আমার প্রিয় পোস্ট
- 'অশ্রুপাত শেষ হলে নষ্ট করো আঁখি' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- শিক্ষাব্যবস্থা, ক্ষয়িষ্ণু সংস্কৃতি, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু, জাফর ইকবাল ও আমাদের বুদ্ধিজীবি সমাজ- আপাত বিক্ষিপ্ত প্রাসঙ্গিক ভাবনা - সীমান্ত আহমেদ
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- প্যালেস্টাইনের রাজনৈতিক ধর্ষন আর বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - রাগ ইমন
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি? - মনসুর হিল্লাজ
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
রাজাকার কে জুতা নিক্ষেপ করুন
- এ. এস. এম. রাহাত খান
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- বিজয় দিবসে ৭১ এর রাজাকারদের তালিকা। বাড়ি ঘর আর পিতার নাম সহ। - ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গনহত্যার একটি ভিডিও - আতিকুল হক
- ব্লগের নাস্তিকেরা কি কেবল ইসলাম বিদ্বেষী??? - নাস্তিকের ধর্মকথা
- রাশেদ খালীফা, ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এবং কোরআন টেম্পারিং - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধি আন্দোলনে মুসলমান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরবানীর গরু ও তার মালিক হাশিম - পাভেল করচাগিন
- আর্মেনিয় গনহত্যা: তুরস্কের অটোমান শাসনের কলঙ্কিত অধ্যায়। - ইমন জুবায়ের
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- মার্কসবাদের ইতিহাস পড়তে পড়তে অনিবার্যভাবেই আমার লালনের কথা মনে পড়ে গেল - ইমন জুবায়ের
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ১৯৭১-এ দৈনিক সংগ্রাম (পর্ব-১) - সবাক
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- এবং বাংলা সীমান্তে: বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ (শেষ পর্ব, পর্ব ৫০) - ফাহমিদুল হক
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- বিশ্বাস করো , আজ তোমাকেই চাইতাম - রাগ ইমন
ইদানিং খুব ঘাস খাই আর নির্বোধ গরু হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখি,বঙদেশে গরুদের জন্য সব লক্ষীই হাত পেতে আছে ।রাষ্ট্র ও সমাজযন্ত্র যখন সংকরিত গরুর গোয়াল ।

ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন -৪(জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-২)
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন -১(নবীজির মেরাজ)
ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন -২(সুচের ফুটায় উট)
ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন-৩(জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১)
জোডিয়াকের ক্রস নিয়ে পুনরায় আকোচনা করছি। একটি প্রাচীন সভ্যতার জন্যে কেবলমাত্র শৈল্পিক একটি চিত্র ছিল না, বাত্সরিক সৌর গতি নির্নয়ের একটি ক্যাটালগ ছিল। যোডিয়াকের ক্রশ হতেই পেগান রা নিম্নোক্ত চিহ্ন এডপ্ট করে, ইন্টারেস্টিং হচ্ছে তা ক্রিশ্চিয়ান ক্রুশের অনেক টা কাছাকাছি। পেগানের এই চিহ্ন এখনও বিভিন্ন পেগান মন্দিরে দেখ যায়।
প্রথমিক যুগে জেসাসের যে ছবিগুলো পাওয়া যায় সেগুলোতেও জেসাসের মাথার পেছনে সর্বদা ক্রশ টিকে দেখানো হয়, যার উদ্দেশ্য আর কিছুই না, সূর্যের ক্রসে মৃত্যুর পেগান সিম্বলাইজেশনের একটি ক্রিশ্চিয়ান রুপ।
সে হিসাবে জেসাসের দ্বিতীয় আগমন কেও ব্যাখ্যা করা যায়। আসলেই তিনি আবার আসবেন, প্রতিদিনই আসেন, সকালের সূর্যোদয়ের সময়।
বাইবেলের নতুন ও পুরাতন নিয়মে আরেকটি গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার প্রকাশিত হয়েছে যা একটি আ্যাস্ট্রোলজিক্যাল মেটাফোর, তা হচ্ছে এইজ বা যুগ। এইজ বা যুগ বুঝার আগে আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ন আ্যাস্ট্রোলজিক্যাল ফেনোমেনন বুঝতে হবে যার শাব্দিক নাম "Precession of the Equinoxes" . প্রাচীন মিশরীয় এবং অন্যান্য সভ্যতা গুলো এই ব্যাপারটি পর্যবেক্ষন করেছিল যে প্রতি ২১৫০ বছর পর পর বসন্ত আয়নায়নের সকালের সূর্যোদয় ভিন্ন রাশিতে সংগঠিত হয়(এই কথাটি উত্তর গোলার্ধের জন্যে সত্য। প্রাচীন সভ্যতা গুলোর উত্তর এবং দক্ষিন গোলার্ধের ধারনা থাকার সম্ভাবনা কম। তবে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে গ্রীস, মিশর, আক্কাদ, পারস্য, প্যালেস্টাইন ইত্যাদি অঞ্চলগুলো উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত)সূর্যের এই আচরনের কারন বর্তমানে বোঝা যায়। পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ঘূর্ননের সময় অত্যন্ত মন্থরগতিতে তার ঘূর্নন তল মন্থর গতিতে পরিবর্তিত হতে থাকে। অর্থাত ঘুর্ননের সময় পৃথিবী তার অক্ষ সাপেক্ষে একই তলে ঘোরে না। এই মন্থর ঘূর্ননতল বিচ্যুতির কারনে সূর্য বারোটি রাশি পরিভ্রমনকালে সময় নেয় ২৫৭৬৫ বছর। টলেমীর লেখাতে এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বর্ননা করা আছে। প্রাচীন সকল আকাশ পর্যবেক্ষকই এই বিষয়টি বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন। প্রাচীন পর্যবেক্ষকরা এই ২৫৭৬৫ বছর কে অভিহিত করতেন "the great year" নামে। এই ২১৫০ বছর কে ঐ সময়কালে বসন্ত আয়নায়নের সূর্যদয় যে রাশিতে হয়েছিল ঐ রাশির নামানুসারে নাম দেয়া হয়। ৪৩০০ খ্রী পূ হতে ২১৫০ খ্রী পূ ছিল the Age of
Taurus বা বৃষ রাশির যুগ। বৃষের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে ষাড়। খ্রী পূ ২১৫০ হতে ১ খ্রী হচ্ছে Age of Aries অথবা মেষ রাশির যুগ। মেষ হচ্ছে ভেড়া। ১ খ্রী হতে ২১৫০ খ্রী হচ্ছে Age of Pisces, বা মীন রাশির যুগ। মীন হচ্ছে মাছ। ২১৫০ খ্রী হতে শুরু হবে নতুন যুগ, The Age of Aquarius, বা কুম্ভ রাশির যুগ। বাইবেলে এই যুগের পরিবর্তন মেটাফোরিক্যালি উল্লেখ আছে। মুসা বা মোজেস সিনাই পর্বত থেকে টেন কমান্ডেন্টস নিয়ে যখন ফির আসলেন, তখ দেখলেন তারঅনুসারীরা একটি সোনার যাড়ের পূজা করছে। এটি দেখে তিনি রাগান্বিত হলেন, এবং ওল্ড টেস্টামেন্ট(তাওরাত)
অনুসারে তার অনুসারীদের আত্নশুদ্ধির জন্যে একে অপরকে হত্যার নির্দেশ দিলেন(এই গল্পটি কুরআনে একটু অন্যভাবে বর্নিত আছে)। এখানে মজার ব্যাপার হচ্ছে মোজেস এসেছিলেন মেষ রাশির শুরুতে। ইহুদী ধর্মেও ভেড়ার একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। উতসবের সময় এখনও ইহুদীরা ভেড়ার শিঙ্গা বাজায়। এবং এর পূর্ববর্তী যুগ হচ্ছে বৃষ রাশির যুগ। যা হচ্ছে ষাড়। তাহলে ষাড়ের পূজার ব্যাপারটা পুরাতন যুগ শেষে নতুন যুগের আগমনের কথাই বলেছে। জেসাসের আগমন ঘটেছে পাইসিস যুগ বা মীন যুগের শুরুতে। এবং বাইবেলেও মাছের অনুষঙ্গটি খুব বেশী। যেমন জেসাস ৫০০০ মানুষকে খাওয়ালেন রুটি এবং দুটি মাছ দ্বারা। এখনও পাশ্চাত্যে মানুষ তার গাড়ির পেছনে জেসাস ফিস লাগিয়ে থাকে। জেসাস মোজেস এর মত রা সবাই সূর্যের রিপ্রেজেন্টেশন। বিভিন্ন এইজের কারনে একবার মোজেস একবার জেসাস বলা হিসেবে ধরা হয়েছে, সেভাবেই পৌরাণিক কাহিনীগুলো লেখা হয়েছে। এই এইজ সম্পর্কে বাইবেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভার্স হচ্ছে লুক(২২:১০)। এখানে শিষ্যদের কখন শেষ পাসওভার হবে এই প্রশ্নের জবাবে জেসাস বলেন:
"Behold, when ye are entered into the city, there
shall a man meet you bearing a pitcher of water...
follow him into the house where he entereth in. "
এবং মীন যুগের পরের যুগ হচ্ছে কুম্ভ যুগ। তাকে ওয়াটার বিয়ারার ও বলা হয়, কারন পৌরাণিক গাথা অনুসারে এই রাশি বসন্তে বৃষ্টি আনে। এবং এর ছবি সবসময় একজন পানির পাত্রবাহক হিসাবে আকা হয়। ভার্সটিতে সেই পানির পাত্রবাহক কে ই অনুসরন করতে বলা হচ্ছে। যা পরবর্তী এইজ যে কুম্ভ হবে সেটারই বিবৃতি।
জেসাসের পুরো চরিত্রটিই এভাবে পৌরাণিক গাথা এবং আ্যাস্ট্রোলজিক্যাল মেটাফোরের সমন্বয়ে তৈরী। তাকে প্রধানত মিশরীয় সূর্য দেবতা হোরাসের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। হোরাসের বিবরন আগের পর্বেই দিয়েছি। হোরাসের যে জীবনকাহিনী মিশরের লুক্সর মন্দিরের দেয়ালে ছবি এবং হায়ারোগ্লিফিক্সে মাধ্যমে খোদাই করা আছে ৩৫০০ বছর আগে থেকে। জুডো ক্রিশ্চিয়ান ধর্মের সাথে মিশরীয় সহ অনেক পেগান ধর্মের অভাবনীয় মিল পাওয়া যায়। ওল্ড টেস্টামেন্টে এরকম উদাহরন আরও আছে। যেমন মহাপ্লাবন এবং নৌয়ার নৌকা। এটি প্রাচীন অনেক ধর্মেই পাওয়া যায়। উদাহরন স্বরুপ গিলগামেশের কাহিনী যা ৪৬০০ বছরের পুরোনো। গিলগামেশের কাহিনীটি ,ওল্ড টেস্টামেন্টের কাহিনীর একেবারেই আইডেন্টিক্যাল। যেমন ঘুঘু পাখি পাঠানোর মাধ্যমে শুকনা যায়গা সন্ধান করা হয়েছিল। আরেকটি গুরুত্বপূর্ন গল্প হচ্ছে মোজেস এর জন্ম কাহিনী।
মোজেস জন্মের পর তার মা শিশু হত্যা থেকে বাচতে একটি ঝুড়িতে করে মোজেসকে নদীতে ভাসিয়ে দেন। তারপর রাজপরিবারের একজন মহিলা তাকে বাচান।
এই গল্পটিও প্রাচীন পেগান ধর্মগুলোতে পাওয়া যায়,যেমন আক্কাদের সারগনকেও
জন্মের পর তার মা শিশু হত্যা থেকে বাচাতে ঝুড়িতে করে পানিতে ভাসিয়ে দেন। তারপর রাজপরিবারের মহিলা আক্কী তাকে বাচিয়ে তোলেন।
সিনাই পর্বতে মোজেস এর টেন কমান্ডেন্টস প্রাপ্তিরও একই অবস্থা। এটিও ওল্ড টেস্টামেন্টের একটি পেগান আ্যাডাপ্টেশন।
যেমন ভারতে মানু এরকম ব্রহ্মা কতৃক নির্দেশাবলী পেয়েছিলেন।
ক্রীটের মিনোস ডিক্টা পাহাড়ে জিউসের কাছ থেকে নির্দেশাবলী পেয়েছিলেন
মিশরে মিসেস পেয়েছিলেন নির্দেশাবলী, এবং মোজেস এর মতই তা পাথরে খোদাই করা ছিল।
আর টেন কমান্ডেন্টস এর পুরোটাই মিশরীয়দের বুক অফ ডেথের ১২৫ নং মন্ত্র থেকে তুলে আনা হয়েছে।
যেমন
বুক অফ ডেথের I have not stolen" ওল্ড টেস্টামেন্টে হয়েছে"Thou shall not steal,"
বুক অফ ডেথের"I have not killed" হয়েছে "Thou shall not kill,"
বুক অফ ডেথের"I have not told lies" হয়েছে "Thou shall not bare
false witness" ইত্যাদি।
প্রাথমিক যুগের খ্রীষ্ঠান ঐতিহাসিক রাও এই পেগান ধর্মের সাথে মিল গুলির ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। যেমন প্রাচীনতম ক্রীশ্চান ঐতিহাসিকদের মাঝে অন্যতম জাস্টিন মারটর লিখেছেন
"যখন আমরা বলি, জেসাস ক্রাইস্ট, আমাদের শিক্ষক, যৌনমিলন ব্যাতিরেকে জন্মেছেন, ক্রুসিফাইড হয়েছিলেন, এবং পুনুরজ্জীবিত হয়েছিলেন, আমরা ভিন্ন কিছু বলি না যা জুপিটারের মানবী প্রনয়ের ফলে সৃষ্ট সন্তানদের সম্পর্কে তাদের বিশ্বাসীরা যা বলে"।
অন্যজায়গায় তিনি গ্রীকদের ক্রিশ্চিয়ানিটির দিকে উদ্বুদ্ধ করতে গিয়ে বলেছেন,
"তিনি জন্মেছিলেন কুমারী মাতা হতে, সুতরাং তাদের এটি বিশ্বাসে অসুবিধা হবে না যেহেতু তারা মেনে নেয় পার্সিউসকে"
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য পার্সিউস , পৌরাণিক গ্রীক বীর,তিনিও কুমারী মাতার সন্তান ছিলেন।
জেসাস ক্রাইস্টের জীবন কাহিনী যেভাবে অলৌকিকতা দিয়ে পরিপূর্ন ,তিনি সত্যিই থাকলে ইতিহাসে তার অসংখ্য উল্লেখ থাকার কথা।
প্রায় ৬০ জন ঐতিহাসিকের লেখা পাওয়া যারা জেসাসের সমসাময়িক, ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার। এর মাঝে ৫৬ জনের লেখায় জেসাসের কোনো উল্লেখ নেই।
বাকি চারজনের প্রথম ৩ জন হচ্ছেন প্লিনি দ্যা ইয়াংগার, স্যুটনিয়াস, ট্যাকটিয়াস।
তাদের লেখায় জেসাস ক্রাইস্ট নামক কোনো ব্যাক্তির কথা বলা নেই। বাইবেলে জেসাসের বর্ননার কিছুই তাদের লেখায় উপস্থিত নেই।
তাদের লেখায় শুধু বারকয়েক "ক্রাইস্ট" শব্দটি উল্লেখ করা আছে। আর শব্দটি দ্বারা ঐ ঐতিহাসিকরা কোনো ব্যাক্তিকে বোঝান নি। ক্রাইস্ট শব্দের শাব্দিক অর্থ তৈলাক্ত ।এই শাব্দিক অর্থেই তারা ব্যবহার করেছেন শব্দটি।
শেষজন হচ্ছে জোসেফাস।গত শতকে যখন নিরিশ্বরবাদী দর্শন তুমুল জনপ্রিয়তা লাভকরেছিল ইউরোপের পন্ডিত সমাজ, তখন চার্চ কতৃক এই ইতিহাসটি প্রচার করা হয়। যেটি গত শতকেই জালিয়াতি হিসেবে প্রমান হয়।ব্লগার বিবর্তনবাদীর কল্যানে আমরা গোয়েবলসীয় পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন। এটি তেমন একটি প্রচেষ্টা ছিল কিন্তু সফল হয় নি।
জুডো ক্রিশ্চিয়ান ধর্ম সম্পূর্নভাবেই পেগান ধর্ম থেকে ধার করা,মূলত মিশরীয় ধর্ম এই দুটি ধর্মকে প্রভাবিত করেছে।এবং মিশরীয় ধর্মকে এই ধর্মদুটোর ভিত্তি বলা যায়।
জেসাস ক্রাইস্ট অন্যান্য পৌরাণিক চরিত্রের মতই একটি মিথ ছাড়া আর কিছুই নয়। এমনকি প্রাথমিক ক্রীশ্চানরাও এটি জানত। পেগান এবং হিব্রুদের অত্যাচারের ফলে অত্যাচারিত রা ক্রীশ্চান হয়ে যায়। এরকম ঘটনা ইতিহাসে বারবার ঘটেছে। যেমন উপমহাদেশে নিম্ন বর্নের হিন্দুরা অত্যাচার হতে বাচতে দলে দলে ইসলাম গ্রহন করেছিল।ধর্মের নামে ছড়ি ঘোরানোর হাত থেকে বাচতে এরকম ঘটনা আগেও ঘটেছে। যেমন মিশরীয় দের ধর্মের অত্যাচারই হিব্রুদের জুডাইজমের দিকে ধাবিত করে। দীর্ঘদিন মিশরীয়দের সংস্পর্শে থাকার কারনেই হিব্রু বা ইহুদী ধর্ম মিশরীয় ধর্ম দ্বারা এতটা প্রভাবিত। রোমান শাসক কন্স্টানটিন খ্রীষ্ঠান ধর্মকে রাজনৈতিক কারনে ব্যবহার করেন তার রাষ্ঠ্রের স্ট্যাবিলাইজেশনের জন্যে। আলেকজান্দ্রিয়াতে ক্রীশ্চান পেগান রায়ট পেগান দের ভালোই ভয় পাইয়ে দিয়েছিল। তাছাড়া খ্রীষ্ঠান ধর্মগুরুরা রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্যে বিশ্বাসীদের লেলিয়ে দিচ্ছিলেন। কনস্টানটিন তাই খ্রীষ্ঠান ধর্মকে সুসংহত করেন। জেসাস ক্রাইস্টের পৌরাণিক গাথাকে ঐতিহাসিক ঘটনায় রুপান্তরের চেষ্টা করা হয়, যাতে বিশ্বাসীদের দলে টানতে একটি শক্তিশালী আধ্যাত্নিক ভিত্তি থাকে। জেসাস ক্রাইস্টের জীবন কাহিনী আর দশটা মিথের মতই বিভিন্ন মানুষের হাতে লেখা হয়েছিল। অনেক আলোচনার পর ৪ টিকে চুড়ান্ত হিসেবে গ্রহন করা হয়। কনস্টানটিনের কল্যানেই ক্রিশ্চিয়ানিটি রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করে, যা মূলত তিনটি চার্চ কেন্দ্রিক ছিল। প্রাথমিক সময়ে ভ্যাটিকান নিরঙ্কুশ ছিলো না। ক্ষমতা সমান ভাবে ভাগ হয়ে তিনটি চার্চের কাছে যেত। একটি ভ্যাটিকান, একটি আলেকজান্দ্রিয়ায় এবং অপরটি বাইজেন্টাইনে। এভাবেই ধর্ম হয়ে পরে রাজনৈতিক হাতিয়ার।
(আমার ইচ্ছাছিলো এই পর্বেই লেখাটির উপসংহার, সেই সাথে সামাজিক পরিমন্ডলে ধর্মের উত্পত্তি ও বিকাশ নিয়ে,যৌক্তিকতা নিয়ে আমার নিজের কিছু ধারনা দিয়ে , শেষ করে দেব। কিন্তু এই পোস্ট টি অনেক বড় হয়ে যাওয়ায়,এই লেখার উপসংহার হবে পরবর্তী পর্ব)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: জোসেফাস এর লেখায় যে গলদ ছিল তা প্রমানিত হয়েছে ১০০ বছর আগে।
লেখক বলেছেন: আর একটি কথা, একটি ব্যাপারে কিন্তু সব স্কলারই একমত,
উইকিপিডিয়া থেকে কোট করছি:
The principal sources of information regarding Jesus' life and teachings are the gospels, especially the synoptic gospels: Mark, Matthew, and Luke. Including the Gospels, there are no surviving historical accounts of Jesus written during his life or within three decades of his crucifixion.
এখন ক্রিশচানরা বর্তমান ইতিহাসবিদ দের দ্বারা প্রমান করার চেষ্টা করেন যে জেসাস ছিলেন। জেসাস ছিলেন না এই তত্বটিকে তারা উড়িয়ে দেন এবং ডেড থিওরী বলেন। এটার একমাত্র কারন হচ্ছে এটি অনেক ভয়ংকর সত্য ,তাই একাডেমিক্যালি এটিকে ভুল প্রমান করার চেষ্টা করেন মুল ধারার অধিকাংশ গবেষক। যেটি সমাজযন্ত্রের দাবী। খুব কম গবেষক ই সাহস করেছেন এই সত্য কে স্বীকার করার।
আপনি উইকিপিডিয়ার এই পেইজটিতে গেলেই দেখবেন যে জেসাসের ছিলেন না এই তত্ব কে বেশিরভাগ মানুষ উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার নাম কোন ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত ছিল না এটা সবাই স্বীকার করবেন। এত আলোড়ন সৃষ্টি কারী ব্যাক্তি ইতিহাসে নেই এটা কি লজিক্যাল?
এখানে দেখুন
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ভ্রু, আমি তোমার সাথে এই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাই, রাজী?
ফালতু মিয়া বলেছেন:
ফালতু, এসব পড়ার সময় কোথায়?
মনজুরুল হক বলেছেন:
ভ্রু ককোনোই রাজি হবেন না। গতকালও দেকেচি। "কম্যু" ব্যাপারাটা শুনলেই কি যেন ঘটে যায় .....@প্রশ্নোত্তর।
লেখক বলেছেন: সেটাই
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
খিকজ্ @ হক সাহেব
মনজুরুল হক বলেছেন:
দেকেন! অসীম ধর্য্য আপনার! আচি ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
এখানে মেষ আর মহিষ কি একই প্রাণী?
লেখক বলেছেন: মেষ রাশির ইংলিশ হচ্ছে Aries ।ডিকশনারি ঘেটে দেখুন Aries মানে কি?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
@আরিফযেইতগেইস্ট মুভিটার লিঙ্কটা কি পোস্টে উল্লেখ করা সম্ভব? অনেকেই তাহলে দেকে নিত পারত! প্রায়ই মানুষ পড়ে যতটা না বুঝে, অডিও-ভিজ্যুয়ালি সেটা তারচেয়ে সহজে বুঝতে পারে।
খুবই প্রয়োজনীয় সিরিজটির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা দিয়ে দিচ্ছি
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
পড়লাম মনোযোগ দিয়ে। রেফারেন্স গুলো পড়া না থাকায় কিছু বলার নাই।
লেখক বলেছেন: পরের পর্বে দেয়া হবে
>>>>>>>>>>>>>>>>
মেষ অর্থ ভেড়া (যতটুকু জানি)। মহিষ নয়।
লেখক বলেছেন: উত্তর দেয়া হয়েছে
লেখক বলেছেন: আর যোডিয়াক এর চিহ্ন গুলো দিচ্ছি, দেখুন তো ওটাতে কোন ভেড়া খুজে পান কিনা?
মহিষটা কিন্তু দেখা যাচ্ছে
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আর এখানে ছবি গুলো ক্রমানুসারে দেয়া আছে(যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে পত্রিকায় আজকের দিন কেমন যাবে টা দেখুন।সেখানে রাশিগুলো বাতসরিক ক্রমে দেয়া থাকে)
Precession of the Equinoxes এর সাইকেলটা সাধারন ইয়ারলি সাইকেলের উল্টা। দেখুন ছবিতে উল্টা করে গেলে ষাড়ের পর মহিষ তার পর মাছের ছবি দেখা যাচ্ছে
লুকার বলেছেন:
ক্রুসে গেঁথে যিশুকে হত্যা করা হয়েছিল। একটা চল ছিল ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যার। স্পার্টাকাসের সময়েও হয়েছে।
নূহের প্লাবন, মূসার নীলনদ পার হওয়া- সবটাই মিথ নয়, কিছু ঐতিহাসিক সত্যতা আছে। যা পরে অতিমাত্রায় অতিরঞ্জিত হয়েছে ও অলৌকিক ঘটনায় রূপ দেয়া হয়েছে।
১২ রাশির ধারণা কোত্থেকে কাদের মাধ্যমে এল, উৎস কি, সে বিষয়ে কিছু লিখবেন।
লেখক বলেছেন: ১২ রাশির ধারণা কোত্থেকে কাদের মাধ্যমে এল, উৎস কি, সে বিষয়ে কিছু লিখবেন।
----------------------------..>>>>>>>>>>>
ভালো প্রশ্ন করেছেন,এটার সঠিকভাবে দিতে পারছি না। তবে আকাশ পর্যবেক্ষন মানুষের সভ্যতার মতই পুরাতন এতটুকু জানি,আমি এবিষয়ে একটু জেনে আপনাকে জানাচ্ছি। অপেক্ষা করানোর জন্যে ধণ্যবাদ।
আর নুহের প্লাবন বা নীলনদ পেড়োনো ঐতিহাসিক সত্যতা সরাসরি দেখি নাই কোথাও,এটা নিয়ে একটু খুলে বললে উপকৃত হতাম।আমি জানতে চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: মিশরীয়দের এই ধারনা ছিল। তার আগে কারও ছিল কিনা এটা এই মুহুর্তে বলতে পারছি না।
প্রথমে তারা চাণ্দ্র পন্জিকা উদ্ভাবন করে,
পর লুব্ধক নক্ষত্রের আবির্ভাব কাল পর্যবেক্ষন করে সৌর পন্জিকা তৈরী করে। এই সৌর পন্জিকা সম্পূর্নভাবে রাশি ভিত্তিক ছিল।এতে বারো মাস ছিল। প্রতিটি মাস ৩০ দিনের। এতে অবশিষ্ঠ ৫ দিন তারা প্রতি বছরের শেষে যোগ করে দিত। ঐ ৫ দিন কে তারা উতসবের দিন হিসেবে পালন করত। তবে তাদের সৌর পন্জিকায় ত্রুটি ছিল ।সেটা হচ্ছে প্রতি চার বছরে একদিন বেড়ে যাওয়া। এজন্যেই তারা প্রতি চার বছর পরপর একদিন যোগ করত।লিপ ইয়ারের ধারনা তারাই গোড়াপত্তন করে। এটি তারা করেছিল প্রাক রাজবংশীয় যুগে ৪২৪১ খ্রী পূ। বোঝাই যাচ্ছে কতটা আগেই মানুষ আকাশে সূর্য এবং নক্ষত্রের গতিবিধি অনুধাবনে সক্ষম হয়।
(সভ্যতার ইতিহাস পৃ: ১২৩,ড: দেলোয়ার হোসেন)
মাহিরাহি বলেছেন:
আমি মুর্খ একজন মানুষআপনাকে কয়টা প্রশ্ন করি উত্তর দিলেই হল
পৃথিবী সৃষ্টির সবচাইতে সমর্থিত মতবাদ কি বিগ ব্যাং
বিগ ব্যাংগ কি বলে শুন্য থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে?
তাই যদি হয় শুন্য থেকে উট, সুচ যাবতীয় সবকিছুই সৃষ্টি হওয়ার কথা
আর শুন্য থেকেই সবকিছুই সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে যাবতীয় নিয়মাবলীর (মধ্যাকর্ষন. হাবিজাবি) আদিতে আসলে কোন নিয়ম কানুনই ছিল না।
তার মানে উটের মধ্যে সূচ কিংবা সূচের মধ্যে উট বড় ব্যপার না, যদি আপনি প্রথমেই একজন শ্রষ্টাতে বিশ্বাস করেন। যিনি শুন্য থেকে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, এমনকি সব নিয়ম কানুনও। আর উনি যদি শুন্য থেকে সব নিয়ম কানুন সৃষ্টি করে থাকেন তবে কোন তার কোন নিয়ম ভাংতে অসুবিধা কি?
লেখক বলেছেন: জাম্প করে কনক্লুশানে চলে গেলেন, এই ব্লগে আমি ১বছর ২ মাস যাবত লেখছি, একটি উদাহরন দেখান যেখানে আমি বলেছি স্রষ্টা নেই.....পোস্ট বুঝে তারপর মন্তব্য করুন
তবে যে ব্যাপারটায় আপনাকে আরো মনোযোগী হতে হবে, সেটা হলো এরকম তুলনামূলক আলোচনায় উপসংহার টানার ক্ষেত্রে যে দুটো ধর্মের তুলনা করছেন তাদের স্ক্রিপ্টের ফিজিকাল অথেনটিকেশন ... মানে ধরুন, 'ক' ধর্মে একটি ঘটনার বর্ণিত ঘটনার সময়কাল ৫০০ বছর আগে, আর 'খ' ধর্মে বর্ণিত একই ঘটনার সময়কাল হলো ১০০০ বছর আগে ... সেক্ষেত্রে, আমরা স্বাভাবিকভাবে ধরে নেব যে 'ক' ধর্ম 'খ' ধর্ম হতে ঘটনাটা নকল করেছে
কিন্তু এটা পুরোপুরি ডিটারমিনিস্টিক সিনারিও না ... কারণ শুধু বর্ণনার উপর ভরসা করা যাবেনা এই জন্য যে বর্ণনাটা আসলে কবে বর্ণিত হয়েছে সেটা আমরা এই সিনারিওতে এখনও জানিনা
তাই চেক করতে হবে 'ক' ধর্মের ক্ষেত্রে এই ঘটনার পুরাতনতম বর্ণনা কত বছর আগের স্ক্রিপ্টে (কার্বন ডেটিং বা অন্য বেটার যেকোন উপায়েই হোক) পাওয়া গেছে, এবং একই ব্যাপার 'খ' ধর্মের ক্ষেত্রেও বিচার করতে হবে ... তখন যদি দেখা যায় পুরাতনতম স্ক্রিপ্টটা 'ক' এর বেলা ৪০০ বছর আগে, এবং 'খ' এর বেলা ৩০০ বছর আগে -- তাহলে কিন্তু এটা বলারও সুযোগ চলে আসে যে 'খ' এর লিপিকার ৩০০ বছর আগে 'ক' এর লিপি থেকে কপি করেছেন
যেমন, আপনি উপরে বললেন, মিশরীয় বুক অভ ডেথের কোন এক চ্যাপ্টার থেকে ইহুদীদের টেন কমান্ডমেন্টস কপি করা ... টেন কমান্ডমেন্টসের প্রাপ্ত পুরাতনতম লিপি কত বছর আগের আমি জানিনা, তবে এটুকু জানি যে টলেমীর আমলে বুক অভ ডেথের প্রচুর পরিবর্তন হয়েছে, প্রচুর মডিফিকেশন হয়েছে ... কাজেই তখন যে মোজেসের টেন কমান্ডমেন্টকে কপি করে বুক অভ ডেথে ঢোকানো হয়নি সেটার নিশ্চয়তা কি?
যেমন বুক অভ ডেথ সম্পর্কে এটাও বলা হয় যে এটার কনটেন্ট কখনই কনস্ট্যান্ট ছিলোনা ... ধনী ধনী ব্যক্তিরা পয়সা খরচ করে লিপিকারকে দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো ভার্স যোগ-বিয়োগ করিয়ে নিতো ... এটা কোন প্রমাণ বই না, এটা ব্যক্তি নিয়ে যেত মৃত্যুর পর কফিনে করে ... পরকালের দিকনির্দেশিকা হিসেবে
আপনার লেখাগুলো রেফারেন্স উল্লেখ করলে খুশী হবো, আরো প্রাণবন্ত হবে সিরিজটা
আর আপনার উপসংহারটা পড়ার অপেক্ষায় তো আছিই
আরেকটা কমেন্ট:
আগের পর্বটার ক্রস অভ জোডিয়াক আর যীশুর নানান তথ্যের মাঝের যোগসূত্র বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে ... কিন্তু এবারের ইহুদীদের মহিযের শিং, যীশুর মাছ খাওয়ানো এগুলোকে একেবারে মেষের যুগ আর মীনের যুগের সাথে যোগসূত্র হিসেবে উপস্থাপনটা অনেকটা উপরের সূঁচের ভেতর দিয়ে উট/মিরাজের ঘটনার সাথে বিজ্ঙানের যোগসূত্র স্থাপনের মতোই একটু গায়ের জোরে করেছেন বলে প্রতিভাত হচ্ছে
লেখক বলেছেন: হোরাসের কাহিনী কিন্তু হিব্রু দের ধর্মতত্বের চেয়ে পুরোনো। এটা ভেরিফাই করা যায়,কারন মিশরীয় টেম্পল,পিরামিড গুলো দাড়িয়ে আছে আর হিব্রুদের সভ্যতার অনেক কিছুই পাওয়া যায়।আমি আমার শেলফে সভ্যতার ইতিহাস বইটা খুজে পাচ্ছি না। আমি একটু পর তথ্য গুলো দিনতারিখ সহ দিয়ে যাব, অপেক্ষা করুন।
লেখক বলেছেন: বইটা খুজে পাইছি
(দুটো পর্বেই আপনি প্রশ্ন রেখেছেন,আমি দুটোর উত্তর একসাথে দিচ্ছি)
বই থেকে উদ্ধৃত করার আগে কিছু লজিক্যাল বিষয়ের অবতারনা করা জরুরী।
হিব্রুরা মিশর থেকে চলে গিয়েই হিব্রু সভ্যতার গোড়াপত্তন করে। সুতরাং হিব্রুরা দীর্ঘদিন মিশরীয়দের সাহচর্যে ছিল। যে কারনে মিশরীয়দের অনেক কিছু তাদের আ্যাডপ্ট করা অসম্ভব কিছু না।
হোরাসের যে কাহিনীটা বলেছি সেটা একুরেট। কারন সেটা এখনও আছে, সেটা নেয়া হয়েছে মিশরের লুক্সর মন্দিরের দেয়াল থেকে। সেই ছবিগুলোর কার্বন ডেটিং এর বয়স ৩৫০০ বছর। অন্যদিকে হিব্রুদের সভ্যতার সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শনটির বয়স ২০২৫ বছর। রাজা সাউল হচ্ছেন সবচেয়ে পুরাতন হিব্রুদের রাজা। তার আগে হিব্রুরা ঐক্যবদ্ধ ছিল না। হিব্রু ধর্মের নিদর্শন গুলো আরো নতুন। এই প্রসঙ্গে আবার ফিরে আসছি।
মুসার আবির্ভাব খ্রী পূ ১২৫০ এর দিকে। ওল্ড টেস্টামেন্ট হতে এরকমই ধারনা পাওয়া যায়। এখানেও মুসার আবির্ভাবের ঐতিহাসিক কোনো প্রমান নেই। গবেষনা মূলত ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকেই করতে হয়। তবে মুসার প্রবর্তিত ধর্ম অর্থাত জেহোভার উপাসনালয় গুলোর বয়স থেকেই মুসার আবির্ভাবের সময়টি ধারনা করা হয়। এখানে আবারও ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং ইতিহাস মুখোমুখি দাড়ায়। কারন ওল্ড টেস্টামেন্টে মিশর থেকে চলে আসা ইহুদীদের দ্বারাই হিব্রু রাজ্য গড়ে উঠে এরকম ধারনা পাওয়া যায়। কিন্তু মুসার আনুমানিক আগমনকালের আগে থেকেই হিব্রু রাজ্য বিদ্যমান ছিল। যদি যুদ্ধ করে হিব্রুদের বন্দী করা হয়েছিল এই কন্সেপ্ট গ্রহন করি তাহলেও সমস্যা। কারন এই সময় মিশরীয় দের মধ্য রাজবংশের যুগ চলছিল এবং তাদের হিব্রুদের সাথে যুদ্ধের কোন রেকর্ড দেখলাম না।
টেন কমান্ডমেন্টস নিয়ে একটু সমস্যা আছে। দশটি আদেশ একেবারে এসেছিল কিনা তা নিয়ে গবেষকদের মাঝে মতদ্বৈততা আছে। মুসার সময় কিছু কিছু নির্দেশ জারি হলেও বাকি গুলো আরও পরে এসেছে। টেন কমান্ডমেন্টস(দশটি একসাথে) এর সবচেয়ে পুরাতন ম্যানুস্ক্রীপ্ট যেটা পাওয়া গেছে সেটার নাম ন্যাশ প্যাপিরাস। সেটি ১৫০-১০০ খ্রী পূ সময়কার। আরেকটি বিষয় হচ্ছে প্রাচীন হিব্রু উপাসনালয়গুলোতে টেন কমান্ডমেন্টস কখোনই দশটি একসাথে দেখা যায় নি। তাছাড়া মোজেস এর সময়কালের ঈশ্বরের ধারনা পরবর্তীকালে পরিবর্তন হয়ে যায় ফলে টেন কমান্ডমেন্টস এর চতুর্থ ধারায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়,
বর্তমানে চতুর্থ ধারাটি হচ্ছে
You shall not make for yourself an idol, whether in the form of anything that is in heaven above, or that is on the earth beneath, or that is in the water under the earth.
এখন জিহোভার এই নিরাকার ধারনা কিন্তু মোজেস কতৃক প্রচারিত হয় নি, এমনকি মোজেস এর সময়কালীন জিহোভা ছাড়াও আরও কিছু দেব দেবীর উপাসনা করা হত। আমেরিকান ঐতিহাসিক জন ব্রাইট মন্তব্য করেন
"যদিও মোজেস প্রচলিত দেবতাদের অস্বীকার করেন নি, কিন্তু সুকৌশলে তাদের পদমর্যাদা অস্বীকার করেছেন"
নিরাকার ঈস্বরের ধারনা প্রথম নিয়ে আসেন ধর্ম সংস্কারক আমোস (এ প্রসঙ্গে ইয়াহিয়া , হোসিয়া এবং মিকাহ এর অবদানও উল্লেখযোগ্য) প্রথম নিরাকার ধারনার প্রবক্তা। মুসার জিহোভা অনেকটা জিউসের মত। তবে আরও শক্তিশালী এবং মানবীয় পার্সোনিফিকেশন হতে মুক্ত। আমোস এর আগে ইহুদীরা জিহোভাকে নিরাকার ভাবত না। তবে তার আমলেও ইহুদী ধর্মপুরোপুরি একেশ্বরবাদী হয় নি। কেনানাইটদের দেবতার পূজাও হত। ইহুদী ধর্মকে পুরোপুরি নিরাকার একেশ্বরবাদীতে পরিনত করেন যিরিমিয়াহ(৬২৫ - ৫৮৬ খ্রী পূ)।
আর বুক অফ ডেথ কিন্তু একটি ছিল না। মৃত ব্যাক্তিদের মমির সাথে পুরোহিতরা মন্ত্র লেখা প্যাপিরাস রাখতেন। সেগুলোর সংকলনই বুক অফ ডেথ। এগুলো মিশরের পিরামিড থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নতুন রাজবংশের আগে বুক অফ ডেথ সংকলিত ও স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয় নি । তবে বুক অফ ডেথের আরো পুরাতন বিক্ষিপ্ত প্যাপিরাস পিরামিড গুলোতে পাওয়া যায়।
এখন নতুন রাজবংশের সময়কাল দেখুন:
১৫৭৩-৩৩২ খ্রী .পূ. নতুন রাজবংশ কিন্তু মোজেসের আগমন থেকে তো অবশ্যই হিব্রু সভ্যতার চেয়েও পুরাতন। ফারাও চতুর্থ আমহোটেপ এর সময় এই সংকলন হয়। আমোন হোটেপের রাজত্বকাল ১৩৭৫ থেকে ১৩৫৮ খ্রী পু। তাহলে এটা দাড়াচ্ছে যে
মোজেস আসবার আগেই, এমনকি প্রথম ঐক্যবদ্ধ হিব্রু রাজার আগেই বুক অফ ডেথ সংকলিত হয়েছে
এখন পর্যন্ত সম্পূর্ন ভাবে সংকলিত অবস্থায় পাওয়া গেছে এরকম সবচেয়ে পুরাতন বুক অফ ডেথের নাম প্যাপিরাস অফ আনি। ২৪০ খ্রী পূ।
তাহলে পাওয়া গেছে এবং সংকলিত অবস্থায় এরকম বুক অফ ডেথও ,সংকলিত টেন কমান্ডমেন্টস এর চেয়ে পুরোনো। যদি সংকলন কাল কে ধরি তাহলেও বুক অফ ডেথ মুসার চেয়ে পুরোনো।
তথ্যসুত্র:
সভ্যতার ইতিহাস-ড: দেলোয়ার হোসেন
উইকিপিডিয়া(ট্যাব গুলা ভুলে বন্ধ করে ফেলছি, একটু কষ্ট করে টেন কমান্ডমেন্টস সার্চ দিয়েন,অবশ্য তথ্য খুব বেশী ব্যাবহার করি নাই ঐখান থেকে,বই থেকেই বেশীর ভাগ আসছে।)
আর http://www.aldokkan.com এখানে বুক অফ ডেথ সম্পর্কে তথ্য পাবেন
লেখক বলেছেন: একটু ভুল হয়েছে, প্রথম দিকে আমি একজায়গায় হিব্রুদের সমসাময়িক হিসেবে মধ্য রাজবংশ বলেছি, নতুন রাজবংশ হবে।
লেখক বলেছেন: আর জোর করে মেলানোর যে প্রসঙ্গটার কথা বললেন,
আমি নিজেও এই ব্যাপারটি পোস্টে অন্তর্ভুক্ত করবো কি না সেটা নিয়ে সন্দেহে ছিলাম।
কিন্তু খেয়াল করুন
মোজেস এর আগমন একজ্যাক্টলি এইজ অফ এরিস এর সময় হয়েছে, জেসাসেরটাও একজ্যাক্টলি এইজ অফ পাইসিস এর সময় হয়েছে, মুসার আগের এইজটার সিম্বল ষাড় এবং মুসাও ষাড় দেখে রেগে গেলেন, জেসাস লাস্ট পাসওভারের স্থান জানতে চাইলে তিনি পানির পাত্র ওয়ালা একজন মানউষের কথা বলছেন এবং তার পরের এইজের সিম্বল পানির পাত্রওয়ালা মানুষ,
এবং তার ভক্তদের বলছেন
"I will be with you even to the end
of the world. "(ম্যাথিউ ২৮:২০) এখানে একটু বলা প্রয়োজন এখানে বাইবেলের কিংস জেমস ভার্সন ব্যবহার করা হয়েছে ,সবজায়গায় এখন হয়। এবং এখানে ওয়ার্ল্ড শব্দটি একটি মিসট্রান্সেলশন ,একচুয়াল শব্দটি ছিল aeon যার অর্থ এইজ।
অনেক বেশী কাকতালীয় ঘটনা হয়ে গেল না?
মনজুরুল হক বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা 'র আলোচনাটা পরিশ্রমী। বুদ্ধিদীপ্ত।
সময়কাল একটা অতি বিব্যে বিষয়। আশা করব আরিফ তার শেষ পর্বে পুরো বিষয়টার কনক্ল্যুশন টানবেন,এবং সেখানে এই তুল্য বিচারটারও বিস্তারিত এসে যাবে।রচনার ধারা দেখে মনে হচ্ছে সেটা আসবে।
ধন্যবাদ সকল আলোচনাকারী এবং পরিশ্রমী লেখককে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ,কয়েকদিন ধরে খাটতেছি এই লেখাটা নিয়ে।
মনজুরুল হক বলেছেন:
না ভাই ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান। কাইলকার পোস্টেও ছিল না। কিন্তু আপনি আইসাই দেকলাম কম্যু'রে মাইরা সেই লাশের কফিনে পেরেক ঠুইকা দিলেন!
মনজুরুল হক বলেছেন:
সংশোধনঃ ১৫ নম্বর মন্তব্যঃ "বিব্যে" > বিবেচ্য।
আপনি লিখেছেন "মেষ হচ্ছে মহিষ"। আমি বলেছি "মেষ" অর্থ "ভেড়া"। বাংলা মেষ নিয়ে কথা হচ্ছে। আপনি ইংরেজী "Aries" কে টেনে আনছেন কেন? "Aries" এর বাংলা অনুবাদ "মেষ" নয়। আর "মেষ" এর ইংরেজী অর্থ "Aries" নয়। দুইটাই দুইভাষঅয় নাম। ইংরেজীতে "Aries" কয়। আর বাংলায় সেইটারে "মেষ" নাম দিছে।
বাংলা "মেষ" শব্দের অর্থ "ভেড়া"। বাংলা একাডেমীর ডিকশনারী ঘাইটা দেইখা লন গিয়া।
নীচে একটা অনলাইন অভীধান থেকে উদ্ধুতি দিলাম। (সংসদ বাংলা অভিধান।)
তবে পুস্টে আপনার গিয়ান দেইখা মুগধো হইলাম।

>>>>>>>>>>>>>>>>
মেষ বি. 1 ভেড়া, মেড়া ('মানুষ আমরা, নহি ত মেষ': দ্বি. রা.); 2 (জ্যোতিষ.) রাশিচক্রের প্রথম রাশি; 3 (আল.) ভেড়ার মতো নিরীহ ও নিস্তেজ ব্যক্তি। [সং. √ + অ]। স্ত্রী. মেষী। ̃ .চারণ বি. ভেড়া চরানো। ̃ .পালন বি. অনেকসংখ্যক ভেড়া ব্যবসায়ের জন্য পালন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেবার জন্যে ,আমি যোডিয়াক চিহ্নটা দেখে ওটাকে মহিষ ভেবেছিলাম।
ওটাকে আসলেই মহিষের মত লাগে .....আসলে এরকম সিং ওয়ালা ভেড়া দেখি নাই তো। আমি আমার সোর্সে বাক্যটা এভাবে লেখা আছে,
The reality is that the golden bull
is Taurus the Bull, and Moses represents the new
Age of Aries the Ram.
This is why Jews even today still blow the Ram's
horn.
আমি অনুবাদে ভুল করেছি এজন্যে ক্ষমা চাচ্ছি।
তবে এই শব্দার্থের সমস্যা ছাড়া আর কোন মন্তব্য নেই?
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে যেহেতু ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি সেহেতু এখন পোস্ট টা এডিট করে দিলে আপনি আবার জালিয়াতির অভিযোগ তুলবেন না তো?
আর ওটা মহিষ হোক আর ভেড়া হোক, তাতে কিন্তু পোস্টের মুলভাবের কোন পরিবর্তন ঘটে না,এটা স্বীকার করবেন তো?
আমি তথ্য ম্যানিপুলেট করি নি অনুবাদে ভুল করেছি। আর ইহুদীরা যে আসলেই ram এর শিং ব্যবহার করেন তা জানার জন্যে একটু কস্ট করে উইকিপিডিয়াতে জিউইশ লিখে সার্চ দিন।
Aries (n.) A battering-ram.
Aries (n.) A constellation west of Taurus, drawn on the celestial globe in the figure of a ram.
Aries (n.) The Ram; the first of the twelve signs in the zodiac, which the sun enters at the vernal equinox, about the 21st of March.
বাকীটা দেইখা লন এইখানে গিয়া
http://dictionary.reference.com/browse/Aries
কোথাও তো মইষের নাম গন্ধ পাইলাম না


বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সরি তুহিন সাহেব আমিও কোন ডিক্শনারীতে Aries অর্থ মহিষ বা ঐ রিলেটেড কিছু পেলাম না। সব খানেই Ram দেখলাম।
লেখক বলেছেন: উত্তর দিয়েছি, আমার অনুবাদে ভুল ছিল।
লেখক বলেছেন: কোনো মন্তব্য নেই?![]()
লেখক বলেছেন: কোনো মন্তব্য নেই?![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আর এই মিথ, গালগল্পগুলা কোরান তথা মুসলমানরাদেরও উত্তরাধিকারসূত্রে ঈমানী সম্পদ।
লেখক বলেছেন: নাহ......চাদে মানুষ নিয়া নাকি?
লেখক বলেছেন: না দেখি নাই, দেখার ট্রাই করব
লুকার বলেছেন:
@পোস্টদাতা
পঞ্জিকার ইতিহাস জানতে চাই নাইরে ভাই।
রাশিচক্রের মত সর্বগ্রাসী গাঞ্জাখুরী ধারণা কোত্থেকে আইল সেইটা জিগাইছি। জ্যোতির্বিদ্যা না, জ্যোতিষবিদ্যা।
আর আমারে যেইটা জিগাইছেন, সেইগুলা বিভিন্ন বইয়ে পড়ছি, ডকুমেন্টারিতেও দেখছি। কিন্তু নাম মনে রাখি নাই। কোন কোন ঘটনার কিছু এদিক-ওদিক বর্ণনা এতসব সূত্র থেইকা পাওয়া যায় যে মনে করা যাইতে পারে, কিছু একটা ঘটছিল। সেটা হয়তো স্থানীয় ঘটনা, কিন্তু তখনকার মানুষের সীমিত ভৌগলিক জ্ঞানে এবং ভক্তকূলের রং চড়ানোর ফলে তা হাজার বছরে দুনিয়াব্যাপী বিশাল কাহিনীতে রূপ নিছে। এইসবের ঐতিহাসিক ভিত্তি নয়া কিছু গবেষণাও হইছে।
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা এটা বলতে পারব না,আর্যদের মাঝে প্রচলিত ছিল,চীনারাও এটা বের করেছিল। তবে চীনাদের রাশিগুলো একটু অন্যরকম ছিল।মিশরেও পুরোহিতরা ভবিষ্যত গুনতেন
রবিন০৪ বলেছেন:
দ্বিতীয়নাম@ আর এই মিথ, গালগল্পগুলা কোরান তথা মুসলমানরাদেরও উত্তরাধিকারসূত্রে ঈমানী সম্পদ।সত্য কথা। যীশু না থাকলে হযরত মোহাম্মদ্ও মনে হয় এক প্রকার মিথ। কারণ একটার সাথে আর একটার সর্ম্পক আছে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
অসাধারণ.......
আপাতত একটি বইয়ের নাম পেলাম- সভ্যতার ইতিহাস,- ড: দেলোয়ার হোসেন, এবং কষ্টের কথা- এটি আমার ব্যক্তিগত পাঠাগারে নেই, আশা করছি শীঘ্রই এই বইটির পদধুলি পড়বে (প্রকাশনী বা প্রাপ্তিস্থান জানিয়ে কি বাধিত করবেন?)। তবে বাকি সূত্রগুলোর জন্য এখনও অপেক্ষায় আছি।
যেহেতু পুরো আলোচনা এখন শেষ হয়নি- সেহেতু বেশী কিছু এবারো বলছি না, তবে কেন জানি মনে হচ্ছে একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে।
"আপনি উইকিপিডিয়ার এই পেইজটিতে গেলেই দেখবেন যে জেসাসের ছিলেন না এই তত্ব কে বেশিরভাগ মানুষ উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার নাম কোন ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত ছিল না এটা সবাই স্বীকার করবেন। এত আলোড়ন সৃষ্টি কারী ব্যাক্তি ইতিহাসে নেই এটা কি লজিক্যাল?" শুধু এতটুকুতেই এত আলোড়ন সৃষ্টকারী ব্যক্তি আদপে ছিলেন না বলে রায় দেয়াটাকেও লজিক্যল মনে হয় না।
গসপেল গুলোর ইতিহাস, সেগুলোতে আসা জেসাস সম্পর্কিত তথ্য, জেসাসের কর্মস্থল, সময়, সেই স্থানে ও সেই আমলে গসপেলে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ..... প্রভৃতিকে যদি প্রাপ্ত অন্যান্য ইতিহাসের সাথে মিলিয়ে দেখা যায়- তবে কি পাওয়া যায়; অসঙ্গতি ধরা পড়লে সেগুলো কোন মাত্রার..... ইত্যাদি।
ইতিহাসের কোন একজন চরিত্রকে মিথ্যা দিয়ে কি তৈরী করা সম্ভব? এই প্রশ্নটিই খুব করে বাজতেছে।
লেখক বলেছেন: একই প্রবলেম কিন্তু মোজেস এর অস্তিত্ব নিয়েও। তার আগের রাজা সাউলের ইতিহাস আছে, ডেভিডের ইতিহাস আছে কিন্তু মোজেসের টা তে ফাক আবার তার পরে সলোমনের ইতিহাস আছে।
গসপেলের সবচেয়ে বড় গলদ সেগুলো জেসাসের দাবীকৃত অন্তর্ধানের অনেক বছর পর লেখা। এবং অধিকাংশ গসপেলই তীব্র পরস্পরবিরোধীতায় পরিপূর্ন ছিলো। সেগুলো থেকে মোটা মুটি একরকম চারটাকে নানা রকম কাট ছাট করে রোমান সম্রাট কনস্টানটিনের সময় বর্তমানটার কাছাকাছি নিউ টেস্টামেন্ট দাড় করা হয়।
আর বইটা নীলক্ষেত থেকে কিনেছিলাম।বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনীর
লেখক বলেছেন: "ইতিহাসের কোন একজন চরিত্রকে মিথ্যা দিয়ে কি তৈরী করা সম্ভব? এই প্রশ্নটিই খুব করে বাজতেছে।"
গসপেলের ঐতিহাসিকতার কিছু সমস্যা আমি খুজে পেয়েছিলাম, আমার ডাইরীতে লেখা ছিল কিছু, ...আমি খুজে এখানে কমেন্টে দিয়ে যাব।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
১। চারটি গসপেলই (বা অন্যগুলোও) কি অনেক পরে লিখিত? অনেক পরে মানে আনুমানিক কত বছর?
২। ২১৫০ না-কি ১২৫০? আপনার থেকেই কোট করছি.......
কিন্তু খেয়াল করুন মোজেস এর আগমন একজ্যাক্টলি এইজ অফ এরিস এর সময় হয়েছে, জেসাসেরটাও একজ্যাক্টলি এইজ অফ পাইসিস এর সময় হয়েছে,..... ...... মুসার আবির্ভাব খ্রী পূ ১২৫০ এর দিকে। ওল্ড টেস্টামেন্ট হতে এরকমই ধারনা পাওয়া যায়। ....... খ্রী পূ ২১৫০ হতে ১ খ্রী হচ্ছে Age of Aries অথবা মেষ রাশির যুগ। মেষ হচ্ছে ভেড়া। ১ খ্রী হতে ২১৫০ খ্রী হচ্ছে Age of Pisces, বা মীন রাশির যুগ। মীন হচ্ছে মাছ। ২১৫০ খ্রী হতে শুরু হবে নতুন যুগ, The Age of Aquarius, বা কুম্ভ রাশির যুগ।
লেখক বলেছেন: ১২৫০ খ্রী পূ কারেক্ট। ঐ খানে একজাক্টলি শব্দটা ব্যবহার করাটা ভুল হয়ে গেছে,তবে যুক্তিটা ছিল সময়কালের। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে কাকতালীয় ব্যাপার নিয়ে সিদ্ধান্ত টানা পছন্দ করি না,আমি অনেকটাই কনফিউজড ছিলাম এই এইজের ব্যাপারটা কে যুক্তি হিসেবে গ্রহন করবো কি না।
হ্যা চারটাই পরে লেখা হয়েছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত ।দাবী করা হয় তারা ১০০ ক্রীষ্টাব্দের কাছাকাছি লেখা হয়েছিল। কিন্ত ১৫০ শতকের আগে সেগুলো মানুষের কাছে প্রচলিত ছিল এরকম কোন প্রমান নেই। ১৮০ শতকের দিকে গসপেলগুলো সংকলিত হতে থাকে। এর আগে বিভিন্ন গসপেলগুলো বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যেত।
আমার কাছে বাইবেলের ইতিহাস নিয়ে একটা পিডিএফ আছে আমার পেনড্রাইভে। ওটা দেখে আপনাকে আরও সঠিকভাবে তথ্য টা কমেন্টে দিয়ে দিব
রোমান সম্রাট কন্সটান্তিনের সময় অন্য গস্পেল গুলো অধিকাংশই পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। দুই একটা হয়ত পরবর্তীতে পাওয়া গিয়েছিল,না দেখে এখন বলতে পারছি না।
তবে কোনো গসপেলই ৭০ খ্রী এর আগে লেখা হয় নি এটা প্রমানিত।
আর ঐ সময়ে জেসাসকে ঐতিহাসিক চরিত্র ভাবাও হত না। এই আরোপিত ঐতিহাসিকতা কিন্তু কনস্টানটিনের সময়ের সেইন্ট দের অবদান
লেখক বলেছেন: গসপেল সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য
অন্যান্য সুসমাচার গুলো যেহেতু সংকলিত হয় নি আলোচনা করা যেতে পারে প্রমান্য চারটি সুসমাচার দিয়েই।
এর আগে সেন্ট পল বা জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটির ব্যাপারে একটু ভুমিকা প্রয়োজন।
দ্বিতীয় শতকে সেন্ট অগাস্টিন সুসমাচার সমুহ কে প্রত্যক্ষদর্শীদের লেখা বলে দাবী করেছইলেন। এই দাবীর পেছনে যৌক্তিকতা অবশ্য শূন্যের কাছাকাছি। এমনকি সুসমাচার গুলোর মাঝেই তথ্যের বৈপরিত্য আছে। এই দাবীর ফলে আরেকটি প্রশ্ন এসে যায় মার্ক।মথি,লুক,যোহান এরা কারা?
তাদের সম্পর্কে ঐ সময়ে যে পরিচয় তুলে ধরা হয়েছিল সেগুলো একটু উল্লেখ করি,
মথির সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি ক্যাফারনমের টোলঘরের কাস্টম অফিসার ছিলেন। তিনি আরোমিক এবং গ্রীক উভয় ভাষা জানতেন। লুকের সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি এখজন জনপ্রিয় চিকিতসক। আর যোহান সম্পর্কে বলা হয়েছে তিনি গালীলী সমুদ্রের জেলে জেবেদীর পুত্র।
অথচ আধুনিক গবেষনায় দেখা যাচ্ছে এই দাবীগুলো আদৌ সত্য নয়।
এবং খ্রীষ্ট ধর্ম জেসাসের অন্তর্ধানের পর যেভাবে চলেছিল বলে ধারনা করা হয়েছিল সেভাবে চলে নাই। দ্বিতীয় শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত দুটি গোস্ঠীর মাঝে তীব্র সংঘাত ছিল। একটি হচ্ছে জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটি অপরটি পোলপন্থী ক্রীশ্চিয়ানিটি।
জুডিও ক্রীশ্চান গোত্র তাদের জন্যে যে সুসমাচার রচনা করে সেগুলো হচ্ছে ক্লেমেন্টর সুসমাচার, টমাসের সুসমাচার (এ নিউ প্রেজেন্টেশন অফ দি অরিজিনস অফ ক্রিশ্চিয়ানিটি:জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটি , কার্ডিন্যাল ড্যানিয়েলু)। এসব সুসমাচারকে বলা হয় এপোক্রাইফা। জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটি তখন প্রভাবশালী মতবাদ ছিলো। গালাতিয়া, করিন্থ, রোম ,এন্টিয়ক ,ফ্রিজিয়াতে জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটি ব্যাপক প্রসার লাভ করে। কার্ডিনাল ড্যানিয়েলুর একটি উদ্ধৃতি এখানে দেয়া প্রয়োজন
'১৪০ খ্রীষ্টাব্দে ইহুদীদের বিদ্রোহের' আগে জুডিও ক্রিশ্চয়ানিটি মতবাদই প্রভাবশালী ছিল।'
৭০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে বর্তমান সুসমাচারগুলো লেখা শুরু হয়। এবং এই সুসমাচার গুলো লেখাই হয়েছিল বিরাজমান সংঘাত মোকাবেলা করার একটি নিমিত্ত হিসেবে। একারনেই সম্ভবত এই সুসমাচার গুলোতে ইহুদী বিদ্বেষ প্রবল। কারন জুডিও ক্রিশ্চিয়ানিটি মতবাদ ইহুদীদের অনেক কিছু গ্রহন করেছিল। আর পোলপন্থীরা রাজনৈতিক অধিকার লাভের জন্যে ইহুদীদের সংস্পর্শ থেকে দুরে যেতে চেয়েছিল। সেটাই স্পিরিচুয়ালি ইহুদীকে মাইনাস করার প্রবনতা থেকে এই সুসমাচারের জন্ম। এরকম উদ্দেশ্যমুলক লেখায় সত্যের অপালাপ ঘটা স্বাভাবিক, এবং এই লেখাগুলোতেই জেসাসের অলৌকিকতা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে দেখানো হয়। সম্ভবত সাধারন বিশ্বাসীদের দলে টানার জন্যেই আরো শক্তিশালী জেসাসের প্রয়োজন ছিল। সুতরাং এই সুসমাচার গুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লেখা।
ফাদার কনেন গিয়াস এই চারটি গসপেলকে "বিরুদ্ধপক্ষীয়দের মোকাবেলায় রচিত" বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে যখন পোলপন্থীরা প্রভাব বিস্তার করে তখন তারা অফিশিয়ালি তাদের লেখা সুসমাচারগুলোকেই প্রামান্য হিসেবে নেয়। এভাবেই জুডিও ক্রীশ্চানদের একজন আধ্যাত্নিক জেসাসের ইমেজের যায়গায় প্রবল অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন জেসাসের ইমেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
৭০ সালে এই সুসমাচারগুলো লেখা হলেও এগুলো ব্যাপকভাবে প্রচার পায় ১৪০ খ্রী এর পর। আরো পরে ১৮০ এর দিকে বিচ্ছিন্ন সুসমাচার গুলো সংকলিত হতে থাকে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৩। জোসেফাস এর লেখায় যে গলদ ছিল তা প্রমানিত হয়েছে ১০০ বছর আগে।
জোসেফাসের লেখায় কি ধরণের গলদ ছিল। এবং জেসাস সংক্রান্ত সব কথা সঠিক না হলেও সেটাতে কিভাবে প্রমাণ হয় জেসাস চরিত্রটিই তার বানোয়াট-মিথ্যা।
৪। প্রায় ৬০ জন ঐতিহাসিকের লেখা পাওয়া যারা জেসাসের সমসাময়িক, ভূমধ্যসাগরীয় এলাকার। এর মাঝে ৫৬ জনের লেখায় জেসাসের কোনো উল্লেখ নেই। বাকি চারজনের প্রথম ৩ জন হচ্ছেন প্লিনি দ্যা ইয়াংগার, স্যুটনিয়াস, ট্যাকটিয়াস। তাদের লেখায় জেসাস ক্রাইস্ট নামক কোনো ব্যাক্তির কথা বলা নেই। বাইবেলে জেসাসের বর্ননার কিছুই তাদের লেখায় উপস্থিত নেই।
সমসাময়িক ঐতিহাসিকদের লেখায় সে সময়ের কোন একটি চরিত্র উপেক্ষিত থাকতেই পারে, এটা খুবই স্বাভাবিক এবং এমনটি ইতিহাসে ঘটেছেও। মনে রাখতে হবে- আলোড়ন সৃষ্টিকারী ব্যক্তিটি খৃস্টধর্ম অনুসারীদের বিশ্বাস মোতাবেক যে জেসাসের আমলেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন- তেমনটি নাও হতে পারে। একটা অঞ্চলের মানুষকে দারুন নাড়া দিয়েছিলেন সত্যি, কিন্তু তারা ছিল পরাজিত পক্ষ, এবং মুলল নেতাকে কিন্তু হত্যাও করা হয়। এবং দেখা গেছে যে, ইতিহাস পরাজিতদের জন্য অনেকসময়ই খুব নিষ্ঠুর আচরণ করেছে। ফলে, এই লোকটি যতখানি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে- তা সে সময়ের উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিকদের আলোড়িত না-ও করতে পারে, বা এমনও হতে পারে আলোড়িত হওয়া ঐতিহাসিকদের কথা আমাদের সময় পর্যন্ত পৌছায়নি- বিরুদ্ধ পক্ষের কারণেই হয়তো। এবং ইতিহাসে এমন উদাহরণও ব্যাপক আছে। ফলে, সমসাময়িক লিপিবদ্ধ ইতিহাসে জেসাসের নাম না থাকলেও- তার আদপে না থাকাটা খুব বেশী কি ইললজিক্যল মনে হচ্ছে?
লেখক বলেছেন: জোসেফাস এর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জেনে তারপর বলব।
এই প্রসঙ্গে আমার ব্যাক্তিগত অভিমত সুসমাচার সমুহ থেকে জেসাসের যে পরিচয় পাওয়া যায় সেই পরিচয়ের একজনকে ইতিহাসের এণ্ট্রী না থাকা খুবই অস্বাভাবিক। কারন ঐ সময়ের জেরুসালেম, প্যলেস্টাইনের অনেক ইতিহাস পাওয়া যায় যাদের মাঝে জেসাসের কোন উল্লেখ নেই। তাছাড়া ক্রুসিফিকশনের সময় আমরা দেখি কিভাবে রোমান শাসকরা জড়িত হয়ে পরেছিল। সেক্ষেত্রে ইতিহাসে থাকাটাই যৌক্তিক। আপনি ইতিহাসের উপেক্ষার কথা বলছেন, সেটা তখনই সম্ভব হতে পারে যদি জেসাস ততটা গুরুত্বপূর্ন চরিত্র না হন। এখন একজন মৃত মানুষকে জীবিত করে তুলছেন, ইহুদীরা তাকে হত্যার জন্য খুজছে, রোমান গভর্নর কে দেখা যাচ্ছে এত কিছুর পর অন্তত একটি ঐতিহাসিক এন্ট্রি থাকা উচিত। কারন ঐ সময়ের যেমন রোমান ইতিহাস সম্পর্কে আমরা খুব ভালো জানি, এমনকি তাদের ছোটখাট রাজনৈতিক কোন্দলের কথা পর্যন্ত আছে। সেখানে এত বড় একটি ব্যাপার উপেক্ষিত হওয়াটা অস্বাভাবিক।
তবে একটি ইন্টারেস্টিং ব্যাপার ,জেসাসের যে সকল বৈশিষ্ঠ্য থাকার কথা সবই কিন্তু ওল্ড টেস্টামেন্টেই দেয়া ছিল। এমন হতে পারে জেসাস একজন সাধারন আধ্যাত্নিক শিক্ষক ছিলেন, ঐসময়ে এই ধরনের সাধু টাইপ মানুষ অনেক দেখা যেত। বাংলাদেশের পীর আউলিয়া দের মত। তার কিছু ভক্ত হয়েছিল। ইহুদীরা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যে তাকে হত্যা করে।
পরবর্তীতে তার অনুসারীরা ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং অন্যান্য লোকগাথা থেকে জেসাস কে নতুনভাবে তৈরী করে। তবে অরিজিনাল জেসাস যে কথাগুলো বলেছিলেন সেই কথা গুলোই নতুন জেসাসের মুখে বসিয়ে দেয়া হয়। সুসমাচার গুলো যে সময়ে লেখা হয়েছে তখনকার পরিস্থিতি বিচার করে এটাকেই লজিক্যাল কনক্লুশান মনে হয় আমার। সেক্ষেত্রে সুসমাচারের জেসাসের কোন ঐতিহাসিকতা নেই, কিন্তু জেসাস একজন সাধারন আধ্যাত্নিক নেতাগোছের কিছু ছিলেন।
আর পরাজিত পক্ষের ইতিহাস রচনার সম্ভাবনা এখানে কম। কারন রোমান রা এখানে তৃতীয় পক্ষ ছিল। জেসাসের সময়ে রোমান রাজত্বের কোন ডিস্ট্যাবিলাইজেশনের কথা নব্য ক্রীশ্চানদের দ্বারা হয়েছিল এরকম রেকর্ড নেই। সুতরাং কয়েকজন জেসাসের অনুসারী রোমানদের কোন থ্রেট ছিল না। নব্য জেসাসের অনুসারীরা অধিকাংশই ইহুদী সম্প্রদায়ের, তাই এরা প্রতিপক্ষ ছিল ইহুদীদের। তাই রোমান ,গ্রীক এদের ইতিহাস বায়াস্ড হয়ে যাবার যুক্তিটা দুর্বল।
আর মোহাম্মদ(সা) এর সময় যেভাবে ইসলামের প্রসার তার জীবদ্দশায় হয়েছিল ,তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করেছিলেন খ্রীষ্ঠানদের ক্ষেত্রে কিন্তু তা সত্য নয়।ক্রীশ্চান ধর্ম প্রসারিত হয় ব্যাপকভাবে জেসাসের মৃত্যুর ১০০ বছর পর। আর জেসাসের ও কোন রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিল না। তাই জয়ী পক্ষের ইতিহাস বিকৃতির সম্ভাবনা কম।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
তুহিন,
জেসাসের অনৈতিহাসিকতা সম্পর্কে নিসন্দেহ হতে গেলে অনেকগুলো বিষয়ে পুরো পরিষ্কার করতে হবে। আমি এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না- যেসমস্ত প্রশ্ন গুলো আসছে- সেগুলো দিচ্ছি, আমি নিজেই হয়তো পড়াশুনা শুরু করে দিতাম- কিন্তু ইদানীং অন্য কিছু প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত আছি- এমন কাজে ঢুকার সময় পাবো না, আর আপনি যেহেতু এর মধ্যেই আছেন- সেহেতু আপনার পক্ষেই সম্ভব বলে মনে হচ্ছে।
ফলে, এক এক করে প্রশ্ন দিয়ে যাবো, আপনার জবাবের পাল্টা প্রশ্নও থাকবে- মাঝে মধ্যে কিছু যুক্তি/মতামত; আশা করি আপনি আলোচনা কনটিনিউ করবেন এবং মনে হয়- এর মাধ্যমে আপনার পোস্টখানি আরো সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। (দরকারে পোস্টে কিছু সংশোধন, কিছু পরিবর্তন, কিছু সংযোজনের মাধ্যমে)।
আজ ঘুমাতে যাবো- প্রশ্ন গুলো সম্ভবত কাল করবো, আজকের শেষ কটি প্রশ্ন/আলোচনা:
৫। ১২৫০ খ্রী পূ কারেক্ট। ঐ খানে একজাক্টলি শব্দটা ব্যবহার করাটা ভুল হয়ে গেছে,তবে যুক্তিটা ছিল সময়কালের।
১২৫০ বা ১৩০০ বা ৯০০ বা ৭০০ খৃপূ এর মধ্যে কি পার্থক্য? ফলে কাকতালের কি বিষয় ঘটছে?
মোসেসের যুগ যদি মেষরাশির এজ হয়ে থাকে- মেষ বা ভেড়ার প্রতি আকর্ষণ আরো আগে থেকেই শুরু হতে পারে, মোসেস একটা ধারাবাহিকতা পালন করেছে মাত্র এটা বলা যেতে পারে- এবং তার আগের যুগে বৃষ রাশির যুগ হওয়ার কারণে ষাঁড়ের প্রতি পুজার ঘনঘটা থাকতে পারে; এবং মেষ রাশির যুগে এসে আবার বৃষের বিরোধীতা এবং প্রাচীণপন্থীদের বৃষকেই আকড়ে ধরার চেষ্টাও থাকতে পারে। ফলে- সামাজিক এসব প্রথার বিভিন্নমতের কোন একটির পক্ষে অবস্থান নেয়াই বোঝায়- মোসেসের সেই উক্তির মাধ্যমে। এভাবে যদি ব্যাখ্যা করা যায়, তবে কি সমস্যা হতে পারে?
৬। চার গসপেলের লেখক- ম্যাথিউ, লুক... দের পরিচয় কি দেয়া যেতে পারে? এনারা নিজেদের কি হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন?- জেসাসের শিষ্য? শিষ্যের শিষ্য? তারা কি জেসাসকে জীবিত পেয়েছিলেন? জেসাসের কয় পুরুষ বা প্রজন্ম পরবর্তী?
৭। ১০০ খৃস্টাব্দ ধরলে- জেসাসের মৃত্যুর ৬৫/৭০ বছর পরে লিখিত- আর ৭০ খৃস্টাব্দ ধরলে- জেসাসের মৃত্যুর ৩৫/৪০ বছর পরে গসপেলগুলো লিখিত। খুব বেশী কিন্তু পরে না।
৮। কোন ধর্মীয় ভবিষ্যৎ বানীও কিন্তু পরবর্তী কিছু মানুষকে উৎসাহিত করে সে পথে যেতে। নবী-রাসুলের বিষয়টিও অনেক সময় এমনটি হয়েছে।
ইসলামে ঈসার আবার আগমন, ইমাম মেহেদীর আগমন এমন কিছু ভিবষ্যৎ বানী আছে বলে মনে করে এবং মজার বিষয় এ ব্যাপারটি অলরেডী অনেকেই দাবী করেছে। বাইবেলে নবীর বা ত্রাণ কর্তার আবির্ভাবের বিষয়ে আগাম কথা ছিল- সেটা মুহম্মদ সা কে তার ধর্মটি সাজাতে সাহায্য করেছে। এবং মুহম্মদ সা এর আগেও কিন্তু অনেকেই নিজেদের অনুরূপ নবী দাবি করেছেন- সমস্যা হলো তারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারেনি।
জেসাসের সময়েই কিন্তু এরকম ত্রাণকর্তা/ মানুষের উদ্ধারকর্তা, ঈশ্বরের অবতার/দূত আসার ব্যাপারে মিথ প্রচলিত ছিল এবং সে সংক্রান্ত প্রাকৃতিক পূর্বাভাস দেখা দেওয়ার মিথও প্রচলিত ছিল। এসবও কি কাউকে নিজের ধর্মমত সাজানোতে ভূমিকা রাখতে পারেনা?
আবার পরবর্তীতে কিছু কিছু বিষয় অন্যরা বা সুবিধাপ্রাপ্ত অনুসারীরা নিজেদের সুবিধামত কিছুটা পরিবর্তনও ঘটাতেও পারে না কি?
৯। কনস্টানটিনের সময়কাল টা বলবেন কি?
১০। "ঐ সময়ে জেসাসকে ঐতিহাসিক চরিত্র ভাবাও হত না"
মানে কি?
লেখক বলেছেন: ৫। আমি কিন্তু এভাবেই ব্যাপারটা বোঝাতে চেয়েছি। যে মোজেসের ধর্মমত ,আকাশের ঘটনাবলীকে মিথে রুপান্তর এবং সেই অনুযায়ী কিছু রিচুয়াল পালন করারই যে প্রাচীন প্রবনতা ছিল সেটিরই একটি ধারাবাহিকতা। এটিকে ঐশী বানী ভাবার কিছু নেই।আর প্রসঙ্গত ,মোজেসের ঐতিহাসিকতার ঝামেলা আছে।
৬।এদের সঠিক পরিচয় জানা যায় না।উপরে এব্যাপারে আমি আলোচনা করেছি। তবে তারা কেউই জেসাসের সমসাময়িক ছিলেন না। লোকমুখে প্রচলিত কথাগুলোই লিখেছেন।
৭।হ্যা ,কিন্তু লেখার সময় তারা রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবিত ছিলেন। উপরের আলোচনা করেছি। কিন্তু উতস কিন্তু পুরোটাই লোক মুখে শোনা। কারন কোন জেসাসের শিষ্যের ও কাছের লোকরা সুসমাচার লেখেন নি।মার্ক কে দাবী করা হত জেসাসের শিষ্য পিতরের শিষ্য, সেটা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কারন সুসমাচারটি আদৌ মার্কের লেখা কিনা সেটাই সন্দেহ যুক্ত। অন্যান্য সুসমাচারের মত মার্কেরটায় কোন লেখকের নাম নেই। মার্কের ভাষা রীতি দেখে তাকে ইহুদী মনে হয়। তিনি ল্যাটিন ভাবভঙ্গী অনেক ব্যবহার করেছেন। আর এই রচনা সম্ভবত রোমে বসে লিখেছেন। কারন তিনি প্রচুর আরমিক শব্দ ব্যবহার করেছেন। জেসাসের মুখের বাক্য হিসেবে আরমিক শব্দ বসানোটাও এই রোমান প্রভাবের কথাই প্রমান করে। এটি ৬৬ খ্রী লেখা হয়েছিল। (দ্যা ইকুইমেনিক্যাল ট্রান্সলেশন অফ দি বাইবেল এর ভুমিকা)
৮।এটিও আগেই আলোচনা করেছি।
৯।324 সালে ক্রীশ্চিয়ানিটি রোমের অফিসিয়াল ধর্ম ঘোষনা করেন কনস্টান্তিন
লেখক বলেছেন: আর ১০ নাম্বারটা আমার এই সিরিজের উপসংহারের একটি প্রধান বিষয়, তাই ঐ পর্যন্ত বিষয়টিকে মুলতবী রাখলা।
দুরের পাখি বলেছেন:
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আর এই মিথ, গালগল্পগুলা কোরান তথা মুসলমানরাদেরও উত্তরাধিকারসূত্রে ঈমানী সম্পদ। একমত
দুরের পাখি বলেছেন:
ও, লেখককে ধন্যবাদ এমন পরিশ্রমসাধ্য পোস্টের জন্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মনজুরুল হক বলেছেন:
আরিফ,
সবখন্ড একসাথে কবে আসছে?
অধীর আগ্রহ অপেক্ষায় থাকলাম।
ওটা আসার পর একটা আলোচনা শুরু করে সেটাকে
আবার আর একটা কম্পাইল লেখা হিসেবে দাঁড় করানো যায়।
লেখক বলেছেন: চেস্টা করব তাড়াতাড়ি পরের পর্ব পোস্ট করতে। ধন্যবাদ
ওল্ড টেস্টামেন্টের টাইমলাইনের কোন ঠিক ঠিকানা নেই ... মুসার আনুমানিক আগমনকাল আরো আগে ছিলো -- এটাই মনে হয় সবচেয়ে লজিকাল সিদ্ধান্ত
হোরাসের যে কাহিনীটা বলেছি সেটা একুরেট। কারন সেটা এখনও আছে, সেটা নেয়া হয়েছে মিশরের লুক্সর মন্দিরের দেয়াল থেকে। সেই ছবিগুলোর কার্বন ডেটিং এর বয়স ৩৫০০ বছর।
আপনি নিশ্চিত যে হোরাস আড় যীশুর যে সাদৃশ্যগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো লুক্সর মন্দিরের দেয়ালে পাওয়া গেছে? ... কারণ সেটা বাদে অন্য তথ্য যেমন হোরাস সূর্য্যের দেবতা ছিলেন, সেটির সাথে ফাইট করে দিনকে নিয়ে আসতেন, রাতে হেরে যেতেন -- এসব কাহিনী কিন্তু যীশুর সাথে মিলেনা, বা যীশুকে সূর্য্যের প্রতীক হিসেবে ধরে মেলালেও সেখানে একটা "গায়ের জোর" দেখা যায় ... আপনার উপরের তথ্য কি ডঃ দেলোয়ারের বই থেকে নেয়া?
মোজেস আসবার আগেই, এমনকি প্রথম ঐক্যবদ্ধ হিব্রু রাজার আগেই বুক অফ ডেথ সংকলিত হয়েছে
কিন্তু আপনার দেয়া লিংকেও বলছে যে টলেমীর সময়ও (খ্রীপূ ১০০) বুক অভ ডেথে অনেক পরিবর্তন আসে ... তাছাড়া মোজেসের আগমনকাল আরো আগে হতে পারে
যীশু যে ঐতিহাসিকভাবে ছিলেন -- এধারনার পক্ষে যে গবেষকরা কাজ করেছেন, তাদের কাজগুলোও তুলে ধরলে অথবা তাদের যুক্তিগুলোকে খন্ডন করলে আপনার আলোচনাটা আরও প্রাণবন্ত হবে
লেখক বলেছেন: না ঐ বই থেকে নয়। ডকুমেন্ট্রীতে দেখেছি। ডকুমেন্ট্রীটার লিংক আগের পর্বে ব্লগার প্রশ্নোত্তর দিয়েছেন। দেখতে পারেন।
হোরাসের পুরো কাহিনী ,মিরাকল বার্থ, পূর্বাকাশের তারা, ব্যাপটাইজড করা , ক্রুসিফিকশন ,রিজারেকশন সবগুলোই ঐ মন্দিরে দেয়ালে চিত্রের মাধ্যমে আকা আছে। আমি নিজেই ছবিটা দেখেছি। আর হায়ারোগ্লিফিক্স তো আমি পরতে পারি না, তবে জন্ম মিশরীয় পন্জিকায় যেভাবে উল্লেখ আছে তা ইংরেজী পন্জিকার ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ।
১২৫০ সালের আগে কোন জেহোভার উপাসনালয় পাওয়া যায় না। এর আগের হিব্রু উপাসনালয় গুলো প্রাচীন দেবদেবীদের উপাসনায় উদ্দেশ্যে বানানো। আর ওল্ড টেস্টামেন্টের যে সকল অংশ গুলো পরবর্তী রাজা এবং ধর্ম সংস্কারকদের দ্বারা লিখিত সেগুলোর ঐতিহাসিক সাক্ষ্য বিবেচনা করলেও ১২৫০ এর পেছনে যাওয়া যায় না।
আর ওল্ড টেস্টামেন্টের বিভিন্ন পুস্তক কিন্তু বিভিন্ন সময়ের।
তবে কোনটিই ১২৫০ এর আগে নয় এ ব্যাপারে ঐতিহাসিকরা একমত।
আর প্যাপিরাস অফ আনি(বুক অফ ডেথ) ২৪০ খ্রী পূ এর।
ওই সাইট থেকে কোট করছি
# The product of a long process of evolution from the Pyramid texts of the Old Kingdom to the Coffin Texts of the Middle Kingdom
# In New Kingdom around 1600 BC, the book was fully evolved, with one-third of its chapters derived from the Coffin Texts
# During the Late Kingdom, the book was adapted to a new form called The Book of Breathings, which remained in use until the end of the Ptolemaic Period in the first century BC.
রিভাইজড ভার্সন টাকে কিন্তু আর বুক অফ ডেথ বলা হয় না। আর প্রথম সংকলন কাল দেখুন ,মোজেস আসার আগেই। আমি খোজ খবর করার চেষ্টা করছি এর চেয়ে পুরোনো কোন প্যাপিরাস আছে কি না। আর টেন কমান্ডমেন্টস এর সবচেয়ে পুরোনো প্যাপিরাস ,ন্যাশ প্যাপিরাস টা কিন্তু ১৫০ খ্রী পূ. অর্থাত টেন কমান্ডমেন্টস এর সবচেয়ে পুরাতন প্যাপিরাস কিন্তু বুক অফ ডেথের প্যাপিরাসটার তুলনায় নতুন। সেক্ষেত্রে টেন কমান্ডমেন্টস কিন্তু কপি করার অভিযোগ থেকে বাচতে পারছে না।
আর আরো আগে বুক অফ ডেথের বিচ্ছিন্ন প্যাপিরাস পাওয়া যায়।
ঐ সাইটে যা কি লেখা আছে আরেকবার দেখুন,টলেমীদের সময়ে নয় লেইট কিংডমের সময়(৭৫২ থেকে ৩৪৩ খ্রী পূ) ,নতুন রাজবংশের সংকলিত বুক অফ ডেথ কে রিভাইজ করে বুক অফ ব্রিদিং নাম দেয়া হয়।
# The product of a long process of evolution from the Pyramid texts of the Old Kingdom to the Coffin Texts of the Middle Kingdom
# In New Kingdom around 1600 BC, the book was fully evolved, with one-third of its chapters derived from the Coffin Texts
# During the Late Kingdom, the book was adapted to a new form called The Book of Breathings, which remained in use until the end of the Ptolemaic Period in the first century BC.[\sb]
তার মানে প্যাপিরাস অফ আনি টা টলেমীর পিরিয়ডের সংকলন নয়। এটাই কিন্তু বর্তমানে অনুবাদ হিসেবে পাওয়া যায়। আমাজনে সার্চ দিলে এই প্যাপিরাস অফ আনি এর অনুবাদ বুক অফ ডেথ দেখায়।
লেখক বলেছেন: কেন বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: আমার টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা,গবেষনাকার্য একটু স্থগিত রাখতে হচ্ছে
আবুল হাসনাত সুজন বলেছেন:
আমার অগগতা ক্ষমা করবেন। এই লাইনটার মানে একটু যদি ব্যাখ্যা করতেন:"প্রাচীন মিশরীয় এবং অন্যান্য সভ্যতা গুলো এই ব্যাপারটি পর্যবেক্ষন করেছিল যে প্রতি ২১৫০ বছর পর পর বসন্ত আয়নায়নের সকালের সূর্যোদয় ভিন্ন রাশিতে সংগঠিত হয়"।
ভিন্ন রাশিতে সংগঠিত হয়-এর মানে কি?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















অনেক ঐতিহাসিক তার অস্তিত্বের কথা লিখে গেছেন।
তাদের মধ্যে জোসেফাস অন্যতম।
জার্মানি দার্শনিক ভেন্চুরি এবং সেন্ট পলিশ।
আর আপনি যেটা পোষ্টে দিলেন তাও কিন্তু একটা মিথ বা রুপকথা।