somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি নাকফুল এবং তিনদিন তিনরাত্রির গল্প ( ১ম পর্ব)

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিকেলের আলোয় দিল্লীর মাটি স্পর্শ করল প্লেন , হীরার মনটা হু হু করে উঠল বাসার জন্য । মনে হল বসে থাকবে প্লেনে , নামবে না -- প্লেনটা আবার ওকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে ঢাকায় । কেন যে আসল সে , ওর বর খালিদ বুঝিয়ে পাঠাল। পাশের দেশ , মাত্র তিনদিনের জন্য যাচ্ছো , এসব বলে বলে । খালিদ জানে , হীরা স্বামী সন্তান আর সংসার , এই তিন ' স '
কেন্দ্রিক হয়ে থাকে ,কর্মস্থলের সুনামের ' স' কে অবহেলা করে অবলীলায় ।
পাশের সঙ্গীর ডাকে বাস্তবে ফেরে । কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলির তিনদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন দিল্লীতে , তিন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের একজন হয়ে দিল্লীর মাটিতে পা রাখে সে ।
হোটেলে পৌছে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সেরে নিতে নিতে সন্ধ্যা পার হয়ে যায় । চা খেয়ে ল্যাপটপ নিয়ে বসে । তারপর কাপড় গুলো বের করে গুছিয়ে রাখে , তিনদিনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে আসা । একটু তাড়াতাড়ি ডিনার সারে । অনেকটা সময় নিয়ে কথা বলে বাসায় । মনে হল যেন কবে এসেছে বাসা ছেড়ে অনেকদিন আগে , বাসার সবাইকে যেন কতদিন দেখেনা , আজব মানুষের মন ।
নতুন পরিবেশ , নতুন বিছানা , এপাশ ওপাশ করতে করতে একসময় রাত ভোর হয়ে যায় ।

সকাল নটায় সম্মেলন শুরু হবার কথা । কিছু সময় হাতে নিয়ে আগে উপস্থিত হয়ে যায় অন্য দুজনের সাথে হীরা । বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা জড়ো হয়েছে , কত গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে গুরুগম্ভীর আলোচনা হবে ; তারপর সে সব আলোচনার ফলাফল ফাইলবন্দী থাকবে , আলোর মুখ দেখবে না কোনদিন , কারো কোন কাজে আসবে না , এসবই মনে আসছিল তার । হঠাৎ একটা চেনা কন্ঠস্বর কানে এসে লাগল ! ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে অদূরে দাড়িয়ে আছে বাদল , হ্যাঁ বাদলই তো ! নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেনা , মাথা ঘুরতে থাকে । ওতো বাংলাদেশী প্রতিনিধিদলে নেই , তাছাড়া থাকে তো ইংল্যান্ডে ; সব কিছু গুলিয়ে যায় , ভাল করে কিছু মনে করতে পারে না । বাদলের দিকে তাকিয়ে থাকে , কিন্তু তার দু'চোখ কিছু দেখে না , দেখতে পায় না কিছু কোথাও । শুনতে পায় ," আমি মোহাম্মদ সালেহীন , বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বৃটিশ নাগরিক , বৃটেনের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি , দেশের কারা এসেছেন পরিচিত হতে এলাম "। সঙ্গী দু'জন পরিচয় দেবার পরে হীরাও বলে যন্ত্রের মত , মাহজাবীন আহমেদ আমি । বাদল বলে ওঠে , তুমি এসেছো , ভালই হল । অন্যদের দিকে তাকিয়ে বলে , আমরা একই প্রতিষ্ঠানে পড়েছি অনেকদিন । পরে কথা হবে বলে চলে গেল তার জায়গায় । বক্তারা সেদিন কে কি বলল হীরার জানা হল না ; ওর কেবল মনে হত লাগল , কেন এল , কেন এল এখানে ! সেদিনের প্রোগ্রাম শেষ হল । লাঞ্চ করতে সবাই টেবিলে গিয়ে বসল । প্লেটে সালাদ ক'টুকরা নিয়ে নাড়তে লাগল হীরা আর বার বার কোল্ড ড্রিংক্সে চুমুক , সবই তার গলায় আটকে যাচ্ছে আজ ।
খেয়াল করল বাদল এসে দাড়িয়েছে পিছনে ; বলল , আপনাদের সাথে বসতে পারলে ভাল হত । তারপরে হীরার দিকে তাকিয়ে বলল , তুমি তো কিছু খাচ্ছো না হীরা । হীরা বলল সে দুপুরে তেমন একটা খায় না , মিথ্যা কথাটা সত্যের মত শোনালো । সঙ্গী দুজন বুঝল তার নাম ডাকনাম হীরা । একজন বলল , হীরা নামটা বেশ আপনার , দামী রত্নের নামে নাম । বাদল তাদের রুম নাম্বার জেনে নিল , তারপর নিজেরটা জানিয়ে চলে
গেল ।
যন্ত্রমানবের মত পা দুটো ভরসা করে কোনরকমে রুমে এসে ঢুকল হীরা । মনে হল মাথা কেউ জোরে চেপে ধরেছে ,কাঁদতে ইচ্ছে হল ; কান্না আসছিল না । সব অন্ধকার , আলো নেই , বাতাস নেই -- কেমন যেন লাগতে থাকলো । বেসিনে গিয়ে বমি করে ফেলল । চোখে মুখে পানি দিয়ে এল , গ্লাস ভর্তি পানি খেয়ে নিল ঢকঢক করে । কিছুক্ষনের মধ্যে আবারো উঠতে হল তাকে , আবারো বমি হল বেসিনে পৌছুবার আগে । সে ফোন করল রিসেপশনে , সিকনেস জানাল আর একজন ডাক্তারের জন্য অনুরোধ করল । একা এখানে বেশী অসুস্থ হলে একটা ঝামেলা হয়ে যাবে !
বার বার মনে আসছিল একই কথা সেই ক'বছর আগের মত করে । কেন , কেন বাদল , তুমি এমন করেছিলে সেবার ! নিজেকে ভারসাম্যহীন লাগছিল । বিছানায় হাত পা ছড়িয়ে শিলিং এর দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিই বা করার আছে তার !

বিকেল হতে রিসেপশনে এসে দাড়াল বাদল । জানতে চাইল রুম নাম্বার ৪১৬ এর মাহজাবীন আহমেদ আছেন কিনা । জবাবটা শুনে আর দেরী করতে পারল না ; সে রুমে একজন ডাক্তার আছেন মাহজাবীন আহমেদ অসুস্থ্ হয়ে পড়ায় .... । আরো কি কি যেন বলছিল সে ঠিক শোনেনি । রুমে ঢুকে দেখে হীরা শুয়ে আছে , ডাক্তার সাহেব বেরিয়ে যেতে উদ্যত হয়েছেন । বাদল নিজের পরিচয় দিল এবং হীরার অবস্থা জানতে চাইলে ডাক্তার সাহেব জানালেন ; ভদ্রমহিলার ঘুম হয়নি গতরাতে , দুপুরে খাওয়া হয়নি ঠিকমত , কিছুটা উদ্বিগ্ন আছেন , এ্যাসিডিটি ডেভেলপ করেছে , বমি করে দূর্বল হয়ে গেছে । তবে এখন ভাল আছেন , মেডিসিন দেয়া হয়েছে । এও জানালেন যে উনি আশা করছেন ভাল হয়ে যাবেন তাড়াতাড়ি । অসুবিধা হলে তাকে যেন জানানো হয় এ কথা বলে বিদায় নিলেন ডাক্তার সাহেব ।

চেয়ার নিয়ে বিছানার পাশে বসল বাদল । হীরা মনে হল উঠে বসতে গেল , বাদল মানা করল । কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে তাকে কেমন নিষ্প্রভ লাগছে ! বেশ কিছুক্ষন দুজনে চুপ করে থাকল । হীরা নিজের বুকের ভিতর পাড় ভাঙ্গা নদীর তুমুল গর্জন টের পাচ্ছিল । গলা শুকিয়ে আসছিল , উঠে পানির গ্লাস নিতে চাইলে বাদল এগিয়ে দিল । ক'ঢোক খেয়ে শুয়ে পড়ল আবার । ও চেষ্টা করেও কথা বলতে পারছিল না , অতীতের গভীর থেকে উঠে আসা ভারী এক পাথর তার কন্ঠনালী চেপে বসে ছিল যেন । বাদল চুপ করে বসে থাকল । সন্ধ্যা পার হয়ে গেল কখন টের পেল না ওরা দুজন , ওরা তখন বোধহীন -- স্থান , কাল বিবেচনা করতে বেগ পেতে হচ্ছে ওদের ।
বাদল জিজ্ঞেস করল , কেমন লাগছে এখন । চোখ তুলে তাকিয়ে থাকল তার দিকে হীরা । চোখের কোল ঘেসে জল গড়িয়ে পড়ল , ঠোট কেঁপে উঠল মৃদু ; চেষ্টা করেও উত্তর দিতে পারল না কোন ।
বাদল বলল , আমি জানি কেন আজ তোমার শরীর খারাপ করছে , সব জানি আমি । আমি দু:খিত হীরা ।
হীরা ফুপিয়ে উঠল , নিজেকে সামলান কঠিন হয়ে পড়ল । ক্ষীনস্বরে বলল , বাদল আমি একটু একা থাকতে চাই ; তুমি কিছু মনে করো না ।

উঠে দাড়াল বাদল ; বলল ঠিক আছে , আমি যাচ্ছি । কিছুক্ষন পরে আবার আসবো , বিশ্রাম নাও ।
বেরিয়ে পড়লো । প্রথমে মনে হল সিগারেট খাওয়া প্রয়োজন । এক একবার মনে হল কোন বারে গিয়ে ঢোকে । নাহ্ , সারাজীবন সে নীতির বাইরে কোন কিছু করে নি , আজও করবে না । তা'ছাড়া এমন কিছু করবে না যা শুনলে কোনদিন হীরা কষ্ট পেতে পারে । যখন হীরা অন্যের হয়ে গেল , নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে গিয়ে কতবার পথ হারাতে গিয়েও হারায় নি । আজ কেন ? তারপর মার্কেটে গেল । হীরার ভাল লাগবে এমন পত্রিকা নিল দুটো ; আপেল , বিস্কিট , স্যান্ডউইচ , কোকের ক্যান নিল , অনেকটা সময় নিয়ে চকলেট নিল হীরার জন্য বেছে বেছে । কফি খেল বসে বসে আর ভাবলো কি করবে , কিভাবে এ সময়ের জটিলতা পার করতে পারবে ? কিভাবে হীরাকে বোঝাবে তার মনের কথা সত্য যেটা , আজ এতদিন পরে , এত কিছুর পরে । সে হীরার কোন কষ্ট দেখতে চায়না । কেন জীবন তাদের সাথে এমন নির্মম রসিকতা করলো ! কার কি লাভ হল এসবে ? কে দেবে জবাব !
উঠে পড়ল সে , হীরার জন্য গিফট কিনতে ইচ্ছে হল । ডিসেম্বরের এই শীতে একটা শাল কিনতে মন চাইল ওর জন্য । কে জানে যদি ফিরিয়ে দেয় , যদি ব্যবহার না করে । তবু নিজের ইচ্ছেকে অবদমন করা গেল না ; সারা জীবন অনেক ইচ্ছেকে গলা টিপে মেরেছে সে , তাতে লোকসান হয়েছে সবারই , এখন বুঝতে পারে । ঘিয়ে রঙের কাশ্মীরি শাল নিল বিভিন্ন রঙের ফুল পাড় ।
ফিরে এল হোটেলে । আস্তে নক করে ঢুকল হীরার রুমে । বসতে বসতে বলল , তোমার সাথে বসে খাব বলে এসব নিয়ে এসেছি । মনে হল তার মুখের সেই বিষন্নতা অনেকটাই কম ।
জিজ্ঞেস করল , এখন কেমন লাগছে । হীরা জানাল একটু ভাল আগের চেয়ে । তারপরে নিজে আস্তে আস্তে উঠে বাথরুমের দিকে গেল । বাদলের মনটা শান্ত হল , তবে ভয় হচ্ছিল হীরা কোন্ কথার কি অর্থ করে সেটা ভেবে ; কারন ওর মন যে ভাল নেই সে জানে এবং একমাত্র সেই জানে তার কারন । অনেকটা সময় পরে বেরিয়ে এল সে , বোঝা যাচ্ছে কেঁদেছে সে ; মন হালকা করতে কান্নার কোন বিকল্প নেই ।
পরদিন প্রোগ্রাম আছে দুজনেরই । বাদল হাত মুখ ধুয়ে এল । হীরা তেমন সহজ হতে পারছিল না , বুঝতে পেরে বাদল খাওয়া গুলো সাজিয়ে নিল , কফির জন্য অর্ডার দিল ফোনে দুজনের । হীরা খুব অবাক হল , বলল , তুমি কিভাবে বুঝলে যে আমার এসব খেতে ইচ্ছে করছিল ? লুকোন চকলেটগুলো বের করিয়ে দেখাল বাদল ; পরিবেশ হালকা করবার জন্য বলল ,আর এসব আমার জন্য ! তুমি পাবেনা একটাও ।
চোখে পানি নিয়েও হেসে দিল হীরা । বাদলের মন যে কত অস্থির হচ্ছে সেটা কি জানে কেউ , না জানে না । ক' বছর আগে হঠাৎ একদিন কেন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিল সে হীরার সাথে , সে কথা কি বিশ্বাস করবে ও ? সে কি আত্মগ্লানি থেকে মুক্তি পেতে পারে না হীরাকে সব , সব কিছু বলে দিয়ে !
হীরাকে ওষুধ এগিয়ে দিয়ে , পত্রিকাদুটো বের করে দেয় । তারপরে বলে এখানে একটা শাল আছে , যদি আমার উপর থেকে রাগ - অভিমান সরিয়ে ফেলতে পারো তো কাল সম্মেলন কেন্দ্রে পরে যেও । আমি তোমাকে কোন জোর করবো না , সে রাস্তা আমি নিজে বন্ধ করেছি । শালটা খুলে হীরার হাতে দেয় । টেবিলের উপর থেকে নিজের ব্যাগটা তুলে নিয়ে ফিরে দেখে হীরা শালটা জড়িয়ে ফেলেছে গায়ে !
বিস্মিত মুগ্ধ বাদল , বিশ্বজয়ী বাদল ! কাঁপা কাঁপা গলায় বলে ধন্যবাদ ।
সে তো কোনদিন আবেগকে প্রশ্রয় দেয়না , এখন আবেগপ্রবন হয়ে যাচ্ছে কেন !। আমি যাই বলে কোনরকমে বেরিয়ে আসে সে রুম থেকে , হাটতে থাকে নিজের রুমের দিকে যদিও মনে করতে বেগ পেতে হয় তার নিজের রুম নাম্বার । সেটা যদি আজ ৪১৬ হত !



চলবে ....
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:০০
২৮টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×