৪৭ এ যেই ভাগ হলো সেটার সবচেয়ে বড় আঘাতটা এলো আমাদের উপর। সব কলকারখানা গিয়ে পড়লো পশ্চিমবাংলা'র এলাকায়, পাকিস্তান ফেডারেশনে যতদিন ছিলাম তখনও কলকারখানা সব হলো পশ্চিমে!
তৎকালীন পাকিস্তান ফেডারেশনের নেতৃত্ব কাশ্মীর নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিল যে আমাদের সাথে হওয়া এই অবিচারের দিকে কেউ আলোকপাত করলো না! পাপিস্তানীরা তো নয়ই বাঙাল নেতারাও বিষয়টা টের পেল না!
যুদ্ধ এবং রাজনীতিবিমুখ শান্তিপ্রিয় আমাদের জনগণও এই বিষয়ে ভূমিকা রাখার মত অবস্থায় ছিল না।
কিন্তু বিপদটা প্রকাশ্যে আসলো স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পর।
আজ ৪০ বছর ধরে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ তাই মনের দুঃখ অনেকটাই লাঘব হয়েছে। কিন্তু আমরা যেই অবিচারের শিকার হয়েছি দেশভাগের সময় তার সমাধান কি?
আমাদের জনসংখ্যা আর কৃষিজমি'র অনুপাত মোটেও মিলছে না! আজকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি'র জন্য আমরা দেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন করতে গেলেও বিরাট ঝামেলা হবে!
জনসংখ্যা এবং কৃষি এই ২টার মাঝে সুস্থ অনুপাত বজায় রাখতে গেলে আমাদের বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে যা, সময়স্বাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়!
এটুকু বলা দরকার যে আমাদের ভূমিতে বাসস্থান, শিল্পায়ন এবং চাষাবাদ ৩টাই করা হবে কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মে এবং প্রচলিত পদ্ধতিতে সম্ভব নয়। আমাদের ভাগে যেই অযৌক্তিক পরিমানের জমি রয়েছে এটা মেনে নেয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

