আমার প্রিয় পোস্ট

বিশ্ব সভ্যতা বিনির্মাণে আমেরিকার 'গুরুত্বপূর্ণ' অবদান।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩২

শেয়ারঃ
0 0 0

বলুন তো গত পঞ্চাশ বছরে কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আমেরিকার পুরো সমাজ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, এনেছে প্রাণ চাঞ্চল্য?? অদ্ভুত একটি উত্তর শুনতে হবে আপনাকে।

আপনার সামনে বই থাকলে একমুহূর্তের জন্য বন্ধ করুন। ক্ষণিকের জন্য ব্লগিং থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। পাশের খোলা জানালা দিয়ে ভাবুক মনে তাকান। কল্পনা করুন আমেরিকার গতিময় সমাজ ব্যাবস্থার চিত্র। এবার প্রশ্নটি নিয়ে ভাবুন। কোন সেই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার।

উত্তর অনেকগুলোই হতে পারে। সবগুলোই হয়তো গুরুত্বপূর্ণ। তবে সঠিক উত্তর তো একটিই হবে। কি সেই জিনিস? জেট বিমান? এয়ার কন্ডিশনার? কম্পিউটার? ইন্টারনেট? তালিকায় সবগুলোই আসছে। কিন্তু . . . । কিন্তু সঠিক উত্তর হচ্ছে- 'জন্মবিরতিকরণ পিল'।

না কথাগুলো আমার না। আমেরিকার খ্যাতিমান দুজন লেখক, কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো- ফিলিপ আর ক্যাটেওরা এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জন এল গ্রাহাম তাদের বইতে এ মতামত ব্যাক্ত করেছেন।

তাদের মতে- জন্মবিরতিকরণ পিল আমেরিকার দৈনন্দিন জীবনে বিশাল প্রভাব ফেলেছে। প্রধানত, এটি আমেরিকার নারীদেরকে বোঝা বহনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছে, আর পুরুষদেরকে মুক্তি দিয়েছে ছেলেমেয়েদেরকে অধিক সঙ্গদানের মাধ্যমে সময় অপচয়ের কবল থেকে। আজ আমেরিকার বিজনেস গ্রাজুয়েটের অর্ধেকের বেশি নারী। আজ আমেরিকার দশ শতাংশ এয়ারক্রাফট ক্রু নারী। আজ আমেরিকার অফিস আদালতে কল কারখানায় নারীরা সগৌরবে বিচরণ করছে। জন্মবিরতীকরণ পিলের আবির্ভাবের পূর্বে এ ছিল এক কল্পনাতীত দৃশ্য।

.
.
.
.
আমি কুঞ্চিত নেত্রে ভাবছি। আবিষ্কারই বটে! ! নারী মুক্তির এক অব্যর্থ টনিক। এ আবিষ্কারই নিশ্চয়ই মানবতার অপূর্ণতায় 'পূর্ণত্ব' এনে দিয়েছে? মানব জাতিকে ভারমুক্ত করে বিশ্বসভ্যতায় প্রাণচাঞ্চল্য আনয়নে আমেরিকার এ 'অবিস্মরণীয়' অবদানের কি তুলনা হয়?

 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫০
আসামী বলেছেন: সগৌরবে চলার জন্য জন্মবিরতিকরণ পিল লাগে না। তবে জন্মবিরতিকরণ পিল এর বদৌলতে ইউরোপের সাথে নিজেদের একটা তফাত তৈরী করতে পারছে।

Click This Link
২. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫২
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: চিন্তা জগতে এটাই হয়ত আমেরিকার সব চেয়ে বৈপ্লবিক চিন্তা পদ্ধতি বলে এক দিন স্বীকৃতি পাবে।
৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
আবাবিল বলেছেন: আমেরিকার একাডেমিশিয়ানগণ তাদের জাতীয় উন্নতি নিয়ে কোন আঙ্গিকে চিন্তা করেন- সেটি তুলে ধরাই এ পোস্টের উদ্দেশ্য।
৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
রাতমজুর বলেছেন: আপনি কি আমেরিকার একাডেমিশিয়ানদের কেউ? না ওরা পে করে লিখতে?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: কোনটাই নয়। পাঠ্য বই পড়তে গিয়ে বিষয়টি পেলাম। তাদের চিন্তা-গবেষণাগুলো কোন আঙ্গিকে হয়- তার একটি ধারা স্পষ্ট হয় এই উদাহরণের মাধ্যমে। আমার নিকট তাই মনে হল। এবং ব্লগে শেয়ার করলাম।

৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০২
অচেনা সৈকত বলেছেন: মাত্র দুজনকে দিয়েই আমেরিকার একাডেমিক চিন্তার গতিপ্রকৃতি বিচার করে ফেললেন? কেমন হয় যদি আপনার লেখা দিয়ে বাংলাদেশের সমকালীন সাহিত্য বিচার করতে নামি? আমেরিকাকে যত পারেন গালি দিন, তবে যদি এ জীবনে যদি সত্যিকার সততা শিখে থাকি সেটা আমি আমেরিকানদের কাছেই শিখেছি। আমেরিকার আন্তর্জাতিক পলিসি খারাপ সন্দেহ নেই, কিন্তু সাধারণ আমেরিকানরা অনেকই ভাল মানুষ, আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: বিচার করে ফেলিনি, একটি আভাষ পেয়েছি। সেটি কি অন্যায় হবে?


আমেরিকাকে গালি দিলাম কোথায়? উদাহরণটি শুধু উল্লেখ করলাম। এ থেকে যে কেউ স্বাধীনভাবে ভাবতে পারেন, সিদ্ধান্তে আসতে না পারলেও সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হতে পারেন। বিভিন্ন আঙ্গিকের বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তথ্যের মাধ্যমেই তো একজন কোন বিষয়ে পূর্ণ ধারণা অর্জন করতে পারেন। আমার এ উদাহরণটি তেমনই ক্ষুদ্র একটি তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

আপনি আমেরিকানদের নিকট থেকে অনেক কিছু শিখেছেন- খুবই ভাল কথা। এতে আমাদের তো কোন আপত্তি নেই।

৬. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২০
গণিত পাগল বলেছেন: আসামী যা কমেন্ট দিসেন........;)....ওই অয়েবসাইটে বাংলাদেশের ও একখান ফটো আছে....বাংলাদেশ বিমানের...:)
Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের একজন ছাত্র। এখনও চাকরির সন্ধানে পুরোপুরি বের হইনি। ইত্যাবসরে ব্লগের সদস্য হয়ে গেলাম। চেষ্টা করবো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই