আমার প্রিয় পোস্ট

ইদানিং খুব ঘাস খাই আর নির্বোধ গরু হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখি,বঙদেশে গরুদের জন্য সব লক্ষীই হাত পেতে আছে ।রাষ্ট্র ও সমাজযন্ত্র যখন সংকরিত গরুর গোয়াল ।

ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন-৩(জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন -১(নবীজির মেরাজ)

ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন-২(সুচের ফুটোয় উট)

১.

দশ হাজার বছর আগেই মানুষ বুঝেছিল পার্থিব জীবনে সূর্যের ভূমিকা। সূর্য মানুষ্কে শুধুই আল দিত না, সাথে সাথে নিরাপত্তার বোধ, উষ্ণতা ইত্যাদিও দিত। সেকারনেই প্রাচীন সভ্যতাগুলতে সূর্যকে আলাদা মর্যাদায় দেখা হত। তারা বুঝে ছিল সূর্য ছাড়া শস্য ফলবে না, পার্থিব জীবন টিকে থাকতে পারবে না। এই সত্য গুলোই মানুষকে ধাবিত করেছে সূর্যকে সবচেয়ে সম্মানিত একটি নিমিত্তে পরিণত করতে।

মানুষ আকাশের নক্ষত্র সম্পর্কেও ভালোই জানত। আকাশ পর্যবেক্ষনের ফলেই তারা শিখেছিল নক্ষত্রমন্ডলীর গতি, বছরের বিভিন্ন সময়ে নক্ষত্রের অবস্থান ইত্যাদি। যার ফলে পূর্নিমা বা অমাবশ্যার মত ঘটনাগুলোর মাঝে সময়ের পর্যায় তারা নিঁখুত ভাবে নির্নয়ে সমর্থ হয়।

এই প্রবনতাই তাদেরকে বছরের বিভিন্ন সময়ে আকাশের অবস্থা লিপিবদ্ধ করে রাখতে উতসাহী করে। এই তালিকাটি জন্ম দেয় কন্সটেলেশনের।
নীচের ছবিটি হচ্ছে ক্রস অফ জোডিয়াক, মানুষের ইতিহাসে অন্যতম প্রাচীন কনসেপচুয়াল ছবি।


এই যোডিয়াক আমাদের অনেকগুলো তথ্য দেয় ...
এখানে দেখা যায় সূর্য কিভাবে একটি বছরে বারোটি প্রধান রাশির মধ্য দিয়ে পরিভ্রমন করে। এটা আরও প্রকাশ করে ১২ টি মাস, ৪ টি মৌসুম, জলবিষুব,উত্তর অয়নান্ত ইত্যাদি। রাশিচক্রের ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ন কথা হচ্ছে এই রাশিগুলোকে বিভিন্ন মানবীয় বা প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে প্রাচীন যুগের মানুষরাই সম্পৃক্ত করে গেছে। এবং সেই নাম গুলো আমরা এখনও ব্যভার করি। এবং প্রাচীন সভ্যতা সমূহ শুধুমাত্র নক্ষত্র সমূহ পর্যবেক্ষণ করেই ক্ষান্ত হয় নি, তারা বিভিন্ন নক্ষত্রমন্ডলীকে বিভিন্ন পার্থিব উপাদানের নামে নামকরন করেছে এবং তাদের আকাশের গতিবিধিকে সম্পৃক্ত করেছে বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীর মাধ্যমে।
এবং সূর্যের জীবনদাত্রী গুনাবলীর কারনে সূর্যকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে ঈশ্বরের সাথে। মানবজাতির ত্রাতা হিসেবেই সূর্যকে দেখা হত। এবং ১ ২ টি রাশিকে দেখা হত ঈশ্বরের সহযাত্রী হিসেবে। যারা সূর্যের সাথে ভ্রমন করে।(বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্য আকাশের উত্তর পূর্ব থেকে দক্ষিন পূর্বের বিভিন্ন যায়গায় উদিত হয়। এই উদয়ের সময় মোটামুটি ৩০ দিন পরপর সূর্য একটি নতুন নক্ষত্রমন্ডলীর কাছে উদিত হয়। প্রাচীন পৃথিবীতে মাসের ধারনা এভাবেই এসেছে )। এই সকল রাশি সমূহকে নিয়েও নানা পৌরাণিক গল্প প্রাচীন সভ্যতা গুলো তৈরী করেছিল। মজার ব্যাপার ছিল গল্প গুলো পুরোপুরি গাঁজাখুরি ছিল না।প্রায়ই আকাশের রাশি সমূহের বিভিন্ন গতিকে মেটাফোরিক্যালি এই পৌরাণিক কাহিনীতে প্রকাশ করা হত।

যেমন আ্যাকুআরাস, পানির ধারক, যিনি বসন্তকালে বৃষ্টি নিয়ে আসতেন।


২.
নীচের ছবিটি হোরাসের। যিনি মিশরীয় দেবতা। তার পূজা হত খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০০ সালে। তিনি ছিলেন সূর্য দেবতা।




তার জীবন কাহিনী যেভাবে বর্ননা করা আছে প্রথম দৃষ্টিতে মনে হয় একেবারেই টিপিক্যাল মিথলজি। কিন্তু সাবধানে পরীক্ষা করলে বোঝা যায় বোঝা যায় পৌরাণিক গল্প গুলো আকাশে সূর্যের অবস্থান এবং গতি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের মেটাফোর।

মিশরীয় পূরাণ যেগুলো হায়ারোগ্লিফিক্সে পিরামিডের গায়ে লেখা ছিল সেখান থেকে হোরাস সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা যায়।

যেমন হোরাসের একজন চিরশত্রু দেবতা ছিলেন। যার নাম হচ্ছে সেট। সেট ছিল অন্ধকারের দেবতা। প্রতিদিন সকালবেলা হোরাস সেটের সাথে লড়াইয়ে জিতে যেত, যার ফলে সূর্য উঠতো, অপরদিকে সন্ধ্যায় সেট জিতে যেত হোরাসের বিপক্ষে। যার কারনে রাত্রি নামত।

এখানে গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হচ্ছে এই আলো বনাম অন্ধকার, অথবা ভালো বনাম খারাপ এটি সেই প্রাচীন কাল থেকেই নানাভবে নৈতিক বা সামাজিক অনুসঙ্গে প্রকাশিত হয়ে আসছে, এবং এখনও নয়। চৈনিক দার্শনিকরাও বিশেষ করে তাওবাদীরা এই ব্যাপারে বিশদ আলোচনা করেছেন।

হোরাসের সম্পূর্ন জীবন কাহিনীর সারাংশ নিম্নরুপ:

হোরাস: জন্মদিবস : ২৫ শে ডিসেম্বর মাতা আইসিস কুমারী ছিলো, অলৌকিক ভাবে কুমারী মাতার গর্ভে তার জন্ম তার আগমন সংবাদ দিয়েছিল পূর্ব আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র তার জন্মের পর তিনজন রাজা তাকে আশীর্বাদ করেন ১২ বছর বয়সেই তিনি শিক্ষাদান শুরু করেন মানুষের মাঝে ৩০ বছর বয়সে একজন জ্ঞানী আনুপ দ্বারা সিদ্ধি লাভ করেন এবং তার নিজস্ব মত প্রচার করা শুরু করেন তার ১২ জন সহচর ছিলো অনেক অলৌকিক ক্ষমতা তার ছিলো যেমন অসুস্থকে সুস্থ করা, পানির উপর হাটা টাইফন দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতার স্বীকার হন, এবং ক্রুশকাঠে প্রাণ দেন, এবং মৃত্যুর তিন দিন পুনুরজ্জীবিত হন

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে বিভিন্ন সভ্যতার দেবতাসমূহের মাঝে একই মিথলজিক্যাল স্ট্রাকচার দেখা যায়,
যেমন
ফ্রাইজিয়ার এটিস
ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ জন্ম
কুমারী মাতা নানা হতে জন্ম
ক্রুসিফাইড হয়েছিল
মৃত্যুর তিন দিন পর পুনুরজ্জীবিত হয়েছিল

ভারতের কৃষ্ণা

কুমারী দভাকি হতে জন্ম
পূর্বাকাশের নক্ষত্র তার আগমন বার্তা জানিয়েছিল
অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন ছিল
সহচর ছিল
মৃত্যুর পর পুনুরজ্ঝীবন


গ্রীসের ডায়ানসিস
ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ জন্ম
কুমারী মাতা
অলৌকিক ক্ষমতা ছিল যেমন পানি কে দ্রাক্ষারসে রুপান্তর
তাকে কিং অফ কিংস বলা হত
মৃত্যুর পর পুনুরজ্জীবন

পারস্যের মিত্রা
ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ জন্ম
কুমারী মাতা
১২ জন ভক্ত
মৃত্যুর তিন দিন পর পুনুরজ্জীবিত
এবং ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে তার পূজা হত রবিবার, সানডে ওরশিপ বলা হত

এখানে ব্যাপার হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য সভ্যতার অসংখ্য দেবতা এই একই ধরনের বর্ননা পাওয়া যায়।

৩.


সুতরাং প্রশ্ন আসে কেনই বা কুমারী মাতা, কেনই বা ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ জন্মদিবস??কেনই বা মৃত্যুর পর পুনুরজ্জীবন এবং কেনই বা ১২ জন ভক্ত??

এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্যে সবচেয়ে নতুন এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় সোলার মেসায়াহ কে নিয়ে আলোচনা করা যাক


জেসাস ক্রাইস্ট: জন্মেছিলেন ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ বেথেলহেমে কুমারী মাতা মেরীর গর্ভে তার আগমন বার্তা ঘোষিত হয়েছিল পূর্বাকাশের নক্ষত্রের মাধ্যমে তিনজন রাজা অথবা মেজাই তাকে আশীর্বাদ করেছিল ১২ বছর বয়সে তিনি শিক্ষা দেয়া শুরু করেন ৩০ বছর বয়সে জন দ্যা ব্যাপটিস্ট দ্বারা ব্যাপটাইজড হন তার ১২ জন ভক্ত ছিলো তিনি অলৌকিক ক্ষমতা প্রদর্শন করেন যেমন অসুস্থ কে নীরোগ করা,পানির উপরে হাটা ইত্যাদি ভক্ত যুদাসের দ্বারা বিশ্বাস ঘাতকতার শিকার হন ক্রুসিফাইড হন, এবং মৃত্যুর তিনদিন পর পুনুরুজ্জীবিত হন


প্রথমেই বার্থ সিকোয়েন্সটি সম্পূর্নভাবে এস্ট্রোলজিক্যাল।

পূর্বাকাশের তারা টি হচ্ছে সিরিয়াস, রাতের আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ সিরিয়াস ,কালপুরুষের বেল্টের মাঝে অবস্থানকারী তিনটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের সাথে একই রেখায় অবস্থান করে। এই তিনটি নক্ষত্রকে প্রাচীন কাল থেকেই থ্রী কিংস বলা হত।
সিরিয়াস এবং ত্রী কিংস যে সরলরেখায় অবস্থান করে, সে সরলরেখাটি ২৫ তারিখের সূর্যোদয়ের স্থানকে নির্দেশিত করে। অথবা তারা ঘোষনা করে "সূর্যের জন্মকে"(মেটাফোরিক্যালি)। আর ভার্জিন মেরী হচ্ছে ভার্গো কন্সটেলেশন। ল্যাটিনে ভার্গো মানে হচ্ছে কুমারী। ভার্গো কে আরও বলা হয় হাউস অফ ব্রেড। এবং ভার্গো রাশিটির ছবিটি লক্ষ করলে দেখা যাবে একজন কুমারী একটি গম পাতা ধরে রেখেছে। এবং হিব্রু বেথেলহেম মানে হচ্ছে হাউস অফ ব্রেড। সুতরাং বেথেলহেম আকাশের একটি রাশিকে নির্দেশ করে মর্তের কোনো জায়গা নয়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ঘটনা ঘটে ২৫ শে ডিসেম্বরে। আমরা জানি সূর্যের উত্তর আয়নায়ন থেকে দক্ষিন আয়নায়নে দিনের দৈর্য্য ক্রমাগত কমতে থাকে উত্তর গোলার্ধের প্রেক্ষাপটে(পারসিক,মিশরীয়,রোমান,গ্রীক,ভারত,প্যালেস্টাইন সবগুলো দেশই উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত)। সূর্য ক্রমাগত দক্ষিনে সরে যেতে থাকে এবং কৃশ হয়ে পরতে থাকে। সূর্যের এই ক্রমাগত ক্ষীনতর আকৃতি লাভ প্রাচীন মানুষদের কাছে সূর্যের মৃত্যুর প্রতীক ছিল। ডিসেম্বরের ২২ তারিখ সূর্য আকাশের সর্বনিম্ন বিন্দুতে পৌছয়, এবং সূর্য সবচেয়ে কৃশ আকৃতি ধারন করে। এখানে খুব মজার একটি বিষয় ঘটে। সূর্যের দক্ষিন মুখী গতি বন্ধ হয়ে যায়। ৩ দিন সূর্য একই অবস্ঠানে থাকে। এরপর ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ সূর্য উত্তর দিকে ১ ডিগ্রী সরে আসে। এবং সূর্যদয় হয় ক্রক্স নক্ষত্রমন্ডলীর কাছে, যে নক্ষত্রমন্ডলীর আকৃতি ক্রুশের মত। সেজন্যেই সূর্যের মৃত্যু হয় ক্রসে এবং তিন দিন পরে পুনুরজ্জীবিত হয়।

একারনেই জেসাস ক্রাইস্ট এবং অন্যান্য সৌর দেবতারা একই বর্ননা শেয়ার করে।

এবং জেসাসের সাথে ১২ জন ভক্ত হচ্ছে ১২ টি রাশি, যার মধ্যদিয়ে সূর্য সারা বছর পরিভ্রমন করে।

চলবে

(পরবর্তী পর্বে বাইবেলের পুরাতন নিয়ম এবং নতুন নিয়মের অন্যান্য মিথ আলোচিত হবে। সেসাথে পেগান আডাপ্টেশন , ইতিহাসের সাথে যৌক্তিকতা, এবং রাজনৈতিক ভাবে কিভাবে পৌরাণিক জেসাস কে চতুর্থ শতকে ঐতিহাসিক চরিত্র করবার চেষ্টা করা হয়েছে সেটাও আলোচিত হবে)







 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২১
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: লাভ নাই।

কম্যুনিজম মইরা গেছে ১৯৯১ তে। ঐ পঁচা লাশ আর জিন্দা হইবনা।

আজাইরা পোষ্ট।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: এই পোস্টে কম্যুনিজম আইলো কোনখান থাইকা?ভাই অনেক ঘাটাঘাটি কইরা লেখাটা লিখতেছি, আরো অনেকগুলা জিনিস বাকি আছে।

সমাজতন্ত্রের কাহিনী এখানে কিভাবে ফিট হয়?

আমি নিজে তো সমাজতন্ত্র মানি না......

২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩২
হোরাস্‌ বলেছেন: তথ্যগুলো সঠিক হয়ে থাকলে মানতেই হবে কোইন্সিডেন্সগুলো(!) খুবই ইন্টারেস্টিং ।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপ্নের নাম হোরাস হইলো কেমনে?:)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: কেন বলবেন কি?

৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: আপনি তো জামাতি মইনুল আর মাহমুদুর রহমানের মত ,
খোদার কসম আমি জামাত শিবির করিনা।

মাইনাস।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: হা হা আচ্ছা মজা পেলাম। ভাই শুনেন আমি তো নিজেকে লুকিয়ে রাখি না। শের এ বাংলা হলের ১০০৯ রুমে থাকি,আপনাকে দাওয়াত দিলাম। আইসেন, বুয়েটের সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কোন কাজে আমি গেছি কিনা খোজ নিয়েন। আমার এক জিগরী ফ্রেন্ড আছে। চিটাগাং এর। আমার ডিপার্টমেন্টেরই। নাম মুনিম। পাচ ওয়াক্ত নামাজ পরে এবং ফ্রন্টের একনিষ্ঠ কর্মী। ওর কাছেই জানতে পারবেন ওর সাথে রাতের পর রাত সমাজতন্ত্র বিরোধী তর্ক করছি।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আরেকটা কথা, মইনুল টাইপ লোকেরা কিন্তু জামাতের সমর্থনে অনেক কথা বলে,যেমন মইনুল কথায় কথায় গোলাম আযমের জীবনীর লিংক দেয়।

আমি কি কার্লমার্কসের উদ্ধৃতি দেই?

৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৯
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: আপনি তো জামাতি মইনুল আর মাহমুদুর রহমানের মত ,
খোদার কসম আমি জামাত শিবির করিনা।

মাইনাস।
৬. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
নূহান বলেছেন: পিলাস ,পিলাস,
ছাগুগুলারে ঝেটিয়ে বাহির করেন /:)
৭. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

প্লাস।

zeitgeist মুভ্যিটা দেখেছে? এখানে পাবেন http://www.zeitgeistmovie.com। দুই পর্বই দেখে নিয়েন সময় পেলে।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: হ্যা দেখেছি,

৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
মনজুরুল হক বলেছেন:

ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: লাভ নাই।

কম্যুনিজম মইরা গেছে ১৯৯১ তে। ঐ পঁচা লাশ আর জিন্দা হইবনা।

আজাইরা পোষ্ট।
-----------------------------------------------------------------
এটা শুনে লেখক বললেন..."রাতের পর রাত সমাজতন্ত্র বিরোধী তর্ক করছি।","আমি কি কার্লমার্কসের উদ্ধৃতি দেই?"।

বেশ। খো যাচ্ছে ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান 'নস্ট্রাদামুস' এর মত ভবিষ্যদ্বাণী করার ঈর্ষণীয় গুণের অধিকারী হয়ে গেছেন !

এই টাইপের মানুষ মনে করে .. তার বাড়ি থেকে যেটুকু আকাশ দেখা যায়...ওটা বোধহয় ওইটুকুই !!
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: কি আর বলব বলেন, কিছু জেনারেল কনক্লুশান আছে এদের, যাই হোক ঐ কনক্লুশানেই পৌছায় তারা। সেরা মস্তিস্কের অধকারী প্রজাতির সদস্য হিসেবে খালি আফসোস করতেহয়।

১০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
সু-শান্ত বলেছেন: নির্ভেজাল প্লাস। +
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১১. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: বইটা পড়ছি আমি আগেই , তবে পোস্ট টা অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।তাই প্লাস।
ফালতু বাকচিত নিপাত যাক।
পুরোটা শেষ কর।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ....

১২. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
এমিল বলেছেন: আমি কোথায় জানি পড়ছিলাম যে জেসাসের জন্ম নাকি মার্চ বা এপ্রিলে হৈসিলো। পরে নিজেদের সুবিধার্থে এইডারে ২৫ ডিসেঃ নিয়া আসা হয়।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: কিসের সুবিধা?

১৩. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এর আগেও আরেকজনের কয়েকটি পোস্টে পড়েছিলাম, তবে আপনারটি অসাধারণ লাগলো। পরবর্তী পর্বগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকলাম, আশা করি- বেশী অপেক্ষায় রাখবেন না।

লেখার সাথে তথ্যসূত্র যুক্ত থাকলে উপকৃত হতাম।

কিছু প্রশ্নঃ
হোরাস-এটিস-ডায়ানসিস-মিত্রা মিথ যে আমলের সে আমলে দিনলিপি বা দিনপঞ্জিকা কিরূপ ছিল? সবার ক্ষেত্রে ২৫ ডিসেম্বর কিভাবে মিলাচ্ছি? এদের সবারই কি ১২ মেসে বর্ষপঞ্জি ছিল? (নাম মনে হয় সবারই একই নয়, মানে ডিসেম্বর নয়)।

যেসাসের ঐতিহাসিকতা নিয়ে প্রশ্ন মনে এসেছিল- তবে পরবর্তী পর্বসমূহের বিষয়বস্তু দেখে আপাতত চুপ গেলাম।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: না সবার বারো মাসের বর্ষ পন্জিকা ছিল না,কিন্তু আপনি রাশি বিন্যাস তো এক ছিল। আপনি এখনও দৈনিক পত্রিকায় আজকের দিন কেমন যাবে দেখলে বিভিন্ন রাশির সময়ের আওতার সাথে ইংরেজী মাস কিভাবে সম্পর্কিত সেটা দেখতে পাবেন। প্রাচীন দেবদেবীদের জন্ম সাধারনত রাশির হিসেবে(জন্মের সময় সূর্যের অবস্থানের মাধ্যমে জন্মলগ্নের বর্ননা কেন যেন অনেক জাতিই গ্রহন করেছে, নৃতাত্বিক দিক হতে এটি ইন্টারেস্টিং বিষয়, ধর্মের উদ্ভবের এটি ছাড়াও আরো কিছু বৈশিষ্ঠ আমি লক্ষ্য করেছি, যদিও ভৌগলিক এবং এথনিক দিক হতে ধর্ম গুলো আলাদা, এটা নিয়ে জানার ইচ্ছা আছে।)উল্লেখ করা হত।

তথ্যসুত্রগুলো গোছানো নাই, পরের পর্বে একসাথে দিব।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: এভাবেই জণ্ম তারিখগুলো ট্রেস করা খুবই সহজ। দেবদেবীদের জন্মলগ্ন শুধুমাত্র সূর্যের অবস্থান নয়, প্রধান রাশিগুলোর অবস্থানও উল্লেখ করা থাকত। আদি ধর্মের মিথগুলোর প্রথমিক রচয়িতারা আকাশকে ভালোভাবেই পাঠ করে নিয়েছিল। আপনি হিন্দুদের কোষ্ঠি দেখেছেন?

আপনি যদি জন্মলগ্নের রাশি গুলোর অবস্থান এবং সূর্যের অবস্থান জানেন তাহলে ,আপনি সারা বছরের কন্সটেলেশন চার্ট দিয়ে দুই মিনিটে তারিখটি নির্ভুলভাবে ট্রেস করতে পারবেন।

সভ্যতাগুলোর নিজস্ব পন্জিকা হতে এই বর্ননা অনেক নির্ভরযোগ্য, কারন অনেক সভ্যতাই সঠিকভাবে পন্জিকা উদ্ভাবনে সমর্থ হয় নি, অনেক সভ্যতাই বাতসরিক অতিরিক্ত ছয়ঘন্টা কে ঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে নাই।

১৫. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১
দুরের পাখি বলেছেন: যেইটগেইস্ট এ দেখেছিলাম ।

অনেক কষ্ট করেছেন বুঝাই যাচ্ছে । ধন্যবাদ ।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩
রাঙা মীয়া বলেছেন: ইন্টারেস্টিং ........ ব্লগার প্রশ্নোত্তরের কয়েকটি মন্তব্যে কিছু কিছু শুনেছিলাম। এই পোস্টে বিস্তারিত জানলাম। তবে পরবর্তী পর্ব ও পুরো লেখার সমাপ্তি পর আলোচনার ইচ্ছা রাখি । ভালো থাকুন।

এ ধরনের অনুসন্ধানীও বিশ্লেষনমূলক সব পোস্টেই প্লাস।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৭. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইন্টারেস্টিং তো!

কয়েকটা তথ্যের ক্রসচেক করা প্রয়োজন:

কয়েকটা ডকুমেন্টের টাইমলাইন জানতে চাইছি ... মানে এগুলোর সবচেয়ে পুরোনো যে ভার্সন কাগজ বা অন্যকোন কিছুতে পাওয়া গেছে সেটার কার্বন ডেটিং রেজাল্ট

১. বাইবেল
২. ক্রস অফ জোডিয়াক
৩. যীশুর সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে যেসব ঐতিহাসিক চরিত্রের, তাদের ব্যাপারে এসব তথ্যওয়ালা বই বা পার্চমেন্ট

তা না হলে, বর্ণনায় একটা টাইমলাইন দাবী করে যে কেউ অন্যকে নিজের নকল ভার্সন হিসাবে দাবী করতে পারে।

যেমন, ধরুন, মিশরীয় দেবতা হোরাস আর ভারতীয় দেবতা কৃষ্ণা ... এদের বর্ণনায় ধরুন বলা হলো হোরাসের জন্ম খ্রীস্টের জন্মের ৩০০০ বছর আগে, কিন্তু কৃষ্ণের জন্ম ৫০০০ হাজার বছর আগে ... তার মানে বলা যায় হোরাসের ভার্সনটা কৃষ্ণের ভার্সনের নকল ... কিন্তু সেক্ষেত্রে পিরামিডের চেয়ে ফিজিকালি পুরাতন এমন কিছুতে কৃষ্ণ সম্পর্কিত উপরের তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ অবস্থায় পেতে হবে ... কারণ ২য় শতাব্দীতে লিপিবদ্ধ কোন ডকুমেন্টে যদি কৃষ্ণ সম্পর্কে উপরের তথ্যগুলো পাওয়া যায়, সেটা কিন্তু প্রমাণ করেনা কৃষ্ণেরটা আসল ভার্সন

এখন আরেকটা যে প্রশ্ন চলে আসলো সেটা হলো পিরামিডের গায়ে কি হোরাস সম্পর্কে আপনার উপস্থাপিত বোল্ড অক্ষরের তথ্যগুলোও পাওয়া গেছে? এসম্পর্কিত কোন রেফারেন্স থাকলে জোগান দিয়েন

বহুল পরিশ্রমসাধ্য লেখায় বিরাট পাঁচ
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ৪ নং পর্বটাতে উত্তর দিয়েছি, একটু কষ্ট করে পড়ে নিবেন

১৮. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
দ্বিধা বলেছেন: "বহুল পরিশ্রমসাধ্য লেখায় বিরাট পাঁচ"
১৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০১
জেমসবন্ড বলেছেন:
বোগাস বিষয় , এই নিয়ে ইউটিউবে ভিডিও দেখেছি । খ্রষ্টিানদের তৈরী, অনেক মিথ্যা তথ্য আছে সেখানে । মূল লক্ষ্য ---জিসাস ক্রাইসকে বড় করে দেখানো ।
২০. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
সাপ্নিক বলেছেন: ভাল লাগল, তথ্য বহুল পোস্ট। বুঝলাম না জেমসবন্ড এর এত জ্বলে কেন, শুধু ইসলাম রে ভাল দেখালেই পোস্ট ভাল হয় না ??
২১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
মানুষ বলেছেন: আপনি দেখি আগে থেকেই শুরু করছেন। এইটা নিয়া আমার আর পোষ্ট লেখার মানে হয়না তাইলে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: এটা যদি সত্যিই আপনার ছবি হয় তাহলে আপনার সাথে আমার এক বন্ধুর অদ্ভুত মিল আছে। ব্যাটা বিবিএ পড়ে উত্তর দক্ষিণে। ফারশাদ নাম।

২২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
নষ্ট কবি বলেছেন: krishna somporke na jene erokom kotha lekhen ken??? krishna kokhonoi enader sathe mile jan na...
২৩. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
নষ্ট কবি বলেছেন: krishna kokhonoi mara jaoar por jibito honni.... he was the avatar of bhagaban bishnu.....yugabatar,,,,, bistarito jante email

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
hossain@finder-lbs.com

২৩ টি বছর পেড়িয়ে অনেক ক্লান্ত আমি। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িত এবং ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগে পতনভাগ্য বর্জিত উল্কার মত ঝুলে আছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ