somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... গরীবের সুখ ফেরাঊনদের সহ্য হয় না
এলাকার বিশিষ্ট জমিদার চৌধুরী সাব, দুঃখিত জমিদার বংশীয়। উনার পিতার দিকে পূর্ব পুরুষ ইরান থেকে এসে ছিলেন। শুনা যায়, ইরানে বাদশার খাস আত্মীয় ছিলেন। বাংলায় এসে উচ্চ বংশীয় ব্রাহ্মণের সন্তানকে বিবাহ করেছিলেন। সে হিসাবে দুই দিক থেকেই উনি সম্ভ্রান্ত বংশের সন্তান। গরীবের জন্য উনার মায়া অনেক, তাই কার্ল মাক্সের সমাজ তন্ত্রের অনুসারী। বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি। দলের জন্য এহেন কর্ম নাই যে তিনি করেন নাই, উনাকে দেখলে হিন্দি ছবির নায়ক মনে হয়, কি সুন্দর লম্বা কোর্ট, একে বারে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ভুল হয়। চৌধুরী সাব জ্ঞানী মানুষ, সবার মাথা সমান না, এইটা তিনি ভাল করেই বুঝেন, সাথে ন্যাচারাল সিলেকশনের যোগ্য মানুষ গুলিরেই পার্টিতে নেন। কয়দিন আগে বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতির পোলারে সবাই চান্দা তোলে একখানা মার্সিডিজ কিনে দিয়েছেন! এব্যাপারে উনার বক্তব্য, পোলাটা কত কষ্ট করে দেশের জন্য আমেরিকায় পড়াশুনা করতেছে। সৌদি বর্বরতা সম্পর্কে উনার অবস্থান সম্পূর্ণ কঠোর, শুনুন তাহলে চৌধুরী সাহেবের মুখেই:

“ফকিরন্নির পোলা দুইটা সৌদি গিয়া গ্রামে পাক্কা বাড়ি তোলেছে। দুইদিন আগেও বাড়ি বাড়ি কামলা দিত। এখন বাড়ি বাড়ি কামলা দেয়না, ঢাকা শহরে কামের মানুষের পাওয়ার কত অভাব। কয়দিন আগেও মুসলিম মাইয়া গুলি মাথায় লাল তিলক দিয়ে কলকাতার বাড়ি ঘরে কামলা দিত। ফকিরন্নির পোলা পাইন সৌদি টাকায় মসজিদ বানিয়েছে। এখন আর দরকারে এদের পাওয়া যায় না। রহিমার পোলাটা এখন চোখ তোলে কথা কয়, নাতীটারে স্কুলে ভর্তি করিয়েছে। সৌদি না গেলে সারা জীবনেও ভাত পাইত কি না সংদ্ধেহ। এখন এদের পাওয়ার বেড়েছে, দেখলে গা জ্বালা করে। সৌদি গুলার মানবতা বলে কিচ্ছু নাই, মন্দির বানাতে দেয়না। তয় দাদারা কেন সৌদি যাইবার লাগি পাগল সেইটার মারিফত বুঝা যায় না। সৌদিরা বর্বর দাদারা বলেছেন, দাদাদের কথা কি ভুল হইবার পারে? তয় সাদা চামড়ার দেশ গুলি অত্যান্ত মানবিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া কাউরে ভিসা দেয়না। দুই পয়সার দাম নাই, অশিক্ষিত রহিমার পোলাপালাইনরে ভিসা দিয়া গোলাম গুস্টিরে মাথায় তোলব নাকি? এই বর্বর কাম সোদি ছাড়া আর কোন বেকুবে করব, অশিক্ষিত গোলারে ভিসা দিয়া মাথায় তুলছে। এরা এখন সাম্যবাদী সমাজের জন্য হুমকি সরূপ।”

প্রশ্ন: স্যার, শুনা যায় আপনার চাচা নাকি শান্তি কমিটির বড় সদস্য আছিলেন, ৭১ রে অনেকের রক্ত নাকি উনার হাতে লেগে আছে , এ জন্য নাকি দাড়ি টুপি ওয়ালা মানুষ দেখলেই রাজাকার বলে গালি দিয়ে নিজের বাপ চাচার দোষ লুকান ?

চৌধুরী সাব: “আমার নামে এই গীবত যারা গায়, তারা যে মহা ভণ্ড তাহা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেননি সেইটা ভুল কথা, উনারে বন্দুকের নলের মুখে পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করানো হয়েছিল, আমার চাচা রাজাকার না, এটা মিথ্যা-অপপ্রচার, তিনি শুধু পাকিগো নামে মাত্র সহায়তা করেছিলেন। আর দাড়ি টুপি মানেই রাজাকার সেটা বুঝার জন্য আপনাকে রকেট সাইনটিস্ট হতে হবে না, শুধু ইউটিউবের ভিডিওটা দেখলেই বুঝবেন।”
http://youtu.be/ILsGjUyT1bA

প্রশ্ন: আপনার প্রিয় ব্লগের নামে শুনেছিলাম তারা নাকি ধর্ম প্রচার নিরুত্সাহ করে, কিন্তু ধর্ম বিরোধী প্রচার নিয়ে কোন কথা বলে না। ঘটনাটি একটু খুলে বলবেন?

চৌধুরী সাব: “দেখেন ঘটনা না বুঝেই কথা বলা মূর্খদের স্বভাব, আপনারা বেকুব গুষ্ঠি এইটা বুঝে না, যে কোন নাস্তিক কখনও খারাপ হই-তাপারে না, বরং সকল আস্তিকই ভণ্ড। আস্তিকদের ভণ্ডামি বিশেষ করে এই জগতের সব থেকে বড় সমস্যা মুসলিমদের ভণ্ডামি রোধের জন্যই এই ব্যবস্থা। এই ধরনের সামান্য স্ববিরোধীটাকে যারা ভণ্ডামি বলে, তারা যে কত বড় ভণ্ড তা বুঝার নিশ্চয়ই বাকি থাকে না। মনে রাখবেন, আমার মত মানুষ হাজার বছরেও বাঙ্গালি একটাও দেখে নাই, নিকট এক হাজার বছরেও দেখবে না। আমি যদি কিছু পছন্দ করি, মনে রাখবেন এর পিছনে বড় কারণ নিহিত আছে।”

-আপনার মহামূল্যবান সময় আমাদেরকে দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29510508 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29510508 2011-12-26 18:33:54
আলোর গতির চেয়েও বেশী গতি আলোরগতির থেকেও বেশী গতির দেখা মিলেছে

জানার আছে অনেক কিছুই, কিন্তু সব কিছু জানা হল না। ঐদিকে স্টিফেন হকিং সারটিফিকেইট দিয়েছেন, মহা বিশ্ব সৃষ্টিতে স্রষ্টার দরকার নেই। পৃথিবী এই সার্টিফিকেইট পাবার সাথে সাথেই আরেক সার্টিফিকেইট পেল। দেখা যাক এবার কোন ব্যাক্ষা আসে। আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২৯৯,৭৯২,৫০০ মিটার ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29453766 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29453766 2011-09-23 20:02:17
সেই লাল গোলাপ, রক্তের সেই লাল রং
বসীর সাহেব এতিম অবস্থায় মানুষ হয়েছেন। কিভাবে এতিম হয়েছেন এ ব্যাপারে তিনি তেমন কিছু জানেন না। তবে ছোট বেলার কথা আবছা আবছা মনে করতে পারেন। তাদের একটি সাদা রং এর বাড়ি ছিল, তার সামনে ছিল ছোট খাট একটি বাগান। সেখানে তার মা ফুলের গাছের পরিচর্যা করতেন। একবার একটি লাল গোলাপ দেখিয়ে তার মা বলে ছিলেন, এ হচ্ছে লাল গোলাপ, ভালবাসার প্রতিক, মানুষকে ভালবাসতে চেষ্টা করিস। মায়ের মুখ আবছা আবছা মনে আছে বশীর সাহেবের।

মানুষকে ভালবাসা আর বসীর সাহেবের হয়ে উঠেনি। সরকারী চাকরির বদলে লাল পার্টির একজন লাঠিয়াল হয়ে গেছেন। এ নিয়ে তার কোন কষ্ট নেই। মানুষ কত কী করে, এতিম অবস্থায় তার সাথে যে রূপ ব্যাবহার করা হয়েছে, তা সে ভুলে কি করে। মানুষ যেন তাকে যুতার তলায় রাখত। সে অবস্থা থেকে লাল পার্টির তাকে তুলে নিয়ে এসেছে। এখন তিনি পুলিশের এরিয়া কামান্ডার। নিজের একটি তিন তালা বাড়িও আছে। তাই, লাল পার্টির যেকোন আদেশ বলা মাত্রই তামিল করেন। কাউকে গুলি করতে বললেও করেন।

গত শনিবার, পার্টির অফিসের সামনে ব্যাপক গোলাযোগ, বেকুব মানুষগুলি আবার চিল্লা ফেল্লা শুরু করেছে। বিশস্থ এরিয়া কামান্ডার বসীর সাহেবেরই ডাক পরল। লালা পার্টির কমিশনার সাহেব জানিয়েছেন, এই বিক্ষোভ দমাতে পারলে বশীর সাহেবকে কমিশনার করা হবে। প্রয়োজনে ব্রাস ফায়ার করার পারমিশন দিয়ে দিলেন।

বশীর সাহেব উত্তাল জনতার উদ্দোশ্যে হুমকি দিলেন। না থামলে ব্রাস ফায়ার করে এই চিল্লা চিল্লির অবসান এই মুহুর্তেই করবেন। পুলিশের সদস্যরা ভয়ানক কষ্ট করে যাচ্ছে। ইট পাটকেলের আঘাত পুরোটাই এদের উপর পরতেছে। বশীর সাহেব আর দেড়ি করতে পারেন না। আকাশে ফায়ার করার হুকুম দিলেন। ঠাস ঠাস, আওয়াজ, মুহূর্তেই দোড়া দোড়ি। কিন্তু মানুষ গুলো বেহায়া হয়ে উঠেছে। আবার তারা স্লোগান দেওয়া শুরু করেছে। আর ধৈর্য ধরা যায় না, ব্রাস ফায়ারের হুকুম দিলেন। নাহ, উনার পুলিশের ছেলেরা হুকুম অমান্য করল। বসীর সাহেব উঠে দাড়ালেন। কি করবেন বুঝতে পারলেন না, সরাসরি কমিশনারকে ফোন দিয়ে জানালেন, কমিশনার জবাব দিলেন, সব কটা পুলিশ সদস্যকে জমের বাড়ি পাঠাবেন, তিনি এক্ষুনী এক ট্যাঙ্ক সহ এদিকেই আসছেন।

বসীর সাহেব, পুলিশের জুনিয়র সদস্যদের আচরন নিয়ে চিন্তা করছিলেন। ছেলে গুলো এত বড় রিস্ক নিল। মাথা ঘুরে গেল বসীর সাহেবের। ঐখানে গুলি করলে হয়ত অনেকেই তার মত এতিম হত। শেষ পর্যন্ত মায়া লাগলো এই যুবক পুলিশদের জন্য। ইতিমধ্যে কমিশনার সাহেব তার দল বল টাংক সহ হাজির।

কমিশনারঃ মিস্টার বসীর, হোয়ার ইজ ইয়োর ফোর্স ।

বসীরঃ স্যার, এই টোল্ড দেম টু গো আউট ফর্ম দিস এরিয়া ।

কমিশনারঃ হোয়াট ?

বসীরঃ Yes sir, I know What you will do, Your party has no love for the people even if they serve you for long time.

কমিশনারঃ Do you aware what you are saying ?

বসীরঃ Sir, I have understood, Soon there will be no Boshir in this world. Sir, I had a Mom, She told me to love the people, But I could not. Sir, these boys have showed me what is love. Dear Sir, You give me many things, Your party gives me lot of things. At Last I realised, I should be a person what my mom want's. Sir, If I did any things for your party, Please Plant a rose-tree in my grave.. (আমি বুঝেছি, কিছুক্ষনের মধ্যে বসীর নামে কেউ এই দুনিয়ায় থাকবে না। স্যার, আমার একজন মা ছিলেন, তিনি যেন মানুষকে ভালবাসী, তাই বলেছিলেন। কিন্তু আমি তা পারিনি। স্যার, এই ছেলে গুলো আমাকে শিখিয়েছে ভালবাসা কি। স্যার, আপনি আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন, এই পার্টি আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। কিন্তু সবশেষে আমার উচিত মায়ের চাওয়া মত মানুষ হওয়া। স্যার, আমি যদি পার্টির জন্য কিছু করে থাকি, তাহলে আমার কবরের উপর একটি গোলাপ গাছ লাগিয়েন)

আকাশের দিকে তাকিয়ে বসীর সাহেব জোর গলায় বলে উঠলেন, হে আল্লাহ পাক, তুমি আমায় মাফ করে দিও।

"সিরীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, গত সোমবার এই শহরে সরকারবিরোধীরা ১২০ জন পুলিশকে হত্যা করে। মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালাতে অপারগতা প্রকাশ করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ওই পুলিশ সদস্যদের গুলি করে হত্যা করে।" – প্রথম আলো]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29396709 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29396709 2011-06-14 19:21:11
একটি প্রতিবাদ মূলক কবিতা, যার নাম দিতে পারি নি
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29235401 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29235401 2010-09-05 08:35:05
নাস্তিকতাবাদের একটি বড় সমস্যা
১. ঈশ্বর আছেন এর সপক্ষে কোন প্রমান নেই।
২. ঈশ্বর নেই এর সপক্ষেও কোন প্রমান নেই।
উভয় কথাই তারা মেনে নেন।

এখন ধরুন, আপনি একটি বলের বাক্স আনলেন। বক্সটি এরকম যে এর ভিতরে কি আছে দেখা যায় না। এখন, দুই জন মানুষ পাওয়া গেল। একজন বললঃ বক্সের ভিতরে বল আছে, আমি বিশ্বাস করি। আরেকজন বলল, না এখানে বল নেই, আমি বিশ্বাস করি। ভাল করে চিন্তা করে দেখুন, বল না থাকলে এর পক্ষে প্রমান থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বল থাকার ক্ষেত্রে আন্দাজ করে বলা যায়, বল থাকলেও থাকতে পারে যেহেতু বল নেই এমন কোন প্রমান নেই। তার মানে না-থাকার চেয়ে থাকার পক্ষের যুক্তিই জোরালো। (ব্যাপারটি বুঝাতে পারলাম কি না কি জানি)

বুঝার জন্য আবার ট্রাই করি, আব্দুলের কাছে ৫ টাকা আছে কি নেই?
১. আব্দুলের কাছে ৫ টাকা থাকতে পারে।
২. আব্দুলের কাছে ৫ টাকা নাও থাকতে পারে।
(১*১) ৫ টাকা থাকার পক্ষে কোন প্রমান নেই, এর মানে তার কাছে ৫ টাকা থাকলেও থাকতে পারে।
(২*১) ৫ টাকা না থাকার পক্ষে কোন প্রমান নেই, তার মানে তার কাছে ৫ টাকা থাকলেও থাকতে পারে।
এই পয়েন্ট গুলি বিবেচনায় আনলে দেখা যায়, বিশ্বাসীদের পক্ষের যুক্তিগুলিই জোরালো।

বিশ্বাস কোন খারাপ জিনিস না। বিশ্বাস আছে বলেই আপনি ভালবাসতে পারেন আপনার বাবা-মা কে। বিশ্বাস আছে বলেই, আপনি আপনার ভাইকে লক্ষ টাকা দিতে পারেন। আর ভালবাসতে পারেন এই পৃথিবীকে আর এর মানুষ কে। আর বিশ্বাস না থাকাই অশান্তি। চরম অশান্তি। যারা তাদের ভাই কিংবা বোন অথবা ভালবাসার মানুষকে বিশ্বাস করতে পারে না, তাদের জীবন যে কত অসহ্য, তাদের দেখলেই বুঝবেন। বিশ্বাস আছে বলেই, আপনি একজন সম্মানিত শিক্ষক কে সম্মান করেন, এই বিশ্বাস না থাকলেই আপনি তা করতেন না। বিশ্বাসের উপর ভর করেই এই পৃথিবী চলে। তাই চলুন, বিশ্বের স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, আমাদের সৃষ্টি করার জন্য। যদি আপনি সাধারন বিষয় বিশ্বাস করতে পারেন, তাহলে স্রষ্ঠাকে বিশ্বাস করায় দোষ কোথায়।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ ১ ফরিদ আহমেদ, মুক্তমনার মডারেটর। (উনার একটি অনুবাদ আমাকে এ ব্যাপারটি বুঝতে সহায়তা করেছে) ২ নাম না জানা এক লেখক (বিশ্বাসের গুরুত্ব বুঝতে আমাকে সহায়তা করেছে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231875 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231875 2010-08-29 18:34:33
সৃষ্ঠিকর্তাকে কে সৃষ্ঠি করেছেন? আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রশ্নে এবং এর উত্তর
আমি এই লেখাটি অন্য একটি ব্লগে লিখেছিলাম কাউরো একজন কে জবাব দিতে। কিছু ভুল হয়েছিল, তাই নিজ দায়িত্ব মনে করে সংশোধন সহ লেখাটি এখানে দিলাম। বিষয়টি বুঝা অনেক জরুরি। আগে প্রশ্ন গুলি জেনে নেই।

সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন ?

যার কোন কিছুই অসাধ্য নয়, তাকেই বলা হয় মর্বশক্তিমান। আমরা বলি আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তাহলে তিনি কি এমন একটা পাথর তৈরী করতে পারবেন, যা নিজেই ভাংতে পারবেন না। যদি তৈরী করতে না পারেন, তাহলে সর্বশক্তিমান কথাটির সঠিক অর্থ রইল না। যদি তৈরী করে ভাংতে না পারেন, তাহলেও সমস্যাটি একই দাঁড়ালো। তাহলে কি সর্বশক্তিমান কখাটি অর্থহীন একটা শব্দ মাত্র?

আল্লাহ পাক যদি সর্বশক্তিমান হন, তাহলে তিনি এমন একটি পাহাড় বানাতে পারবেন, যে পাহাড় তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না। যদি না পারেন, তাহলে তিনি সর্বশক্তিমান নন। যদি পারেন, তাহলেও তিনি সর্বশক্তিমান নন, কারন তিনি আর ঐ পাহাড় তুলতে পারবেন না।

সৃষ্টিকর্তা কি আরেক সৃষ্টি কর্তা সৃষ্টি করতে পারবেন ?

কোন ক্লাস ফাইভের ছেলে মনে হয় এভাবে উত্তর দিবে, হ্যা পারেন, এমন পাথর যা নিজেই ভাংতে পারেন না। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তা ভাংতে পারবেন না, যতেক্ষণ পর্যন্ত তিনি তা না চান। কিন্তু তিনি আবার এটি ভাঙ্গতে পারবেন, যখন তিনি তা চান।

কী ভাই মাথা কি ঘুরাইতাছে। কিন্তু আল্লাহ পাক এসব কাজ করেন তা জানা যায় না। যে কাজ তাকে দিয়ে মানায় না, তা তিনি করেন বলে, আমরা দেখি না। যেমনঃ

আল্লাহ পাক কি ভুল করতে পারেন। হ্যাঁ পারেন, যদি তিনি চান কিন্তু তিনি তা করেন না, আমার পালনকর্তা ভ্রান্ত হন না (২০:৫৩)

আল্লাহ পাক কি কারো প্রাপ্য হক কেরে নিতে পারেন, হ্যা তিনি পারেন কিন্তু তিনি তা করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; (4:40)
{এটা দেখে ভাবিয়েন না, যে আল্লহ পাক কাউকে পরিক্ষা করেন না}


আসল কাহিনীতে আসেন, আমি যখন ছোট ছিলাম, দাবা খেলায় আমি অনেক ভাল ছিলাম (এখন দাবা খেলি না)। তো দাবা খেলায় কে কত কম চালে জিততে পারবে এ নিয়ে চিন্তা করতাম, তো একবার মনে হলে আমি এত এত চালে জিততে পারি, শেষে বের করলাম সর্বনিম্ন এত চালে আমি জিততে পারবো। এর নিচে কোন চালে কেউ জিততে পারবে না। কিন্তু তখনই পড়লাম ঝামেলায়, তাহলে আল্লাহ পাকও কি এক চালে গেইম দিতে পারবেন না? গবেষণা করে উত্তর বের করালাম, হ্যাঁ তিনি পারবেন, যে তার বিরুদ্ধে খেলতে গিয়েছে, সে এক চাল হওয়ার পরই নিজে হার মেনে যাবে নিজ থেকেই তাই হেরে যাবে। কারণ আল্লাহ পাক চান তিনি এক চালে গেইম দিবেন, আর সে এমনিতেই হার মেনে যাবে। ব্যাপারটি বুঝতে বেশ গোলমাল লাগবে। কিন্তু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন। বিষয় হচ্ছে হারা বা জিতা বলতে আসলে কিছু নেই, কিন্তু আমাদের মনে ধারণা এটি হারা, এটি জিতা, এভাবেই আমরা ভাবি। এর বাইরে আমরা কিছু ভাবতে পারি না। আমাদের ভাবার ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে অভাবনীয় বিষয়ে প্রশ্ন তুলি। এখন, এই অভাবনীয় বিষয় যদি আল্লাহ পাক করতে চান তাহলে করতে পারেন, কীভাবে, খুব সহজ, তিনি সময়-কে পূর্বে নিয়ে যাবেন, আর পূর্ব থেকেই এভাবে নিয়ে আসবেন। তাহলে তিনি যা নিয়ে আসবেন, আপনি তাই ভাববেন। আর এভাবেই তিনি তাঁর কাজ করে ফেলতে পারেন।

মনে করুন দাবা খেলার নিয়মই তিনি হাজার বছর আগে গিয়ে পরিবর্তন করে দিলেন। এখন, হাজার বছর পরে দেখবেন এক চালেও গেইম হয়। বুঝছেন ব্যাপারটা । যেসব চিন্তা করতেছেন, এগুলো হচ্ছে সেন্স, যা আল্লাহ পাক যেভাবে দিয়ে রাখছেন সেভাবেই করতেছেন, এখন আল্লহ পাক যখন ইচ্ছা এই সেন্স পরিবর্তন করে দিতে পারবেন। তখন বর্তমানে যুক্তিতে যা অসম্ভব বলে বিবেচিত হয়, তা আর তখন অসম্ভব মনে হবে না। কিন্তু তখন হয়ত অন্য প্রশ্ন খুঁজবেন।

না বুঝলে আরেকটু আগাই। কোন ব্যাপার ঘটা বা হওয়া আল্লাহ পাকের নিজের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে করুন, আল্লহ পাক সব করতে পারেন। এই সব করা আসলে কী? আল্লাহ পাকের কিছু হওয়াও নেই, তিনি কিছু হন না, আল্লাহ পাকের ঘটাও নেই, তিনি কিছু ঘটেন না। কিছু হওয়া বা ঘটা এটা সৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত, স্রষ্টার সাথে নয়। তিনি সর্বশক্তিমান। এই সর্ব বিষয়টি কী সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। তিনি কোন বস্তু নন, যে তাঁর উৎপত্তি হবে, তিনি কোন মানুষ বা হাতি নন যে তিনি পাথর তুলবেন (জীবনে দেখছেন যে আল্লাহ পাক পাথর তুলতেছেন?) আসলে প্রশ্ন গুলিই ঠিক না। বলা যায় পাগলামি। যেমনঃ- একটি ঘরে মাইনাস দশ জন মানুষ আছে। এ কথার কোন অর্থ নেই, কারণ ঘরে কোন মানুষ নেই হতে পারে, কিন্তু মাইনাস দশজন মানুষ আছে হতে পারে না। কোন কথার কী অর্থ থাকবে, কী থাকবে না, এটিও আল্লাহ পাকের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলেই হাজার বছর আগে গিয়ে সৃষ্টির সিস্টেম বদলিয়ে যা আজকে পারা যায় না বলে মনে হচ্ছে, তাই আবার পারা যাবে মনে হবে। এহিয়া উলুম উদ দ্বীন থেকে বুঝার সুবিধার্থে,

আল্লাহ্ পাক এক ,তার কোন শরীক নেই,তিনি একক তার মত কেউ নাই ,তিনি অমুক্ষাপেক্ষি তার প্রতিদ্বন্দী এবং সমকক্ষ কেউ নাই। তিনি চিরন্তন যার কোন শুরু নেই। তিনি সদা প্রতিস্ঠত ,যার কোন শেষ নাই.দতনি সদা বিদ্যমান,যার কোন অবসান নেই। তিনি অক্ষয় যার কোন ক্ষয় নাই.তিনি সবার প্রথম এবং শেষ.তিনি প্রকাশ্য এবং তিনিই গোপন। পবিত্রতা এই বিস্বাস রাখা যে, আল্লাহ্ তা’আলা সাকার নন,সীমিত পর্দাথ নন,পরিমান বিশিষ্ট নন এবং বিভাজ্য নন.তিনি দেহের অনুরুপ নন। তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুর অনুরুপ তিনি নন এবং তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুও তার মত নয়। না তার সমতুল্য কেউ আছে না তিনি কারও সমতুল্য। তিনি আরশ,আকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা র্পযন্ত সবকিছুর উপরে। তিনি এই ভাবে উপরে যে আরশের নিকটেও নন,আবার পৃথিবী থেকে দুরেও নন.বরং তার র্মযাদা এই সব নৈকট্য এবং দুরত্বের অনেক উর্ধে। এতদসত্তেও তিনি প্রত্যেক বস্তুর সন্নিকটে এবং মানুসের ধমনির নিকটবর্তী। তারনৈকট্য দেহের নৈকট্য এর অনুরুপ নয়। যেমন তার সত্তা দেহের সত্তার অনুরুপ নয়। তিনি কোন বস্তুর মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না এবং কোন বস্তু তার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না। তিনি সময়ের বেস্টনির থেকে মুক্ত.তিনি স্থান কাল এবং জন্মের র্পুবে ছিলেন। তিনি এখনও তেমনি আছেন যেমন ছিলেন র্পুবে। তিনি নিজ গুনা বলীতে সৃস্টি থেকে আলাদা.তার সত্তায় তিনি ব্যতিত অন্য কেউ নাই এবং অন্য কোন কিছুতেই তার সত্তা নেই.তিনি পরির্বতন ও স্থানন্তর থেকে পবিত্র। তিনি গুনাবলীর র্পূনতায় কোন সংযোজনের প্রয়োজন রাখে না। বিবেক দ্বারাই তার অস্তিত্ব আপনা আপনি জানা হয়ে যায়। আমি চোখ খুলেছি কিন্তু আমি কোন কলম দেখতে পাচ্ছিনা? জ্ঞান তাকে বলল-এটা তুমি কি বলছ?ঘরের আসবাবপত্র কি ঘরের মালিকের ন্যয় হয়?তুমি কি জান স্রস্টার সত্তা অন্য কারো সত্তার মত না ? ঠিক সেরকম স্রস্টার হাত জড় জগতের অন্যান্য হাতের মত না। তার কলম জড় জগতের কলম এর মত না.তার সত্তার কোন শরীর নেই। তিনি কোন অবস্থানে আবদ্ধ নয়.তার হাত মানুষের হাত এর মত রক্ত,মাংস ওঅস্থির দ্বারা হঠিত নয়.তার কলম জড় জগতের কলম এর মত নয়। তার ক‍লমের কোন স্বর বা অক্ষর নেই। তার লেখনিতে কোন কালির অংকন নেই।

আপনাদের বুঝার সুবিধার্তেঃ আল্লাহ পাক যুক্তির বেষ্ঠনী থেকে মুক্ত, কোন যুক্তি তাকে আটকাতে পারেন না, তিনি যেভাবে চান সেভাবেই যুক্তি তৈরি হয়, যেভাবে তিনি চান সেভাবেই বাস্তবতা আসে, তিনি যে কোন সময় বাস্তবতার যুক্তিকে ভিন্ন রূপ এবং ভিন্ন রূপের যুক্তিকে বাস্তবতার যুক্তিতে নিয়ে আসতে পারেন, যা আজকে বাস্তব মনে হচ্ছে তাকে অবাস্তব, এবং যা অবাস্তব মনে হচ্ছে তাকে বাস্তবে পরিণত করতে পারেন। তখন অবাস্তবকেই আপনার নিকট স্বাভাবিক মনে হবে, আর বর্তমানের স্বাভাবিককে অবাস্তব মনে হবে। বস্তুত আল্লাহ পৃথিবীর কোন বস্তুর মত নহেন, যে আপনি ধারণা করবেন তিনি এরূপ, না কোন বস্তুর বৈশিষ্ট্য তাকে দিতে পারবেন, (যেমন তিনি পাথর তুলতে পারবেন কি না? কেউ তাহাকে সৃষ্টি করেছে কি না) আপনাকে বুঝতে হবে, সৃষ্ট এবং স্রষ্টা এর পার্থক্য। আল্লাহ পাক কোন কিছুর মত নন, তাই কোন সৃষ্ট বস্তু বা প্রাণী বা অন্য কিছুর কোনরূপ বৈশিষ্ট্য, ক্ষমতা আল্লাহ পাকের উপর আরোপ করতে পারবেন না। জোর করে আরোপ করতে চাইলে বাক্যের কোন অর্থ থাকে না। আরো ভাল ভাবে বুঝতে এই লেখাটি পড়ুন। আর এসব পড়েও মূলত কিছু বুঝবেন না বা বুঝতে চাইবেন না, কারণ হেদায়েত আল্লাহ পাকের কাছে, তাই শুদ্ধ মনে আল-কুরান পড়ুন, খামোকা আমাদের মত মূর্খদের কথা কেন শুনবেন।

মেরিনার ভাইয়ের একটি সুন্দর যুক্তি আমার পুরো বক্তব্য কে তুলে ধরতে পারে। বক্তব্যটি নিম্নরূপঃ
ধরা যাক আপনি অনেক দীর্ঘ একটি তাসের সারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনি দেখছেন একটি একটি করে তাস পড়ে যাচেছ এবং পড়ে যাওয়ার সময় সে পরের তাসটিকে ধাক্কা দিচ্ছে, ফলে পরের তাসটিও পড়ে যাচেছ, এভাবে একটি তাসের পতনের কারণ হচ্ছে তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, এভাবে যেতে থাকলে একটি তাসে গিয়ে আপনাকে থামতেই হবে যেটি প্রথম তাস ৷ এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, প্রথম তাসের পতনের কারণ কি? উত্তরে বলা যাবে না যে সেটিও একটি তাস, ফলে বুঝতে হবে যে প্রথম তাসের পতনের কারণ এমন কিছু যে নিজে তাস নয় ৷ হয়ত সে একজন মানুষ যে প্রথম তাসটিকে টোকা দিয়েছে ৷ এই মানুষটি যেহেতু তাস নয়, সেজন্য তাসের ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যসূচক প্রশ্ন করা যাবে, এই মানুষের ক্ষেত্রে তা করা যাবে না ৷ যেমন তাসের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায় যে “তাসটি কি হরতন না ইস্কাপন?”, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি অবান্তর ৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও তাসের পতনের পেছনে আদি কারণ হিসেবে মানুষ থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ ঠিক তেমনি স্রষ্টা যেহেতু সৃষ্টি নন কিংবা ফল নন, সেহেতু “তাঁর স্রষ্টা কে?” বা “কারণ কি?” এই প্রশ্নগুলি তাঁর বেলায় প্রযোজ্য নয় – কিন্তু তাঁর থাকার বিষয়টি বাস্তব ।

সবশেষে বলি, আল্লাহ পাক সব বিষয়ে জানেন। আমাদের জানার অনেক ভুল আছে। তিনি আমাদের যেন ক্ষমা করেদেন, আমিন।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
১ ইমাম গাজ্জালি রঃ (উনার লেখা পড়ে বিষয় বুঝতে সহজ হয়েছে) বাড়িতে বইয়ে পড়েছিলাম, এহিয়া উলুম উদ দ্বীন এর অংশটুকু পেয়েছি আমার নিজের ব্লগে করা টোকাই সিকদার এর কমেন্ট থেকে, কিছুটা সংশোধন করে নিয়েছি। ২ ডা জাকির নায়েক (উনার একটি লেখা আমাকে একই বিষয় বুঝতে সহায়তা করেছে) ৩ মেরিনার ভাই (উনার একটি লেখা আমাকে একই বিষয় পরিষ্কার হতে সহায়তা করেছে) ৪ জানা অজানা সকল ব্যাক্তি যারা এই বিষয় গুলিকে পরিষ্কার করে গিয়েছেন। (তাদের কাজের উপর ভিত্তি করেই অন্যরা কাজ করেছে) ৪ এবং সকল ব্যাক্তি যারা এ ধরনের প্রশ্নগুলি তুলেছেন। (তারা প্রশ্ন না করলে, এ ব্যাপারে কেউ চিন্তা করত না) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231413 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231413 2010-08-28 21:03:03
বহু দিন পর ঘরে ইফতারী করলাম
আজকে শনিবার, ছুটির দিন, পড়াশুনা কিছুই নেই, থাকলেও আলসামীর কারনে আর পড়া হয়ে উঠেনি। হঠাত মনে পড়ল, আজকে বাসায় ইফতারী করলে কেমন হয়? যেই বলা সেই কাজ। চিন্তা করলাম, বেগুনী, ছানা, ডাইলের বড়া(পিয়াজু) আর ডিজার্ট বানানোর চিন্তা করলাম। কিন্তু সমস্যায় পরলাম, বাসায় কিছু নেই। বেসন না কি জানি লাগে। কিন্তু আমার হাউজ মেইট রা খুব চালু। ঢাকার ছেলে, তাই বুদ্ধিমান হবে এটাই স্বাভাবিক। খুব সহজেই তারা দুই জন প্লেন করে ফেলল কিভাবে কি করবে। আমি আর আরেকজন বাজারে বের হলাম। তারা ঝাল আইটেমের বাজার বুঝিয়ে দিয়ে আমি চলে গেলাম ডিজার্ট জাতীয় কিছু যোগার করতে। আমার কাজ মুটামুটি সহজ, রেডিমেট কাটার্ড, চকলেট কেইক আর বেশ কিছু ফ্রুট নিয়ে নিলাম সাথে প্রিন্সের শ্যামাই। বাসায় এসে দেখি দুম ধাম রান্না চলছে। তবে বেসনে যে লবল দিতে হয়, এই খবর কাউরো নেই, তার উপর ছানাকে তো পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। তাই যা হবার তাই হল, খাবরে লবণ নেই, ছানা শক্ত পাত্থর হয়ে গেছে। পরে লবণ টবন দিয়ে আয়েশী ভাব নিয়ে খাওয়া শুরু করলাম। নাহ মন্দ হল না, তবে জোর করে পাথরের কণা মানে ছানা বুট গুলি খেতে চেষ্টা করলাম। হল না, সব ছানা বুট ফেলে দিতে হল।

তবে আমার করা অংশ গুলি অসাধারন হল, (আমার কোন ক্রেডিট নেই, সব রেডিমেইট) কাস্টর্ড এর সাথে ফ্রুট পিস করে মিশিয়ে দিলাম। আর কেইক শুধু কষ্ট করে পিস করলাম। আর শ্যামাই বানানো সহজ কাজ দুধ, শ্যামাই আর চিনি মিশিয়ে দিলেই হয়। নিজের বানানো ইফতার করতে, আলাদা মজাই লাগল। আরেক বার একটি কবিতা লিখার চেষ্টা করলাম। কেন জানি আমার কবিতা গুলির কোন নাম ঠিক করতে পারি না। কবিতা নাকি গদ্য হল বুঝতে পারলাম না।



রাতের আকাশের ওই আলোকিত চাঁদ, আমি আর আব্বু মিলে চেয়ে নিতাম, তিনি বলতেন, ঐ যে চাঁদের আলো তা কিন্তু তার নিজের নয়, সূর্যের আলো, সে ধার করে নিয়ে এসেছে, আর চাঁদের যে ঐ বড় দাগ, তাও একটি গর্ত; বিশাল গর্ত, কিন্তু পারার ছেলেরা অন্য কাহিনী নিয়ে এসেছিল, ওই গর্ত নাকি গর্ত নয়, তা একটি বুড়ি যে সুতা বানায়, পূর্নিমার রাতে সুতা গুলি ছড়িয়ে দেয়, কিছু দিন পরে নিজেই সুতা গুলি পেলাম, আর মনে মনে হাসলাম, সুতার উতস খুজে খুজে কিছু বের করতে পারলাম না, কিছু দিন পরেই নদীর পারের কার্পাশ তুলার গাছ গুলি চোখে পড়ল, এগুলো কেউ ফলায় না, আপনা আপনি হয়, বুঝলাম ঐ তুলা গুলিই আসলে বাতাসে ভেসে বেড়ায়, আর মানুষ কত রকমের কাহীনি বানায়। চাঁদের ধার করা আলো দেখে আশ্চর্য হই না, আমাদের সব কিছুই তো ধার করা, পরিবেশের কত কিছুই ধার করে নেই, কিছু স্বীকার করি কিংবা নাই করি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231350 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29231350 2010-08-28 18:52:06
মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং
এই ইঞ্জিনিয়ারিং কবে থেকে পৃথিবীতে শুরু হয়েছিল তা বুঝা না গেলেও, এর মূল আবিষ্কারের পিছিনে মূল শয়তানকেই পাওয়া যায়, যার নাম ইবলিশ। সেই প্রথম মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাবহার করেছিল হযরত আদম আঃ কে ধোকায় ফালানোর জন্য। পাঠক নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন, এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল উদ্দোশ্য ধোকায় ফালানো। আজ পর্যন্ত এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উদ্দোশ্য একই রয়েছে। তবে এর ক্রিয়াকৌশল বহু দূর এগিয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিশেষ ফল আমরা বাংলার ইতিহাসেও দেখেছিলাম। নবাব সিরাজ উদ্দোলাকে উদ্দোশ্য করে, এই চাল চালানো হয়েছিল। পরে এই মিথ্যা প্রপোগান্ডা যে আসলেই মিথ্যা তা বহু পরে প্রমানিত হয়েছে। কিন্তু যা হবার তা আগেই হয়েগেছে, উনি পলাশীতে হেরে গেছেন।

সে যাই হোক, মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষ উচ্চতা পেয়েছিল, হিটলারের আমলে। তার একজন বিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, যার নাম জোসেফ গবলেস। তিনি বলেছিলেন, "যদি তুমি বড় একটি মিথ্যা বলে থাক, তাহলে এটি বার বার বলতে থাকো, তাহলেই বিশ্বাস হতে বাধ্য হবেই"। তিনি এত সব খারাপ কাজের ফাকে একটি কাজের কথাও বলেছিলেন, "সত্য হচ্ছে আমৃত্যু মিথ্যার শত্রু"। এই সত্য মিথ্যার অস্তিত্ব থেকে কিন্তু সহজেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব বুঝা যায়, কারন, ঈশ্বর যদি না ই থাকতেন, তাহলে এই সত্য মিথ্যার ধারনা আসল কোথা থেকে। প্রানী জগতে সব কিছুই সত্য, মিথ্যার কোন অস্বিত্ব সেখানে নেই। এই সহজ বিষয় কে অনেকে বুঝতে চান না। সে যাইহোক, গবলেস সাহেব কিন্তু এ কথাও বলতে ভুলেন নি, "বিশ্বাস পাহাড় কে নড়ায়, কিন্তু জ্ঞান তাদের সঠিক পথে নিয়ে আসে"।

এই যে গবলেস সাহেবের সহায়তায় মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষ উচ্চতায় পোছল, তা কিন্তু আরো উচ্চতায় গেল বিভিন্ন ব্যাক্তির হাত ঘুরে। ক্রমান্নয়ে সে উন্নতিই করে যাচ্ছে, থামার কোন লক্ষন নেই। চার্চিল সাহেবের বইয়ে উল্লেখ করেন, "একজনের উচিত নয়, কারো গোপন কিছু ফাস করা, কারন সে জানে না, কখন এটি দরকার হতে পারে"। এই কার্যকারী কৌশল আমাদের দরিদ্র দেশগুলির লিডার দের উপর প্রয়োগ করা হয়। আপনারা জেনে থাকবেন, প্রত্যেক মানুষের ই কোন না কোন ভুল আছে, এবং এই তত্য করো না কারো জানা আছে। এবং শক্তিশালী গোয়ান্দা সংস্থার তো ভাল করেই জানা আছে, তাই যখন ই দেখা যায়, কোন দুর্বল দেশের লিডার, তার দেশকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে, তখনই তা ফাস করে দেওয়া হয়। একেই বলে রাজনিতি। সময়ের কাজ সময়ে করে, প্রয়োজন মত নিজের সার্থ উর্দ্ধার করে নেওয়া। যাইহোক, উনার বইয়ে আরো উল্লেখ করা আছে, "ইংরেজ মানে একটি নীতি, যখন কেউ মিথ্যা বলবে, সে বড় মিথ্যা বলবে এবং এই মিথ্যার উপর শক্ত হয়ে থাকবে। তারা তাদের মিথ্যা রক্ষা করে চলবে, এতে তাদের যত রিডিকিউলাস ই লাগুক" । হিটলার নিজেও এ ব্যাপারে কম বুঝেন না, তিনি বলেছিলেন, "একসময়ে একজন শত্রুর দিকে দৃষ্ঠি নিক্ষেপ কর, তার সকল ভুলের জন্য তাকে দোষারূপ কর, মানুষ বিশ্বাস করবে বড় মিথ্যা ছোট মিথ্যার আগে, তুমি যদি বার বার এটি বলতে থাকো তাহলে মানুষ বিশ্বাস করবে খুব দ্রুত বা পরে"।

এই যে জার্মান আর ইংরেজদের হাতে ধরে মিথ্যার ইংজিনিয়ারিং এর এত উন্নতি হল, তা ব্যাবহার করা হল এক জাতির উপর যাদের নেতা এই কথা বলেন, ‘খোদার শপথ! যদি ষড়যন্ত্র অপছন্দনীয় ব্যাপার না হতো,তাহলে আমি হতাম বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ চতুর লোক ৷ কিন্তু প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাই পাপ ৷ আর প্রতিটি পাপই হলো অকৃতজ্ঞতা ৷ আর প্রতিটি হঠকারিতা বা চাতুর্য এমন এক পতাকার মতো যেই পতাকার মাধ্যমে কেয়ামতে তা চিনতে পারা যাবে৷ খোদার শপথ ! আমি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নতজানু হবো না, কিংবা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও অক্ষম হবো না ৷" -হযরত আলী (রাঃ)

এই ব্লগিং শুরু হবার পর এখানেও সেই মিথ্যার ইংজিনিয়ারিং পুরো দমেই চলছে। তবে ইংজেনিয়ারের সংখ্যা অসংখ্য। সেই আগে যে বলেছিলাম "অনেকে বুদ্ধিমান হওয়া সত্তেও দাবার গুটির মত এই ইংজিনিয়ারিং এর চালে পরে, একেই শক্তিশালী করেন তা বুঝেই উঠতে পারেন না"। এই অসংখ্য ইংজেনিয়ার দের মধ্যে বেশীর ভাগ ই হচ্ছেন এরকম। সে যাইহোক, ব্লগে মুসলিম নিক নিয়ে ইসলামের নামে অপপ্রচার চালানো হয়, তা আপনারা আগেই জানেন। এই কৌশল নুতুন করে তুলে ধরার কিছু নেই। কিন্তু কৌশল সেখানেই শেষ নয়, একই কথা বার বার ভিন্ন ভিন্ন নিকে নিয়ে আসা হয়, বরাবরের মত-ই একটু আধটু চেইঞ্জ করা, বা চেইঞ্জ ছাড়াই।
যাইহোক, কৌশল এখানে থেমে থাকলেই একটি কথা ছিল, কিন্তু থেমে নেই ঐখানে আরেক দল বের হয়েছেন, যদি আপনি সত্য কিছু তুলে ধরেন, তাহলেই শুরু হবে গালি গালাজ, মানে এই গালিগালাজ খেয়ে যাতে আপনি আর উঠে দাড়িয়ে সত্য কথা না বলতে পারেন। মানে উতৃসাহ হারিয়ে ফেলেন।

এইতো দেখলেন প্রকাশ্যে কৌশল, এখন অপ্রকাশ্য কৌশল ও আছে, যেমন আপনি কিছু লেখলেন, অমনি একজন ইসলাম দরদী এসে যাবেন, এসে বলবেন আপনাদের জন্যই তো এই অবস্থা, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আগে উনারে দেখা যায় নাই, আগে উনারে কোন সময় মিথ্যাচরের জবাব দিতেও দেখা যায় নাই। বরং অনেক সময় দেখা যায়, মিথ্যাচারীদের সাথে হাতে তালি বাজাতে। আর হাসাহাসি করতে। এরা হয়ত কেমন মানুষ আমার জানা নেই? এরা হয়ত দাবার ঘুটির মত ব্যাবহৃত হচ্ছে যে এরা নিজেই জানে না। পুতুল নাচ নেচে চলছে। আর আরালে ঐ ইংজেনিয়ার রা হাসতেছেন।

আরেক খানা সহজ কৌশল দেখবেন যা আমার সাথেই ঘটেছে, একজন সম্মানিত ব্লগার, আমার ব্লগে এসে বললেনঃ "আমি মুসলিম জাতি এবং ইসলাম ধর্মের বিরোধী না। তবে আপনার মতো যারা ধর্মীয় অন্ধত্বায়, না বুঝে ইসলাম ধর্ম কে হাস্যকর এবং অযৌক্তিক পর্যায়ে তুলে ধরে, তাদের বিরোধী। সৃষ্টিকর্তা আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।" কত ইসলাম দরদী, ইসলামের পক্ষের মানব। আমার মত নালায়েকদের মানে যারা না বুঝে ইসলাম ধর্মকে, তাদের বিরুদ্ধী। কিন্তু উনার মত অসাধারন ব্যাক্তির ব্লগে গিয়েই দেখি এই পোষ্ট দিয়েছেনঃ
সূরা বাকার'র শুরুতে রয়েছে তিনটি আরবী অক্ষর। আলিফ, লাম, মিম। স্কুলে পড়তে, আরবী ক্লাশের স্যার বলেছিলেন, এর মানে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না, এটি খুবই গোপনীয় বিষয়। ইন্টারনেট ঘেটে যা বুঝলাম, তা হলোঃ আলিফঃ আল-উয্‌যা। লামঃ লাত। মিমঃ মানাত।

এখন বোঝেন, এরা আসলে কার বিরুদ্ধী? ঐ যে মিথ্যার প্রকৌশল। ইনারা ইনডাইরক্ট আক্রমন করেন, যেমনঃ উনার আর্টিক্যালে লিখেনঃ
"মুসলমানরা ইসলামের উৎপত্তির আগের সময়কে জাহলেয়াতের যুগ বলে থাকে। পৃথিবীর অন্য দুটি প্রধান ধর্ম ইহুদী এবং খ্রীষ্টান’রা কিন্তু এ ব্যাপারে কিছু বলেনা। কারন ঐ সময়ে তারা তাদের ধর্ম প্রচার এবং পালন করতো। কোরানের দাবীকৃত নবীদের(মূসা, ঈসা) ধর্মপালনকারীদের যুগ ইসলামধর্মে কিভাবে অন্ধকার যুগ হয় এটা চিন্তার বিষয়। "

কিন্তু জনাব আইয়ামে জাহেলিয়াত ইসলাম পূর্ব আরব কে বলা হয়, নাকি ইহুদী খ্রীষ্ঠান কে বলা হয় তা জ্ঞানী পাঠক ভাল করেই জানেন। আল কুরানে আহলে কিতাব বলে যাদের বলা হয়েছে তারা কারা এটাও বুদ্ধিমান পাঠক জানেন। দেখুন সহজ সরল ব্যাক্তিদের এ ধরনের ব্যাক্তিরা কিভাবে ধোকায় ফেলে।

আস্তিকের ধর্মকথা লেখায় একই ব্যাক্তি বলেনঃ
"ইসলাম পূর্ব যুগের প্রায় সব দেব-দেবীদেরকেই আল্লাহ বা ইলাহ নামে ডাকা হতো। দি গড’এর মতই এটি ছিল কমন নাম। তবে ক্ষমতার দিক দিয়ে যেহেতু হুবাল ছিল শ্রেষ্ঠ, সেহেতু সময়ের সাথে সাথে হুবাল’ই আল্লহ হিসেবে বেশী পরিচিত এবং উপাস্য হতে থাকে। হুবাল শব্দটি হু-বাল এবং বা-আল শব্দ থেকে এসেছে। অনেকেই মনে করে হুবাল’ই ইসলাম পূর্ব আরবদের আল্লাহ। কারন সেই সময়ের আল্লাহ’র প্রতীকও ছিল হুবাল’এর মতো সরু নতুন চাঁদ।"

একেই বলে পিছন থেকে ছুড়ি মারা উনি লিখেনঃ
"সৃষ্টিকর্তা হিসেবে আল্লাহ শব্দটি শুধু ইসলাম ধর্মে নয়, ইসলামের আগের যুগের মূর্তি পূজ়ারী, আরবীভাষী ইহূদী, খ্রীষ্টান এবং ইব্রাহীমের অনূসারীরাও ব্যাবহার করতো। তবে ধর্ম, ভাষা, আঞ্চলিকতা এবং উচ্চারনভেদে আল্লাহ নামের সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। যেমনঃ আল-ইলাহ, আল-লাহ, এলাহা, আলাহা, আলোহো, ইত্যাদি। শাব্দিকভাবে আল্লাহ এসেছে আল-ইলাহ শব্দ থেকে। ইলাহ বা ইলাহা শব্দ এসেছে আল-লাত থেকে।"

উনি লাত কেই আল্লাহ প্রমান করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে পিছন দিকে ছুড়ি মারেন, পাঠক এদের চিনে রাখুন, ব্লগে এদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তেছে, সামনে দিয়ে না পেরে পিছন দিকে আক্রমন। আন্সারিং ইসলাম সাইটের সাথে যাদের পরিচয় আছে, তারা জানেন এই লেখা গুলি সাধারনত কাদের এবং কারা কি উদ্দোশ্যে লিখে এবং বহু আগেই মুসলিমরা এর জবাব দিয়ে দিয়েছেআরো দেখুন এখানে ।
যাইহোক, পাঠক যাতে বিভ্রান্ত না হন, সেহেতু আল্লাহ শব্দের দিকে সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য চোখ রাখতে বলি, ইসরাঈল শব্দে। ঈসরাঈল মানে ঈল এর গোলাম, ঈল~ঈলাহ~ঈল্লালাহ~আল্লাহ একই শব্দ। এটি ই সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের আসল নাম, আল্লাহ। দেখুনঃ
http://www.youtube.com/watch?v=j54xJtvnCMs

আরো দেখুন মেলগিবসনের পেশন অব জিসাস ক্রাইস্ট মুভিটির একটি ক্লিপ ঃ http://www.youtube.com/watch?v=GUB1eqWsSow

আল্লাহ নামে রাসূলগন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের গুন গান গেয়েছেন। জেনে নিন ইহূদী দের ১০ কমান্ডাস
I am the Lord your God
You shall have no other gods before me
You shall not make for yourself an idol
You shall not make wrongful use of the name of your God
Remember the Sabbath and keep it holy
Honor your father and mother
You shall not murder***
You shall not commit adultery
You shall not steal****
You shall not bear false witness against your neighbor
You shall not covet***** your neighbor's wife
You shall not covet***** anything that belongs to your neighbor


তাহলে কি পরিষ্কার হল, ইহুদীরা এক আল্লাহর পুজাই করত? আর এই আল্লাহ ই আসল আল্লাহ। এখন যদি আমি একটি মুর্তি বসিয়ে বলি এই হচ্ছে তোমাদের আল্লাহ। এখন কি এতে প্রমান হবে? এটি ই আল্লাহ। এখন আমার দেশের কতকো লোক আমার কথা মত একে আল্লাহ জ্ঞান করে পুজো শুরু করল। এখন বহু বছর যাবার পর, একজন উঠে এসে বলল, আসলে আল্লাহ শব্দ এসেছে ঐ মুর্তী থেকে। তাহলেই কি প্রমান হয়ে গেল যে আল্লাহ শব্দ ঐ মুর্তির নাম থেকে এসেছে।

যাইহোক, এঘটনা আমার স্কুলের এক শিক্ষকের কথা মনে করিয়ে দিল। তিনি বলতেন ঃ "আমি শিক্ষকদের কিছু বলি না, তারা অনেক ভাল, কারন শিক্ষক হচ্ছে জাতির মা বাপ, কিন্তু জাতি হচ্ছে কোত্তার বাচ্চা" {সম্মানিত শিক্ষকদের আমি অনেক শ্রদ্ধা করি, এটি আমার শিক্ষক মনের দুঃখে বলেছিলেন, তাই কেউ কষ্ট নিয়েন না}

প্রিয় পাঠক, উপরের উল্লেখিত ব্যাক্তির মত ব্যাক্তিদের থেকে সাবধান হন। ঐ ব্যাক্তিই কিন্তু এই কথা বলেছিলঃ "আমি মুসলিম জাতি এবং ইসলাম ধর্মের বিরোধী না। তবে আপনার মতো যারা ধর্মীয় অন্ধত্বায়, না বুঝে ইসলাম ধর্ম কে হাস্যকর এবং অযৌক্তিক পর্যায়ে তুলে ধরে, তাদের বিরোধী। সৃষ্টিকর্তা আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।" একেই বলে মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ার।

{বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে উপরের লেখাটি মূলত মিথ্যার ইঞ্জিনিয়ারদের কৌশল সাধারন মানব যাতে সহজে বুঝে এই জন্য দেওয়া হয়েছে, শেষে যা দেওয়া হয়েছে, তা একটি উদাহারন মাত্র। উদাহারনের সহায়তায় পাঠক সহজে মূল বক্তব্য বুঝে নিতে পারবে}

আল্লাহ শব্দ সম্পর্কে ভাল সাইট http://www.godallah.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29178631 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29178631 2010-06-17 07:42:31
ভুল ধারনা: পৃথিবীর সেরা ধনী রাষ্ট্র তো আরবের শেখদের রাষ্ট্রগুলি

চলুন দেখে নেই সত্যিকার ধনী দেশগুলির তালিকা
2009 List by the International Monetary Fund
১ যুক্তরাষ্ঠ্র (আমেরিকা)
২ জাপান
৩ চীন
৪ জার্মানি
৫ ফ্রান্স
৬ ইউ কে (ব্রিটিস)
৭ ইটালি
৮ ব্রাজিল
৯ স্পেইন
১০ কানাডা
১১ ইন্ডিয়া
১২ রাশিয়া
১৩ অস্ট্রেলিয়া
১৪ মেক্সিকো
১৫ সাউথ কোরিয়া
১৬ ন্যাদারল্যন্ডস
১৭ তার্কি (এই পাওয়া গেল মুসলিমদেশ)
১৮ ইন্দেনেশিয়া
১৯ সুইজারল্যান্ড
২০ বেলজিয়াম
এভাবে ২৬ নাম্বারে প্রথম আরব দেশ পেলাম, যার মোট জিডেপি ঃ 369,671 মিলিয়ন মার্কিন ডলার
এবার তুলনা করুন ১ নাম্বার দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্র 14,256,275 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তাহলে এক আমেরিকা কয়টা সৌদি আরব কিনতে পারব? 14,256,275/369,671= 38.59
মানে প্রায় সারে ৩৮ টা সৌদি আরব এক আমেরিকায় ই কিনতে পারব। কিন্তু এরপর শুনতে হবে সেরা ধনী আরব রা।

আসল বিষয় হচ্ছে ব্যাবসায়ীক চাল। চাল টা বাংলাদেশেও লক্ষ্য করবেন, চালটা চালা হয় এভাবে, আরে তুমি তো বড় বংশের লোক, তুমি এইটা নিবা আমি ভাল করেই জানি। কিংবা এ অনেক ভাল ভাল মানুষ বলে, তাকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। এভাবেই, আরব দের ধনী ধনী বলে ২ টাকার মাল ৫ টাকায় বিক্রি করে, এটাই হচ্ছে মূল চাল।

এই চালের মুখ্য উদ্দোশ্য ব্যাবসায়ীক হলেও, পরোক্ষ উদ্দোশ্য হচ্ছে রাজনিতিক, মুসলিমদের মধ্যে বিভাজন বাড়ানো। গরীব মুসলিম দেশ গুলিকে , আরব রা ধনী ধনী বলে প্রচার করে, এদের সম্পর্কে বিরূপ ধারনা দেওয়া। বিভাজোন চরমে উঠে। আবার ধনী ধনী শুনতে শুনতে আরব রাও অহংকারী হল, আর বিভাজন পাকা পোক্ত হল।

তারমানে কি আমি বলতে চেয়েছি, আরব দের কোন দোষ নেই? জ্ব্বীনা জনাব। মক্কায় যেমন আবু বকর রাঃ ছিলেন, তেমনি ছিল আবু জাহেল আর আবু লাহাব রা। তাই আরবে যেমন আবু বকর রাঃ এর আত্মা আছে, তেমনি আছে আবু লাহাবের প্রতাত্মা। আরব রা ও দোষী। বর্তমানে তো এদের পবস্থা পুরো-ই টাইট। কিন্তু এখানে যেসব ইংজিনিয়ারিং করা হয়েছে, তা আপনারা ভাল করে গভীর বিশ্লেষন করলেই পাইবেন। আর আবু জাহেল রা তো আছেই।

ভাই সব, সেরা ধনী রাষ্ঠ্রর প্রপোগান্ডা জেনে নিন। আর বুঝে শুনে বিবেচনা করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29177280 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29177280 2010-06-15 12:20:47
হে মুসলিম জ্ঞান অর্জন করা চাই, করা চাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা বর্তমান পৃথিবী চলে তেলে পরে চলবে ইউরোনিয়ামে লিথিয়ামের সহায়তায়। আর এসব জিনিস পাওয়া যায় মুসলিমদেশ গুলিতে।

জ্ঞান অর্জন কর হে মুসলিম ভাই, জ্ঞান অর্জন কর, যদি পৃথিবীর ১ নম্বর থেকে শুরু করে ১০০ পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি গুলি মুসলিম দেশ গুলি থেকে হয় কেমন হবে? একটু চিন্তা করুন। আমাদের দুর্বার সামাজিক শক্তি যদি জ্ঞান অর্জনের কাজে লাগাই, পৃথিবীর ১ নম্বর জাতি হইতে কই কত দিন লাগবে? আমরা মদ খেয়ে বারে পরে থাকি না, আমাদের আছে ৫ ওয়াক্ত নামাজের এক অদ্ভুদ শক্তিশালী শৃংকলা। তাই আমরা যত দ্রুত দোড়ে যেতে পারব জ্ঞানের ভূবনে, সত্য মেনে ভেবে দেখুন, আর কেউ কি পারবে এভাবে? চলুন এগিয়া যাই আগের মত।

প্রথম আলোর খবরঃ
আফগানিস্তানে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ আশাতীত সম্পদ আবিষ্কারে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের চেহারা পাল্টে যেতে পারে। মার্কিন বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, আজকের আফগানিস্তান বিশ্বের খনিজ সম্পদের কেন্দ্রভূমি হয়ে উঠতে পারে। আবার এই সম্পদকে কেন্দ্র করে দেশটিতে জাতিগত সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ ও পেন্টাগন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস গতকাল শনিবার জানায়, মার্কিন বিশেষজ্ঞরা আফগানিস্তানের ভূগর্ভে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান ধাতব পদার্থের সন্ধান পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে তামা, স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু লিথিয়াম। পেন্টাগন এবং মার্কিন ভূতত্ত্ববিদদের একটি দল বেশ কিছু দিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে আফগানিস্তানে এই খনিজ সম্পদের সন্ধান পায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান সময়ে শিল্প-প্রযুক্তির জন্য লিথিয়ামকে মহামূল্যবান খনিজ বলে মনে করা হয়। আফগানিস্তানে যে লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে ধারণা করা হচ্ছে, তাতে দেশটি অচিরেই সারা বিশ্বের খনিজ সম্পদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় সামরিক দপ্তর পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তান ‘লিথিয়ামের সৌদি আরবে’ পরিণত হতে পারে। লিথিয়াম ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোনের ব্যাটারি তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29176883 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29176883 2010-06-14 18:40:44
হযরত ঈসা আঃ নাকি বাস্তবে ছিলেন না ? সমস্যা কার: আরব নাকি ইসরাইল
ইহুদী থাকাবস্থায় মুহাম্মদ আসাদের সাথে ওয়াইজম্যানের কথোপকথন থেকেই বুঝে নেন সমস্যা কার (অনুবাদ: নরাধম) :

আমার এখনও মনে আছে জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা ডঃ চাইম ওয়াইজম্যানের সাথে আমার এ (ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ) ব্যাপারে কথোপকথন। আমার যদ্দুর মনে আছে তিনি তখন লন্ডনে থাকতেন (১৯২২ সালে)। ফিলিস্তিনে তিনি তখন মাঝে মাঝে আসতেন। আমার সাথে তাঁর যখন কথা হয় তখন তিনি ফিলিস্তিনে এসেছিলেন। (মুহাম্মদ আসাদ তাঁর চাচার কাছে বেড়াতে গিয়েছিলেন ফিলিস্তিনে, তিনি অস্ট্রিয়ার অধিবাসী ছিলেন।) আমার তাঁর সাথে দেখা হয় এক ইহুদী বন্ধুর বাসায়। এই লোকটার (ওয়াইজম্যানের) অফুরন্ত প্রাণশক্তি, অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা আর তীব্র চাহনি দেখে যে কারও অভিভূত না হয়ে উপায় নেই।

তিনি ইহুদীদের জন্য একটা দেশ বানানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার কথা বলছিলেন। বিশেষ করে বিদেশে যারা ইহুদী থাকেন তাদের মধ্যে ইহুদীদের জন্য একটা নিজস্ব ভূমির স্বপ্নের প্রতি যেরকম প্রতিক্রিয়া থাকা দরকার তার চেয়ে অনেক কম প্রতিক্রিয়ার কথা বলছিলেন। অন্যান্য জায়নিস্টদের মত তাঁরও ফিলিস্তিনে যা হচ্ছিল তার নৈতিক দায়িত্ব বহির্বিশ্বের উপর চাপিয়ে দেয়ার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করেছি। (মুহাম্মদ আসাদ সেসময়ে ইহুদী হওয়া স্বত্বেও ফিলিস্তিনিদের থেকে তাদের মাত্রভূমি কেড়ে নিয়ে ইহূদীদের জন্য দেশ বানানোর বিরুদ্ধে ছিলেন, উল্লেখ্য বর্তমান সময়েও লক্ষ লক্ষ ইহুদী ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে, এমনকি অনেক রাব্বাই-ও।) তাঁরও এই প্রবণতা আমাকে ক্ষুব্ধ করেছিল। ঘরে আর যারা ছিলেন তারা ওয়াইজম্যানের প্রতি অসম্ভব শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, এবং তারা ওয়াইজম্যানের প্রত্যেকটা শব্দ খুবই মনোযোগের সাথে শুনতেছিলেন। তাঁদের এই শ্রদ্ধাশীলতা ভেদ করে আমি ওয়াইজম্যানকে জিজ্ঞেস করলাম:

“আরবদের নিয়ে কি আপনার কোন চিন্তা আছে?”

রুমের আবহাওয়া দেখে মনে হল প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করে আমি বিরাট অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছি। ডঃ ওয়াইজম্যান খুব ধীরে ধীরে তাঁর মুখ আমার দিকে ফেরালেন, হাতের কাপ টেবিলে রাখলেন এবং খুবই আশ্চার্য্যান্বিত হয়ে বললেন:

“আরবদের নিয়ে?”

“না, মানে আপনি কিভাবে ফিলিস্তিনকে ইহুদীদের নিজের দেশ বানাবেন যখন আরবরা প্রচন্ডভাবে তার বিরোধিতা করতেছে? তাছাড়া আরবরা এখানে সংখ্যাগরিষ্ট। (সেসময়ে প্রতি দশজন আরবের অনুপাতে একজন ইহুদী ছিল।)”

ওয়াইজম্যান একটু কাঁধ ঝাকালেন আর নিরসভাবে উত্তর দিলেন:

“আমরা আশা করি কয়েক বছর পর তারা এখানে আর সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবেনা। তাঁর কথা সত্যি হয়েছিল ।”

“আপনি এই সমস্যা নিয়ে অনেক বছর যাবৎ কাজ করতেছেন। আপনি নিশ্চয়ই আমার থেকে বেশি জানেন। ধরে নিলাম আপনার কথামতে একসময় আরবরা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবেনা। কিন্তু এমনকি আরবদের বিদ্রোহের কথা বাদ দিলেও, আপনাকে কি কখনও নৈতিক দিক থেকে (আরবদের থেকে তাদের ভূমি কেড়ে নেওয়ার) এই কাজটা অন্যায় মনে হয়না? আপনার কি একবারও মনে হয়না যে যারা এই ভূমিতে সবসময় বাস করেছে তাদের থেকে তাদের শতবছরের ভূমি কেড়ে নেওয়াটা অন্যায়?”

“কিন্তু এটা তো আমাদের দেশ” ভ্রু কুঁচকে বললেন ডঃ ওয়াইজম্যান “আমাদেরকে অন্যায়ভাবে যেটা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে আমরা শুধুমাত্র তা ফেরৎ চাচ্ছি। এর বেশি কিছু তো না।”

“কিন্তু ইহুদীরা তো প্রায় দুইসহস্রাব্দ এখান থেকে বাইরে ছিল। তার আগে আপনারা এই দেশ শাসন করেছেন, তাও কখনও পুরোটা না, এবং মাত্র পাঁচশ বছরেরও কম। আপনার কি মনে হয়না, আপনার একই যুক্তি দেখিয়ে আরবরাও স্পেইনকে তাদের কাছে ফেরৎ দেওয়ার দাবি করতে পারে? তারা তো স্পেইন প্রায় সাতশ বছর রাজত্ব করেছে এবং মাত্র পাঁচশ বছর আগে সম্পূর্ণভাবে বহিস্কৃত হয়েছে।”

দৃশ্যতই ডঃ ওয়াইজম্যান অধৈর্য্য হয়ে পড়েছিলেন। বললেন “ননসেন্স। আরবরা শুধুমাত্র স্পেইন জয়ই করেছিল, এটা কখনই তাদের মাতৃভূমি ছিলনা। তাই তাদেরকে যে বহিস্কার করেছিল স্প্যানিয়ার্রডরা সেটা ঠিকই ছিল।”

“আমাকে মাফ করবেন” বললাম আমি, “কিন্তু মনে হচ্ছে আমরা এখানে কিছু অনিচ্ছাকৃত ঐতিহাসিক ভুল তথ্য দিচ্ছি। কারন, হিব্রুরাও কিন্তু ফিলিস্তিনে দিগ্বিজয়ী হিসেবেই এসেছিল। তারা আসার আরো হাজার বছর আগে থেকেই এখানে অনেক সেমিটিক আর নন-সেমিটিক গোত্র বাস করত। যেমন ধরেন অ্যামরাইটস, এডমাইটস, ফিলিস্টাইনস, হিটাইটস, মোবাইটস। এইসব গোত্রগুলো কিন্তু ইসরাইল (জ্যাকব বা ইয়াকুব) এবং জুডাহ-এর সমকালেও বাস করত। তারা এখানে বাস করত এমনকি যখন রোমানরা আমাদের পূর্বপুরুষদের এখান থেকে বহিষ্কার করেছে তখনও। তারাই এখানে এখনও বাস করছে। সপ্তম শতকে যে আরবরা সিরিয়া এবং ফিলিস্তিন জয় করল তারা সবসময়ই এখানে খুব ছোট জনসংখ্যা ছিল। বাকি যাদেরকে আমরা ফিলিস্তিনি অথবা সিরিয়ান আরব হিসেব ধরে নিই তারা প্রকৃতপক্ষে এদেশেরই আদিবাসিন্দা। তাদের অনেকেই মুসলিম হয়েছে, অনেকেই খ্রিস্টান থেকে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই মুসলিমরা তাদের একইধর্মের আরবদেরকেই বিয়ে করত। কিন্তু আপনি কি অস্বীকার করতে পারবেন যে ফিলিস্তিনে এখন যারা আছে, যারা আরবী কথা বলে হোক মুসলিম অথবা খ্রিস্টান, তাদের মেজরিটি সরাসরি এখানকার আদিবাসিন্দাদেরই সন্তান-সন্ততি? তারাই এখানকার অকৃত্রিম এবং আদিবাসিন্দা এই যুক্তিতে যে তারা এখানে বাস করতেছেন এমনকি হিব্রুরা এখানে আসার শতশত বছর আগে থেকে?”

আমার হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া দেখে ডঃ ওয়াইজম্যান একটু হাসলেন ভদ্রভাবে এবং এই বিষয়ে আর কোন কথা না বলে অন্যবিষয়ে চলে গেলেন।

____________________________________

বাংলার নাস্তিকরা আবার নুতুন কৌশল নিয়েছে, হযরত ঈসা আঃ নাকি বাস্তবে ছিলেন না। কোন সেকুলার লেখায় নাকি পাওয়া যায় না, কিন্তু কথা হচ্চে, ঈসা আঃ সম্পর্কে তার অনুষারী ছাত্ররা লিখবে নাকি ঐসব ঐতিহাসিক গন লিখবেন? কার উপর উনার প্রভাব থাকবে? থাকলে তো শুধু উনার ছাত্রদের ই উপরে থাকবে। এটি-ই সত্য কথা। আর এই সুযোগ নিয়ে নুতুন ফ্রন্ট লাইন খোলা হয়েছে। যাইহোক,
হযরত ঈসা আঃ সম্পর্কে প্রমাণঃ

“At that time lived Jesus, a wise man, if he may be called a man; for he performed many wonderful works. He was a teacher of such men as received the truth with pleasure….And when Pilate, at the instigation of the chief men among us, had condemned him to the cross, they who before had conceived an affection for him did not cease to adhere to him. For on the third day he appeared to them alive again, the divine prophets having foretold these and many other wonderful things concerning him. And the sect of the Christians, so called from him, subsists at this time” (Antiquities, Book 18, Chapter 3, Section 1)

Flavius Josephus. জন্ম ৩৭ অথবা ৩৮ AD, একজম রোমান এবং খ্রিস্টান নন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29171627 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29171627 2010-06-06 18:19:47
অভ্র এর কারনেই বিদেশে বসে বাংলা লিখতে পারতেছি।
অভ্র একটি ফ্রি সফতওয়্যার যা সহজেই ডাউনলোড করা যায়। সহজে লিখা শিখাও যায়। এমন কি মাউস দিয়ে লিখা যায়, যার দ্বারা যে কোন বাচ্চাও লিখতে পারবে। অভ্রতে কিছুই মুঘস্ত করতে হয় না। সহজেই সব কিছু লেখা যায়। ভাল মানের একটি আধুনিক সফটয়্যার। আমার বেশ ভাল লেগেছে। এতদিন পর্যন্ত কে এই সফটয়্যার প্রথমে শুরু করে ছিলেন। তার নাম-ই আমার জানা ছিল না। আজকে প্রথম জানলাম। তার নাম মেহদী হাসান খান। কোন লাভের আশা ছাড়াই, যিনি আমাদের জন্য কষ্ট করে যাচ্ছেন। তাই, আমি ধন্যবাদ জানাই অভ্র টিমের প্রতিজন সদস্য কে, সাবেক সদস্য কিংবা বর্তমান সদস্য সবাই কে আমাদের ধন্যবাদ। আমাদের এ ধরনের সফটওয়্যার উপহার দেওয়ার জন্য। আর মোস্তফা জব্বার সাহেব কেও ধন্যবাদ তার বিজয় সফটওয়্যারের জন্য।

বিদেশে থেকে অভ্রর সহায়তায় আমার এই বংলা লেখা। অভ্র এগিয়ে চল, আমরা আছি তোমাদের সাথে। আল্লাহ পাক, যিনি এই পৃথিবীর মালিক, তিনি যেন আপনাদের কষ্টের উপযুক্ত প্রতিদান দান করেন, এই দোয়া ই করি। আমিন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29137276 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29137276 2010-04-18 16:24:31
৭ই মার্চের ভাষণ। ও একটু সামান্য বিশ্লেষেণ। আজ দুঃখ ভারাক্লান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা
আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার
ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে।
আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়।
কি অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেন।
আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো।
এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের
রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস- এদেশের মানুষের
রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।
১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে
আয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬-দফা আন্দোলনে
৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ এর আন্দোলনে আয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে
যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গনতন্ত্র দেবেন - আমরা মেনে
নিলাম। তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো।
আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলা নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা
হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্র“য়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার
কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম,
ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি আমি এ পর্যন্তও
বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজনও যদি সে হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে
নেব।
জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো
আলোচনা হবে। তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ
করে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো।
তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে
যাবে তাকে মেরে ফেলা দেয়া হবে। যদি কেউ এসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জোর করে
বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো।
ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব
বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া
হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ
প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।
আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ
করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে
যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।
কি পেলাম আমরা? আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্র“র আμমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই
অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের ওপরে হচ্ছে গুলি।
আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালীরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর
ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
টেলিফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের
প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপর গুলি করা হয়েছে। কি
করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার
করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি যে, ১০ই তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে।
আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি, কিসের রাউন্ড টেবিল, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত
নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি
করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার ওপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের ওপরে দিয়েছেন।
ভায়েরা আমার,
২৫ তারিখে এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি, ওই শহীদের রক্তের
ওপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা।
এসেম্বলি কল করেছেন, আমার দাবী মানতে হবে। প্রথম, সামরিক আইন- মার্শাল ল’ উইথড্র করতে হবে। সমস্ত
সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর
জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখবো, আমরা এসেম্বলিতে বসতে
পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না।
আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না।আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই।
আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারী, আদালত-ফৌজদারী, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেইজন্য যে সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে সেগুলোর
হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা,,ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু সেμেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট,
হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোন কিছু চলবে না।
২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে,
আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় - তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে
তোল।
তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্র“র মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু -
আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো।
তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি
চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ
আমাদের দাবাতে পারবেনা।

আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য
করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমাদের রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা-পয়সা পৌঁছে দেবেন। আর এই সাত দিন
হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছে, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌঁছে দেবেন।
সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা ট্যাক্স
বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না।
মনে রাখবেন, শত্র“বাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দুমুসলমান,
বাঙালী-ননবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের
যেন বদনাম না হয়।
মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালী রেডিও
স্টেশনে যাবে না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। ২ ঘণ্টা ব্যাংক
খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়না-পত্র নেবার পারে। পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান
হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সংগে নিউজ পাঠাতে হলে
আপনারা চালাবেন।
কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালীরা বুঝেসুঝে কাজ করবেন।
প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল−ায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে,
তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশি-আল্লাহ।
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
(ধন্যবাদ যে এই ভাষন লিখিত ফর্মে নিয়ে এসেছেন)

এই ভাষনের উপর ভিত্তি করেই, বাংলাদেশ প্রতিষ্টা করা হয়েছে, দুঃখের বিষয় অনেকেই এই পুরো ভাষন জানে না। তাই কিছু সংখ্যাক জেনে নিজের ইচ্ছামত ব্যাক্ষা দেয়। যাইহোক, ভাষনের কোথাও বলা হয়নি সেকুলারিসমের জন্য সংগ্রাম। আসলে সংগ্রাম ছিল বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম কোন সেকুলারিসম ফেকুলারিসমের জন্য নয়। যারা এই দাবী করেন, তারা হয় মিথ্যাবাদী নয়ত চক্রান্তকারী। আমার তো সংদ্ধেহ হয় এদের সম্পর্কেই কি তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন, আমার সংদ্ধেহ ভুলও হতে পারে।
"শত্র“বাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে"

*** আসুন দেখেনেই সেকুলারিসমের ইভুলশন***
সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের উপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ার পর ’৭২ সালের মূল সংবিধান আপনাআপনিই পুনর্বহাল হচ্ছে। এর ফলে দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে এবং চার মূলনীতির ভিত্তিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ৫ম সংশোধনী বাতিলের কারণে ৪র্থ সংশোধনীর আলোকে দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েমের কোনো সুযোগ নেই। কেননা পরবর্তীতে রেফারেন্ডামের মাধ্যমে বাকশাল বিলুপ্ত করা হয়েছিল। আইনমন্ত্রী বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল হলেও বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ সংবিধানে থাকবে। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

=> ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতিক দল নিষিদ্ধ করা হোক , ধর্ম পুজি করে ব্যবসা । কখন হবে না । রাষ্ট্র ধর্ম নিরোপেক্ষ থাকবে ।

ড.অভিজিৎ রায় লিখেছেনঃ‘সেক্যুলারিজম’ শব্দটির অর্থ –‘সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা’ নয়, বরং এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে একটি মতবাদ, যা মনে করে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি থেকে ধর্মকে পৃথক রাখা উচিৎ। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে এইটি একটি মতবাদ । এক মতবাদের উপর ভিত্তি করে বাকি মতবাদ গুলি রাষ্ট্র থেকে পৃথক করতে হবে । রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে হবে ।

আমেরিকান হেরিটেজ ডিকশনারীতে secularism শব্দটির সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে এভাবে -The view that religious considerations should be excluded from civil affairs or public education এ সংজ্ঞা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না- এটাই সেক্যুলারিজমের মোদ্দা কথা ।( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না, মানে রাষ্টে তার খেয়াল খুশি মত চলবে । মানে বিসমিল্লাহ থাকতে পারে না ।

ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তার ‘ইহজাগিতিকতার প্রশ্ন’ প্রবন্ধে: ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, এই কথাটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর পরই খুব জোরেসোরে বলা হচ্ছে। কথাটা সত্য বটে আবার মিথ্যাও বটে। সত্য এ দিক থেকে যে, রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা নাগরিকদের এ পরামর্শ দেয় না যে, তোমাদের ধর্মহীন হতে হবে; কিন্তু তা বলে এমন কথাও … বলে না যে, রাষ্ট্র নিজেই সকল ধর্মের চর্চা করবে, কিংবা নাগরিকদের নিজ নিজ ধর্ম চর্চায় উৎসাহিত করবে। রাষ্ট্র বরঞ্চ বলবে ধর্মচর্চার ব্যাপারে রাষ্ট্রের নিজের কোন আগ্রহ নেই, রাষ্ট্র নিজে একটি ধর্মহীন প্রতিষ্ঠান।, ধর্ম বিশ্বাস নাগরিকদের সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত ব্যাপার। রাষ্ট্রের ওই ধর্মহীনতাকেই কিছুটা নম্রভাবে বলা হয় ধর্মনিরপেক্ষতা। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে ধর্মহিনতাই সেকুলারিসম । এতএব, সরকারী সকল কাজ ধর্মহীন হতে হবে । মানে ইসলামী ফায়ন্ডেশন সহ সরকারী ধর্মীয় কার্যক্রম বন্দ করতে হবে ।

ডাঃ বিল্পব পাল বলেন ঃ ধর্ম টিকে থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরপেক্ষ হবে, সেটা সোনার পাথর বাটি।
ধর্ম মানে কি নামাজ পড়া? মোটেও তা না। ধর্মের নৃতাত্ত্বিক উৎপত্তির ভিত্তি সামাজিক চুক্তিগুলি যা আবার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রন করে আইনের মাধ্যমে। তাই ধর্ম থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরেপেক্ষও হবে, এটা শ্রেফ গোঁজামিল ছাড়া কিছুই না । ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট এর কমেন্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে ধর্ম থাকলে সেকুলারিসম হয় না । ধর্মকে রাখাই যাবে না । ইসলাম, খ্রিস্টানিটি তারপর হিন্দুইজম চর্চা বন্দ করতে হবে । এদের নিষিদ্ধ করতে হবে । মসজিদ, মন্দির বন্দ করতে হবে ।


(এইখান কার ইভুলোশন ধরতে পেরেছেন কি ?)

জেগে ঊঠুন, কারন আপনি যখন ঘুমান তখন-ই তারা তাদের নীল নক্সা নিয়ে মাঠে নামে আর গোলা পানিতে মাছ শিকার করে। ছাত্র লীগের মধ্যে শিবির ঢুকে পড়েছে বলে যে কাজ করা হয়েছে তা নীল নক্সার-ই নিদর্শন। আওয়ামিলীগের ভিতর যারা ইসলাম পন্থী আছেন তাদের দুর্বল করার জন্য-ই এই চক্রান্ত। আমি বুঝে পাই না, সৈয়দ আশরাফ একজন সৈয়দ বংশের মানুষ হয়ে এই ফাদে কিভাবে পা দিলেন। আমরা উনার কাছ হতে এই কঠিন সময়ে দায়িত্বশীল আচরন আশা করি।

(এটি আমার সংদ্ধেহ, যা ভুল হতে পারে, তাই আমার ভুলগুলিকে ভুল হিসাবে ধরবেন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29111732 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29111732 2010-03-07 13:53:33
দিনের সময় কমে গেছে [ছবি Click This Link থেকে]
চিলিতে হয়ে গেল এক ভয়াবহ ভূমিকম্প, রিক্টার স্কেলে যার মাত্রা প্রায় ৮.৮ এটি রেকর্ড করা সব থেকে শক্তশালী ভূমিকম্প গুলির একটি। এ জন্য জাপান এবং রাশিয়া সুনামির সতর্ক করে দিয়ে ছিল। কিন্তু কাহিনী যাইহোক, তার একটি বড় পরিবর্তন বোধ হয় হয়ে গেছে।

এই ভূমিকম্প নাকি পৃথিবীর ঘূর্ণন নাকি পরিবর্তন করে দিয়েছে। এতে নাকি দিনের সময় কমে যাবে। অবাক হবার কথা হলেও ঘটনা একজন নাসার বিজ্ঞানী বলেছেন। তার আগে ৯.১ মাত্রার সূমাত্রার নিকট যে ভূমিকম্প হয়েছিল, যার দ্বারা ভয়াবহ সুনামি সৃষ্টি হয়েছিল ঐ ভূমিকম্পের খারাপ প্রভাব পরিবেশের উপর পড়েছিল এবং পৃথিবীকে তার অক্ষ থেকে প্রায় ২.৭৬ ইঞ্চি সরিয়ে দিয়েছিল, যাতে করে পৃথিবীর দিন প্রায় ৬.৮ মাইক্রসেকেন্ড কমে এসেছিল । কিন্তু চিলির ভুমিকম্পের ভোগলিক অবস্থানের জন্য পৃথিবীর অক্ষ সূমাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে বেশী সরিয়ে দিয়েছে। চিলির ভূমিকম্প পৃথিবীকে তার নিজের অক্ষ থেকে প্রায় তিন ইঞ্জি সরিয়ে দিয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে। এতে করে প্রায় ১.২৬ মিলি সেকেন্ড কমে গেছে। ইয়াহুর খবরে প্রকাশিত হয়েছে

The quake, the seventh strongest earthquake in recorded history, hit Chile Saturday and should have shortened the length of an Earth dayby 1.26 milliseconds, according to research scientist Richard Gross atNASA's Jet Propulsion Laboratory in Pasadena, Calif.

The computer model used by Gross and his colleagues to determine the effects of the Chile earthquake effect also found that it should have moved Earth's figure axis by about 3 inches (8 cm or 27 milliarcseconds).

ভবিষতে, আরো বড় ভূমিকম্পের কারনে, পৃথিবীতে কি ২৪ ঘন্টায় একদিন নাও হতে পারে। হয়তবা এমন ও হতে পারে ২০ ঘন্টায় একদিন। হাসবেন না প্লিজ। হাহাহাহা। যাইহোক, ঘটনা হল, ঘটনা তা না, যদি কোন বড় ভূমিকম্পে কোন কারনে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বেড়ে যায়, তাহলে দিন রাত আরো কমে যাবে। আবার ধরুন, আহ্নিক গতি কমে গেল, তাহলে তো দিন রাত আরো বেড়ে যাবে। সময় বাড়বে, মানে কাজ বেশী কর। ওহ ঝামেলা। ক্লাস বেশী। এত কাজ করতে মন চায় না। তাই ভালই হল, দিন কমে গেল।<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29109023 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29109023 2010-03-03 10:19:51
৫শ টাকা বেতনের কর্মচারী (উৎসর্গঃ নিরবে পরে থাকা গ্রাম অঞ্চলের সকল ইমাম আর মুয়াজ্জিন বৃন্দ) আমি একজন ৫শ টাকা বেতনের কর্মচারী,
লিখ, আমি ভোর সকলে উঠি
শীতের ঠান্ডা পানিতেও আমি ভিজি,
হ্যা লিখ, আমি এশারের পর ঘুমিয়ে যাই,
একটি ভাংগা ছাতি নিয়ে আমি ঘুরি,
সকাল, অথবা বিকেল, উচ্চ সরে কথা বলি,
হ্যা, আমার নিজের কোন বাড়ি নেই।
ধর্ম ঘররের কিনারে ছোট্ট একটি ঘরে আমি থাকি,
কিংবা কিছু টাকা পাই, মানুষের স্ব-ইচ্ছায়।
তোমার কি খারাপ লাগল?

লেখ
আমি ৫শ টাকা বেতনে কাজ করি,
তা দিয়েই আমার জীবনে বাচা,
আমার ছেলে-মেয়ের পড়াশুনা,
কিংবা আমার মায়ের দেখাশুনা,
হ্যা, আমার সল্প আয় দিয়েই আমি চেষ্টা করি।
তুমি কি রাগ করলে?


লেখ,
তোমরা আমাকে কাঠ মোল্লা বলে ডাক,
রাস্তা-ঘাটে, আমাকে সমালোচনা কর,
হ্যা, যখন তখন আমার সাথে তামাশা কর,
আর অভিযোগ কর, ইচ্ছা মত,
কিন্তু আমার-ও অধিকার আছে,
আমার ছেলে-মেয়েরো আছে, ভাল জীবনের অধিকার,
কিংবা, আমার মায়ের আছে, ভাল চিকিত্‌সার অধিকার,
হ্যা, আমি সামান্য আয়েই চেষ্টা করি,
তোমার কি ঘৃণা লাগল?

লেখ,
হ্যা লেখ, ভাল করে লিখ,
আমি তোমার মত ঘোষখোর নই,
না-হ, আমি তোমার মত এত চালাক-ও নই,
কিংবা, আমি নই দুর্নিতিবাজ তোমার মত,
আমি ছিড়ে খাইনা গরিবের অধিকার,
আমি ছিন্তাই করি না, টোকাইয়ের মুখের খাবার,
কিংবা, আসহায়ের দু’য়ার আবদার,
হ্যা, আমি দু’য়া করি, তোমার কিংবা বাত্‌সার,
অথবা রাস্তার ফকিরের, যারা দিন আনে দিন খায়, আর বস্তিতে ঘুমায়।

হ্যা, লেখ
আমি-ও মানুষ,
আমার-ও ভুল ত্রুটি আছে,
শীতে আমি ও কাপি, গরমে আমি-ও ঘামি,
আমি-ও অসুস্থ হই, দুনিয়ার আঘাতে আমি জর্জরিত হই,
জনাব, আমার-ও দুঃখ আছে, কষ্টের কান্না আমাকে-ও কাদায়।
তোমার কি হাসি পেল?

হ্যা লেখ,
বড় করে লেখ,
আমি-ই হ্যা আমরা-ই,
তোমাকে গোসল করাই, যখন তুমি নিজে তা পারনা,
পরিবহন করাই গন্তব্যের দিকে, যখন তুমি তা করনা,
হ্যা লিখ, তোমাকে সামনে রেখেই, আমি দু-হাত তুলি,
এই বিশ্বের স্রষ্টার কাছে, প্রার্থনা করি তোমার মুক্তির জন্য,
শেষবারের মত, তোমার ছেলেকে সান্তনা দেই, তার বাচার জন্য,
কিংবা আমার কুরান আবৃতি-ই হয়, তোমার মেয়ের শেষ সান্তনা।

-ফুয়াদ

[{কবিতাটি আমি কবি মাহমুদ দারবিসের নিচের কবিতা অনুষারে লিখিছি}
হ্যাঁ, লেখো
আমি একজন আরব
আমার কার্ড নম্বর পঞ্চাস হাজার
আমার আটটি সন্তান
নবমটি পরবর্তি গ্রীষ্মে জন্মাবে,
তুমি কি রাগ করলে ?

লেখো
আমি এক আরব
সাথী শ্রমিকের সাথে আমি পাথর ভাঙি
অমানুষিক পরিশ্রমে আমি পাথুরে পাহাড় ভেঙ্গে
নুড়ি করি-
এক টুকরো রুটির জন্যে
আমার আট সন্তানের একখানি বইয়ের জন্যে
কিন্তু আমি দয়া-দক্ষিণা চাইনা
আর তোমার কর্তৃত্বের কাছে মাথা নোয়াইনা
তুমি কি রাগ করলে ?

লেখো, হ্যাঁ লিখে নাও
আমি একজন আরব
আমি উপাধিহীন একটি নাম
উন্মত্ত পৃথিবীতে এখনও স্থির
স্থান ও কালের সীমানা ছাড়িয়ে
আমার শিকড় খুব গভীরে প্রোথিত
আমি কৃষকের সন্তান।
নলখাগড়া ও খড়ের তৈরী কুঁড়েঘরে
আমি বাস করি,
চুল আমার মিশকালো
চোখঃ বাদামী
আমার আরবী শিরোভূষণ
কেড়ে নিয়েছে অনুপ্রবেশকারীর হাত,
আমি পছন্দ করি ভোজ্য তেল ও সুগন্ধি লতাগুল্ম

লেখো
এবং সবার উপরে
দয়া করে লিখে রাখো -
আমি কাউকে ঘৃণা করিনা
আমি কেড়ে নিইনি কারো সমুহ সম্পদ,
কিন্তু আমি যখন অনাহারী
নির্দ্বিধায় ছিঁড়ে খাই
আমার সর্বস্ব লুন্ঠনকারীর মাংশ
আতএব, সাবধান
আমার ক্ষুধাকে সাবধান
আমার ক্রোধকে সাবধান।

যারা শুধু ধ্বংস করে
মানুষ খুন করার নেশায় পাগল হয়ে যায়
সেই বর্বরদের বিরুদ্ধেই কেবল আমরা অস্ত্র ধরি।
পৃথিবীটাই বদলে গেছে,
প্রবল ভূমিকম্পে উপত্যকার পুষ্প ঝরে যাক
তীক্ষ ছুরি সংক্ষিপ্ত করুক পাখির কলগীতি
বারুদের গুঁড়োয় পুড়ে যাক শিশুদের ভ্রুপল্লব-
মানুষের খুলির ওপর, ধ্বংসের ওপর
সর্বনাশা হায়েনার ছোবলে ছেঁড়াখোড়া জঞ্জালের ওপর
স্ফুলিঙ্গের জন্ম হোক
ভয় নেই, প্রতিটি গৃহেই তলোয়ারের টোকা পড়বে।

এসো, তীব্র ঘৃণা এবং ক্রোধের নতুন ঘাম পান কর
এই যুদ্ধ তোমার রক্তে আনুক নতুন জোয়ার
মুখ থেকে তোমার নেকাব খুলে পড়ুক
আজ তোমার মুখ জ্বলন্ত ফুলের মতো
তোমার বোবা অধর বিজয়ের লাল গোলাপের মত।
যদিও তোমার টাটকা জখম থেকে ধোঁয়া উঠছে
আর তার স্বাদ নোনতা
তবু প্যালেস্টাইন, প্যালেস্টাইন আমার, তোমার জয় হোক।

তুমি নিজেই আজ জানাজার কাফন হয়ে যাও
হয়ে যাও রক্তাক্ত ক্রোধ
হয়ে যাও বিভৎস রোষ
তোমার শিরায় শিরায় রক্তের বদলে বয়ে যাক নীল গরল
ক্ষমাহীন ঘৃণা
আর তীব্র জ্বালা।

কবিতার বাকি অংশ পড়ে নিন নিচে ক্লিক করে।
(মাহমুদ দারবিস প্যালেস্টাইনের জাতীয় কবি ।কবিতাটি অনুবাদ করেছেন রফিক আজাদ লিংকঃ http://roudrochaya.amarblog.com/posts/34042/ )]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29107397 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29107397 2010-02-28 18:49:02
বাংলাদেশের তো বহুত লাভ হয়ে গেল ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ আমদানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আগামী ২ বছরের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুত্ গ্রিড স্থাপনের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। ওই চুক্তিতে দু’দেশের সচিব পর্যায়ে স্টিয়ারিং কমিটির স্বাক্ষরিত চুক্তি সম্পর্কে ভারতে বিদ্যুত্ সচিব এইচএস বর্মা সাংবাদিকদের জানান, ভারতীয় মুদ্রায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ২ রুপি থেকে ২ দশমিক ২ রুপি বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া ওইদিন খুলনায় কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট উত্পাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাচালিত একটি বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি হয়। যা ভারত তত্ত্বাবধায়নকরবে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩ টাকা ২৫ পয়সা দাম ধরা হলেও ওই বিদ্যুত্ গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত মূল্য ১২ টাকারও বেশি পড়বে বলে খুলনা বিদ্যুত্ কেন্দ্র ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) একাধিক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন। তারা বলেন, ওই দামের সঙ্গে লাইন লস (সিস্টেম লস) খরচ যোগ হবে। বর্তমানে বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের দেশব্যাপী বিদ্যুত্ সরবরাহে গড় সিস্টেম লস ১১ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং উত্পাদনে সিস্টেম লস হয় ১০ শতাংশের মতো। কাজেই কেনা বিদ্যুতে যে সিস্টেম লস হবে তা সমুদয় দামের সঙ্গে যোগ হবে। সেই সঙ্গে যোগ হবে হুইলিং চার্জ (সঞ্চালন খরচ)। বর্তমানে বিউবোর গড় সঞ্চালন চার্জ ইউনিটপ্রতি ২২ পয়সা করে পড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ভারত থেকে বিদ্যুত্ আনার জন্য ভেড়ামারায় একটি বিশেষ সাবস্টেশন স্থাপনসহ ৪৫ কিলোমিটার লাইনের জন্য ১১০০ কোটি ব্যয়ের টাকার লোন ইন্টারেস্ট। ফলে ভারত থেকে কেনা বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১২ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। বিদ্যুত্ আমদানির সঙ্গে ভ্যাটের বিষয়টি সম্পর্কিত হলে মূল্যে আরও বেড়ে যাবে।


খবর-আমার দেশ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29105810 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29105810 2010-02-26 06:43:38
সবাই বোঝেন এখন। আদালতে মহারাষ্ট্রের আইনজীবীদের উপস্থাপিত তথ্যে জানা যায়, শিক্ষা ট্রাস্ট গড়ার আড়ালে সংগঠনটি খুব দ্রুত অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তাদের অন্যতম নেতা লে. কর্নেল প্রাসাদ শ্রীকান্ত পুরোহিত ২০০৭ সালে সংগঠনের কর্মীদের নির্দেশ দেন, সন্ত্রাসী হামলার মাধ্যমে এখন মুসলমানদের আঘাত করার সময় এসে গেছে। তবে এতে অভিনব ভারতের অনেকেই তাঁর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।
২০০৮ সালে মালেগাঁওয়ে বোমা হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন মামলায় লড়ছেন লে. কর্নেল প্রাসাদ শ্রীকান্ত। অভিযোগ মতে, ওই বছর এপ্রিলে মধ্যপ্রদেশভিত্তিক হিন্দুত্ববাদী ওই সংগঠনের কর্মীরা মালেগাঁওয়ে বোমা হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। এরপর থেকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে অভিনব ভারত। তারা চায় ভারতের সব রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে সমগ্রতাবাদ কায়েম করতে। অর্থাত্ পৃথক কোনো রাজ্যের অস্তিত্ব থাকবে না, ভারত হবে এক দেশ।
অনেকে মনে করেন, অভিনব ভারত নামে এই সংগঠনটি ইতিমধ্যে বহু সন্ত্রাসী ঘটনার জন্ম দিয়েছে। ২০০৭ সালের মে মাসে হায়দরাবাদের মক্কা মসজিদ ও আজমির শরিফে তারা একযোগে বোমা হামলা চালায়। কিন্তু তখন উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণের অভাবে ঘটনা দুটির সঙ্গে সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করা যায়নি।
হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর সাম্প্রতিক কার্যক্রম বিচার করলে মোটেই বোঝার উপায় নেই যে, তারা বড় কোনো সন্ত্রাসী হামলা চালাতে সক্ষম। এ অবস্থায় অনেক তদন্তকারী বলছেন, পুনের ঘটনায় অভিনব ভারতের সংশ্লিষ্টতা নাও থাকতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, অন্য কোনো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এতে জড়িত নেই। দ্য হিন্দু অনলাইন।
-খবর প্রথম আলো

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরে মাত্র দুই দিন আগে ২৪ পুলিশ সদস্যের হত্যাকাণ্ডের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই বিহারের একটি গ্রামে গত বুধবার শেষরাতে ১২ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করেছে মাওবাদীরা। পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারের জামুই জেলার কাসারি গ্রামে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শতাধিক মাওবাদী ওই হামলা চালায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথ বাহিনী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলপাহাড়ির তুলাখেড়া জঙ্গলে মাওবাদীদের ধরতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
বুধবার রাতের হামলার খবরে বলা হয়, ওই রাতে দেড় শতাধিক মাওবাদী বিদ্রোহী কাসারি গ্রামে হামলা চালিয়ে ২৫টির বেশি কাঁচা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বহু মানুষ আহত হয়। পুলিশের মহাপরিচালক ইউ এস দত্ত সাংবাদিকদের বলেন, শতাধিক মাওবাদী পুরো গ্রামটি ঘিরে ফেলে বাড়িঘরে নির্বিচারে আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতে থাকে। এ ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছে। ওই সময় মাওবাদীরা ছয়জনকে অপহরণ করে।
স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মাওবাদীদের সন্দেহ, চলতি মাসের গোড়ার দিকে তাদের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তারে সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করেছিল এই গ্রামের লোকজন।
পুলিশ জানায়, তারা ধারণা করছে, অপহরণকারীদের পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্যের গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই রাজ্যেই মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি।
গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গের বেলপাহাড়ির শিলদার যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে মাওবাদীদের অতর্কিত হামলায় ২৪ জন আধাসামরিক জওয়ানের মৃত্যুর পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথ বাহিনী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলপাহাড়ির তুলাখেড়া জঙ্গলে চিরুনি অভিযান শুরু করে। তারা ইতিমধ্যে ওই জঙ্গল ঘিরে ফেলেছে। জঙ্গলে পুঁতে রাখা চারটি মাইনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সেখানে মর্টারের শব্দও শোনা গেছে।
সোমবারের মাওবাদী হামলায় নিহত ২৪ জওয়ানের পরিবারসহ স্থানীয় লোকজন মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের সালুয়ায় সড়ক অবরোধ করে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে আসছে। তারা ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী এসে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে। আজ শুক্রবার তারা সালুয়ায় আমরণ অনশন শুরু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য গতকাল মাওবাদী হামলার নিন্দা এবং নিহত জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।
রাজ্য সরকার মাওবাদী হামলা তদন্তের ভার ইতিমধ্যে সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে। সিআইডির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
মাওবাদী নেতা কিষানজি গতকালও বলেছেন, সরকার অপারেশন গ্রিনহান্ট বন্ধ না করলে তাঁরাও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অপারেশন পিসহান্ট চালিয়ে যাবেন।

-প্রথম আলো

মসুলমান রা কিছু করলেই দোষ কিন্তু নাস্তিক আর অন্যরা করলে কোন দোষ নাই। মসুলমানরা কিছু করলেই প্রমান থাকুক আর না-থাকুক, নাস্তিকদের বিশ্লেষন পাবেন। কিন্তু অন্য কেউ হলে আচানক নিরব।<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29101732 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29101732 2010-02-20 17:29:50
নাস্তিকরা কোন দোষ করে না, দোষ সব মুসলমানের গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথ বাহিনী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলপাহাড়ির তুলাখেড়া জঙ্গলে মাওবাদীদের ধরতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
বুধবার রাতের হামলার খবরে বলা হয়, ওই রাতে দেড় শতাধিক মাওবাদী বিদ্রোহী কাসারি গ্রামে হামলা চালিয়ে ২৫টির বেশি কাঁচা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় বহু মানুষ আহত হয়। পুলিশের মহাপরিচালক ইউ এস দত্ত সাংবাদিকদের বলেন, শতাধিক মাওবাদী পুরো গ্রামটি ঘিরে ফেলে বাড়িঘরে নির্বিচারে আগুন জ্বালিয়ে দেয় এবং বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতে থাকে। এ ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছে। ওই সময় মাওবাদীরা ছয়জনকে অপহরণ করে।
স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মাওবাদীদের সন্দেহ, চলতি মাসের গোড়ার দিকে তাদের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তারে সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করেছিল এই গ্রামের লোকজন।
পুলিশ জানায়, তারা ধারণা করছে, অপহরণকারীদের পার্শ্ববর্তী ঝাড়খন্ড রাজ্যের গভীর জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই রাজ্যেই মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি।
গত সোমবার পশ্চিমবঙ্গের বেলপাহাড়ির শিলদার যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে মাওবাদীদের অতর্কিত হামলায় ২৪ জন আধাসামরিক জওয়ানের মৃত্যুর পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যৌথ বাহিনী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলপাহাড়ির তুলাখেড়া জঙ্গলে চিরুনি অভিযান শুরু করে। তারা ইতিমধ্যে ওই জঙ্গল ঘিরে ফেলেছে। জঙ্গলে পুঁতে রাখা চারটি মাইনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। সেখানে মর্টারের শব্দও শোনা গেছে।
সোমবারের মাওবাদী হামলায় নিহত ২৪ জওয়ানের পরিবারসহ স্থানীয় লোকজন মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের সালুয়ায় সড়ক অবরোধ করে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে আসছে। তারা ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী এসে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে। আজ শুক্রবার তারা সালুয়ায় আমরণ অনশন শুরু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য গতকাল মাওবাদী হামলার নিন্দা এবং নিহত জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।
রাজ্য সরকার মাওবাদী হামলা তদন্তের ভার ইতিমধ্যে সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে। সিআইডির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
মাওবাদী নেতা কিষানজি গতকালও বলেছেন, সরকার অপারেশন গ্রিনহান্ট বন্ধ না করলে তাঁরাও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অপারেশন পিসহান্ট চালিয়ে যাবেন।

-প্রথম আলো]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29100907 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29100907 2010-02-19 10:01:03
১০০ কোটি ডলার ঋন -ইত্তেফাক

ভারতের কাছে গিয়ে আমরা কত ঋন পাই, আর তুরষ্ক নিজেরা আইয়া কত ঋন দিয়ে যায়। কে ভাল বন্দু তা বিবেচনা না করেই বলতেছি, আমরা কি শুধু ঋন নিয়েই চলব। সুদের ভাড় টেনে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096877 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096877 2010-02-13 19:08:04
বাংলাদেশ আর আমেরিকা, দুই দেশের মধ্যে একমাত্র মিল
আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা৷ এবারও অ্যামেরিকায়৷ ঘাতক এক নারী প্রোফেসর৷ নিহত তিনজন, আহত অন্তত একজন৷ বন্ধ অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়৷ চলছে তদন্ত।

পাশ্চাত্য বিশ্বে, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনা একের পর এক ঘটতে দেখা যাচ্ছে৷ সর্বশেষ ঘটনাটি শুক্রবারের৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের হুন্টসভিলে ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক সশস্ত্র মহিলা বায়োলজি প্রোফেসর এদিন এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে তিনজনকে৷ গুলিতে আহত আর এক ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

-খবর
DW-World.DE

বাংলাদেশেও তিনটা , আমেরিকাতেও তিনিটা। কি ব্যাফক মিল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096589 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096589 2010-02-13 11:45:16
অনুবাদ কর্মঃ আমি নিরব ছিলাম (ব্লগিয় উত্তেজনার কারনে) আমি নিরব ছিলাম,
আমি কমিউনিস্ট নই,
যখন তারা সামাজিক গনতন্ত্রবাদীদের বন্দী করল,
আমি নিরব ছিলাম,
আমি সামাজিক গনতন্ত্রবাদী নই।

যখন তারা শ্রমিক সমিতিদের জন্য আসল,
আমি নিরব ছিলাম,
আমি শ্রমিক সমিতির কেউ নই।

তারা যখন ইহুদীদের জন্য আসল,
আমি নিরব ছিলাম,
কারন আমি ইহুদী নই।

যখন তারা আমার জন্য এল,
তখন কেউ ছিলনা আমার পক্ষে কথা বলার।
-মারটিন নিমোলার



ঘটনা বুঝতেছি না, এ সব কি হচ্ছে, খালি মাইর দাংগার খবের ব্লগ ভরে গেছে। আমার ব্লগ আর সামহোয়ার। ঘটনা কি? বাকি রা কি ছুটিতে গেছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096176 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29096176 2010-02-12 21:22:27
যার দ্বারা আক্রান্ত, তার দ্বারাই রক্ষিত
আজ এক কাহিনী পৃথিবীতে প্রচার পায়, কালকে আরেক। আজ বলা হয়, এই মতবাদ ঠিক কালকেই বলা হয় বেঠিক। এ ধরনেরই এক অদ্ভুত কাহিনী শুনলাম ব্লগার ইবনে হাবিব ভাইয়ের কাছ থেকে। সুইজারল্যান্ডের খবর যা কিছুদিন আগেই পেয়েছিলাম। কিন্তু এ এক নতুন খবর। বিশিষ্ট সুইস রাজনীতিক ড্যানিয়াল স্ট্রিচ ইসলাম গ্রহণ করেছেন। সুইস পিপলস পার্টির সদস্য ড্যানিয়াল স্ট্রিচই সর্বপ্রথম সুইজারল্যান্ডে মসজিদের মিনার নির্মাণের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব পেশ করেন। স্ট্রিচের ইসলাম গ্রহণ তাই সুইস রাজনীতিতে এক নতুন মোড় এনে দিবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাথে সাথে নিষেধাজ্ঞা-প্রস্তাবের সমর্থকদেরকে এনে দিবে হতাশা। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, যেই স্ট্রিচ একদিন মিনার নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করেন, সেই স্ট্রিচই এখন সুইজারল্যান্ডে মিনারবিশিষ্ট পঞ্চম মসজিদটি নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মাধ্যমে ইসলামপূর্ব কৃতকর্মের তাওবা করতে চান তিনি।

গত ২৯ শে নভেম্বর সুইজারল্যান্ডে এক গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হয়। গণভোটে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার ও দেশের ২৬টি ক্যান্টনের মধ্যে চারটি ছাড়া সবক’টি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টির (এসভিপি) পক্ষে পার্টির সদস্য ড্যানিয়াল স্ট্রিচই এ গণভোটের প্রস্তাব করেছিলেন। সুইজারল্যান্ডের এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সারা বিশ্ব। ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলাও করা হয়েছে।

বিষ্ময়কর খবর। এভাবেই আল্লাহ পাক ইসলামকে রক্ষা করেন, যার দ্বারা আক্রান্ত হয়, তার দ্বারাই রক্ষিত হয়। যে মংগলীয় আক্রমনে ইসলাম বিদ্ধস্ত হয়েছিল, তাদের দ্বারাই আবার প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল।

খবরঃ Click This Link

ইবনে হাবিবের লিংকঃ
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29092236 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29092236 2010-02-06 13:05:11
আমরা কি অসভ্যই রয়ে গেলাম রাজুক কি আগে তাদের সাবধান করতে পারল না। রাজোক তো ইচ্ছা করলে কিছু ফাইন দিয়ে তাদের অনুমতি দিয়ে দিত পারত। দেশের এত গুলো টাকা নষ্ট হল। এটা যে দেশের জন্য ক্ষতি তারা কি তা বোঝে না। কত গুলো কত মানুষের জব। ঘটনা জানার পর, ভাবতেছি কেউ মনে হয় ভয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে যাবে না। কারন ব্যাবসা যারা করেন তারা ভাল করেই জানেন, কাগজ পাতি তৈরি করতে কত ঝামেলা এবং এতে কত ফাক ফোকর থাকে, যা ব্যাবহার করে ঐ ব্যাবসা কে লাটে তুলা যায়। এখন, বাংলাদেশের অথরিটি গুলি যদি এরূপ করে তাহলে কার দায় পরেছে ঐখানে বিনোয়গ করার। যে দেশে ফকির থেকে প্রধান মন্তী চোর, সে দেশে অবৈধ স্থাপনা থাকবেই, এগুলো মেনে নিয়েই আমাদের অর্থনিতির উন্নয়ন করতে হবে। আস্তে আস্তে ক্রমান্ননয়ে দুর্নীতি দূর করতে হবে। আপনারা জানেন কি না জানি না, যে দেশ গুলিকে দুর্নীতি মুক্ত বলা হয়, সে দেশেও দুর্নীতি আছে, এবং তা ভাল করেই আছে। প্রায় বাংলাদেশের মতই। কিন্তু পার্থক্য ঐ দেশ গুলি ধনী হওয়ায় এগুলো ধরা পরে না। অনেক সময় চোখেও পরে না। কেউ ই নিঃস্পাপ নয়। কিন্তু তারা তাদের অর্থনিতির কথা ভাল করেই বুঝে। তাই, সাবধানে পা ফেলে। কিন্তু আমরা অসভ্যর মত আমাদের নিজেদের সম্পদ ই ধংশ করি।
রাজোক নিজেকে নিঃস্পাপ আর শ্রেষ্ট যা ই ভাবুক না কেন মানুষ অন্য কথা বলে। স্থপতি ও পরিবেশবিদ ড. ইকবাল হাবিব জানান, অবৈধ ভবনের জন্য মূলত রাজউকই দায়ী৷ রাজউকের অব্যবস্থাপনা ও অসততার জন্যই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ তিনি বলেন, রাজউক একটি অথর্ব এবং জনবিচ্ছ্ন্নি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, তাদের নির্মাণ ছাড়পত্র নিয়ে রয়েছে ব্যাপক অস্বচ্ছতা৷ এর ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়েছে৷

<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />
রাজোক জিন্দাবাদ, জয় মহান দেশের বিশ্বজয়ী দেশ প্রেমিক, মুর্খতার বিজয় হোক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29091901 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29091901 2010-02-05 20:50:10
নাস্তিকের ধর্মকথার আসল চেহারা, ব্লগাররা বিচার করেন?
তিনি উনার এক আরটিক্যালে যুক্তি-তক্কো-গল্প (পর্ব ১: সেসব আরবী হরফ সম্বন্ধে ... যাদের অর্থ আল্লাহই ভালো জানেন)

বলেন ঃ মুক্তমনা ব্লগে ব্লগার ফুয়াদেরও একটি দাবীর জবাব দেয়ার চেস্টা করবো। ফুয়াদ উক্ত পোস্ট সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন: "আমি দাবী করি নাই যে আল কোরানে আধুনিক এটম আছে। কে দাবি করেছে এবং সে কি প্রতিষ্ঠিত হুজুর? যদি কোন মুসলিম প্রতিষ্ঠিত হুজুর আপনার উল্লেখিত দাবি করে থাকেন তাহলে তার রেফারেন্স কি ? যে কেউ আপনাকে একটা কিছু বলতেই পারে"... ইত্যাদি। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে- তিনি এই ব্যাপারে ঐরকম কোন দাবী না করলেও ঠিকই আরেকটি দাবী করে বসেছেন। সেটা হচ্ছে:
৫। রাসূল সঃ মিরাজে ২৩ অথবা ২৭ বছর ঘুরে এসে দেখেন, উনার ওযুর পানি গরিয়ে পরছে যাওয়ার সময় যেমন পরছিল। এটা আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি অনুসারে সম্ভব।

একে একে মজার মজার দাবীগুলোকে খন্ডানোর উদ্দেশ্যেই এই সিরিজটি শুরু করছি। আপাতত, নাজনীন১ ও ফুয়াদের ৫ টি প্রশ্নের প্রথমটি দিয়ে শুরু।

তিনি আমাকে নিয়ে মাজার ব্যাপার বলে তাছিল্য করলেন, ব্লগাররা দেখুন আমি আসলে কি লেখে ছিলাম ঐখানে, তারপর আপনারাই বিচার করুন।

মুক্তমনায় কমেন্টঃ فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ =Whoever does an atom’s weight of good will see
وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ= It does an atom of evil seen

গুগল ট্রাসন লেটর দিয়ে অনুবাদ করলাম , যা এটম ই এসেছে । আপনি এক কাজ করুন, শাকির, পিকথাল , ইউসুফ আলির বিরুদ্ধে কেইস করুন ? যে তারা উলটা পালটা অনুবাদ করেছেন । আসল অনুবাদ জানেন আপনি ? আর গুগুলরে ও ছাইরেন না । হেরা কেল লাগি এই রকম অনুবাদ করে ?

ইবনে খাতির আরবি থেকে ইংলিশে আল কুরান অনুবাদ করেছেন তা আজকে প্রথম জানলাম । আমি জানতাম উনি তফসির করেছেন । আর তফসির সাধারন মানুষকে বুঝানোর জন্য করা হয় । তারা যে ভাবে বুঝবে । তার পর তফসির কারকের জ্ঞানের উপর নির্ভর করে । তারা দেখেন আজকে এই শব্দ দিয়ে, কুরানের এই বাক্য ভাল ্ব্যক্ষা করা যায় , কালকে দেখেন না , ঐ শব্দ দিয়ে ভাল ব্যক্ষা করা যায়।

২য় কমেন্টে বলেছি,
লেখকের আরেক টি বিষয় কি মাথায় এসেছে ? ধরুন এক গ্রাম্য মুসলিম আপনাকে এসে বলল চীন নামে কোন দেশ নাই , তা কোরানে বলা হয়েছে । অমনি পরের দিন আপনি বড় একটি আর্টিক্যল লিখে ফেললেন {তাও মুক্তমনার মত প্রতিষ্ঠিত জার্নালে}, মুসলিমদের মিথ্যাচার , চীন নামে আসলে একটা দেশ আছে । তাহলে এ শুধু আপনার ইসলাম বিদ্ধেষ ই প্রকাশ করবে, ভিন্ন কিছু নয় ।

আপনার ফ্রেন্ড বা যে কেঊ হয়ত নিজের মতামত বলেছিল । তা আপনি তাকে বললেই পারতেন । তাছাড়া,

আপনি কি মনে করেন মুসলিম মানেই স্কলার ? যদি কোন মুসলিম প্রতিষ্ঠিত হুজুর আপনার উল্লেখিত দাবি করে থাকেন তাহলে তার রেফারেন্স কি ?

৩য় কমেন্টে বলেছি
@পৃথিবী,

আপনি ও একই ভুল করলেন , আমি দাবি করি নাই যে আল কোরানে আধুনিক এটম আছে, আমি বলতেছি, কে দাবি করেছে এবং সে কি প্রতিষ্টিত হুজুর ।

আমি স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি
আপনি কি মনে করেন মুসলিম মানেই স্কলার ? যদি কোন মুসলিম প্রতিষ্ঠিত হুজুর আপনার উল্লেখিত দাবি করে থাকেন তাহলে তার রেফারেন্স কি ?

আমি রেফারেন্স চাইতেছি কে দাবি করেছে এবং সে প্রতিষ্টিত কি না । কেউ আপনাকে একটা কিছু বলতেই পারে । সে অনুযায়ী আপনি বললেই পারেন । আমার চীনের উদাহারনটা বুঝতে চেষ্টা করুন ।

{{২) কোরানে পরমানুর কথা লেখা থাকলে মানষকে জন ডালটনের জন্য এতদিন অপেক্ষা করতে হল কেন? ওই সময়ের মানুষ কেন কোরান পড়ে ব্যাপারটা বুঝতে পারল না?

৩) কোরানের “এটমিক তত্ত্ব” ভুল, স্কুলের ছাত্রও জানে পরমানুকে আরও ছোট ছোট অংশে ভাগ করা যায়। পারলে কোরানের মধ্যে ফোটন, ইলেকট্রন আবিস্কার করেন।

৪) মানষের জ্ঞান যত বাড়ে, সে তত অতীতের ভুল ধারণাগুলো ত্যাগ করে নতুন ধারণা গ্রহণ করে। ভবিষ্যতে যদি স্ট্রিং তত্ত্ব সঠিক প্রমানিত হয়, তখন কোরানের সাথে একে মেলাবেন কেমনে? কোরানের বানীও কি মানুষের পরিবর্তনশীল ধারণার সাথে পরিবর্তিত হবে?}}

আপনি কি বুঝতে পারতেছেন এই বিষয় গুলির কোন মূল্য হইল না । কারন, আমি বলিই নাই আধুনিক এটম কোরানে আছে । কারন, আমি আরবি ভাষাঈ জানি না (সামান্য জানি, যা দিয়ে বই অনুবাদ করা যাবে না) । মনে করুন, আমার একটি ব্যক্তি গত ধারনা, (একজন কে লিখে ছিলাম কমেন্টে) ,
[[সময়ের আপেক্ষিকতা জানতে চেয়েছেন । তাহলে, শুনুন , সহজে T=t/rut 1-(v/c)2

সহজ ভাষায় রাসূল সঃ মিরাজে ২৩ অথবা ২৭ বছর ঘুরে এসে দেখেন, উনার ওযুর পানি গরিয়ে পরতেছে যাওয়ার সময় যেমন পরতেছিল । বোরাকের কত দূর যায়, যতদূর পর্যন্ত চোখ যায় । কত দূর পর্যন্ত চোখ যায় ? যত দূর থেকে আলো আসে তত দূর ই চোখ দেখতে পারে, তার মানে আলোর গতি ই বোরাকের গতি । v=c । rut(c/c)2 =rut (1)2 = 1
so, 1-1=0 , so t=0 ।
তাই তিনি ২৩ বা ২৭ বছর ঘুরে এসেও তিনি দেখলেন সময় আগের যায়গায় ই আছে ।

কোরানের একটী কাহিনী (সামান্য মনে আছে, ভালভাবে মনে নেই), এক ব্যক্তি কোথায় গিয়ে ছিল, তার পর হঠাত জেগে ঊঠল , আল্লাহ তাকে বললেন , তার গাধার দিকে তাকাতে ,সে তাকালো, গাধার হাড় গোড় পরে আছে , কিন্তু তার বয়সের ক্ষেত্রে কোন পরিবর্তন হয় নি, ইভেন তার খাবার ও আগের মতঈ ছিল । শুধু পৃথিবী ১০০ বছর এগিয়ে গিয়ে ছিল । (যতটুকু মনে আছে নিজের ভাষায় ){ দয়া করে কেঊ এই কাহিনীর আয়াত নম্বর সহ পুরাপরি সঠিক ভাবে জানিয়ে দিয়েন ।]]
এটা শুধুই আমার ব্যক্তি গত ধারনা , এখানে আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন । কিন্তু আমি প্রতিষ্টিত ব্যক্তি নই, তাই আমার ধারনার মূল্য নেই । তাই আরেক জনকে এই প্রশ্ন করতে পারেন না, আমার ব্যক্তি গত ধারনা নিয়ে ।

আপনি জ্ঞানী আমি মেনে নিতেছি । তাই আপনাকে অনেক গুলি লাল গোলাপ ফুল দিয়েছিলাম , আবারো দিতেছি । জীবনে তো অনেক গুলি বই পড়েছেন , একটু দয়াকরে , মুহাম্মদ আসাদের মেসেইজ অব আল কোরান বইটি পড়েন , আর ইমাম গাজ্জালির ইয়াহিয়া উলুম উদ দীন, কিয়ামে সাদাত বই দুইটি পড়তে পারেন ।

যাইহোক, আপনার প্রশ্নে আসি
১) মানুষের মত নগন্য প্রানী তার সীমিত ক্ষমতার কারণে সাহিত্যের মাধ্যমে মনোভাব পরিপূ্র্ণভাবে ব্যক্ত করতে অক্ষম বিধায় তার রচনা “ব্যাখ্যা” করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আল্লাহর মত অসীম ক্ষমতাবান ব্যক্তির লেখাকে “ব্যাখ্যা” করার প্রয়োজন কি? তিনি কি এমনভাবে বইটা লিখতে পারতেন না যাতে জ্ঞানী-মূর্খ নির্বিশেষে সবাই বইটা পড়ে বঝতে পারে? তার চেয়েও বড় কথা, তিনি বই লিখতে গেলেন কেন? বইয়ের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, তিনি যদি মানষের জিনের ভেতর ইসলাম ঢুকিয়ে দিতেন পৃথিবীতে লাখ লাখ নবী পাঠানোর প্রয়োজন পড়ত না, জিহাদের হাত থেকেও অনেক প্রাণ রক্ষা পেত।

আমি কোন কোন সময় ব্যক্ষা ছাড়াই পড়ি, কই আমার তো সমস্যা হয় না। পড়তে গিয়ে আমার যে আয়াতের মানে যে রখম মনে হয়েছে, তা যদি লিখে রাখি তা আমার তফসির হবে । তারমানে তফসির সব কিছু না । কিন্তু, আলি সিনা, ডাঃ কেম্পেল, ইবনে ওরাক, আর অন্যন্য এধরনের ব্যক্তিরা, ভিন্ন ধর্মের ব্যক্তিরা আক্রমন করে, তাই তফসির গুলি এই বিষয় গুলি সহজ করে দিতেছে । আবার, অনেকের মাথা ওয়াশ হয়ে গেছে নাস্তিকতা অথবা অন্য ফিলসফি দিয়ে, তাদের ও বুঝতে সহজ হয়। আবার আমরা বাংলাদেশিদের অনেক বিষয় তফসির পড়ে বুঝতে অনেক সহজ হয় । এখন, একজন মানুষ তো আর সব বিষয় নিয়ে গবেষনা করতে পারবে না, তাই নয় কি ? তাই তফসির দরকার পরে । তাই, আমি কোন কোন সময় তফসির সহ পড়ি ।
আল্লাহ পাক পরিক্ষার জন্য এই কিতাব দিয়েছেন , আপনি আল্লাহর আদেশ মানেন কি না, এ জন্য । সব সহজ করে দিলে পরিক্ষার কি দরকার । তাছাড়া, আপনি আল্লাহ পাক যদি প্রশ্ন করেন যে কেন আল্লাহ পাক এমন করলেন না, ডি এন এ তে ডুকাইয়া দিলেন না ইত্যাদি । আল্লাহ পাকের জন্য যুক্তির প্রয়োজন নেই, তিনি যা করেন তাই যুক্তি তাই আইন , যদি তা না হয় তাহলে আপনি গড শব্দের অর্থই বুঝেন না। অতএব, তিনি যা করেছেন, তার জবাব দিতে তিনি কারো কাছে বাধ্য নন । এখন, আমরা মানুষ রা যে জন্য তিনি তা করেছেন ভাবি, তা হচ্ছে তিনি পরিক্ষার জন্য করেছেন। একটু চিন্তা করে দেখতে পারেন ।

আপনি কিভাবে বুঝলেন ইউসুফ আলী, পিকথালের মত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিতরা কোরানকে বৈজ্ঞানিক রুপ দিতে গিয়ে অসততার শরণাপন্ন হচ্ছে না?

উনারা যতটুকু বুঝেছেন, ততটুকু লিখেছেন , তারা যে মুর্খ নন, তা আপনিও জানেন ।
( আমি আপনার সাথে কিছু লিখতে পারতেছি না, আমার একটা বিষয়ে ভয় হইতেছে ) তাই, ভাল থাকবেন ।
তাছাড়া আরো নিচে আগুন্তক সাহেব কে লিখা
@আগন্তুক,


I said before, my saying has no value. That’s What I wanted to say . Critisizing me is all right . thanks
________________********________________________

স্পষ্ঠ আমি উল্লেখ করেছি এটা শুধুই আমার ব্যক্তি গত ধারনা , এখানে আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন । কিন্তু আমি প্রতিষ্টিত ব্যক্তি নই, তাই আমার ধারনার মূল্য নেই । তাই আরেক জনকে এই প্রশ্ন করতে পারেন না, আমার ব্যক্তি গত ধারনা নিয়ে

তাছাড়া আমি দাবি করি নাই, ধারনা বলেছি তাও আবার এক্সাম্পোল হিসাবে বুঝানোর খাতিরে।

শুকুর আলহামদুলিলাহ নাস্তিকদের পুরা পুরি চিনতে পারলাম, আসলে তারা কেমন? ব্লগারা আশা করি চুপ করে থাকবেন না

পড়ে নিতে পারেন ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29088031 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29088031 2010-01-29 21:36:21
ভোগবাদী অর্থনীতি মরে শুধু অসহায়, এটিই কি যোগ্যতমের টিকে থাকা( সারভাইবল অব ফিটেস্ট) ভারতে গত ১১ বছরে প্রায় দুই লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন

ঋণের ভারে ও অভাবের তাড়নায় জর্জরিত হয়ে ভারতে গত ১১ বছরে প্রায় দুই লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। ২০০৮ সালে আত্মহত্যা করেছেন ১৬ হাজার ১৯৬ জন কৃষক। ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে।
২০০৮ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য কৃষি ঋণের টাকা মওকুফ করে দেয়; কিন্তু তার পরও কৃষকদের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
ভারতের বড় পাঁচটি রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা বেশি ঘটেছে। এই পাঁচটি রাজ্য হলো—মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়। অতিবৃষ্টি, খরা ও ঋণ পরিশোধ করতে না পারা এবং অভাবের কারণে এসব রাজ্যে আত্মহত্যার ঘটনা বেশি ঘটেছে।
১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৮—এই দীর্ঘ ১১ বছরের হিসাব থেকে দেখা গেছে, ওই সময় ভারতে এক লাখ ৯৯ হাজার ১৩২ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। মোট আত্মহত্যার ৬৬ শতাংশের বেশি ঘটেছে ওই পাঁচটি রাজ্যে। এর মধ্যে আবার ৪১ হাজারের বেশি আত্মহত্যা করেছেন কেবল মহারাষ্ট্রে।

-প্রথম আলো]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29087116 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29087116 2010-01-28 08:57:25
ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ভূমিকাঃ এদেশে ইন্টারনেট সুলভ হওয়ার পর থেকে কিছু ইসলাম বিদ্দেষীদের তৎপরতা ডিজিটাল আকার ধারন করেছে। এ ধরনের বহু মানুষ বহু যুগ থেকেই ইসলামের বিরুদ্ধে কর্মতৎপরতা দেখিয়েছে, আবু জাহেল, আবু লাহাব থেকে সাল্মান রুশদি কিংবা আলী সিনা পর্যন্ত। তারা নিরলস চেষ্টা করে এ ব্যাপারে সফলতা পাওয়ার জন্য। তাদের নিত্য নুতুন কাহীনি আর সিস্টেম তৈরি করতেছে। কাজের কাজ তেমন লাভ করতে পারতেছে না।দিন থেকে দিন নতুন থেকে নুতুন কৌশল আবিষ্কার করে যাইতেছে। নিজেরাই নিজেদের কুমতলবে ব্যাস্ত থাকে। যাইহোক, মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে পরিমান ষড়যন্ত্র হয়েছে তা যদি অন্য কোন জাতির উপর করা হইতো তাহলে তাদের মিউজিয়ামেও খুজে পাওয়া যেত না। মুসলমানদের ব্যাপারে ষড়যন্ত্রের এতই ব্যপক যে বলে বুঝানো যাবে না।
ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে মুসলমানদের মতামত হযরত আলী রাঃ কথায় প্রকাশ পায় -‘খোদার শপথ! যদি ষড়যন্ত্র অপছন্দনীয় ব্যাপার না হতো,তাহলে আমি হতাম বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ চতুর লোক ৷ কিন্তু প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাই পাপ ৷ আর প্রতিটি পাপই হলো অকৃতজ্ঞতা ৷ আর প্রতিটি হঠকারিতা বা চাতুর্য এমন এক পতাকার মতো যেই পতাকার মাধ্যমে কেয়ামতে তা চিনতে পারা যাবে৷ খোদার শপথ ! আমি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নতজানু হবো না, কিংবা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও অক্ষম হবো না ৷"

বিদ্দেষীরা কু-বুদ্ধিতে মুসলমানদের হয়ত হারাতে পারবে কিন্তু সৎ-বুদ্ধিতে কোন দিন পারেনি, পারে নাই পারবেও না ইনশি-আল্লাহ।

পর্ব ১ঃ ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
হে মুসলিম ভাইয়েরা সাবধান!- ১ লিখেছেন উমর
লিংকঃ Click This Link
হে মুসলিম ভাইয়েরা সাবধান!*** (দ্বিতীয় পর্ব) লিখেছেন উমর
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-১ লিখেছেনঃ জাগারণ
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-২ লিখেছেনঃ জাগারন
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-৩ লিখেছেনঃ জাগারন
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-৪ লিখেছেনঃ জাগারন
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-৫ লিখেছেনঃ জাগারন
লিংকঃ Click This Link
বৃটিশ গোয়েন্দা মিষ্টার হ্যামপারের জবানবন্দি-৬ লিখেছেনঃ জাগারন
লিংকঃ Click This Link

উগ্রবাদী শিবসেনাদের ষড়যন্ত্র তাদের নিজেদের লেখায় প্রকাশ হয়েছিল। এ বিষয়ে বাংলায় কোণ লিখা এখন পাইনি।

পর্ব ২ নাস্তিকতা

***আসুন জেনে নিই: নাস্তিক্যবাদ কি নতুন কিছু না আগেও ছিল এবং কুরআন অবিশ্বাসীদের মন্তব্য কেমন ছিল *** লিখেছেনঃ উমর
লিংকঃ Click This Link
নাস্তিকরাও কি বিশ্বাসী? লিখেছেনঃ shamimz
লিংকঃ Click This Link
আস্তিকতা বনাম নাস্তিকতা: একটি বিশ্লেষণ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
নাস্তিকতার স্বপক্ষের প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
নাস্তিকদের চোখের সামনে গড হাজির লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
বিজ্ঞান ও দর্শনের আলোকে আস্তিকতা-নাস্তিকতা লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
ডিজাইন ও বুদ্ধিমত্তার সন্ধানে! লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
নাস্তিকতা বনাম মানবতাবাদ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
প্রকৃত মানবতাবাদী ও প্রগতিশীল হতে হলে লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৩ঃ আল্লাহ পাকের অস্তিত্ব -

সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের স্বপক্ষে তিনটি স্বতন্ত্র প্রমাণ - লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
ইসলাম ও কোরআনে বিশ্বাসের ভিত্তি লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
আল্লাহ পাকের অস্তিত্ব লিখেছেনঃ ফুয়াদ
লিংকঃ Click This Link
ভবিষ্যতের পথে লিখেছেনঃ ফুয়াদ
লিংকঃ Click This Link
ঈশ্বরের অস্তিত্ব লিখেছেনঃ ফুয়াদ
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/08/gods-existence/
আল্লাহ আছেন কি নাই ?( মুসলিম, নাস্তিক কাল্পনিক কথাবার্তা) লিখেছেনঃ ফুয়াদ
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৪ কোরান ও বিজ্ঞান
কোরআন ও বিজ্ঞান: অপপ্রচারের জবাব – ৭ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ১ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ২ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ৩ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ৪ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ৫ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনে অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম - ৬ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
এইডস প্রতিরোধে আল-কোরআনের বিধান-(২য় পর্ব) লিখেছেনঃ মাহফুজশান্ত
লিংকঃ Click This Link
এইডস প্রতিরোধে আল-কোরআনের বিধান-(১ম পর্ব) লিখেছেনঃ মাহফুজশান্ত
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ১ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ২ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ৩ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ৪ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ৫ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি – ৬ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান লিখেছেনঃ টিপু সুলতান
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৫ আল কোরান এবং আকাশ পৃথিবী সৃষ্টি যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়।

আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি – (১ম পর্ব): লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/06/creation1/
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি – (২য় পর্ব): লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/07/creation2/
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি – (৩য় পর্ব): লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/18/creation3/
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি – (৪র্থ পর্ব): লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লংকঃ http://shodalap.com/2009/11/20/creation4/
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি – (শেষ পর্ব) লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/24/creation_last/
সপ্ত-আকাশমন্ডলী লিখেছেনঃ জ্ঞাঞ্চক্ষু
লিংকঃ http://shodalap.com/2009/11/26/seven-heavens/

পর্ব ৬ বিজ্ঞানে নাস্তিকদের অবদান
শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শীর, লিখে রেখ এক ফোটা দিলাম শিশির লিখেছেনঃ ফুয়াদ
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৭ নাস্তিকদের ব্যপারে আস্তিকরা
নাস্তিকের ধর্মচর্চা ও আস্তিকের মূর্খতা লিখেছেনঃ ত্রিভুজ
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৮ কিছু আয়াত বিষয়ক নাস্তিকদের জবাবে

পবিত্র কোরআনের ১৮ নং সূরা কাহাফ এর ৯০ নং আয়াত সম্পর্কে একজন প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাবে বলছি লিখেছেনঃ মাহফুজশান্ত
লিংকঃ Click This Link
পবিত্র কোরআনের ১৮:৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ এবং সেই সম্পর্কে একজন প্রশ্নকারীর খাম-খেয়ালি উক্তির জবাবে বলছি- লিখেছেনঃ মাহফুজশান্ত
লিংকঃ Click This Link
সহী বুখারি শরীফের (নিম্নে বর্ণিত) হাদিছে সূর্যের গতিপথ সম্পর্কে যে ইংগিত দেয়া হয়েছে সে বিষয়ে একজন প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাবে বলছি লিখেছেনঃ মাহফুজশান্ত
লিংকঃ Click This Link

পর্ব ৯ নাস্তিকদের অজ্ঞতা


অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব - ১ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব - ২ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব - ৩ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব- ৪ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব-৫ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব-৬ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব-৭ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
অজ্ঞতা ও অভিযোগের জবাব-৮ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কোরআনের সাংখ্যিক মাহাত্ম্য নিয়ে বিভ্রান্তি লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কামরান মির্জার অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাব - ১ লিখেছেনঃ এস এম রায়হান
লিংকঃ Click This Link
কামরান মির্জার অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাব - ২
লিংকঃ Click This Link
কামরান মির্জার অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাব - ৩
লিংকঃ Click This Link
কামরান মির্জার অজ্ঞতা ও মিথ্যাচারের জবাব - ৪
লিংকঃ Click This Link
আল-কুরআনে সাংখ্যিক মিল (৩) : প্রতিসমতা [পর্ব-২] লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/88238/
আল-কুরআনে সাংখ্যিক মিল (৩) : প্রতিসমতা [পর্ব-১] লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/87983/


পর্ব ১০ আল-কুরআনের খুঁত ধরার ধূর্ত খেলা!

নাস্তিকের অংক কষা! [ আল-কুরআনের খুঁত ধরার ধূর্ত খেলা!] লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/96798/
‘মুক্তমনা’র যুক্তিখন্ডন : আল-কুরআনের খুঁত ধরার খেলা লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/96693/
‘মুক্তমনা’র যুক্তিখন্ডন (আল-কুরআনের খুঁত ধরার খেলা)- ২ লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/96595/
‘মুক্তমনা’র যুক্তিখন্ডন (আল-কুরআনের খুঁত ধরার খেলা)-১ লিখেছেনঃ সাদাত
লিংকঃ http://bngsadat.amarblog.com/posts/96301/

পর্ব ১১ আল্লাহ পাকের পরিচয়
সবার আগে কোন্‌ বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে হবে? লিখেছেনঃ মুস্লিম৫৫
লিংকঃ Click This Link
আল্লাহ্ সম্বন্ধে জ্ঞান লিখেছেনঃ মুস্লিম৫৫
লিংকঃ Click This Link
আর কিছুই আল্লাহর মত নয় লিখেছেনঃ মুস্লিম৫৫
লিংকঃ Click This Link
আল্লাহ্‌ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? লিখেছেনঃ আবূসামীহা।
লিংকঃ Click This Link



বিশ্বাস
বিশ্বাসসের লজিক টি খুলা খুলি করা উচিত । মনে করুন , আপনার কাছে জবের জন্য একই বিষয়ের তিন জন ব্যক্তি এল , একজন সাধারন কলেজ থেকে পাশ, আরেক জন ঢাকা ইউনিভারসিটি থেকে পাশ , আরেকজন অক্সফোরড ইউনিথেকে পাশ । সাব্জেক্ট একই । তাহলে কিন্তু আপনি অক্সফোরড কে বেশী দাম দিবেন, তার পর ঢাকা ইউনিভারসিটি তার পর কলেজ । কারন বিশ্বাস । আর এই বিশ্বাস দিয়েই পৃথিবী চলতেছে । এই বিষয়টি অত্যান্ত গভীর । বুঝা যতেষ্ট কষ্ট কর ।

ইমাম গাজ্জালি রঃ এর এহইয়াউ উলুমিদ্দীন থেকে কিছু অংশ
প্রকাশ থাকে যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্-এ কালেমার সাক্ষ্য দেওয়া ইসলামের ৫ম স্তম্ভ এর মধ্যে একটি.এর প্রথম বাক্য তওহীদ এবং ২য় বাক্য রেসালত বিধৃত হয়েছে.
প্রথমত-একাত্ববাদ আল্লাহ্ এক তার কোন শরীক নেই,তিনি একক তার মত কেউ নাই ,তিনি অমুক্ষাপেক্ষি তার প্রতিদ্বন্দী এবং সমকক্ষ কেউ নাই.তিনি চিরন্তন যার কোন শুরু নেই.তিনি সদা প্রতিস্ঠত ,যার কোন শেষ নাই.দতনি সদা বিদ্যমান,যার কোন অবসান নেই.তিনি অক্ষয় যার কোন ক্ষয় নাই.তিনি সবার প্রথম এবং শেষ.তিনি প্রকাশ্য এবং তিনিই গোপন.

পবিত্রতা এই বিস্বাস রাখা যে, আল্লাহ্ তা’আলা সাকার নন,সীমিত পর্দাথ নন,পরিমান বিশিষ্ট নন এবং বিভাজ্য নন.তিনি দেহের অনুরুপ নন.
তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুর অনুরুপ তিনি নন এবং তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুও তার মত নয়.
না তার সমতুল্য কেউ আছে না তিনি কারও সমতুল্য.
তিনি আরশ,আকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা র্পযন্ত সবকিছুর উপরে.তিনি এই ভাবে উপরে যে আরশের নিকটেও নন,আবার পৃথিবী থেকে দুরেও নন.বরং তার র্মযাদা এই সব নৈকট্য এবং দুরত্বের অনেক উর্ধে.এতদসত্তেও তিনি প্রত্যেক বস্তুর সন্নিকটে এবং মানুসের ধমনির নিকটবর্তী.
তারনৈকট্য দেহের নৈকট্য এর অনুরুপ নয়.যেমন তার সত্তা দেহের সত্তার অনুরুপ নয়.তিনি কোন বস্তুর মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না এবং কোন বস্তু তার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না.তিনি সময়ের বেস্টনির থেকে মুক্ত.তিনি স্থান কাল এবং জন্মের র্পুবে ছিলেন.তিনি এখনও তেমনি আছেন যেমন ছিলেন র্পুবে.তিনি নিজ গুনা বলীতে সৃস্টি থেকে আলাদা.তার সত্তায় তিনি ব্যতিত অন্য কেউ নাই.এবং অন্য কোন কিছুতেই তার সত্তা নেই.তিনি পরির্বতন ও স্থানন্তর থেকে পবিত্র.
তিনি গুনাবলীর র্পূনতায় কোন সংযোজনের প্রয়োজন রাখে না.বিবেক দ্বারাই তার অস্তিত্ব আপনা আপনি জানা হয়ে যায়.।
আমি চোখ খুলেছি কিন্তু আমি কোন কলম দেখতে পাচ্ছিনা? জ্ঞান তাকে বলল-এটা তুমি কি বলছ?ঘরের আসবাবপত্র কি ঘরের মালিকের ন্যয় হয়?তুমি কি জান স্রস্টার সত্তা অন্য কারো সত্তার মত না ?ঠিক সেরকম স্রস্টার হাত জড় জগতের অন্যান্য হাতের মত না.তার কলম জড় জগতের কলম এর মত না.তার সত্তার কোন শরীর নেই.তিনি কোন অবস্থানে আবদ্ধ নয়.তার হাত মানুষের হাত এর মত রক্ত,মাংস ওঅস্থির দ্বারা হঠিত নয়.তার কলম জড় জগতের কলম এর মত নয়.তার ক‍লমের কোন স্বর বা অক্ষর নেই.তার লেখনিতে কোন কালির অংকন নেই.( সৌজন্যেঃ টোকাই সিকদার আমাকে কমেন্ট আকারে লিখেছিলেন)

শেষাংশঃ (সায়েমুজজ্জামান ভাই এর কাছ থেকে কমেন্ট হিসাবে পাওয়া) ইসলাম নিয়ে আমরা অনেকেই ভুল ধারনায় রয়েছি। কারণ ইসলামের একটি সংজ্ঞা রয়েছে। তা নুরুল আনওয়ার নামক কিতাবে দেয়া আছে। সেখানে বলা হয়েছে- আল ইসলামু বাইনাল আকলি ওয়াল মুহাব্বাতি। ইসলাম হলো যুক্তি এবং আবেগের মাঝামাঝি। পুরোপুরি যুক্তির নাম ইসলাম নয়। আবার পুরো পুরি আবেগের নামও ইসলাম নয়।
লেখক উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন, শয়তানের গায়ে পাথর নিক্ষেপ, বা পাথরে চুমু খাওয়া কোন যুক্তিতেই প্রমাণ করা যাবেনা। এগুলোর পেছনে যা রয়েছে তা হলো মুহাব্বত বা আবেগ। সব জায়গায় আবার আবেগ নেই। অনেক আধুনিক শিক্ষিত লোককে দেখেছি ইসলামকে আকল বা যুক্তি দিয়ে বিচার করতে। এটাও ভুল। সব জায়গায় যুক্তি নেই।
আমার মনে হয়না নাস্তিকদের সামনে যুক্তি উপস্থাপন করলেই তারা বিশ্বাস করবে। কারণ নাস্তিকদের সাইকোলজি হলো- অস্তিত্বকে অস্বীকার করা। তারা ঈশ্বরের অস্তিত্ব কেন নিজের অস্তিত্বেকই অস্বীকার করে। আর যিনি নিজের অস্তীত্বকে অস্বীকার করে তাকে তো অন্য কিছুর অস্তিত্ব বিশ্বাস করানো যায়না।
একজন ইমাম একবার এক নাস্তিকের উত্তর দিয়েছিলেন এভাবে। নাস্তিক জিজ্ঞাসা করলো আল্লাহ থাকলে দেখিনা কেন? ইমাম শোনা মাত্রই তার দিকে একটি পাথর নিক্ষেপ করলেন। পাথর গিয়ে ওই নাস্তিকের গায়ে আঘাত করলো। তিনি কাজীর কাছে বিচার দিলেন। বললেন, শুধু প্রশ্ন করার কারণেই আমাকে আঘাত করে ব্যাথা দেয়া হয়েছে। কাজী ইমামকে ডাকলেন। ইমাম বললেন, আমি তাকে আঘাত করিনি। তার প্রশ্নের জবাব দিয়েছি মাত্র। কাজী ব্যাখ্যা চাইলেন। তিনি বললেন, ওই নাস্তিককে আমি যে আঘাত করেছি তার প্রমাণ কি? নাস্তিক দেখালো পাথরের আঘাতে তার শরীরের একাংশ ফুলে উঠেছে। ইমাম জিজ্ঞাসা করলেন, ব্যাথা কোথায় দেখান? নাস্তিক বললো, পাগল নাকি? ব্যাথা কি দেখােনা যায়? এবার ইমাম বললেন, ব্যাথার অস্তিত্বের কথা বলছো আর ব্যাথা দেখাতে পারছোনা। এভাবে আল্লাহরও অস্তিত্ব রয়েছে। কিন্তু তাকে দেখা যায়না। ফুলে যাওয়া শরীরের মতো কিছু চিহ্ন দেখে বুঝতে হয়। এই বিশ্ব সংসার এমনি এমনি তৈরী হয়নি। নাস্তিক নিজেও অটোমেটিক তৈরী হযনি। এইসব চিহ্ন দেখে আল্লহকে বুঝতে হয়।
আমি দশ বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় কাজ করে আসছি। আমার মনে হয়েছে সব নাস্তিক শেষ পর্যন্ত পত্রিকায় গিয়ে জমে!? এ কারণে নাস্তিকদের সাইকোলজি খেয়াল করে দেখেছি। আমার যা মনে হয়েছে তারা স্বাভাবিক নয়। এটাও একটা মানসিক রোগ। এবিষয়ে সাইকোলজিস্টদের আরো গবেষণা করা উচিত।
ব্লগে এসে আরিফুর রহমান( আল্লাহর পরিচয়!) নামের এক স্বঘোষিত নাস্তিকের দেখা পেলাম। এই নাস্তিক আমার চক্ষু খুলে দিয়েছে। যুক্তিহীনতাই যে নাস্তিস্কবাদীতার আসল চেহারা তা প্রকাশ করতে সে কার্পণ্য করছেনা। কিন্তু সে অন্যের ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে আঘাত করেছ। রীতিমতো আঘাত করে যাচ্ছে। এটা কোন ব্লগীয় নীতি হতে পারেনা। । (সৌজন্যেঃ সায়েমুজজ্জামান)
[[বি দ্রঃ লেখাতে অনেক ভুল থাকতে পারে, আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন-আমিন। আমি ভুল গুলি ঠিক করে নেওয়ার চেষ্টা করব। কারো কাছে এই বিষয়ের উপর সুন্দর পিকচার থাকলে দিতে পারেন, আমি আপ্লোড করার চেষ্টা করব ইনশি-আল্লাহ। আপনারা সবাই লিংক বিভিন্ন জনের কাছে দিয়ে এবং প্রিয়তে রেখে সহায়তা করুন। এখানে হয়ত অনেক গুরুত্তপূর্ন লিখা না থাকতে পারে, আপনারা দিলে এড করতে চেষ্টা করব ইনশি-আল্লাহ। ভুলের জন্য আল্লাহ পাক আমাকে ক্ষমা করুন-আমিন]]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29083208 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29083208 2010-01-21 22:11:51
তিনি মনগড়া কিছু বলেন না
আহলে কুরান বা কুরান আনলিদের স্কলারদের উপর রাগ অনেক । কিন্তু তারা ভুলে যান স্কলারা মানুষ ই ছিলেন । যাইহোক, এই বিষয়ে যেহেতু আমাদের মতবিরোধ হইতেছে তাই আল্লাহ পাক কি বলেন দেখে নেই ।

“যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হও তবে তা ফিরিয়ে নাও আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের কাছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও আল্লাহ এবং পরকালের উপর” (সূরা নিসা: ৫৯)

এ জন্য এটলিস্ট আপনাদের আল্লাহ পাক এবং রাসূল সঃ এর কাছে যেতে হবে । তাই নয় কি ? কখন কি ভেবে দেখেছেন কেন আল্লাহ পাক এই আয়াতে তার রাসূল সঃ কেও কেন যুক্ত করলেন । তাই রাসূল সঃ এর কাছে যেতেই হবে ।

প্রথমে আল-কোরানের কাছেই যাই, এ বিষয়ে আল কুরান কি বলে

“বলুন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। আর তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তবে জেনে রাখ যে আল্লাহ কাফিরদের ভালবাসেন না।”(আলে ইমরান, ৩:৩২)

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কথার উপর কাউকে প্রাধান্য দিও না। আর আল্লাহকেই ভয় কর।” (সূরা হুজুরাতঃ ০১)

তাই হাদিস আপনাদের মানতেই হবে , সে তা যে যুগেই হোক । কারন, আমরা মতবিরোধ করবই । করলে আল্লাহ আর তার রাসূল সঃ এর দিকেই যেতে হবে ।

আমাদের মধ্যে আল কুরান সব থেকে ভাল বুঝতেন রাসূল সঃ । যাই হোক, এখন দেখেন

053.002
YUSUFALI: Your Companion is neither astray nor being misled.
PICKTHAL: Your comrade erreth not, nor is deceived;
SHAKIR: Your companion does not err, nor does he go astray;

053.003
YUSUFALI: Nor does he say (aught) of (his own) Desire.
PICKTHAL: Nor doth he speak of (his own) desire.
SHAKIR: Nor does he speak out of desire.

053.004
YUSUFALI: It is no less than inspiration sent down to him:
PICKTHAL: It is naught save an inspiration that is inspired,
SHAKIR: It is naught but revelation that is revealed,

053.005
YUSUFALI: He was taught by one Mighty in Power,
PICKTHAL: Which one of mighty powers hath taught him,
SHAKIR: The Lord of Mighty Power has taught him,

053.006
YUSUFALI: Endued with Wisdom: for he appeared (in stately form);
PICKTHAL: One vigorous; and he grew clear to view
SHAKIR: The Lord of Strength; so he attained completion,

তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্টও হননি এবং বিপথগামীও হননি, আর তিনি মনগড়া কথাও বলেন না । (সূরা নাজম – ৫৩ ঃ ২, ৩)

অতএব, তিনি মন গড়া কিছু বলেন না । রাসূল সঃ যা বলেছেন , তাই আপনাকে মানতে হবে ।

যুক্তির দিকে আসলে দেখা যায়, রাসূল সঃ যা বলেছেন তা যদি মিথ্যা (নাউজুবিল্লাহ) তাহলে তিনি নবীই নন । যদি তিনি নবী হয়ে থাকেন তাহলে তিনি সত্য কথাই বলবেন ।

অনেকে বলে রাসূল সঃ হচ্ছেন জিবিন্ত আল-কুরান , তাদের কথা অনুষারে এভাবেও ব্যক্ষা করা যায় রাসূল সঃ কে ফল করাই আল কুরান কে ফল করা, আর এ অনুষারে বলা যায় রাসূল সঃ এর চেয়ে ভালভাবে আল কুরান কেউ ফল করতে পারে না । এই কথা গুলির দলিল ভুলে গেছে । তাই এই কথা না মানলেও আমি রাগ করব না ।

আরেকটি বিষয় দেখেন যদি রাসূল সঃ এর হাদিস না শুনেন তাহলে , “লা ইলাহা ইল্লাহ মুহামাদুর রাসূলউল্লাহ” এর তাত্‌পর্য ই বুঝলেন না । “লা ইলাহা ইল্লাহ” নাই কোন রব আল্লাহ ছাড়া” । এখন এই আল্লহ পাক কোন আল্লাহ পাক? এজন্য ই পরবর্তীতে আসতেছে , “মুহাম্মাদুর রাসূলউল্লাহ” হযরত মুহাম্মদ সঃ আল্লাহ পাকের রাসূল । মানে হইতেছে হযরত মুহাম্মদ সঃ যে আল্লাহ পাকের কথা বলতেছেন , এই আল্লাহ পাক ঈ ঐ আল্লাহ পাক।

তারমানে হযরত মুহাম্মদ সঃ এর কথা শুনতে হবে । এ কথা মেনে নিয়েই আপনি মসুলমান হয়েছেন । জীবনে মানুষ অনেক ভুল করে , কিন্তু আল্লাহ পাক তো দয়ালু । তিনি ক্ষমা চাইলে আশা করি তিনি আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিবেন ইনশি-আল্লাহ ।

ফি-আমালিল্লাহ ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29079130 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29079130 2010-01-15 20:50:29
বিজ্ঞানীদের কি দোষ ? ইরানের শীর্ষ পরমানূ বিজ্ঞানি নিহত ।
যাইহোক,

মঙ্গলবার তেহরানে নিজের বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরণে মারা যান ৫০ বছরের মাসুদ আলী মোহাম্মাদি। তিনি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা করতেন ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রাজধানী তেহরানে বোমা হামলায় একজন ইরানী পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মার্ক টোনার বলেছেন, "যুক্তরাষ্ট্রকে জড়িয়ে তেহরান যে অভিযোগ করেছে তা অতিরঞ্জিত।" গতকাল সকালে তেহরানে নিজ বাসভবনের সামনে দূর নিয়ন্ত্রিত বোমা বিস্ফোরিত হয়ে ইরানী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. মাসুদ আলী মোহাম্মাদি নিহত হন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গতকালই ঐ হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হাত থাকার অভিযোগ করেন। জনাব রমিন মেহমানপারাস্ত বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ড. আলী মোহাম্মাদির উপর হামলায় যুক্তরাষ্ট্র, ইহুদীবাদী ইসরাইল ও তাদের এদেশীয় এজেন্টদের হাত থাকার আলামত পাওয়া গেছে। ওদিকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রচারিত নিজেদের রেডিও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গতকালের ঐ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। ইরানে পুনরায় রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকারী দ্যা ইরান রয়াল এসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের কমান্ডোরা ড. আলী মোহাম্মাদিকে হত্যা করেছে। ২০০৮ সালের এপ্রিলে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শিরাজ শহরে রয়াল এসোসিয়েশনের শক্তিশালী বোমা হামলায় ১৩ জন নিহত এবং বহু লোক আহত হয়েছিলো।

ইরানের টেলিভিশন তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলেছে, হামলার কৌশল এবং ব্যবহূত সরঞ্জামের সঙ্গে কয়েকটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ করে ইসরায়েলের মোসাদের কৌশল ও সরঞ্জামের মিল পাওয়া গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এ সন্ত্রাসী ঘটনার সঙ্গে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ভাড়া করা গোয়েন্দাদের জড়িত থাকার নিদর্শন পাওয়া গেছে।’
কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মার্ক টোনার তেহরানের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ইরানের অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
ইরানের একজন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা জানান, মাসুদ মোহাম্মাদি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবে তাঁর হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে বিরোধী নেতা মীর হোসেন মৌসাভির সমর্থনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি তালিকা করা হয়। সেই তালিকায় মোহাম্মাদির নাম ছিল। (তবে অন্য সূত্রে বলা হয়েছে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাসুদ আলী মোহাম্মাদি ইরানের ইসলামী বিপ্লব ও ইসলামী শাসনব্যবস্থার কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন)

সূত্রঃ

- রেডিও তেহরান

-প্রথম আলো ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29078495 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29078495 2010-01-14 19:39:07
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, ভারত থেকে আমরা কি পেলাম ? আপনি ভারত থেকে আমাদের জন্য কি নিয়ে এলেন ? শুধুই কি আশ্বাস । টিপাইমুখে বাধ বন্দ হবে, বলে তো তারা কিছু বলে নি । শুধু বলেছে ক্ষতিকর কিছু করা হবে না । কিন্তু যা আমাদের ছোখে ক্ষতিকর তা তাদের ছোখে ভাল ও তো হতে পারে । এখন, যদি আমাদের নদী গুলি শেষ হয়ে যায় , তাহলে কি হবে প্রধানমন্ত্রী ? আপনি কি তাহলে আমাদের দেশের অবিভাবক নন । আপনি কি চান আপনার ছেলে মেয়েরা না খেয়ে ধুখে ধুখে মারা যাবে । যদি চাল উত্‌পাদন কমে যায়, তাহলে কি হবে ?

মাননীয় দেশনেত্রী,
আপনি দেশের লিডার, আপনার ছেলে মেয়েকে দেখা ত আপনার দায়িত্ব । তাই নয় কি ? তাহলে আমাদের করিডরের কি হল, যা আমাদের প্রাপ্য । ৩৬ বছরে কি সামান্য করিডর ই কি পাব না । আপনি তো ট্রাঞ্জিট দিলেন । তারা কি কষ্ট করে গরিব কিছু মানুষের জন্য সামান্য কিছু করিডর দিতে পারে না ?

মাননীয় সভানেত্রী,
আপনি দেশের প্রাচীন এবং বড় দলের সভানেত্রী, আপনি তো যেকেন অবস্থায় দেশ কে ভালবাসেন , তাহলে কেন আমরা শুধু আশ্বাস আর বিবেচনাই পেলাম । ১০০ কোটি ডলার তাও ঋন । এ দিয়ে কি হবে আমরা ১৫ কোটি জনগনের জন্য । জন প্রতি মাত্র ৬.৬ ডলার । কি হবে এ দিয়ে, বরং ঋনের ঘাটতি টানতে টানতে আমাদের কষ্টের বোঝা আরো বারবে । তারপর ও , বাস্তব জ্ঞান আমার নেই , তাই হয়ত বুঝতে পারি না । এই ১০০ কোটি ডলার হয়ত আমাদের অনেক কাজ দিবে, হয়ত না । হয়ত অনেক দরকার ছিল, হয়ত না । আপনি দেশ চালান, তাই আপনি ই ভাল বোঝবেন । কিন্তু কেন জানি আমার মনে হইতেছে । আমরা অনেক কম পেলাম তাদের থেকে । ২৫০ মেগাবাইট বিদ্যুত আমারা নিজেরা না করে কিনে এনে , কত আর লাভ হবে । আমরা কি নিজের পায়ে দাড়াতে পারবো না ।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা,
আপনি দেশকে দেখবেন এটাই আমরা আশাকরি । আমরা জাস্ট হতবাক হয়েছি, এই চুক্তি দেখে । তবুও ভারত বড় দেশ আর আমাদের প্রতিবেশী । তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিল, তাই আমরা তাদের শ্রদ্ধা করি । কিন্তু শ্রদ্ধার বিনিময় এভাবে পাব আশা করতে পারি না । আমরা তো তাদের গোলাম নই । আমাদের সাথে তাদের ব্যবহার আশংকাজনক খারাপ । তারা আমাদের সমান মর্যাদা না দেয় , তাহলে কি আমরা ধরে নিব , তারা মুক্তিযুদ্ধে তাদের বেনিফিটের জন্য সাহায্য করেছিল । ভুলে হলে ক্ষমা করে দিয়েন, আমরা সাধারনরা হয়ত রাজনিতি কম বুঝি ।

সাধারন জনগনের পক্ষে ক্ষমাপ্রার্থী

{{ যে খবর দেখে এই চিঠি ঃ- বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারত একে অন্যের সমুদ্র, রেল ও সড়কপথ ব্যবহার করবে। নেপাল ও ভুটানে ট্রানজিটের জন্য বাংলাদেশকে তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে ব্যবহার করতে দেবে। যদিও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও মংলা বন্দর শুধু ভারতকে নয়, নেপাল ও ভুটানকেও দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
এ ছাড়া ভারতকে আশুগঞ্জ ও বাংলাদেশকে শিলঘাট ‘পোর্টকল’ দিতে দুই পক্ষ রাজি হয়েছে। বাংলাদেশের রেলব্যবস্থার সংস্কার, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও নদী পুনঃখননের জন্য ১০০ কোটি ডলারের ঋণসহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। টিপাইমুখ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়, এমন কিছু না করার সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রাধিকার তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সইয়ের বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে দুই দেশের পানিসম্পদমন্ত্রীদের আগামী মার্চের মধ্যে বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিদ্যুত্ ঘাটতি মেটাতে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ দিতে রাজি হয়েছে ভারত।
গত সোমবার দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। শীর্ষ বৈঠকের এক দিন পর গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসব বিষয়ে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় বিভিন্ন বিষয়ে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, তার উল্লেখ করা হয় ঘোষণায়। ৫০ দফার ওই ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদ দমন, ট্রানজিট, সীমান্ত বিরোধ ও ব্যবস্থাপনা, পানিবণ্টন, বাণিজ্যবৈষম্য বিলোপ ও বিদ্যুত্ খাতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই শীর্ষ বৈঠক থেকে বাণিজ্যবৈষম্য বিলোপের জন্য বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি সার্কের আওতায়ও শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়ন করবে ভারত। মনমোহন সিংয়ের ঘোষণার মধ্য দিয়ে দূর হয়েছে টিপাইমুখ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ। তবে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে জাতিসংঘে সালিস নিষ্পত্তির চেয়ে দ্বিপক্ষীয়ভাবে আলোচনাকে প্রাধান্য দিয়েছে ভারত
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দিল্লির শীর্ষ বৈঠকে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যত্।
১০০ কোটি ডলার ঋণসহায়তা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশের রেল অবকাঠামো, ব্রডগেজ ইঞ্জিন, যাত্রীবাহী বগি, সৈয়দপুরের রেলওয়ে কারখানা সংস্কার, সিএনজিচালিত বাস কেনা ও নদী পুনঃখনন প্রকল্পে রাষ্ট্রীয় ঋণসহায়তার আওতায় ১০০ কোটি ডলার (প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা) দেওয়া হবে। বাংলাদেশ সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে, বিশেষ করে ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্যও ভারতের সহায়তা চেয়েছে। বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে ভারত।
ট্রানজিট: যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, সড়ক ও রেলপথে ভারত থেকে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দেবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর নেপাল ও ভুটানকেও ব্যবহার করতে দিতে আগ্রহী। দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রস্তাবিত আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন স্থাপন ভারতীয় অর্থায়নে হবে। দুই দেশের রেললাইনের সংযোগ কীভাবে করা যায়, তা ঠিক করবে দুই দেশের রেল কর্মকর্তাদের একটি যৌথ দল।
বাংলাদেশ আশুগঞ্জকে ভারতের জন্য এবং ভারত শিলঘাটকে বাংলাদেশের জন্য ‘পোর্টকল’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। অর্থাত্ নৌপথে পণ্য এনে স্থল কিংবা রেলপথে বাংলাদেশ ও ভারত পণ্য পরিবহনের সুবিধা পাবে। এ ক্ষেত্রে চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌ-বাণিজ্য ও ট্রানজিট (আইডব্লিউটি) প্রোটোকলটি সংশোধন করবে। আশুগঞ্জ থেকে ভারী পণ্য পরিবহন (ওডিসি) একবার কিংবা স্থায়ীভাবে পরিবহনের ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়ন ও তার সম্ভাব্য ব্যয় একটি যৌথ দল যাচাই করে দেখবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় টাকা দেবে ভারত। দুই দেশের সরকার এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে রাজি হয়েছে। দুই দেশের ঠিকাদারেরা এ কাজটি করতে পারবেন।
নেপালে বাংলাদেশের ট্রানজিটের জন্য রোহানপুর-সিংগাবাদ ব্রডগেজ রুটটি চালু হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ রাধিকাপুর-বিরল রুটটি ব্রডগেজে উন্নীত করতে চায়। একই সঙ্গে ভুটানে বাংলাদেশের রেল ট্রানজিট দেওয়ার ব্যাপারেও অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা: দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা ১৯৭৪ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তির আলোকে সমন্বিত উপায়ে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে একমত হয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তাঁরা যৌথ সীমান্ত কার্যদলের (জেবিডব্লিউজি) বৈঠক আয়োজনে রাজি হয়েছেন। দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতায় ভারত বিদ্যুতায়নের পদক্ষেপ নেওয়ায় মনমোহন সিংকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। এ ছাড়া ইতিপূর্বে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতের নাগরিকদের ব্যবহারের জন্য তিন বিঘা করিডরে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণে ভারতকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
সীমান্তে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সীমান্তরক্ষীদের সংযতভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দুই দেশ। সীমান্তে প্রাণহানি রোধ এবং অবৈধ তত্পরতা বন্ধে নিয়মিতভাবে দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের বৈঠকে বসার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সমুদ্রসীমা নির্ধারণ: দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়টি বন্ধুত্বপূর্ণ উপায়ে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁরা জাতিসংঘের সমুদ্র আইনসংক্রান্ত সনদের ৭ ধারার কার্যবিবরণীর প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের ভারত সফরকে স্বাগত জানানো হয় বৈঠকে।
সন্ত্রাসবাদ রোধ: দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা সব ধরনের সন্ত্রাসী তত্পরতার নিন্দা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসীদের তত্পরতার কোনো নির্দিষ্ট সীমানা না থাকায় তাঁরা মনে করেন নিরাপত্তার বিষয়টি দুই দেশের জন্যই অগ্রাধিকারের বিষয়। এ ক্ষেত্রে দুই দেশেরই একে অন্যকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করা উচিত। দুই নেতাই সন্ত্রাসীরা যাতে এক দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না পারে, সে ব্যাপারে অঙ্গীকার করেছেন। পাশাপাশি দুই দেশই তাদের ভূখণ্ডকে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ, নিরাপদ আশ্রয়স্থল এবং দেশি-বিদেশি সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীরা যাতে ব্যবহার করতে না পারে, সে ব্যাপারে তাঁরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তিস্তার পানি চুক্তি: শুকনো মৌসুমে তিস্তায় পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় সীমান্তের দুই পারের মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশায় ভোগেন, সে বিষয়টি দুই প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়টি ত্বরান্বিত করার পক্ষে মত দেন দুই নেতা। দুই প্রধানমন্ত্রী তাঁদের পানিসম্পদমন্ত্রীদের মার্চের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠক করার নির্দেশ দেন। জেআরসির ওই বৈঠকে ফেনী, মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতি, ধরলা ও দুধকুমার নদীর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।
দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, ইছামতী নদীর পুনঃখনন, মহানন্দা, করতোয়া, নাগার, কুলিক, আত্রাই, ধরলা ও ফেনী নদীর ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বাংলাদেশের নদী পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং নৌবন্দর ব্যবহারে কর্মকৌশল বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে জরুরিভিত্তিতে নয়টি ড্রেজার দেবে ভারত।
বিদ্যুত্ খাতে সহযোগিতা: ভারতীয় গ্রিড থেকে বাংলাদেশকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ দিতে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। এ প্রেক্ষাপটে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আন্তসঞ্চালন লাইনের কাজ ত্বরান্বিত করতে রাজি হয়েছেন। এ ছাড়া বিদ্যুত্ বিনিময়, নবায়নযোগ্য উত্স থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করতে রাজি হয়েছে দুই দেশ।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ: ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য আনার লক্ষ্যে দুই দেশই শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা এবং রেল ও নৌপথে কনটেইনার কার্গো চলাচল এবং বন্দর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে রাজি হয়েছে। ভারত তার বাজারে সার্কের কাঠামোতে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ায় এবং স্পর্শকাতর পণ্যের তালিকাটি কমিয়ে আনায় ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ওই তালিকাটি আরও ছোট করার অনুরোধ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।
পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশের বিএসটিআইকে সহযোগিতা দিতে রাজি হয়েছে ভারত। দুই দেশের বিনিয়োগকারীদের যৌথ বিনিয়োগে উত্সাহিত করতে রাজি হয়েছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে তাঁরা বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরাই সাবরুম-রামগড়, দেমাগিরি-থেগামুখ স্থলবন্দরগুলো অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে চালু করতে রাজি হয়েছেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মেঘালয় সীমান্তের কিছু নির্ধারিত এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে সীমান্ত বাজার চালু হবে। ওই সীমান্ত বাজারে নির্দিষ্ট পণ্য বেচাকেনা করা হবে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভুটান ও নেপাল থেকে পণ্যবাহী ট্রাক জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাবান্ধা ফুলবাড়ী সীমান্ত স্থলবন্দরে ২০০ মিটার পর্যন্ত আসবে।
মমতা দেখা করেছেন: ইউএনবি জানায়, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে রেল যোগাযোগের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে ভারত। সে দেশের রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়াদিল্লি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি গতকাল বিকেলে শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর হোটেলে প্রায় আধাঘণ্টা বৈঠক করেন। বাংলাদেশের রোহনপুর থেকে ভারত হয়ে নেপালের সিনবাধ পর্যন্ত রেল যোগাযোগের ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মমতা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ এ ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছে।
প্রণবের বাসভবনে: বাসস জানায়, শেখ হাসিনা ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অসুস্থ স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গতকাল নয়াদিল্লিতে প্রণবের বাসভবনে যান।
- প্রথম আলো }}

[-কাজের কাজ তো কিছু হয়েছে বলে মনে হয় নি, শুধুই অগ্রগতি হয়েছে । কিন্তু অগ্রগতির মানে কি ? ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29077859 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29077859 2010-01-13 19:36:07
সেকুলারিসম এর ইভুলোশন । সংবিধানের ৫ম সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, হাইকোর্টের রায়ের উপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ার পর ’৭২ সালের মূল সংবিধান আপনাআপনিই পুনর্বহাল হচ্ছে। এর ফলে দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হবে এবং চার মূলনীতির ভিত্তিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ৫ম সংশোধনী বাতিলের কারণে ৪র্থ সংশোধনীর আলোকে দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েমের কোনো সুযোগ নেই। কেননা পরবর্তীতে রেফারেন্ডামের মাধ্যমে বাকশাল বিলুপ্ত করা হয়েছিল। আইনমন্ত্রী বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল হলেও বহুদলীয় গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ সংবিধানে থাকবে। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

=> ধর্ম ভিত্তিক রাজনিতিক দল নিষিদ্ধ করা হোক , ধর্ম পুজি করে ব্যবসা । কখন হবে না । রাষ্ট্র ধর্ম নিরোপেক্ষ থাকবে

ড.অভিজিৎ রায় লিখেছেনঃ‘সেক্যুলারিজম’ শব্দটির অর্থ –‘সব ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা’ নয়, বরং এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে একটি মতবাদ, যা মনে করে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি থেকে ধর্মকে পৃথক রাখা উচিৎ। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে এইটি একটি মতবাদ । এক মতবাদের উপর ভিত্তি করে বাকি মতবাদ গুলি রাষ্ট্র থেকে পৃথক করতে হবে । রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বাদ দিতে হবে

আমেরিকান হেরিটেজ ডিকশনারীতে secularism শব্দটির সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে এভাবে -The view that religious considerations should be excluded from civil affairs or public education এ সংজ্ঞা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না- এটাই সেক্যুলারিজমের মোদ্দা কথা ।( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> ধর্মকে রাষ্ট্রের কাজের সাথে জড়ানো যাবে না, মানে রাষ্টে তার খেয়াল খুশি মত চলবে । মানে বিসমিল্লাহ থাকতে পারে না

ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তার ‘ইহজাগিতিকতার প্রশ্ন’ প্রবন্ধে: ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়, এই কথাটা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর পরই খুব জোরেসোরে বলা হচ্ছে। কথাটা সত্য বটে আবার মিথ্যাও বটে। সত্য এ দিক থেকে যে, রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা নাগরিকদের এ পরামর্শ দেয় না যে, তোমাদের ধর্মহীন হতে হবে; কিন্তু তা বলে এমন কথাও … বলে না যে, রাষ্ট্র নিজেই সকল ধর্মের চর্চা করবে, কিংবা নাগরিকদের নিজ নিজ ধর্ম চর্চায় উৎসাহিত করবে। রাষ্ট্র বরঞ্চ বলবে ধর্মচর্চার ব্যাপারে রাষ্ট্রের নিজের কোন আগ্রহ নেই, রাষ্ট্র নিজে একটি ধর্মহীন প্রতিষ্ঠান।, ধর্ম বিশ্বাস নাগরিকদের সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত ব্যাপার। রাষ্ট্রের ওই ধর্মহীনতাকেই কিছুটা নম্রভাবে বলা হয় ধর্মনিরপেক্ষতা। ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে ধর্মহিনতাই সেকুলারিসম । এতএব, সরকারী সকল কাজ ধর্মহীন হতে হবে । মানে ইসলামী ফায়ন্ডেশন সহ সরকারী ধর্মীয় কার্যক্রম বন্দ করতে হবে

ডাঃ বিল্পব পাল বলেন ঃ ধর্ম টিকে থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরপেক্ষ হবে, সেটা সোনার পাথর বাটি।
ধর্ম মানে কি নামাজ পড়া? মোটেও তা না। ধর্মের নৃতাত্ত্বিক উৎপত্তির ভিত্তি সামাজিক চুক্তিগুলি যা আবার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রন করে আইনের মাধ্যমে। তাই ধর্ম থাকবে আবার রাষ্ট্র ধর্ম নিরেপেক্ষও হবে, এটা শ্রেফ গোঁজামিল ছাড়া কিছুই না । ( নুরুজ্জামান মানিকের "ধর্ম যার যার কিন্তু রাষ্ট্র হোক সবার" এই পোষ্ট এর কমেন্ট থেকে নেওয়া)

=> মানে ধর্ম থাকলে সেকুলারিসম হয় না । ধর্মকে রাখাই যাবে না । ইসলাম, খ্রিস্টানিটি তারপর হিন্দুইজম চর্চা বন্দ করতে হবে । এদের নিষিদ্ধ করতে হবে । মসজিদ, মন্দির বন্দ করতে হবে


(এইখান কার ইভুলোশন ধরতে পেরেছেন কি ?)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29075516 http://www.somewhereinblog.net/blog/fuad1dinohin/29075516 2010-01-10 09:54:10