১...
আমার বুকের বাম পাশে নোঙ্গর ফেলে হঠাতই
দিগ্বিদিক ভাসতে থাকা এক শুভ্র কপোতী;
ঠোঁটে খুড়ে আসে তার আমিত্বের সযত্নে সঞ্চয় সব প্রতিবেশ জঞ্জাল
বিষ চুষে চুষে জন্মালো সেখানে
শাশ্বত সোনা রংপ্রপাতী জোছনার স্বতঃস্ফুর্ত কারখানা
ডানার দাগে তার অবিরাম দৃশ্যপট অঙ্কনে মাতল চন্দ্রাহত মেঘের লুকোচুরির
দিন আর রাতের যৌক্তিক বিন্যাস পাল্টে সেখানে কেবল পৌনঃপূনিক কবিতাসন্ধ্যা
ঝাঁক বেধে রাজহাঁস আকাশ ঘাসফুলের ভীড়ানন্দের শস্য
ফাটলে ফাটলে উদগত খরা বিদায়প্রাপ্ত কেবল সৌরবছর জুড়ে শারদসৌরভ ।
কান পেতে শোনো এই বুকে,
হৃদস্পন্দনস্থলে জলতরঙ্গ পোশাক পরা কপোতীর ডানার সঙ্গীত ।
২...
তোমায় দেখে
স্রোত আর স্রোতস্পর্শী বাতাস
জমে কংক্রীট,
স্তব্ধ এখন
সুখের পক্ষাঘাতগ্রস্ত দুরন্ত মনের সাম্পান ।
৩...
এই মাটিতে নিয়মিত হাঁটি আমি
মন ও শরীরের রন্ধ্রে বিপুল প্রতিবেশ বিষ
সব অন্ধকারের আবেশী তরল মদ্য পান করে
সব আলো দুর্ভিক্ষপীরিত জৈবিক সত্তার মত পেট ভরে পান করে
বেড়ে উঠেছি এক অন্ধকার নির্যাসের মহীরুহের মত বিশাল একা প্রান্তরে
তবুও দিনের শেষে
পরীর ঠোঁট ঘন আকাশের বুকে বিদ্যুতের মত ছিড়ে ভেঙ্গে পান করি
মনের সকল বিকল স্থাপনাকে এড়িয়ে
আজন্ম পেতে চাই ভালোবাসার গোধূলীলাল ঠোটের রক্তস্বাদ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

