ফিচার। ঠিক করা হয়েছে অনেক বাগ আর আপগ্রেড করা হয়েছে কিছু সফটওয়্যার আর ফিচার। এক নজরে নতুন ও পরিবর্তিত ফিচারগুলো,

১। বুট ম্যানেজার হিসেবে আপগ্রেড করা হয়েছে Grub কে। যোগ করা হয়েছে Grub 2।
২। জ্যাকিলোপে অপশনাল হিসেবে রাখা EXT4 ফাইল সিস্টেম কে কোয়ালাতে ডিফল্ট করা হয়েছে। ফলে, উবুন্টুর পার্ফমেন্সে অনেক দ্রুততা লক্ষ্য করবেন।
৩। সাউন্ড সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আগের চেয়ে ভাল কোয়ালিটির সাউন্ড পাবেন।
৪। আপগ্রেডেড লিনাক্স কার্নেল 2.6.31-14.48 ব্যবহার করা হয়েছে।
৫। ৯.০৪ এ ইন্টেলের ভিডিও ড্রাইভার নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল। এবার এরকম কোন সমস্যায় পড়তে হবে না! <img src=" style="border:0;" />
৬। Applications মেন্যূতে Add/Remove এর জায়গায় সফটওয়্যার সেন্টার যোগ করা হয়েছে। পরবর্তিতে Synaptic, gdebi কে সরিয়ে এটাই হবে একমাত্র সফটওয়্যার ম্যানেজার।
৭। ডেস্কটপে ইন্ট্রিগ্রেট করা হয়েছে ফাইল শেয়ার ও কন্টাক্টস সিন্ক্রোনাইজেশন সার্ভিস উবুন্টু ওয়ান। ২ গিগা বাইট জায়গা পাবেন একদম ফ্রী!!!
৮। ডেস্কটপে জিনোম 2.28 ভার্সন ব্যবহার করা হয়েছে।
৯। ম্যাসেন্জার হিসেবে পিজিনের পরিবর্তে এসেছে ইম্ফানি। পিজিন শুধু গুগল টকের ভয়েস সার্ভিস সাপোর্ট করলেও ইম্ফানি আরও বেশী প্রোভাইডার সাপোর্ট করে।
১০। ফায়ারফক্স ৩.৫ যোগ করা হয়েছে।
১১।gdm 2.28 লগিন ম্যানেজার যোগ করা হয়েছে।
১২। থ্রিজি ব্রডব্যান্ড সাপোর্ট উন্নত করা হয়েছে।
১৩। বুট টাইম অনেক কমানো হয়েছে। এটা চালু হতে সময় নেয় ১৫-২০ সেকেন্ড। ১০.০৪ এ যেটা কমে দাঁড়াবে ১০ সেকেন্ডে।
আরও কিছু পরিবর্তনের কথা দেখলাম। বুঝতে পারলাম না বলে লিখলাম না <img src=" style="border:0;" /> সরাসরি ইংরেজী দিয়ে দিলাম <img src=" style="border:0;" />,

Ubuntu has included the AppArmor enhanced access control framework ever since the 7.10 release. However, Ubuntu has never surfaced or promoted AppArmor as much as other distros like Fedora. That continues with Karmic Koala where, for example, there's a new Firefox sandbox policy, but it's disabled by default.
Still, AppArmor does get some love in Karmic Koala with new support for cache files. AppArmor gives you more access control to grant or deny system privileges on a much more granular level than is possible with Linux's default access scheme. The new cache element means that AppArmor is a bit faster to initialize on boot.
Also on the security front is a much improved disk encryption tool. Ubuntu has had block-level encryption for some time, but did not include the option on the LiveCD. More granular encryption arrived in Ubuntu 9.04, which allowed users to encrypt their entire home directory, but the option still wasn't part of the LiveCD installer.
However, this time around, the Ubuntu LiveCD installer will offer the option to encrypt your home directory - also configuring the swap partition for encryption.


ইন্সটল করার পর বুঝতে পারব আসলে কি কি পরিবর্তন চোখে পড়ে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29034244 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29034244 2009-10-29 21:22:05
আসুন আমরা নতুন তরিকায় ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করি (কম্পু বিজ্ঞানীর টেকনিক <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />)


কিছুদিন আগে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের মেসে গিয়েছিলাম একটা কাজে। যার কাছে গিয়েছিলাম সে ল্যানে শেয়ার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। যাওয়ার কিছুক্ষণ পড়ে হঠাৎ দেখি খুব চিল্লাচিল্লি হইচই। কাছে গিয়ে শুনলাম, ল্যানের একজন ইউজার নাকি স্পিড বেশী পায় না। তার ধারণা সে দূরে থাকে বলে স্পিড কম পায় (দূরত্ব ১০ মিটার হবে)। তার দাবি তার কম্পিউটারে মডেম লাগিয়ে রাখতে হবে। সে সিএসি তে পড়ে। এসব ব্যাপার ভাল বুঝে তাই মডেম তার কাছেই থাকা উচিত। তার যারা পার্টনার ছিল তারা শেষমেষ তাকে মডেমটা দিল। মডেম নিয়ে যাওয়ার পর আধা ঘন্টা পরেও অন্যরা দেখে কানেকশন নাই। সে শেয়ার করে নি। সবাই মিলে গেল তার কাছে। আমিও বুঝছিলাম ঘটনা একটা ঘটবে। মজা দেখার জন্য গেলাম। ঐ বিজ্ঞ ব্যক্তি শেয়ার না করে নিজে একাই চালাচ্ছিল। বাকিরা গিয়ে ধরল, কি ব্যাপার তুমি শেয়ার কর নাই কেন? সে কয়, ওহহ ভুলে গেছি। দাঁড়াও এখনই শেয়ার করছি। বলে নেটওয়ার্ক কানেকশনস থেকে জিপি ইন্টারনেট কানেকশনে রাইট ক্লিক করে বলে, আরে কপি অপশন কই গেল!!! আমি তো পুরা বেকুব হয়ে গেলাম। ব্যাটা কয় কি! অন্যরা কিছু বলার আগেই আমি বললাম, এখানে কপি অপশন থাকবে কেন? সে উল্টা আমাকে বলে, কানেকশনটা কপি করে শেয়ার্ড ডকুমেন্টে রাখতে হবে না? না হলে কানেকশন শেয়ার হবে কেমনে!!!

ঐ দিন যে কাজে গেছিলাম সেটা আর করতে পারি নি! হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ। ঐ ব্যাটা নাকি সিএসি থার্ড ইয়ার সেকেন্ড সেমিস্টারে পড়ে!!! ওরে আমারে ধর.....পইড়া গেলাম!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29031199 http://www.somewhereinblog.net/blog/freedom71/29031199 2009-10-24 17:13:37