somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জাতি গঠনে ডেসটিনির অবদান স্বীকার করতেই হবে।
যে অলস লোকটিকে দেখলে বোঝা যেতনা আসলে সে দাড়ি রেখেছে না সেভ করতে সময় পায়নি, হঠাৎ করে যদি দেখেন সে এখন নিয়মিত ক্লিন সেভড উইথ পরিপাটি চুল, বুঝবেন নির্ঘাত সে ডেসটিনিতে যোগ দিয়েছে। যার শার্ট পেছন থেকে ক্যালেন্ডারের পাতার মত বটে থাকতো, ডেসটিনিতে যোগ দেয়ার পর থেকে তার শার্ট সর্বদা স্ত্রি করাতো থাকেই, চকচকে সু-এর সাথে ইন করাও থাকে। যার শার্টের হাতার বোতাম ঠিকমত দেখা যায়না, সে এখন দামী ক্লিপ ব্যবহার করে। সমাজের যুবকদেরকে স্মার্ট হিসেবে উপহার দিতে ডেসটিনির এই অবদান আপনি কিভাবে অস্বীকার করবেন?

মুখচোরা যে ছেলেটি সহজে কারো সথে মেশেনা, সে অপরিচিত লোকদের সাথে অতিদ্রুত মিশে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা লেকচার দিয়ে আগামীর 'দেশ গড়ার অংশীদার' হিসেবে নাম লিপিবদ্ধ করায়। আপনি বুঝতে না চাইলেও আপনাকে জোড় করে বুঝিয়ে আপনাকে বারবার ফোন করে, নক করে বুঝতে বাধ্য করে যে ছেলেটি, সে ডেসটিনিতে যোগ দেবার ফলেই এই 'অভূতপূর্ব' যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের এই বেকারত্বের ভারে নুয্য সমাজকে এভাবে যোগ্য ছেলে উপহার দেয়ার এই দায়িত্ব পালনকারী ডেসটিনিকে আপনি কিভাবে স্বীকৃতি না দিয়ে পারবেন।

তাই একটি কৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে জাতি গঠনে ডেসটিনির অবদান আমাদেরকে স্বীকার করতেই হবে।

অবশ্য কতিপয় অর্বাচীন ডেসটিনির নাম শুনলে মুখ বাঁকা করেন। তারা বলেন, যে প্রডাক্টের মার্কেটিং এই কোম্পানী করে থাকে, সেসব প্রডাক্টের আদৌ কোন চাহিদা আমাদের সমাজে নেই, শুধু কমিশনের লোভে জোড় করে এই প্রডাক্ট চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। উপরন্তু, প্রডাক্ট শুধু নামে, বাস্তবে এটি একটি দালালী ব্যবসা, যা জাতির কতিপয় যুবককে লোভী ও বিবেচনাহীন পদার্থে পরিণত করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছেনা।

আমরা এ সমস্ত 'অর্বাচীনদের' কথায় কান না দিয়ে ডেসটিনির এই অবদান স্বীকার করার মাধ্যমেই নববর্ষের প্রথম দিবসটি কৃতজ্ঞতাময় করতে চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/29134914 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/29134914 2010-04-14 16:08:50
সবাই যখন পরিতৃপ্ত 'জিলাপির কাস্টমার'।
হঠাৎ একদিন . . . দোকানে কাস্টমার নেই। দোকানদার আছে, জিলাপী আছে, কাস্টমার নেই। রাস্তা ছেড়ে ফুটপাতে উঠে দোকনের কাছে গিয়ে যা দেখলাম তাতে আমিও ক্ষুদ্ধ হয়ে দোকান ত্যাগ করলাম। বিষয়টি কিছুই নয়, ছোট্ট একটি নোটিশ ঝুলানো, "চিনির দাম বৃদ্ধিহেতু জিলাপির দাম এখন থেকে ১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে মাত্র ৫ টাকা।" আমি অভিমানে কেটে পড়লাম। "এত দাম" দিয়ে একটা জিলাপি! খাবনা।

কদিন পর হঠাৎ দেখি জিলাপির দোকানে যথারীতি ভীড়। ঘটনা কি? - "সিদ্ধান্ত পরিবর্তন। পূর্বের দাম বহাল, সম্মানিত ক্রেতাদের দাবীর প্রেক্ষিতে পূর্বের দাম ৪ টাকায়ই জিলাপি বিক্রি হবে।" আমিও অন্যদের মত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে যথারীতি মাত্র ৪ টাকায় একটা জিলাপির গর্বিত কাস্টমার। দিনগুলো চলে যাচ্ছিল। হঠাৎ একদিন দেখি নোটিশ- "জিলাপির দাম ৫ টাকা।" . . . . কিন্তু পাবলিকের তেমন কোন ভাবান্তর নেই। কাস্টমারও কমেনা। আমি রাগ করিনা। ভাবি, লোকটা নিশ্চয়ই সত্যিই সমস্যায়, নইলে আবারও কেন বৃদ্ধি করলো। সহানুভূতি জাগ্রত হলো। ভাবলাম, 'মোটেতো একটাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অসুবিধা কি?' অতপর সবাই আমার মত, আমি সবার মত। জিলাপির দোকান আগের মতই চলছে- কারোই মনে নেই- ২৫% বেশি দামে আমরা জিলাপি খাচ্ছি।


গত সরকারের চেয়ে এখন বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোটেই কম নেই। সরকারের খাস ভক্তও কেউ এ দাবী করতে পারবেনা। কিন্তু গত সরকার যদি এখনও ক্ষমতায় থাকতো তবে কি দশা হতো? শুষ্ক মওসুম আসামাত্র নির্ঘাত সারাদেশে বিদ্যুত অফিসে হামলা হতো, মিছিল, সমাবেশ, মানব বন্ধন, আলটিমেটাম, ঘেরাও- কিছু বাদ থাকতো না। সরকার পরিবর্তন হলো, শুকনো মওসুম আসলো এবং বিদ্যৎ যথারীতি তার খেল দেখাতে শুরু করলো। কিন্তু জিলাপীর কাস্টমারের মত এবার আর পাবলিক কিছু বলেনা, আন্দোলন বিক্ষোভে সকলেই শ্রান্ত। ভাবে, এটাই আমাদের কপাল, সরকারের দোষ দিয়ে কি লাভ।


বলাই বাহুল্য যে একটি সরকারের তিন মাস তার মূল্যায়নের জন্য মোটেই যথেষ্ট নয়। আর বিদ্যুত সমস্যার সমাধান বললেই হয়ে যায়না। মানলাম। সকলেই মানে। মানুষ যে একটু আশাবাদি হবে, তেমন কোন উদ্যোগ কি দেখা যায়? মাটির তলা থেকে জঙ্গি খুঁজে বের করা, (অথচ নিজের ঘরের জঙ্গিরা মাঠ তছনছ করে ফেললো), ট্রানজিট-করিডোর, দক্ষিণ এশিয় টাক্সফোর্স, খালেদার বাড়ি বাতিল, ইত্যাদি দূরবর্তী বিষয়গুলো একের পর এক সামনে আনা হচ্ছে। কোথায় দ্রব্যমূল্য, কোথায় বিদ্যুত, কোথায় ক্রমবর্ধমান ছিনতাই-চুরি। কোথায় বিশ্ব মন্দার আগ্রাসী থাবা মোকাবেলা। কোন যথার্থ উদ্যোগই অন্তত আমাদের চোখে পড়ছেনা।

প্রতিটি পাঁচ বছরের প্রান্তে এসে জনগণ আশায় বুক বাধে, এবার বুঝি পরিবর্তন। মিষ্টি মিষ্টি আশ্বাস প্রতিশ্রুতিতে তারা আরো উদ্বেলিত হয়। কিন্তু সিংহাসন আরোহন পরবর্তী সেই একই চিত্র। বাধ্য হয়ে সবাই ৫ টাকা দরেই জিলাপি কিনতে থাকে। জনগণের প্রতারিত হবার এ ইতিহাস দীর্ঘ থেকে দীর্ঘই হচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28938342 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28938342 2009-04-15 11:31:34
চলতে চলতে পরিপক্ক হয়ে ওঠা।
ইফতারের আর মাত্র মিনিট দশেক বাকি। বিলাসবহুল, কয় তারকা তা বলতে পারবোনা, হোটেলের স্যুট-টাই পরা ক্রুরা উপস্থিত সবার সামনে দুই গ্লাস করে সরবত দিয়েই খালাস, ইফতারের প্লেট এখনও দিচ্ছেন না, দেওয়ার কোন আয়োজনও চোখে পড়ছেনা, ঘটনা কি? একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর উদ্যোগে সীমতি পরিসরে নিজস্ব লোকজন নিয়ে ইফতার। টেবিলের চারপাশে আমরা মোট তেরজন বসা। টুকটাক কথা চলছে কর্তা ব্যাক্তিদের মাঝে। বাকিরা বিনয়ী ও মনোযোগী শ্রোতা। আমিই সর্ব-কনিষ্ঠ অংশগ্রহণকারী, ঘটনাক্রমে সেখানে দাওয়াত পেয়েছি।

বিবিধ ভাবতে ভাবছি, হঠাৎ হোস্ট ব্যবসায়ী উপস্থিত প্রধান মেহমানকে বললেন, স্যার, একটু কষ্ট করে উঠতে হবে, মেনু চয়েজ করে প্লেটে নিয়ে নিতে হবে। মেহমান উঠতে উঠতে বললেন, ও বুফে সিস্টেম? চলুন, সমস্যা নেই। 'বুফে' শুনে আমার মন চনমনিয়ে উঠলো। ভর্তি কোচিংয়ে প্রথম বুফে শব্দের সাথে পরিচয়। শব্দটির শেষে টি আছে কিন্তু উচ্চারণ টি বর্জিত। মনে পড়ে, অর্থ তখনই শিখে রেখেছিলাম, বুফে মানে ইচ্ছেমত খাওয়া দাওয়া- ধনী লোকদের কারবার, অপচয়ের মহাসড়ক। যা হোক, শব্দটি শেখার অর্ধযুগ পর আজ প্রাকটিকালি তার সাথে পরিচিত হতে যাচ্ছি- ভাবতে ভালোই লাগছে।

সবার পেছনে পেছনে আমিও চললাম। পরিচিত অপরিচিত অসংখ্য আইটেম থেকে একপিস দুইপিস করে প্লেটে উঠিয়ে নিচ্ছি। কোনটিই ছাড়তে মন চাচ্ছেনা, শত হলেও আদম সন্তান তো, মাটি ছাড়া পেট ভরেনা। এক পর্যায়ে দেখি , প্লেট পূর্ণ। প্লেট নিয়ে সবার সাথে ফিরে চললাম টেবিলে।

ইতোমধ্যে আযান শুনতে পেয়ে খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করলাম। চলছে খাবার, তবে শেষ করতে পারলাম না। বাছাই করে নিয়ে, সংযম করেও প্লেটে যা নিলাম, শেষ করতে পারলামনা। তবে উপস্থিত সবাই-ই আমার চেয়ে বেশি নিয়েও দেখলাম প্লেট ফর্সা করে ফেললেন। ঘটনা যা-ই হোক, আমি আজ নতুন এক খাবার পদ্ধতির সাথে পরিচিত হলাম, বুফে। পরিচিত জনকে বলতে পারব। খাবারদাবার পর মনে হল, শুরুতে 'বুফে' শুনে যতটুকু থ্রিল অনুভব করছিলাম, এখন কেন যেন বিষয়টাকে খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে- প্রয়োজনমত ও পছন্দমত প্লেটে উঠিয়ে নিয়ে খাওয়া । আসলে এরই নাম অভিজ্ঞতা। আরেকটি ভুল ভাঙলো, বুফে মানেই ভাবতাম, অন্তত এতদিন মনে মনে পুষে রেখেছিলাম- বুফে মানেই হচ্ছে বিপুল খাদ্যোৎসব, বিপুল খাদ্য অপচয়ের মহোৎসব। এখন মনে হচ্ছে- বুফে সিস্টেমই তো ভালো। অপচয়ের সম্ভাবনা শুন্যের কোটায়। অভিজ্ঞরা ভালো বলতে পারবেন। আমি এখানেই বর্ণনার খান্ত দেই।

শেষ করার আগে একটি গল্প বলি, ইফতারের পূর্বে মেহমান বলেছিলেন। এক ভদ্রলোক ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখলেন, একটি সিংহ তাকে ভয়ংকর গতিতে তাড়া করে ফিরছে। তিনি দৌড়াতে দৌড়াতে একটি গাছে উঠলেন, কোনরকম একটি ডালো আশ্রয় নিয়ে হাফ ছাড়লেন। হঠাৎ দেখেন ডালটির একপাশে ছোট্ট একটি মৌচাক থেকে ফোটায় ফোটায় মধু পড়ছে। তিনি খুশি মনে দুফোটা মধু মুখে দিলেন। হঠাৎ ডালের গোড়ার দিকে চোখ পড়লো। কিন্তু একি, একটি সাদা আর একটি কালো ইদুর সমানে ডালটির গোড়া কেটে চলছে। তিনি শংকিত হয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখেন একটি বিরাটাকায় অজগর হা করে আছে ঠিক তারই দিকে মুখ করে . . .।

আতঙ্কে ঘর্মাক্ত শরীরে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন ভদ্রলোক। সকালে একজন বিজ্ঞ লোকের নিকট স্বপ্নটি বর্ণনা করলেন। জিজ্ঞেস করলেন, জনাব, এই স্বপ্নের কি কোন মানে আছে? বিজ্ঞ লোক জবাব দিলেন হ্যা, আছে। যে সিংহটি তোমাকে তাড়া করেছে সেটি হচ্ছে মৃত্যু। মৃত্যু মানুষকে সবসময় তাড়া করে ফেরে। যে ডালে উঠলে সেটি হচ্ছে পৃথিবী। ফোটায় ফোটায় ঝড়া মধূ হচ্ছে পৃথিবীর সাময়ীক কিছু সুখ আর বিলাস সামগ্রী। সাদা আর কালো ইদুর হচ্ছে দিন আর রাত্রি যা অনবরত তোমার জীবন থেকে গত হচ্ছে, কমিয়ে দিচ্ছে তোমার আয়ু। আর অজগরটি হচ্ছে কবর, যা তোমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। - - - - প্রিয় উপস্থিতি, আমরা যেখানে যে অবস্থানেই থাকিনা কেন, মৃত্য আমাদের তাড়া করে ফিরছে, আর কবর আমাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। যেখানে যেতেই হবে অনিবার্যভাবে। সুতরাং বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে, দুরন্ত গতিময় পৃথিবীর কাজগুলো করার ক্ষেত্রে কবরের জবাবদিহীতা আর আখিরাতের অনন্ত জীবনের মহাসত্যকে সর্বদা সামনে রাখা। তাহলেই দুনিয়ার যেমন কল্যাণ, আখিরাতের চিরস্থায়ী জান্নাত। এই মাহে রমজান তেমনই এক আত্মশক্তি জাগ্রত করে, যা শত প্রলোভন আর সুযোগ সত্ত্বেও কেবলই মহাশক্তিশালী আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় কাজে সততা আর নীতিকে অটুট রাখতে উদ্বুদ্ধ করে, প্ররোচিত করে এবং বাধ্য করে। রমজান শেষে নিজেদের মাঝে যদি তেমন এক শক্তিশালী পুলিশের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারি তবেই একমাসের সিয়াম সাধনা স্বার্থক। আসুন সে শিক্ষাকে সামনে রেখে রমজানকে বিদায় জানাই।

মেহমানের বক্তব্য স্মরণ করতে করতে গৃহে ফিরলাম। মেহমানের সাথে সাথে আমিও একটি প্যাকেট পেয়েছিলাম। গৃহে এসে প্যাকেট খুলে দেখি, একটি টি শার্ট, একটি ডিজিটাল ওয়াল কাম টেবিল ঘরি, এবং কোম্পানীর লোগে খচিত একটি সিরামিকের মগ। ভালোই তো, খেলাম, শুনলাম, আবার পেলাম। এলোমেলো গল্প এখানেই শেষ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28849196 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28849196 2008-09-29 09:02:48
বিশ্ব সভ্যতা বিনির্মাণে আমেরিকার 'গুরুত্বপূর্ণ' অবদান।
আপনার সামনে বই থাকলে একমুহূর্তের জন্য বন্ধ করুন। ক্ষণিকের জন্য ব্লগিং থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। পাশের খোলা জানালা দিয়ে ভাবুক মনে তাকান। কল্পনা করুন আমেরিকার গতিময় সমাজ ব্যাবস্থার চিত্র। এবার প্রশ্নটি নিয়ে ভাবুন। কোন সেই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার।

উত্তর অনেকগুলোই হতে পারে। সবগুলোই হয়তো গুরুত্বপূর্ণ। তবে সঠিক উত্তর তো একটিই হবে। কি সেই জিনিস? জেট বিমান? এয়ার কন্ডিশনার? কম্পিউটার? ইন্টারনেট? তালিকায় সবগুলোই আসছে। কিন্তু . . . । কিন্তু সঠিক উত্তর হচ্ছে- 'জন্মবিরতিকরণ পিল'।

না কথাগুলো আমার না। আমেরিকার খ্যাতিমান দুজন লেখক, কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো- ফিলিপ আর ক্যাটেওরা এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জন এল গ্রাহাম তাদের বইতে এ মতামত ব্যাক্ত করেছেন।

তাদের মতে- জন্মবিরতিকরণ পিল আমেরিকার দৈনন্দিন জীবনে বিশাল প্রভাব ফেলেছে। প্রধানত, এটি আমেরিকার নারীদেরকে বোঝা বহনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছে, আর পুরুষদেরকে মুক্তি দিয়েছে ছেলেমেয়েদেরকে অধিক সঙ্গদানের মাধ্যমে সময় অপচয়ের কবল থেকে। আজ আমেরিকার বিজনেস গ্রাজুয়েটের অর্ধেকের বেশি নারী। আজ আমেরিকার দশ শতাংশ এয়ারক্রাফট ক্রু নারী। আজ আমেরিকার অফিস আদালতে কল কারখানায় নারীরা সগৌরবে বিচরণ করছে। জন্মবিরতীকরণ পিলের আবির্ভাবের পূর্বে এ ছিল এক কল্পনাতীত দৃশ্য।

.
.
.
.
আমি কুঞ্চিত নেত্রে ভাবছি। আবিষ্কারই বটে! ! নারী মুক্তির এক অব্যর্থ টনিক। এ আবিষ্কারই নিশ্চয়ই মানবতার অপূর্ণতায় 'পূর্ণত্ব' এনে দিয়েছে? মানব জাতিকে ভারমুক্ত করে বিশ্বসভ্যতায় প্রাণচাঞ্চল্য আনয়নে আমেরিকার এ 'অবিস্মরণীয়' অবদানের কি তুলনা হয়?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28844701 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28844701 2008-09-18 09:32:30
'করিম সরকার'-দের হাত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে মুক্তি পাবে?
সূর্যসেন হলে থাকার অভিজ্ঞতা আমার আছে। করিম সরকারের হাতে পড়ার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। ঢাবিতে ছাত্ররাজনীতির চাপে পিষ্ঠ ছাত্রদের হয়রানীর এটি মাত্র একটি চিত্র। প্রথম বর্ষের ছাত্রদের কি যে এক দূর্বহ মানসিক কষ্টে মাথা নিচু করে আত্মমর্যাদাবোধে লাথি মেরে করিম সরকারদের আনুগত্য করতে হয় সে অভিজ্ঞতাও আমার আছে। দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্রদের এভাবে নিগৃহিত হওয়াটা জাতির জন্য একটি কলঙ্ক বৈ আর কিছু নয়।

দীর্ঘদিন পর চলতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একটি বছরই এমন গেল যখন প্রথম বর্ষের ছাত্ররা এক নিঃসীম স্বাধীনতা ভোগ করেছিল। লিডররা সব পালিয়ে গেল। সাধারণ ছাত্ররা বিশেষত প্রথম বর্ষের ছাত্ররা বুক ভরে নিশ্বাস নিল। ওই সমস্ত লিডারদের কাউকে পাওয়া গেল নিয়মিত নামাজি, কাউকে দেখা গেল সেন্ট্রাল লাইব্রেরীতে, আর করিম সরকারকে পাওয়া গেল ব্যাগ কাধে ইভিনিং এমবিএ ক্লাসে। কিন্তু প্রথম বর্ষের ছাত্রদের কপালে সৌভাগ্য বেশিদিন স্থায়ী হলো না। আবার জেকে বসলো রাজনীতির করাল ছোবল। করিম সরকারদের বাহিনী হানা দিল আবার। আবারও সেই দাসত্বের শৃঙ্খল। পরীক্ষার কারণে হাজিরা না দেয়ায় হল থেকে উচ্ছেদ হতে হল প্রথম বর্ষের দেশ সেরা মেধাবী ছাত্রদের। প্রশাসনের ভিতরে কি অবাক করা এক শক্তিমান ছায়া প্রশাসন। যেই ছাত্ররা নিত্য মানবাধিকারের কথা বলে বিতর্কে বক্তৃতায় কিংবা লেখনিতে, তারাই কণ্ঠনালীতে বহন করে চলে এক অদৃশ্য দাসত্বের শৃঙ্খল। এদের মানবাধিকারের গ্যারান্টি দেবে কে? এই "গৌরবময়" ছাত্ররাজনীতির কি দরকার আমাদের দেশে? ছাত্রদের চরম ঘৃণার পাত্র এই সমস্ত তথাকথিত ছাত্ররাজনীতিকরা। তাইতো ছাত্রদের প্রতি এদের ন্যুনতম আস্থা থাকেনা। ২০০১ এ যেই রাতে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেল, পরাজয়ের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র ছাত্রলীগ মাঝরাতেই পালিয়ে গেল। এমন কি কেউ কেউ স্যান্ডেল পড়ারও সময় পায়নি। কেননা তারা জানে- হঠাৎ করে গণরোষে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার যদি ক্ষমতার পালা পরবর্তিত হয়, বর্তমানদেরও একই দশাই হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনেক কাজেই আমরা বিরক্ত, ক্ষুদ্ধ, আতঙ্কিত। তবে তাদের সুযোগ ছিল এই অপরাজনীতির কবল থেকে ছাত্রদের উদ্ধার করার। অন্তত একটা কাজে সবাই খুশি হত নিদারূনভাবে। কিন্তু তারা কাজে লাগালো না। এখনও সুযোগ আছে। যাবার আগে ছাত্রসমাজের অন্তত এতটুকু উপকার তারা করে যাক এটাই আন্তরিক প্রত্যাশা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হোক। গুনগত পরিবর্তন ব্যাতিত এই ছাত্ররাজনীতির জোয়াল আমরা আর কাধে রাখতে চাইনা, আর পারিনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28819107 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28819107 2008-07-11 09:35:05
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কোন মুহূর্তে ছাত্র-পুলিশ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" />
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ গতকাল সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে কোন এক বা একাধিক ছাত্রের সাথে পুলিশ কিংবা শ্রমিকদের বৎসা হয়। সম্ভবত কোন ছাত্র আহত হয়। প্রতিবাদে আজ সকালে খুবি ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে জড় হয়ে রাস্তা অবরোধ করে। পুলিশ এসে ছাত্রদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে, ছাত্ররা অনড়। এ অবস্থায় পুলিশের দুই থানা ছাত্রদের অবরোধ সরাতে ফোর্স নিয়ে হাজির হয়ে ছাত্রদের ঘেরাও করে এ্যাকশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ব্লগার মোবাইলে পুলিশের সাইরেন শুনেছে। ছাত্ররাও লাঠি, খাটের লোহার স্ট্যান্ড, ইট-পাথর নিয়ে তৈরী। কোন পক্ষ যদি ছাড় না দেয় তবে সংঘাত অনিবার্য।

আগামীকালের পত্রিকার আরেকটি হেডলাইনের উপাদান। রাজপথে কিছু তপ্ত তাজা রক্ত। পিতামাতার উদ্বিগ্ন আর্তনাদ। সন্তানের উপার্জনের আশায় বসে থাকা বৃদ্ধ পিতার দীর্ঘশ্বাস।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28798554 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28798554 2008-05-16 10:47:13
বেড়ালে খেয়ে যায় দুধের সর
আপনাকে যদি বলি বাংলাদেশে চিপসের কথা শুনলে আপনার মাথায় সবার আগে কোন ব্রান্ডের নাম আসবে? আমি নিশ্চিত আপনি বলবেন 'পটেটো ক্রাকার্স'’। যদি বলি তারপর? আপনি সম্ভবত বলবেন- 'মিস্টার টুইস্টের' কথা। বিষয় হচ্ছে, উভয়ই একই কোম্পানির ব্রান্ড। অর্থাৎ, বোম্বে সুইটস লি:। হ্যা, চিপসের মার্কেটৈর প্রায় ৬০% দখল করে আছে বম্বে সুইটস। এ কথা আমার নয়, বরং বম্বে সুইটসের প্রতিদ্বন্ধী প্রাণ ফুডের একজন পদস্থ কর্মকর্তা আমার নিকট এ স্বীকারোক্তি দিলেন। বাকি ৪০% -এ আছে প্রাণ, হক, আল-আমিন, ইত্যাদি চেনা অচেনা অনেক কোম্পানি।

চিপসে বম্বে সুইটসের ধারে কাছে কেউ আসতে পারেনি। এর অন্যতম কারণ বম্বের চেয়ে স্বতন্ত্র কোন ব্রান্ড কেউ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। যারা যাই করুক, প্রায় বম্বের সমগোত্রিয়। সেই সবুজ রংয়ের প্যাকেট, প্রায় একই ধরণের প্যাকেট সাইজ ও পণ্যের ধরণ। ফলে কাস্টমার দোকানে দেখতে পান স্তুপ করা চিপস, ধরণ প্রায় একই, মনে করেন- সবই বম্বের। কাছে এসে যখন দেখেন ভিন্ন কিছু চিপসও আছে, তখন রিস্ক না নিয়ে বম্বেরটাই কিনে ফেলেন। এখন, মাঝখানে স্বাতন্ত্র নিয়ে এলো মিস্টার টুইস্ট। কিন্তু সেও বম্বেরই পণ্য।

আপানি যদি ধানমন্ডি, গুলশান বা এজাতীয় অভিজাত এলাকায় বাস করেন, তবে সন্দেহ নেই আমার সাথে দ্বিমত করবেন। আপনি বলবেন, আমিতো পটেটোও কিনিনা, মিস্টার টুইস্টও কিনিনা। হ্যা ভাই আমি জানি আপনি কি কেনেন। আপনি দোকান থেকে কিনে আনেন 'লেইস'- এর চিপস-'কুড়কুড়ে'।

সত্য কথা হচ্ছে- আমি যতদূর সার্ভে করেছি, বম্বের চিপসের মার্কেটে ফাটল ধরাতে পেরেছে একমাত্র এই 'লেস'। খেয়াল করে শুনুন, এই লেস হচ্ছে ভারতীয় কোম্পানি। এরা এসে বোম্বের সাথে সরাসরি ফাইট না দিয়ে কৌশলে শুধু অভিজাত কাস্টমারদের দখল করে নিয়েছে। অর্থাৎ সারা বাংলাদেশকে টার্গেট মার্কেট না করে অভিজাত ও পয়সাওয়ালাগ্রুপকে টার্গেট করে অল্প পরিশ্রমে অধিক মুনাফা বাগিয়ে নিচ্ছে। লেসের একেক আইটেম চিপসের দাম নিম্নপক্ষে ২০ টাকা। আপনি কুড়কুড়ের নাম শুনে থাকবেন। আর উর্ধ্বে এর দাম পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যাবে। আপনি বলেবেন, সমস্যা কোথায়, এরা যদি ভাল পণ্য দিয়ে বেশি টাকা নেয়- আপনার অসুবিধা কোথায়?

হ্যা ভাই, একটু অসুবিধা আছে। চিপস এমনিতেই কোন মৌল কিংবা জরুরীপণ্য নয়, তারপরেও শুধুমাত্র আভিজাত্য বোধ উস্কে দিয়ে, মনোহর প্যাকেট দিয়ে অধিক দাম বাগিয়ে নেয়াকে আমি পকেট কাটাই বলবো। ব্যবসায়ীক পরিভাষায় একে বলে প্রাইস স্কিমিং। স্কিমিং বলতে দুধের সর তুলে নেয়া বোঝায়। অর্থাৎ ক্ষুদ্র মার্কেটে হাই প্রাইস ফিক্স করে অধিক মুনাফা তুলে নেয়ার পদ্ধতিই হচ্ছে প্রাইস স্কিমিং। আর ফাক বুঝে এ কাজটিই করছে লেস। ভিন্ন মার্কেট ধরার ক্ষেত্রে আমরা পূর্ব থেকেই ব্যার্থ, আর নিজ পাতিলের দুধের সরটুকুও চুপিসারে খেয়ে যায় প্রতিবেশি বেড়াল।




আলোচনার সারমর্মঃ

প্রথমত, বাংলাদেশে চিপসের একটি বড় বাজার রয়েছে যা সাদা চোখে ধরা পড়েনা।

দ্বিতীয়ত, চিপস মার্কেটের সিংহভাগ অধিকার করে আছে বম্বে সুইটসের বিভিন্ন আইটেম।

তৃতীয়ত, বম্বের থেকে কেউ স্বতন্ত্র কিছু সৃষ্টি করতে না পারায় এখন পর্যন্ত বম্বের মার্কেটে কেউ হাত দিতে পারছেনা।

তৃতীয়ত, বাংলাদেশের চিপস মার্কেট থেকে কৌশলে মুনাফার সিংহভাগ তুলে নিচ্ছে ভারতীয় ব্রান্ড লেস- কুড়কুড়ে।





- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
চিপস নিয়ে কাজ করছি কয়েকদিন। কাজের সুবিধার্থে আপনার নিকট কয়েকটি প্রশ্ন, জরিপ বলতে পারেন। উত্তর দিলে উপকৃত হবঃ

০১. আপনি যদি মাসে দশ প্যাকেট চিপস ক্রয় করেন, তার মধ্যে নিজের জন্য কয়টি আর অপরের জন্য (শিশু হতে পারে) কয়টি?

০২. কোন ব্রান্ডের চিপস কিনবেন তা কি আগে থেকেই ঠিক করে যান, নাকি দোকানে গিয়ে নির্ধারণ করেন?

০৩. আপনার পছন্দের চিপস না পেলে কি ফিরে আসবেন, নাকি উপস্থিত যা আছে তা থেকেই ক্রয় করবেন?
- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -



বিষয়টি নিয়ে সামনে ভিন্ন ধরণের পর্যালোচনার ইচ্ছে রয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28786412 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28786412 2008-04-09 20:07:05
ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ চাই, আপনাকে দিতেই হবে।
সম্মানিত সদস্যদের অনেকেই জানেন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ছাত্র। দেখতে দেখতে আমার চার বছরের বিবিএ শেষ হবার পথে। ইন্টার্নি করছি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাও শেষ হতে চললো। এবার. . . ?

সামনে কয়েকটি পথ-

প্রথমত, বিসিএসের ঘোষণা এসেছে বেশ কিছুদিন পর। আবার কবে আসবে তা অনিশ্চিত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব যথেষ্ট। এ বিবেচনায় বিসিএসে অংশ নিতে হলে এখন থেকেই শক্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নামতে হবে। ব্যাবসায় শিক্ষার ছাত্র হওয়ায় সাধারণ জ্ঞানে বেশ কাচা। অংকেও যথেষ্ট দূর্বল। বিসিএস প্রস্তুতি নিতে গেলে সে ঘাটতি অনেকাংশেই পুরণ হবে যা পরবর্তী যে কোন চাকরীর ক্ষেত্রে সাহায্যকারী হবে।

দ্বিতীয়ত, এমবিএ শুরু হচ্ছে চলতি মাসেই। যতদূর জানি এমবিএ যথেষ্ট কঠিন। সব দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে এমবিএতে মনোযোগ দিতে পারলেই সেখানে ভাল করা সম্ভব। ছাত্র হিসেবে গড়পড়তা। রেজাল্ট- পেছনের দিক থেকে প্লেস আছে। তাই এখানে ভাল বা গড় রেজাল্ট করতে হলে অন্য কোন দিকে বেশি একটা মনোযোগ দেয়া সম্ভব নয়।

তৃতীয়ত, বিদেশ যাবার একটা স্বপ্ন দীর্ঘদিন থেকে লালন করে আসছি। পিতার টাকায় বিদেশে পড়ার খরচ না হলেও যাবার খরচ মোটামোটি করা সম্ভব। সবার জন্য এ সুযোগ নেই। অনেকেই বলছে সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। ইতোমধ্যে IELTS পরিক্ষার জন্য যৎকিঞ্চিৎ প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছিল। মাঝখানে বেশ কিছুদিন যাবত বন্ধ। এ অবস্থায় যেতে চাইলে দেরী না করে এখনই সময়।

এই তিনটি অপশন নিয়ে পারিবারিক বৈঠকে বসলাম পিতা-মাতা আর বড় বোনের সাথে। বড় বোনের বক্তব্য- এ পর্যন্ত পারিবারিক পরিমন্ডলে কেউ বিদেশে পড়ালেখা করেনি। সুতরাং সুযোগ যখন আছে গেলে অসুবিধা কি?
মা বললেন, আমার পরিচিত অনেকেই আছেন যাদের সন্তানেরা বিদেশে। কি কষ্টই না তারা করছে। লেখাপড়া, চাকরী, রান্না, কাপড় কাচা, সব নিজ হাতে। মায়ের কাছে ফোন করে জেনে নেয় তরকারীতে কতটুকু পানি দেবে, কতক্ষণ পরে চুলা থেকে নামাবে। কি দরকার সেধে এ কষ্টের বোঝা নিজের ঘাড়ে নেবার?
পিতার বক্তব্য, তোমার নিজের কোন দিকে ঝোঁক। দেশে যোগ্য লোকের অনেক চাহিদা এবং শুন্যতা। তথাপি প্রত্যেককে নিজের ঝোঁক ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগাতে হবে। বিদেশে যেতে চাইলে আমরা সর্বোচ্চ পারবো অর্থের সংস্থান করতে। কিন্তু কোন দেশে যাবে, কি পড়বে, কি সুযোগ সুবিধা, কি খরচ, কতদিন লাগতে পারে, এর একটি সামারি দিতে হবে এবং তা তোমাকেই বের করতে হবে।

সম্মানিত গ্রুপ সদস্যদের নিকট পরামর্শ চাচ্ছি সামগ্রীক বিষয়ে। আর যারা বিদেশে আছেন, তারা বাহিরে পড়ালেখার বিষয়ে কিছু বাস্তব পরামর্শ দিবেন এ আশা অবশ্যই করতে পারি। বিশেষত চতুরভুজ যতদূর জানি অস্ট্রেলিয়াতে পড়ালেখা করছেন। তার পরামর্শ হয়তো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রদ হবে। চতুরভূজ ব্যাস্ততার অযুহাতে এড়িয়ে যাবেননা- এ দাবী করছি। আরো কেয়েকজন প্রবাসী আছেন তাদের নিকট থেকেও . .।

সর্বশেষ, জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করিয়া আমার এই পোস্টখানা স্টিকি করা হউক!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28775760 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28775760 2008-03-02 18:06:50
অবশেষে পাঁচ বছর পর হলে একটা সিট পেলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28774186 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28774186 2008-02-26 10:37:25
ভাষা দিবসে একমাত্র দাবী
হয় বাংলাকে সর্বস্তরে চালু করতে হবে
নতুবা
ইংরেজীকে সব নাগরীকের জন্য সহজতর করার ব্যাবস্থা করতে হবে।

আমার দেশের মাতৃভাষা স্বাধীন হয়েছে আজ অর্ধশতক পেড়িয়ে গেল। গ্রামের অর্ধশিক্ষিত নারী পুরুষ আজও ডাক্তারের ব্যাবস্থাপত্রের লিখন বুঝতে হাতড়ে বেড়ায় পড়ুয়ার সন্ধানে। উচ্চশিক্ষার ময়দান অচেনা ভাষায় রুদ্ধ। আদালতের রায় অচেনা ভাষায়। অফিস অর্ডার, সার্কুলার, বিজ্ঞাপণ - সে তো বিদেশী ভাষায়। জ্ঞানের জগতে, জানার জগতে, আলোর জগতে উঁকি দিতে গেলেই সাধারণ ছাপোশা মানুষগুলো দুর্বোধ্য ভাষার ছাদে দরাম করে টোকর খায়, ভাগ্যকে অভিশাপ দেয়, বড়-লোকদের গালি দেয়।

একটি করে বছর গড়ায়, আমরা নগ্ন পায়ে পুষ্প হাতে ছুটে চলি শ্রদ্ধাঞ্জলী দিতে। না পারলাম সর্বস্তরে মাতৃভাষাকে, চেনা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করতে, না পারলাম অচেনা ভাষাকে সবার মাঝে পরিচিত করিয়ে দিতে।

অতএব,

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চাই
নতুবা
প্রত্যেকটি নাগরিকের জন্য বিদেশী ভাষা শিক্ষার সহজতর ব্যাবস্থা চাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28772874 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28772874 2008-02-22 00:01:08
স্বাধীন ভাষার পরাধীন মানুষগুলো, সুন্দর আর কল্যাণের আকুতি। -ঢেকি আসে মানে?
- ওই যে, ঢেকি , ঢেকি আসে।
- কি বলছিস বাবা, ঢেকি আসে আবার কি?
- ওই যে পেটের মধ্যে ঢেকি আসে।

ছেলের কাতর কণ্ঠের অভিযোগ মা বুঝতে পারেননা। গভীর ভাবে সন্তানের মুখের দিকে তাকান। সমস্যাটা বোঝার চেষ্টা করেন। ছেলের সেই একই অভিযোগ, কণ্ঠে কান্নার দমক।
- মা, পেটের মধ্যে, গলার মধ্যে ঢেকি আসে।
-মা কোলে তুলে নেন। কদিনের জন্য গ্রামের বাড়ি বেড়াতে এসে ছেলেটা সারাদিন আগানে বাগানে ঘুরে বেড়ায়, পুকুরের হাসের গায়ে ঢিল মারে, পাটখড়ি দিয়ে গাড়ি বানিয়ে ভো দৌড় দৌড়ায়, কোথায় কি খায়, কি হলো তার? ভাবতে ভাবতে কোলের সন্তান ঢেকুর তোলে।

মা সব বুঝতে পারেন। ভালোবাসার চুমু একে বলেন, আরে বোকা, ঢেকি না, ঢেকুর। সন্তান লজ্জা পায়, মায়ের কোলে মুখ লুকায়।

হ্যা সে সন্তান আজকের আবাবিল। তখন বয়স হয়েছিল চার কি পাঁচ। শৈশবের কোন কোন স্মৃতি খুব জ্বলজ্বল হয়ে হৃদয়ে গেঁথে থাকে। সমস্যার কথা বুঝিয়ে বলতে না পারার সেদিনকার কষ্টটা আজও মনে পড়ে। কিছুতেই মনে আসছিল না ঢেকুর শব্দটি। কেনই বা আসবে। তখন তো ছিল ভাষা শিক্ষার বয়স।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -

আমার দেশের মাতৃভাষা স্বাধীন হয়েছে আজ অর্ধশতক পেড়িয়ে গেল। গ্রামের অর্ধশিক্ষিত নারী পুরুষ আজও ডাক্তারের ব্যাবস্থাপত্রের লিখন বুঝতে হাতড়ে বেড়ায় পড়ুয়ার সন্ধানে। উচ্চশিক্ষার ময়দান অচেনা ভাষায় রুদ্ধ। আদালতের রায় অচেনা ভাষায়। অফিস অর্ডার, সার্কুলার, বিজ্ঞাপণ - সে তো বিদেশী ভাষায়। জ্ঞানের জগতে, জানার জগতে, আলোর জগতে উঁকি দিতে গেলেই সাধারণ ছাপোশা মানুষগুলো দুর্বোধ্য ভাষার ছাদে দরাম করে টোকর খায়, ভাগ্যকে অভিশাপ দেয়, বড়-লোকদের গালি দেয়।

একটি করে বছর গড়ায়, আমরা নগ্ন পায়ে পুষ্প হাতে ছুটে চলি শ্রদ্ধাঞ্জলী দিতে। না পারলাম সর্বস্তরে মাতৃভাষাকে, চেনা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করতে, না পারলাম অচেনা ভাষাকে সবার মাঝে পরিচিত করিয়ে দিতে।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -

'বালক বালিকার হঠাৎ চোখে চোখ পড়লো, এক অদ্ভুত আবেশে বিজড়িত হলো, মা-বাবা-পরিবার-সমাজ সবাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হারিয়ে গেল দুজন দুজনায়।' সমাজ আর পরিবাবার ভাঙ্গার এক অব্যার্থ পুরিয়া দিলেন এক লেখক, ছাপার হরফে মলাটের ভেতরে চরে হাজির হল বই মেলায়। সবাই বাহবা জানান, কদিন পরে নাটক-সিনেমা আকারে টিভির পর্দায় হাজির হয়। বাহ বাহ, বাংলা ভাষার কি অমূল্য খেদমত। তরুন প্রজন্মের জন্য এক স্বার্থক উপহার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাত দিন মাটি করে বিজ্ঞানের জটিল আলোচনাগুলো সহজীকরণ করেন, বাংলায় শিক্ষার এক দিগন্ত খুলে দেন- কজনে রাখে তার খোঁজ, এক সীমিত পরিসরে মর্যাদ পান। টক শোতে আড্ডার বিষয় হয়না, পত্রিকায় আলোচনা হয়না। কারো মুখেও শোনা যায়না।

মানুষের গতিময়তা আর সম্ভাবনাকে সঠিক রাস্তায় চালিত করে যে ধর্ম, সুন্দর আর কল্যাণের পথ নির্দেশক, ইহ জাগতিক ও পরকালীন সাফল্যের সূত্র, সে গ্রন্থেরও অনুবাদ হয় বাংলায়। আলোচনা আর ব্যাখ্যার রচনা চলে অবিরাম, প্রকাশনার এক বিশাল কর্ণার গড়ে ওঠে বাংলাবাজার জুড়ে। কিন্তু . . কিন্তু তা যেন মাতৃভাষার জন্য কোন অবদানই নয়। আবহেলিত এক সাহিত্য বিশ্ব।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -

সুন্দর পৃথিবী গড়তে ভাষা হোক গতিময় বাহন। মায়ের ভাষায়, চেনা ভাষায় মনের কথাগুলো বাঙময় হোক। কল্যাণের সিঁড়ি হোক মায়ের ভাষা। ভাষা হোক সুন্দরের দ্যোতনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28772721 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28772721 2008-02-21 13:57:52
বিসিএস এ কোটা পদ্ধতিঃ কতিপয় বিকল্প প্রস্তাব
বিসিএস এ কোটা প্রথা নিয়ে চলছে আলোচনা। ছাত্ররা আন্দোলন করছে। কিন্তু অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ভাবে কতিপয় রাজনৈতিক বিবেকহীন ক্যাডার সংকীর্ন স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে লাঠি ধরেছে। এর যুক্তিযুক্ততা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। সকলে যেন উপকৃত হতে পারে সে জন্য উপায় বের করা যেতে পারে। আমি এ বিষয়ে কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাব করতে চাচ্ছি।

কোটা পদ্ধতি করা হয়েছে একদিকে জাতির কিছু সম্মানীয় লোকদের প্রতি সম্মান জানাতে, যেমন মুক্তিযোদ্ধারা, অন্যদিকে এদেশের কিছু সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠিকে এগিয়ে আনার জন্য, যেমন উপজাতি, প্রতিবন্ধি। আমার দৃষ্টিতে কোটা পদ্ধতি প্রবর্তনের উদ্দেশ্য অতি মহৎ কিন্তু পদ্ধতিতে গলদ আছে। অযোগ্য ডাক্তারের ছেলেকে অপারেশন করতে দিলে নির্ঘাত সে রোগী খুন করবে।

মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের গৌরব, একটি ক্রান্তিকালে তারা দেশের জন্য ভুমিকা রেখেছেন। আজীবন তারা সম্মান পাবার যোগ্য। উপজাতির লোকজন চরমভাবে সুবিধা বঞ্চিত। তাদের সুবিধা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মহিলারা অনেকভাবে সীমাবদ্ধতা নিয়ে লেখাপড়া নিয়ে করেন, সংসার পরিচালনা করেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তারা সহযোগীতা পাবার যোগ্য। জনগণের এই অংশগুলোকে সুবিধা দেয়ার জন্য কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাব করছি।

প্রথমত, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের যে যেখানে চাকরীরত আছেন তাদের ব্যাসিক বেতন ৩০% থেকে ৫০% বাড়িয়ে দেয়া হোক। উপজাতি, মহিলা, প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বেতন ১০% থেকে ১৫% বৃদ্ধি করা হোক।

দ্বিতীয়ত, অন্যদের চেয়ে তাদের বোনাস বছরে একটি বা দুটি বেশি দেয়া হোক।

তৃতীয়ত, গৃহঋন সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের জন্য শর্তসমূহ হালকা করা হোক।

চতুর্থত, এই অংশের যারা ছাত্র-ছাত্রী আছেন, তাদের বেতন মৌকুফ করা হোক। পাঠ্যপুস্তক সামগ্রী ফ্রি দেয়া হোক।

পঞ্চমত, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক ভাতা যুক্তিযুক্ত পরিমাণে বৃদ্ধি করা হোক। বেচে থাকতে তাদের সম্মান দেয়া হোক।

প্রস্তাবগুলো গ্রহন করলে অন্যদের সাথে এই জনগোষ্ঠীর বৈষম্য হবে তাবে কারো অধিকার ক্ষুন্ন হবেনা। একজনের অধিকার ক্ষুণ্ণ না করে যদি অন্যের উপকার করা হয় তাতে কারোরই আপত্তি থাকবেনা। মুক্তিযোদ্ধার অযোগ্য সন্তানদের পাবলিক সার্ভিসে নিয়োগ না দিয়ে তাদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলে এখানে নিয়োগের জন্য প্রস্তুত করা হোক।

আমারা বাংলাদেশ নামক গাড়ির যাত্রি। অস্তিত্বের স্বার্থে আমরা আমাদের গাড়িতে অযোগ্য ড্রাইভার নিয়োগের প্রতিবাদ করে যাব। প্রতিহত করার চেষ্টা করবো। সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থ পিছনে ফেলে, সব জায়গায় মৌলবাদের গন্ধ না শূকে আসুন জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করি।




লেখাটি প্রবাল গ্রুপেও দেয়া হয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28768313 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28768313 2008-02-08 17:36:28
নিশিরাতের কণ্যা
ধরতেই ওপাশ থেকে মেয়ে কণ্ঠ শোনা গেল। অবাক হলাম।

আপনি কি . . . বলছেন?

হ্যা, বলছি!

অতপর চুপচাপ। সাড়া না পেয়ে একটু তাড়া দিলাম,
'হ্যা বলুন কে বলছেন?'

খুব ধীরে সুস্থে মেয়েটি বললো, 'আমাকে আপনি চিনবেননা, আপনি কি করেন?'
বেশ আকর্ষণীয় ও ব্যাক্তিত্বসম্পন্ন কণ্ঠ, পরিষ্কার উচ্চারণ, খুবই স্মার্ট ভঙ্গি। থেমে থেমে রিলাক্স মুডে কথা বলছে।

-আমি স্টুডেন্ট। - জবাব দিলাম।

-কোথায় পড়েন?

'আমি ঢাবিতে পড়ি'।
একটু বিরতি দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম- 'কিন্তু আপনি কে, কি বলবেন বলুন'?

'আমার নাম স্পৃহা।'
স্মৃতি হাতড়ে এমন কারো নাম খুজে পেলাম না। আমার কোন ক্লাসমেট কি হবে? না তাও তো না। ইদানিং আমার ক্লাসের অনেকেই একটি ব্যাপারে ফোন করছে, সহযোগিতা নিচ্ছে, যাদের সাথে হয়তো সাধারণত ফোনালাপ কিংবা বাক্যালাপ হয়না। আমিও চেষ্টা করছি সাধ্যমত সহযোগিতা করার। কিন্তু এই নামের কাউকে . . । বুঝলাম পরিচিত না। আবার অন্য সেকশনের ও হতে পারেকি? সবার নাম তো জানিনা। ভাবতে ভাবতেই বললাম-

হ্যা, বলুন কি বলবেন? - একটু তাড়া দেই।

আপনি কি খুব ব্যস্ত? তাহলে পরে কথা বলি-

তাড়ার ভাবটা একটু কমিয়ে ঠাণ্ডা কণ্ঠে বললাম, 'না ব্যাস্ত না। বলুন কি বলবেন?'

আপনি কোথায় থাকেন?

শান্ত কণ্ঠেই জায়গার নাম বললাম।

'তাহলে তো বেশি দূরে না'- স্পৃহা মন্তব্য করলো। ' আচ্ছা এমবিএ কোথায় করবেন? ঢাবিতেই না দেশের বাহিরে?'

'সিদ্ধান্ত নেই নি'।
একটু থেমে বললাম- 'জ্বি, আপনি কি করেন, কি জন্য করেছেন বলুন'?

'আমি নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ফার্স্ট সেমিস্টারে পড়ছি।'
একটু বিরতি দিয়ে বললো, 'জ্বি ভাইয়া, প্রয়োজন ছাড়া কি কথা বলা যাবেনা? আপনার সাথে যদি এই কয়েক মিনিট কথা বলি তাতে তো কোন অসুবিধা হবার কথা নয়।'

আবারও হোচট খেলাম। রাত বিরাতে তো আমার কাছে কোন মেয়ে কখোনো ফোন করেনা।

আমার বিরক্ত হবার কথা ছিল, কিন্তু তার কথা বলার স্টাইল বিরক্ত হতে দিচ্ছিলনা। ভাবলাম ভদ্র ভাষায় বিদায় করি।
জবাব দিলাম, 'প্রয়োজন ছাড়া কথা বলার মত সময় তো আমার নেই।'

-আপনি ব্যাস্ত এখন। তাহলে সকালে করি?

-না সকালেও আমার কাজ আছে।

-তাহলে কখন ফ্রি থাকবেন বলুন। সে সময়ে করি।

-দেখুন প্রয়োজন ছাড়া কথা বলার মত ফ্রি সময় আমার নেই।

-কেন প্রয়োজন ছাড়া কি মানুষ কথা বলেনা? একটি ছেলে একটি মেয়ের সাথে কিছুক্ষণ কথা বলবে তাতে কি প্রয়োজন খুব জরুরী বিষয়? এই যে আপনার নিকট থেকে ব্যাস্ততার মধ্যেও পাচ মিনিট সময় নিয়ে নিলাম। আরও পাঁচ মিনিটও আপনি দিতে পারবেন।

-দেখুন, আমি এ ব্যাপারে আগ্রহী নই। আর মাঝ রাত গল্প করার মত অনেক ছেলেকে আপনি ঢাকা শহেরে পাবেন।

-আপনি কি ভাবছেন আপনাকে আমি খুঁজে বেড়াচ্ছি?

-সেটি আপনি ভাল জানেন।

-জ্বি না। আর আপনাকে আমি সবসময় ডিস্টার্ব করবো না। আপনি বিরক্ত না হলে মাঝে মধ্যে হয়তো কিছুক্ষণ কথা বলবো। কিছুটা সময় কাটাবো।

-আমি তো বললাম এ ব্যাপারে আমি আগ্রহী নই।

'-অদ্ভুত ব্যাপার। ছেলেরা তো মেয়েদের সাথে কথা বলতেই চায়। আপনাকেই ব্যাতিক্রম দেখলাম!' -খুনসুটির মতই শোনালো কথাটি।

-আমার নম্বর কোথায় পেয়েছেন?

-নম্বর পাওয়া তো খুব বড় বিষয় নয়। আপনি কি আল্পনাকে (সঠিক নামটা মনে পড়ছেনা) চেনেন?

-এই নামে কাউকে চিনি বলে মনে পড়ে না।

আমি একটু লম্বা নিশ্বাস নিয়ে ধীরে সুস্থে বলি, - 'আমার নম্বর আপনি কষ্ট করে যোগার করেছেন, আমি কোথায় থাকি তা আপনি জেনে নিয়েছেন আগেই, আমি কিসে পড়ি তাও আপনি জানেন, শুধু আমি কি ধরণের ছেলে এইটুকুই জেনে নিতে পারলেননা? তাহলে তো আর আপনাকে কষ্ট করে ফোন করে মোবাইলের টাকা খরচ করতে হতো না। স্যরি।' . . . লাইনটা কেটে দিলাম।

চেয়ারে হেলান দিয়ে কতক্ষণ ঝিম মেরে বসে রইলাম। ধীরে ধীরে বই খাতা গুছিয়ে বিছানার দিকে অগ্রসর হলাম। আমার জীবনে ছোট্ট কিন্তু নতুন একটি অভিজ্ঞতা যোগ হলো।



আমার কাছে মনে হচ্ছে এই ছোট্ট ঘটনাটিকে অনেকভাবেই ব্যাখ্যা করা যায়।

সত্যি ঘটনাটাকে গল্পের আবহ দেবার চেষ্টা করলাম। নতুন লেখক। গল্প লেখার অভিজ্ঞতা নেই। 'প্রবাল যাচাইয়ে' আমার প্রচেষ্টা আর সম্ভাবনা এবং গলদ নিয়ে কি ধরণের মূল্যায়ন হয় দেখার অপেক্ষায় রইলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28764545 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28764545 2008-01-27 00:43:56
এলাকার শিশু মন্ত্রী
বাড়িওয়ালাদের মধ্যে নড়চড় শুরু হয়ে গেল। এশার পরে সবাই মসজিদে বসলো। সবার পেছনে আমিও হাজির। ঘটনাক্রমে কয়েকজনের প্রস্তাবনায় আমাকে করা হলো শিশু প্রতিনিধি। মানে এলাকার শিশু মন্ত্রী।

কি করা যায়। দু একটি কর্মসূচির কথা বলুনতো। ভাবছি এলাকার শিশু ও মুরব্বীদের মধ্যে জেনারেশন গ্যাপ দূর করার জন্য এক শিশু সমাবেশের আয়োজন করবো। মুরব্বীরা তাদের শৈশবের চমকপ্রদ স্মৃতি বর্ণনা করবেন। শিশুরা মজা পাবে।

ব্যাস্ত নগর জীবনে আর কি করা যায়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28763769 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28763769 2008-01-24 12:23:13
চলতে ফিরতে একটুখানি নীল বেদনা।
ফেরার পথেই ঘটলো বিপত্তি। ভিড় ঠেলে সামনে এগুতেই ব্যাগ ফুড়ে কাটা বেড়িয়ে ঢুকে পড়লো বিপরীতে আসা ছোট্ট ছেলেটির পায়ে। এগার কি বারো বছরের ছোট্ট ছেলেটির পায়ের নরম গোশতে ইঞ্চিখানেক তো ঢুকলোই। সাজি মাথায় ছেলেটি উহ বলে থেমে গেল। থমকে দাড়িয়ে আতঙ্কে মুহূর্তেই বসে পড়লাম। কাটা বের করলাম। লোক জমে গেল। গরিব 'মিনতি', কেউ কেউ পরামর্শ দিল কিছূ টাকা দিয়ে দিন, ওষুধ কিনে নিবে। ওকে ধরে রাস্তায় নিয়ে এলাম। কি ভেবে রিক্সায় করে বাসায় নিয়ে এলাম। রিক্সায় বসে কথা হলো টুক টাক। মা পরের বাড়ি কাজ করেন। বাবা রিক্সা চালান। স্কুলে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। গেলে হয়তো এখন চতুর্থ কি পঞ্চম শ্রেণীতে থাকতো। বাসায় এনে ওষুধ লাগিয়ে দিলাম। এবং . . .

এ তিনদিনে কয়েকবারই প্লেটে পড়েছে আইড় মাছের টুকরো। ভাতের সাথে মিশিয়ে লোকমা মুখে দিতেই প্রতিবারই পেটের ভিতর মোচড় দিয়ে ওঠে। ছেলেটার কি হলো, অল্পতেই ঠিক হয়ে গেলতো, নাকি...। বাসায় শুয়ে কষ্ট পাচ্ছেনাতো। 'আইড় মাছের কাটা' , নাম ডাক শুনেছিলাম। খারাপ কিছু হয়নিতো . . .। নাহ, অলুক্ষুণে ভাবনা কেন বারবার মাথায় আসে।

আমার কি আর কিছূ করণীয় ছিল? হয়তো ছিলনা। হয়তো ছিল। হয়তো রাজধানীর এলিট শ্রেণীর তকমা অনুভব করে বিরত ছিলাম। হয়তো . . .। আর কিছু ভাবতে পারিনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28762583 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28762583 2008-01-20 12:24:57
আমার কলিজা ফুটো করার অধিকার আপনাকে কে দিল?
আমার ডিপার্টমেন্টের হেড ধুমছে বিড়ি ফোকেন, ভাইভা বোর্ডেও তার সিগারেটের ধোয়ার প্রশ্নের উত্তর দেয়া দায়। আরেক পিএইচডি অধ্যাপক তো একদিন টাকাই দিলেন সিগারেট কিনে আনার জন্য। রাস্তাঘাটে হাটে বাজারে চলে সিগারেট পোড়ার মহোৎসব। নিম্ন শ্রেণী কি উচ্চ শ্রেণী একযোগে পাইকারী দরে তামাক সেবন করে চলছে। করুন, আপনার পয়সা আপনি খরচ করুন, পানিতে ফেলে দিন, নিজের পায়ে মারার জন্য কুড়াল কিনতে খরচ করুন, যা ইচ্ছে তাই করুন। আপত্তি অন্যখানে। বিষাক্ত সিগারেটের ধোয়া গিলতে আমাকে কেন বাধ্য করেন? পাশ থেকে হেটে যাবার সময় কেন আমাকে এক কুন্ডুলি বিষ উপহার দিয়ে যান? অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকার সময় কেন নিরবে গিলতে বাধ্য করেন নিকোটিনের বহর? মানবাধিকার নিয়ে আপনাকেই তো গলা ফাটাতে দেখি। আমার সুস্থ্য থাকার অধিকার কি তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেবার মত? তামাক বিরোধী-মাদক বিরোধী কনসার্টে আপনাকেই তো সবচেয়ে বেশি নাচতে দেখি।

দয়া করে মেকি ভদ্রলোক সাজার চেষ্টা করবেননা। আপনার মত ভদ্রলোকের চেয়ে ঝুটিধারী জঠাধারী গঞ্জিকাসেবীরা অনেক উত্তম, যা করার বটতলায় করে। ঐ ফুটপাতে সারাদিন চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা হেরোইঞ্চিরাও উত্তম, অন্তত ছুড়ি নিয়ে অন্যের কলিজা লক্ষে ছুটে আসেনা।

প্রাইমেরি সেকেন্ডারী পাশ করেও, আত্নঘাতি কর্মকান্ডকে যদি স্মার্টনেস এর কাতারে ফেলতে দেখা যায় তখন কি বলার থাকে?


নাকি শিক্ষা ব্যাবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তুলবো? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28760271 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28760271 2008-01-12 12:43:01
অ-গুরুত্বপূর্ণ আলাপচারিতা।
'খাটি সরিষার তৈল' বিজ্ঞাপনের বুড়ো লোকটি নাকি জীবনেও অভিনয় করেননি। অকস্মাত কে তাকে সিলেক্ট করলো, হয়ে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা। আবার বহু অভিনেতা আছেন, জীবন পার করে দিলেন, আফসোস, আজীবন সাইড নায়কই থেকে গেলেন।

শিল্পী হায়দার হোসাইন ছিলেন সামরিক অফিসার, জীবনের শুরুতে মাঝেমধ্যে টুং টাং বাজাতেন। কার পরিবর্তে যেন গানে কণ্ঠ দিলেন- আর যায় কোথায়, সুপার হিট। আবার চারুকলার পাশে ঝুটিধারী কিছু গায়ক পাওয়া যাবে। পাটুয়াটুলি ঘুরতে ঘুরতে জুতার তলা ক্ষয়, কেউ তার একটি এ্যালবাম বের করেনা।

মাহমুদুর রহমান, সাবেক আলোড়ন সৃষ্টিকারী জ্বালানী উপদেষ্টা। বহুদিন বাংলা লেখেননা। জীবনেও পত্রিকায় লেখেননি। কোন্ এক সাংবাদিকের অনুরোধে লিখলেন, সুপার হিট। জরুরী অবস্থায় সবার লেখা যখন ফ্লপ, অল্প সময়েই তিনি পাঠক প্রিয়। আবার কিছু লেখক আছেন যাদের চুল দাড়ি পেকেছে লিখতে লিখতে। কিন্তু আফসোস কেউ তার 'মূল্যায়ন' করতে পারলোনা। আমার পাশের বাসার অবসর প্রাপ্ত ভদ্রলোকটির কথাই ধরুন। অর্থনীতি-পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে সদ্য একটি বই লিখেছেন। ইদানিং চেষ্টা করছি তাকে এড়িয়ে থাকার। কেননা দেখলেই যা বেলতে চান- এই বই তো তোমাদেরই পড়তে হবে, তোমার বন্ধু বান্ধবদের বলবে, না বললে জানবে কি করে ওরা, খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি। ইত্যাদি ইত্যাদি।

সার কথা হচ্ছে - প্রতিভা চাপা থাকেনা। আপনি হয়তো আমার চেয়ে বেশি উদাহরণ দিতে পারবেন, আরো আকর্ষনীয়।

কিন্তু- - -
পরিকল্পনা করে পরিশ্রম করে অসাধ্যকে সাধন করেছেন- এমন উদাহরণ তো ভুরি ভুরি। মাকড়সার জাল বোনা দেখে অষ্টম বারে যুদ্ধ জয়ের কাহিনী তো মশহুর। লাইট পোস্টের নিচে বই পড়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হবার ইচ্ছাও তো পূরণ হয়েছে পরিশ্রমের জোড়ে।

সমস্যা হচ্ছে- আমার মাথায় সব সময়ই পরিশ্রমের পরিবর্তে 'প্রতিভা চাপা থাকেনা' এমন ফিলোসোফি প্রাধান্য পাচ্ছে। তাই দায়িত্ব নিয়ে পড়ালেখার চেয়ে যখন যা মন চায় তাই করার দিকে ঝোক বেশি। ভাবটা এমন- যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই। এখন আমার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দেয়ার সময়। চাকরির ভাইভা দেয়ার সময়। কিন্তু মাথায় কাজ করে- আরে যোগ্যতা থাকলে চাকরি হবেই, এমন জায়গায় হবে যে সবাই তাকিয়ে থাকবে। দুচারজন এমন তো আছে যারা ছাত্র জীবনে আহামরী কিছূ ছিলেননা- পেশা জীবনে হিট। বন্ধুবান্ধবদের উস্কানিতে আরেক ডিগ্রি স্ফীত হই- 'দোস্ত তুমি যে কি আমরা জানি, তোমার দেখবা ভালো যায়গায় হবে।' অথচ রেজাল্টের অবস্থা গয়া। গ্রুপে পড়তে হয়। গ্রুপের সবচেয়ে খারাপ রেজাল্ট আমার।

এই সব নিয়ে কেটে যায় দিন। রুটি রুজির ধান্ধা করতে ইচ্ছে হয়না। ঐযে চিন্তা আছে মাথায়- যোগ্যতা থাকলে হবেই।

আমি কি লাইনে আছি না বেলাইনে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28756864 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28756864 2008-01-05 07:59:10
প্রতিবাদের এ কেমন ভাষা ?
বাবার মৃত্যুর পর সন্তানরা বাবার নসিহত নিয়ে ভাবতে লাগলো। তারা এবার নতুন কবর খুড়ে লাশের কাফন চুরি শুরু করলো। গ্রামবাসী বলতে শুরু করলো- এর চেয়ে ওদের বাপই ভাল ছিল।

ব্লগের ফ্রন্ট পেজের অবস্থা দেখে যে কারো আক্কেল গুড়ুম অবস্থা হবে। কোন এক রাজাকারের 'অশ্লীলতার' প্রতিবাদে এরা যা শুরু করেছে তা দেখলে কাফন চোরেরাও লজ্জা পাবে। অশ্লীলতার চুড়ান্ত সীমানা এরা অতিক্রম করছে। হেন কোন শব্দ নেই যা এদের মুখে আটকায়। বড় বেদনার বিষয় হচ্ছে এরা বর্ম হিসেবে ব্যাবহার করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। যে কোন বিবেকবান মানুষ স্বীকার করবেন মুক্তিযোদ্ধার চেতনার এমন কদাকার ব্যাবহার আজ শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা দেখলে অশ্রু ছেড়ে কাঁদতেন।

আসুন দলমত নির্বিশেষে এই সব অশ্লীল রুচিহীন ব্লগারদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বর্ষণ করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28754285 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28754285 2007-12-27 14:00:00
দীর্ঘশ্বাস
এ দোকান ও দোকান করে এক পর্যায়ে সেই কাঁচা বাজারে গিয়ে হাজির হলাম। পুরো বাজার টহল দিলাম। ফিরলাম ঘণ্টাখানেক পর। ব্যাগ ভর্তি ইন্ডিয়ান পিয়াজ।

কি বলবেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28753727 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28753727 2007-12-25 09:03:35
একুশে টিভির মিথ্যাচার এবং ক'টি প্রশ্ন
দুয়েকদিন আগে,তারিখটি মনে নেই, টেলিভিশনের সামনে বসে ছিলাম। ইটিভিতে দেখাচ্ছিল শেরপুরে জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান কিভাবে অপরাধ করেছেন যুদ্ধকালীন। একজন বর্ণনা দিচ্ছিলেন জনাব কামারুজ্জামান কিভাবে 'বাইড়াইয়া' তার সামনের পাটির দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। - আজ যদি ব্লগে না বসতাম তবে হয়তো জানতামনা প্রমাণটি মিথ্যা এবং ইটিভি এজন্য দুখ প্রকাশ করেছে। এবং অসংখ্য মানুষ এ তথ্যের বাহিরেই থেকে যাবে।

প্রশ্ন হচ্ছে,
প্রথমত,১০ সেকেন্ডের দুখ প্রকাশ করেই ইটিভির দায়িত্ব শেষ? এটি কি চর মেরে স্যরি বলার মত নয়?

দ্বিতীয়ত,মিডিয়ার এমন নৈতিকতাহীন কর্মকাণ্ড মিডিয়া কতৃক প্রচারিত প্রত্যেকটি সংবাদকেই কি প্রশ্নবিদ্ধ করবেনা?

তৃতীয়ত, একটি কথা বারবার ঘুরে আসছে, স্বাধীনতাপরবর্তী ৩৭ বছরে কেন একটি মামলাও হলোনা। এই দাঁতহারা ব্যাক্তি অন্তত একটি ফৌজদারী মামলাতো করতে পারতো। তাহলে কি ধরে নিতে হবে নির্দিষ্ট ব্যাক্তি বা দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে এতবছর আদালতের শরণাপন্ন না হবার পেছনে তথ্য প্রমাণের এমণ বেহাল দশাই দায়ী?



লক্ষণীয়, যুক্তিভিত্তিক যে কোন দ্বিমতকে স্বাগতম। এবং আমার বুঝবার জন্য জরুরীও। তবে নিছক গালাগালি কিংবা গলাবাজির বিরুদ্ধে পূর্বের মতই ব্যাবস্হা নেয়া হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28752755 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28752755 2007-12-20 00:00:15
আপনার সফলতা আপনাকেই আদায় করতে হবে। সমাজে মানুষ একাকী চলতে পারেনা। পারস্পরিক আদান প্রদানের মাধ্যমেই মানুষ টিকে থাকে। অন্যের প্রয়োজনটিকে উপলব্ধি করে সে অনুযায়ী তার হাতে পণ্য বা সেবা তুলে দিতে পারলে সে নেবেই। বিনিময়ে আপনি তার নিকট থেকে পূরণ করলেন আপনার প্রয়োজন- অর্থাত্ টাকা । যে অন্যের প্রয়োজনকে ঠিক ভাবে উপলব্ধি করতে পারবে, সবার আগে উপলব্ধি করতে পারবে এবং সে অনুযায়ী তার হাতে পণ্য তুলে দিতে পারবে, সেই সফল। জীবনের প্রারম্ভে সে কোনদিন মার্কেটিং পড়ুক আর নাই পরুক।
এখন আপনি অন্যের প্রয়োজন ঠিক ঠিকভাবে উপলব্ধি করলেন, সে অনুযায়ী পন্য বা সেবা তৈরি করলেন, কিন্তু তাকে বুঝাতে সক্ষম হলেননা যে এটিই তার কাঙ্খিত বস্তু, তবে আপনার সব চেষ্টাই মাটি। ভিক্ষুকটি সে ক্ষেত্রে সফল। আর বিজ্ঞাপন শিল্পটির আবির্ভাব সে প্রযোজন পুরনেই।
ব্যবসায় শিক্ষার অন্যতম অনুসঙ্গ মার্কেটিং সম্পর্কে সামান্য কিছু বলার চেষ্টা করলাম। আপনি হয়তো আমার চেয়ে ভাল জানেন। শেয়ার করুন, ক্ষতি কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28751499 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28751499 2007-12-14 12:51:21
এদেরকে প্রতিরোধ করুন। ব্লগের পরিবেশ সুন্দর করুন। সংখ্যায় এরা স্বল্প, কিন্তু দলবদ্ধ। নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। এদের একটি গ্রুপ ঢাবির চারুকলা-নাট্যকলার কয়েকজন ঝুটিওয়ালা। কোন রুচিশীল পোস্ট দেখলেই এরা পন্থি খোঁজে। ইসলামের কোন গন্ধ পেলে তো কোন কথাই নেই। আর রিরংসা তাড়িত রসের আলোচনায় এদের কি-বোর্ড থেকে মধু বর্ষিত হয়। অপ্রয়োজনীয় ও অসুয়া তাড়িত লেখা সবাই মিলে রেটিং দিয়ে পোস্ট তালিকার শীর্ষে রাখে। এদের বক্তব্য বুশের মত, 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে' আমার সাথে যাদের দ্বিমত, তারা সবাই আল-কায়েদা।

নতুন কোন ব্লগার কোন সাহসী সত্য কথা লিখে মুহূর্তেই পিছু হটেন এদের আক্রমণে। এদের অধিকাংশই সেই মতের সদস্য যাদের কণ্ঠের আওয়াজ শোনা যায় তিন মাইল দূর থেকে কিন্তু কাছে এলে দেখা যায় সাতজন বক্তা ৩ জন শ্রোতা। সুতরাং হতাশ হবার কিছু নেই । আপনি এগিয়ে এলেই এরা লেজ উচিয়ে পালাবে।

রুচিশীল সাহসী লেখকদের করণীয় হতে পারে-
প্রথমত, অশ্লীল ব্লগারদের ব্লক করে দিন।
দ্বিতীয়ত, অসুয়া তাড়িত ও বাজে লেখা গুলোর রেটিং কমিয়ে দিন।
তৃতীয়ত, সুন্দর লেখা রেটিং করুন এবং সমর্থন দিন।
চতুর্থত, ভাল লেখকদের চিনুন এবং যোগাযোগ রাখুন।

অন্ধকার বিতাড়িত করতে হলে আলোকে সামনে আগাতে হবে। একটি সুন্দর ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার ব্লগ তৈরীতে সকলে এগিয়ে আসুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28751067 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28751067 2007-12-12 11:42:43
শিক্ষকদের মুক্তির বিষয়ে ভারসম্যপূর্ণ দাবী করা হোক।
কথা সুস্পষ্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতির অহংকার। তবে অপরাধীরা জাতির কলংক।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28750538 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28750538 2007-12-09 23:30:18
দেখা যাক কি হয়। http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28750305 http://www.somewhereinblog.net/blog/gampotblog/28750305 2007-12-09 01:22:57