
চিলিতে হয়ে গেল এক ভয়াবহ ভূমিকম্প, রিক্টার স্কেলে যার মাত্রা প্রায় ৮.৮ এটি রেকর্ড করা সব থেকে শক্তশালী ভূমিকম্প গুলির একটি। এ জন্য জাপান এবং রাশিয়া সুনামির সতর্ক করে দিয়ে ছিল। কিন্তু কাহিনী যাইহোক, তার একটি বড় পরিবর্তন বোধ হয় হয়ে গেছে।
এই ভূমিকম্প নাকি পৃথিবীর ঘূর্ণন নাকি পরিবর্তন করে দিয়েছে। এতে নাকি দিনের সময় কমে যাবে। অবাক হবার কথা হলেও ঘটনা একজন নাসার বিজ্ঞানী বলেছেন। তার আগে ৯.১ মাত্রার সূমাত্রার নিকট যে ভূমিকম্প হয়েছিল, যার দ্বারা ভয়াবহ সুনামি সৃষ্টি হয়েছিল ঐ ভূমিকম্পের খারাপ প্রভাব পরিবেশের উপর পড়েছিল এবং পৃথিবীকে তার অক্ষ থেকে প্রায় ২.৭৬ ইঞ্চি সরিয়ে দিয়েছিল, যাতে করে পৃথিবীর দিন প্রায় ৬.৮ মাইক্রসেকেন্ড কমে এসেছিল । কিন্তু চিলির ভুমিকম্পের ভোগলিক অবস্থানের জন্য পৃথিবীর অক্ষ সূমাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে বেশী সরিয়ে দিয়েছে। চিলির ভূমিকম্প পৃথিবীকে তার নিজের অক্ষ থেকে প্রায় তিন ইঞ্জি সরিয়ে দিয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে। এতে করে প্রায় ১.২৬ মিলি সেকেন্ড কমে গেছে। ইয়াহুর খবরে প্রকাশিত হয়েছে
The quake, the seventh strongest earthquake in recorded history, hit Chile Saturday and should have shortened the length of an Earth dayby 1.26 milliseconds, according to research scientist Richard Gross atNASA's Jet Propulsion Laboratory in Pasadena, Calif.
The computer model used by Gross and his colleagues to determine the effects of the Chile earthquake effect also found that it should have moved Earth's figure axis by about 3 inches (8 cm or 27 milliarcseconds).
ভবিষতে, আরো বড় ভূমিকম্পের কারনে, পৃথিবীতে কি ২৪ ঘন্টায় একদিন নাও হতে পারে। হয়তবা এমন ও হতে পারে ২০ ঘন্টায় একদিন। হাসবেন না প্লিজ। হাহাহাহা। যাইহোক, ঘটনা হল, ঘটনা তা না, যদি কোন বড় ভূমিকম্পে কোন কারনে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বেড়ে যায়, তাহলে দিন রাত আরো কমে যাবে। আবার ধরুন, আহ্নিক গতি কমে গেল, তাহলে তো দিন রাত আরো বেড়ে যাবে। সময় বাড়বে, মানে কাজ বেশী কর। ওহ ঝামেলা। ক্লাস বেশী। এত কাজ করতে মন চায় না। তাই ভালই হল, দিন কমে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


