জাগো যে পাবলিক জাগায় দিছে এইটা শিউর
দেশে এখনো মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মেরই দিন চলতেছে। নতুন প্রজন্ম নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়ার জন্য নানান কাজ কর্ম করার চেষ্টা করে। কিন্তু মাই ডিয়ার, এইটা বাংলাদেশ! সবাই তৈলাক্ত বাঁশের অংকে অভিজ্ঞ। নতুন প্রজন্মের যে কোন প্রজেক্ট ১ হাত আগাইলে ২ হাত পিছায়। আন্ত কোন্দল, কুৎসা রটনা, অদক্ষতা এবং নেতৃত্বের অসাড়তার মত পূর্ববর্তী প্রজন্মের অনেক দোষের উত্তরাধীকারীদের বেশ কষ্টই হচ্ছে ফোকাসে আসতে।
কিন্তু মাম্মি-ড্যাডির সব চকলেট পোলাপাইন, কোনখান থেকে ফাল দিয়া আইসা জাগো বইলাই এক দানেই ফোকাসে চলে আসলো!
আজীবন হিমুর হলুদ পাঞ্জাবীর স্বপ্ন লালন করা মধ্যবিত্ত তরুনেরা চেয়ে চেয়ে দেখলো আধো বাংলা আধো বাংলিশে, চকলেটরা হলুদ টি-শার্ট গায়ে দিয়েই কি সুন্দর সফল হয়ে গেল।
একটা গ্রুপ অবশ্য স্বাভাবিকভাবেই জাগো'র ভলান্টিয়ারদের দেখে অন্য কোন কারনে ক্রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে, ওদের নিয়ে বেশী কিছু বলার নেই, এরা পার্সোনা ইস্যুতেও ক্ষেপছিল!
তবে যাই হোক, লিগ্যালি স্পিকিং, জাগো'র পোলাপান ও তাদের কাম কাজের উপর প্রচুর বাংলাদেশী নাগরিক ক্ষেইপা গেছে।
কারন, ওদের ক্যাম্পেইন বাংলাদেশের মূলধারার প্রতিফলন না কিন্তু মাম্মি-ড্যাডি এবং হেভি ফান্ডের জোড়ে মূলধারার ফোকাসটা নিয়া গেছে, এমনকি ডঃ জাফর ইকবালও তাদের সাথে সশরীরে অংশ গ্রহন করেছে।
নিন্দুকেরা ঘটনা বের করছে যে, বিভিন্ন কর্পোরেট এদের স্পন্সার ছিল এবং আমেরিকান এ্যাম্বেসী স্বয়ং এদের অর্গানাইজ করছে। আর মাম্মি-ড্যাডিরা তো ছিলই।
বাস্তবতা হইলো, আমরা মধ্যবিত্তের পোলাপান আজীবন ফালাফালি কইরা যা করতে পারি নাই তা কিছু মাম্মি-ড্যাডির চকলেট পোলাপান করে ফেলছে।
এইটা বাংলাদেশ, যার মাম্মি-ড্যাডি আজকে সমাজের মা-বাপ ওরাই এই সমাজের ফিউচার মা-বাপ। আমরা আজকে এই সমাজের দৌড়ের উপরে থাকা জনগণ, আগামীতেও তাই থাকুম।
তয়, এই সব চকলেট পোলাপান তৈরী মাঠে পাতানো খেলায় জিতার মত করে মিডিয়ায় যেই দান টা মারলো, এইটা দেইখা যদি আমরা সত্যিকার ভাবে জেগে উঠতে পারি তাইলে কিন্তু ইতিহাস লেখার কালি ও কলম আমাদের দখলেই আসবে।
হয়তো এই জাগো শব্দটা আমাদের কানে পৌছে দেবার জন্যই এত কিছু হলো।
আওয়াজ কিন্তু কানে পৌছাইছে, জাগো!!!
আর জাগতে না পারলে, এই গান শুনেন,
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



