পার্বত্য চট্টগ্রামকে পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। কয়েকটি উদাহরণ দেখুন-
১) গত ১৯, ২০ ফেব্রুয়ারি বাঘাই হাটের ঘটনা সম্পর্কে সাজেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এর বক্তব্য, চাকমারা নিজেদের ঘরে আগুন লাগিয়ে বাঙালির দোষ দিচ্ছে- থাঙ্গা পাঙ্খো ; সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব, প্রথম পৃষ্ঠা, ৮ মার্চ, ২০১০ইং।
বিস্তারিত দেখুন
২) দীঘিনালায় ৭ একর জমির তামাক কেটে দিয়েছে উপজাতীয়রা, সূত্র: দৈনিক আমার দেশ, শেষ পৃষ্ঠা, ৭ মার্চ, ২০১০ইং। ঘটনা: গত ৩ মার্চ বুধ বার রাতের আঁধারে কিছু উপজাতি সন্ত্রাসী জোড়া ব্রিজ ও জাম্বুরাপাড়া এলাকায় বাঙালিদের ৭ একর জমির তামাক গাছ কেটে দিয়েছে এবং পুড়িয়ে দিয়েছে দুটি তামাক চুল্লি, চার লোড তামাক পাতা, একটি শ্যালো পাম্প মেশিন ও দুটি স্প্রে মেশিন।---
৩) রাঙামাটিতে বাঙালি ব্যবসায়ীর গুলবিদ্ধ লাশ উদ্ধার, সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, পৃষ্ঠা-৪, ৮ মার্চ, ২০১০ইং। ঘটনা: গত ৬ মার্চ হলুদ ও ফুলের ঝারু ব্যবসায়ী মো. হারুন (৪২) পাহাড়ী হলুদ চাষীদের কাছ থেকে হলুদ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ৭ মার্চ ভূষণছড়া ইউনিয়নের চাকমা অধ্যুষিত তালছড়া গ্রামে তাঁর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।
৪) কিছু দিন আগে রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর এলাকায় বাঙালিদের কয়েকশ একর জমির আনারস বাগান জ্বালিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল।
ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে বাঙালিদের উত্তেজিত করে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আবারো পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করে কোন গোষ্ঠি ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। আর তাদের এ অপকর্মে ইন্দন যোগাচ্ছে চিহ্নিত পাশ্চত্য শক্তি ও তাদের দোসর দেশীয় কিছু জ্ঞান পাপি এবং তাদরে তল্পিবাহক মিডিয়া। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনে এদের ব্যাপারে অবশ্যই আমাদের সচেতন হতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



