আমার প্রিয় পোস্ট

শর্তহীন সাধারন ক্ষমার কতল

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

শেয়ারঃ
0 0 0

পিলখানায় যা ঘটে গেলো. তাকে গণহত্যা না বলে উপায় নেই। আর বিশ্বাস করা কঠিন এটা আমাদের বিডিআর জোয়ানদের কাজ। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ভাড়াটে খুনী এসে এই পাশবিকতা ঘটিয়ে চলে গেছে। যা কিছু অপরাধ নৃশংসতা ঘটলো তা ৭১ এর যুদ্ধাপরাধের সাথে তুলনীয়। খুনীকে কোনো সমবেদনা নয়। আর তথাকথিত ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে যে অদৃশ্য মহল বিশেষ এই নাশকতা ঘটালো তাদের ঘৃনা করার ভাষা নেই।
কয়েকটা বিষয় এখানে তুলে ধরছি একেবারে নিজস্ব বিবেচনা থেকে।
আমাদের ইমেচিউর মিডিয়ার কল্যাণে একতরফা বিদ্রোহের কথা ঘটা করে প্রচারের পর এমনকি সাধারন মানুষ কাঁদতে লাগলো বিডিআরের দু:খে। ভেতরে কি হচ্ছে, জিম্মিদের অবস্থা কি, সেদিকে কোনো টার্ন না নিয়ে আসলো সাধারন ক্ষমার ঘোষনা।

ৎসাধারন ক্ষমা ভেতরের বন্দিদের ছেড়ে দেয়ার আগে সাধারন ক্ষমা ঘোষণা এবং এর কিছুক্ষণ পর ব্ল্যাক আউট, এই দুই ঘটনার মধ্যে অনেক কিছুই লুকিয়ে আছে। হতে পারে ঘটনার শুরুর দিন থেকেই গণহত্যা চালানো হয়েছে। তবে বড় ধরনের একটা হ্যাভক ঘটেছে সাধারন ক্ষমা ঘোষণার পর।

সাধারন ক্ষমা ঘোষনার পর বন্দি আরো অনেককে হত্যা এবং লুটপাটসহ ধর্ষনের মতো অপরাধগুলো সম্প্ন্ন হয়েছে। এটা একজন নির্বোধও বুঝবে, যে যায়েজ করে দেয়ার পর অপরাধীরা আরো চাঙ্গা হয়ে তৎপর হয়ে উঠে। সাধারন ক্ষমা ঘোষণার পর এক দুই ঘন্টায় অনেক কিছুই হয়েছে যা এড়ানো যেতো।

চারপাশে সামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করে ঘিরে ফেলা যেতো। গুরুত্ত্ব দেয়া হয়েছে শুধু প্রবেশমুখগুলোতে। অথচ, দেয়াল টপকে যখন খুনিরা পালাচ্ছে, সেটা নিয়ন্ত্রনে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। সবারই বোধয় ধারনা হলো, অস্ত্রসমর্পন করে সুবোধ বালক সেজে দাড়িয়ে থাকবে খুনিরা।

হলো ঠিক উল্টোটা। প্রশ্ন উঠতে পারে, সাধারন ক্ষমা ঘোষণা না করে সরকার কি করতে পারতো?সময়ের দাবী? ইত্যাদি?

আসলে কি তাই?ব্লাডি মার্ডারাররা যা কিছু দুদিনে করেছে, তা কি বন্ধ করা গেছে?পৃথিবীর সবখানে কোথাও জিম্মির ঘটনা ঘটলে আগে চজম্মিদের অবস্থার ওপর গুরুত্তব দেয়া হয়, আর আমাদের এখানে ডাল-ভাতের গুরুত্ত্ব আগে! বন্দিরে বিনিময় শর্তে সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হলে অনেককে লাশ হতে হতো না, অনেক লাশকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যেতো। অনেক মা বোনের ইজ্জ্বত বাঁচতো।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫
সোনা১ বলেছেন: তাইলে কি আরেকটা যুদ্ধ চাইছিলেন না কি? লাশ কি কম হয়া গেছে?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: যুদ্ধ না, জিম্মি মুক্তি অপরেশন

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: বলা যেতে পার্তো, তোমোদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে, কোনো উপায় নেই, আগে বন্দি বিনিময়

২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
জেরী বলেছেন: এরকম নিমর্মতার কথা তখন কেউ ভাবতে পারেনি,তাই অবস্হাদৃষ্টে সেইসময় সাধারণ ক্ষমা করাটাই জরুরী মনে হয়েছিলো

তবে ওদের নিমর্মতা স্তব্ধ.........।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: আমি বলছি সাধারন ক্ষমা ঘোষনার পর হ্যাভকটা হয়েছে বেশি

৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
তক্ষক বলেছেন: বন্দিরে বিনিময় শর্তে সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হলে অনেককে লাশ হতে হতো না, অনেক লাশকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যেতো
-ঢতমঠ.
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: কোয়াটার গার্ডে কিংবা অন্য কোথাও আটক অনেককে খুন করা হয়েছে ক্ষমা ঘোষনার পর..এটা সিম্পল..লুটপাট করা হয়েছে সাধারন ক্ষমা পাওয়ার পর..এটা পানির মতো সহজ

৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
আবুল বাহার বলেছেন: হ !! তখন তখন বিডিআর সদরে একটা এটম বোমা মারা উচিত আছিলো ।

তাইলে কারো কারো মনের খায়েশ মিঠতো .....

যত্তোসব ছাগলের পাল ..
৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
'লেনিন' বলেছেন: সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা দেয়ার চাইতে তাৎক্ষণিক ভাষণ জরুরি ছিলো।

পেছনের কাহিনী বের হলে বোঝা যাবে...
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: হুমম

৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
নীল লাল সবুজ বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান বায়েজীদ। এই ব্লগে কিছু পাঠা আছে। এরা না বুঝে দেশের ভাল না বুঝে নিজের ভাল।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
ভাবারূ বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net/blog/mr007blog /28917988

উপরের লিংকের লেখা টি পড়ার জন্য অনুরোধ জানালাম সবাইকে।

লেখককে একটি কথাই বলতে চাই কোন কিছু ঠিক হয়নি বলার আগে কয়েকবার চিন্তা করে নিন। আপনার লেখা ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ।
৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সুযোগ সন্ধানী বক্তব্য ..

বিভিন্ন তথ্য পড়ে দেখলে কিন্তু বোঝা যায়..বহু সংখ্যক হত্যাযজ্ঞ সংগঠিত হয়ে গেছে একদম ঘটনার শুরুতেই ...দরবার হল থেকেই ...যেটা এখন বোঝা গেছে...

আর বিদ্রোহীরা শুধুমাত্র্র দাবি আদায়ে এভাবে নিষ্ঠুর হয়ে উঠবে তা কে ভেবেছিল !!! আপনি জানতেন তখন ভেতরে ততক্ষলে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে ?

একটা বিদ্রোহ কে দমন শান্ত করতে, চেইন অফ কমান্ড ভাঙার অপরাধকে মাফ করতে সাধারণ ক্ষমা এসেছিল ...

তখন তো বরং সবাই আতংকিত ছিল..আর্মি ভেতরে প্রবেশ করে কি না...কেন ??? কারণ সবাই বুঝতে পারছিল আর্মি ভেতরে গেলে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে হতো, উত্তপ্ত হতো...মুখোমুখি সংঘর্ষ বলা চলে গৃহযুদ্ধের তৈরী করতো ...

এগুলো হলো, তখন কিন্তু আজকে আপনিই এসে বলতেন...আর্মিকে এ্যাকশন নিতে দেয়া ঠিক হয় নি...বিদ্রোহীদের কায়দা করে শান্ত করলে আজকে এতো লাশ দেখতে হতো না ..


অদ্ভূত....!!!!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: কোনোবিচারেই সাধারন ক্ষমা সমর্থন যোগ্যনয়।

গ্রস মিসটেক:
১.বন্দিদের হস্তান্তরের আগে
২. খুনীদের ওপর নজর না রেখে

আর এটিকে এখনো বিদ্রোহ বলছেন কোন সেন্সে, এতো গণহত্যা

৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
'লেনিন' বলেছেন: ৪নং কমেন্টে আবুল বাহারের মন্তব্য এবং তার ব্যবহৃত শোকের চিহ্ন পরস্পর বিরোধপূর্ণ।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: ঠিক

১০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭
কাবিল কৈতর বলেছেন: আর্মি ঐ মুহুর্তে এ্যাকশনে গেলে একটা জিম্মিও মুক্তি পেত না। সেনাকর্মকর্তাদের পরিবারসহ সব জিম্মি মারা পড়ত। এতগুলো লাশের দায়িত্ব নিত কে?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: সেনাকর্মকর্তাদের ১৬০ জনের মধ্যে যদি ২০ জনকে বেচে থাকতে হয়, আর এদের অনেক পরিবারকেও মরতে হয় তো সাধারণ ক্ষমায় লাবটিা কি হলো, বরং সেনা অভিযান শুরু হলে লুটপাট, ধর্ষন এগুলো করার সময় পেতোনা, পিঠ বাচজানোর ধান্দায় থাকতো

১১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পোস্টে সহমত। আর্মি যদি ২৫ তারিখ বিকেলে এ্যাকশনে যেত তবে এত ম্যাসিভ ক্ষতি হতোনা। স্টেপ গুলোই রং ছিল। ২৫ তারিখে যখন বেড়িবাঁধের নালা দিয়ে দুজন আর্মি অফিসারের মৃতদেহ ভেসে এসেছিল তখনই বোঝা গিয়েছিল ভেতরে কি হয়ে গিয়েছে। তাই সেদিন সন্ধ্যের মধ্যে যদি আর্মি ট্যাংক নিয়ে বিডিআর হেড কোয়াটার্সে ঢুকে পড়তো তাহলে সে রাতের নির্মমতা এড়ানো যেত। আর আর্মি এ্যাকশনে গেলে বিদ্রোহিদের কাবু করতে খুব বেশী সময় লাগতোনা।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যে সহমত

১২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
তক্ষক বলেছেন: যে কোন বন্দী মুক্তি পরিস্থিতে প্রথমেই খবর নেয়া হয় জিম্মিদের। তাদের হালাবস্থা দেখেই দরাদরির শুরু হয়।

এক্ষেত্রে তা হয়নি। ঢালাওভাবে সাধারন ক্ষমা ঘোযনা করা হয়েছে।

ফলে যা হবার তাই হয়েছে।

যদি জওয়ানদের কাছে হাসিনা বন্দীদের অবস্থা সম্বন্ধে ওয়াকিফহাল হতেন এবং বন্দী বিনিময়ের পরিবর্তে ক্ষমা করতেন তবে পরিস্থিতি অন্যকরম হ"ত।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পয়েন্টটা ধর্তে পারার জন্যে....আমরা দেখেও শিখিনা, বিশ্বের অন্য কোথাও হলে, নি:সন্দেহে জিম্মি পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ত্ব দেয়া হতো শুরু থেকে .....খুনীরা যেভাবে যা চেয়েছিলো আমরা বিবেক বুদ্ধিসমেত তাদের ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে গেছি

১৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
সহেলী বলেছেন: সহমত হতে পারলাম না ; তখন অ্যাকশনে গেলে ভিতরে যারা জিম্মি ছিল ,পালিয়ে ছিল , নিরপরাধ বিডিআর ছিল ( সব বিডিআর খারাপ ছিল এটা ভাবতে পারিনা ) , এত অস্ত্রের মধ্যে থেকে তাদের পরিনতি কি হত ? সারা দেশের সীমান্ত নিয়ে এবং বিডিআর ক্যাম্প নিয়ে কি যেত ?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ভাই বিডিআরের জীবনের মূল্য নেই বলছিনা, কিন্তু একদিনে ১লাখ বিডিআর সদস্য নিয়োগ দেয়া যায়, একজন কর্নেল একদিনে তৈরি করা যায়না, সেনাবাহিনীর চালিকা শক্তি হচ্ছে লে;কর্ণেল....তাদের লাশ যখন ভেসে আসছে ম্যানহোলে তখন বিডিআরের প্রানের মায়া করে কি হবে? তাছাড়া তারা তো খুনী.বর্বর।

সবচে বড় কথা সাধারন ক্ষমার বিপরীতে হামলা চালাতেই হতো এমনটি বলছিনা...ডেটারেন্ট করা, মানে ঘিরে ফেলে এবং চাপ প্রয়োগ করলে তারা তটস্থ থাকতো, পারানোর মওকা করতো না।

১৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
ইউ২৫৬ বলেছেন: আমি লেখকের সাথে একমত। অপরাধ করে কাপুরুষ গুলো সাধারণ ক্ষমা দাবী করলো। আর আমরা বোকার মত তা মেনে নিলাম।

বিদ্রোহ এই পৃথিবীতে নতুন নয়। যে অপরাধ গুলো ঘটেছে, সে গুলো কি চিন্তা করা এতোই কঠিন ছিল? বাঙ্গালী বলে কি ওরা ধোয়া তুলসি পাতা?

ঘটনার আকস্মিকতায় হয়তো সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা হয়তো নতুন সরকারের জন্য একটা বড় ধাক্কা। কিন্তু একটু চলাক হলে হয়তো এতোটা ক্ষতি হতো না। বিশেষ করে পরিবার গুলোর।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: সরকারকে দোষ দিচ্ছিনা, বন্দি/জিম্মি মুক্তি ছাড়াই সিদ্ধান্তটা সময়োপযোগী ছিলোনা বলে মনে করি....এটা একটা বাচ্চা ছেলেও বুঝবে...

১৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: তক্ষকের মন্তব্যটা ভাল লাগল। তার পর্যবেক্ষন ঠিক আছে।
১৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: একটা জিনিস খেয়াল করে দেখুন...ঘটনার শুরুতেই কিন্তু হত্যা হয়ে গেছে এক সাথে প্রচুর অফিসারকে ...কিন্তু মুন্নী সাহাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জওয়ানরা বলছিল যে সবাই বেঁচে আছে...বন্দী আছে ...

আপনার কেন মনে হলো যেসব জওয়ানরা তখন আলোচনায় বসেছিল তারা সরকারের কাছে সত্যিটা প্রকাশ করবে ?...কারণ হত্যা দিয়েই তাদের শুরু হয়েছিল সেদিন ...কিন্তু তা গোপন করা হয়েছে ...খেয়াল করে দেখুন সেদিন সবাই জওয়ারনদের পক্ষে ছিল ...কারণ কেউ -ই বুঝে নাই এমন তান্ডব চলেছে

আর এতোগুলো জিম্মি বেঁচে ফিরে এলো...আর্মি এ্যাকশনে গেলে এদের কি হতো ??????

যারা বেঁচে এলো তাদের দিকটা কি ভেবে দেখা হচ্ছে না !!!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার পয়েন্টটা ধরেছি আপু, আসলে এরকম পরিস্থিতির জন্যেই বলা হয় লুক বিফোর ইউলিপ। সিদ্ধান্তটার আগে চিন্তাভাবনা করো।

আমি বলছি এ্যামনেস্টির সাথে অথবা বিনিময়ে চাপ দিকত পারতো। প্রধানমন্ত্রীর কাছে যখন প্রতিনিধি দল এলো, এদের কাছে দাবী করা উচিৎ ছিলো বন্দিদের হস্তান্তরের পর সাধারনক্ষমা। আর বন্দিরা যদি ভালোই থাকবে, তাহলে কেনো তাদের ফেরৎ দিতে অনীহা করবে ওরা?
সুশিক্ষিত আর্মিকে যদি দায়িত্ত্ব দেয়া হতো, তারা কমান্ডো অপারেশন হোক, যেভাবে হোক ভেতরে ঢুকতো।
আর্মি একশনের বিভিন্ন স্কেল আছে আপু, এ ধরনের উদ্ধার একশনও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর আছে।

১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: আসছেন আরেকজন পন্ডিত। সাধারন ক্ষমা কোন বাস্তবতায় ঘোষনা হয়েসিল সেটা করনেল কামারুজ্জামানের বক্তব্য পরলে বুজতে পারার কথা। হত্ত্যাকান্ড যা ঘটার প্রথম প্রহরেই হয়ে গেছে। আর রেপ হয়েসে এরকম এক্টা তত্থ্যসুত্র দিবেন দয়া করে। উপক্রিত হতাম।।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: চোখ উঠিয়ে, জিহবা কেটে, মানুষ পুড়িয়ে যারা মারতে পারে তারা আপনার কাছে এসে বলবে রেপ করেছি, কিংবা যারা রেপড হয়েছে, তারা এসে আপনার কাছে বলবে, রেপ করেছে....

আপনের মতো পন্ডিতের সাথে আলাপের রূচি নেই।

১৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: সবার অবগতির জন্যে বলছি, বিডিআর জওয়ানদের কাছে থাকা গোলা বারুদ আর আর্মির অস্ত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আর্মির কাছে যুদ্ধাস্ত্র আছে। আর্মি যদি সেসব নিয়ে ঢুকে পড়তো, জান বাঁচানো ফরজ করে জওয়ানরা ২৫ তারিখেই পালাতো, নয় মারা পড়তো। আর্মি বিডিআর হেডকোয়াটার্স দখলে নিতে ২০/২৫ মি. এর বেশী ব্যয় করতোনা। আমার মনে হয় একদিকে সরকারের দরকষাকষি চলতো (ছদ্ম) ওদিকে একযোগে আকাশ, স্থল দুদিক দিয়ে যদি আর্মি ঢুকে পড়তো তবে ২৫ তারিখেই ঘটনার পরিসমাপ্তি হত। ২৫ তারিখ পুরো রাত, ২৬ তারিখ প্রায় বিকেল পর্যন্ত জওয়ানরা যা করেছে তা প্রেসে আসতে শুরু করেছে, আরো আসবে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: ঠিক,...যাকে বলে কম্বাইন্ড অপারেশন

১৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: @ ইউ২৫৬ - ঘটনার আকস্মিকতায় হয়তো সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা হয়তো নতুন সরকারের জন্য একটা বড় ধাক্কা। কিন্তু একটু চলাক হলে হয়তো এতোটা ক্ষতি হতো না। বিশেষ করে পরিবার গুলোর।

একমত কারন তখন উদ্ধার করার মত কোন পরিবার পাওযা যেত কিনা সন্দেহ। আর কি বলব দুক্ষের কথা, চালাক লোকজন সরকারের কাছে যেতে পারেনা !!
২০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আপনের বক্তব্য কি?

২১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
নাজিরুল হক বলেছেন: আমার মনে হয় গুলা গুলি শুরু হইবার আগেই দরবার হলে একটা বোম ফাটাইয়া সকল অফিসারদের উড়াইয়া হেড কোয়ার্টারের বাইরে নিয়ে আসা উচিৎ ছিল। তাইলে বিদ্রোহীরা মারা যাইতো আর অফিসাররা জীবিত থাকতো।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার মাথায় আইস ব্যাগ দেয়া উচিৎ

২২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২
নীল লাল সবুজ বলেছেন: সুশিক্ষিত আর্মিকে যদি দায়িত্ত্ব দেয়া হতো, তারা কমান্ডো অপারেশন হোক, যেভাবে হোক ভেতরে ঢুকতো।
আর্মি একশনের বিভিন্ন স্কেল আছে , এ ধরনের উদ্ধার একশনও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর আছে।

অথচ দ্বায়িত্ব পেল নানক ! যার গলার স্বর বের হয় না। দায়িত্ব পেল আসাদুজ্জামান নূর, ইনু, মেনন !! এই সব আতেলরা কি ...ফালাইছে তা তো সবার জানা।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমম...যার কাজ তারে সাজে..

২৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০২
জুয়েল রানা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার মাথায় আইস ব্যাগ দেয়া উচিৎ

গুড অবজারভেশন। আপনার মাথার জন্য যেটা রাখতে চাইতেছিলাম সেটাই উনারে দিই।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: আপনের কাজ আমি করে দিছি, ফি দিয়া যান

২৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৭
জুয়েল রানা বলেছেন: ফি তো আগে চান নাই। অহন চাইতেছেন ক্যান?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: :)আগে ত কন নাই যে আপনের কাম আমি করে দিছি:)

২৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৩
জুয়েল রানা বলেছেন: পরেও তো কই নাই? কইছি?
২৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২০
নাজিরুল হক বলেছেন: আপনার পোস্ট দেইখা আসলেই মাথা গরম হয়া গেছে।

বিদ্রোহ দমনে যদি সশস্র পদক্ষেপ নেয়া হতো তাইলে জোয়ানরা কি বইসা বইসা আংগুল চুসতো? এই খানে উভয়েই সমান কৌশলী। একই ট্রেনিং প্রাপ্ত। যারা বাইর হইছে তারা সবাই বললো, সকল হত্যা কান্ড ঘটানো হইছে একই সময়।

আত্ব সমর্পনে একদিন দেরী হইছে লাশ গুলো সামাল দেয়ার জন্য।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আমার পোষ্টটা ভালো করে পড়ে, গুরুত্ত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো বোঝার চেষ্টা করুন

২৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৫
'লেনিন' বলেছেন: নাজিরুল হক বলেছেন: আমার মনে হয় গুলা গুলি শুরু হইবার আগেই দরবার হলে একটা বোম ফাটাইয়া সকল অফিসারদের উড়াইয়া হেড কোয়ার্টারের বাইরে নিয়ে আসা উচিৎ ছিল। তাইলে বিদ্রোহীরা মারা যাইতো আর অফিসাররা জীবিত থাকতো।
______________________________________

আপনি কি রাস্তায় মাস্তানী, রাহাজানী, ছিনতাই, মাদকসেবনে জড়িত? তা'নাহলে এধরণের কথা কী করে মাথায় আসে?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: বাদ দেন...যার যেমন বুঝ

২৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
'চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে" বাংগালীর চিরন্তন অভ্যাস।

আপনি ব্যাতিক্রম নন।

মাইনাস দিছি।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: সাদরে গ্রহন কর্লাম

২৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৮
কালপুরুষ বলেছেন: আমরা সকলেই যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে কথা বলছি। ঘটনা ঘটে যাবার পর অনেক কথাই বলা যায়। আসলে কী ঘটবে বা কী হতে যাচ্ছে সেটা অনুমান করা কারো পক্ষেই সম্ভব ছিলনা। যেখানে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিজেরাই চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে সাধারণ মানুষ আর কতটুকু অনুমান করতে পারে? তবে ঘটনা যে পূর্ব পরিকল্পিত সেটা অনেক বিশেষজ্ঞেরই অভিমত। সরকার সাধারণ ঘোষনা করেছিলনে যাতে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু খুনীরা আগে থেকেই বদ্ধ পরিকর ছিল সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার ব্যাপারে। আর সেই মুহূর্তে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা না করে যদি সেনাবাহিনী অপারেশনে নামতো তবে যারা এই পরিকল্পনার সাথে জড়িত নয় তারাও মরিয়া হয়ে নিজেদের বাঁচাতে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতো। সেখানে একজন জিম্মিকেও জীবিত পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ। কারণ ভেতরের বিদ্রোহী গ্রুপের সাথে সাধারণ জোয়ানরাও মরিয়া হয়ে উঠতো। বরং যারা বিদ্রোহী গ্রুপের কেউ নয় তাদের কারণেই হয়তো অনেকের জীবন রক্ষা পেয়েছে। সবাই যে বিদ্রোহী ছিল তাতো নয়। তবে যেহেতু এটা কোন অংকের হিসেব নয় তাই দু'য়ে দু'য়ে চার মেলানোর চেষ্টা করা বৃথা। পরিস্থিতি তখন এমন ছিল যা সরকার থেকে শুরু করে, সেনাবাহিনী ও সাধারণ মানুষ পর্যন্ত বুঝতে পারছিলনা কী ঘটতে যাচ্ছে বা তা কতদূর গড়াতে পারে। তবে কেই কেউ যে মারা যাচ্ছেন সেটা অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন কারণ বাইরে থেকে তেমনই মনে হচ্ছিল। সকল পর্যায়ের যাবতীয় পারমুটেশন-কম্বিনেশন দৃশ্যতঃ তখন অকার্যকর মনে হয়েছে। তাই কোন সিদ্ধান্ত সঠিক হতো আর কোন সিদ্ধান্ত সঠিক নয় এখন অবস্থাদৃষ্টে অনুমান করা গেলেও তখন তা সম্ভব ছিলনা। এটাই বাস্তবতা। আর সেই সময়ের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা বা না করার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কী ঘটতে পারতো বা না ঘটতো তা আগাম কারো জানা ছিলনা। আমরা কেউ সাসরিক বিশেষজ্ঞ নই, আমরা অনেক কিছুই বলে দিতে পারি। বিরোধী দলের নেত্রী সামরিক অফিসারের স্ত্রী হলেও সমর বিষারদ নন। তখন বর্তমার সরকার যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা উচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্তব্যক্তিদের সাথে আলোচনার মাধ্যেমেই নিয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। আজ কেন আমরা এসব প্রশ্ন তুলছি আমি ভেবে পাচ্ছিনা। দেশের ক্রান্তিকালে অনেকেরই সাধারণ বিচারবুদ্ধি লোপ পায় কিন্তু সবার নয়। তাই যে সব সিদ্ধান্ত এসেছে অনেক বিচারবুদ্ধির মাধ্যমেই এসেছে। তবে পরিস্থিতি যেহেতু কারো একার নিয়ন্ত্রণে ছিলনা এমন কী বিদ্রোহী গ্রুপও চিহ্নিত কোন গ্রুপ ছিলনা তাই পরিস্থিতি ট্যাকল্ করা কষ্টকর ছিল। আর এতোগুলো ব্রিলিয়ান্ট অফিসার অসহায়য়ের মতো মৃত্যু বরণ করলো অজানা কোন প্রতিহিংসা বা জিঘাংসার কারণে বা দেশের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য বা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দূর্বল করার জন্য এবং তাতে অন্য কোন বৃহৎ শক্তির ইন্ধন নেই তাই বা উড়িয়ে দেয়া যায় কিভাবে। এখন কারো কোন সমালোচনা নয় বরং উদ্ভূত পরিস্থিতিকে শান্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শস্তির ব্যবস্থা করা। এমন নজিরবিহীন ঘটনা রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমতূল্য। তাই এর সুষ্ঠ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং দেশের স্বার্থে, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে, দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে দোষী ব্যক্তিদের অবশ্যই খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরী। আমাদের উচিৎ সমালোচনা বা নানা বিতর্ক ঊর্ধে রেখে সর্বপ্রকারে এই ব্যাপারে সরকারকে সাহায্য করা। যে সব পরিবার তাদের প্রিয় স্বজন হারিয়েছেন তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ানো। বিভ্রান্তিমূলক সকল প্রচারণা বন্ধ হওয়া উচিৎ। যে হৃদয় বিদারক ঘটনা বা পরিস্থিতি আমরা প্রত্যক্ষ করলাম সেটা শত্রুদের ছকে বাঁধা পরিকল্পনা হলেও তার বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি বা সময়োপযোগী ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে নেয়ার মতো কোন কৌশল বা কার্যকর ব্যব্স্থা কারো হাতেই ছিলনা। গোয়েন্দাদের আগাম কোন বা তথ্য কারো হাতে ছিলনা। কোন প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া এমন একটা ঘটনা সামাল দেয়া একটা জাতির জন্য সত্যিই কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাই কারো প্রতি কোন দোষারোপ নয় বরং সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি ও বিচার হলেই আমাদের মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসবে।

উপরের বক্তব্য একান্তই আমার নিজস্ব অভিমত। কারো পক্ষে বা বিপক্ষে আমার কোন অবস্থান নেই। এদেশের একজন নাগরিক হিসেবে নিজস্ব স্বাধীন ভাবনায় যা মনে হয়েছে তাই বললাম। এই দেশের সামান্যতম ক্ষতি আমার নিজের ক্ষতি। কারণ এই দেশকে আমি ভালবাসি। এই দেশ আমার এই দেশের মানুষও আমারই মতো একজন। আর এই দেশ ও মানুষের যারা সর্বনাশ চায় তারা আমার আপনার সকলেরই শত্রু। তাই শত্রুকে চিনতে চেষ্টা করুন। আমাদের মাঝেই হয়তো সেই মুখোশধারী শত্রু লুকিয়ে আছে কিংবা পালিয়ে আছে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। কোন বিভ্রান্তিই যেন আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে না পারে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার দীর্ঘ মতামতের জন্যে কৃতজ্ঞ।

আসলে কিছু সময় আসে যখন সাধারন মানুষ, বা সাধারন ইমোশন দিয়ে সেটার সমাধান হয়না। যেমন পিলখানার বিষয়টি। অনেকেই আমাকে বলছেন বটে,,চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে..কিন্তু আমারমেতো অনেকেই চোর পালানোর আগেই চোরকে ধরার চেষ্টার কথা কল্পনা করেছিলো, সেনাবাহিনীই এই অনেকের প্রমান।

আপনি যেমনটি বললেন আরকি যেআমরা সকলেই যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে কথা বলছি.. ঘটনা ঘটে যাবার পর অনেক কথাই বলা যায়। আমি আমার জায়গা থেকে যা ভেবেছি তাই লিখেছি। সরকারের উচিৎ ছিলো সেনাবাহিণীকে আরো আগেই এর দায়িত্ত্ব দেয়া। তাহলে সরকার তার সফলতা ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারতো।

৩০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৮
বিডি আইডল বলেছেন: শেষের দিকে আপত্তিকর কিছু শব্দ ব্যবহার করেছেন...সেটা ছাড়া মোটামুটি একমত....জিম্মি ঘটনায় বিশ্বব্যাপী প্রথম যে কৌশল নেওয়া হয়.সেটা হলো সময়ক্ষেপণ....মনোবল দুর্বল করার জন্য....পুরো পিলখানা আর্মি এবং রেব দিয়ে ঘিরে এরপর আলোচনা চালানো উচিত ছিল
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: একেইতো জিম্মি রয়েছে তাদের হাতে, তাদেরকে সময়ক্ষেপের সাথে সাথে দূর্বল করার বদলে উল্টো খুনীদের কাছে নিজেদেরকে দূর্বল প্রতিপন্ন করা হলো। ইতিহাসের নৃশংস খূনীদের প্রতিনিধি এসে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে চলে গেলো নিজেদের কাজ বাগিয়ে, আর সারা জাতি বসে বসে তামাশা দেখলো।

৩১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
নির্বাক সুশীল বলেছেন:

আপনি প্রধানমন্ত্রী হন না ক্যানো?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: কি জানি?কৈতারি না

৩২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪০
মেহবুবা বলেছেন: সরকারের দায়িত্ব কি ছিল পরবর্তীতে সেটা আসবার আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তা যারা একটা বিশেষ দায়িত্ব পালন করে থাকে তারা কি করছিল ? সেনাবাহিনীর কতশত কর্মকর্তা সে শাখায় আছে ; তারা কি করেছে ?

আপনি যে কথাটা বলতে চেয়েছেন একলাখ বিডিআর একদিনে তৈরী করা যায় , কর্নেল এর সাথে তুলনা প্রসঙ্গে --সেটা কি ঠিক হল ? মানুষ হিসেবে সবাই সমান । একজন সুযোগ বঞ্চিত মানুষ বিডিআর হয়ে গেলে তার এভাবে মূল্য নির্ধারন করা ঠিক না । আমার একটা লেখা আছে দেখুন , মানসিকভাবে ভাল নেই --এটা মুছে দেব আজ রাতে ।

Click This Link


প্রথম অফিসারের লাশ পাওয়া গিয়েছে , যা দেখবার মত নয় ।পরেরজনেরটাও দেখে মেনে নেয়ার মত নয় ্
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: বিডিআর জোয়ানদের হেয় কর্ছিনা, কিন্তু ম্যালা কাঠখর পুড়িয়ে তৈরি একজন সেনা কর্মকর্তার সাথে তাকে গুলিয়ে ফেলতে পারিনা...ভুল বুঝলে নিজ দায়িত্ত্বে

৩৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
শোনেন ভাই, ভিতর থাইকা যে কয়েকজন জিম্মিকে ফেরত পাওয়া গেছে, তাদেরকে জীবিত পাওয়া না গেলে কী করতেন?

আপনে ব্লগে তিন মিনিট আঙভাঙ লেইখা খালাস। ইটস টু হার্ড টু বি অ্যা লিডার।


আপনার নিজের পার্সনাল লাইফে বউ, কিংবা বাবা-মা ফ্যামিলি আপার উপ্রে সন্তুষ্ট? সেইটুকু দায়িত্বই তো আম্রা ঠিকমতো পারি না। আর এতো বড় বড় কথা কই।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ভিন্নমতকে বরাবরের মতো স্বাগত জানাই

৩৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
রাজর্ষী বলেছেন: "১লাখ বিডিআর সদস্য নিয়োগ দেয়া যায়, একজন কর্নেল একদিনে তৈরি করা যায়না, "

কিন্তু আপনে একজন মানুষ তৈরি করতে পারবেন না। এখানে মানুষের মৃত্যুর ব্যাপার জড়িত সেখানে কে বিডিআর আর কে কর্নেল সেটা ভাবা মানে তো বর্নবাদী আচরন।

আপনার বক্তব্য একজন রেসিস্টের।
৩৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন:

আপনি আমি তো আর সেখানে জিম্মি ছিলাম না...তাই এখন অনেক কিছুই হিসেব-নিকেশ করে বলা যেতেই পারে..যারা ছিলেন তারাই কেবল জানেন কিভাবে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন ।

আজকে খবরে দেখলাম, লে.ক. শামস বললেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা না দিলে তার মত অনেকেই হয়ত বেঁচে ফিরে আসতে পারত না ।
৩৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
তুইরাজাকার বলেছেন: তাইলে কি আরেকটা যুদ্ধ চাইছিলেন না কি? লাশ কি কম হয়া গেছে?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা,সেই নগরীর এক ধুসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।ভারতসমুদ্রের তীরে কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে,অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই