আমার প্রিয় পোস্ট
- নির্জন পুল পেরোলেই ঝিঝি পোকার গান। - কোলাহল
- আওয়ামী বর্বরতার শিকার এক শক্তিশালী কবি, আহমদ ছফার বর্ণনায় - সুধী
- এদেরকে প্রতিরোধ করুন। ব্লগের পরিবেশ সুন্দর করুন। - আবাবিল
- চিন্তে পাল্লে আওয়াজ দিয়েন
- ডিয়ার
- আমি এবং আমার বিবেক- বজলু মহাজন - বজলু মহাজন
- কানাডার আকসা পারভেজের মৃত্যুঃ একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন জগত এবং আমার কিছু নিজস্ব ভাবনা - আব্দুন নূর তুষার
- তুমি যে তোমারই তুলনা (উৎসর্গ - ইসলামের এক বীর সৈনিককে) - উম্মু আবদুল্লাহ
- হুহ.. আপনার বয়স ১৭ না ৭০, তা এই ভার্চুয়াল জগতে কারও বোঝার সাধ্যিটিও নেই - আরণ্যক যাযাবর
- ব্লগ ছাড়া/না ছাড়া বিষয়ক ব্যক্তিগত প্যাঁচাল... বিরক্ত হতে চাইলে পড়ুন - অমিত আহমেদ
- ভায়ের প্যান্ট পছন্দ হয় নাই!!! - মাথামোটা
প্রতিবাদের এ কেমন ভাষা ?
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০০
এক গ্রামের এক চোর। জীবনভর চুরি করেই সে জীবন পার করেছে। জীবন সায়াহ্নে এসে সে সন্তানদের ডাকলো। অন্তিম উপদেশ হিসেবে সে বললো বাছারা আমি তো আজীবন চুরিই করলাম। গ্রামবাসী আমাকে চেনে চোর হিসেবে। আমার সময় ঘনিয়ে এল। আমার মৃত্যুর পর তোমরা এমন কিছু করবা যাতে লোকজন আমাকে ভাল বলে।
বাবার মৃত্যুর পর সন্তানরা বাবার নসিহত নিয়ে ভাবতে লাগলো। তারা এবার নতুন কবর খুড়ে লাশের কাফন চুরি শুরু করলো। গ্রামবাসী বলতে শুরু করলো- এর চেয়ে ওদের বাপই ভাল ছিল।
ব্লগের ফ্রন্ট পেজের অবস্থা দেখে যে কারো আক্কেল গুড়ুম অবস্থা হবে। কোন এক রাজাকারের 'অশ্লীলতার' প্রতিবাদে এরা যা শুরু করেছে তা দেখলে কাফন চোরেরাও লজ্জা পাবে। অশ্লীলতার চুড়ান্ত সীমানা এরা অতিক্রম করছে। হেন কোন শব্দ নেই যা এদের মুখে আটকায়। বড় বেদনার বিষয় হচ্ছে এরা বর্ম হিসেবে ব্যাবহার করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। যে কোন বিবেকবান মানুষ স্বীকার করবেন মুক্তিযোদ্ধার চেতনার এমন কদাকার ব্যাবহার আজ শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা দেখলে অশ্রু ছেড়ে কাঁদতেন।
আসুন দলমত নির্বিশেষে এই সব অশ্লীল রুচিহীন ব্লগারদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বর্ষণ করি।
নাগরিক কবিয়াল বলেছেন:
আবাল ভাই ঠিক বলেছেন
নাগরিক কবিয়াল বলেছেন:
সরি আবাবিল হবে
পান্জেরী বলেছেন:
আ. আলাইকুম,ঐসব মুক্তিযোদ্ধ নিয়ে ব্যবসায়ীদের কমেন্ট ঐ শ্রেনীর ব্যবসায়ী ছাড়া ভদ্র ও সুরুচি সম্পন্ন ব্লগাররা ছাড়া অন্যরা পড়েন বলে মনে হয়না।
ওদের গালাগালির বহরই বলে দিচ্ছে ওদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, ওদের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড কি, ওদের রুচি কেমন। তাই ওদের নিয়ে মাথাব্যথা হওয়ার কোন কারণ দেখছি না। অন্তত: আমার কোন কষ্ট হচ্ছেনা ওদের তাফালিং মার্কা কাজ দেখে। তাই ...
লেখক বলেছেন: আবর্জনা ডাস্টবিনে থাকলে সমস্যা হয়না। কিন্তু তা যখন টেনে লোকালয়ে আনা হয় তখন দুর্গন্ধ সবার নাকে প্রবেশ করে।
আব্বু ৬৯ বলেছেন:
সেটাই৷ গতকালকেই দেখলাম এখানকার কয়েকজন বিখ্যাত (?) ব্লগার উন্মু আব্দুল্লাহ আপু আর শাহরিয়ার ভাইকে জড়িয়ে যাচ্ছেতাই একটা বাজে কথা বললো৷ কেউ এগিয়ে আসলো না এই নোংরামী বন্ধ করতে৷ আমাদের উচিত একতাবদ্ধ থাকা নাহলে এসব আক্রমন চলতেই থাকবে৷
হলদে ডানা বলেছেন:
শতভাগ একমত।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আবাবিল, নূতন লেখা চাই। আবর্জনা মুক্ত হবার আশা বাদ দিন। এর মধ্যেই বসবাস করতে হবে।লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য। ভাবছি সাবজেক্ট ভিত্তিক কিছু লিখবো। । আপনাদের উৎসাহ অনুপ্রেরণা হবে।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আবাবিল, আপনি যাই লিখবেন আমরা তাই খাব। হোক না তা সাবজেক্ট বেসড, অথবা স্মৃতিচারন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমি সাবজেক্ট বলে দিই, আপনার লিখতে সুবিধা হবে :১.আমাদের প্রতিবেশী হিসেবে ভারত কতটা খারাপ
২. পাকিস্তান ভাঙা ক্যানো উচিত হয়নি
৩. আমাদের শহীদের সংখ্যা কেন ৩০ লাখ নয়?
৪. বুদ্ধিজীবিদের আসলে র'র প্রচারনায় আওয়ামী লিগ হত্যা করেছিল
৫. জহির রায়হান মুজিবের নির্দেশে খুন হয়েছেন
৭. বাংলাদেশের ধর্ষিতার সংখ্যা বাড়িয়ে বলে মিডিয়া
৮.মেজর জলিল
৯. জামাত-শিবিরের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র
১০. একাত্তরে রাজাকার-আলবদর বলে কিছু ছিলনা, যারা ছিল তারা রাজনৈতিক বিরোধীতা করেছেন
আপাতত এইগুলি নিয়ে লিখতে থাকেন। শিবিরের গাইডবুক আর নয়াদিগন্ত কাটপেস্ট করলেই হবে
লেখক বলেছেন: দারুন বলেছেন। কথাগুলো এভাবে বললে তো সমস্যা হয়না। কিন্তু মাঝে মাঝে মাথায় কি চাপে- যে ভাষায় গালাগালি করেন গা শিউরে ওঠে।
নিপুপাওয়ারফুল বলেছেন:
রাজাকার নিকটা সন্দেহজনক । আওরঙ্গজেবকে হেয় করার জন্য কেউ বানিয়েছিল । আগেও এমন হয়েছে । পাহাড় আর ইসলামী শাষন ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
গালাগালির জন্য আসলেই স্যরি। কে গালি দিতে চায় বলেন। আমরা তো এখানে লেখালেখি করতে আসছি, গালাগালি করতে না। মেজাজ হারানোয় দুঃখিত
এস্কিমো বলেছেন:
বড় বেদনার বিষয় হচ্ছে এরা বর্ম হিসেবে ব্যাবহার করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। - কি আর করা। আপনার বেদনায় সমব্যাথী। তবে যেভাবে আপনার ব্লগে রাজাকারদের মেহমানদারী করছেন - তাতে আপনার কান্না দেখে কুমির না কেঁদে আবার বুক ভাসায়।
লেখক বলেছেন: কেউ কেউ গোশত বেশি খেলে এলার্জি দেখা দেয়, কেউ গোশত খাওয়া মাত্র এলার্জি ওঠে। আর কেউ কেউ আছেন যাদের গোশত দেখলেই এ্যালার্জি চাপে। আপনার এলার্জির মাত্রা একটু বেশিই।
সেদিন কুদরত আলীর পোস্টে গেলাম বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের সর্বশেষ স্কোর দেখতে। আর সবাই মিলে আমার ঘাড়ে মাইনাস দেয়ার অপবাদ চাপালেন ।
যাহোক কিছু মনে রাখিনি, আপনাকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
কোলাহল বলেছেন:
দল মত নির্বিশেষে সবাই বেশ খোশ মেজাজে আছেন দেখে সাহস করে একটা ঘটনা বলি।আমার পরিচিত এক জুনিয়র ব্লগে নতুন এসেছে। ফ্রন্ট পেজে এসেছে মাত্র কয়দিন হলো। ভাল বাংলা লিখতে পারেনা। কষ্টে সৃষ্টে দুই লাইন চার লাইন লেখে আর পোষ্ট করে। অপেক্ষায় থাকে কেউ কমেন্ট করে কি না। আমাকে দেখলেই পুরা লাফালাফি ভাই একজন কমেন্ট করেছে। আরেকদিন দেখি খুব খুশি তার ব্লগে ফারজানা ১৬ ভিজিট করেছে।
আমিও একদিন একটা কমেন্ট করে দিয়ে আসলাম। কালকে না পরশু দেখি তার মন খারাপ। খোচাখোচি করে জানা গেল কে একজন পাগলা ঘাতক নাকি তাকে রাজাকারের তালিকায় নাম দিয়েছে। সে ভেবেই পাচ্ছে না তার নাম কিভাবে গেল। বেচারা খুব মনমরা হয়ে আছে। আজ দেখি তার আর লগ ইনে আগ্রহ নেই।
ব্যাপার কি ! লিষ্টি ফিষ্টিতে আবার তার নাম আসে কেন। অনেক খুজে শেষ পর্যন্ত বের হলো আসল ঘটনা। ফ্রন্ট পেজে একসেস পাওয়ার পর থেকে সে উৎসাহ নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে বিভিন্ন ব্লগে। কেউ যখন কমেন্ট করছে না তখন নিজেই বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে কমেন্ট করে আসছে।
ঘুরতে ঘুরতে একসময় গিয়ে ঢুকলো পাগলা ঘাতকের ব্লগে। ঘাতক তখন 'আমি রাজাকার' নিয়ে ভীষন ব্যস্ত। জুনিয়র গিয়ে কি মনে করে ওখানেই একটা কমেন্ট দিয়ে দিলো। আর যায় কোথায় ঘাতক চট করে নামটা তুলে দিলো লিষ্টে।
আমি ফাকে একটু বাতাস দিয়ে দিলাম। বললাম একবার যখন নাম ঢুকেছে তখন আর মুছবে না। এমন কি রোজ কেয়ামতের দিনও এই নাম ধরে খুজে বের করা হবে।
আরেকবার বললাম ঠিক আছে লিষ্টে যখন নাম ঢুকেই গেছে তখন কি আর করা, পাচ ওয়াক্ত নামাজ কালাম শুরু কর, মুখে দাড়ি রাখ, আল্লাহকে ডাক, কোরান কেতাব পড়।
বিরস বদনে আমার কথাগুলো শুনল। এরপর কি হয়েছে তা জানি না। আবার দেখা হলে খোজ নিতে হবে।
(ভাবছিলাম ঘটনা নিয়ে একটা পোষ্ট দিবো। বেচারার প্রেষ্টিজের কথা চিন্তা করে আর দিলাম না। আপনারা আবার কাউকে বলে দিয়েন না যেন। খুব সিক্রেট ব্যাপার কিন্তু...)
লেখক বলেছেন: গাল-গল্প ভালোই জমেছে। চান্সে আমিও একটু স্মৃতিচারণ করি। ব্লগে তখন একেবারে নতুন। সমকালিন ইস্যু ঢাবি শিক্ষকদের মুক্তি দাবী। ফাহমিদুল হকের (সম্মানিত শিক্ষক) লেখা একপেশে মনে হলো। ওখানে দেয়া একটি মন্তব্যকে স্বতন্ত্র একটি পোস্ট আকারে দিলাম। আর চারিদিক থেকে বৃষ্টির মত টিটকারী আর গালাগালি শুরু হলো। নিজেকে মনে হলো রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরের মত। যে যেমন পারছে লাথি গুতো দিচ্ছে। খুব মন খারাপ হলো।
এদিক ওদিক পোস্ট দেখতে দেখতে ঢুকলাম মামুর পোস্টে। দেখলাম সাবাই তাকে গালি দিচ্ছে আর সে সমানে লড়ছে, ব্লক করছে। তার ভাষাও সমান খারাপ। কিন্তু তার আইডিয়াটা আমার মাথায় ধরলাম। ভাবলাম এর পর লেখা লিখবো, যে ভেংচি কাটবে তাকেই ব্লক করবো। কোন ছাড় নাই। আমি তার খাই না পড়ি? এর পরের ইতিহাস সবার জানা। বুকে বেশ সাহস পেলাম।
গালিবাজদের বিরুদ্ধে সেই বিধ্বংসী মনোভাব এখোনো আছে। তবে আগের চেয়ে একটু নরম হয়েছি। রুচিশীল লেখকদের উৎসাহ নিজেকে রুচিশীলতার মধ্যে আবর্তিত হতে উৎসাহ দিয়েছে।
আপনার বন্ধুর জন্য একই পরামর্শ।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
কোলাহল, ভাল বলেছেন।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
এইজন্যই আমি এদের কারো ব্লগে যাই না। অহেতুক অপবাদ আমাকে বহু দেয়া হয়েছে।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
ভাষা মেনেই যেহেতু ব্লগে থাকতে হচ্ছে তাই পো্স্ট চাই। ৭ দিন পার হয়ে গেছে এই পোস্ট দেয়ার.......................
লেখক বলেছেন: আপনাদের ধৈর্য আর প্রত্যাশা দেখে আমার তো আক্কেল গুড়ুম!
নরাধম বলেছেন:
নাগরিক কবিয়াল বলেছেন: আবাল ভাই ঠিক বলেছেন


















