কয়েকজন ব্লগারের কাজ দেখলে খোদ গোয়েবলসও লজ্জা পেত নিসন্দেহে। ওরা নিজেরা ব্লগে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, যাদেরকে উত্যক্ত করে, আবার তাদের ঘাড়েই অস্থিরতার দায় চাপায়। কি বিচিত্র সব মানুষ এরা। কোন টনিক যে এরা খেয়েছে এরা নিজেরাও বোধ হয় জানেনা।
প্রায় সব পোষ্টই জামায়াতের প্রচারণায় করা হয়। গুণে দেখেন, শত শত হিংসাত্মক মিথ্যা ও অপবাদমূলক পোস্টের বিপরীতে মাত্র কয়েকটা ডিফেন্সিভ পোস্ট আসে জামায়াতের বিপক্ষে। এ ব্লগের কয়েকজন অতি উৎসাহি হিংস্র মনোভাব সম্পন্ন ব্লগার রয়েছেন যারা একের পর এক জামায়াতের পক্ষে উস্কানীমূলক পোস্ট দিয়ে যান। এরা ঘুমের মধ্যও জামায়াতের স্বপ্ন দেখেন, আর সকাল বিকাল পোস্ট দেন। যাচ্ছে তাই গালিগালাজ করা এদের কাছে ডাল ভাত। এদের একজন অস্ট্রেলিয়া, জার্মানী ও দেশ থেকে এ ব্যাপারে এ্যাসাইনমেন্ট প্রাপ্ত। আরেকজন মাদকাসক্ত গালিবাজ ব্লগার যাকে সবাই কামরু রাজাকারের পোলা বলে জানে। এরা হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে পোস্ট দেন- গেল গেল গেল- এরা ইসলাম নিয়ে গেল। সবাই মিলে চলে কতক্ষণ তামাশা আর অশ্লীল গালাগালি। কিছুক্ষণ পর আরেকজন লম্ফ মেরে ওঠেন- ওভাই আপানারা করেন কি, শিগগিরই আসেন, ইসলামের তো এরা হোগা মাইরা দিল। আরেকজন পোস্ট দেন, আচ্ছ বলেন তো গোলাম আজমকে সবাই থুথু দেন কেন?
এ তো কয়েকটা মাত্র বললাম, এভাবে একের পর এক যখন পোস্ট আসে, তখন জামায়াত বিরোধী কিংবা প্রকৃত ঘটনা জানা কোন ব্লগার সত্য ঘটনা জানিয়ে পোস্ট দেন, তখনই ওদের চর্ম জ্বলতে শুরু করে। শুরু করে হৈ চৈ।
কি অদ্ভুত এদের চরিত্র। এরা ব্লগ উত্যক্ত করবে, কিন্তু তার জবাব কেউ দিলেই তারা দোষি। এদের মামাবাড়ির আবদার যে কত শুনতে হবে, তা কেউ জানেনা। তবে এতের মিথ্যাচারের ফানুস নিভু নিভু প্রায়। কেননা, সত্য কখোনো চেপে রাখা যায়না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



